Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে। আর সামনে কাটআউটের উপর লেখা থাকবে ‘ভোট ফর নেশন’, ‘ভোট দিয়ে আমি গর্বিত’... এমন আরও অনেক কিছু। উদ্যোগটা নির্বাচন কমিশনের। ভারত ইদানীং ভীষণভাবে সেলফি পাগল হয়েছে। সেলফি বা ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা আপলোড করার মধ্যে এক অপার্থিব সুখের হদিশ পেয়েছে আপামর ভারতবাসী। শুধু আট থেকে আঠারো নয়, তিন কুড়ি বয়স পেরিয়েও এই প্যাশনে মেতেছেন বহু মানুষ। নির্বাচন কমিশনের ভাবনাতেই ছিল, যদি এমন কিছু করা যায়, তাহলে নিশ্চয়ই ভোটদানের অনুপাত বাড়বে! অন্তত স্টেটাস আপডেট করার জন্য মানুষ, বিশেষ করে নতুন ভোটাররা বুথমুখো হবেন। সাধুবাদ দেওয়ার মতো উদ্যোগ। ছ’দফার ভোট শেষে ভালোরকম সাড়া কিন্তু ফেলে দিয়েছে এই ভোটার সেলফি পয়েন্ট। একটা কিন্তু এরপরও তুলতে হচ্ছে... ওই বড় বড় হরফে ‘ভোট ফর নেশন’ কথাটা নিয়েই। সত্যিই কি ভারতের নামে, দেশের নামে ভোট হচ্ছে?
উত্তরে ‘না’য়ের পাল্লাই বেশি ভারী। কেন? ছ’-আটমাস আগে যখন ভোটের উনুনে আঁচ দেওয়া শুরু হচ্ছিল, তখন বিষয়টা ওই ‘আচ্ছে দিন’ বা ‘রাফাল’ বিতর্কেই সীমাবদ্ধ ছিল। নরেন্দ্র মোদি-রাহুল গান্ধীর তীব্র বাদানুবাদ, সংসদে আলিঙ্গনপর্ব এবং চৌকিদার। অদ্ভুত ব্যাপার, সময় যত গড়িয়েছে, ভোট চাওয়া-পাওয়ার লড়াইয়ের বিশ্রীভাবে মেরুকরণ ঘটেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে যেভাবে বিভাজনের রাজনীতি প্রবেশ করেছে, তা আগে কখনও এদেশে হয়েছে বলে মনে হয় না। অর্থনৈতিক বিভাজন এদেশের জন্মলগ্ন থেকেই রয়েছে। তাতে নতুন কিছু নেই। বরং ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ওই একটা দিনই ভারতবাসী ইভিএমে সাম্যবাদ খুঁজে পায়। মুকেশ আম্বানির একটি ভোটের যা দাম, বেলপাহাড়ীর এক সাধারণ দিনমজুরের ভোটও একই মূল্যের। অর্থনীতি দিয়ে নতুন করে এদেশে বিভাজনের ঘুঁটি খেলা যাবে না। কাজেই সবচেয়ে কার্যকর এবং জবরদস্ত অস্ত্র প্রয়োগ... ধর্ম। প্রশ্ন উঠতেই পারে বাবরি সৌধ ধ্বংস এবং লালকৃষ্ণ আদবানির রথযাত্রা কি ভোটে ধর্মীয় মেরুকরণের পথ দেখায়নি? নিশ্চয়ই দেখিয়েছে, কিন্তু তার জন্য গোটা দেশ ভোটযন্ত্রের সামনে এসে ধর্মের নামে ভাগ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়নি। সেটা হয়েছিল ভারতের একটা অংশে। কিন্তু এই নির্বাচন দেখিয়ে দিচ্ছে, ভোটারের পদবি জানলে সেই ভোট কোথায় পড়বে, তা আন্দাজ করাটা শক্ত নয়। এ অবশ্যই ভয়ানক ব্যাপার। আমার ধর্ম দেখে যদি বিচার হয়ে যায় আমি কোন দলের সমর্থক, গণতন্ত্রে তার থেকে বেশি লজ্জার কিছু হয় না।
এরপর আসা যাক সামাজিক মেরুকরণে। উত্তর ভারতে যার প্রকোপ প্রত্যেক ভোটেই থাকে, যদিও এবার একটু বেশির দিকে। বিশেষত উত্তরপ্রদেশে। কোনও উচ্চবর্ণের ভোটারকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, কাকে ভোট দেবেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর আসছে ‘কেন! বিজেপিকে!’ আবার কোনও পিছড়ে বর্গ বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে একই প্রশ্ন করলে নির্দ্বিধায় সমর্থন করছেন অখিলেশ-মায়াবতীর জোটকে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু ভোটারদের একটা বড় অংশ কংগ্রেসের নামও করছেন। এবার আসা যাক ‘কেন ভোট দেবেন’ প্রশ্নে। বিজেপির সমর্থক একাংশ বলছে, ‘বিজেপি সরকার আমাদের বিদ্যুৎ দিয়েছে, রাস্তা করেছে, ঘরে ঘরে শৌচাগার বানিয়েছে... এই সরকারকেই তো ভোট দেব!’ আবার উত্তরপ্রদেশেরই অন্য অংশে শুধু জাতপাতের ভিন্নতায় এই পরিষেবার অনেক কিছুই পৌঁছয়নি। সেখানকার ভোটাররা তখন অবশ্যই প্রশ্ন তুলবেন, ‘এই সরকারকে ভোট দিয়ে আমাদের কী লাভ হবে?’
তাহলে গ্রাউন্ড রিয়েলিটিটা কী? এর উত্তর পরিষ্কারভাবে মেলা মুশকিল। এখনও... কাল শেষ দফার ভোটের দিনেও। ‘বিকাশ’ হয়েছে। কিন্তু সবার হয়নি। ‘আচ্ছে দিন’ আসা নিয়ে তো ধনী ব্যবসায়ী ছাড়া আর কেউ খুব একটা নিশ্চিত নন (তাঁরাও আবার মুখে বলছেন না)। অসমে নাগরিকপঞ্জি হল। তাতে বহু নাগরিক হঠাৎ ‘বিদেশি’ হয়ে গেলেন। তাঁদের সর্বনাশ। আবার সেই রাজ্যেরই কিছু মানুষের পৌষ মাস! ওই একই রাজ্যের ভিন্ন প্রান্তে আবার এনআরসি নিয়ে হেলদোল নেই। সেখানে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। একটা কিছু তো থাকবে, যা হতে পারে ভোটের ইউনিভার্সাল ইস্যু! রাজনৈতিক দল যদি তার ভোটব্যাঙ্কের কথা ভেবে উন্নয়নের বরাত দেয়, প্রয়োজন অনুযায়ী জাত-ধর্ম দেখে ভোটার কার্ড বানায়... তাহলে বিভাজন আটকানো কি সম্ভব?
আর হল ব্যক্তি মেরুকরণ। মোদি ঝড় গত লোকসভা ভোটেও ছিল। কিন্তু বিজেপির মতো একটা পার্টি এভাবে মোদিত্ব নির্ভর হয়ে যায়নি। গেরুয়া শিবিরের প্রচারের অভিমুখই এবার একটা, মোদি সরকার (বিজেপি সরকার নয়)! অর্থাৎ একটা রাজনৈতিক দলকে দেখে ভোট দেওয়ার পাঠ চুকল। আঞ্চলিক দলের ক্ষেত্রে এই প্রবণতাটা নতুন নয়। বরং চিরকালের। জয়ললিতা, করুণানিধির প্রয়াণের পরও যে ধারা বজায় রেখে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতীরা। এবং এবারের মোদি-বিরোধী মহাজোটের ক্ষেত্রেও কিন্তু বিষয়টা ধীরে ধীরে সেই ব্যক্তিকেন্দ্রিকই হয়ে পড়ছে। কারণ, বিজেপিকে আক্রমণের ব্যাটনটা পুরোপুরি তুলে নিয়েছেন মমতা। রাহুল গান্ধী, অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, তেজস্বী বা স্ট্যালিন... আগে কোনও লোকসভা ভোটে বিরোধী রাজনীতি কিন্তু এভাবে মমতাময়ী হয়ে ওঠেনি। আর তার প্রমাণ রাখছেন মোদি স্বয়ং। বারবার বাংলায় আসছেন, এবং তাঁর টার্গেট শুধুই তৃণমূল নেত্রী। আসলে বিজেপি বুঝে গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে খুব বেশি কিছু এবার পাওয়ার নেই। যতটুকু ঝুলিতে আসবে তাতেই আনন্দ করতে হবে। আর তা যদি ৩০-৩৫টা আসন হয়, তার জন্য অনেকটা ধন্যবাদ প্রাপ্য থাকবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর। সোনিয়া কন্যা বহু প্রতীক্ষর পর রাজনীতিতে। এবং তাঁর আগমনেই কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থক মহল মোটামুটি চাঙ্গা। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের নিজস্ব যে ভোটব্যাঙ্ক আছে, একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে বলা যায়, প্রিয়াঙ্কা তাতে ফাটল ধরতে দেবেন না। অর্থাৎ, অখিলেশ-মায়াবতী সব নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে জোট করলেও এই একটা জায়গাতেই ফাঁক থেকে যাবে। বিজেপি ধর্ম এবং হিন্দুত্বের নামে ভোট চেয়ে উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের একটা অংশ ধরে রেখে দেবে। বাকি অংশ একত্র হলে (অর্থাৎ কংগ্রেস+সমাজবাদী পার্টি+বহুজন সমাজ পার্টি), তাহলে নিশ্চিতভাবে মোদির বিজেপিকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া যেত। কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না। ভোটকাটুয়া হয়ে প্রিয়াঙ্কা মোদিরই সুবিধা করে দেবেন। এভাবে যতটুকু সম্ভব উত্তরপ্রদেশ থেকে আদায় করে বাকি রসদের জন্য পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে তাকিয়েছেন মোদি। এখানে তাঁর সবচেয়ে বড় অন্তরায়ের নাম মমতা। মোদির সাফল্য, মহাজোটের প্রচারে মমতাকে বাংলার বাইরে যাওয়া থেকে আটকে দিতে পেরেছেন তিনি। আর তৃণমূল নেত্রীর সাফল্য, বিরোধী রাজনীতির অভিমুখটাকেই তিনি ঘুরিয়ে দিতে পেরেছেন নিজের দিকে। ২৩ তারিখ যদি কেন্দ্রে সরকার গড়ার ক্ষেত্রে বিরোধী মহাজোটের পথ প্রশস্ত হয়, মমতাই কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে থাকবেন। রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের সভাপতি হওয়ার এতদিন পরও সেই গ্রহণযোগ্যতায় জায়গায় পৌঁছতে পারেননি। ভোটাররা কতটা তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নম্বর দেবে, তা নিয়ে তর্ক হতে পারে, বিরোধী তথা আঞ্চলিক দলগুলি যে মোটেই একবাক্যে রাহুলকে মেনে নেবে না, সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। তবে হ্যাঁ, প্রথম ইউপিএ সরকারের জমানায় সোনিয়া গান্ধী যেভাবে গোটা দুনিয়াকে হতচকিত করে সবচেয়ে লোভনীয় পদটি ছেড়ে দিয়েছিলেন, ঠিক একইভাবে যদি এবার তিনি বিরোধী মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহলে পুরো সমীকরণটাই বদলে যেতে পারে। তাঁর প্রচণ্ড অসুস্থতা সত্ত্বেও। ইতিমধ্যেই ভোটের ফলের দিন মহাজোটের বৈঠক আয়োজনের সব দায়িত্ব তিনি কাঁধে তুলে নিয়েছেন। আর সোনিয়া প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে চলে এলে সেটা সত্যিই হবে আর একটা মাস্টারস্ট্রোক। সেই বহুদলীয় সরকার তখন টেকসইও হবে।
সে অবশ্য পরের ব্যাপার। আপাতত প্রতিশ্রুতির প্রচার থেকে মুখ ফিরিয়েছে সব শিবিরই। গত কয়েক দফার ভোটের প্রচার শুধুই আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণে সীমাবদ্ধ। তাই মোদির প্রচারে না আছে কর্মসংস্থানের কথা, না প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার বার্তা। কৃষকদের দানছত্র দেওয়ার প্রচার অনেক দলের মুখেই শোনা যাচ্ছে। তাতেও কি চাষিদের আত্মহত্যা ঠেকানো গিয়েছে? গত বছর ৬ মার্চ থেকে ১২ মার্চ নাসিক থেকে মুম্বই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কৃষক লং মার্চে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পদযাত্রা। দাবি, নিঃশর্ত কৃষিঋণ মকুব। বাণিজ্যনগরীর রাজপথ রক্তিম বর্ণ ধারণ করেছিল বাম পতাকায়। ফল? ছয় সদস্যের কমিটি গঠিত। তারা ঠিক করবে, বিষয়টি নিয়ে কী করা যায়। সরকারি ভাষায়, প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ঋণ মকুব এবার সময়ের অপেক্ষা...। সত্যি কি তাই? ভোটের গুঁতো যে ভয়ানক! মহারাষ্ট্র সরকার তথা বিজেপি তখনই প্রমাদ গুনেছিল, সামনের বছর ভোট। কিছু তো একটা করতে হবে! কমিটি হল। পর্যালোচনা হল। ভোটও চলে এল। কিন্তু যে লোকসভা কেন্দ্র থেকে এই কৃষক লং মার্চের জন্ম, সেই দিন্দোরি আসনের ছবি তো এক বছরেও বদলায়নি! এখানে গ্রামে গ্রামে... ঘরে ঘরে এখনও পরিবারের লোকজন রাত জাগে বাবা বা স্বামীর পাহারায়। আত্মহত্যার আশঙ্কায়। কোথায় গেল বছরে দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি? সবই ফিকে... আর তাই অস্ত্র তো করতেই হবে মেরুকরণকে। সেটাই করছে কমবেশি সব দল। পকে কী উন্নয়ন করেছে, তা আজ আর বিবেচ্য নয়। বরং কার কী দুর্নীতি, সেটাই প্রচারের দাবার ছক। যেখানে ধর্ম যদি রাজা হয়, মন্ত্রী তাহলে পিছড়ে বর্গ। ঘুঁটি সাজানো চলছে। নিরন্তর...। ভোটটা যদি সত্যিই দেশের নামে হতো!
18th  May, 2019
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM