Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা। বছর চল্লিশ বয়স। ঝাঁকা নামিয়ে রেখে চায়ের অর্ডার দিয়েছেন। জানলাম, বাড়ি তাঁর কেশপুর। বিস্ময়ের সঙ্গে জিগ্যেস করলাম, এত তাড়াতাড়ি ভোট দেওয়া হয়ে গেল! ম্লান মুখে তিনি বললেন, ‘‘ভোট দিইনি।’’ কেন ভোটার লিস্টে নাম নেই? —‘‘আছে। সব বারই থাকে জানি। কিন্তু কোনোদিন ভোট দিইনি। ভোট দিতে কেমন লাগে জানা হল না একবার! ভোট দিতে দেয় না। পার্টির ছেলেরা আগের দিন এসে বলে যায়, এবারও বলে গেছে, কেউ বুথে যাবে না। তোমরা তো সিপিএমকেই ভোট দেবে। সে আমরাই দিয়ে দেব। কাজ কামাই করে, রোদে পুড়ে তোমাদের যাওয়ার দরকার নেই। তোমরা সকাল সকাল যে যার কাজে বেরিয়ে পড়বে। ’’
এই মানুষটি যে কোনও বিচ্ছিন্ন চরিত্র নয়, পাঠক বয়স্ক হলে নিশ্চয় জানেন। অথচ রেজাল্ট বেরনোর পর আমরা অবাক হয়ে দেখতাম কেশপুরের সিপিএম প্রতীকের প্রার্থী রেকর্ড ভোটে জিতেছেন! প্রায় প্রতি ভোটে ভেঙে যেত তার পূর্ববর্তী ভোটের রেকর্ড! দীর্ঘদিন মাঠে ময়দানে নেমে রিপোর্টিং করার সুবাদে দেখেছি—কেশপুর কোনও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়, বাংলাজুড়ে তখন কেশপুর আর কেশপুর! যেখানে ভদ্র কথায়, এমনকী চোখ রাঙানিতেও কাজ হয়নি সেখানে সিপিএম রকমারি অত্যাচার নামিয়ে আনত। কোথাও সরাসরি ডান্ডা মারত। বাড়ির মেয়ে বউদের উপর অত্যাচার করত। বাবা মায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে বাগড়া দিত। পুরনো পাকা চাকরি খেত। অত্যন্ত যোগ্য ছেলেমেয়েদের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ন্যায্য চাকরি আটকে দিত। মাইনে, পেনশন বন্ধ হতো। কোথাও সবক শেখাত চাষিদের খেতমজুর বয়কট করে। ভূমি আইনের অপব্যাখ্যা করে অনেক সামান্য ব্যক্তির সামান্য জমিজমাও বেদখল করে নিত। ঘর জ্বালাত। মাছ ভরা পুকুরে, জলকরে বিষ ঢেলে দিত। এমনকী ‘হাত’-এ ভোট দেওয়ার অপরাধে হাত কেটে নেওয়ার মতো পৈশাচিক কাণ্ড ঘটিয়েছে সিপিএমের পাপীরা। কলকাতার অদূরে হাওড়ার কান্দুয়া গ্রামে এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এমন কয়েকজন জ্যান্ত দৃষ্টান্ত। সব দেখেও পুলিস-প্রশাসনের সব স্তর বোবা কালা অন্ধের ন্যায় আচরণ করত। বস্তুত, পার্টি আর প্রশাসন হরিহর আত্মা হয়ে উঠেছিল।
২০১১ সালে বাংলা হল সিপিএমের ‘শেষপুর’। তার আগে বাম জমানার একটা বড় সময়জুড়ে এটাই চলেছে। অথচ, ১৯৭৭ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে সিপিএম গগনভেদী চিৎকার করে তার পূর্বসূরি কংগ্রেসের ২৭ বছরব্যাপী দুঃশাসনের সাতকাহন শুনিয়েছিল, মানুষকে পাশে নিতে। তাদের মূল বক্তব্য ছিল, ১৯৭২-৭৬ পর্বে বাংলায় আধা-ফ্যাসিবাদ চলেছিল। ১১০০ বামপন্থী কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছিলেন কংগ্রেসি গুন্ডাদের হাতে। অথচ, একজনও অপরাধীর বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। জ্যোতি বসু তাঁর ভাষণে এবং লেখাপত্রে কংগ্রেসকে ‘মানুষের শত্রু’ বলে উল্লেখ করেছেন বার বার। কংগ্রেস সম্পর্কে সজাগ করতে গিয়ে ১৯৭২ সালে নির্বিচারে ভোট লুটের কথা স্মরণ করিয়ে দিতেন। পরিস্থিতি সেবার এমন হয়েছিল যে রাস্তায় মিলিটারি পর্যন্ত নামাতে হয়েছিল। প্রতিবাদে বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভা বয়কট করেছিলেন। ১৯৭২-৭৫ সালে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণার কালটি গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে অন্ধকার এক অধ্যায়।
স্বাধীনতার ভগীরথ হল কংগ্রেস। কংগ্রেসের সঙ্গে সেঁটে রয়েছে গান্ধীজিসহ বহু সংগ্রামী নায়কের নাম। তাঁদের নামের সঙ্গে সমার্থক ঠেকত ‘স্বাধীনতা’ এবং ‘গণতন্ত্র’ শব্দ দুটি। এই পরিচয় ভাঙিয়েই স্বাধীন ভারতের বেশিরভাগটাই কব্জায় এনেছিল কংগ্রেস। কিন্তু, মানুষ দেখেছিল সবটাই ভণ্ডামিমাত্র! কংগ্রেসের এই জনবিরোধী মূর্তি চুরমার করেই জ্যোতি বসু বাংলায় বামফ্রন্ট জমানার সূচনা করেছিলেন।
১৯৭৭ সালের ২৫ আগস্ট বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র বলেছিলেন, ‘‘আমরা এটাই চাই যে গ্রামের এবং শহরের দরিদ্রতম মানুষটিও যেন এই উপলব্ধিতে স্থিত হতে পারেন যে, এবার ব্যবস্থা পাল্টে গেছে, এখন থেকে সম্পদই সব নয়, তাঁদের যদি সহায়-সম্পদ নাও থাকে তা হ’লেও তাঁরা আর্থিক উন্নতির সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না। ... যে সাধারণ মানুষ গত তিরিশ বছর ধ’রে বঞ্চিত ও প্রতারিত হয়ে এসেছেন, আমরা এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেষ্টা ক’রে যাবো যাতে তিনি বুঝতে পারেন আর ভয় নেই, যা তাঁর প্রাপ্য এখন থেকে তা তাঁকে পৌঁছে দেওয়া হবে। ’’
‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নয় বছর’ বইয়ের ভূমিকায় ১৯৮৬ সালের ২১ জুন জ্যোতি বসু লিখেছিলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের সব শ্রেণীর মানুষের ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার প্রতি আমরা বিশেষ নজর দিয়েছি। এ সব অধিকার ও স্বাধীনতা গণতন্ত্রের মৌলিক শর্ত, অথচ কংগ্রেস আমলে এগুলি নির্দয়ভাবে অপহৃত হয়েছিল।’’
আর এই সরকারেরই বিরুদ্ধে ভূতপূর্ব কংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর অভিযোগ ছিল—বাংলার গ্রামের উন্নতির জন্য যেখানে এক টাকা খরচ করার কথা বাম রাজত্বে সেখানে সম্ভবত দশ পয়সার বেশি খরচ হয় না। বাকিটা অবৈধ লেনদেনে হাপিস হয়ে যায়। রাজীব গান্ধী যে একটুও ভুল বলেননি তার প্রমাণ, বিদায়কালে বামেরা একটি অত্যন্ত বেহাল বাংলা রেখে গিয়েছিল। দারিদ্রসীমার নীচে বিপুল সংখ্যক মানুষ, শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে অলক্ষ্মীর দবদবা, বেকার যুবক-যুবতীদের হাহাকার আর রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রের ক্ষয়াটে চেহারা। হয়তো একটু ভুল বলা হল। ব্যতিক্রম ছিল সিপিএম পার্টির কিছু নেতার চেহারা। তাঁদের এককালের চিমড়ে চেহারা অতীত, তাঁরা বিজ্ঞাপনের নাদুস-নুদুস বেবিদের মতো চকচকে। টালির ঘরের জায়গায় দোতলা-তিনতলা বাড়ি তাঁদের। বিড়ি ফেলে দামি সিগারেটে সুখটান দেন। ছেলেমেয়েরা নামী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ে। তাদের অনেকে বড় পাশ দিয়ে বিদেশে গবেষণা অথবা চাকরি করে। স্কুল পাঠশালার সবচেয়ে কমা সার্টিফিকেট হাতে নিয়েও সরকারি দপ্তর আলো করা পরিবার নেহাত কম নয়। রাজকোষ খালি করে ক্যাডার পোষার কারবারটি বাম জমানার এক বিরাট আবিষ্কার।
সিপিএম সার বুঝেছিল—কাজ করে, উন্নয়ন করে বার বার ক্ষমতায় ফেরা যায় না। কিছুদিন বাদেই মানুষের চাহিদা বাড়বে, টেস্ট বদলে যাবে। ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলেই মানুষ তার সদ্ব্যবহার করতে মরিয়া হয়ে উঠবে। ক্ষমতার মধুভাণ্ড অনন্তকাল অক্ষত রাখতে হলে মুষ্টিমেয় কিছু লোককে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতিটাকেই জাগ্রত রাখতে হবে। এরাই ভোটলুটের সব দায় সামলাবে। ভোটার তালিকা তৈরি থেকে ভোট পূর্ববর্তী সন্ত্রাস এবং ভোটের দিন নানা রঙের ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটানো সবই তারা করবে। মোদ্দা কথা হল, মানুষকে ভোটের লাইনে দাঁড়াতে দেওয়া যাবে না। ভোটের লাইন আলো করে থাকবে শুধু রিগিং আর্টিস্টরা।
গণতন্ত্রের এই গৌড়ীয় মার্কসবাদী মডেল অক্ষত রাখতে জ্যোতি বসু স্বয়ং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কদর্য লড়াইতে নেমেছিলেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনকে অসংসদীয় ভাষায় আক্রমণ করতে তিনি কুণ্ঠিত হননি। পার্টির অন্যায় স্বার্থকে সামনে রেখে দেশবাসীর সামনে তিনি যেন এটাই প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন, নির্বাচন কমিশন নামক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি আসলে গণতন্ত্রের এক শত্রু!
জ্যোতিবাবুর পার্টির ৩৪ বছরের শাসন প্রমাণ করেছিল, ক্ষমতার আসন আসলেই একটি ‘লঙ্কা’—সেটা যিনিই স্পর্শ করেন তিনিই একটি ‘রাবণ’-এ রূপান্তরিত হয়ে যান—অদ্ভুত কিম্ভুত এক জাদুর নাম ক্ষমতা! আর বৃহত্তর অর্থে ভারতের সমস্ত প্রদেশ ও কেন্দ্রীয় শাসন এবং সমস্ত রাজনৈতিক দল সম্পর্কেই এই প্রবচনটি প্রযোজ্য। কারণ, সব দলই বড় আশা জাগিয়ে মানুষের বিপুল সমর্থন জোগাড় করে একবার ক্ষমতায় আসে। আর সরকারি ক্ষমতা দখল হওয়ার পর থেকে মানুষের মোহভঙ্গের ব্যবধানটা দীর্ঘ হয় না। খুব দ্রুত টের পাওয়া যায় সবাই আসলে মুখোশধারী।
১৯৫১-২০১১। বাংলায় নির্বাচনী গণতন্ত্র অনুশীলনের ছয় দশক খুব উজ্জ্বল নয়। ২০১১ সালে বাংলায় যে ‘পরিবর্তন’ এসেছিল তার মূল সুর ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। ২০১১ সালের ২ জুন মহাকরণ থেকে ‘মমতা ব্যানার্জি’র সই করা ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহকর্মীদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন’ শিরোনামে একটি লিফলেট বিলি করা হয়েছিল। তার শেষ লাইনটি ছিল এইরকম—‘‘আমরা যেন সংঘবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে পশ্চিম বাংলার ভাবমূর্তি উন্নততর করার কাজে ব্রতী হই।’’ সপ্তদশ লোকসভার ভোট শেষ হচ্ছে আগামী ১৯ মে। ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে ছয় দফা। প্রচার পর্বে অশান্তি থেকে নানা কায়দায় ভোট লুট, এমনকী খুন জখম পর্যন্ত সমস্ত অশান্তিই হয়ে গিয়েছে। এই মাটিতে তার আগে রয়েছে পঞ্চায়েত এবং পুরভোটের তিক্ত অভিজ্ঞতা। মার্কসবাদী গণতন্ত্রের ছায়া যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। অতীত, বর্তমানকে সামনে রেখে রাজ্যবাসী ভাবতে বসেছেন বাংলার ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে—‘ভাবমূর্তি উন্নততর’ করার আর কোনও উপায় কি আমরা সন্ধান করতে পারি না?  
14th  May, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
উপনির্বাচনী ফল: বঙ্গজুড়ে পারদ চড়ছে কৌতূহলের
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনী ফল বেরচ্ছে। কথায় বলে, ফলেই পরিচয়। ফলেন পরিচীয়তে। আজ সেই ফলের জন্য উদ্‌গ্রীব বাংলা, বাংলার রাজনৈতিকমহল। নানান জনের নানা প্রত্যাশা চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবশ্য সেজন্য আসমুদ্রহিমাচল বাংলা টানটান উত্তেজনায় কাঁপছে বললে হয়তো অত্যুক্তি হবে। বিশদ

28th  November, 2019
পাওয়ারের শক্তিপরীক্ষা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এখন সত্যিই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, বালাসাহেব থ্যাকারে বেঁচে থাকলে কী করতেন! আগের রাতে শুনে ঘুমাতে গেলেন, শিবসেনার জোট সরকার হচ্ছে এবং ছেলে উদ্ধব সেখানে মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু পরদিন সাতসকালে ঘুম ভেঙে দেখলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ফেলেছেন।
বিশদ

26th  November, 2019
মহারাষ্ট্রে টানটান সিরিয়ালের নায়ক কে
সন্দীপন বিশ্বাস

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অবসান হয়েছে। যুধিষ্টিরের অভিষেক পর্বও হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি, রাজধর্ম নিয়ে শিক্ষা নিতে তিনি গেলেন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম তাঁকে সেদিন যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা আদর্শ রাজধর্ম এবং রাজনীতি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু আজকের যুগের স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতি দেখলে মনে হয় এই রাজনীতি যেমন নীতির রাজা নয়, তেমনই রাজার নীতিও নয়। 
বিশদ

25th  November, 2019
একনজরে
 ইসলামাবাদ, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিল পাকিস্তানের আদালত। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে এমনটাই জানা গিয়েছে। ...

বিশ্বজিৎ মাইতি, বারাসত, বিএনএ: বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত চাষিকে ক্ষতিপূরণ দিতে নতুন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড না থাকলেও ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার ...

 নয়াদিল্লি, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): আইনজীবীদের আদালত অবমাননার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারপতি অরুণ মিশ্র। মঙ্গলবার বিচারপতি মিশ্রর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে এক জমি অধিগ্রহণ মামলার শুনানি চলছিল। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: খেজুরি-১ বিডিওর উদ্যোগে বিবাহিতা এক নাবালিকাকে উদ্ধার করা হল। পাশাপাশি নাবালিকার পরিবারের লোকজন পুলিস¬-প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছেন, মেয়ে ১৮বছর হলেই তাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠানো হবে। ততদিন পর্যন্ত বাপেরবাড়ির হেফাজতেই থেকে পড়াশোনা করবে সে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপদগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: জার্মান দার্শনিক ম্যাক্সমুলারের জন্ম
১৮৫৩: ঐতিহাসিক ও শিক্ষাবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৫৬: দলিত আন্দোলনের নেতা ভীমরাওজি রামাজি আম্বেদকরের মৃত্যু
১৯৮৫: ক্রিকেটার আর পি সিংয়ের জন্ম
১৯৯২: অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংস
২০১৬ - তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯২ টাকা ৭৩.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬২ টাকা ৯৬.০৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৪২ টাকা ৮১.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ৪২/৬ রাত্রি ১০/৫৭। সূ উ ৬/৬/৫৩, অ ৪/৪৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৫৮/২৮/৪৯ শেষরাত্রি ৫/৩১/৫০। উত্তরভাদ্রপদ ৪১/৪৫/৪১ রাত্রি ১০/৫০/৩৪, সূ উ ৬/৮/১৮, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৯ মধ্যে, কালবেলা ১০/৮/২০ গতে ১১/২৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৮/২২ গতে ৯/৪৮/২১ মধ্যে।
৮ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঝাড়গ্রামে লরির ধাক্কায় মৃত্যু যুবকের, গাড়িতে আগুন

 বালিবোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক যুবকের। বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাটি ...বিশদ

05-12-2019 - 05:35:14 PM

কলকাতায় গ্রেপ্তার মাওবাদী!
গতকাল রাতে কলকাতার স্ট্যান্ড রোড এলাকা থেকে সুনীল কুমার(৩৭) নামক ...বিশদ

05-12-2019 - 04:32:00 PM

বহরমপুরে স্ক্রাব টাইফাসে মৃত ২
ফের রাজ্যে স্ক্রাব টাইফাসের বলি। এবার বহরমপুরে। মৃত্যু হল দু’জনের। ...বিশদ

05-12-2019 - 04:24:00 PM

সোমবার থেকে কয়েকটি রুটের বাস-মিনি বন্ধ
টালা ব্রিজ বন্ধ। বিকল্প রুটে বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বাস ...বিশদ

05-12-2019 - 04:11:13 PM

কোচবিহারের তুফানগঞ্জ ২ ব্লকে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, বোমাবাজি, পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর 

05-12-2019 - 04:06:00 PM

৯ মাসের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তার জ্যাঠার বিরুদ্ধে 
মধ্যযুগীয় যৌন বর্বরতার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নয় মাসের ...বিশদ

05-12-2019 - 03:13:00 PM