Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি! এটা কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়, কিন্তু সময় বলে দিচ্ছে যে সেদিন আমি ঠিকই বলেছিলাম।
মোদি সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ অন্তে তার ত্রুটি-বিচ্যুতির ভিত্তিতে আমরা একটি লম্বা ‘চার্জশিট’ তৈরি করে ফেলতে পারি। আমার মতে, ওই তালিকার শীর্ষে থাকবে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি। অব্যবস্থার কারণগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: (১)ম্যাক্রো-ইকনমিক্স সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর অজ্ঞতা এবং যেটা জানা নেই তা শিখে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অনীহা; (২) সরকারের পলিসি পরিবর্তনে ব্যবসা-বাণিজ্য, লগ্নিকারী এবং উপভোক্তার প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে সেই বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর অক্ষমতা; এবং (৩) অর্থনীতিবিদদের প্রতি সরকারের অবজ্ঞা এবং আমলাদের উপর মাত্রাতিরিক্ত আস্থা।
একটি অন্যরকম খেলা
ভারতশাসন করা আর একটি রাজ্য সরকার পরিচালনা করা একেবারে অন্যরকম একটি ব্যাপার। একজন মুখ্যমন্ত্রীকে মুদ্রার বিনিময় হার, কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতি, মানিটারি পলিসি অথবা বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য-সম্পর্কের পরিবর্তন (যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক যুদ্ধ অথবা ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা) নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হতে হয় না। একজন মুখ্যমন্ত্রী দক্ষতার সঙ্গে তাঁর রাজ্যের অর্থনৈতিক দিকগুলি সামলে নিতে পারেন যদি রাজ্যের রাজস্ব আদায়টা ঠিকমতো হয়, খরচের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ রাখেন, কেন্দ্রের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অনুদান পেয়ে যান এবং ভালোমতন বেসরকারি লগ্নি আকর্ষণ করতে পারেন। মজবুত গণভিত্তি আছে এইরকম অনেক মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাদীক্ষা না-থাকা সত্ত্বেও প্রশংসিত হয়েছেন, রাজ্যের অর্থনীতিটা চাঙ্গা রেখে দেওয়ার কারণে।
ভারতের অর্থনীতি সামলে দেওয়াটা হল একেবারে অন্যরকম একটি খেলা। সফল মুখ্যমন্ত্রীরাও অর্থমন্ত্রী পদে গিয়ে ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা’ হয়েছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছাড়াই ড. মনমোহন সিং একজন অতুলনীয় অর্থমন্ত্রী হতে পেরেছিলেন, কারণ তাঁর ছিল ম্যাক্রো-ইকনমিক্সে পণ্ডিত্য এবং প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে নিরন্তর হৃদ্য যোগাযোগ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই যে উদারিকরণ অথবা যেসব আর্থিক সংস্কার সম্ভব হয়েছে এ-দেশে, ড. মনমোহন সিং ছাড়া এসব সম্ভব ছিল না।
ভুলের পর ভুল
অর্থনীতির মতো একটা বিরাট জিনিস সামলাবার ভারটা অনভিজ্ঞ এবং স্বৈরাচারীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলে তার ফল মিলতেও দেরি হয় না। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণ হল এই ঘটনার একটি ‘ক্লাসিক’ উদাহরণ। সামান্য আন্ডার গ্রাজুয়েট ডিগ্রিধারী কোনও অর্থনীতিবিদও একজন প্রধানমন্ত্রীকে দেশের চালু মুদ্রার ৮৬ শতাংশকেই ‘বেআইনি নোট’ ঘোষণা করে দেওয়ার পরামর্শ দিতে পারেন না, তবু এটাই হয়েছে এই আমলে।
যেহেতু অরুণ জেটলি প্রকাশ্যে কোনোদিন এই ঘটনার দায় স্বীকার করেননি, তাই সিদ্ধান্তগ্রহণের দায়ের পুরোটাই প্রধানমন্ত্রীর উপর বর্তায়। কৃতিত্বের সঙ্গেই এই ঘটনার দায়িত্ব মোদিজি স্বীকার করেছেন, কিন্তু তিনি মানেননি যে ডিমনিটাইজেশন অর্থনীতিকে বেলাইন করে দিয়েছে, ছোট ও মাঝারি (এমএসএমই) শিল্প ধ্বংস করেছে, চাকরি খেয়েছে এবং কৃষিক্ষেত্রের সঙ্কটটাকে তীব্রতর করেছে।
বিমুদ্রাকরণের অনুসরণে আরও অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানুষের অর্থনৈতিক চরিত্রকে গুরুত্ব না-দিয়ে বাজেট রচনা করা হয়েছে; জিএসটি নির্ধারণ করা হয়েছে অত্যন্ত অদক্ষতার সঙ্গে এবং তারপর এটার রূপায়ণ ঘটেছে তড়িঘড়ি; অনুৎপাদক সম্পদের (এনপিএ) বিষয়টি আনাড়ির মতো সালটানো হয়েছে; রাজস্ব সংগ্রহের অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করে সেটা পূরণ করার জন্য যা করা হয়েছে তা তো বেআইনি ব্যাপার এবং স্বৈরশক্তির প্রয়োগ মাত্র; এবং পরিকাঠামোগত অর্থনৈতিক সমস্যায় সমানে আমলাতান্ত্রিক জোড়াতাপ্পির সমাধান সন্ধান করা হয়েছে।
খারিজ রিপোর্ট কার্ড
অর্থমন্ত্রকের অধীন ইকনমিক অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট পাঁচটি অর্থবর্ষ শেষে একটি রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করেছে। সহায়ক হিসেবে, ২০১৬-১৭ সালে যে বিমুদ্রাকরণ করা হল তার পরবর্তী বছরগুলির তথ্য ওই রিপোর্টে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে দেওয়া হল। ওই রিপোর্টের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হেডলাইনগুলি নিম্নরূপ:
(এক) অর্থবর্ষ ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯-এর প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি নেমে গিয়েছে ৮.২ শতাংশ থেকে ৭.২ শতাংশে, সেখান থেকে ৭.০ শতাংশে। তার মানে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকের বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে ৬.৫ শতাংশে।
(দুই) মোট আর্থিক ঘাটতি (গ্রস ফিনান্সিয়াল ডেফিসিট) ছিল জিডিপির ৩.৫, ৩.৫ এবং ৩.৪ শতাংশ। ২০১৮-১৯ সালের সংখ্যাটি ওইরকম হওয়ার কারণ হিসেবে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে কর আদায়ের হার সংশোধিত হিসেবের (রিভাইজড এস্টিমেট) থেকে ১১ শতাংশ কম হয়েছিল।
(তিন) মূলধনী ব্যয় থমকে ছিল: ২০১৮-১৯ সালের জিডিপির ১.৭ শতাংশ, এটাই ছিল ২০১৫-১৬ সালে।
(চার) জিডিপি ডিফ্লেটর, যেটা কিনা ইনফ্লেশন বা মুদ্রাস্ফীতির দ্যোতক, সেটা ৩.১ শতাংশ থেকে ৪.২ শতাংশে চড়ে গিয়েছিল।
(পাঁচ) কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতির (সিএডি) পরিমাণটা জিডিপির .৬ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছিল ১.৯ শতাংশ, সেখান থেকে ২.৬ শতাংশ।
(ছয়) বেসরকারি উপভোগ ব্যয় এবং সরকারি উপভোগ ব্যয় দুটিই থমকে গিয়েছিল।
(সাত) স্থায়ী বিনিয়োগের হার জিডিপির ২৮.২ শতাংশ থেকে ২৮.৯ শতাংশের মধ্যে থমকে ছিল—যেটা ২০১১-১২ অর্থবর্ষে অর্জিত ৩৪.৩ শতাংশের অনেক নীচে।
(আট) কৃষিক্ষেত্রে দুর্দশার ছবিটা প্রতিফলিত হয়েছে জিভিএ (গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড) বৃদ্ধির হারের স্পষ্ট হ্রাসের ভেতর—৬.৩ থেকে ৫.০, তার থেকে ২.৭ শতাংশ।
(নয়) শিল্পক্ষেত্রে জিভিএ বৃদ্ধি নিশ্চল; পরিষেবা ক্ষেত্রে জিভিএ বৃদ্ধির হার নিম্নগামী—৮.৪ থেকে ৮.১, তার থেকে ৭.৪ শতাংশ।
(দশ) ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে পোর্টফোলিয়ো ইনভেস্টমেন্টের নিট ফ্লো ছিল নেতিবাচক।
বিজেপির দম্ভ ঘুচে গিয়েছে। অর্থনীতি নিয়ে আমাদের সবচেয়ে খারাপ আশঙ্কাটাই ফলে গেল! উপরন্তু, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অফিসের (সিএসও—যেটাকে ইতিমধ্যেই অনেক অর্থনীতিবিদ সন্দেহের চোখে দেখছেন) পক্ষ থেকে যে বৃদ্ধির হার ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে তা নিয়েও সন্দেহ ঘনীভূত হয়েছে। ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অফিস (এনএসএসও) ইতিমধ্যেই গত ৪৫ বছরের ভিতরে সবচেয়ে বেশি বেকারত্বের রিপোর্ট দিয়েছে। তারাই ফাঁস করে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের যে এমসিএ-২১ ডেটা বেস সিএসও ব্যবহার করেছে তাতে বিরাট গলদ ছিল। এটা প্রতিপন্ন হল যে এমসিএ-২১ ডেটা বেসের অন্তর্ভুক্ত ৩৬ শতাংশ কোম্পানি নিষ্ক্রিয় অথবা সেগুলির কোনও হদিশই নেই!
অনেক বছর ভারতীয় অর্থনীতি এতটা দুর্বল হয়নি। সুতরাং, মোদিজি অর্থনীতিকে এড়িয়েই আখ্যান ফাঁদার চেষ্টায় আছেন। পরবর্তী দফার ভোটাদের সামনে এটাই বড় সাবধানবাণী।
13th  May, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
উপনির্বাচনী ফল: বঙ্গজুড়ে পারদ চড়ছে কৌতূহলের
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ রাজ্যের তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনী ফল বেরচ্ছে। কথায় বলে, ফলেই পরিচয়। ফলেন পরিচীয়তে। আজ সেই ফলের জন্য উদ্‌গ্রীব বাংলা, বাংলার রাজনৈতিকমহল। নানান জনের নানা প্রত্যাশা চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবশ্য সেজন্য আসমুদ্রহিমাচল বাংলা টানটান উত্তেজনায় কাঁপছে বললে হয়তো অত্যুক্তি হবে। বিশদ

28th  November, 2019
পাওয়ারের শক্তিপরীক্ষা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এখন সত্যিই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, বালাসাহেব থ্যাকারে বেঁচে থাকলে কী করতেন! আগের রাতে শুনে ঘুমাতে গেলেন, শিবসেনার জোট সরকার হচ্ছে এবং ছেলে উদ্ধব সেখানে মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু পরদিন সাতসকালে ঘুম ভেঙে দেখলেন, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ফেলেছেন।
বিশদ

26th  November, 2019
মহারাষ্ট্রে টানটান সিরিয়ালের নায়ক কে
সন্দীপন বিশ্বাস

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অবসান হয়েছে। যুধিষ্টিরের অভিষেক পর্বও হয়ে গিয়েছে। রাজনীতি, রাজধর্ম নিয়ে শিক্ষা নিতে তিনি গেলেন শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মের কাছে। ভীষ্ম তাঁকে সেদিন যে উপদেশ দিয়েছিলেন তা আদর্শ রাজধর্ম এবং রাজনীতি বলেই বিবেচিত হয়। কিন্তু আজকের যুগের স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতি দেখলে মনে হয় এই রাজনীতি যেমন নীতির রাজা নয়, তেমনই রাজার নীতিও নয়। 
বিশদ

25th  November, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাইঝির উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল খুড়তুতো জেঠার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে শ্যামপুর থানার খাড়ুবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মরশাল গ্রামে। ...

 নয়াদিল্লি, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): আইনজীবীদের আদালত অবমাননার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারপতি অরুণ মিশ্র। মঙ্গলবার বিচারপতি মিশ্রর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে এক জমি অধিগ্রহণ মামলার শুনানি চলছিল। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: খেজুরি-১ বিডিওর উদ্যোগে বিবাহিতা এক নাবালিকাকে উদ্ধার করা হল। পাশাপাশি নাবালিকার পরিবারের লোকজন পুলিস¬-প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়ে জানিয়েছেন, মেয়ে ১৮বছর হলেই তাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠানো হবে। ততদিন পর্যন্ত বাপেরবাড়ির হেফাজতেই থেকে পড়াশোনা করবে সে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপদগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: জার্মান দার্শনিক ম্যাক্সমুলারের জন্ম
১৮৫৩: ঐতিহাসিক ও শিক্ষাবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৫৬: দলিত আন্দোলনের নেতা ভীমরাওজি রামাজি আম্বেদকরের মৃত্যু
১৯৮৫: ক্রিকেটার আর পি সিংয়ের জন্ম
১৯৯২: অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংস
২০১৬ - তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯২ টাকা ৭৩.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬২ টাকা ৯৬.০৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৪২ টাকা ৮১.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ৪২/৬ রাত্রি ১০/৫৭। সূ উ ৬/৬/৫৩, অ ৪/৪৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৫৮/২৮/৪৯ শেষরাত্রি ৫/৩১/৫০। উত্তরভাদ্রপদ ৪১/৪৫/৪১ রাত্রি ১০/৫০/৩৪, সূ উ ৬/৮/১৮, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৯ মধ্যে, কালবেলা ১০/৮/২০ গতে ১১/২৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৮/২২ গতে ৯/৪৮/২১ মধ্যে।
৮ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঝাড়গ্রামে লরির ধাক্কায় মৃত্যু যুবকের, গাড়িতে আগুন

 বালিবোঝাই লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল এক যুবকের। বৃহস্পতিবার বিকালে ঘটনাটি ...বিশদ

05-12-2019 - 05:35:14 PM

কলকাতায় গ্রেপ্তার মাওবাদী!
গতকাল রাতে কলকাতার স্ট্যান্ড রোড এলাকা থেকে সুনীল কুমার(৩৭) নামক ...বিশদ

05-12-2019 - 04:32:00 PM

বহরমপুরে স্ক্রাব টাইফাসে মৃত ২
ফের রাজ্যে স্ক্রাব টাইফাসের বলি। এবার বহরমপুরে। মৃত্যু হল দু’জনের। ...বিশদ

05-12-2019 - 04:24:00 PM

সোমবার থেকে কয়েকটি রুটের বাস-মিনি বন্ধ
টালা ব্রিজ বন্ধ। বিকল্প রুটে বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বাস ...বিশদ

05-12-2019 - 04:11:13 PM

কোচবিহারের তুফানগঞ্জ ২ ব্লকে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, বোমাবাজি, পুলিসের গাড়ি ভাঙচুর 

05-12-2019 - 04:06:00 PM

৯ মাসের শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তার জ্যাঠার বিরুদ্ধে 
মধ্যযুগীয় যৌন বর্বরতার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নয় মাসের ...বিশদ

05-12-2019 - 03:13:00 PM