Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির পাঁকে সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা। কিন্তু একথা তো অস্বীকার করা যায় না দেশটা যে চলে তার একটা বড় কারণ আমাদের সরকারি কর্মচারিরা। তাদের কাজে শিথিলতা থাকে অনেক সময়। সমাজের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতই অল্পবিস্তর দুর্নীতিও খুঁজে পাওয়া যাবে খুঁটিয়ে দেখলে। তা সত্ত্বেও কিছু নিয়ম নীতির মধ্যে দিয়ে প্রশাসন এবং আইনব্যবস্থা পথ হাঁটে। দেশের নিয়ম যেরকম, তাতে নীতি ঠিক করেন নির্বাচনে জেতা মন্ত্রীমশাই কিংবা জনপ্রতিনিধি, আর তার বাস্তবায়নে মাঠে নামে প্রশাসন। ফলে সেই নিয়মে পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো আইএএস কিংবা আইপিএস অফিসারদেরও জনগণের ভোটে নির্বাচিত লোকজনের কথা শুনে চলতে হয় বেশিরভাগ সময়। একথা তো সত্যি যে আমাদের দেশে এমন কোনও নিয়ম নেই যে ভোটে প্রার্থী হতে গেলে কিংবা ভোট দিতে গেলে মাধ্যমিকের অঙ্কে আশি পেতে হবে। অথচ সরকারি প্রশাসনে উচ্চপদের চাকরি পেতে গেলে অঙ্ক না হলেও, অন্যান্য অনেক বিষয়ে ভালো নম্বর পাওয়া জরুরি।
সরকারি পরীক্ষাতেও মাঝে মাঝে বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে, কিন্তু মোটের ওপর আমাদের দেশে উচ্চপদের সরকারি চাকরি অনৈতিকভাবে পাওয়া শক্ত। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রচুর প্রস্তুতি নিতে হয় এই ধরনের পরীক্ষায় সফলতা পেতে। আর শেষ পর্যন্ত অসাধারণ পরিশ্রম করে যাঁরা সফল হন, তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশকে কাজ করতে হয়ে এমন নেতাদের অধীনে যাঁদের জীবনে সফলতা অন্য পথে এসেছে। রাজনীতিবিদদের একটা বড় অংশের মধ্যে কৈশোর বা যৌবনে পড়াশোনা, খেলাধুলো, বা অন্য কোনও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে সফলতার হার উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারিদের থেকে অনেক অনেক কম। অন্তর্জালে রাজনীতিবিদ অনেকের বিদ্যালয় এবং স্নাতকস্তরের মার্কশিট থাকে না। কজন রাজনীতিবিদ তাঁর পড়াশোনার ফলগুলোকে জানাতে পারেন সবাইকে? পারেন না, তার কারণ সকলের পড়াশোনার ফলাফল সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, মনোহর পারিক্কার কিংবা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মত নয়। পড়াশোনার কথা না হয় ছেড়েই দেওয়া গেল। কতজন রাজনীতিবিদ আছেন যাঁরা ইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সফল হয়েছেন, কিংবা একটা আবৃত্তি করে বা ছবি এঁকে টিফিনবক্স বা জলের বোতল পেয়েছেন? সে সংখ্যাটাও সম্ভবত খুব কম।
বিষয়টাকে আর একটু নির্দিষ্টভাবে আলোচনা করা যাক। জীবনের প্রথম সরকারি পরীক্ষা সাধারণভাবে মাধ্যমিক স্তরে। এবার তুলনা করা যাক মাধ্যমিকে সাংসদদের গড় নম্বর আর আইএএস-আইপিএসদের। আমাদের রাজ্যের ক্ষেত্রে এই তুলনা হতে পারে বিধায়ক আর ডব্লুবিসিএস অফিসারদের মধ্যে। ফলাফল সকলেরই জানা। এটা কিন্তু অবশ্যই গড়ের প্রশ্ন। পড়াশোনা বা খেলাধুলো ভালো না করেও এমন এক-দুজন রাজনীতিবিদ থাকতেই পারেন যাঁর অবদান দেশের ক্ষেত্রে অনস্বীকার্য। তবে সেটা ভীষণ অল্প কিছু ক্ষেত্রের উদাহরণ। গড়ের বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, তার কারণ এক-দুজন মনীষীকে নিয়ে রচনা লেখা যায়, কিন্তু দেশ চলে বিপুল সংখ্যক দক্ষ মানুষের দৈনন্দিন কাজের নিরিখে। তাই তো বারবার গড়ের কথাটা আসে। সূচক যাই ধরা হোক না কেন, সেই গড় আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে খুব উচ্চস্তরের গুণগত মান প্রকাশ করতে পারে না। এর ওপর আছে শিক্ষাগত যোগ্যতায় সততার প্রশ্ন। শুধু আজকে নয়, স্বাধীনতার পর থেকেই রাজনীতিবিদদের একটা অংশ নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে যা দাবি করেছেন, পরে তা সত্য হিসেবে প্রমাণ করতে অসমর্থ হয়েছেন তাঁরা। অর্থাৎ তাঁরা বোঝেন যে ডিগ্রির দাম আছে, তাইতো নিজেদের মানোন্নয়নে একঝুড়ি মিথ্যে নম্বর বইতে হয় সেই বিশেষ বিশেষ নেতানেত্রীকে। তবে এতক্ষণ যা বলা হল সেকথা নতুন কিছু নয়, আমাদের দেশে এমনটাই চলছে সাতচল্লিশের পর থেকে।
কিন্তু বিপদ এখন অনেক বেশি। ধরা যাক আপনি ভারতের সবথেকে ভালো সরকারি প্রযুক্তিবিদ্যার কেন্দ্র আইআইটি থেকে প্রচুর নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন। তারপর কোনও কারণে গবেষণার কাজে না গিয়ে দেশসেবা করতে আইএএস বা আইপিএস হয়েছেন। দেশ বা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কোনও পদে আছেন। ভালোবাসেন অঙ্ক করতে। হয়তো ইংরেজি বা ইতিহাস জানেন দারুণ। প্রযুক্তির অত্যন্ত উন্নত তত্ত্ব সম্পর্কে আপনার সম্যক জ্ঞান। দেশটা কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেকথা আপনার থেকে ভালো জানে খুব কম লোক। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে ঋদ্ধ হন সাধারণ মানুষ। আপনাদের জ্ঞানের পরিধি এতটাই প্রসারিত যে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে অসাধারণ ভালো পড়াতে পারেন আপনারা। কিন্তু সেই আপনাদের জড়িয়ে পড়তে হয়েছে দুই নেতানেত্রী বা একাধিক রাজনৈতিক দলের দ্বন্দ্বের মধ্যে। রাজনীতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকা যে দুর্নীতি, তা সামাল দিতে বারবার বিপদে পড়ছেন আপনারা।
এ অবস্থা কিন্তু ভারতের রাজনীতিতে অনেক কম ছিল আগের সহস্রাব্দেও। নিশ্চিন্তে কোথায় অফিসের কাজ শেষে নিজের ছেলেমেয়েদের একটু পড়াশোনা করাবেন, তার বদলে ভোটের সময় প্রতিদিন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আপনাদের। দেশের জন্যে লড়তে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন আপনারা। আর আপনার উৎসর্গীকৃত সেই জীবন নাকি সীমানা পেরিয়েছে ভোটপ্রার্থী নেতানেত্রীর অভিশাপে! শুধু প্রশাসনেই বা কেন? বিচার ব্যবস্থায় অত্যন্ত সৎ ভাবে কাজ করা মানুষদের অবস্থাও অনেকসময় সুবিধের নয়। কখনও বা উচ্চতর এবং উচ্চতম ন্যায়ালয়ের সম্মানীয় বিচারপতিদের কারও কারও বিরুদ্ধে উদ্ভট অপবাদ বা অভিযোগ আসছে বারবার। সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় অনেকেই মনে করছেন যে এসমস্ত ষড়যন্ত্রের পেছনে আছে রাজনৈতিক নেতারা।
তবু মুখ বুজে সবটুকু সহ্য করে নিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চালিয়ে যাবেন প্রশাসন বা বিচার ব্যবস্থার কাজ। জেতার আশায় ভোটপ্রচারে নেতানেত্রী কথায় কথায় হেয় করবেন তাঁদের থেকে অনেক অনেকগুণ যোগ্য মানুষদের। জেলাপুলিসের ঊর্দ্ধতন কর্মচারিদের অপমানজনক কথা বারবার শোনানো হবে অমায়িক ভঙ্গীতে। এবং তারপর সেই নেতাদের মধ্যেই একজন ভোটে জিতবেন। তাঁরাই আবার সবাই মিলে দুশো বাহাত্তর পেরিয়ে সরকার গড়বেন। তাঁদের শপথ নেওয়াতে আসতে হবে দেশের উচ্চতম ন্যায়ালয়ের প্রধান বিচারপতিকে। তাঁদের নির্ধারিত নীতিকে প্রয়োগ করতে হবে দেশের শিক্ষিত সরকারি কর্মচারিদের। সেটুকু তো ঠিকই ছিল। কিন্তু তাঁদের কারও দুর্নীতি, তাঁদের হিংসা, তাঁদের অনেকের ক্ষমতার প্রতি তীব্র লোভ, এসবের দায়ভার যদি সরকারি কর্মীদের নিতে হয় তাহলে কিন্তু ভীষণ বিপদ। একটু ঘাড় বেঁকিয়ে তাকালেই দেখতে পাবেন এমন ঘটনা বাড়ছে আমাদের দেশে। উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মীদের ভয় দেখিয়ে কাজ করানো এবং তাঁদের ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনা উঠে আসছে বারবার। স্বাধীন সংস্থাগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। বিচার ব্যবস্থা থেকে মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা, নির্বাচন কমিশন থেকে প্রশাসন, সব কিছুকেই আপন করে নেওয়ার যে রাজনৈতিক প্রচেষ্টা কেন্দ্র, বিভিন্ন রাজ্য এবং সর্বোপরি কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের নীতি নির্ধারকদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে, তার থেকে সরকারি কর্মীদের আশু মুক্তির প্রয়োজন। একদিকে তাঁদের কাজ রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে, অন্যদিকে সেই সব দলের সঙ্গে সঠিক দূরত্ব না রাখলে পরবর্তীকালে বিপদ বাড়তে পারে অনেকটা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মীদের চাকরির সুরক্ষা তাই কাদাগোলা বিশবাঁও জলের তলায়।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
11th  May, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
চেন্নাই, ৩১ মে (পিটিআই): কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র কন্টেইনমেন্ট জোনে লকডাউন চালানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্র সরকার গত নির্দেশিকা বদলের কোনও ঘোষণা করেনি। ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: সালাউদ্দিন পর্দার আড়ালে যেতেই রাজ্যে জেএমবির সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল আব্দুল করিম। সামশেরগঞ্জে বসে সে বাংলাদেশেও জেএমবির সংগঠন মনিটরিং ...

জুরিখ, ৩১ মে: করোনা ভাইরাসের ওষুধ, ভ্যাকসিন ও পরীক্ষা করার কিট পাওয়া নিয়ে যাতে বৈষম্য তৈরি না হয়, তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে আর্জি জানাল ৩৭টি দেশ। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলে তার পেটেন্ট নিয়ে লড়াই ...

মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তর প্রদেশে করোনা আক্রান্ত আরও ২৯৬, মৃত ৫ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৯৬ জন। ...বিশদ

09:21:40 PM

মুম্বইয়ে করোনা আক্রান্ত আরও ১৪১৩, মৃত ৪০ 
মুম্বইয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৪১৩ জন। মৃত ...বিশদ

09:12:55 PM

গুজরাটে করোনা আক্রান্ত আরও ৪২৩, মৃত ২৫ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২৩ জন করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

08:55:01 PM

বন্ধ কামাক্ষ্যা মন্দির, হচ্ছে না অম্বুবাচী মেলাও 
আগামী ৩০ জুন অবধি বন্ধ থাকছে কামাক্ষ্যা মন্দির। এজন্য এবছর ...বিশদ

08:46:05 PM

দিল্লিতে করোনা রোগীর আত্মহত্যা 
দিল্লির বাটরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ আত্মঘাতী। ৬৩ বছর ...বিশদ

08:33:43 PM

দিল্লিতে আরও ৯৯০ জন করোনা আক্রান্ত 
দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৯০ জন করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

08:22:23 PM