Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব
তেলসংকটের মুখে ভারত 
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ২২ এপ্রিল ইরান থেকে তেল আমদানির ওপর আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ২ মে থেকে ভারতসহ ৬টি রাষ্ট্র (চীন, ইতালি, গ্রিস, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও তুর্কি) ফের অসুবিধার মুখে পড়তে চলেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, দেশের অভ্যন্তরে তুমুল বিরোধিতার মুখে দাঁড়িয়ে মোদি আশা করেছিলেন, তাঁর বিদেশনীতি (ইতিমধ্যেই যাকে আলিঙ্গনের বা কোলাকুলির কূটনীতি বা ‘Hugplomacy’ বলে বিরোধী শিবির দাগতে শুরু করেছেন), বিশেষত মার্কিন দৌত্য কিছুটা হলেও ক্ষতে প্রলেপ দেবে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কারণ, ট্রাম্প-পোম্পেওর চোখ রাঙানির সামনে ভারতের অসহায়তা একদিকে যেমন তার মার্কিন নীতির অসারতার ইঙ্গিতবাহী, তেমনি ভারতের অপ্রস্তুত অবস্থাও বলার অপেক্ষা রাখে না। লোকসভার ভোট বলে সরকারের তরফে হয়তো তেল কোম্পানিগুলিকে এখনই তেলের মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে বার্তা দেওয়া হতে পারে। তাই কিছুটা হলেও কালবৈশাখীর মতো সাময়িক স্বস্তি। কিন্তু ২৩ মে ভোটপর্ব মিটলেই তৎক্ষণাৎ মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। এমনকী একলাফে লিটারপিছু পেট্রল ও ডিজেলের দর ৫ টাকা বা ততোধিক দাম বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে, ইনফ্লেশন নতুন সরকারের গলার কাঁটা হয়ে উঠতেই পারে।
মনে রাখা দরকার, বিশ্ববাজারে খনিজ তেলের দাম চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হলেও, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার দরুন তেলের দাম দারুণভাবে প্রভাবিত হয়। যেমন গত বছর ৮ মে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক জেসিপিওএ (২০১৫) বাতিল করার পর থেকে ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্ব ক্রমশ চড়ামাত্রা লাভ করেছে।
বলা বাহুল্য, আমেরিকা প্রদত্ত এই চাপের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হল, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র গবেষণা থেকে নিরস্ত্র করা। তবে, ইরানের অনমনীয়তা ও কৌশলী অবস্থানের দরুন বল অনেকটা দূর গড়াবে বলে মনে হয়।
প্রথমত, ইরানের দিক থেকে যে দুটো সম্ভাব্য পদক্ষেপের ইঙ্গিত আমরা পাচ্ছি তার একটি হল ইরান ১৯৬৮ সালের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি থেকে সরে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। চীন সেই কারণেই ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপকে এক হাত নিয়েছে।
দ্বিতীয়ত, তৈল বাণিজ্য মার খেলে ইরান সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল স্ট্রেট অব হরমুজকে বন্ধ করে দিতে পারে বলে আগাম বার্তা দিয়েছে।
সেক্ষেত্রে সংকট ঘনীভূত হতে বাধ্য। তাছাড়া আফগানিস্তান থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহৃত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আঞ্চলিক হিগেম্যানি প্রসারের পথ সুগম হতে পারে। ইতিমধ্যেই ইরান বেশ কতকগুলি রাষ্ট্রে যেমন ইরাক, লেবানন, ইয়েমেন, সিরিয়ার যথেষ্ট প্রভাব বিস্তারের সক্ষম হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমেরিকা ইরানের এই সক্রিয়তাকে রোধ করতে চাইছে। বিখ্যাত Foreign Affairs জার্নালের সাম্প্রতিক একটি ইস্যুতে জন হপকিন্স স্কুলের বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যান্ডেলবাম তাঁর The New Containment শীর্ষক প্রবন্ধে রাশিয়া, চীনের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের প্রতি নয়া-মার্কিন দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনা করেছেন।
তবে, ইরানের শক্তি মার্কিন-বিরোধী জাতীয়তাবাদ নয়, বরং বৃহত্তর র‌্যাডিকাল ভাবধারা। সেইসঙ্গে ইরানের অর্থনীতি প্রধানত তেল ব্যবসার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় তেলের ওপর কোপ মেরে যদি অবাধ্য ইরানকে কিছুটা জব্দ করা যায়—সেটাই মার্কিন স্ট্রাটেজি। এতে অবশ্য আমেরিকারও আংশিক অসুবিধা হবে। তবে বিবেক মাথুরের মতো বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা, ইউরোপ যতটা মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল, দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি তার থেকে অনেকটাই বেশি নির্ভরশীল। যেমন ক্রমশ শিল্প, পরিকাঠামো উন্নয়ন, পণ্য পরিবহণের ওপর জোর দেওয়ার ভারতের অভ্যন্তরীণ তেল চাহিদা অতি দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে, যা এশিয়ার মধ্যে মুষ্টিমেয় সর্বাধিক চাহিদাসম্পন্ন অর্থনীতিগুলির মধ্যে অন্যতম।
ভারতের এই অত্যধিক এনার্জি ফুয়েল চাহিদা একদিকে যেমন তার অর্থনীতির প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির পরিচায়ক, তেমনই বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তার ক্রমবর্ধমান নিবিড় যোগের ইঙ্গিতবাহী। সেইসঙ্গে লক্ষণীয় যে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত রিলায়েন্স ও এসারের মতো অয়েল সংস্থা বিদেশে পরিশোধিত তেল রপ্তানির ব্যবস্থা করলেও ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির ৮৫ শতাংশেই সৌদি আরব ও ইরান জোগান দেয়। এমতাবস্থায় ইরান থেকে তেল আনার ওপর নিষেধাজ্ঞার দরুন কেবল তেলের দাম বাড়বেই না, সেইসঙ্গে বৃহৎ বেসরকারি কোম্পানিগুলির তেল ব্যবসাও মার খাবে, যার বিরূপ প্রভাব ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর পড়বে।
এমতাবস্থায় ভারতের করণীয় কী?
প্রথমত, আমরা জানি উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রভাবের অন্যতম মাধ্যম ভারত থেকে আগত অসংখ্য প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত কর্মী। সুতরাং এই লেবার সাপ্লাইকে ব্যবহার করে ভারত উপসাগরীয় অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে তার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেই পারে।
দ্বিতীয়ত, ভারতের ইরান-নীতি যথাযথ হওয়া প্রয়োজন। একদিকে আমাদের যেমন ইরানি তেলের প্রয়োজন, তেমনি দেখতে হবে ইরানের পরমাণু গবেষণা কতটা আঞ্চলিক স্থিতির পক্ষে হানিকর? কেবল মার্কিন অঙ্গুলিহেলনে সিদ্ধান্ত নিলে হবে না।
তৃতীয়ত, চীন কিন্তু ধীরে ধীরে ইরানি তেল আমদানি বেশ খানিকটা কমিয়ে এনেছে। তাছাড়া চীনের এনার্জি কূটনীতি বলিষ্ঠ ও বহুমুখী। সুতরাং বলাই বাহুল্য যে ইরানের তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চীনের ওপর তেমন প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া জিসিসি-র কাছে দরবার, চীনের আফ্রিকা ও ভেনেজুয়েলা নীতি এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে চীনের বহুবিধ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে চীনের তৈল জোগান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুদৃঢ় অবস্থায় রয়েছে।
চতুর্থত, চীনকে পুরোপুরি অনুসরণ না-করলেও ইরানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আগামী দিনে ভারতকে এনার্জি-সমৃদ্ধ মধ্য এশিয়ার দিকে যেতে হবে। তবে, সেক্ষেত্রে ভারতের পক্ষে অস্বস্তির কারণ হতে পারে মধ্য এশিয়ার পুবে চীন ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পাকিস্তানের অবস্থান। তবে ইরানি তেলের উৎসে টান পড়লে একদিক থেকে ‘শাপে বর’—তাতে করে তাপি প্রকল্পের গতি তরান্বিত হবে। এর ফলে মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান এনার্জি চাহিদায় জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক বোঝাপড়া ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের দিগন্ত খুলে যাবে। তবে, সেইসঙ্গে বাণিজ্যিক যোগযোগের বেশ কতকগুলি চ্যানেল যেখানে ভারতে গুরুত্বপূর্ণ যোগদান রয়েছে, হয়তো সেগুলি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। যেমন ইরান-পাকিস্তান-ভারত (আই-পি-আই), তেমনই আইএনএসটিসি যার মাধ্যমে মধ্য এশিয়া ও মধ্য ইউরোপের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগসূত্র গড়ে ওঠার প্রভূত সম্ভাবনা ছিল।
পরিশেষে, ইরানি তেলের জোগান বন্ধ হলে যতটুকু ক্ষতি তা হয়তো আমরা পুষিয়ে নিতে পারি যদি একদিকে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-ডিজেল উৎপাদন বৃদ্ধি ও অন্যদিকে আপৎকালীন অবস্থার জন্য আমরা তেল-ব্যাঙ্ক তৈরি করতে পারি। ইতিমধ্যে বিশাখাপত্তনমে আমরা এমন পদক্ষেপ করেছি। ভারতের এনার্জি পলিসি (২০০৬) অনুযায়ী ৯০ দিনের মতো আমদানিকৃত তেল ভাণ্ডারে মজুত করার কথা। তবে তেলের দাম ওঠা-পড়ার দরুন সেই মজুত ভাণ্ডার আমরা গড়ে তুলতে পারিনি। এখন অসুবিধায় পড়ে আমাদের ঠেকে শিখতে হবে।
 লেখক সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
06th  May, 2019
সবার উপরে ভোট সত্য
হারাধন চৌধুরী 

সিকি শতক আগের কথা। কর্মসূত্রে মেদিনীপুর শহরে থাকি। গ্রীষ্মের সকাল। ভোটের দিন। ভোটের খবর নিতে বেরনোর আগে চায়ের ভাঁড়ে চুমুক দেব। পঞ্চুরচকে চায়ের দোকানে এসেছি। এক ফেরিওয়ালার সঙ্গে দেখা।  
বিশদ

14th  May, 2019
অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে
পি চিদম্বরম

 ২০১৪-র নির্বাচনে পাল্লা দিতে নেমে নরেন্দ্র মোদি অর্থনীতি বিষয়ে একটি হঠকারী মন্তব্য করে বসেছিলেন। প্রতিক্রিয়ায় আমি বলেছিলাম, ‘‘মোদিজির অর্থনৈতিক জ্ঞানটা একটি ডাক টিকিটের পিছনেই লিখে ফেলা যেতে পারে।’’ আমার মন্তব্যটি নির্দোষ ছিল, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ওই মন্তব্যের কারণে মোদিজি আমাকে ক্ষমা করেননি!
বিশদ

13th  May, 2019
মমতার নেতৃত্ব মানতে কংগ্রেসি অনীহা কি আখেরে মোদিজির সুবিধে করে দিল?
শুভা দত্ত

প্রবল তাপে পুড়ছে রাজ্য। আকশে মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। ঘূর্ণিঝড় ফণীর হাত থেকে এ যাত্রায় রেহাই মিললেও কাঠফাটা রোদ আর মাথা ঘোরানো গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। বাঁকুড়া-পুরুলিয়ার মতো রুখু জেলাগুলো ইতিমধ্যেই চল্লিশ ছাড়িয়েছে, মহানগরী কলকাতাও বসে নেই। সেও প্রায় চল্লিশের ঘরে!
বিশদ

12th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া
এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

11th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের
উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে। নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় যোগ দিতে হচ্ছে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে। ভোটপ্রচারে তাঁদের মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে এমন সব ভাষা যা একেবারে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকেই শেখা।
বিশদ

11th  May, 2019
মোদিময় রাজনীতিতে
নয়া পাঠ ‘বাণপ্রস্থ কথা’
মৃণালকান্তি দাস

তাঁর বাড়িতে পা দিলেই চন্দনকাঠের একটা মূর্তিতে চোখ পড়বেই। তাতে অর্জুনকে বিশ্বরূপ দেখাচ্ছেন শ্রীকৃষ্ণ। তার পিছনে মহাভারতের টুকরো নানা ছবি। শরশয্যায় শায়িত ভীষ্মও। বিজেপিতে আদবানিকে ভীষ্ম পিতামহের সঙ্গে তুলনা করা হয়। নিজের হাতে তৈরি দলে যেভাবে তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন, তাকে কি তাঁকে আজ ভীষ্মের সেই শরশয্যার সঙ্গে তুলনা করা যায়?
বিশদ

10th  May, 2019
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অনেক
সংশোধন প্রয়োজন 
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ভারতীয় সংবিধান রচয়িতারা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনা করবার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে সংবিধান প্রদত্ত পূর্ণ স্বাধিকার দিয়েছিল। সংবিধানের ৩২৪নং ধারা বলে লোকসভা নির্বাচনে তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নির্বাচনের ওপর পূর্ণ কর্তৃত্ব রাখবার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের হাতে।
বিশদ

10th  May, 2019
নরেন্দ্র মোদি মেজাজ হারাচ্ছেন কেন?
শুভা দত্ত

 নরেন্দ্র মোদির রাজনীতি নিয়ে অনেকের ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর সৌজন্যবোধ নিয়ে এ যাবৎ কোনও প্রশ্ন ওঠেনি। ২০১৯-এর ভোটপর্ব যখন শেষ পর্যায়ে, তখন তিনি মেজাজ হারিয়ে একেবারে রাহুল গান্ধীর প্রয়াত পিতার নামে নিন্দা করে বসলেন। এভাবে তিনি ভদ্রতার সীমা ছাড়ালেন।
বিশদ

09th  May, 2019
কেন্দ্রে শক্তিক্ষয়, রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি—
সম্ভাবনার বিচিত্র জল্পনায় মুখর বঙ্গ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 বিশেষ করে বিষয় যখন দেশের ক্ষমতা দখলের ভোট-মহারণ সঙ্গে বাংলায় জোড়া ফুলের ৪২-এ ৪২-এর ডাক, আর সে মহাসংগ্রামে দুই প্রধান প্রতিপক্ষের নাম মোদি-মমতা— তখন পায় কে! একেবারে রসিয়ে কষিয়ে গরমে নরমে যুক্তি অযুক্তি কুযুক্তির কড়া পাকে পাহাড় থেকে সাগর জঙ্গলমহল থেকে যাদবপুর যাকে বলে জল্পনা-কল্পনার একটা উৎসবই যেন শুরু হয়ে গেছে।
বিশদ

09th  May, 2019
তাহলে, হাওয়া এবার কোন দিকে?
মোশারফ হোসেন

দেখতে দেখতে মোট সাত দফা ভোটগ্রহণের পাঁচটি দফাই সম্পূর্ণ হয়ে গেল। গোটা দেশে। আমাদের রাজ্যেও। বাকি দুটি দফায় মাত্র ১১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। যদিও ওইসব কেন্দ্রের ভোট বেশ কয়েকটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক গুরুত্বের বিচারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিশদ

07th  May, 2019
রাজনীতির পাঁকে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা
শুভময় মৈত্র

 দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন অনেক সময়। কেউ কেউ বড্ড বেশি যোগাযোগ রাখছেন ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। তারপর সেখানে তীব্র দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হওয়ায় অনেক সময় চাকরিতে ইস্তফা দিতে হচ্ছে।
বিশদ

07th  May, 2019
আমাদের কি ‘সাচ্চে দিন’
আসতে পারে না?
পি চিদম্বরম

আমার সামনে ১ মে তারিখের একটি ইংরেজি দৈনিক কাগজ রয়েছে। চলতি নির্বাচনের রকমারি খবর পড়ছি। নজরকাড়া শিরোনামের একটি ‘স্টোরি’ পড়লাম: ‘লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নেই, সেই দল প্রধানমন্ত্রী পাওয়ার স্বপ্ন দেখে: মোদি’। নরেন্দ্র মোদি লখনউ এবং মজফ্ফরপুরে যে ভাষণ দিয়েছেন তার গুরুত্বপূর্ণ অংশের বিস্তারিত বিবরণ ওই রিপোর্টে রয়েছে।  বিশদ

06th  May, 2019
একনজরে
সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি, ১৪ মে: ‘বাক স্বাধীনতা মানে অন্যের অধিকারেও হস্তক্ষেপ নয়।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি বিকৃত করে ফেসবুক পোস্ট করার অপরাধ মামলায় আজ এই মন্তব্য ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: তীব্র দাবদাহের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে পূর্বস্থলীর আম। বাগান থেকে জাগ ভাঙা আম ট্রাকবোঝাই করে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। অন্যদিকে এবারও পূর্বস্থলীতে তিনদিন ধরে আম উৎসব ও মেলা হবে। পূর্বস্থলী থানার মাঠে আগামী ২ জুন রবিবার আম ...

বিএনএ, মালদহ: মালদহের হবিবপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টা করলেও প্রচারে এখনও সেভাবে সাড়া ফেলতে পারল না কংগ্রেস। নির্বাচনী এলাকাজুড়ে দেওয়াল লিখন ...

কলম্বো ও রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১৪ মে (পিটিআই): ন্যাশনাল থাওহিত জামাত (এনটিজে) সহ আরও দু’টি মুসলিম চরমপন্থী মৌলবাদী সংস্থাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কার সরকার। প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপাল সিরিসেনা সোমবারই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এনটিজে ছাড়া বাকি দু’টি সংগঠন হল জামাতে মিলাতে ইব্রাহিম  এবং ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: ধর্মীয় সংস্কারক ও দার্শনিক দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৯: নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থ বিজ্ঞানী পিয়ের কুরির জন্ম
১৯০৫: কবি ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম
১৯৬৭: অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৬৫ টাকা ৭১.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৪ টাকা ৯২.৯৯ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৭২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১৩/৫৮ দিবা ১০/৩৬। উত্তরফাল্গুনী ৫/৩৯ দিবা ৭/১৬। সূ উ ৫/০/৩৬, অ ৬/৫/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/১৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৯ গতে ৯/০ মধ্যে পুনঃ ১/২২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৮ মধ্যে।
৩১ বৈশাখ ১৪২৬, ১৫ মে ২০১৯, বুধবার, একাদশী ১০/৫১/২১ দিবা ৯/২১/২২। উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ৩/২৩/৩৫ দিবা ৬/২২/১৬ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৯/৫৮/৫১, সূ উ ৫/০/৫০, অ ৬/৬/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে ও ১/৪৭ গতে ৫/২০ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৪৭ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৩/৪৬ গতে ১/১২/১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/১৮ গতে ৯/৫৫/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৭/১৮ গতে ৩/৩৯/৪ মধ্যে। 
৯ রমজান
এই মুহূর্তে
বন্ধ হলদিয়া বন্দর 
শ্রমিক বিক্ষোভে স্তব্ধ হয়ে হলদিয়া বন্দর। বন্দর বন্ধ হওয়াতে অচলাবস্থা ...বিশদ

10:17:37 PM

এমন নির্বাচন কমিশন জম্মে দেখিনি: মমতা
বিজেপি যা বলছে নির্বাচন কমিশন তাই করছে। এমন নির্বাচন কমিশন ...বিশদ

09:22:00 PM

 অমিত শাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত: মমতা

09:17:27 PM

জরুরী সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী 

09:16:21 PM

গুয়াহাটির শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ
গুয়াহাটির জু রোডের একটি শপিং মলের বাইরে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় ...বিশদ

08:45:31 PM

রাজ্যে ভোট প্রচারের সময় কমল
শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে সময় কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এর ...বিশদ

08:07:49 PM