Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামেদের
শুভময় মৈত্র

অনেকবার আলোচনা হয়েছে এই পরিসংখ্যান, তবুও এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফল জানতে উদগ্রীব ভোটপিপাসুদের সামনে ২০১৪-তে বিজেপি ঠিক কীভাবে ক্ষমতায় এসেছিল সে হিসেব অবশ্যই আকর্ষণীয়। সেই পরিসংখ্যানে দু’ভাগে ভাগ করা যায় ভারতকে। এক ভাগে তারা আসন পেয়েছিল আশি শতাংশ, আর অন্য ভাগে তাদের আসনের সংখ্যা ভীষণ কম। প্রথমে হিন্দি বলয়ের কথায় আসা যাক। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, হরিয়ানা, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড থেকে তারা পেয়েছিল ১৯০টা আসন। সঙ্গে যোগ করতে হবে পশ্চিমের দুই রাজ্য মহারাষ্ট্র আর গুজরাতের ৪৯। সব মিলিয়ে এই সব রাজ্যে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৩৯, অর্থাৎ আশি শতাংশ। এর সঙ্গে যদি শিবসেনা কিংবা অন্যান্য জোটসঙ্গীদের যোগ করেন, তাহলে ফলাফল আরও বেশি জমজমাট। বাকি রাজ্যগুলোর আসনসংখ্যা কিন্তু একেবারেই সুবিধের নয়। দক্ষিণে শুধু কর্ণাটকে ভালো ফল হয়েছিল বিজেপির। তা ছাড়া কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানায় সেভাবে বিজেপির কোনও প্রভাব ছিল না। তামিলনাড়ুতে ছিল এআইডিএমকে, তবে তাতে বিজেপির অবদান কিছু নেই। পূর্বে পশ্চিমবঙ্গ বা ওড়িশাতে তাদের ফল সুবিধের নয়। উত্তর-পূর্বের পঁচিশটা আসনেও সেভাবে ফল ভালো হয় নি বিজেপির। ভালো হয় নি জম্মু-কাশ্মীর বা পাঞ্জাবেও। এই সব রাজ্য মিলিয়ে ২৪৪-এর মধ্যে ৪৩টি আসন পেয়েছিল বিজেপি, অর্থাৎ ২০ শতাংশের নীচে।
আগের বারের খারাপ ফলের জায়গাগুলোর মধ্যে শেষ পাঁচ বছরে উত্তর-পূর্ব ভারতে বেশ উন্নতি করেছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে এবারেও আগের বারের মতোই আলোড়ন তুলেছে তারা, যদিও আসন সংখ্যার বিচারে কতটা সফল হবে সেকথা বলতে পারবে ভোটফল। বাকি জায়গাগুলোয় দেখলে বিজেপি নিজের থেকে যে অনেক আসন হঠাৎ বাড়িয়ে ফেলবে এমনটা এর মধ্যে খুব পরিষ্কার নয়। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পরে বিজেপি মোটামুটি ভালো করলে (দুশোর আশেপাশে), দক্ষিণের রাজ্যগুলো থেকে অনেক দলই হয়তো এনডিএ-র শরিক হতে চাইবে। এর মধ্যে অবশ্যই থাকবে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ুর মত রাজ্যগুলো। এই বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক দলবদলের মত নেতিবাচক বিষয় হিসেবে ভাবা ঠিক নয়। এর একটা ইতিবাচক দিকও আছে। তা হল নিজের রাজ্যের উন্নতি। দক্ষিণের রাজ্যগুলোর উন্নয়ন অনেক সময়েই চোখে পড়ার মত। আর সেটা চালু রাখতে গেলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। ফলে, ভোটযন্ত্র উত্তর উগরে দেওয়ার পরে এই দলগুলো কোন দিকে যাবে সেটা স্থির হবে, এখন তারা যতই তৃতীয় ফ্রন্ট কিংবা কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকে থাক না কেন। এবারের নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে আশার কথা সেটাই।
যে কথা বলছিলাম, বিজেপির চাই নিজের থেকে অন্তত ২০০ আসন। এর কম হলে তাদের পক্ষে মোদি-বিরোধিতার আবহে সরকার গড়া শক্ত। ধরা যাক, গতবারের ২৪৪-এর মধ্যে তাদের আসন ৪৩ থেকে এবার বেড়ে হল ৬১। এরকম সংখ্যা ধরার কারণ যোগ বিয়োগের সুবিধে, তার বেশি কিছু নয়। আর যেখানে ফল খারাপ হয়, সেখানেই তো অন্তত কিছুটা ভালো করা বেশ সহজ। সেই হিসেবে মোট ২০০ ছুঁতে বিজেপিকে হিন্দি এবং পশ্চিম বলয় থেকে পেতে হবে অন্তত ১৩৯টি আসন। সেখানে তারা আগেরবার পেয়েছিল ২৩৯টি। অর্থাৎ হিন্দি বলয়ে আগের বারের থেকে একশটি মত আসন কম পেলেও কিন্তু বিজেপির আশা থাকছে। তার কারণ দক্ষিণের অন্যান্য দলগুলির সঙ্গে বোঝাপড়া করে তারা জুটিয়ে নেবে আরও ৪০ থেকে ৫০ আর বাকিটুকু আসবে উত্তর এবং পশ্চিমভাগে তাদের সহযোগী দলগুলোর থেকে। একবার ক্ষমতার কাছে পৌঁছে গেলে বিজেপি কিছুটা চাপে থাকলেও সরকার গঠন করে ফেলবে। কিন্তু কোনও কারণে তারা যদি দেশের উত্তর-মধ্য-পশ্চিমে আরও বেশি আসন হারায় তখন সরকার গঠনে বেশ অসুবিধে হবে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনেকটা ২০০৪ এর নির্বাচনের মতো গিয়ে দাঁড়াবে, যেখানে বামেদের পশ্চিমবঙ্গের আসনগুলোর একটা বড় ভাগ চলে যাবে তৃণমূলের ঝুলিতে। এরকম হতে গেলে কংগ্রেসকে প্রায় দেড়শোর কাছাকাছি আসন জোটাতে হবে, আর তখন তৃতীয় পক্ষ ঢলবে রাহুল গান্ধীর দিকে।
অর্থাৎ যদি একটা দাঁড়িপাল্লার কথা ভাবা যায়, তাহলে তার একদিকে থাকবে ২০০৪ এর নির্বাচন, আর অন্যদিকে ২০১৪-র। এবারের নির্বাচন তার মধ্যে কোনদিকে যাবে সেই অনুযায়ী ঠিক হবে ক্ষমতায় আসছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ, নাকি বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মনে রাখতে হবে যে ১৯৯৯ তে ১৮২টা আসন পেয়ে সরকার গড়েছিল বিজেপি, সঙ্গে ছিল এনডিএ-র বিভিন্ন দল। তেমনই ২০০৪-এ কংগ্রেস পেয়েছিল ১৪৫টি আসন। তাতে তাদের ইউপিএ-র নেতৃত্বে থেকে সরকার গঠনে কোনও অসুবিধে হয় নি। অর্থাৎ একটি বিষয় পরিষ্কার যে কংগ্রেস বা বিজেপির মধ্যে কোনও একটি দল অবশ্যই দেড়শোর বেশি আসন পেলেই নেতৃত্বের দাবিদার হওয়ার চেষ্টা করবে। কংগ্রেস সরকার গড়লে রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় একশো শতাংশ। তবে বিজেপি যদি খুব খারাপ ফল করেও (দুশোর নীচে আসন) সরকারে নেতৃত্ব দেয় তখন নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন কিনা সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
তবে এছাড়াও আরও অনেক ধরনের সম্ভাবনা থাকবে। তার মধ্যে একটা হল ভালো করল না বিজেপি কিংবা কংগ্রেস দুজনেই এবং তাদের মোট আসন হল আড়াইশোর কম। সেক্ষেত্রে দক্ষিণের দলগুলো তো তৃতীয় পক্ষকে আসন জোগান দেবেই। তবে সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো কাউকে আপাতত খুঁজে পাওয়া শক্ত। চন্দ্রবাবু নাইডুর হয়তো সামান্য সম্ভাবনা আছে, তবে তার জন্যে তেলুগু দেশমকে আগে ভালো ফল করতে হবে। বিজেপি আর কংগ্রেসের আসন কম হওয়ার অর্থ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলও ভালো ফল করবে।
সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুযোগ পেলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী হতে রাজি থাকবেন, জ্যোতি বসুর ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি আর হবে না। উত্তরপ্রদেশে ভালো ফল করলে মায়াবতী অবশ্যই চেষ্টা করবেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার। উচ্চশিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসন কম থাকলেও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম উঠে আসতে পারে। কে বলতে পারে সেক্ষেত্রে হয়তো অনেকে অনুরোধ জানাবেন রঘুরাম রাজনকে প্রধানমন্ত্রী হতে। সব মিলিয়ে ডালপালা সমেত সম্ভাবনার গাছ আঁকা হতে পারে অনেক রকমই। তেমন হলে রামবিলাস পাশোয়ান কিংবা অখিলেশ বা তেজস্বী যাদবই বা জমি ছাড়বেন কেন? সেক্ষেত্রে এই নির্বাচনের সঙ্গে ২০০৪ বা ২০১৪ কোনওটাই মিলবে না, পুরোপুরি নতুন খবর আনবে ২০১৯। অর্থাৎ খুব অদ্ভুত একটা অঙ্ক এবারের নির্বাচনে আসছে যা হল বিজেপি আর কংগ্রেসের আসনের যোগফল। এই যোগফল যদি তিনশোর বেশি হয়, তাহলে সরকার হবে বিজেপি বা কংগ্রেসের নেতৃত্বেই। কিন্তু এই যোগফল আড়াইশোর কম হলে তৃতীয় পক্ষের সম্ভাবনা প্রবল। আসনের হিসেবে অবশ্যই বিজেপি এবং কংগ্রেস প্রথম দুপক্ষে থাকবে, কিন্তু তাদের যোগফল ঠিক করবে ক্ষমতার লাগাম ধরবে কে। বিজেপি কংগ্রেসের যোগফল আড়াইশো থেকে তিনশোর মধ্যে থাকলে যা কিছু ঘটতে পারে, আর তা ঠিক হবে মে মাসের শেষ সপ্তাহে।
এবারের নির্বাচনে ভারতের প্রায় সব দলের ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু ভালো খবর আসার সম্ভাবনা থাকলেও, আসনের হিসেবে সবথেকে দুর্দশা বামফ্রন্টের। কেরলে ভালো ফল না করলে তাদের আসনসংখ্যা এবার এক অঙ্কে নেমে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেস বা তৃতীয় পক্ষের সরকার হলেও তাদের প্রাসঙ্গিকতা কমে যাবে একেবারেই। দেশের পক্ষে তা মোটেই ভালো খবর নয়। নীতি নির্ধারণে সংসদে শিক্ষিত বাম নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দেশকে অনেকটা পিছিয়ে দিতে পারে। তার মধ্যে সবথেকে বড় বিপদ সরকারি ব্যাঙ্কের বেসরকারিকরণের মতো বিষয়গুলি। অবশ্যই এ নিয়ে বামেদের সমমতই পোষণ করবে তৃণমূল। কিন্তু, তাদের তালিকা দেখলে এটা পরিষ্কার যে গভীর বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনা করার মত প্রার্থীদের তারা খুব বেশি টিকিট দেননি। বাম এবং মধ্যপন্থার কথা যে দলগুলো বলতে পারে, অর্থাৎ কংগ্রেস, সপা, বসপা, আরজেডি—তাদের সবার ক্ষেত্রেই অবস্থাটা প্রায় একইরকম। তাই যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, দেশের মানুষ যে কিছুটা নিশ্চিন্তে থাকবে এমনটা নয়। প্রচুর শিক্ষিত এবং সংবেদনশীল মানুষ যে এবার সংসদ আলো করবেন সেরকম মনে হচ্ছে না। সেই হিসেবে ২০১৯ অবশ্যই এক গামলা নেতিবাচক খবর আনবে। ভোটাররা বিষয়টা একবার ভেবে দেখবেন কি?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
25th  April, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ৩০ মে: গতবছর বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে ভারতীয় দলের বিদায়ের পরেই মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আইপিএলে কামব্যাক করার থাকলেও তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় করোনার জন্য।  ...

  নয়াদিল্লি, ৩০ মে: ইসলাম ভীতি ও বিদ্বেষের অজুহাতে ভারতকে কলঙ্কিত করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত বিরোধী দল পাকানোর তালে ছিল ইসলামাবাদ। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারি অফিসে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৩০ জুন পর্যন্ত বন্ধ রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি 

30-05-2020 - 10:53:49 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,৯৪০ জন, মৃত ৯৯, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৬৫,১৬৮ 

30-05-2020 - 08:40:00 PM

গুজরাতে আজ করোনা পজিটিভ আরও ৪১২ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৩৫৬

30-05-2020 - 08:24:47 PM

শর্ত সাপেক্ষে সিনেমা, সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ে ছাড় দিল রাজ্য 
কেন্দ্র কন্টেইনমেন্ট জোনে ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে বাকি অংশে ...বিশদ

30-05-2020 - 08:06:44 PM

বিসিসিআই খেলরত্ন ও অর্জুনের জন্য কার কার নাম মনোনিত করল
খেলরত্নের জন্য রহিত শর্মার নাম এবং শিখর ধাওয়ান, ইশান্ত শর্মা ...বিশদ

30-05-2020 - 07:26:27 PM

৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন 
পঞ্চম দফার লকডাউনের ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার এই ...বিশদ

30-05-2020 - 07:01:00 PM