Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটবাংলা: তৃতীয় পর্ব শেষে দু’-একটি জিজ্ঞাসা
মেরুনীল দাশগুপ্ত

শেষপর্যন্ত বাংলার ভোটে রক্ত ঝরল। এবারের ভোটপর্বে প্রথম বলি হিসেবে নথিভুক্ত হলেন এক রাজমিস্ত্রি। মুর্শিদাবাদে রানিতলার সরকারপাড়া গ্রামের একটি বুথে মঙ্গলবার কী একটা গণ্ডগোলের জেরে তাঁকে কুপিয়ে খুন করল দুষ্কৃতীরা। হাঁসুয়ার মারাত্মক টানে চিরে দিল তাঁর পেট। বড় হাসপাতালে যাওয়ার পথেই প্রাণ হারালেন সেই প্রৌঢ়। ফের অনাথ হল একটি সাধারণ গরিব পরিবার। বুথে নয়, বুথ থেকে কিছুটা দূরে ঘটে গেল এই হত্যাকাণ্ড। তাঁর সঙ্গেই ঘটনায় গুরুতর আহত হলেন আরও দু’জন। বুধবার এই লেখা যখন লিখছি তখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন এই দুই হতভাগ্য। বলা বাহুল্য, ঘটনা ঘটল প্রকাশ্য দিবালোকে এবং বেশ কিছু হতবাক আতঙ্কিত চোখের সামনেই। আর এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কিছু সময়ের জন্য হলেও ফিরল ভোট-সন্ত্রাসের চিরচেনা দৃশ্য। মনের মতো জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার ‘উৎসবে’ যোগ দিতে আসা মানুষজন সে দৃশ্যের ভয়াবহতা সইতে না পেরে পালালেন নিরাপদ আশ্রয়ে। এবং যথারীতি ঘটনা ঘটে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এলাকা দখল নিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিস। উত্তেজনা ঠান্ডা করে নিয়ন্ত্রণে এনেছে পরিস্থিতি। মানুষও ফিরেছে বুথে ভোটের ‘উৎসবে’ শামিল হতে, মনের মতো জনপ্রতিনিধি, মনপসন্দ সরকার নির্মাণে হাত লাগাতে।
অন্যদিকে সরকারপাড়া বুথের সামনের এই নারকী কাণ্ড নিয়ে যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ততক্ষণে শুরু হয়ে গেছে চাপান-উতোর—দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপের পালা চলেছে চ্যানেলযুদ্ধে। নিহত রাজমিস্ত্রি কংগ্রেসের স্থানীয় কর্মী বলে চিহ্নিত হয়ে গেছেন। তাঁর সঙ্গে আহত দু’জনের একজন কংগ্রেস, অন্যজন তৃণমূল বলে স্বীকৃতিও পেয়েছেন। ফলে, একটি নির্মম নারকী হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক সংঘর্ষের শিরোপা পেয়ে গেছে এবং সেখানেও জয়-পরাজয় নিয়ে পক্ষে, প্রতিপক্ষে একটা হইহই যুদ্ধপরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যেমন হয়, যেমনটি আমরা দেখতে অভ্যস্ত তেমনই আর কী! এবং এবারের মোটামুটি শান্তির ভোটে রক্তের ছাপ লাগল কার দোষে—তা নিয়ে বাদানুবাদের আসরও বসে গেছে বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল কেবল একটাই, যাকে বলে একেবারে বেখাপ্পা ব্যতিক্রম—এক তরুণ। বুক খোলা রক্তে ভেজা শার্ট, বিধ্বস্ত মুখ, কান্না থমকে থাকা ভারী চোখ আর অসহায় মর্মান্তিক একটা চাহুনি। সরকারপাড়া হত্যাকাণ্ড নিয়ে জেগে ওঠা রাজনৈতিক কোলাহল থেকে দূরে হাসপাতালের বারান্দায় সেই তরুণের বুকফাটা আর্তনাদে কেঁপে কেঁপে চলেছে বৈশাখের তপ্ত নীল কঠিন আকাশ—আমরা তো যে যখন যা বলেছে করেছি, যেমন বলেছে দিয়েছি... তাও কেন এমন হল...! তাকে ঘিরে ছোট্ট ভিড়! নিরুত্তর!
সেটাই স্বাভাবিক। আমরাই কি জানি ছাই ওই সরল প্রশ্নের উত্তর! আমরা যারা শিক্ষিত সভ্যসজ্জন জাতীয় কি আন্তর্জাতিক সব বিষয়ে সমান দক্ষ মার্কসবাদ থেকে মোদিবাদ সব যাদের মুখস্থ কণ্ঠস্থ, আমরা যারা প্রতিনিয়ত গণতন্ত্রের হয়ে ধ্বজা তুলি গরিব মেহনতি মানুষের জন্য যাদের চোখের জল কখনও শুকোয় না, আমরা যারা বক্তৃতার মঞ্চ পেলে কথার কুঠারের দশ-পাঁচ ঘায়ে এভারেস্টকেও চাইলে নামিয়ে আনতে পারি পদতলে—সেই আমরাও কি জানি—সব মেনে নেওয়ার পরও কেন এমন হয়! জানলে তো নিশ্চয়ই আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া যেত ওই তরুণের বাপকে—বুঝিয়ে দেওয়া যেত, বাপু ভোট নিয়ে ঝঞ্ঝাটে যেও না। চুপচাপ যাও, পারলে দাও না পারলে ফিরে এস। রাজমিস্ত্রির কাজে চলে যাও। কামাও, খাও বাল-বাচ্চা নিয়ে ঘর কর।
জানি না বলেই বলা হয় না। আর সেই খামতি কেড়ে নেয় টিয়ারুল ইসলামের মতো প্রাণ। আর ঘটনার পর আমাদের যাদের মঞ্চ আছে অজুহাত দিই, যুক্তি খাড়া করি ওই মৃত্যু থেকে দু-চার সের রাজনৈতিক ফায়দা আসে কি না তার হিসেব কষি। আর যাদের সেই মঞ্চ নেই তাদের বাক্স আছে—বাক্স খুলে হত্যা ও তৎসংলগ্ন রাজনীতির রোমাঞ্চকর গল্প শুনি, ছবি দেখি। দেখি কীভাবে রাজমিস্ত্রির মতো একজন সাধারণও মৃত্যুর পর কয়েকদিনের জন্য হলেও রাজনীতির চরিত্র হয়ে উঠছেন, কাগজে মিডিয়ায় ছাপা হচ্ছে তাঁর ছবি, কত লোক তাঁকে নিয়ে তাঁর ঘর-পরিবার নিয়ে কত কিছু বলছেন এবং সব মিলিয়ে ক’দিন আগের অজ্ঞাতপরিচয় মানুষটির ‘বিশেষ’ পরিচয় তৈরি হয়ে যাচ্ছে জনমনে! আজ বলে নয়—এই ট্র্যাডিশন চিরকালই ছিল, আজও চলছে। মিডিয়ামুগ্ধ এই যুগে তার প্রতিপত্তি যে বহুগুণ বেড়েছে—তাতেই বা সন্দেহ কি?
কিন্তু, মঙ্গলবারের ওই ঘটনা নিয়ে এত কথা কেন? সেদিনের ভোটের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে সরকারপাড়ার খুনটাকে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই তো দেখতে হয়। তার কারণ ওই দিন তৃতীয় দফার ভোটেও অশান্তি প্রায় হয়নি বললেই চলে। ডোমকলের টিকটিকি পাড়ায় অল্পবিস্তর বোমাবাজি (তাও বুথ থেকে ছ-সাতশো মিটার দূরে) দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে বিজেপি সমর্থকদের ভোটদানে বাধা বা হরিহরপুরে একটি বুথের কাছে চা-দোকানে ভাঙচুরের মতো ঘটনা বা বুথের ভিতরে-বাইরে ভোটার প্রভাবিত করার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল, বিজেপি, কংগ্রেসের এজেন্টদের মধ্যে বচসাকে আর যা-ই হোক বড় ঘটনা বলা যায় কি? তাছাড়া, একথা অতি বড় নিন্দুকও স্বীকার করছেন যে, মঙ্গলবার পাঁচ কেন্দ্রের ভোটেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিস যথেষ্ট ছিল। নির্বাচন কমিশনের নজরও ছিল কড়া। ফলে গণ্ডগোল পাকানোর হোতাদের বিশেষ সুবিধা হয়নি। মানুষ মোটের ওপর নির্বিঘ্নেই ভোট দিয়েছেন। অথচ, এমন সামগ্রিক শান্তির পরিবেশেই সরকারপাড়ায় খুনের ঘটনাটা ঘটেছে। প্রথম দুই পর্ব শান্তিতে মিটতে দেখে মানুষের মনে পরবর্তী পর্বগুলো নিয়ে যে আশ্বাস-বিশ্বাস দানা বাঁধছিল—সরকারপাড়া তাতে একটা জোর ধাক্কা দিয়ে গেছে। সেজন্যই এত কথা।
বাংলার ভোটে হিংসা কোনও নতুন ব্যাপার তো নয়। কিন্তু, এবার প্রথম থেকেই ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি একটু আলাদা বলেই মনে হয়েছে। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যাপক টহলদারি, নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকদের নজরদারি এবং অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের সক্রিয়তা সহযোগিতায় সাধারণ মানুষজনের মনের ভোটভীতিও অনেকটাই প্রশমিত দেখিয়েছে। ফলে, ভোট প্রচারে যুযুধান পক্ষের নেতানেত্রীর তরজায় উত্তেজনার পারদ যতই চড়ুক, একটা সৌহার্দের পরিবেশে ভোট শেষ হবে এমন প্রত্যাশা বেড়ে উঠছিল মানুষের মধ্যে। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক ঘটনা তাতে একটা ধাক্কা দিয়েছে। ধাক্কা দিয়েছে তবে ভাঙতে পারেনি—পথেঘাটে সাধারণের কথায় তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এবং জনমহলে যে ভোট জল্পনা চলছে সেখানেও এই আঁটোসাটো নিরাপত্তার ভূমিকা স্বীকৃতী হচ্ছে। আসলে, বাংলার মানুষ তা তিনি রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকই হোন, কি সাধারণ পাবলিক—কেউই রক্তারক্তি খুনোখুনি পছন্দ করেন না। এই ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার যুগেও রক্তপাত এড়িয়ে চলতে চান এ রাজ্যের অধিকতর মানুষ—একথা তথ্যভিজ্ঞজনেরাও স্বীকার করেন। ওইসব পছন্দ যারা করে তাদের একমাত্র পরিচয়—দুষ্কৃতী, সমাজবিরোধী। তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি কিচ্ছু না—খুনেগুন্ডা, দুষ্কৃতী। কিন্তু, দুর্ভাগ্য এই যে, আমাদের দেশে এরা অনেক সময়ই নানা কৌশলে রাজনৈতিক একটা পরিচয় পেয়ে যায়! এক্ষেত্রেও এত বছরে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি! আর এই না ঘটার মাশুল গুনতেই সরকারপাড়া ঘটে! আমাদের ভোট উৎসব কলঙ্কিত হয়। সেজন্যই এত কথা।
যাইহোক ভোট চলছে। সাত পর্বের তিন পর্ব শেষ। সুদূর উত্তর থেকে জেলার পর জেলা পার হয়ে ক্রমশ কলকাতা মহানগরীর দিকে এগিয়ে আসছে নির্বাচন। যত এগিয়ে আসছে তত তাপ বাড়ছে ভোটের ময়দানে। মোদি-মমতার সভা, পাল্টা সভায় সরগরম ভোটবাজার। এবং তৃতীয় পর্বে রক্তপাত প্রাণহানির পর সঙ্গত কারণেই সাধারণ মানুষজনের মহলে প্রশ্ন জেগেছে—শেষ চার পর্বের ভোট রক্তপাতহীন হবে তো? মানুষের নিরাপত্তা ভোটকর্মীদের সুরক্ষা বজায় থাকবে তো? থাকবে কি থাকবে না সেটা বলবে সময়। তবে, ইতিমধ্যেই ভোট-কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, চতুর্থ পর্বে ৯৮ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। রাজ্যের পুলিস তো থাকবেই। ফলে, সাধারণের মধ্যে একটা আশ্বাসের বাতাবরণ নিশ্চিত তৈরি হয়েছে। কিন্তু, পাশাপাশি তক্ষাদের মনে একটা খটকা থেকেই যাচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সরকারপাড়াতেও তো যথেষ্ট আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল। পুলিস বাহিনী সবই ছিল। তা সত্ত্বেও হাঙ্গামা হল কীভাবে! কীভাবে দুষ্কৃতীরা একজনকে বুথে না হলেও বুথের কাছাকাছি অমন নৃশংসভাবে খুন করে বেরিয়ে গেল!? যতদূর মনে পড়ছে টিভি চ্যানেলে একজন স্থানীয় বলেছেন, ঘটনার সময় বুথে প্রহরারত নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে সাহায্য চাইতে গেলে তাঁরা নাকি বলেছিলেন, বুথ ছেড়ে যাওয়া যাবে না! এবং, নিরাপত্তার সেই ফাঁকেই ঘটে গিয়েছে ওই মর্মান্তিক হত্যা! দুষ্কৃতীরাও চম্পট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে! প্রশ্ন একটাই, আসন্ন পর্বগুলোতে নিরাপত্তার ওই ফাঁকটা ভরানো হবে তো? না হলে বুথের শুদ্ধতা হয়তো বাঁচবে, কিন্তু ভোটারদের মনে প্রাণচিন্তাটা থেকেই যাবে— তাই না?
25th  April, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রাজ্য সরকার সোমবার থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে ছাড় দিলেও এখনই খুলছে না তারাপীঠ মন্দির। শনিবার বৈঠকে বসে বেড়ে চলা করোনা আক্রান্তের কথা ভেবে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি।  ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারি অফিসে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করছেন। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৩০ জুন পর্যন্ত বন্ধ রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি 

30-05-2020 - 10:53:49 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,৯৪০ জন, মৃত ৯৯, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৬৫,১৬৮ 

30-05-2020 - 08:40:00 PM

গুজরাতে আজ করোনা পজিটিভ আরও ৪১২ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৩৫৬

30-05-2020 - 08:24:47 PM

শর্ত সাপেক্ষে সিনেমা, সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ে ছাড় দিল রাজ্য 
কেন্দ্র কন্টেইনমেন্ট জোনে ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে বাকি অংশে ...বিশদ

30-05-2020 - 08:06:44 PM

বিসিসিআই খেলরত্ন ও অর্জুনের জন্য কার কার নাম মনোনিত করল
খেলরত্নের জন্য রহিত শর্মার নাম এবং শিখর ধাওয়ান, ইশান্ত শর্মা ...বিশদ

30-05-2020 - 07:26:27 PM

৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন 
পঞ্চম দফার লকডাউনের ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার এই ...বিশদ

30-05-2020 - 07:01:00 PM