Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধ বনাম শান্তি এবং বাঙালি মগজের অবস্থান
 

শুভময় মৈত্র: সকালবেলা দুধের ডিপোয় গভীর আলোচনা। পলিথিনবন্দি দুশো গ্রাম দই আর পাঁচশো মিলিলিটার গুঁড়ো গোলা দুধ কিনতে গিয়ে মহা বিপদে পড়তে হল। একটু আধটু লিখি সেকথা যাঁরা জানেন তাঁরা ঘিরে ধরে বললেন যে যুদ্ধ নিয়ে লিখুন যত খুশি, তবে নিজের মাথা বিক্রি করে নয়। অর্থাৎ বক্তব্য খুব পরিষ্কার। যুদ্ধের পক্ষে বা বিপক্ষে যাই লিখুন না কেন, সেটার পিছনে যেন নিজের ধান্দা না থাকে। ভাবনায় যেন প্রভাব না ফেলে অন্ধ রাজনৈতিক মতামত। এ বড় কঠিন দাবি, বিশেষত আজকের পরিস্থিতিতে, যখন লোকসভা ভোট দোরগোড়ায়।
সাধারণভাবে বিরোধী দলগুলো যুদ্ধের বিরুদ্ধে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এটা অতি সরলীকরণ। বিরোধীরা মনে করে, দেশের উপর আঘাত এলে তার প্রত্যাঘাত করা জরুরি (নিউটনের তৃতীয় সূত্র), কিন্তু ঘটনাগুলো ঠিক কী হচ্ছে তাতে যেন অস্বচ্ছতা না-থাকে (প্রমাণ চাই)। অর্থাৎ, আমাদের দেশের সেনা বাহিনীর উপর যখন আক্রমণ হবে তখন প্রশ্ন উঠবে যে দেশের সুরক্ষাব্যবস্থায় কোনও গলদ ছিল কি না। যখন আমাদের দেশের বিমান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে হাজার কিলো বোমা টপকে আসবে তখন জানাতে হবে যে সে বোমা জয়েশের সন্ত্রাসবাদীদের ঘাড়ে পড়ল নাকি ফাঁকা মাঠে। বিমানহানায় পাইনবনে তিনটে কাক মরলে কিংবা পরিবেশ দূষণ হলে সেটাই জানাতে হবে। বালাকোটে জয়েশের জঙ্গিঘাঁটিতে সাড়ে তিনশো লাশের দাবির সত্যতা এবং সেই তালিকায় মাসুদের শালা কিংবা সম্বন্ধী আছে কি না সে ব্যাপারে দেশের মানুষকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে। বিরোধীদের মতের পক্ষে যুক্তি দেওয়া যেতেই পারে যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আলুওয়ালিয়ার ৩ মার্চের বক্তব্যেও এ নিয়ে যথেষ্ট অস্পষ্টতা আছে। তিনি বলেছেন, বালাকোট আক্রমণ জঙ্গিদের হত্যা করার জন্যে নয়, তাদের একটা বার্তা দেওয়ার জন্যে। ফলে, আক্রমণের উদ্দেশ্য বার্তা দেওয়া নাকি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস, তার ফল সাড়ে তিনশো জঙ্গি নিধন নাকি শুধুই প্রচার, এ-সমস্ত প্রশ্ন বিরোধী শিবিরে আলোচিত হবেই। অমিত শাহ নাকি সাড়ে তিনশোকে এর মধ্যেই দরাদরি করে আড়াইশোতে নামিয়ে এনেছেন! ফলে লাশের সংখ্যায় অস্পষ্টতা যে আছে তা স্পষ্ট। এর সঙ্গে বিজেপি বিরোধীদের সবথেকে বড় দাবি যে যুদ্ধের সাফল্য পুরোটাই সেনা বাহিনীর এবং তার ভাগ নেওয়া চলবে না মোদি সরকারের। বায়ুসেনার বীরত্বে কর্ণাটকে বিজেপির ক’টা আসন বাড়বে এই নিয়ে বক্তব্য পেশ করা বিজেপি নেতার নীতিহীনতার পরিচয়।
অন্যদিকে, বিজেপির বিবৃতি হল যে এই যুদ্ধে ভারতের সেনা বাহিনীর যে বীরত্ব তাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে কেন্দ্রের সরকার। এরকম সাহসী সরকার আছে বলেই সন্ত্রাসবাদী পাকিস্তানকে উচিত জবাব দিচ্ছে দেশ। কংগ্রেস বা অন্যান্য বিরোধী দল ক্ষমতায় থাকলে ভারত এত দ্রুত ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করত। তার ফলে কঠিন হতো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। সন্ত্রাসবাদী হামলায় বারবার ক্ষতি হয়েছে ভারতের, আর সেই সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান। তাই আজকের দিনে বিরোধী দলগুলো যে সমস্ত উদ্ভট প্রশ্ন তুলছে তা আসলে জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা এবং তীব্র দেশদ্রোহিতা। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে ভারতের কয়েকটি বিরোধী রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রীর মতে, ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের বিমানকে খেদিয়ে দিলে তা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘পাইলট প্রোজেক্ট’। এরপর পাকিস্তানকে আরও কঠিন শিক্ষা দেবে ভারত। পুরনো মিগ নিয়েই পাকিস্তানের অধিক শক্তিশালী এফ-১৬-কে মাটি ধরিয়েছেন অভিনন্দন। ফলে, আমাদের আসল অস্ত্র যখন দিল্লির রাস্তায় সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ পেরিয়ে পড়শি দেশে ঢুকবে তখন বোঝা যাবে কত ধানে কত চাল। সন্ত্রাসবাদ দমনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সফলতায় অর্থ বদল হয়েছে অভিনন্দনের। এই অনুপ্রেরণার মূলে আছে ভারতের মানুষ এবং বর্তমান সরকারের ইচ্ছাশক্তি। সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে সমস্ত খবর তো আর সংবাদমাধ্যমের রাজপথে হাঁটিয়ে পাকিস্তানের পকেটে পৌঁছে দেওয়া যায় না। তাই উপযুক্ত গোপনীয়তা মাথায় রেখে তবেই রণকৌশল ঠিক করা জরুরি। বিরোধীদের অবিমৃশ্যকারিতায় সত্যি-মিথ্যের হিসেব গাঢ় অক্ষরে ছাপিয়ে বিদেশি শক্তিকে কোনওরকম সুবিধে করে দিতে নারাজ কেন্দ্রের সরকার। যুদ্ধপরিস্থিতিতে গুজব এখন অনেক রকমই রটবে, যেমন মাসুদবাবু এবং তার বৃক্কের স্বাস্থ্য নিয়ে সংশয়। ঠিক তেমনই বায়ুসেনার পক্ষে বোমা ফেলার পর আবার ভূমিতে অবতরণ করে লাশ গোনা বাস্তবোচিত দাবি নয়। আনুমানিক সংখ্যাই সেখানে একমাত্র ভরসা।
অর্থাৎ সোজা বাংলায় বলতে গেলে একদিকে যুদ্ধবাজ, আর অন্যদিকে যুদ্ধবাজ-না। শান্তির পূজারিরা বলবে, যুদ্ধবাজ বাজে। লড়াই যারা করতে চায় তারাও ছাড়ার পাত্র নয়। তাদেরও যুক্তি আছে যে যুদ্ধবাজ-নাও বাজে। অর্থাৎ এখানে যুদ্ধ জারি যুদ্ধের পক্ষের এবং বিপক্ষের মধ্যে। বাম আর কংগ্রেসের মতামত এক্ষেত্রে বিজেপির উল্টোদিকে এবং তার ফলে যুদ্ধপরিস্থিতিতে এই দুই দলের বক্তব্যকে তৃণমূলের থেকে খুব একটা আলাদা করা যাচ্ছে না। যুদ্ধ বিষয়টা যেহেতু রাজনীতির, তাই যুদ্ধ সংক্রান্ত আলোচনা হলে অবশ্যই সেই নিরিখে নির্বাচনী বিশ্লেষণ চলবে। আলোচনা হবে দেশের বিজয় সংকল্পের সমর্থনে বিজেপির বাইক মিছিল নিয়ে। আলোচনা হবে রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল সেই মিছিলের অনুমতি দেবে কি দেবে না তা নিয়েও। মোটের উপর যুদ্ধপরিস্থিতিতে তৃণমূল, বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের মতামত এক হলেও, নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সমর্থনে কোনও মতামত দেওয়ার আগে দশবার ভাববে বাম এবং কংগ্রেস। তার কারণ, রাজ্যে বাম-কংগ্রেস একাধারে বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী। ফলে, এখানে তৃণমূলের ছায়ায় তারা ঢাকা পড়তে চাইবে না। সারা দেশের প্রেক্ষিতে ভাবলেও বিষয়টা একই রকম। সাধারণভাবে দেশজুড়ে লড়াই বিজেপি ও তার সহযোগী দল এবং তাদের বিরোধীদের। তবে তার মধ্যেও রাজ্যবিশেষে বিরোধী দলগুলির পারস্পরিক দ্বন্দ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে দেবে। যুদ্ধ এবং আসন্ন নির্বাচন মিলে ভাবনা চিন্তা গুলিয়ে যাবে অনেকটা।
ঠিক এই জায়গাটাতে ফিরে আসা যাক নিজের মগজ বিক্রির কথায়। কেউ যদি কোনও রাজনৈতিক দলের অন্ধ সমর্থক হন, তাহলে তাঁর সেই দলের মতে শামিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই, বিজেপির সমর্থক আপাতত আগ্রাসনের পক্ষে। আর বিজেপি-বিরোধীরা মোটের উপর হিসেব চাইবেন হানাহানির ক্ষয়ক্ষতির, প্রার্থনা করবেন আলোচনার মাধ্যমে যাতে মীমাংসা হয় সমস্যার। কিন্তু, স্বাধীনভাবে ভাবলে দেখতে হবে এই যুদ্ধে মুনাফা করছে কে? যার মুনাফা সবথেকে বেশি, তারই বেশি সম্ভাবনা এই যুদ্ধ বাধানোর, কিংবা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার। সীমান্তে উত্তেজনা বজায় রাখার। এই জায়গায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজারের বিশাল অবদান আছে। যারা অস্ত্র বানায়, তাদের তো সেগুলো বিক্রি করতে হবে। বিশেষত আমরা যেমন পুরনো জামা কাপড় দিয়ে বাসন কিনি, তেমনই উন্নত দেশগুলো তাদের পুরনো অব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র কিংবা যুদ্ধবিমান তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে গছিয়ে দেয়। সে জন্যেই দুই পড়শি দেশের আকাশে ওড়া সব বিমানই অনেক দূরের ভূখণ্ড থেকে আমদানি করা। ফলে, আজকের হানাহানি আমাদের নির্বাচনে প্রভাব ফেললেও সেটা অগভীর অনুসিদ্ধান্ত মাত্র। যুদ্ধের শিকড় অনেক গভীরে। মগজের কারফিউ সরিয়ে রেখে সেটুকু বোঝা হয়তো সম্ভব। আবার এটাও বাস্তব যে আমাদের অতিক্ষুদ্র মতামত বিশ্ব রাজনীতিতে কোনও প্রভাবই ফেলবে না। ফলে, মগজ বিক্রির ব্যাপারটা আপাতত সামনের লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেখানে আপনার আমার সবার মগজের মূল্য একটা করে ভোট। সেখানে আশি কোটি ভোটারের মধ্যে অল্প ক’টা বিক্রি হলে এমন কী আর ক্ষতি? বরং এরাজ্যে সুযোগ বুঝে দলবদল করলে বিজেপির যুদ্ধ আর তৃণমূলের শান্তির মধ্যে চটজলদি ডিগবাজি খাওয়ার অবকাশ বর্তমান। নিয়মিত ব্যায়ামে মগজের কার্যকারিতা বজায় থাকবে অনেক বেশি। সেটাই হোক দুধের ডিপোয় তর্করত বাঙালি ঘিলুর সঠিক অবস্থান।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
11th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

অথ শ্রীমহাভারত কথা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

আবার এক মহাভারত যুদ্ধ সমাগত। রণবাদ্য বাজিয়ে যুদ্ধের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে, আকাশে-বাতাসে সেই যুদ্ধের বার্তা ভাসছে, প্রস্তুতি চলছে নানা স্তরে, সর্বত্র সাজ সাজ রব উঠে গেছে। বাদী, সম্বাদী, বিবাদী সব দলই নানা উপায়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। সাম, দান, দণ্ড, ভেদাদি প্রতিটি উপায়ই সমাজের নানা স্তরে নানাভাবে পরীক্ষিত হচ্ছে।
বিশদ

14th  March, 2019
ভোটজয়ে যুদ্ধের ভাবাবেগের একাল সেকাল
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 পুলওয়ামার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রত্যাঘাত এবং পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানের আক্রমণ প্রতিহত করা, কোনও শর্ত ছাড়াই উইং কমান্ডার অভিনন্দনকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মুক্ত করে এনে ভারত যে শৌর্যের প্রদর্শন করেছে তা বিরাট গর্বের।
বিশদ

12th  March, 2019
গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

 উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর।
বিশদ

12th  March, 2019
জাতীয়তা-বিরোধী সংবাদপত্র! 

পি চিদম্বরম: রাফাল বিতর্ক থামবে না! পুলওয়ামায় জঙ্গিহামলা এবং অতঃপর ভারতীয় বায়ুসেনার প্রত‌্যাঘাতের কারণে বিতর্কটা যদি যবনিকার আড়ালে চলে গিয়ে থাকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই সেটাকে মঞ্চের মাঝখানে এনে ফেলেছেন প্ররোচনামূলক মন্তব‌্য করে—‘‘আমাদের যদি রাফাল যুদ্ধবিমান থাকত ...।’’  বিশদ

11th  March, 2019
মমতার নামে কুৎসা করে
বাংলার ভোট জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

 কুৎসা ছাড়া কী? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশপ্রেমিক নন! তিনি সেনার মর্যাদা গৌরব বোঝেন না! তিনি পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছেন! এসব কুৎসা ছাড়া কী? আমাদের রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশেও কি কেউ এক মুহূর্তের জন্য বিশ্বাস করবে এইসব? এমনকী মমতার অন্ধ বিরোধীরাও কি এমন কথা মানবে?! অসম্ভব।
বিশদ

10th  March, 2019
মিথ্যা‌ই সত্য
সমৃদ্ধ দত্ত

 এই যে কোনও আধুনিক সভ্যতার উপকরণ নির্মাণেই আমরা পশ্চিমি দেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারছি না এটাই কি শেষ কথা? ভারত কি সত্যিই কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং-এই এক নম্বর নয়? এটা ভুল ধারণা। আমরা এক নম্বর স্থান পেয়েছি একটি আন্তর্জাতিক ইস্যুতে। সেটি হল ফেক নিউজ।
বিশদ

08th  March, 2019
ভোটবাজার: ইস্যুগুলো সব গেল কোথায়!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

ইমরান খান বুদ্ধিমান। দুনিয়া কাঁপানো এই ক্রিকেটার আজকের হাই-টেক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কতটা দর তার হিসেব না নিয়েও বলা যায়—তিনি বুদ্ধিমান এবং অবশ্যই বিচক্ষণ। তিনি জানেন, লড়াইয়ের ময়দানে কখনও-সখনও কৌশলগত কারণে এক-পা এগনোর জন্য দু-পা পিছিয়েও আসতে হয়, আসতে হতে পারে।  বিশদ

07th  March, 2019
শামিমার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া
কি আদৌ ব্রিটেনের সংস্কৃতির অঙ্গ!
রূপাঞ্জনা দত্ত

‘আমার মাত্র একটিই নাগরিকত্ব আছে। সেটাও যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমার আর কিছু থাকবে না। ব্রিটেনে যদি আমাকে শিশু সন্তানসহ ফিরতে দেওয়া হয়, তাহলে জেলে যেতেও রাজি।’ শামিমা বেগমের এই মম্তব্যই ব্রিটেনজুড়ে ঝড় তুলেছে অভিবাসী আইন নিয়ে।  বিশদ

07th  March, 2019
নীতি-যুদ্ধ-রাজনীতি
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

নৈতিক দৃষ্টিতে যে আচার-আচরণ এবং ব্যবহার ভুল বলে মনে হয়, সেই আচার-আচরণ এবং ব্যবহার রাজনৈতিকভাবে কখনও ঠিক হতে পারে না—এই সত্যটা সকলের আগে বুঝে নেওয়া ভালো। এই সত্য ভাবগত বুদ্ধিতে যতটা সহজ, কার্যত এটা ততটাই কঠিন।
বিশদ

05th  March, 2019
যুদ্ধের চাপা দামামা
পি চিদম্বরম

একটি জাতি হিসেবে, বাইরের দিকের নিরাপত্তা (এক্সটার্নাল সিকিউরিটি) এবং অভ‌্যন্তরীণ নিরাপত্তার (ইনটার্নাল সিকিউরিটি) মধ‌্যে স্বাতন্ত্র্যরচনায় আমরা যত্নবান। কোনও কারণে প্রথমটিকে ‘জাতীয়’ (ন‌্যাশনাল) আলখাল্লা পরার অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে কিন্তু পরেরটির ক্ষেত্রে নস‌্যাৎ করা হচ্ছে সেই বিশেষ সুবিধাটি।
বিশদ

04th  March, 2019
ভারত-পাক যুদ্ধ পরিস্থিতি আসন্ন ভোটযুদ্ধে মোদিজিকে কি এগিয়ে দিল?
শুভা দত্ত

 এখনও শেষ হয়নি। চলছে। পুলওয়ামার ন্যক্কারজনক জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তার রেশ এখনও যথেষ্টই রয়েছে। রয়েছে প্রবল উত্তেজনাও। শুক্রবারও মেন্ধার আখনুর উরি নৌশেরা প্রভৃতি সেক্টরে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাক রেঞ্জাররা দফায় দফায় গোলাগুলি চালিয়েছে এবং তার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। অন্যদিকে এদিনই জঙ্গি সন্ত্রাসে ফের রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গের মাটি—নিহত হয়েছেন সেনা আধা-সেনা ও পুলিস মিলিয়ে পাঁচজন! গুরুতর আহত নিরাপত্তাবাহিনীর চার রক্ষী।
বিশদ

03rd  March, 2019
একনজরে
 লন্ডন, ১৪ মার্চ (পিটিআই): বুধবার রাতে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিপক্ষে ভোট দিয়ে সরকারকে দ্বিতীয়বার ধাক্কা দিয়েছেন হাউস অব কমন্সের সদস্যরা। কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়া ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে ভেঙে পড়তে নারাজ। আগামী সপ্তাহের কোনও একটি দিনে শেষবারের মতো চেষ্টা করে দেখতে ...

  সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ি ব্লকের প্রায় লক্ষাধিক বাসিন্দা আজও ডিজিটাল রেশন কার্ড পাননি। তিন বছর আগে তাঁরা খাদ্য দপ্তরে এই কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু সেই কার্ড না পাওয়ায় লোকসভা ভোটের আগে বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: আগামী লোকসভা ভোটে হাওড়া জেলার ১৩ হাজার ৫৮২ জন শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাঁদের মধ্যে ১৪১৯ জন দৃষ্টিহীন, ২৩০৬ ...

নয়াদিল্লি, ১৪ মার্চ: বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২-৩ ব্যবধানে ওয়ান ডে সিরিজ হেরেও বিচলিত নন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বিশ্বকাপের জন্য ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় অধিক পরিশ্রম করতে হবে। ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তির পক্ষে দিনটি শুভ। প্রেম-প্রীতিতে আগ্রহ বাড়বে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৬৪ – জিজিয়া কর তুলে দেন মুঘল সম্রাট আকবর
১৮৯২ – লিভারপুল ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৭২ - ভারতীয় সাক্ষ্য আইন প্রবর্তন।
১৯০৪ - স্বনামধন্য বাঙালি কবি ও লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম
১৯৩৪: রাজনীতিক কাঁসিরামের জন্ম
১৯৩৭ - পৃথিবীর প্রথম ব্লাডব্যাংক চালু হয় শিকাগোতে
১৯৩৯ - বাঙালি ভ্রমণ কাহিনী, রম্যরচনা ও উপন্যাস লেখক জলধর সেনের মৃত্যু
১৯৭৬: অভিনেতা অভয় দেওলের জন্ম
১৯৭৭: অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের জন্ম
১৯৮৩: সঙ্গীতশিল্পী হানি সিংয়ের জন্ম
১৯৮৫ – প্রথম ইন্টারনেট ডোমেইন নাম নিবন্ধিত হয়। (symbolics.com)





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৭০ টাকা ৭০.৩৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৬৮ টাকা ৯৩.৯৭ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৫২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৩২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, নবমী ৪৯/৪৭ রাত্রি ১/৪৫। আর্দ্রা ৫৪/৪৫ রাত্রি ৩/৪৪। সূ উ ৫/৪৯/৫৫, অ ৫/৪১/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/১২ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৯ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে ৪/১১ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪৮ গতে ১১/৪৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৩ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৩০ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৫ মার্চ ২০১৯, শুক্রবার, নবমী রাত্রি ৯/০/৫০। আর্দ্রানক্ষত্র রাত্রি ১১/৩২/৪৫, সূ উ ৫/৫০/২৮, অ ৫/৪০/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৫/১১ মধ্যে ও ৮/১২/৩২ থেকে ১০/৩৪/৩৬ মধ্যে ও ১২/৫৬/৫১ থেকে ২/৩১/২৪ মধ্যে ও ৪/৬/৬ থেকে ৫/৪০/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৮/৬ থেকে ৮/৫৫/২৩ মধ্যে ও ৩/২৪/৩২ থেকে ৪/১৩/১১ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪৩/৩ থেকে ১০/১৬/৫১ মধ্যে, কালবেলা ১০/১৬/৫১ থেকে ১১/৪৫/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৩/১৪ থেকে ১০/১৪/২৬ মধ্যে।
 ৭ রজব
এই মুহূর্তে
দাসপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে বাস 
টোটোকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল কনেযাত্রীবোঝাই বাস। ...বিশদ

07:55:31 PM

২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামেরা 
১৭টি আসন ছেড়ে ২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। ...বিশদ

06:51:12 PM

আজ সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা 
আজ সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে ...বিশদ

05:01:43 PM

২৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

04:02:07 PM

নিউজিল্যান্ডের মসজিদে হামলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ 

02:22:06 PM

মাদারিহাটে গাড়িতে ধাক্কা মারল ট্রাক, জখম ১০ 

01:36:00 PM