Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গোঁফ দিয়ে যায় চেনা?
অতনু বিশ্বাস

উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অকুতোভয় সাহসিকতা আর কর্তব্যনিষ্ঠায় মোহিত ভারতবাসী। তারা খুঁজতে চায় সেই রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব। সুকুমারী দুনিয়ার হেড অফিসের বড়বাবু তো সেই কবেই বলেছেন, গোঁফ দিয়েই নাকি চেনা যায় আমাদের সব্বাইকে। তবু, ছেলেবেলা থেকে এনিয়ে সন্দেহ আমার পুরোদস্তুর। সত্যি সত্যিই গোঁফই কি আমাদের আইডেন্টিটি? এবং একমাত্র? তাহলে যার গোঁফ নেই, তার আইডেন্টিটির কী হবে? তবু, এনিয়ে হাজার গণ্ডা প্রবাদ রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। কোথাও পড়েছি, কলমে কায়স্থ চিনি, গোঁফেতে রাজপুত। আবার কখনও শুনেছি, শিকারি বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়। ইত্যাদি, ইত্যাদি।
আসলে নানান স্টাইলের গোঁফ পরিণত হয়েছে প্রায় প্রবাদেই। বীরাপ্পানের মত প্যাঁচানো গোঁফ, প্রজাপতির মত উড়ুক্কু গোঁফ, স্ট্যালিনের চওড়া গোঁফ। এমনকী গল্প-সাহিত্যের চরিত্রদের গোঁফই বা কম কীসে? যেমন আগাথা ক্রিস্টির গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারো-র বর্ণনাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে তার সূঁচোল গোঁফজোড়া ছাড়া। খেলার ছলে হাতি-লোফেন যিনি সেই ষষ্ঠীচরণের গোঁফ সম্পর্কে সুকুমার কিন্তু কবিতায় নীরব। তবু ছেলেবেলা থেকে আবোল তাবোলের পাতায় ষষ্ঠীচরণের ছবিতে পেল্লাই মাপের গোঁফ দেখেই অভ্যস্ত আমরা। ‘যোধা আকবর’ ছবিতে দেখেছি, সম্রাট আকবরের গোঁফ পরিচর্যার জন্যে নাপিতের পিছনে খরচ করা হতো মোটা অর্থ। হিটলারি গোঁফ চ্যাপলিনের নাকের নীচে ঠাঁই পেয়ে হয়ে যায় অন্য ধরনের স্টাইল স্টেটমেন্ট। আর তা যেন একাকার হয়ে যায় ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’-এর সেলুলয়েডে। সঠিক গোঁফের স্টাইল কি সত্যিই জয় করতে পারে হৃদয়? আসলে গোঁফ থাকলেই যে হৃদয়ের কাছাকাছি পৌঁছানো যাবে, সেটাও বোধকরি ঠিক নয়। তাসের দেশে চার চারটে রাজা রয়েছে, কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, কেবলমাত্র ‘কিং অব হার্ট’-এরই গোঁফ নেই। তা সত্ত্বেও সে হয়ে বসেছে হৃদয়ের রাজা।
তবু, আজ দেখি এমনই এক গোঁফে মজেছে ২০১৯-এর ভারতবর্ষ। উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমানের প্যাঁচানো গোঁফ নিয়ে এক অভূতপূর্ব আবেগের ঢল নেমেছে দেশজুড়ে। সে গোঁফজোড়া পরিণত হয়েছে স্টাইল স্টেটমেন্টে। আর গাছে কাঁঠাল দেখলে, গোঁফে তেল মাখা তো আমাদের নিত্যদিনের অভ্যেস। দেশের সেলুনে সেলুনে নাকি অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ করবার আবদার নিয়ে লাইন পড়ছে জনতার। কোনও কোনও সেলুন নাকি ‘আমরা অভিনন্দন-গোঁফে বিশারদ’ ধরনের বিজ্ঞাপন দিচ্ছে বা দেবে বলে ভাবছে। খবরে প্রকাশ, বেঙ্গালুরুর কোনও এক সেলুন নাকি বিনামূল্যে অভিনন্দন-স্টাইলের চুলদাড়ি কেটে দিচ্ছে গ্রাহকদের। আর সেই সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্যে লাইন পড়ছে সকাল থেকে।
আমূলের বিজ্ঞাপনের একটা পরোক্ষ অবদান হয়তো আছে এর পিছনে। পঞ্চাশ বছরের বেশি ধরে ওই ছ’বছরের মেয়েটা বড় বড় হোর্ডিংয়ে আর সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনে জাতির হৃদস্পন্দনকে চিত্রিত করে চলেছে নিশ্চিতভাবে। এবারেও প্রথমে অভিনন্দনের প্রত্যাবর্তনকে কার্টুনায়িত করল আমূল। তারপর মিনিট খানেকের এক ভিডিও প্রকাশ করল, ‘#আমূল মুচ: টু অভিনন্দন ফ্রম আমূল’। এ তাদের ‘মুচ নেহি তো কুছ নেহি’ শীর্ষক প্রচারের একটা অঙ্গ ছিল। ভিডিওটিতে দেখা গেল জীবনের সর্বক্ষেত্রের পুরুষরাই অভিনন্দনের স্টাইলে গোঁফ পাকাচ্ছে। আর শুধু পুরুষরাই বা কেন, একটি ছোট্ট মেয়ে এক গ্লাস দুধ খেয়ে করে ফেলেছে সাদা রঙের গোঁফের দাগ। এক বীর সৈনিককে এ এক অনবদ্য সম্মান প্রদর্শন। আমরা অভিভূত। কিন্তু সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখে বোঝাই যাচ্ছিল যে, এবার গোঁফে তা দেবে ভারতবর্ষ।
এক অর্থে এ কিন্তু দেশের পক্ষে বড় আশার কথা। দেশের জনগণ শুধুমাত্র রুপোলি পর্দা আর ক্রিকেট মাঠের তারকাদের পোশাক-আশাক, চুল-দাড়ি-গোঁফই নকল করে না, এক বীর সৈনিকের গোঁফের স্টাইল অনুকরণ করতেও ছোটে দলে দলে। পর্দার তারকাদের ছাপিয়ে আসমুদ্র-হিমাচলের নায়ক হয়ে উঠতে পারে দেশের প্রতিরক্ষায় নিয়ত সৈনিকরাও। এমনকী মেয়েরা পর্যন্ত নকল অভিনন্দন-মার্কা গোঁফ লাগিয়ে ছবি তুলে পোস্ট করছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।
উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের এই জবরদস্ত গোঁফটাকে আমরা আগে জানতাম বীরাপ্পানের স্টাইলের গোঁফ বলে। বস্তুত তামিলিয়ান গোঁফ নামেই পরিচিত এটা, তামিল সাহিত্যে এ ধরনের গোঁফের বর্ণনা রয়েছে প্রভূত। তামিল পুরুষরা নাকি অনেকেই এ ধরনের গোঁফ রাখত এক সময়। এর একটা পারিভাষিক নামও অবশ্য রয়েছে—‘গানস্লিঙ্গার’। সেসব নাম অবশ্য এখন ধুয়ে মুছে যেতে পারে একেবারে। ‘উইং কম্যান্ডার গোঁফ’ বা ‘অভিনন্দন গোঁফ’ নামেই হয়তো ভবিষ্যতে পরিচিত হয়ে যাবে এটা।
অভিনন্দনের গোঁফ এতটাই উত্তাল করেছে দেশের লোককে যে আমার মত গোঁফ-খেজুরে লোকও অভিনন্দন-স্টাইলের গোঁফের প্রত্যাশায় সেলুনের লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি সকাল থেকে। হঠাৎ করে মনে হয়, অভিনন্দন বর্তমানের মত বীর মানসিকতার সৈনিক কিন্তু এদেশে অগণিত। সীমান্তে তারা অতন্দ্র প্রহরী। দুর্ভিক্ষে ফাঁকা আর বন্যায় ভিটে তলিয়ে গেলেও কর্তব্যে যারা অবিচল। ঘরেতে প্রতীক্ষ্যমানা প্রিয়াকে ছাপিয়ে যাদের স্নায়ুতন্ত্রীতে দেশপ্রেম উৎসারিত হয় ফল্গুস্রোতের মত। এই অভিনন্দন তো তাদের এক প্রতিনিধি মাত্র, পরিস্থিতির ফাঁকে ঘটনাক্রমে যার কথা জেনেছে দেশবাসী। কিন্তু অগণিত দেশপ্রেমী সৈনিকের গোঁফ তো আর অভিনন্দনের মত নয়। তাদের কারও গান্ধী-গোঁফ, কারও চ্যাপলিন গোঁফ, কেউ স্যার আশুতোষের মত গোঁফের মালিক, কারও গোঁফ ভগৎ সিংয়ের মতো, কারও আবার অ্যাস্টেরিক্স-মার্কা গোঁফজোড়া। আবার সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিতে তাঁর গোঁফ দেখেছি বলে তো মনে পড়ছে না। শহিদ ক্ষুদিরামের স্বল্প জীবনে ভালো করে গোঁফ গজাবার সময়টাও তো হয় নি। ‘পথের দাবী’র সব্যসাচীর প্রতিটা ছদ্মবেশের সঙ্গে সঙ্গে বদলে বদলে যায় পোশাক, বদলায় গোঁফ-দাড়ি-চুলের ধরন। তাঁর সমস্ত প্রকরণের মধ্য দিয়েই সব্যসাচী উজ্জ্বল হয়ে ওঠে পাঠকের হৃদয়ে। হঠাৎ মনে পড়ল আমার এক স্কুলের সহপাঠীর শ্মশ্রু-গুম্ফবিহীন মুখ। সেও সীমান্তের প্রহরী। কর্তব্যে অবিচল। শুনেছি একদা ডিউটিতে থাকাকালীন শ্রীনগরের লালচকে তাদের বাসে গ্রেনেড হানা হওয়ার কাহিনী। তাই হঠাৎ মনে হল, সেনা হোক বা সাধারণ জনতা, গোঁফ-দাড়ির ছাঁচে তাদের দেশপ্রেমকে সংজ্ঞায়িত করা বোধহয় নেহাতই বালখিল্য প্রচেষ্টা মাত্র। গোঁফজোড়া অমন না হলেও বীর ভারতীয় উইং কম্যান্ডার নিশ্চয়ই কোনও গোপন তথ্য ফাঁস করে দিতেন না পাকিস্তানি মেজরের কাছে।
একদিকে দেশসুদ্ধ লোক হেড অফিসের বড়বাবুর বক্তব্যকে আপ্তবাক্য ধরে নিয়েছে—‘গোঁফ দিয়ে যায় চেনা’। কিন্তু তারা খেয়াল করতে ভুলেছে তার আগের লাইনটা—‘গোঁফের আমি, গোঁফের তুমি’। তাই অন্যের গোঁফের স্টাইলকে নকল করলেই বদলে যাবে না আমার আমিত্ব-টুকু। সেলুনের লাইনে এবার ছিল আমার পালা। আমি কিন্তু হঠাৎ করে লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এলাম। পিছনের লোকজন খুশিও হল, অবাকও হল বেশ—আমার এই অর্বাচীন কাজে।
আমার হল এক সম্যক উপলব্ধি। গোঁফ কিংবা চুলের স্টাইল দিয়েই বোধকরি চেনা যায় না দেশপ্রেমের স্পন্দন। ধরা যায় না তার ব্যাপ্তিটুকু। দেশপ্রেম চেনা যায়, উপলব্ধি করা যায় হৃদয় দিয়ে। দেশমায়ের প্রতি অনাবিল ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে চেতনার গভীরে। দেশপ্রেম বাস করে হৃদয়পুরে। তা হল হৃদয়ের অন্তঃস্থলে উৎসারিত স্রোতস্বিনীর তরঙ্গ। সীমান্তের অগণিত প্রহরী বা দেশের অগণন সিভিলিয়ানের হৃদয়ের গভীরে যা বয়ে চলে অনির্বাণ। জীবনের কোনও বিরল মুহূর্তে কিংবা জাতির জীবন-প্রবাহের কোনও এক সন্ধিক্ষণে তাদের কারও কখনও বা হঠাৎ সুযোগ আসে জীবনের কোনও ফলবান খণ্ডকে জয় করার। এক সোনার কাঠির ছোঁয়ায় তখন মুক্তি ঘটে অন্দরে অন্তরে বসত করা অব্যক্ত উচ্ছ্বাসটুকুর। আর সুযোগ আসে নিজের বুক চিরে হৃদয়ের অন্তঃস্থলে প্রতিষ্ঠিত, সঙ্গোপনে সুরক্ষিত দেশমাতৃকার প্রতিচ্ছবি দেখানোর। সেই ম্যাজিক-মুহূর্তে জীবনই যে তাকে করে তোলে ‘অভিনন্দিত’।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
12th  March, 2019
‘বর্তমান’কে স্নেহের আঁচলে ঢেকে রেখেছিলেন আমাদের সবার শুভাদি
হিমাংশু সিংহ

২০০৮ সালের ১৯ জুন ‘বর্তমান’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্ত আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এক লহমায় মনে হয়েছিল, যেন মাথার উপর থেকে বিশাল ছাদটা সরে গেল। বরুণবাবু ছিলেন পোড় খাওয়া অকুতোভয় এক বলিষ্ঠ সাংবাদিক, যিনি সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে নিজের জীবনও বাজি রাখার অসামান্য ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।  
বিশদ

22nd  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন 

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন।  বিশদ

21st  October, 2019
তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে।   বিশদ

21st  October, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
একনজরে
প্রাগ, ২২ অক্টোবর: মরশুমের প্রারম্ভিক পর্বে যথেষ্ট নড়বড়ে ছিল বার্সেলোনা। কিন্তু সময় এগনোর সঙ্গেসঙ্গে চেনা ছন্দ খুঁজে পেয়েছে আর্নেস্তো ভালভার্দের দল। চোট সারিয়ে মেসি দলে ফেরার পর বাকিদের মনোবল স্বাভাবিকভাবেই তুঙ্গে। গত পাঁচটি ম্যাচে জয় পাওয়ার পর আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় থেকে ...

অভিজিৎ চৌধুরী, চন্দননগর, বিএনএ: শুধু দর্শনীয় প্রতিমা বা মণ্ডপের থিম নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রার প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ আসন ছিনিয়ে নিতেও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে চন্দননগরে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রোপা ২০১৯ কার্যকর হতে চলল। কিন্তু মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দিয়েও ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত অনেকে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় ফের চালু হল ‘সোনি সেন্টার’। গোলপার্কে গড়িয়াহাট রোডের উপর ওই শো-রুমটি এক হাজার বর্গফুটেরও বেশি জায়গা জুড়ে খোলা হয়েছে, যেখানে সোনির ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭০৭— ব্রিটেনের প্রথম পার্লামেন্টে অধিবেশন শুরু হল
১৯১৭—অক্টোবর বিপ্লবের ডাক দিলেন লেনিন
১৯২৯—নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে মহামন্দার সূচনা
১৯৪৪—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: হাঙ্গেরি প্রবেশ করল সোভিয়েতের লাল ফৌজ
২০০২—মস্কোর থিয়েটারে হানা দিয়ে প্রায় ৭০০ দর্শককে পণবন্দি করল চেচেন জঙ্গিরা
২০১২—সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১২ টাকা ৭১.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৪৫ টাকা ৯৩.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৬ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৪৮/৪৩ রাত্রি ১/৯। অশ্লেষা ২৩/৫২ দিবা ৩/১৩। সূ উ ৫/৩৯/৫৭, অ ৫/২/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ৭/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১১/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৬/৪৪ মধ্যে পুনঃ ৮/২৪ গতে ৩/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে। 
৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৮/৩৫/৩১ রাত্রি ৯/৬/৫৪। অশ্লেষা ১৬/২৮/৪০ দিবা ১২/১৬/১০, সূ উ ৫/৪০/৪২, অ ৫/৩/৩২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৮ গতে ৮/২ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৫ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/১৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২২/২ গতে ১২/৪৭/২২ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩১/২২ গতে ৯/৫৬/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১/২২ গতে ৪/৬/২ মধ্যে। 
২৩ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৫ জানুয়ারির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে বিধি, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র 
সোশ্যাল মিডিয়াতে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, ফেক নিউজ, ট্রোলিং ও দেশ বিরোধী ...বিশদ

22-10-2019 - 06:43:00 PM

কংগ্রেস ছাড়লেন নভজ্যোত সিং সিধুর স্ত্রী নভজ্যোত কাউর

22-10-2019 - 04:15:00 PM

শব্দবাজির দৌরাত্ম্য রুখতে কাটোয়ায় ট্রেনে তল্লাশি আরপিএফের 
দীপাবলিতে শব্দবাজির দৌরাত্ম্য রুখতে কাটোয়া স্টেশনে একাধিক লোকাল এবং এক্সপ্রেস ...বিশদ

22-10-2019 - 03:48:03 PM

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, বালাকোট সেক্টর সীমান্তে গোলাগুলি 

22-10-2019 - 03:33:23 PM

ইন্দাসে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 

22-10-2019 - 03:24:00 PM

রায়গঞ্জে একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি 
রায়গঞ্জ শহরের হালদারপাড়াতে একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ...বিশদ

22-10-2019 - 02:36:00 PM