Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইয়ং ইন্ডিয়া
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রায় বছর দশেক হয়ে গেল এই পিতাপুত্রের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। যা ক্রমেই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতায় পর্যবসিত। রাউলাট বিলের প্রতিবাদ করে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সভা করে বেড়াচ্ছিলেন। সেই সময় একটি সভা হয়েছিল এলাহাবাদে। মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে বলা হয়েছিল স্থানীয় একজন আইনজীবীর বাড়িতে থাকতে। সেই আইনজীবী কংগ্রেসের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। তাঁর নাম মতিলাল নেহরু। তবে তাঁর পাশাপাশি কেমব্রিজ থেকে সায়েন্স এবং পরে আইনের ডিগ্রি নিয়ে আসা পুত্রকেও মোহনদাসের খুব ভালো লেগেছিল। ঝকঝকে যুবক এবং বুদ্ধিমান। জওহরলাল। গান্ধীর ভক্ত হয়ে সত্যাগ্রহে নাম লেখাতে উৎসুক হয়। সেই থেকে ঘনিষ্ঠতা। তাঁরাও তাঁকে এতটাই বিশ্বাস করেন যে পারিবারিক সমস্যার কথাও গান্ধীজিকে না বললে চলে না। এই তো মতিলাল নেহরুর কন্যা স্বরূপ রানি এক সাংবাদিকের প্রেমে পড়ে তাঁকেই বিয়ে করার জন্য জেদ ধরেছেন। যুবকটি মুসলিম। তাই মতিলাল রাজি নয়। গান্ধীজিকে বললেনও সেকথা। গান্ধীজি ডেকে স্বরূপরানিকে বোঝালেন। গান্ধীজির কথা অমান্য করলেন না সেই কন্যা। তিনি পিছিয়ে এলেন। এবং মহারাষ্ট্রের এক হিন্দু পাত্রকে বিবাহ করলেন। বিয়ের দিন যে শাড়ি তিনি পরলেন, সেটি কস্তুরবা গান্ধী নিজে হাতে তৈরি করেন সবরমতী আশ্রমে বসে। এমনই সম্পর্ক পরিবারটির সঙ্গে।
১৯২৮ সাল থেকেই গান্ধীজি বুঝতে পারছিলেন সময় বদলাচ্ছে। এখনই কংগ্রেসকে আরও বেশি করে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় করতে হবে। ব্রিটিশদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে আরও তীব্র আন্দোলন দরকার। আর যে কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নির্ভর করে সেই আন্দোলনে কত বেশি সংখ্যক যুব সম্প্রদায় যুক্ত হচ্ছেন। তাই কংগ্রেসের মধ্যে দ্রুত যুব রক্তের সঞ্চার হওয়া জরুরি। বেঙ্গলে চিত্তরঞ্জন দাশ অকস্মাৎ চলে যাওয়ার পর তাঁর ভাবশিষ্য সুভাষ চন্দ্র বসু আছেন। তরুণ, মেধাবী, সুদর্শন, সুবক্তা, শিক্ষিত ও সুসংগঠক। আর কী চাই! তাই বেঙ্গলে কংগ্রেসের যে কোনও মুভমেন্ট সর্বদাই দারুণ কার্যকরী। দিল্লিতে জওহর। কংগ্রেসের যুব সম্প্রদায় চাইছিল ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাসের পরিবর্তে এখনই পূর্ণ স্বরাজের দাবি তোলা হোক। ১২ বছর আগেই রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব হয়েছে। তাই আরও বাড়ছে সেই প্রভাব। জওহর আর সুভাষ দু’জনেই তো বেশ বামপন্থী। আবার যুব সম্প্রদায় আকৃষ্ট হচ্ছে চরমপন্থার দিকে। তাঁদের যদি কংগ্রেসের নীতিনির্ধারণ থেকে দূরে রাখা হয় তাঁরা যে ধীরে ধীরে চলে যেতেই পারে কমিউনিস্ট পার্টিতে কিংবা হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক আর্মি নামক একটি সংগঠনে। যাঁরা সম্প্রতি লাহোরে পুলিস অফিসার সন্ডার্সকে হত্যা করেছে আর দিল্লি অ্যাসেম্বলিতে বোমা ছুঁড়েছে। তাই জওহরললালকে কংগ্রেস সভাপতি করা হল। কংগ্রেসে এল সেই প্রথম এক যুব স্রোত। নেহরু ও সুভাষচন্দ্র প্রধানত এই দুই গ্ল্যামারাস নেতা কংগ্রেসের যুবসম্প্রদায়কে আচ্ছন্ন করে রাখলেন। যদিও ওই ঘটনার আর মাত্র কয়েকবছর পর সুভাষের জনপ্রিয়তা ছাপিয়ে যাবে অনেক বেশি।
১৯৫৩ সালে জনসংঘ শুরু করল সত্যাগ্রহ। জম্মু ও কাশ্মীরের ইস্যুতে। গোটা অভিযানটি পরিচালনা করলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। প্রধানত পার্লামেন্ট হাউস থেকে। কিন্তু সেই অফিস ছেড়ে তাঁকে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে হয়। আর তাছাড়া এরকম একটি সত্যাগ্রহ আন্দোলন চালাতে হলে দরকার বেশি করে ইয়ং মুখ। সেরকম যোগ্য ছেলেমেয়ে কোথায়? অনেক খুঁজে একটি ২৯ বছরের যুবক পাওয়া গেল। ফাইল দিয়ে, সংবাদপত্রের ক্লিপিংস দিয়ে, বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থের রেফারেন্স নিয়ে সাহায্য করবে সে। একবার জম্মুতে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ যখন আর ফিরলেন না, শ্রীনগরের জেলে তাঁর রহস্যময় মৃত্যু হল, তখন এই যুবক আরও বেশি জায়গা করে নিলেন জনসংঘে। তাঁর নাম অটলবিহারী বাজপেয়ি। দলে বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন আরও এক যুবক। যিনি সংগঠন দারুণ ভালোভাবে পরিচালনা করতে দক্ষ। তিনি দীনদয়াল উপাধ্যায়। ক্রমেই এই দু’জন কংগ্রেসের প্রতিপক্ষ হিসেবে রীতিমতো প্রবল শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হলেন। যুবশক্তিই জনসংঘকে দিয়েছিল নতুন এক রাজনীতির স্বাক্ষর রাখার বৈশিষ্ট্য।
১৯৫৭ সাল। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস জয়ী হল বটে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেন কংগ্রেস বিরোধী মনোভাব অনেক বেশি করে আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। এমনকী সেই আগের মতো তুমুল জনপ্রিয়তাও যেন নেই জওহরলাল নেহরুর। তাঁকে ইদানীং কেমন ক্লান্তও দেখায়। বেশি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছেন দ্রুত। এরকম হলে বিপদ। কারণ জনমোহিনী শক্তি একমাত্র তাঁরই আছে। তাঁকে সামনে রেখেই সেই কবে থেকে এই দলটি একের পর এক বড় প্রাচীর পেরিয়ে যাচ্ছে। এর আগে আর একজনই তো ছিলেন সংগঠনকে চাঙ্গা করার জন্য। সেই সর্দার প্যাটেল আচমকা চলে গেলেন অপ্রত্যাশিতভাবে। স্বাধীনতার পর ভারতকে সম্মানজনকভাবে শক্তিশালী করেছেন এই সেরা রাজনৈতিক জুটি। সর্দার প্যাটেল-পণ্ডিত নেহরু। সুতরাং এখনই দরকার কোনও নতুন মুখ। কংগ্রেসকে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিকিয়ে রাখতে সর্বাগ্রে দরকার যুবক যুবতীদের আকর্ষণ করা। অথচ ইদানীং দেখা যাচ্ছে যুবসম্প্রদায় ক্রমেই ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তাই বদল চাই। ১৯৫৯ সালে কিছুতেই স্থির করা যাচ্ছিল না কাকে করা যায় কংগ্রেসের সভাপতি। সবেমাত্র সভাপতি পদের মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে ইউ এন ধেবরের। তিনি গুজরাতের মানুষ। একটা মৃদু চাপ আছে দক্ষিণ ভারত থেকে। কিন্তু কাকে? সি সুব্রহ্মনিয়ামকে? না। রাজি হচ্ছেন না কামরাজ। তাহলে? ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আচমকা একটি অপ্রত্যাশিত নাম উঠে এল। ২ ফেব্রুয়ারি তিনিই হলেন নতুন কংগ্রেস সভাপতি। মাত্র ৪২ বছর বয়সের এক যুবতী। ইন্দিরা গান্ধী। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে তাঁর নেতৃত্বে কংগ্রেসে যুবশক্তির একটি বিকাশ ঘটবে।
এসব অতীত স্মৃতিচারণের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে একটা বিষয় অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে টের পাওয়া যাচ্ছে। সেটি হল ভারত এখন ইয়ং ইণ্ডিয়ার প্রত্যাশী। দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নীচে। এই দেশের ধ্রুবপদ যতটা নীতি আর মূল্যবোধ, তার তুলনায় বেশি বীজমন্ত্র হল ডাউনলোড আর গুগল নামক আধুনিক দুটি প্রণোদনা। ২০১৯ সাল হতে চলেছে ভারতীয় রাজনীতির নতুন একটি ট্রান্সফরমেশনের বছর। আগামীদিনে এই পরিবর্তনকে সঙ্গে নিয়েই এগবে নয়া ভারত। সেটি হল রাজ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিসরে নতুন একঝাঁক ফ্রেশ যুব মুখের আগমন । স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যেসব দলের কাছে কমবয়সি যোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য, জেনারেশন নেক্সট রেডি আছে, সেইসব দলই আগামীদিনে দৌড়ে টিকে থাকবে। নেহাত নীতি, আদর্শ, ইজম অথবা অ্যাজেন্ডা দিয়ে আর নতুন প্রজন্মকে কাছে টানা যায় না। তাদের মন জয় করতে হলে সর্বাগ্রে তাদের মন বুঝতে হবে! তাদের মতো করে ভাবতে হবে। অভিজ্ঞতার একটি মূল্য আছে। কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু শুধুই অভিজ্ঞতা দিয়ে চরিত্র নতুন যুগের চরিত্র অন্বেষণ তথা নয়া সমাজের পোস্ট মর্টেম করা সম্ভব নয়। তার জন্য নিজেকেও হতে হবে ওই সমাজেরই একজন। এই কারণেই আমরা লক্ষ্য করছি হঠাৎ গত দু’বছরে একসঙ্গে বহু যুব সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উঠে আসছেন। ৪৯ বছরের রাহুল ছিলেনই, তাঁর সঙ্গে আবার যুক্ত হলেন ৪৭ বছরের প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। শুধু তাঁরাই নয়। কংগ্রেসের বাড়তি সুবিধা হল জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, শচীন পাইলট, দীপেন্দর সিং হুদা, গৌরব গগৈ, সুস্মিতা দেবদের মতো একঝাঁক নতুন প্রজন্মের ইয়ুথ ব্রিগেড দলে ক্রমেই বড়সড় জায়গা করে নিচ্ছেন। শচীন পাইলট আর সিন্ধিয়া সম্প্রতি তাঁদের রাজ্যে দলকে জিতিয়ে এনেছেন প্রায় একক ক্যারিশমায়।
বিহারে লালুপ্রসাদ যাদবের জেলযাত্রা একটি নতুন নেতার জন্ম দিয়েছে। তাঁর পুত্র তেজস্বী যাদব। শুধুই পিতার আলোয় আলোকিত? বোধহয় না। কারণ পুত্রের নেতৃত্বে লালুপ্রসাদের দল জোকিহাট বিধানসভা ও আরারিয়া লোকসভা আসনের উপনির্বাচনের হারিয়ে দিয়েছে মহাশক্তিধর বিজেপি জোটকে। এখন আর নীতীশ কুমারের প্রতিপক্ষ লালুপ্রসাদ যাদব নন। মাত্র ৩০ বছর বয়সি তেজস্বী প্রধান চ্যালেঞ্জার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার। উত্তরপ্রদেশে অস্ত গিয়েছে মুলায়ম সিং যাদবের প্রবল প্রতিপত্তি। তাঁকে সামনে রেখে মুলায়ম পুত্র অখিলেশ যাদবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন কাকা শিবপাল যাদব। কিন্তু সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে বিস্ফারিত নেত্রে তিনি দেখলেন, যে দলকে তিনি ও দাদা মুলায়ম এত বছর ধরে একটি শক্তিশালী ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছেন, সেই ওবিসি, যাদব, মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের সমাজবাদী পার্টি আজ সম্পূর্ণ অখিলেশ যাদবের দখলে। গুজরাতে শুধুমাত্র প্যাটেলদের সংরক্ষণের দাবি তুলেই হার্দিক প্যাটেল এক প্রথম সারির যুবনেতায় পর্যবসিত। তাঁকে মহাজোটের মহামঞ্চে ডাকা হয়। কারণ তাঁর প্রভাব বিপুল। সেই রাজ্যেই দুই যুবক জিগনেস মেহানি এবং অল্পেশ ঠাকোর আচমকা একটি করে বৃহৎ ভোটব্যাঙ্কের নেতা হয়ে গিয়েছেন। স্রেফ আজকের যুবক-যুবতী তাঁদের নিজেদের সঙ্গে রিলেট করতে পারছে বলে। তেলেঙ্গানায় কে চন্দ্রশেখর রাও এককভাবে জেতালেন এই সাম্প্রতিক বিপুল জয়? একেবারেই নয়। তাঁর দলের সর্ববৃহৎ ক্যাম্পেনার তথা ক্যারিশমাটিক নেতা এখন কে টি রামা রাও। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর পুত্র। এই ঝকঝকে ৪২ বছরের যুবক যেখানেই প্রচার করেছেন এবার তেলেঙ্গানার সমাবেশগুলি ভেসে গিয়েছে জনসমুদ্রে।
আগামীদিনে চন্দ্রবাবু নাইডু নয়। অন্ধ্রপ্রদেশের নতুন তারকা হয়ে উঠে আসছেন জগনমোহন রেড্ডি। তাঁর দল ওয়াই সি কংগ্রেসকে এখন থেকেই পাশে পেতে চাইছে বিজেপি। কারণ তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা। উত্তরপ্রদেশে দলিত আইকন কে? এক ও একমাত্র মায়াবতী? ভুল। এতদিন তিনি একা ছিলেন। কিন্তু এবার আগমন হয়েছে নতুন চরিত্র। ইংরেজি জানা স্মার্ট যুবক চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণ। ওই রাবণ নামটি তিনি যোগ করেছেন নামের সঙ্গে। নিজের গ্রামের বাইরে একটি বোর্ড বসিয়েছিলেন চন্দ্রশেখর। সেখানে লেখা ছিল ‘গ্রেট চামার অফ ধাড়কুলি ওয়েলকামস ইউ’। অর্থাৎ চামার সম্প্রদায় নিজেরা মোটেই লজ্জিত নয় অনগ্রসর জাতি হিসেবে। বরং দৃপ্তভাবে ঘোষণা করছে তাঁরা, যে তাঁদের ওই গ্রাম চামার সম্প্রদায়ের। এই দলিত গর্বের আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা থেকে তাঁর খ্যাতির শুরু। চন্দ্রশেখর আজাদ রাবণের নতুন দলের নাম ভীম আর্মি। উত্তরপ্রদেশে তাঁর প্রভাব প্রবলভাবে বাড়ছে। নতুন প্রজন্মের নতুন দলিত নেতা হিসেবে। সুতরাং মায়াবতীর একক দলিত সাম্রাজ্য টলমল করছে।
যে কোনও কুশলী রাজনৈতিক নেতা এই সূক্ষ্ম যুগ পরিবর্তনটি স্পষ্ট বুঝতে পারছেন। তাঁরা প্রস্তুতও হচ্ছেন পরোক্ষে। যাঁরা মাটির রাজনীতির সঙ্গে নিজেদের মিশিয়ে দিয়ে এতবছর ধরে জনতার পালস নিখুঁতভাবে ধরে অবিশ্বাস্য সাফল্য পাচ্ছেন তাঁরা তো সবার আগে টের পেয়েছেন। প্রমাণ? হাতের কাছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্রমোত্থান। যা সম্পূর্ণ প্ল্যানমাফিক করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র বুদ্ধিদীপ্ত এক রাজনীতিক। তিনি তাঁর দলের সফটওয়্যারকে আউটডেটেড হতে দিতে রাজি নয়। তাই অভিষেকের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করার সূক্ষ্ম প্রয়াস।
নরেন্দ্র মোদি বিজেপির সম্পদ। নরেন্দ্র মোদি বিজেপির শক্তি। কিন্তু অত্যন্ত গোপনে নতুন যুগটি বিজেপির কাছে এই বার্তাও দিচ্ছে যে, নরেন্দ্র মোদির ওই উজ্জ্বল আলো আটকে রেখেছে নতুন প্রজন্মের ঝকঝকে যুব-নেতা-নেত্রীর পথ। তাই বিজেপিতে এখনও এক এবং একশো নম্বর স্থানেও সেই নরেন্দ্র মোদির ক্যারিশমাই ভরসা। অনেক যুব রাজনীতিক আছেন বটে। কিন্তু সেই উচ্চতায় কেউই উঠতে পারেননি এখনও। অথচ একদা বিজেপির সবথেকে তীব্র গতির উত্থান হয়েছিল এই তরুণ শক্তির জন্যই। আশির দশক থেকেই লালকৃষ্ণ আদবানি ও অটলবিহারী বাজপেয়ির আড়ালে বেড়ে উঠেছিলেন অরুণ জেটলি, বেঙ্কাইয়া নাইডু, সুষমা স্বরাজ, প্রমোদ মহাজন, উমা ভারতী, গোবিন্দচারিয়া এবং নরেন্দ্র মোদি। তরুণ তুর্কির দল। আজ তাই বিজেপি সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছে প্রভাবে। আজও যে কোনও যুবকের থেকেও মমতা ও মোদির প্রাণশক্তি নিশ্চয় অনেক বেশি। কিন্তু রিজার্ভ বেঞ্চ স্ট্রং না হলে খেলা কিংবা রাজনীতি, চ্যাম্পিয়ন টাইটেল দীর্ঘকাল বজায় রাখা অনিশ্চিত হয়ে যায়। মোদিকে সাহায্য করার জন্য বিজেপিকে যুবশক্তি আনতেই হবে।
নতুন ভারতের তীব্র স্পিডের চালিকাশক্তির নাম হতে চলেছে—ইয়ং ইন্ডিয়া!
01st  February, 2019
ভোটের কৈফিয়ত
পি চিদম্বরম

একটা আত্মবিশ্বাসী সরকার স্বাভাবিক অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করত আর এটাই করা উচিত, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের মতো জিনিসটার ঘাটতি রয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মধ্যে। শুধু বিজেপি এমপিদের বিষণ্ণ মুখগুলোর দিকে তাকান বিশেষত যাঁরা রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও উত্তরপ্রদেশ থেকে এসেছেন এবং আপনি আমার সঙ্গে একমত হবেন।
বিশদ

ফাঁকা অভিযোগ করে বা সিবিআই জুজু দেখিয়ে কি মমতার গতিরোধ করা যাবে?
শুভা দত্ত

২০১৯ যুদ্ধের দামামা বেশ ভালোমতোই বেজে উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে লোকসভা ভোট আর দূরে নেই। মাঝে বড়জোর মাস দুই-আড়াই। তারপরই এসে পড়বে সেই বহু প্রতীক্ষিত মহাসংগ্রামের দিন। দেশের শাসনক্ষমতার মসনদ দখলের যুদ্ধে মুখোমুখি হবে শাসক এবং বিরোধী শিবিরের রথী-মহারথীবৃন্দ।
বিশদ

10th  February, 2019
হৃদয় গিয়েছে চুরি
অতনু বিশ্বাস

আচ্ছা, হৃদয়টাকে (হৃদপিণ্ড মানে হৃদয় ধরে নিয়ে) সত্যি সত্যিই কি কোথাও ফেলে আসা যায় না? যদি সত্যিই না যায়, কুমিরটা সেটা বিশ্বাস করল কী করে? উপকথার কুমিররা হয়তো বোকা হয়, তবে তার তথাকথিত বোকামিকে অনেক ক্ষেত্রেই আমার নেহাতই সরলতা বলে মনে হয়েছে।
বিশদ

09th  February, 2019
ন্যানো, একটি স্বপ্নের অকাল মৃত্যু
মৃণালকান্তি দাস

ভক্সওয়াগেন বিটল। যে বছর ভারতে ন্যানোর আবির্ভাব, তার ঠিক ৭০ বছর আগে বাজারে এসেছিল এই ‘পিপলস কার’। গোটা জার্মানি জুড়ে শুধু রোড নেটওয়ার্ক বাড়ানোই নয়, দেশের মানুষকে সস্তায় গাড়ি চড়ানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন অ্যাডলফ হিটলার। কে না জানে, ভক্সওয়াগেন মানেই তো ‘জনতার গাড়ি’।
বিশদ

08th  February, 2019
সিবিআই নাটকে শেষপর্যন্ত
মমতাই কি লাভবান হলেন না?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 নাটক? হ্যাঁ, নাটক। নাটক ছাড়া কী! বলা নেই, কওয়া নেই হঠাৎ করে রবিবারের শেষ বিকেলে কোত্থেকে চল্লিশ সিবিআই চলে এলেন, সন্ধের মুখে তাঁদের কজন জিজ্ঞাসাবাদের অছিলায় হানা দিলেন লাউডন স্ট্রিটে খোদ পুলিস কমিশনারের দরজায়, ঢোকার মুখেই কর্তব্যরত পুলিসের সঙ্গে বাধল সংঘাত, ছড়াল উত্তেজনা, কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কলকাতা পুলিসের বড়কর্তারা হাজির, তর্ক-বিতর্ক ধস্তাধস্তি এবং শেষমেশ পুলিসের গাড়িবন্দি হয়ে দলের নেতা ডিএসপি সিবিআই ও আরও কয়েকজন শেক্সপিয়র সরণি থানায়!
বিশদ

07th  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে যথেষ্ট আর্থিকশৃঙ্খলা অর্জিত হয়েছে
দেবনারায়ণ সরকার

সোমবার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের রাজ্য বাজেট পেশ করলেন। এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। গত বছরের অনুমিত বাজেটের তুলনায় এটা ২১ শতাংশেরও বেশি। রাজস্ব খাতে আয় ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩২৭ কোটি টাকা। 
বিশদ

05th  February, 2019
গাদকারি মাহাত্ম্য
পি চিদম্বরম

নীতিন গাদকারি একজন অন‌্যধরনের রাজনীতিক। তাঁর নিজের স্বীকার অনুযায়ী, তিনি একজন ভোজনরসিক, তিনি হাল ফ‌্যাশনের পোশাক পরেন এবং দেখে মনে হয় জীবনটাকে উপভোগও করেন। তিনি পাবলিক ফাংশনে ভাষণ দিতে পছন্দ করেন এবং এমনভাবে কথা বলেন যেন দুনিয়ার কে কী ভাবল তাতে তাঁর যায় আসে না।
বিশদ

04th  February, 2019
বাজেটে ভুলিয়ে দেশের মানুষের মন জেতা যাবে?
শুভা দত্ত

শুক্রবার সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব পেশ হল হিসেব মতো সেটা দেশের চলতি সরকারের শেষ বাজেট—অন্তর্বর্তী বাজেট। কিন্তু, বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পীযূষ গোয়েলের বক্তৃতা বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আচার-আচরণ দেখে মনে হল অন্তর্বর্তী নয়, আসন্ন অর্থবর্ষের জন্য পূর্ণাঙ্গ বাজেটই পেশ করল বিদায়ী সরকার! শুধু তাই নয়, গোটা বাজেট প্রস্তাব জুড়ে মধ্যবিত্ত থেকে কৃষক শ্রমিক প্রান্তিক মানুষজনের জন্য ‘ছাড়’ আর অর্থবরাদ্দের যে হিড়িক দেখা গেল—এককথায় তা নজিরবিহীন।
বিশদ

03rd  February, 2019
উন্নয়নের সঙ্গে আপস করে
জনমোহিনী বাজেট

দেবনারায়ণ সরকার

 শুক্রবার লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মোদি সরকারের ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন। কার্যত এটাকে পূর্ণাঙ্গ বাজেটই বলা চলে। বিশদ

02nd  February, 2019
রাজনীতিক প্রিয়াঙ্কা: কতটা ম্যাজিক, কতটা অঙ্ক?
অতনু বিশ্বাস

অবশেষে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ওয়াধেরা সক্রিয় রাজনীতিতে নেমেই পরলেন। ওয়াকিবহল মহলে একটা আভাস ছিলই। সেটা সোনিয়া গান্ধীর অসুস্থতার কারণে। যাই হোক, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের সব চাইতে বড় চমক হয়তো প্রিয়াঙ্কাই। আমরা এ ঘটনার রাজনৈতিক প্রেক্ষিত এবং সম্ভাবনা একটু খতিয়ে দেখতে চাই এই আলোচনায়।
বিশদ

31st  January, 2019
বাজেট অন্তর্বর্তী হলেও চ্যালেঞ্জ আছে সর্বক্ষেত্রে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

শেষ বারের মতো মোদি সরকারে যে বাজেট পেশ হচ্ছে সেটি কার্যত ভোট অন অ্যাকাউন্ট,অর্থাৎ নতুন সরকার না আসা পর্যন্ত সব বিষয়ে কাজ চালানোর মতো কিছু বরাদ্দ করা। এর মধ্যে দিয়ে দেশের বিকাশ বা অর্থনীতির মেরামতে দীর্ঘ মেয়াদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

30th  January, 2019
পোড়া দেশ, খোঁড়া রাজনীতি 
মোশারফ হোসেন

বছর কুড়ি আগের ঘটনা। বিহারের হাজিপুর লোকসভা কেন্দ্রের একটি জমজমাট এলাকায় দুই বঙ্গসন্তান সাংবাদিককে ঘিরে জনা পঞ্চাশেক স্থানীয় বাসিন্দা। বেশিরভাগই মধ্যবয়সি বা তার চেয়ে প্রবীণ। ‘কলকাত্তা সে দো পত্রকার আয়া’—ভিড়টা এজন্যই। বিহারের মানুষের কাছে কলকাতার গুরুত্ব চিরকালই একটু অন্যরকম।  
বিশদ

29th  January, 2019
একনজরে
বিএনএ, কোচবিহার: দলের একাধিক নির্দেশকে অমান্য করার জেরে কোচবিহার পুরসভার দু’জন দলীয় কাউন্সিলারকে রবিবার সাসপেন্ড করেছে ফরওয়ার্ড ব্লক। ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার চন্দনা মোহন্ত ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তপন ঘোষকে দ্রুত সাসপেন্ডের চিঠি পাঠানো হবে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পিএফ খেলাপিদের সংখ্যা বাড়ছে। অর্থাৎ, কর্মীর বেতন থেকে পিএফ বাবদ টাকা কেটে নিলেও, তা পিএফ দপ্তরে জমা করছে না বহু সংস্থা। গোটা দেশেই এই অপরাধ বাড়ছে। বাদ নেই পশ্চিমবঙ্গও। এবার এই বিষয়ে প্রত্যেকটি আঞ্চলিক অফিসকে সতর্ক করল ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহাত্মা গান্ধীর নামে একটি চেয়ার প্রফেসর পদ দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই পদে যোগ দেওয়ার জন্য কোনও অধ্যাপকই আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। অন্তত প্রথমবার বিজ্ঞাপনের পর আবেদনের সংখ্যা দেখে এমন ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: কৃষকদের সুবিধার্থে রাজ্য জুড়ে ৩৬৪১টি এটিএম চালু করছে রাজ্য সমবায় দপ্তর। আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই এই এটিএমগুলি চালু হয়ে যাবে। যে সমস্ত কৃষকের সমবায় ব্যাঙ্ক ও সমবায় সমিতিতে অ্যাকাউন্ট আছে, তাঁরা এই এটিএমগুলি ব্যবহার করতে পারবেন। এর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পারিবারিক ঝামেলার সন্তোষজনক নিষ্পত্তি। প্রেম-প্রণয়ে শুভ। অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষে মানসিক চাপ বৃদ্ধি। প্রতিকার: আজ দই খেয়ে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৭: বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের জন্ম
১৮৮২: ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম
১৯১৭: মার্কিন লেখক সিডনি শেলডনের জন্ম
১৯৮০: ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের মৃত্যু
১৯৯০: দক্ষিণ আফ্রিকার জেল থেকে মুক্তি পেলেন নেলসন ম্যান্ডেলা 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৪ টাকা ৭২.২৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮২ টাকা ৯৪.০৯ টাকা
ইউরো ৭৯.৩৬ টাকা ৮২.৫৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
09th  February, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৭৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,০৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,৫৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
10th  February, 2019

দিন পঞ্জিকা

 ২৮ মাঘ ১৪২৫, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ষষ্ঠী ২২/৪৪ দিবা ৩/২১। অশ্বিনী ৩৭/২৩ রাত্রি ৯/১২। সূ উ ৬/১৫/১২, অ ৫/২৬/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৫১ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৯ গতে ৯/৩ মধ্যে পুনঃ ২/৩৮ গতে ৪/২ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
২৭ মাঘ ১৪২৫, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার, ষষ্ঠী ১১/০/১১। অশ্বিনীনক্ষত্র অপঃ ৫/২৪/৩২, সূ উ ৬/১৬/৩৫, অ ৫/২৪/৫৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৫/৪২ মধ্যে ও ১০/৪৩/৫৭ থেকে ১২/৫৭/৩৮ এবং রাত্রি ৬/১৬/২৫ থেকে ৮/৫০/৪৪ মধ্যে ও ১১/২৫/৪ থেকে ২/৫০/৪৯ মধ্যে, বারবেলা ২/৩৭/৫৩ থেকে ৪/১/২৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪০/৮ থেকে ৯/৩/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪/২০ থেকে ১১/৫০/৪৭ মধ্যে। 
৫ জমাদিয়স সানি
এই মুহূর্তে
পথ দুর্ঘটনায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বরের কোটসুরে 

07:03:00 PM

পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে স্কুলে ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 

05:32:00 PM

মেট্রো চ্যানেলে ধর্না, গ্রেপ্তার মান্নান সহ অনেকে
কলকাতার মেট্রো চ্যনেলে ধর্নায় বসতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন বিরোধী দলনেতা ...বিশদ

05:21:00 PM

বেশ কিছু বাস বন্ধ হাওড়ায়, চরম ভোগান্তি যাত্রীদের
হাওড়া ময়দান থেকে ১০টি রুটের মোট ২৮০টি বাস চলাচল বন্ধ ...বিশদ

05:16:17 PM

শিয়ালদহ মেন ও বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ
কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনেরপ্রতিবাদে অবরোধের জেরে শিয়ালদহ মেন শাখা ...বিশদ

04:47:00 PM

মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র নিয়ে কী কী বিধি জারি করল পর্ষদ
আগামীকাল শুরু মাধ্যমিক। এবারের মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থির সংখ্যা বেশ কিছুটা ...বিশদ

04:43:50 PM