Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

আনন্দময়ীর আগমনে

“দুর্গাং দেবীং শরণমহং প্রপদ্যে”
এক অখণ্ড চৈতন্যশক্তি হ’তে অখিল বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল চিৎ ও জড় বস্তু উৎপন্ন হয়েছে এই সনাতনবাণী সুপ্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতির মূলমন্ত্র। এই চৈতন্যশক্তি এবং সর্ব্বশক্তিমান্‌ পরমাত্মা অভিন্ন। শক্তির মহিমা শক্তিমানেরই। বিশ্বের সর্ব্বত্রই বিশ্বব্যাপিনী শক্তির খেলা। সেই শক্তি অমূর্ত্ত আবার মূর্ত্ত। হিন্দুর দুর্গোৎসব সেই অখণ্ড মহাশক্তির আরাধনা—মৃন্ময়ী প্রভৃতি মূর্ত্তিতে চিন্ময়ী, আনন্দময়ী ও সনাতনী বিশ্বজননীর বোধন ও অর্চনা। এই অনুষ্ঠান কেবল খড় মাটির রঙ্গীন পুতুল পূজা নয়। পরব্রহ্মকে মা বলে ডাকতে এবং মাতৃরূপে দেখতে হিন্দুর খুব ভাল লাগে যদিও একই তিনি পিতা, পুত্র, সখা, বন্ধু, পতি, পত্নী ও বিশ্বের যা কিছু সবই। লৌকিক সংসারে মায়ের সঙ্গেই সন্তানের সম্পর্ক অধিক ঘনিষ্ঠ। মায়ের নিকট সন্তানের যত কিছু আপত্তি আবদার ও উপদ্রব। মা’ই সন্তানের সব মালিন্য পরিষ্কার করে তাকে সযত্নে লালন পালন করেন এবং দুষ্ট সন্তানের প্রতি রুষ্ট পিতার ক্রোধের শান্তি করান। সেই জন্যই পরব্রহ্মের মাতৃরূপে উপাসনা হিন্দুর ধর্ম্ম জীবনে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়ে আসছে অতি প্রাচীন যুগ হ’তে। শক্তিবাদের মহিমায় বেদ, উপনিষদ, তন্ত্র ও পুরাণ প্রভৃতি হিন্দুর শাস্ত্র সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। আবার জগতের মহাজননীকে আদরিণী কন্যারূপে ভাবনায় হিন্দুর যে প্রাণস্পর্শী বাৎসল্য রসের সৃষ্টি হয়েছে এবং নানা সাহিত্য, পদাবলী ও মাতৃসঙ্গীতে তার অভিব্যক্তি ঘটেছে বৃন্দাবনের প্রসিদ্ধ বাৎসল্যরসের ও সম্বোদন সেখানে পরাজিত সন্দেহ নাই। দুর্গাপূজার প্রারম্ভে মায়ের আগমনী ও শেষে বিজয়ার মাধ্যমে মাতৃভক্ত হিন্দুর বিশুদ্ধ অন্তঃকরণে যে সকল পবিত্র ভাবের প্রকাশ ঘটে সে সকল কেবল অনুভবের বস্তু অন্যকে দেখাবার নয়। মায়ের মহাস্নানের সঙ্গে সঙ্গে সন্তানেরও নয়ন জলে স্নান এবং পূজায় ‘সর্বাত্মস্নপন’ হয়ে যায়। মায়ের পূজার সঙ্গে সঙ্গে সন্তানের ও হৃদয় পবিত্র, হিংসাদ্বেষমুক্ত ও প্রীতিযুক্ত হয়। সন্তান-নির্ভীক হয়, সমাজ কল্যাণ ও দুষ্টদমনের জন্য শক্তি অর্জন করে। আত্মিক বলে বলীয়ান হয়ে সে সমগ্র বৎসর ধরে চলার পথের পাথেয় সংগ্রহ করে। তাই ভারতীয় হিন্দুর জাতীয় মহোৎসব এই দুর্গাপূজা। ভারত সংস্কৃতির সহিত এই উৎসবের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ ও অবিচ্ছেদ্য।
মহামহিমময়ী এই মহাদেবীর একটি নাম মহামায়া। তাঁর পূজার তিথি মহাষ্টমী ও মহানবমী এবং পূজা মহাপূজা। তাঁর স্নান মহাস্নান। যাঁরা তাঁর উপাসনা করেন তাঁরাও মহান হয়ে যান। জগতে আমরা নির্ব্বিঘ্নে কর্ম্ম সিদ্ধি চাই, ধন, বিদ্যা, শক্তি সামর্থ্য ও জীবন ধারণের জন্য কৃষির উন্নতি চাই। কিন্তু সবটাতেই ঈশ্বরের সহিত সম্বন্ধ রেখে চলার জন্য আমাদের পূর্ব্বপুরুষ ঋষি মুনিদের আদেশ। ঈশ্বর সম্পর্ক না থাকলে সবই বিফল এবং ফল বিষময়। দুর্গা প্রতিমার মধ্যে আছেন বিঘ্ননাশন সিদ্ধিদাতা গণেশ, ধনদাত্রী লক্ষ্মী, বিদ্যাদায়িনী সরস্বতী, মহাবল সেনাপতি কার্ত্তিক। মা স্বয়ং অশুভনাশিনী, সঙ্কটতারিণী, সন্তানপালিনী মহাশক্তিময়ী। মায়ের অনুগত হ’লে তাঁর কৃপায় ধন, বিদ্যা প্রভৃতি সবই সুলভ হয়। পশুশক্তি ও অসুর শক্তি মায়ের চরণস্পর্শে বশীভূত হয়েছে। অসুরও দেবতার ন্যায় পূজা পাচ্ছে। মাতৃ সেবকের মধ্যে পশুভাব ও অসুরভাব থাকে না। তখন পশুশক্তি ও আসুরিক শক্তির দ্বারা নিজের ও জগতের কল্যাণ হয়। নব পত্রিকা বা কলাবৌ কৃষি লক্ষ্মীর প্রতীক। রম্ভা, ধান্য, বিল্ব, হরিদ্রা, অশোক ও দাড়িম প্রভৃতি বৃক্ষে জগন্মাতার পূজা কৃষি প্রধান দেশে একটি সার্থক অনুষ্ঠান। মা দুর্গার হস্তে নানা অস্ত্র, প্রতিমার প্রত্যেকটির দেবতার বাহন, বলিদান, হোম এই সকলেরই বিশেষ বিশেষ তাৎপর্য্য আছে। আনন্দময়ীর পূজায় প্রত্যেক হিন্দুর প্রাণে অপূর্ব্ব আনন্দ জাগে। শরৎ প্রকৃতির সাজসজ্জা ও সৌন্দর্য মায়ের আগমনী ঘোষণা করে। 
জ্যোতির্ময় নন্দ রচিত ‘মাতৃদর্শন’ থেকে
17th  June, 2024
দুর্জন

“ত্যজ দুর্জনসংসর্গং”। দুর্জন মানুষের সান্নিধ্য পরিত্যাগ করা উচিত। দুর্জন কে? যে অন্যকে বিপথগামী করে, অসৎ বুদ্ধি যোগায় সে-ই ‘দুর্জন’। এখন ধর, কোন একজন বিশেষ মানুষ। সে হয়তো সকলের পক্ষে দুর্জন নাও হতে পারে। ধর ‘ক’ ‘খ’-এর পক্ষে দুর্জন, কিন্তু ‘গ’ এর পক্ষে দুর্জন নাও হতে পারে। বিশদ

ভগবৎ-প্রেমের লক্ষণ

কৃষ্ণপ্রেম প্রকাশ করে ভক্তের শরীরে যে সমস্ত লক্ষণ প্রকাশিত হয়, তাকে বলা হয় অনুভাব। অনুভাবের ব্যবহারিক দৃষ্টান্ত হচ্ছে—নাচা, ভূমিতে লুটানো, উচ্চৈঃস্বরে গান করা, আড়মোড়া দেওয়া, উচ্চৈঃস্বরে ক্রন্দন করা, হাই তোলা, দীর্ঘশ্বাস ফেলা, অন্যের উপস্থিতি অগ্রাহ্য করা, মুখ থেকে লালা ঝরা, উন্মাদের মতো অট্টহাস্য করা, মাথা ঘোরা ও হিক্কা তোলা।
বিশদ

25th  September, 2024
শ্রীকৃষ্ণের বংশী

শ্রীকৃষ্ণের বংশী সম্বন্ধে বলা হয়েছে যে, সেই অদ্ভুত যন্ত্রটির ধ্বনি মহর্ষিদেরও ধ্যান ভঙ্গ করে দিতে পারে। এইভাবে সমগ্র জগতে তাঁর অপ্রাকৃত মহিমা ঘোষণা করে, শ্রীকৃষ্ণ কামদেবকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আহ্বান করেন। শ্রীকৃষ্ণ তিন প্রকারের বাঁশি ব্যবহার করেন। বিশদ

24th  September, 2024
শ্রীকৃষ্ণ

শ্রীভগবান ভক্তবাঞ্ছাকল্পতরু। যে তাঁকে যে ভাবে উপাসনা করে, যে রূপে পেতে চায়, তিনি তাকে সেইভাবেই তুষ্ট করেন—“যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈব ভজাম্যহম্।” শ্রীরামকৃষ্ণলীলায় তাই দেখি ভক্ত আপন আপন ভাব অনুসারে তাঁর মাঝে কৃষ্ণ, কালী, খৃষ্ট বা শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য রূপের দর্শন পেয়ে ধন্য হয়েছেন।
বিশদ

23rd  September, 2024
দুঃখ ও সুখ

কেউ যখন একই সঙ্গে দুঃখ ও সুখের আতিশয্যের ফলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং বুঝতে পারে না তার কি করা উচিত, সেই বিভ্রান্ত অবস্থাকে বলা হয় প্রলয়। এই প্রলয়ের অবস্থায় ভক্ত কখনও কখনও মাটিতে পড়ে যান এবং প্রেমের সমস্ত লক্ষণ তাঁর মধ্যে প্রকাশিত হয়। বিশদ

22nd  September, 2024
রাম ও নারায়ণ

একটা গল্প আছে। একবার হনুমানকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, “আচ্ছা হনুমান, তুমি তো বড় ভক্ত। তুমি জান যে নারায়ণ ও রামের মধ্যে কোন মৌলিক পার্থক্য নেই, তবু তুমি সর্বদাই রামের নাম নাও, কদাপি ভুলেও নারায়ণের নাম নাও না। বিশদ

21st  September, 2024
আলোর দেবতা! কোথায় তুমি!

শ্রীঠাকুর সত্যানন্দদেব তখন বরানগরের আশ্রমে। আমি নৈহাটি থেকে ঠাকুরের কাছে যাতায়াত করতাম। খুব ভোরে রওনা হতাম। আশ্রমের গেটের কাছে এসে শুনতে পেতাম আশ্রম-প্রাঙ্গণে আশ্রমের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিশোর ছাত্রদের সমবেত কণ্ঠে প্রার্থনা-মন্ত্রোচ্চারণ—‘অসতো মা সদ্গময় তমসো মা জ্যোতির্গময় বিশদ

20th  September, 2024
শ্রীরামকৃষ্ণ-সন্ন্যাসী ও গৃহীর আদর্শ

প্রতাপের ভাই-এর কথা উঠল। তিনি ঠাকুরের কাছে থাকতে চাইলে ঠাকুর তাঁকে তিরস্কার ক’রে স্ত্রীপুত্রের দায়িত্ব পালন করতে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এ রকম প্রতাপ হাজরাকেও ঠাকুর ভর্ৎসনা করেছিলেন মা ও স্ত্রীপুত্রের প্রতি কর্তব্যের অবহেলার জন্য। বিশদ

19th  September, 2024
সাম্রাজ্য

বীণার সৌন্দর্যে বা উহা বাজাইবার নৈপুণ্যে শ্রোতাদের আনন্দ উৎপাদনমাত্র হইতে পারে। ঐ সকল দ্বারা সাম্রাজ্য লাভ হয় না। বহু পুণ্যকর্ম এবং বীরত্বাদি অনেক সদ্‌গুণ থাকিলে তবে সাম্রাজ্যলাভ সম্ভব হয়। ব্রহ্মানুভূতিও এইরূপ বহু সাধনার ফলে মেলে। তাহা হাসিয়া খেলিয়া পাওয়া যায় না।
বিশদ

18th  September, 2024
বন্ধন

শিষ্য বলিলেন—প্রভো, আমি এই প্রশ্ন করিতেছি। দয়া করিয়া শুনুন। আপনার মুখ হইতে এই প্রশ্নের উত্তর পাইয়া আমি কৃতার্থ হইব। বন্ধন বলিয়া যাহাকে বলা হয়, সেই বন্ধনের স্বরূপ কি? সেই বন্ধন কোথা হইতে আসিল? ইহা থাকে কি প্রকারে? ইহা হইতে মুক্তিরই বা কি উপায়? অনাত্মাই বা কি বস্তু?
বিশদ

16th  September, 2024
প্রাণের শিক্ষা

সকল প্রকার শিক্ষার মধ্যে প্রাণ-সত্তার শিক্ষাই বোধ হয় সর্ব্বাপেক্ষা গুরত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য। অথচ এ জিনিসটিকে খুব কমই গ্রহণ ও অনুসরণ করা হয় একটা সুস্পষ্ট জ্ঞান ও পদ্ধতি ধরে। তার কতকগুলি কারণ আছে: প্রথমত, বিষয়টি সম্বন্ধে আমাদের ধারণা অত্যন্ত ব্যামিশ্র। বিশদ

15th  September, 2024
মহাপ্রভুর মহাজাতি গঠন

মহাপ্রভুর অনবদ্যরূপ, অনুপম গুণ, সুচিশুদ্ধ চরিত্র ও অনির্বচনীয় মাধুর্যে সে যুগের প্রত্যেকটি মানুষ আকৃষ্ট হইয়াছিল। তাঁহার স্পর্শে ক্রূর শ্বাপদও হিংসা ভুলিয়াছিল। দুর্বৃত্ত, পাষণ্ড, দস্যু ও লম্পট বহু ব্যক্তি তাঁহার সংস্পর্শে ধর্মাত্মা হইল। বিশদ

14th  September, 2024
মঠ

জনসাধারণের ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণ কামনায় পূর্ব্বাপর মঠ মন্দির সকল প্রতিষ্ঠিত হইত। ঐ সকল মঠই পূর্ব্বে আমাদের দেশের ধর্ম্ম কর্ম্ম ও শিক্ষা দীক্ষার প্রধান কেন্দ্র স্থল ছিল এবং প্রয়োজনানুরূপ সাধারণের [–সেবায়] মঠের সিংহদ্বার সর্ব্বদাই উন্মুক্ত থাকিত। বিশদ

13th  September, 2024
অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী

প্রাণের গতি অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী বা বিষয়মুখী, দুই-ই হইতে পারে। তাঁহার দিকে গতি হইলে সাধন-সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপার বিনা চেষ্টায়ই সিদ্ধ হয়—বিনা চেষ্টায় প্রাণের সংযম আয়ত্ত হয়, বিনা চেষ্টায় হৃদয়গ্রন্থি ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য গ্রন্থি খুলিয়া যায়, বিনা চেষ্টায় সুন্দর সর্বাঙ্গ সম্পন্ন ভাবে আসন সিদ্ধি ঘটে এবং মেরুদণ্ড সরল রাখিয়া কার্য করিতে কোন প্রকার বেগ পাইতে হয় না। বিশদ

12th  September, 2024
সত্য

মানুষের প্রকাশ সত্যে। এই সত্য যে কী তা উপনিষদে বলা হয়েছে: আত্মবৎ সর্বভূতেষু য পশ্যতি স পশ্যতি। যিনি সকল জীবকে আপনার মতো করে তিনিই সত্যকে জানেন। আপনার মধ্যে সত্যকে যিনি এমনি করে জেনেছেন তাঁর মধ্যে মনুষ্যত্ব প্রকাশিত হয়েছে, তিনি আপন মানব-মহিমায় দেদীপ্যমান। বিশদ

11th  September, 2024
ভক্ত

ভক্ত চায় ভগবদ্দর্শন, যোগী চায় আত্মদর্শন, জ্ঞানী চায় ব্রহ্মদর্শন আর প্রকৃত শিষ্য চায় গুরুদর্শন। গুরুর কৃপা, গুরুর আশীর্ব্বাদ ও গুরুর শুভদৃষ্টি লাভই গুরুদর্শন। গুরুর নির্দ্দেশ মত চলা, গুরুর আদেশ উপদেশ প্রতিপালন ও তাঁহার নির্ণীত নির্দ্ধারিত পথে চলার দ্বারাই গুরুকৃপা লাভ হইয়া থাকে। বিশদ

10th  September, 2024
একনজরে
বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শহরে নতুন রেকর্ড গড়ল সোনার দর। তা পেরিয়ে গেল ৭৬ হাজারের সীমা। ওয়েস্ট বেঙ্গল বুলিয়ান মার্চেন্টস অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী এদিন ‘৯৯৯’ বিশুদ্ধতার ২৪ ক্যারেট ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল ৭৬ হাজার ১০০ টাকা। ...

দত্তপুকুরের ফাইবারের তৈরি মূর্তির খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। শিল্পীদের তৈরি প্রতিমা ভিনদেশে সুনাম পেয়েছে। প্রতি বছরই দত্তপুকুর থেকে একাধিক দুর্গাপ্রতিমা যায় বিদেশ যায়। দত্তপুকুরের অনিমেষ পাল দীর্ঘদিন ধরে ফাইবারের প্রতিমা তৈরী করেন। ...

গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ বসিয়ে নৃশংসভাবে এক যুবককে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের জামালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম অশ্বনী বর্মন (৩১)। ...

গাজার পর এবার লেবানন। হামাসের মতোই হিজবুল্লাকে ‘শেষ’ করতে তৎপর ইজরায়েল। এই আবহে গত সপ্তাহ থেকে লেবাননে হিজবুল্লার ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের এক হামলা চালাতে শুরু করে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশ। ইতিমধ্যেই শিশু সহ মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৬০০ জনের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শেয়ার মেয়াদি সঞ্চয়সহ একাধিক ক্ষেত্র থেকে অর্থাগম যোগ। ব্যবসায় কেনাবেচা বাড়বে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব পর্যটন দিবস
১৭৬০ - মীর কাশিম মীর জাফরকে গদিচ্যুত করে বাংলার নবাব হন এবং বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রাম জেলা কোম্পানির হাতে তুলে দেন
 ১৮৩৩ -  বিশ্বপথিক রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু
১৯৪৯  -  বেইজিংকে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করা হয়
১৯৫৮ - ভারতীয় হিসাবে প্রথম মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন
১৯০৭ - বিপ্লবী শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্ম
১৯৩২ -  ভারতীয় চিত্রপরিচালক যশ চোপড়ার জন্ম
১৯৮০  -  বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়ে আসছে
১৯৯৮ - জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল (google)এর যাত্রা শুরু
২০০৮ -  বিশিষ্ট ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী মহেন্দ্র কাপুরের মৃত্যু
২০২৩ – বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক সৌম্যেন্দু রায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৩ টাকা ৮৪.৫৭ টাকা
পাউন্ড ১০৯.৮৬ টাকা ১১৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৯১.৬৭ টাকা ৯৪.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭৫,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৬,১০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৭২,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৯১,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৯১,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ আশ্বিন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪। দশমী ১৯/৩৮ দিবা ১/২১। পুষ্যা নক্ষত্র ৪৯/৩৮ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/৩০/২৫, সূর্যাস্ত ৫/২৪/৫৮। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ৯/২৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৩ গতে ৩/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/১৪ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৬ গতে ৯/৫৭ মধ্যে। 
১০ আশ্বিন, ১৪৩১, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪। দশমী অপরাহ্ন ৪/২৬। পুষ্যা নক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৫৪। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/২২ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫৯ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ৩/৮ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/২৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ৯/৫৮ মধ্যে। 
২৩ রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন নেপালের কাঠমাণ্ডু

11:03:00 PM

গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ২ লক্ষ কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হল
সিকিমে প্রবল বৃষ্টি। কালিঝোরা ড্যাম থেকে ছাড়া হচ্ছে জল। গজলডোবা ...বিশদ

10:48:00 PM

ভারী বৃষ্টির জেরে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে দেওয়াল ভেঙে বিপত্তি, মৃত ২, আহত ৩

10:40:00 PM

কোচবিহারের বক্সিরহাটে বেআইনি কয়লা বোঝাই ২টি গাড়ি আটক, গ্রেপ্তার চালকরা

10:04:00 PM

মিথ্যাচারের রাজনীতি করে বিজেপি, জম্মুর বুদগামে বললেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের সহ-সভাপতি ওমর আবদুল্লা

09:59:00 PM

সভা উপলক্ষ্যে আহমেদাবাদে গেলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল

09:51:00 PM