Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

অজপা সাধনের তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া

অজপা সাধনের তত্ত্ব ও প্রক্রিয়া সম্বন্ধে মহাজনগণ গুরুপরম্পরা অনুসৃত পদ্ধতির বশবর্তী হইয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ হইতে বিভিন্ন প্রকার বিবরণ প্রকাশিত করিয়াছেন। সাধকের যোগ্যতা ও অধিকারগত বৈশিষ্ট্য হইতে বিচার করিলে বুঝিতে পারা যায় যে ইহাদের প্রত্যেকের সার্থকতা আছে।
অজাপা কুণ্ডলিনী হইতে উদ্ভূত প্রাণধারিণী প্রাণবিদ্যারূপে পরিচিত। শ্যেনপক্ষী যেমন ঊর্ধ্ব আকাশে উড্ডীন হইলেও গুণবদ্ধ থাকিলে নিম্নে পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয় তদ্রূপ প্রাণ ও অপানের ক্রিয়ার বশীভূত জীব ঊর্ধ্বদিকে ও অধোদিকে গতিলাভ করিয়া থাকে। কোন কোন আচার্য্য বলেন, ‘তৎ’ পদবাচ্য পরমাত্মা হংসবিদ্যার প্রথম অবয়ব ‘হ’কার দ্বারা বর্ণিত হন এবং ‘তং’ পদবাচ্য প্রত্যক চৈতন্য অথবা খেচরী বীজ দ্বিতীয় অবয়ব ‘সঃ’ কার দ্বারা দ্যোতিত হয়। প্রাণিমাত্রের হৃদয়ে যে অব্যাকৃত আকাশ আছে তাহাতে লিঙ্গ-শরীর বিদ্যমান রহিয়াছে। উহার প্রতি লোমভাবে হংসের গতি হইয়া থাকে। শাস্ত্রে আছে—‘সঃকারো ধ্যায়তে জন্তুর্হংকারো জায়তে ধ্রুবম্‌’। ‘সঃ’ অথবা জীব নিজের জীবত্ব পরিহার করিলে সোহং শব্দের লক্ষ্য প্রত্যক্‌ আত্মার সহিত অভিন্ন পরমাত্মা ভিন্ন অপর কিছু নহে। যে সাধক নিজের আত্মাকে ধ্যান করিয়া থাকে, তাহার পক্ষে ‘হ’-কারাত্মক পরমাত্মভাবের প্রাপ্তি সুলভ হয়। দ্বিতীয় মতে, হংস বলিতে প্রত্যক্‌ আত্মা অথবা ব্যষ্টি-তুরীয় বুঝিতে হইবে এবং পরমহংস শব্দে পরমাত্মা অথবা সমষ্টি-তুরীয়কে বুঝাইয়া থাকে। ব্যষ্টি-তুরীয় ও সমষ্টি-তুরীয় পরস্পর যুক্ত হইলে হংসযোগ নিষ্পন্ন হয়। ইহাই অজপার তত্ত্ব। তৃতীয় মতে, সাধকের প্রজ্ঞা ও সাধনশক্তির তারতম্য অনুসারে অজপা তত্ত্ব সম্বন্ধে বিভিন্ন প্রকার দৃষ্টি অঙ্গীকৃত হইয়া থাকে। মন্দপ্রজ্ঞ মধ্যপ্রজ্ঞ এবং উত্তমপ্রজ্ঞ সাধকের দৃষ্টি যে ভিন্ন তাহা অধোলিখিত বিবরণ হইতে স্পষ্টই বুঝিতে পারা যাইবে। যাহার জ্ঞানশক্তি উজ্জ্বল নহে, যে অতি সূক্ষ্মতত্ত্ব গ্রহণ করিতে পারে না, তাহার নাম মন্দপ্রজ্ঞ। এই প্রকার সাধক ‘হ’কার দ্বারা পুরুষ এবং ‘স’-কার দ্বারা প্রকৃতি এই দুইটি ধারণা করিয়া থাকে। সুতরাং তাহার দৃষ্টিতে হংসযোগ বলিতে পুরুষ ও প্রকৃতির যোগ বুঝায়। কিন্তু যাহার প্রজ্ঞা অপেক্ষাকৃত তীক্ষ্ণ, অর্থাৎ যে মধ্যপ্রজ্ঞ, তাহার দৃষ্টি অনুসারে ‘হ’কার অপানের সঞ্চার এবং ‘স’কার প্রাণের সঞ্চার বুঝাইয়া থাকে। মুখ্য প্রাণ যখন পরাঙ্খুখভাবে আবর্ত্তিত্ত হয় তখন তাহাকে প্রাণ না বলিয়া অপান বলা হয়। সুতরাং হংস বিদ্যার রহস্য মধ্যম সাধকের দৃষ্টি অনুসারে প্রাণ ও অপানের সংযোগ ভিন্ন অপর কিছু নহে। কিন্তু যে সাধক উত্তম প্রজ্ঞাসম্পন্ন তাহার দৃষ্টি আরও সূক্ষ্ম। সে প্রকৃতি পুরুষের সম্বন্ধ অথবা প্রাণ ও অপানের সম্বন্ধ পরিহার করিয়া আত্ম স্বরূপের দিকে লক্ষ্য করিয়া থাকে। এই সাধক অজপামন্ত্রের পূর্ব্বভাগ ‘অহং’কে জীবাত্মার বাচক এবং উত্তরভাগ ‘সঃ’কে শক্তিবাচক বলিয়া ধারণা করিয়া থাকে।
অধিকার ভিন্ন বলিয়া অজপা জপের বিধানও ভিন্ন। নিম্নাধিকারী তালু, ওষ্ঠ প্রভৃতি দৈহিক উচ্চারণ-যন্ত্রের ব্যাপারের দ্বারা অজপা-জপ সম্পাদন করে। এই সকল সাধকের চিত্ত সম্পূর্ণভাবে সংস্কৃত বা শোধিত নহে। তাই ইহারা দেহগত ক্রিয়াকে আশ্রয় না করিয়া জপ সাধন করিতে পারে না। কিন্তু যাহারা মধ্যম অধিকারী তাহাদের চিত্তসংস্কার অধিক। এইজন্য তাহাদের পক্ষে অজপা জপ করিবার জন্য তালু প্রকৃতির কোন প্রকার ক্রিয়া আবশ্যক হয় না। তাহাদের অধিকার উচ্চ বলিয়া তাহাদের বিধানও ভিন্ন। তাহাদের পক্ষে দৈহিক উচ্চারণের প্রয়োজন না থাকিলেও অন্য প্রকার অনুসন্ধানের আবশ্যকতা রহিয়াছে। তাহাদিগকে ভাবনা করিতে হয় যে অজপা মন্ত্রের ‘সঃ’ অংশ প্রাণরূপে এবং ‘হং’ অংশ অপান-বৃত্তি রূপে নিজ দেহে সর্ব্বদা অনুস্যূত রহিয়াছে। ‘হ’ শব্দের সহিত অপান বৃত্তির সাম্যমূলক সম্বন্ধ রহিয়াছে। তাই ‘হং’কার অপান বৃত্তির সূচনা করে। তদ্রূপ ‘সঃ’ এবং ‘হং’,মন্ত্রের এই দুইটি ভাগ, প্রাণ ও অপান বৃত্তিরূপে নিজের দেহে সর্ব্বদাই ক্রিয়া করিতেছে—এই প্রকার নিরন্তর চিন্তাই অজপা-জপ। প্রাণাপানরূপে বিদ্যমান এই মন্ত্র যে সাধক গুরুমুখ হইতে অধিগত হয় সে ‘অজপন্নপি’ অর্থাৎ তালু আদির ব্যাপার না করিলেও তাহাতে প্রাণাপানরূপে মন্ত্র অনুস্যুত থাকে। সেইজন্য সর্ব্বদাই তাহার জপ হইয়া থাকে।

শ্রীগোপীনাথ কবিরাজের ‘বিশুদ্ধবাণী’ (১ম খণ্ড) থেকে
30th  October, 2019
মন কিভাবে বিশুদ্ধ হয় 

মনকে উদ্দেশ্য ধরে রাখতে হবে। অনেকের মতে, তাকে প্রথমে কোন সাধারণ বাহ্যিক বিষয়ে স্থির করা ভাল, কিন্তু এরূপ যন্ত্রবৎ অভ্যাস খুব নিম্নজাতীয় ধ্যান এবং তা স্বল্প ফল দান করে মাত্র। 
বিশদ

প্রত্যক্ষদর্শী

ব্রহ্মচারী। কেউ যদি পথের খবর ব’লে দেয় তবে তাকে প্রত্যক্ষদর্শী বলা যায় কি না? মা। হাঁ যে পথের খবর বলে সে দুরকম ভাবে বল্‌তে পারে। এক বই পুস্তকে প’ড়ে ট’ড়ে কিম্বা নিজে প্রত্যক্ষ ক’রে। যে যতটুকু গিয়েছে সে সকল ততটুকুর কথা বল্‌তে পারে। যেমন যে বাল্য-শিক্ষা ছাড়িয়া আর একখান বই পড়েছে সে বাল্য-শিক্ষা পড়াতে পারে।
বিশদ

18th  November, 2019
 গীতা

গীতা থেকে আমরা নিজেদের জীবনের জন্য কি পেতে পারি? মহাভারতের যুগ থেকেই গীতা আমাদের অমূল্য সম্পদ। খ্রীস্ট্রীয় অষ্টম শতাব্দীতে শঙ্করাচার্য জনসাধারণের জন্য তার ব্যাখ্যা লিখে রেখে গেছেন। তিনি গীতাভাষ্যের উপক্রমণিকায় বলেছেন, গীতা সমস্ত বেদার্থের সার-সংগ্রহ স্বরূপ। বিশদ

17th  November, 2019
 প্রীতি

প্রীতি-ভালবাসা পায়, সেইখানেই থাকিতে চায় মানুষ। কম ভালবাসার স্থানে যাইতে চায় না মানুষ বেশী ভালবাসার ক্ষেত্র ছাড়িয়া। ইহা মানবের স্বভাব বটে। কিন্তু এরূপ স্বভাব নহে শ্রীভগবানের। যে তাঁহাকে ভালবাসে তিনি তাহাকে ভালবাসেন। যাহার প্রীতি যতখানি গভীর, তিনি তাহার প্রতি ততখানি গভীর ভাবের প্রীতি বিনিময় করেন।
বিশদ

16th  November, 2019
 ভক্তি

  যেদিন থেকে তাঁর মনে ভক্তি ভাবের উদয় হয়েছে সেই দিন থেকে তাঁর ‘তম’ ভাবেরও অবসান হয়েছে। তাঁর মনে এই ভাবের উদয় হল, হে প্রভু, আমার এমন ভাগ্য কবে হবে, যে দিন তোমাকে নিজগৃহে এনে আমার ধন জন সব কিছু তোমার শ্রীচরণে সমর্পণ করে ধন্য হব। বিশদ

15th  November, 2019
নন্দরাজ ও উদ্ধব

কুশল প্রশ্নাদি জিজ্ঞাসা করিতে নন্দরাজ আসিয়া বসিলেন উদ্ধবের সন্নিধানে। কৃষ্ণের কথা ছাড়া আর কোন কথা অন্তরে নাই নন্দরাজের। কিন্তু ঐকথা জিজ্ঞাসা করিতে সাহস হয় না। কি প্রশ্ন করিয়া কি অপ্রিয় উত্তর শুনিতে হয় এই এক ভয়, আর এক ভয়, নিজের কথা ভাবিয়া বিরহদুঃখ বৃদ্ধি আশঙ্কায়। তাই কৃষ্ণ কেমন আছে জিজ্ঞাসা না করিয়া নন্দরাজ বসুদেবের কুশল প্রশ্ন করিলেন। 
বিশদ

14th  November, 2019
 সংসার যাত্রা

একদিন কথা প্রসঙ্গে শান্তিদেবী হরিচাঁদকে বলেন, প্রভু, সংসারের কাজ তুমি কিছুই করনা, সর্বদা ভক্তগণ নিয়ে কাল কাটাও। আমি একা পুত্র কন্যাগণ নিয়ে তোমার দয়া বিনা কিভাবে সংসার যাত্রা নির্বাহ করবো, বলো’ত?
বিশদ

13th  November, 2019
কর্ম 

দিবারাত্র কাজ কর। ‘দেখ, আমি জগতের ঈশ্বর, আমার কোন কর্তব্য নাই। প্রত্যেক কর্তব্যই বন্ধন। কিন্তু আমি কর্মের জন্যই কর্ম করি। যদি ক্ষণমাত্রও আমি কর্ম হইতে বিরত হই, (সব কিছু বিশৃঙ্খল হইবে)।’ অতএব কেবল কাজ করিয়া যাও, কিন্তু কর্তব্যবোধে নয়।... 
বিশদ

12th  November, 2019
আদর্শ 

নির্দিষ্ট আদর্শ একটি আছে, কিন্তু ইহাও ঠিক যে, মানবজাতির একটি বৃহৎ অংশ সেই আদর্শে পৌঁছিতে পারে না, ধারণাতেও তাহা আনিতে পারে না।...যাঁহারা শক্তিমান্‌ তাঁহারা ঐ আদর্শ অনুযায়ী চলেন, অনেক সময়েই অসমর্থদের প্রতি তাঁহাদের সহানুভূতি থাকে না। 
বিশদ

10th  November, 2019
 কর্মযোগ

 কর্মযোগের দার্শনিক তত্ত্বকে কর্মজীবনে পরিণত করা নিষ্কাম কর্মদ্বারা মুক্তিলাভের অন্যতম উপায়। কর্মযোগদর্শন শিক্ষা দেয় যে, মানুষের শারীরিক ও মানসিক সকল ক্রিয়া বা পরিবর্তনের অবলম্বনরূপে উহাদের পশ্চাতে এক অক্রিয় অপরিবর্তনীয় অজর অমর শাশ্বত সাক্ষিস্বরূপ আত্মা আছেন।
বিশদ

09th  November, 2019
শ্রবণ মাহাত্ম্য

বিষয় ভেদে শ্রবণ দুই প্রকার, অর্থাৎ যে ক্ষেত্রে শ্রোতা নিজের অনুভবযোগ্য বিষয় অন্যের মুখ হইতে শ্রবণ করে সেই ক্ষেত্রে শ্রবণ এক প্রকার। কিন্তু যে ক্ষেত্রে শ্রোতা যাহা কিছু শ্রবণ করে তাহার কোন অংশই বুঝিতে পারে না অথচ শ্রদ্ধাপূর্বক শ্রবণ করে সেই ক্ষেত্রে শ্রবণ দ্বিতীয় প্রকার। 
বিশদ

08th  November, 2019
কর্ম ছাড়া থাকা যায় না

 মা বলিয়াছেন, ‘‘কর্ম ছাড়া ত থাকা যায় না যতক্ষণ সেই স্থিতি না আসে।’’ ‘সেই স্থিতি’ বলিতে আত্মদর্শনের পর যে স্বরূপস্থিতি হয় তাতেই মা লক্ষ্য করিয়াছেন। যতক্ষণ স্বরূপ স্থিতির উদয় না হয়, এমনকি যতক্ষণ আত্মসাক্ষাৎকার না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কর্ম ত্যাগ করার উপায় নাই। বিশদ

07th  November, 2019
শ্রীশ্রী জগদ্ধাত্রী মহামায়া

উপনিষদে আছে, ‘একাকী ন রমতে ... আত্মানাং দ্বেধা...পতিশ্চ পত্নীচ ইত্যাদি’ সঙ্গী যোগ্য ব্যক্তি না থাকিলে কোনও কাজে আমরাও আনন্দ পাই না।  বিশদ

06th  November, 2019
অমৃতকথা 

পবিত্র ব্যক্তিত্বের মধ্যে ভক্ত শান্ত ও অনন্তের এক যোগসূত্র দেখতে পান। প্রথমে তিনি তাঁর ব্যক্তিত্বের অপূর্ব মাধুর্যে আকৃষ্ট হন এবং পরে তার মাধ্যমে তাঁর অন্তরের উপলব্ধি হয়।  বিশদ

05th  November, 2019
মন্ত্রশক্তি 

যোগ শব্দের ন্যায় মন্ত্র শব্দেরও কিছু অপব্যাখ্যা করা হয়ে থাকে। মন-ত্রৈ+ড প্রত্যয় করে মন্ত্র শব্দ নিষ্পন্ন। ‘মননাৎ তারয়েৎ যস্তু সঃ মন্ত্রঃ পরিকীর্ত্তিতঃ’। অর্থাৎ যার মননের দ্বারা জীবের মুক্তির পথ প্রশস্ত হয় তাকে মন্ত্র বলা হয়। ‘মনন’ শব্দের অর্থ মনে মনে চিন্তা করা। মনের ভেতরে বার বার চিন্তা করা। এখন প্রশ্ন হ’ল ত্রাণ কী জিনিস? 
বিশদ

04th  November, 2019
মন 

মনের দুটি ভাগ আছে। একটি চোর মন অর্থাৎ যে মন নিম্নগামী। অপরটি পুলিশ মন, যে চোর-মনকে সব সময় সতর্ক ক’রে দিচ্ছে। এরই নাম বিবেক। মনকে একাগ্র করতে গেলে এই বিবেককে সর্বদা কাজে লাগাতে হবে। 
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দু’টি পরীক্ষার মধ্যে দু-একদিন করে ছুটি থাকবে বলে আগেই ঘোষণা করেছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: সোমবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার বেলন গ্রাম পঞ্চায়েতের পটুয়া এলাকায় ধান খেতে এক অজ্ঞাতপরিচয়ের যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শয়নে স্বপনে এখন শুধুই গোলাপি টেস্ট। যার উন্মাদনা কেবল সমর্থকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেও। দেশের মাটিতে প্রথমবার ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভ কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৭: ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্ম
১৯২২: সঙ্গীতকার সলিল চৌধুরির জন্ম
১৯২৮: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের জন্ম
১৯৫১: অভিনেত্রী জিনাত আমনের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৪ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৬ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৫ টাকা ৮০.৮১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১ দিবা ৩/৩৬। অশ্লেষা ৩৮/৩৮ রাত্রি ৯/২২। সূ উ ৫/৫৫/২২, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৭/২৩ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩৪ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৫/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫ মধ্যে। 
২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১৯/২৬/৫২ দিবা ১/৪৩/৫৬। অশ্লেষা ৩৬/১/৪১ রাত্রি ৮/২১/৫১, সূ উ ৫/৫৭/১১, অ ৪/৪৮/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ৯/১৪ গতে ১১/৫৪ মধ্যে ও ১/৪১ গতে ৩/২৮ মধ্যে ও ৫/১৪ গতে ৫/৫৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৮/৩৬ গতে ৮/৪০/১ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৩/১৫ গতে ২/৫/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭/৪ গতে ৮/৫/৪০ মধ্যে।
২১ রবিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

18-11-2019 - 05:36:00 PM

খড়্গপুরের এসডিপিও সুকমল দাসকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন 

18-11-2019 - 05:34:00 PM

হাসপাতালে ভর্তি নুসরত জাহান
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সংসদ সদস্য ...বিশদ

18-11-2019 - 04:58:35 PM

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে অপারেশন করা হয়েছে: মমতা 

18-11-2019 - 04:46:00 PM

মিথ্যে কথা বলা ছাড়া কোনও কাজ করছে না বিজেপি: মমতা 

18-11-2019 - 04:43:00 PM

৩ দলকেই বাংলা থেকে বিদায় নিতে হবে: মমতা 

18-11-2019 - 04:41:00 PM