Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

দেবী দুর্গা 

হিন্দুদিগের দুর্গাপূজা সকল পূজা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। হিন্দুমাত্রেই অতিশয় শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। হিন্দুদের জাতীয় উৎসব বলা যাইতে পারে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পূজিতা হইয়া থাকেন। কাশ্মীরে ও দাক্ষিণাত্যে ‘অম্বা’ ও ‘অম্বিকা’ নামে, গুজরাটে ‘হিঙ্গলা’ ও ‘রুদ্রাণী’ নামে, কান্যকুব্জে ‘কল্যাণী’ নামে, মিথিলায় ‘উমা’ নামে এবং কুমারিকা প্রদেশে ‘কন্যাকুমারী’ নামে পূজিতা হইয়া থাকেন। হিমালয় হইতে কুমারিকা-অন্তরীপ পর্যন্ত এবং দ্বারকাপুরী ও বেলুচিস্তানের হিঙ্গলাজ হইতে পুরীতে শ্রীজগন্নাথক্ষেত্র পর্যন্ত ভারতরর্ষের সর্বত্রই ‘শারদীয়া দুর্গাপূজা’ অথবা ‘নবরাত্র’ নামে পূজা-পার্বণ অনুষ্ঠিত হইয়া থাকে। এই নব-রাত্রিতে নেপাল, ভুটান, সিকিম ও তিব্বত প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরাও দেবীর পূজা করিয়া থাকেন। চীন, জাপান, কম্বোজ, চম্পা, যবদ্বীপ (যাভা) প্রভৃতি দেশের যেখানে হিন্দু্ অথবা বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত সেখানে দুর্গাদেবী পূজিতা হইয়া আসিতেছেন। জাপানে বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত হইবার চল্লিশ বৎসর পরে রাজ্ঞী সিন্‌কোর রাজত্বকালে (৪৯৩-৬২৮ খ্রীষ্টাব্দ) চীন হইতে মহাযান-বৌদ্ধধর্মের অবলোকিতেশ্বর কোয়াননের মধ্যে একটি দেবীমূর্তির পূজা হইয়া থাকে। জাপানী ভাষায় তাঁহার নাম ‘চনষ্টী’। ইহা সংস্কৃত ‘চণ্ডী’ শব্দের অনুরূপ। তাঁহার আর একটি নাম ‘কোটীশ্রী’ অথবা ‘সপ্তকোটী বুদ্ধমাতৃকা চনষ্টীদেবী’। ইনিই হিন্দুদিগের শ্রীশ্রীদুর্গাদেবী।
চীন দেশের ক্যান্টন শহরের বৌদ্ধ মন্দিরে এক দেবীর মূর্তি আছে, তাঁহার শত হস্ত। ইনিও শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর অপর এক রূপ। মহাযান বৌদ্ধতন্ত্রে বজ্রতারার উল্লেখ আছে। ইনি তিব্বত, মহাচীন, জাপান প্রভৃতি দেশে এখনও পূজিতা হইয়া থাকেন। ইনিও শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর অন্যতম একটি মূর্তি। ঋগ্বেদে ‘দুর্গা’ নামটি পাওয়া যায় না সত্য, কিন্তু দুর্গাপূজার সময়ে যে ‘দেবীসূক্ত’ পাঠ করা হয় সেই সূক্তটি ঋগ্বেদে (১০/১২৫) আছে। ঐ দেবীসূক্তে যে জগন্মাতা আদ্যাশক্তি বর্ণিত হইয়াছেন তিনি অগ্নিরূপা। বৈদিক যুগে যাগযজ্ঞের প্রথা প্রচলিত ছিল। যজ্ঞের অগ্নিতে সেই সময়ে সকল দেবদেবীকে আবাহন করা হইত এবং যে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হইত সেই দেবতার নামে যজ্ঞীয়-অগ্নির নামকরণও করা হইত। এখনও প্রত্যেক বা প্রতিটি পূজার শেষে হোম না করিলে পূজা সম্পূর্ণ হয় না। বৈদিক যুগে দুর্গার প্রতিমা ছিল না। হব্যবাহী অগ্নিশিখাই তাঁহার (দুর্গার) রূপ। পরে যখন প্রতিমার প্রচলন হইল তখন সেই অগ্নিশিখার রূপই দেবীর গায়ের পীতাভ-রঙ বা বর্ণ হইয়া দাঁড়াইল। ঋগ্বেদের খিল-অংশে দুর্গাদেবীকে ‘রাত্রিদেবী’ বলা হইয়াছে। যজুর্বেদের তৈত্তিরীয়-আরণ্যকে ঐ দেবী ‘হব্যবাহিনী-অগ্নি’ নামে অভিহিত হইয়াছেন। তাঁহার সপ্তজিহ্বাকে অথর্ববেদের অন্তর্গত মুণ্ডকোপনিষদে (১।২।৪) বর্ণনা করা হইয়াছে। যথা,—
‘‘কালী করালী চ মনোজবা চ সুলোহিতা যা চ সুধূম্রবর্ণা/ স্ফুলিঙ্গিনী বিশ্বরুচী চ দেবী লেলায়মানা ইতি সপ্ত জিহ্বা।।’’
অর্থাৎ কালী করালী মনোজবা, সুলোহিতা, সুধূম্রবর্ণা, স্ফুলিঙ্গিনী, বিশ্বরুচী এই সপ্তজিহ্বার শিখার দ্বারা দেবতা হব্যকে (ঘৃতাহুতি) গ্রহণ করেন।
শতপথ-ব্রাহ্মণে পুনরায় আট প্রকার অগ্নির নাম আছে, যথা—রুদ্র, সর্ব, পশুপতি, উগ্র, অশনি, ভব, মহাদেব ও ঈশান। দক্ষতনয়া বেদীর উপরে প্রজ্বলিত ‘মহাদেব’ (শর্ব) নামক অগ্নি হইতেই কালক্রমে গৌরীপট্টের উপরে শিবলিঙ্গের মূর্তি রচিত হইয়াছে। এইরূপ অনুমান করা যাইতে পারে।
বিভিন্ন পুরাণেও এই বৈদিক যজ্ঞবেদী দক্ষতনয়া অগ্নিরূপী মহাদেবের পত্নী ‘সতী-রূপে’ বর্ণিত হইয়াছেন। বৈদিক যজ্ঞবেদীর চতুষ্পার্শ্বে অন্য চারিটি দেবতার স্থান কল্পিত হইত। একদিকে বেদমাতা সরস্বতী বা বাগ্‌঩দেবী, অপরদিকে ধনধান্যপ্রদায়িনী লক্ষ্মীদেবী এবং একদিকে যজ্ঞরক্ষাকর্তা কার্তিকেয় এবং অপরদিকে থাকিত গণনাঃ গণপতি,—যিনি সকল মানবের পতি (পালনকর্তা) চতুর্হস্তবিশিষ্ট। গণনাগক গণপতির প্রথম হস্ত যজ্ঞের হোতা, দ্বিতীয় হস্ত ঋত্বিক, তৃতীয় হস্ত পুরোহিত এবং চতুর্থ হস্ত যজমান কল্পিত হইত।
ঋগ্বেদে অগ্নিরূপিণী দুর্গাদেবীকে শত্রুবধকারিণী, রাক্ষসহন্ত্রী বা অসুর নাশিনী বলা হইয়াছে। যথা,—‘‘বি পাজসা পৃথুনা শোশুচানো বাধস্ব দ্বিষো রক্ষসো আমীবাঃ।/ সুশর্মণো বৃহতঃ শর্মনি স্যামগ্নেরহং সুহবসা প্রণীতৌ।।’’
যজুর্বেদীয় তৈত্তিরীয়-আরণ্যকে দেবী দুর্গা, মহাদেব, কার্তিক, গণেশ ও নন্দীর নাম উল্লেখ করা হইয়াছে। দেবী দুর্গার অপর নাম উমা এবং অম্বিকাও পাওয়া যায়। মহাদেব বা রুদ্রকে উমাপতি এবং অম্বিকাপতিও বলা হইয়াছে। সামবেদীয়-তলবকা-উপনিষদে ‘উমাহৈমবতী’ নাম পাওয়া যায়। যথা—‘‘স (ইন্দ্র) তস্মিন্নেবাকাশে স্ত্রিয়মাজগাম বহুশোভমানাং উমাং হৈমবতীং।/ তাং হোবাচ—কিমেতদ্‌ যক্ষমিতি।।’’
স্বামী অভেদানন্দের ‘দেবী দুর্গা’ থেকে 
05th  October, 2019
পবিত্র

যে যেখানেই থাকো, মনে প্রাণে পবিত্র হবার চেষ্টা করবে। মনে প্রাণে পবিত্র হতে পারলে গুরুর সান্নিধ্যেই থাকা হবে। ঠিকঠিক পবিত্র হয়ে তাঁর দিকে মনটা রাখতে পারাই সত্যিকার তাঁর কাছে থাকা।
বিশদ

রস ও সৌন্দর্য

 সৌন্দর্যের কথা বলিতে গেলেই পূর্বে রসের কথা বলা আবশ্যক। জগৎটা রসের জন্য পাগল। কিসে রস পাইবে, কোথায় পাইবে, কোথায় রস আছে, তাহার সন্ধান কেহ জানে না, তবু সকলেই রস চায়। বিশদ

19th  October, 2019
ভক্ত

 কাশীপুরের উদ্যানে ধরণীর ত্রিতাপে তখন শ্রীঠাকুর শরশয্যালীন। সহসা কমলালেবুর অভিলাষ জানান সেবক লাটুকে। অতি অপ্রত্যাশে নাগমহাশয় সেই সময়ে সেই ফলই নিয়ে আসেন শ্রীপ্রভুর প্রয়োজনে; একি ভক্তের আর্ত্তি, না ভগবানের তৃষ্ণা—কে জানে। তবে কৃতার্থ নাগমহাশয়ের শুল্ক হৃদয় যে পরম আস্পদে গিয়েছিল ভরে, একথা বেশী করে না বললেও চলে। বিশদ

18th  October, 2019
যোগী অবশ্যই আস্তিক হবেন

 যোগ বস্তুটা কী? যোগের ঠিক ঠিক অর্থটাই বা কী? দু’চারটা আসন শিখিয়ে দিয়ে কাউকে যোগী বানানো যায় না। যোগ হ’ল “সংযোগো যোগ ইত্যুক্তো জীবাত্মা-পরমাত্মনঃ।” এক্ষেত্রে সবচেয়ে মূল কথাটা হলো জীবাত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ অর্থাৎ এই দুই সত্তার মধ্যে চরম একাত্মতা স্থাপন যার ফলে জীবাত্মার আর পৃথক অস্তিত্ব থাকে না।
বিশদ

17th  October, 2019
 ভগবান লাভ

 রামকৃষ্ণ বলিতেন, যদ্যপি কেহ অকপটভাবে পরিহাসের নিমিত্তও ভগবানের নাম উল্লেখ করে, তাহারও ভগবান লাভ হয়। আমরা এই বুঝিলাম যে, সকলের ভাবই এক অদ্বিতীয় ভাবময়ের, তাহা কাহারও ব্যক্তিগত নহে। ভাবের সমন্বয় তাঁহাতে হইয়া থাকে, তাহা ব্যক্তিবিশেষে হয় না। অথবা যদ্যপি ধর্ম্মসমন্বয় দেখিবার কাহারও সাধ থাকে, তাহা হইলে তিনি এই জগৎখানা দেখুন, যথায় ভাবের সমন্বয় হইয়া রহিয়াছে। দেখুন হিন্দুর দিকে, তাঁহারা সম্প্রদায়-বিশেষের চরমাবস্থায় উপনীত হইয়া ভগবানে সমাহিত হইয়া রহিয়াছেন। বিশদ

16th  October, 2019
 ধর্ম ও সংস্কৃতি

ধর্মের সহিত সংস্কৃতির সম্পর্ক অচ্ছেদ্য। ভারতীয় সংস্কৃতিরও বিস্ময়কর বিকাশ ঘটেছে ধর্মকে ভিত্তি করে। ধর্মচিন্তার অফুরন্ত সঞ্জীবনী সুধা থেকে প্রাণশক্তি সংগ্রহ করে যুগে যুগে নানা বিচিত্র রূপে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রোজ্বল আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বিশদ

15th  October, 2019
সংগ্রামের নামই জীবন 

-স্বামীজী! জীবনটা কি?
-একটা অন্তর্নিহিত শক্তি যেন ক্রমাগত স্ব-স্ব রূপে ব্যক্ত হইবার জন্য অবিরাম চেষ্টা করিতেছে, আর বহিঃপ্রকৃতি তাহাকে দাবাইয়া রাখিতেছে। এই সংগ্রামের নামই জীবন।  বিশদ

14th  October, 2019
ভগবানের লীলা

ভক্ত-ভগবানের লীলা বিচিত্র। তার চেয়েও বিচিত্র ভগবানের নরলীলা...মহাপ্রভুর দন্তে তৃণ নিয়ে দ্বারে দ্বারে দাস্যভক্তির ভিক্ষা আমরা আকুল হয়ে শুনি...দক্ষিণেশ্বর লীলায় দেখি ভগবান কত দীন হতে পারেন—সাবর্ণি চৌধুরীদের ছেলে যোগেনস্বামী—সহজেই বংশ-গৌরবে আকাশ দেউল—সহজেই দক্ষিণেশ্বরে আসা যাওয়া কম। 
বিশদ

13th  October, 2019
ভিক্ষুসংঘ ও ভিক্ষুণী সংঘ 

ভিক্ষু বা সন্ন্যাসীদের জন্য বুদ্ধদেব গৃহস্থের পঞ্চশীল ব্যতিরিক্ত আরও কয়েকটি নিয়ম নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন। ভিক্ষুরা সাধারণতঃ গার্হস্থ্য পরিবেশের বাইরে সংঘ বা মঠে বাস করতেন। ভিক্ষুণীদের জন্যও পৃথক সংঘ ছিল। 
বিশদ

12th  October, 2019
নূতন গতিপথ 

খেত্‌রী মহারাজার সহিত যোগাযোগ স্বামীজীর জীবনের এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। নানাভাবে এই ঘটনা স্বামীজীর ভবিষ্যৎ কর্মসূচীকে প্রভাবান্বিত করে, এক নূতন বাঁকে তাঁহার কর্মস্রোতকে চালিত করে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে খেত্‌রীতেই মহারাজার অনুরোধে স্বামীজী তাঁহার অমর ‘বিবেকানন্দ’ নামটি গ্রহণ করেন।
বিশদ

11th  October, 2019
মহামায়া

মহামায়ার বিরাট শক্তিকে কাজে লাগাতেই তাঁর নেমে আসা জগৎ খেলায় ...গীতামুখে তাইত তাঁর কথা,—প্রকৃতিং স্বামবষ্টভ্যঃ বিসৃজামি পুনঃ পুনঃ...ঠাকুরও বলেছেন,—অবতার লীলায় যোগমায়া ভেল্কী লাগিয়ে দেন।  
বিশদ

10th  October, 2019
হে দেবি 

হে দেবি, হে শরণাগতের দুঃখবিনাশিনি, তুমি প্রসন্না হও; হে অখিল বিশ্বের জননি, তুমি প্রসন্না হও; হে দেবি, হে বিশ্বেশ্বরি, প্রসন্না হইয়া জগৎ পালন কর, কেন না তুমিই চরাচর জগতের ঈশ্বরী। তুমিই জগতের আধারস্বরূপা, কেন না একা তুমি পৃথিবীরূপে অবস্থিত আছ; হে অলঙ্ঘ্যবীর্যে, তুমিই জলরাশিরূপে অবস্থানপূর্বক এই সমস্ত সংবর্ধিত কর। 
বিশদ

04th  October, 2019
অর্জ্জুনের দুর্গাস্তব 

যুদ্ধের অব্যবহিত পূর্ব্বে কুরুক্ষেত্র-সমরাঙ্গনে দুর্য্যোধনের বিপুল সৈন্যসমাবেশ দর্শন করিয়া শ্রীকৃষ্ণ অর্জ্জুনের হিতের নিমিত্ত (হিতার্থায়) বলিলেন—‘‘পরাজয়ার শত্রুণাং দুর্গাস্তোত্রমুদীরয়’’ (‘মহাভারত’, ভীষ্মপর্ব)—শক্রগণের পরাজয়ের জন্য দুর্গাস্তব কর।   বিশদ

03rd  October, 2019
প্রার্থনা 

উপাসনা আত্মার খাদ্য, প্রার্থনা প্রাণের অমৃতরসায়ন। জীবনের ঘোর দুর্দিনে, দুঃখ-দৈন্য-অসুখ-অশান্তি-হাহাকারের মাঝে প্রার্থনাই মানুষের একমাত্র আশ্রয় ও অবলম্বন। অনাহারক্লিষ্ট দুর্ব্বল শরীর যেমন দৈনন্দিন আহারের দ্বারা পরিপুষ্ট ও পরিবর্দ্ধিত হয়, তেমনি জন্মজন্মান্তরের বুভুক্ষিত পাপতাপক্লিষ্ট মানবাত্মাও প্রার্থনা দ্বারা সুস্থ, সবল, সজীব ও নূতন তেজে উদ্দীপ্ত হইয়া ওঠে। 
বিশদ

02nd  October, 2019
অমৃতকথা 

অজ্ঞান, আলস্য, জড়ত্ব, নিদ্রা, প্রমাদ, নির্বুদ্ধিতা প্রভৃতি তমোগুণের কাজ। এই সকলের দ্বারা সংসৃষ্ট পুরুষ কিছুই জানে না বা বোঝে না; কিন্তু নিদ্রিতের ন্যায় বা স্তম্ভের ন্যায় জড়বৎ অবস্থান করে।   বিশদ

01st  October, 2019
30th  September, 2019
একনজরে
 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাংধার সেক্টর সীমান্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা

12:18:00 PM

কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ 

12:12:00 PM

নিমতা কাণ্ড: ধৃত প্রিন্সকে আজ বারাকপুর আদালতে তুলল পুলিস

12:11:38 PM

কৃষ্ণনগর পুলিস লাইনের কাছে এনআরসির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ বামেদের  

12:01:00 PM

দিল্লিতে কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে মিলল সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জালনোট

11:54:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM