Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

দেবী দুর্গা 

হিন্দুদিগের দুর্গাপূজা সকল পূজা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। হিন্দুমাত্রেই অতিশয় শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। হিন্দুদের জাতীয় উৎসব বলা যাইতে পারে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পূজিতা হইয়া থাকেন। কাশ্মীরে ও দাক্ষিণাত্যে ‘অম্বা’ ও ‘অম্বিকা’ নামে, গুজরাটে ‘হিঙ্গলা’ ও ‘রুদ্রাণী’ নামে, কান্যকুব্জে ‘কল্যাণী’ নামে, মিথিলায় ‘উমা’ নামে এবং কুমারিকা প্রদেশে ‘কন্যাকুমারী’ নামে পূজিতা হইয়া থাকেন। হিমালয় হইতে কুমারিকা-অন্তরীপ পর্যন্ত এবং দ্বারকাপুরী ও বেলুচিস্তানের হিঙ্গলাজ হইতে পুরীতে শ্রীজগন্নাথক্ষেত্র পর্যন্ত ভারতরর্ষের সর্বত্রই ‘শারদীয়া দুর্গাপূজা’ অথবা ‘নবরাত্র’ নামে পূজা-পার্বণ অনুষ্ঠিত হইয়া থাকে। এই নব-রাত্রিতে নেপাল, ভুটান, সিকিম ও তিব্বত প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরাও দেবীর পূজা করিয়া থাকেন। চীন, জাপান, কম্বোজ, চম্পা, যবদ্বীপ (যাভা) প্রভৃতি দেশের যেখানে হিন্দু্ অথবা বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত সেখানে দুর্গাদেবী পূজিতা হইয়া আসিতেছেন। জাপানে বৌদ্ধধর্ম প্রচারিত হইবার চল্লিশ বৎসর পরে রাজ্ঞী সিন্‌কোর রাজত্বকালে (৪৯৩-৬২৮ খ্রীষ্টাব্দ) চীন হইতে মহাযান-বৌদ্ধধর্মের অবলোকিতেশ্বর কোয়াননের মধ্যে একটি দেবীমূর্তির পূজা হইয়া থাকে। জাপানী ভাষায় তাঁহার নাম ‘চনষ্টী’। ইহা সংস্কৃত ‘চণ্ডী’ শব্দের অনুরূপ। তাঁহার আর একটি নাম ‘কোটীশ্রী’ অথবা ‘সপ্তকোটী বুদ্ধমাতৃকা চনষ্টীদেবী’। ইনিই হিন্দুদিগের শ্রীশ্রীদুর্গাদেবী।
চীন দেশের ক্যান্টন শহরের বৌদ্ধ মন্দিরে এক দেবীর মূর্তি আছে, তাঁহার শত হস্ত। ইনিও শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর অপর এক রূপ। মহাযান বৌদ্ধতন্ত্রে বজ্রতারার উল্লেখ আছে। ইনি তিব্বত, মহাচীন, জাপান প্রভৃতি দেশে এখনও পূজিতা হইয়া থাকেন। ইনিও শ্রীশ্রীদুর্গাদেবীর অন্যতম একটি মূর্তি। ঋগ্বেদে ‘দুর্গা’ নামটি পাওয়া যায় না সত্য, কিন্তু দুর্গাপূজার সময়ে যে ‘দেবীসূক্ত’ পাঠ করা হয় সেই সূক্তটি ঋগ্বেদে (১০/১২৫) আছে। ঐ দেবীসূক্তে যে জগন্মাতা আদ্যাশক্তি বর্ণিত হইয়াছেন তিনি অগ্নিরূপা। বৈদিক যুগে যাগযজ্ঞের প্রথা প্রচলিত ছিল। যজ্ঞের অগ্নিতে সেই সময়ে সকল দেবদেবীকে আবাহন করা হইত এবং যে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হইত সেই দেবতার নামে যজ্ঞীয়-অগ্নির নামকরণও করা হইত। এখনও প্রত্যেক বা প্রতিটি পূজার শেষে হোম না করিলে পূজা সম্পূর্ণ হয় না। বৈদিক যুগে দুর্গার প্রতিমা ছিল না। হব্যবাহী অগ্নিশিখাই তাঁহার (দুর্গার) রূপ। পরে যখন প্রতিমার প্রচলন হইল তখন সেই অগ্নিশিখার রূপই দেবীর গায়ের পীতাভ-রঙ বা বর্ণ হইয়া দাঁড়াইল। ঋগ্বেদের খিল-অংশে দুর্গাদেবীকে ‘রাত্রিদেবী’ বলা হইয়াছে। যজুর্বেদের তৈত্তিরীয়-আরণ্যকে ঐ দেবী ‘হব্যবাহিনী-অগ্নি’ নামে অভিহিত হইয়াছেন। তাঁহার সপ্তজিহ্বাকে অথর্ববেদের অন্তর্গত মুণ্ডকোপনিষদে (১।২।৪) বর্ণনা করা হইয়াছে। যথা,—
‘‘কালী করালী চ মনোজবা চ সুলোহিতা যা চ সুধূম্রবর্ণা/ স্ফুলিঙ্গিনী বিশ্বরুচী চ দেবী লেলায়মানা ইতি সপ্ত জিহ্বা।।’’
অর্থাৎ কালী করালী মনোজবা, সুলোহিতা, সুধূম্রবর্ণা, স্ফুলিঙ্গিনী, বিশ্বরুচী এই সপ্তজিহ্বার শিখার দ্বারা দেবতা হব্যকে (ঘৃতাহুতি) গ্রহণ করেন।
শতপথ-ব্রাহ্মণে পুনরায় আট প্রকার অগ্নির নাম আছে, যথা—রুদ্র, সর্ব, পশুপতি, উগ্র, অশনি, ভব, মহাদেব ও ঈশান। দক্ষতনয়া বেদীর উপরে প্রজ্বলিত ‘মহাদেব’ (শর্ব) নামক অগ্নি হইতেই কালক্রমে গৌরীপট্টের উপরে শিবলিঙ্গের মূর্তি রচিত হইয়াছে। এইরূপ অনুমান করা যাইতে পারে।
বিভিন্ন পুরাণেও এই বৈদিক যজ্ঞবেদী দক্ষতনয়া অগ্নিরূপী মহাদেবের পত্নী ‘সতী-রূপে’ বর্ণিত হইয়াছেন। বৈদিক যজ্ঞবেদীর চতুষ্পার্শ্বে অন্য চারিটি দেবতার স্থান কল্পিত হইত। একদিকে বেদমাতা সরস্বতী বা বাগ্‌঩দেবী, অপরদিকে ধনধান্যপ্রদায়িনী লক্ষ্মীদেবী এবং একদিকে যজ্ঞরক্ষাকর্তা কার্তিকেয় এবং অপরদিকে থাকিত গণনাঃ গণপতি,—যিনি সকল মানবের পতি (পালনকর্তা) চতুর্হস্তবিশিষ্ট। গণনাগক গণপতির প্রথম হস্ত যজ্ঞের হোতা, দ্বিতীয় হস্ত ঋত্বিক, তৃতীয় হস্ত পুরোহিত এবং চতুর্থ হস্ত যজমান কল্পিত হইত।
ঋগ্বেদে অগ্নিরূপিণী দুর্গাদেবীকে শত্রুবধকারিণী, রাক্ষসহন্ত্রী বা অসুর নাশিনী বলা হইয়াছে। যথা,—‘‘বি পাজসা পৃথুনা শোশুচানো বাধস্ব দ্বিষো রক্ষসো আমীবাঃ।/ সুশর্মণো বৃহতঃ শর্মনি স্যামগ্নেরহং সুহবসা প্রণীতৌ।।’’
যজুর্বেদীয় তৈত্তিরীয়-আরণ্যকে দেবী দুর্গা, মহাদেব, কার্তিক, গণেশ ও নন্দীর নাম উল্লেখ করা হইয়াছে। দেবী দুর্গার অপর নাম উমা এবং অম্বিকাও পাওয়া যায়। মহাদেব বা রুদ্রকে উমাপতি এবং অম্বিকাপতিও বলা হইয়াছে। সামবেদীয়-তলবকা-উপনিষদে ‘উমাহৈমবতী’ নাম পাওয়া যায়। যথা—‘‘স (ইন্দ্র) তস্মিন্নেবাকাশে স্ত্রিয়মাজগাম বহুশোভমানাং উমাং হৈমবতীং।/ তাং হোবাচ—কিমেতদ্‌ যক্ষমিতি।।’’
স্বামী অভেদানন্দের ‘দেবী দুর্গা’ থেকে 
05th  October, 2019
একাগ্রতার শক্তি

 একাগ্রতাই—যুদ্ধ এবং ব্যবসা বাণিজ্য; সংক্ষেপে মানুষের যে কোন ব্যবহারিক কাজে—সকল শক্তির মূল রহস্য। সুনির্দিষ্ট চিন্তা করার ক্ষমতা তোমার নিজস্ব, তাকে দর্শন করা, আয়ত্তে আনা ও ঈশ্বরের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতাও তোমার নিজের ‘হাতে’।
বিশদ

 আত্মা-অনাত্মা

  যথার্থ জ্ঞানের দ্বারা জীবের অবিদ্যারূপ উপাধির বিনাশ হয়, অন্য কোন উপায়ে ইহার নাশ হয় না। ব্রহ্মের সহিত আত্মার একাত্বানুভবই জ্ঞান, শ্রুতি ইহা বলেন। আত্মা কি, অনাত্মাই বা কি, এই বিচার যথাযথ ভাবে করিতে পারিলে আত্মজ্ঞানের উৎপত্তি হয়। অতএব জীব ও ব্রহ্মের স্বরূপ বিচারের দ্বারা নির্ণয় করা কর্তব্য। বিশদ

29th  May, 2020
 আসক্তি

যে-সকল মূঢ়ব্যক্তি তীব্র আসক্তির বশে বিষয়ভোগে প্রমত্ত থাকে, তাহারা স্ব স্ব কর্মফলের দ্বারা চালিত হইয়া কখনও বা পশু, তির্যক প্রভৃতি জীবযোনিতে জন্মগ্রহণ করে; আবার কখন স্বর্গাদি লোকের সুখভোগ করে। (এইভাবে তাহারা জন্মমৃত্যুরূপ সংসার দুঃখ ভোগ করিতে থাকে)। বিশদ

28th  May, 2020
অমৃতকথা 

কর্ম সম্বন্ধে সাধারণ লোকের স্পষ্ট ধারণা না থাকিলেও ইহা অধিকাংশ লোকেই বিশ্বাস করে যে এই সংসার প্রপঞ্চের এবং ব্যাপক দুঃখ জঞ্জালের মূল একমাত্র কর্ম। এই বিশ্বাস যে অমূলক তাহা নহে। তবে ইহা স্পষ্টরূপে বোধগম্য হওয়া উচিত।  বিশদ

27th  May, 2020
অমৃতকথা 

আহা, দেশে গরিব-দুঃখীর জন্য কেউ ভাবে না রে! যারা জাতির মেরুদণ্ড, যাদের পরিশ্রমে অন্ন জন্মাচ্ছে, যে মেথর-মুদ্দাফরাশ একদিন কাজ বন্ধ করলে শহরে হাহাকার রব ওঠে— হায়! তাদের সহানুভূতি করে, তাদের সুখে-দুঃখে সান্ত্বনা দেয়, দেশে এমন কেউ নেই রে!   বিশদ

26th  May, 2020
অমৃতকথা 

বাংলার বিশেষ সম্পৎ শক্তির উপাসনা। গৌড়ীয়া-বিদ্যা তন্ত্রের আর এক নাম। বর্ত্তমানে তন্ত্রবিষয়ে গবেষণা বা আলোচনা নাই বলিলেই হয়। আত্মভোলা বাঙালী জাতি নিজ সম্পদ্‌ সম্বন্ধে যদিও একেবারে উদাসীন, তাহা সত্ত্বেও তন্ত্রের সাধনার ধারা একেবারে মৃত নহে।   বিশদ

25th  May, 2020
ব্রহ্মতত্ত্ব

  বেদ ও উপনিষদের মর্মবাণীর মধ্যে ভারতের শাশ্বত সনাতন ধর্মের ভাবটি বিদ্যমান। এই উপনিষদ-ভিত্তিক ‘ব্রহ্মতত্ত্ব’ বা ‘আত্মতত্ত্ব’ই হল বেদের সার। এই ‘আত্মতত্ত্বে’র আলোচনামূলক গ্রন্থই ‘বেদান্ত’।
বিশদ

24th  May, 2020
প্রণবের উপাসনা

প্রণবই ব্রহ্ম, পুনশ্চ প্রণবই ব্রহ্ম লাভের উপায়। বেদান্তশাস্ত্রে প্রণবই উপায় ও উপেয়রূপে বর্ণিত। কঠোপনিষৎ শুনাইলেন—প্রণবই পরব্রহ্মোপাসনার শ্রেষ্ঠ আলম্বন বা প্রতীক—ইহা জানিলে ব্রহ্মলোকে মহীয়ান্‌ হওয়া যায়। বেদসমূহ অবিরুদ্ধ ভাবে যে অভীষ্ট বস্তুর প্রতিপাদন করেন, সকল তপস্যা যাঁহার প্রাপ্তির উপায়স্বরূপ এবং যাঁহার জন্য মানুষ ব্রহ্মচর্য্য অবলম্বন করে, তাঁহা হইল ‘ও” বা প্রণব।
বিশদ

23rd  May, 2020
প্রণবশক্তি

 আলোকতরঙ্গ ও নাদতরঙ্গ উভয়েরই আছে প্রচণ্ড, অভাবনীয় গতি—ইহা আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত। যেখানে গতি, সেখানেই শক্তি। সমস্ত জ্যোতিঃ, সমস্ত নাদের যেমন এক মৌলিক উৎস আছে, সমস্ত শক্তিরও তেমনি এক মহাকারণ আছেন, তিনিই প্রণব।
বিশদ

22nd  May, 2020
প্রণবের মাত্রা

 কোন কোন উপনিষদে প্রণবের ত্রিমাত্রার কথা, এবং কোন কোন উপনিষদে প্রণবের চারি মাত্রার উল্লেখ দেখা যায়। অ+উ+ম—ত্রিমাত্রা হইল এই; এতদতিরিক্ত আর এক চতুর্থ মাত্রা প্রণবে আছে। বিশদ

21st  May, 2020
 ব্রহ্মশক্তি

  আজকাল মানুষের মধ্যে একটা অবস্থা এসেছে—ফাঁকি দিয়ে সব কর্ম জয় করবো। এ পথে কিভাবে সব কিছু সুন্দর হবে? আমার মনে হয়, অতীতে যে পথ ধরে ভারতবর্ষে একটি সভ্যতা এসেছিল, যে সভ্যতার মধ্যে সুন্দর শিক্ষা, সুন্দর ভাবধারা প্রকাশিত হয়েছিল, সে পথেই আজ সকলকে আসতে হবে, নতুবা ভারতবর্ষকে আর রক্ষা করা যাবে না। আর সে পথ হলো অধ্যাত্ম পথ। বিশদ

20th  May, 2020
 দেবতা

 যাঁরা ভগবৎ কৃপা লাভ করেছেন, তাঁরাও এ পৃথিবীর মানুষ। আর এই পৃথিবীই হলো একমাত্র সাধনক্ষেত্র। দেব জগতের দেবতাগণ ভগবানকে জানেন না। ভগবানকে জানতে হলে বা তাঁকে উপলব্ধি করতে হলে দেবতাদেরও এই মাটির পৃথিবীতে এসে বসবাস করতে হবে এবং সাধনা করতে হবে। বিশদ

19th  May, 2020
ভক্ত ভগবানের লীলা প্রসঙ্গ

 এ পৃথিবীতে সকলেই বারবার আসছি। এর কারন কি? যদি বলা যায় যে এ পৃথিবীই হলো মানুষ আসবার জগৎ, তাহলে তো বলতে হয় এই স্থূল দেহ ধরবার জন্য এ ব্রহ্মাণ্ডে কি অন্য কোন জগৎ নেই? আমরা সকলেই শুনেছি যে এই পৃথিবীর ন্যায় অসংখ্য জগৎ নাকি আরও আছে। বিশদ

18th  May, 2020
আচার্যদেব

 ১৮৯৪ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই ফেব্রুয়ারি আমার স্মৃতিপটে অন্যান্য দিন হইতে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পবিত্র দিবস হইয়া রহিয়াছে ঃ কারণ ঐ দিনেই আমি সর্বপ্রথম সেই মহাপুরুষ সেই ধর্ম-জগতের মহাবীর স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি দর্শন ও তাঁহার কন্ঠস্বর শ্রবণ করি, যিনি দুই বৎসর পরে আমায় শিষ্যপদে বরণ করিয়া অপার আনন্দ ও বিস্ময়ে অভিভূত করিয়াছিলেন।
বিশদ

17th  May, 2020
 স্বধর্ম

সব বস্তুরই একটা ‘স্বধর্ম’ থাকে। মানুষের স্বধর্ম কি? মানুষের স্বধর্ম নিজেকে জানা, ঠিক ঠিক নিজেকে বুঝতে পারা এবং নিজের যে লক্ষ্য, চরম লক্ষ্য— ‘পরমার্থ— সেই পরমার্থকে পাওয়া। এইটি হলো মনুষ্য-ধর্ম, মানুষের স্বধর্ম।
বিশদ

16th  May, 2020
শ্রীরামকৃষ্ণ: এক নতুন ধর্মের প্রবক্তা

 ‘এসেছে এক নতুন মানুষ দেখবি যদি আয় চলে’। এই গান আমরা অনেক সময়ে গাই, বিশেষ করে ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে নগরসঙ্কীর্তনে। বাস্তবিক শ্রীরামকৃষ্ণ ‘এক নতুন মানুষ’। আমাদের আলোচ্য বিষয়— ‘শ্রীরামকৃষ্ণ ঃ এক নতুন ধর্মের প্রবক্তা’। বিশদ

15th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: দিল্লি থেকে রওনা দেওয়া শ্রমিক ট্রেনে মৃত মহিলার নিথর দেহ এল কালিম্পংয়ে। মৃতের নাম কিপা শেরপা(৫১)। শুক্রবার বিকালে সড়ক পথে তাঁর মৃতদেহ কালিম্পংয়ে আনা হয়।  ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলিতে পাট চাষের বিকল্প হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই তিল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। উম-পুনের জেরে সেই তিল ও বাদাম চাষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। সরকারি হিসেবেই জেলার তিল চাষের সবটুকু নষ্ট ...

সংবাদদাতা, কালনা: বেঙ্গালুরুতে নার্সিং পড়তে গিয়ে আটকে পড়া কালনার ২০জন পড়ুয়াকে বাসে বাড়ি ফেরানো হল। তাঁদের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেক আপের পর ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে স্বস্তিতে পড়ুয়াদের পরিবারের লোকজন।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত বুধবার বিকেলের কালবৈশাখীতে দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় ফের গাছ পড়ে বিদ্যুৎহীন হয়ে যায় বিভিন্ন এলাকা। সে সব মেরামতি করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকারঃ আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৭৯ টাকা ৮৬.২২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৩ টাকা ৯৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৭৩.৮১ টাকা ৭৭.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৩৭/৩৫ রাত্রি ৭/৫৮। মঘা নক্ষত্র ২/৪৭ প্রাতঃ ৬/৩ পরে পূর্বফল্গুনী ৫৯/২৭ রাত্রি ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৪/৫৮। পূর্ব্বফল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৪ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে ও ৩/৫৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে।
৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফার বর্ষপূর্তি, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী
আজ শনিবার মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফার বর্ষপূর্তি। সেই উপলক্ষে দেশবাসীকে ...বিশদ

08:30:47 AM

অন্তর্দেশীয় বিমানে চার দিনেই সফর করলেন লক্ষাধিক
 শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই ৪৯৪টি অন্তর্দেশীয় বিমানে ৩৮ হাজার ৭৮ জন যাত্রী ...বিশদ

08:25:00 AM

করোনা:২৪ ঘণ্টায় আমেরিকায় মৃত্যু হয়েছে ১,২২৫
গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ১ ...বিশদ

08:18:51 AM

মাহেশের রথযাত্রা বন্ধের সিদ্ধান্ত
করোনা সংক্রমণের আতঙ্কের জেরে ঐতিহ্যবাহী মাহেশের রথযাত্রা এবার বন্ধ রাখা ...বিশদ

08:15:00 AM

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ৬০ লক্ষ ছাড়াল

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত গোটা ...বিশদ

08:13:37 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ...বিশদ

08:06:04 AM