Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

মাতৃ পূজার মর্মকথা

পূজার দুটি দিক—একটি বাইরের দিক, সেটি বিজ্ঞানধর্মী, অপরটি অন্তরের দিক, সেটি আত্মধর্মী। বাইরের দিক হতে পূজা একটি বিজ্ঞানসম্মত পন্থা বিশেষ। অন্তরের দিক হতে পূজা একটি আত্মধর্মী প্রেমপূর্ণ সমর্পণ বিশেষ। ইহা কেবল মহাশক্তির নিকট পৌঁছাবার পথমাত্র নয়, মাতৃঅঙ্কে আরোহণ ক’রে মাতৃত্বের স্নিগ্ধতার আনন্দে পূর্ণ হওয়াও পূজার ফল। মাতার নিকট যাবার ও তাঁকে পাবার একমাত্র উপায় হচ্ছে পূজা। পূজা করার অধিকার সকলেরই রয়েছে।
আমাদের বাড়ীতে বৈদ্যুতিক আলো হঠাৎ নিভে গেলে রাজপথ বা পার্শ্ববর্তী বাড়িতে বৈদ্যুতিক আলো জ্বলতে থাকলে আমরা বুঝে থাকি বাড়ীর সঙ্গে মূল বৈদ্যুতিক কেন্দ্রের সংযোগ নষ্ট হয়েছে। তখনই আমরা বৈদ্যুতিক অভিজ্ঞ মিস্ত্রি ডেকে তাঁর নির্দেশমত দ্রব্যাদি এনে দেওয়ায় তিনি তা লাগিয়ে সংযোগ ক’রে আলো জ্বেলে দেন। সেরূপ আমরা মহাশক্তি মাতার সহিত সম্বন্ধ হারিয়ে শক্তিহীন হয়ে পড়ছি। তাই আমরা যদি তথ্যাভিজ্ঞ পুরোহিত সন্ধান করে এনে তাঁর নির্দেশ মত মহাশক্তির পূজা করি, আমরা শক্তিশালী হ’য়ে সংগ্রাম শক্তি কালীমাতার কৃপা লাভে ধন্য হব।
বাড়ীতে কোন সম্মানিত অতিথি এলে তাঁকে যেমন আমরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে সত্বর যথাযোগ্য স্থানে উপবেশনের ব্যবস্থা করি ও হস্তপদাদি ধৌত করার জন্য যথোপযুক্ত জল সরবরাহ করি। অতঃপর তাঁর জলযোগ, স্নানাহার, শয়ন ইত্যাদির ব্যবস্থা ক’রে নিষ্ঠার সহিত বিবিধ উপহার দিয়ে অতিথি-নারায়ণকে পরিতৃপ্ত করতে প্রয়াসী হই। সেরূপ পটে বা প্রতিমায় আরাধ্যা দেবীকে আহ্বান ক’রে তিনি ঐ পটে বা প্রতিমায় সূক্ষ্ম চৈতন্যময় সত্তায় অধিষ্ঠিত ভাবটি মনে প্রাণে উপলব্ধি ক’রে তাঁর উদ্দেশ্যে একাগ্রচিত্তে এক একটি ক’রে পূজার উপচার নিবেদন করার নামই পূজা। আসলে পূজা একটি জীবন্ত অধ্যাত্ম সাধনা। মাতৃপূজায় আমাদের ভক্তিপুষ্পে অঞ্জলি দিতে হবে। গঙ্গাজলের স্থলে চোখের জলে অভিষেক করতে হবে। প্রেম, ভক্তি, অনুরাগ ভালবাসা ইত্যাদিই তাঁর সেবার উপকরণ। সদানন্দময়ী মায়ের শক্তি ও করুণার দান উপলব্ধি তখনই সম্ভব যখন অন্তর্যোগে অন্তরের রত্নসিংহাসনে বসিয়ে তাঁর আরাধনায় সাধক হন ব্রতী। রসনায় কালী নাম, আর ধ্যানে মাতৃমূর্তি—এই সার সাধন নীতি যাঁর, তিনিই যথার্থ মাতৃভক্ত, তাঁর পূজাই সার্থক।
পূজা কাকে বলে? এ প্রশ্নের উত্তরে গুপ্ত যোগিবর শ্রীশ্রীরামঠাকুর বলেছেন—‘আপন কর্তৃত্বাভিমান সহ সকল ইন্দ্রিয় ইচ্ছা-বাসনাদি দান করাকে।’ তাহলে পুষ্প, চন্দন, ধূপদীপ জ্বালিয়ে পূজা কথার অর্থ কি? ঠাকুরের উত্তর—‘জীব যাহা কিছু ভাল সুখকর বলিয়া বোঝে সে সমস্তই ভগবানেতে দান।’
শ্রীগোস্বামী দাস রায়ের সম্পাদিত ‘শ্রীশ্রীকালীতত্ত্ব ও মাহাত্ম্য’ থেকে
05th  September, 2019
 বিরহ

 শ্রীরাধা শ্রীকৃষ্ণ-বিরহে দিব্যোন্মাদ অবস্থা প্রাপ্ত হইয়াছেন। সর্বাঙ্গে কম্পাদি বিকারসমূহের উদ্‌গম হইয়াছে। কথা বলিতে গেলে শব্দগুলি লুণ্ঠিত হইতেছে। নয়নযুগল হইতে অশ্রুধারা বিগলিত হইতেছে। তাহাতে ব্রজবন নদীমাতৃক দেশের তুল্য হইয়াছে। বিশদ

ভগবান 

শ্রীভগবান্‌ কোন বিশেষ পদার্থ নন, তিনিই বহুরূপে। এক একটি ব্যষ্টিরূপে এই পৃথিবীতে, তিনিই আবার সমষ্টিরূপে কৈলাসে। তিনি ছাড়া তুমি নাই। তুমি ফুল, তোমার অন্তরের ফল তিনি। আবার ফুল রূপে ভোক্তা হ’য়ে ফলরূপী ভগবান্‌কে ভোগ করছো তুমি। শ্রীভগবান্‌ তোমার অণুতে পরমাণুতে আবদ্ধ।  
বিশদ

10th  December, 2019
অমৃতকথা 

ঊনবিংশ শতাব্দী ভারতবর্ষের ইতিহাসে সর্বপ্রকারে এক স্মরণীয় যুগ। এই শতকে ভারতবর্ষ বহুবিধ কারণে জীবনমরণের সন্ধিক্ষণে আসিয়া উপনীত হয়। ধর্ম, সমাজ, সাহিত্য ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই নিদারুণ পরিবর্তন ঘটে।  বিশদ

09th  December, 2019
 বৈরাগ্য

 বৈরাগ্যের ভাব জাগাইবার জন্য যোগবাশিষ্টের মতো আর কোন পুস্তক নাই। বিরল কোন বৈরাগ্যবান্‌, বা মুমুক্ষু আছেন, যে যোগবাশিষ্ট পড়েন না। যোগবাশিষ্টের সহায়ে বিরাগী মন মুহূর্ত্তের ভিতর অন্তর্জগতে চলিয়া যায়। বৈরাগ্যমূলক এই অপূর্ব গ্রন্থখানা পড়িতে পড়িতে মৃত্যুর চিত্র, ক্ষণভঙ্গুর এই সংসারের চিত্র চোখের সামনে ভাসিতে থাকে।
বিশদ

08th  December, 2019
শ্রীমান্‌ উদ্ধব

যখন মথুরা হইতে ব্রজে যাত্রা করেন শ্রীমান্‌ উদ্ধব, তখন তিনি আপন মনে ভাবনা করিয়াছিলেন নন্দরাজার কথা। যাঁদের কথা বলিতে শ্রীকৃষ্ণের মত ব্যক্তির এত বিহ্বলতা, না জানি তাঁদের কৃষ্ণপ্রীতি কত গভীর! এই গভীরতার একটা মানসিক অনুমতি ছিল উদ্ধবের অন্তরে। 
বিশদ

07th  December, 2019
ধর্ম

শ্রীরামকৃষ্ণ কোন ধর্মকে নিন্দা বা উপেক্ষা করেন নাই। কোন ধর্ম ভাঙ্গিতে তিনি আসেন নাই, নূতন কোন সম্প্রদায় গড়িতেও তিনি আসেন নাই। তিনি বুঝাইয়া দিতে আসিয়াছিলেন,—সকল ধর্মেই সত্য নিহিত আছে, প্রত্যেক মানুষ স্বধর্মে থাকিয়া সত্যকর্ম আচরণ করিবে। 
বিশদ

06th  December, 2019
 কর্মশক্তি

“সতত মনে রাখিও তোমার কর্মশক্তি কাহারও হইতে কম নহে, ইহার পরিচয় এবার পাইয়াছ তোমার কর্মশক্তিই যেন তোমার আশ্রয়দাতার শুভাশীর্বাদ আনয়ন করিয়া তোমাকে মহামুক্তির পথে পরিচালনা করিতে পারে।...” সঙ্ঘগীতায় কর্মশক্তির পরিচয়ের কথা যাহা বলিলেন, তাহা এমন কিছুই নয়। বাংলার বাইরে হিন্দী ভাষীদের নিকট যাইয়া প্রথম একা আদায়, এই যা। যাহা ঘটিয়াছিল তাহা এই—ডালটনগঞ্জে [বিহার] একা কালেক্‌সনে গিয়াছি।
বিশদ

05th  December, 2019
 ঈশ্বর

 ‘সংসারের ভোগ হয়ে গেলে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়। কি করে তাঁকে পাব, কেবল এই চিন্তা হয়। যে যা বলে তাই শুনে। তিনি তো ধর্ম-মা নন, তিনি আপনারই মা, ব্যাকুল হয়ে মার কাছে আবদার কর। বিশদ

04th  December, 2019
বৈষ্ণব ভক্ত

এক বৈষ্ণব ভক্তের কথা শুনলাম—তিনি তোমার মূর্ত্তি ছাড়া অন্য মূর্ত্তি দর্শন করেন না। তাঁর গৃহে একখানি কালীর ছবি ছিল, তিনি সেখানি গৃহ হতে ফেলে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়েছেন। শক্তির প্রসাদ পর্য্যন্ত গ্রহণ করেন না। আমি ভক্তিহীন—সেজন্য “আমি শ্যাম, আমি শ্যামা” বলে বুঝলে, তাঁদের ত বুঝাতে পারি না।  
বিশদ

03rd  December, 2019
নাম

নীরব কেন? নাম কর্‌! এই রাম নাম—এই কৃষ্ণ নাম—মধুর হতেও মধুর, একথা কি জন্য বলছি জানিস্‌? দেখ্‌, মধুর কোন দ্রব্য জিহ্বায় রাখলে তার মাধুর্য্য অল্পক্ষণ থাকে, কিছুক্ষণ পরে আর জিহ্বাতে স্বাদ থাকে না; কিন্তু এই যে নাম—প্রথম বৈখরীতে জিহ্বায় রাখ, জিহ্বায় জপ করতে করতে এর মধুরত্ব শতগুণ বৃদ্ধি পাবে, জিহ্বা কৃতার্থ হবে, কণ্ঠ ধন্য হবে।  বিশদ

01st  December, 2019
 দেহ

দেখ্‌, আমার এ নাম প্রাণপ্রয়াণের পাথেয়। তুই নাম কর্‌। আজ তোর দেহে প্রাণ আছে, কিন্তু চিরদিন তো থাকবে না। তোর এমন একটা দিন আসছে যেদিন তোর হস্তপদাদি সঞ্চালনের শক্তি থাকবে না, তোর চক্ষু আর কিছু দেখবে না, তোর জিহ্বা রস গ্রহণ করতে পারবে না বা কোন শব্দ উচ্চারণ করতে পারবে না। প্রাণ তোর দেহকে ত্যাগ করে চলে যাবে।
বিশদ

30th  November, 2019
শিক্ষা

বাহ্যিক স্নেহ-প্রেম-ভালবাসা ও আদর-আপ্যায়ন তাহাদের জন্যই প্রয়োজন অধিক। কিন্তু, যাঁরা উচ্চকোটী সাধক, আচার্য্যদেব তাঁহাদিগকে করুণা করেন ভাল খাওয়াইয়া ভাল পরাইয়া নয়; পরন্তু অন্যভাবে।  বিশদ

29th  November, 2019
কর্ম

 এ জগৎ কর্মময়। এখানে মানুষ কর্ম করিতে আসে। তবে প্রকৃত কর্ম কি, এ সম্বন্ধে পণ্ডিতগণও মোহগ্রস্থ হন। প্রকৃত কর্মের সন্ধান না পাইলে উদ্দেশ্য বিহীন ভাবে কর্ম করিয়াও কোন লাভ হয় না। এইরূপ সম্মেলনের মাধ্যমেই সেই প্রকৃত কর্মের সন্ধান পাওয়া যায়।
বিশদ

28th  November, 2019
উচ্চকীর্ত্তন ও নামজপ 

‘‘মহাপ্রভু শ্রীগৌরাঙ্গ নাম-কীর্ত্তনের দ্বারা জীবের মুক্তি বিধান করিতে চাহিয়াছেন, ইহা সত্য। তিনি নিজেই ত্রিসত্য করিয়া বলিয়া গিয়াছেন,—হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম্‌, কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা।   বিশদ

27th  November, 2019
 যুক্তি

 অনেকে ঈশ্বরের প্রমাণে এই যুক্তি দেন—জগতের মধ্যে একটি শৃঙ্খলা বা নিয়মের সন্ধান পাই। সকল নিয়মেরই একজন নিয়ামক থাকতে হয়। আবার জগতের এই সুব্যবস্থিত অগ্রগতির পিছনে কোনও এক উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই আছে। কোনও একটি পরিণামের দিকে এ জগৎ অবশ্যই চালিত হচ্ছে। বিশদ

26th  November, 2019
এক আর একে দুই

মহাত্মা কবিরদাস বলেছেন—কবির যো ওহ এক ন জানিয়া,/ তও সব জানে ক্যা হোয়,/ এক হিঁতে সব হোঁত হায়,/ সবতে এক ন হোয়। এক আর একে দুই, দু আর একে তিন। এইরূপ এক থাকলে দুই, তাও আবার একে একে মিলিয়ে দুই হয়। পূর্বের এক পরের একের সঙ্গে না মিললে দুই হয় না। আর এই দুই যা বলছি তাও ভ্রম, কারণ পূর্বেও এক পরেও এক। এক ছাড়া আর কিছুই নেই, জোর করে দুই বলা মাত্র। বস্তুতঃ এক ব্যতীত দুই নেই। 
বিশদ

25th  November, 2019
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

মঙ্গল ঘোষ, গাজোল, সংবাদদাতা: দেশলাইয়ের বিভিন্ন মার্কা ও কাঠি দিয়ে নানা শিল্পকর্ম করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ইংলিশবাজার শহরের বাসিন্দা সুবীর কুমার সাহা। কখনও আর্ট পেপারে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারের সই ও লেটারহেড জাল করে ভুয়ো নার্সিং স্কুল খুলে প্রতারণা ব্যবসা চালানো হচ্ছে বলে কিছুদিন আগেই অভিযোগ করা হয়েছিল বিধাননগর উত্তর থানায়। এবার রানিগঞ্জ থানায়ও একই অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে লোক ঠকানোর এই ব্যবসা ...

নয়াদিল্লি, ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে সংসদের বাইরে আরও সরব কংগ্রেস। দলের দুই অন্যতম প্রধান মুখ রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সোশ্যাল সাইটে এই বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন। তাঁদের দু’জনের মতে, গণতন্ত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে কেন্দ্র।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রতুয়ায় ব্যবসায়ী খুনে ধৃত বিহারের ৩ দুষ্কৃতী 
মালদহের রতুয়ায় ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় ভিন রাজ্যের তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার ...বিশদ

01:23:00 PM

সল্টলেকে ভুয়ো কল সেন্টারের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ, ধৃত ৭

01:14:00 PM

অসমজুড়ে বিক্ষোভ: ডিব্রুগড়ে জারি করা হল ১৪৪ ধারা 

01:04:22 PM

পুরুলিয়ার বলরামপুরে হাতির হানা, মৃত ১
পুরুলিয়ার বলরামপুরে হাতির হামলায় মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃতের নাম ...বিশদ

12:43:00 PM

সংখ্যালঘুদের সার্বিক সুরক্ষা দেবে কেন্দ্রীয় সরকার, ভয় পাবেন না: রাজ্যসভায় অমিত শাহ 

12:29:58 PM

রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পেশ হল 

12:23:00 PM