Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

অমৃতকথা 

হে বিদ্বন্‌, ভয় পাইও না। তোমার আর সংসারে গতাগতি হইবে না। এই সংসারসিন্ধু উত্তীর্ণ হওয়ার উপায় আছে। যে উপায়-অবলম্বনে সাধকগণ ইহার পাড়ে গিয়াছেন তোমাকে সেই উপায়ের উপদেশ দিব।
সংসারভয়নাশক, অবশ্যফলপ্রদ, এক বিশেষ উপায় আছে। সেই উপায় অবলম্বনে সংসারসমুদ্র অতিক্রম করিয়া পরমানন্দ লাভ করিবে।
উপনিষৎসমূহের তাৎপর্যবিচারের দ্বারা সংশয়াদিরহিত জ্ঞান উৎপন্ন হয়। এই জ্ঞানোৎপত্তির সঙ্গে সঙ্গে সংসারদুঃখের সর্বতোভাবে নাশ হয়।
শ্রুতি বলেন—শ্রদ্ধা, ভক্তি এবং ধ্যান—এই তিনটি যোগ মুমুক্ষুর মুক্তিলাভের সাক্ষাৎ হেতু। যিনি চাঞ্চল্য ত্যাগ করিয়া কেবলমাত্র এই সকল সাধনে নিযুক্ত থাকেন, তাঁহার অবিদ্যাকল্পিত দেহবন্ধন হইতে মুক্তিলাভ হয়।
স্বস্বরূপের জ্ঞানের অভাব হইতে বস্তুতঃ পরমাত্মস্বরূপ তোমার অনাত্মায় অর্থাৎ জড়বস্তুতে ‘আমি-আমার-জ্ঞান’ আসিয়াছে। আর সেই জড়ের সহিত সম্বন্ধবশতঃ তোমার জন্মমরণরূপ সংসার দৃষ্ট হইতেছে। আত্মা ও অনাত্মার বিচার হইতে উৎপন্ন আত্মজ্ঞানরূপ অগ্নি অজ্ঞানের সহিত তাহার কার্য অহংকারাদি দগ্ধ করিয়া ফেলিবে।
শিষ্য বলিলেন—প্রভো, আমি এই প্রশ্ন করিতেছি। দয়া করিয়া শুনুন। আপনার মুখ হইতে এই প্রশ্নের উত্তর পাইয়া আমি কৃতার্থ হইব।
বন্ধন বলিয়া যাহাকে বলা হয়, সেই বন্ধনের স্বরূপ কি? সেই বন্ধন কোথা হইতে আসিল? ইহা থাকে কি প্রকারে? ইহা হইতে মুক্তিরই বা কি উপায়? অনাত্মাই বা কি বস্তু? আর আত্মার স্বরূপই বা কী? এই অনাত্মা ও আত্মার পার্থক্যজ্ঞান কোন্‌ উপায়ে ‌লাভ করা যায়? —আমাকে এই প্রশ্ন সমুদায়ের উত্তর দয়া করিয়া দিন।
গুরু বলিলেন: হে শিষ্য, তুমি ধন্য—তুমি কৃতার্থ। তুমি তোমার বংশকে পবিত্র করিলে। অবিদ্যাবন্ধন হইতে মুক্ত হইয়া ব্রহ্মস্বরূপ—উপলব্ধির ইচ্ছা হইতে তুমি ধন্য হইলে।
পুত্রাদি পিতাকে ঋণ হইতে মুক্ত করিতে পারেন। কিন্তু অবিদ্যাবন্ধন হইতে মুক্তিদানের কর্তা নিজে ছাড়া আর কেহই নাই।
মাথার উপর স্থাপিত বোঝা হইতে যে কষ্ট হয়, সে কষ্ট অপরে দূর করিতে পারে। কিন্তু নিজের ক্ষুধাতৃষ্ণার জ্বালা নিজের চেষ্টা ছাড়া অপরের দ্বারা নিজের চেষ্টা ছাড়া অপরের দ্বারা নিবারিত হয় না।
যে রোগী নিয়মিতভাবে ঔষধসেবন ও সুপথ্যগ্রহণ করেন, তাঁহার আরোগ্যলাভ হইয়া থাকে। অপর কেহ ঔষধ-পথ্যাদি গ্রহণ করিলে রোগী নিরাময় হয় না।
আত্মার স্বরূপ নিজের সংশয়বিপর্যয়রহিত জ্ঞানের দ্বারা অনুভব করিতে হইবে। অপরে (জ্ঞানী গুরু) জানিলে তাঁহার জ্ঞানের ফলে মুমুক্ষুর কি লাভ হইবে? (গুরুর জ্ঞানের ফলে শিষ্যের স্বরূপের বোধ জন্মিবে না)। চাঁদ কেমন জানিতে হইলে নিজের চক্ষু দ্বারা দেখিয়াই জানিতে হইবে। অপরে বহু চক্ষু দ্বারা দেখিলেও আমার কাছে তাহাদের দেখার কী মূল্য, যদি আমি নিজের চক্ষু দ্বারা না দেখি?
নিজের প্রযত্ন ছাড়া অবিদ্যা, কাম ও কর্মের বন্ধন হইতে মুক্ত হইতে শতকোটিকল্পেও আর কে সমর্থ হয়? (অর্থাৎ অপর কেহ মুক্তি দিতে পারে না। মুক্তির জন্য নিজেকেই সাধনা করিতে হইবে)।
অষ্টাঙ্গযোগ, প্রকৃতি-পুরুষের তত্ত্ববিচার, বৈদিক যজ্ঞাদি বা দানাদি কর্ম, শাস্ত্রপাঠজনিত জ্ঞান, এ সকলের কোনটির বা সকলগুলির দ্বারা মোক্ষলাভ ঘটে না।
মোক্ষলাভের আর কোন উপায়ও নাই। একমাত্র ব্রহ্মের সহিত আত্মার অভেদজ্ঞান হইতে মোক্ষপ্রাপ্তি ঘটে।
বীণার সৌন্দর্যে বা উহা বাজাইবার নৈপুণ্যে শ্রোতাদের আনন্দ উৎপাদনমাত্র হইতে পারে। ঐসকল দ্বারা সাম্রাজ্য-লাভ হয় না।
ভাষার উপর অধিকার, শব্দপ্রয়োগে নৈপুণ্য, শাস্ত্র-ব্যাখ্যায় চাতুর্য, আর কাব্য-অলঙ্কারাদিতে পাণ্ডিত্য, বিদ্বান্‌ ব্য঩ক্তিগণের ভোগ্যবস্তুপ্রাপ্তর সহায়ক হইতে পারে। এসকল কিন্তু মুক্তিলাভের সহায়তা করে না।

শঙ্করাচার্যের ‘বিবেকচূড়ামণি’ থেকে 
03rd  August, 2019
ঈশ্বর দর্শন

 প্রশ্ন: অবতার পুরুষকে দেখাই কি ঈশ্বর দর্শন? উত্তর: সাধারণ মানুষ ঈশ্বরকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারে না, কিন্তু তাঁর অবতারের ভিতর দিয়ে ঈশ্বরের অনেকখানি দেখা যায়। পুরোপুরি মানুষ দেখতে পায় না। সুতরাং অবতার যেন জানালা, যার ভিতর ঈশ্বরের কিছুটা দেখা যায়, যখন সে মাধ্যম-স্বরূপ হয়ে যাবে তখন দেখতে পাবে। যখন মানুষ তাঁতে বিলীন হয়, তখন মানুষের মানবরূপ ক্ষুদ্রত্বের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ঠাকুর বলেছেন, ‘ছাঁচ’; ‘ছাঁচটা’ চিরকালই থেকে যায়। মানুষের individuality—ব্যক্তিত্বের নাশ হয়, কিন্তু ভগবানের নাশ হয় না।
বিশদ

মহাযুদ্ধ 

বীর যোদ্ধা করে তোল আমাদের—আমরা তাই হতে চাই। অতীত আরো বেঁচে থাকতে চায়, তার বিরুদ্ধে যে ভবিষ্যৎ জন্ম নিতে চলেছে তার মহাযুদ্ধ আমরা যেন সফল করে তুলতে পারি—যাতে নূতন সব জিনিসের প্রকাশ হয়, আমরাও তাদের গ্রহণ করবার জন্য প্রস্তুত থাকি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 ভগবানলাভ

 ‘ভগবানলাভ’ কথাটির তাৎপর্য কি মহারাজ?
উত্তর: ভগবানের স্বরূপকে জানা এবং তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ অনুভব করা, এবং ধীরে ধীরে তাঁর ভাবেতে রূপান্তরিত হওয়া। বিশদ

24th  January, 2020
বহিরঙ্গনে 

কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা মনে করেন ধর্মের আহ্বান তাঁরা শুনতে পেয়েছেন। তাঁরা সাংসারিক কর্ম ছেড়ে, প্রতিশ্রুত ধর্মপথ অবলম্বন করেন। কেউ বা সাময়িক উদ্দীপনাবশতঃ কোন মঠে গিয়ে বৈরাগ্যের পথ অবলম্বন করতে চান। কিন্তু অনেক সময় এমন দেখা যায়, তাঁদের অনেকেই ধর্ম ও সন্ন্যাসজীবনের জন্য অনুপযুক্ত।  
বিশদ

23rd  January, 2020
শরীরের সঙ্গে মনের কি সম্বন্ধ

ধর্মের গভীর অনুশীলনে ইহা যেমন মনের সহায়ক, আবার মুমুক্ষুকে সহজেই অতীন্দ্রিয় রাজ্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। পূর্বাধ্যায়ে আলোচিত সত্যের ন্যায় এতেও কিছুটা সত্যের আভাস পাওয়া যায়। কিন্তু প্রাণায়াম-সাধনার অতি প্রয়োজনীয় শর্তগুলি অসতকতাবশতঃ উপেক্ষা করা হয়ে থাকে।
বিশদ

22nd  January, 2020
কলিতে গোপাল জাগ্রত

কলৌ জাগর্ত্তি গোপালঃ। কলিতে গোপাল জাগ্রত। কোন্‌ সুদূর দ্বাপর যুগে এসেছিলেন ভগবান্‌ নন্দদুলাল ব্রজের গোপাল রূপে। স্থূল দেহে ধূলার ব্রজে লীলা ক’রে গেলেন সেই হারিয়ে যাওয়া শত শত বৎসর আগে। অথচ শাস্ত্র বলছেন—এই কলিতে তিনি বিশেষ ভাবে জাগ্রত। অর্থাৎ কলির জীবের কাছে তিনি বিশেষ ভাবে জাগ্রত। 
বিশদ

21st  January, 2020
ধর্মজীবন

আমরা এ পর্যন্ত যা বলে এসেছি তাতে অনেকে মনে করতে পারেন যে, ধর্মজীবন-প্রস্তুতির সহায়করূপে জ্ঞানচর্চা, কলাবিদ্যা, কার্যকলাপ প্রভৃতির অনুশীলন বুঝি আধ্যাত্মিকতার অপরিহার্য অঙ্গ। এটি অবশ্য একটি অপসিদ্ধান্ত। অনেকেই মনে করেন—বিশেষতঃ যাঁরা ইংলণ্ডের প্রোটেস্টাণ্ট সংস্কৃতিতে পুষ্ট—যে মস্তিষ্ক, হৃদয় ও বাহুর সমন্বিত বিকাশই হচ্ছে আধ্যাত্মিকতা। 
বিশদ

20th  January, 2020
কর্ম

ভারতবর্ষ শাশ্বত সনাতন ধর্মের দেশ। তার অমূল্য সম্পদ আধ্যাত্মিকতা। ভারতের এই অধ্যাত্ম-সম্পদ বিশ্বের দরবারে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বামীজী, এবং অভেদানন্দজী তা দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
বিশদ

19th  January, 2020
নীতিবোধের প্রয়োজনীয়তা 

ধর্মপথে ও ধর্মজীবনে নীতিবোধের প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করে না। বেশিরভাগ মানুষ তর্ক তোলে ধর্মজীবনে সূক্ষ্মানুভূতিলাভের আরও সহজ পথ বর্তমান, যা ধর্মসাধনের পক্ষে অত্যাবশ্যক শর্ত বলে আগেই আমরা উল্লেখ করেছি। অন্ততঃ এরূপ তিনটি পৃথক্‌ উপায়ের উল্লেখ এখানে করা যেতে পারে। 
বিশদ

18th  January, 2020
স্বামীজী 

আলমোড়ায় অবস্থানকালে আর একদিন স্বামীজী হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন উপকূলে—আধুনিক চিন্তাতরঙ্গরাজির বহুদূর ব্যাপী প্লাবনের প্রথম ফলস্বরূপ রঙ্গদেশে যে-সকল উদার হৃদয় মহাপুরুষের আবির্ভাব হইয়াছিল, তাঁহাদিগের কথা বলিয়াছিলেন। রাজা রামমোহন রায়ের কথা আমরা ইতিপূর্বেই নৈনিতালে তাঁহার মুখে শুনিয়াছিলাম। 
বিশদ

17th  January, 2020
প্রার্থনা 

মানুষের জীবন নিত্য অভাব ও অভিযোগ ও প্রয়োজনে পরিপূর্ণ, সুতরাং তার কামনা থাকেই, কেবল দেহে প্রাণে নয়, কিন্তু মনে এবং আধ্যাত্মিক সত্তাতেও। যখন সে জানে যে জগৎ চলছে কোন উচ্চশক্তির নিয়ন্ত্রণে, তখন সে ঐ উচ্চশক্তির কাছে তার অভাব পূরণের জন্য প্রার্থনা জানায়, যাতে তার জীবনের বন্ধুর পথে ও কঠিন সংগ্রামে ভগবৎ সাহায্য ও আশ্রয় লাভ করতে পারে। 
বিশদ

16th  January, 2020
আত্মদর্শন

উদ্ধব, আমি সর্বজীবের অধীশ্বর। নিখিল জগৎ আমাতে অধিষ্ঠিত। তুমি সংযমী হইয়া সমাচিত-চিত্ত হও, পরমাত্মায় আত্মদর্শন কর—‘‘আত্মন্যাত্মানমীক্ষস্ব’’। তুমি আত্মস্থ হও, আত্মানুভবে সন্তুষ্ট থাক। আগন্তুক কোন বিঘ্ন-বিপদ্‌ তোমাকে বিহত করিতে পারিবে না— ‘‘আত্মানুভবতুষ্টাত্মা নান্তরায়ৈর্বিহন্যসে।।’’ 
বিশদ

15th  January, 2020
 ব্রহ্মসত্তা

যাহা স্পন্দশীল, তাহা ক্রিয়াশীল, ব্রহ্মে তাহাই উত্থিত। ঐ ক্রিয়াশীল অবস্থাই কলন করেন অর্থাৎ ধারণ করেন সর্ব্ববিধ সৃষ্টিকে। “কল নাশনে কল ধারণে”। ক্রিয়াশীলা শক্তির গুণ-কার্য্যানুযায়ী নাম শাস্ত্রে রহিয়াছে তাই “কালী”, এবং যাহা ক্রিয়াশূন্য অথচ ক্রিয়াময়-সর্ব্ব অবস্থাকে আপন হৃদয়ে দিয়া স্বয়ং আছেন নির্ব্বিকার ভাবে অবস্থিত; স্পন্দশূন্য ঐ শবরূপে তিনিই হইতেছেন “শিব”—আমাদের আলোচনার চরম ও পরম বিষয়-সেই নিরাকার নির্ব্বিকার সর্ব্বব্যাপী পরম ব্রহ্ম।
বিশদ

14th  January, 2020
মিলারেপা 

শিষ্যদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়রা নিবেদন করলেন, ‘প্রভু আমরা আপনার অন্তিম আদেশ ও নির্দেশের প্রয়াসী। এই মরদেহ পরিত্যাগ করে আপনি কোন্‌ লোকে অবস্থান করবেন সে কথা জানবার জন্যে আমাদের কৌতূহল হয়েছে। প্রার্থনার কালে আপনাকে আমরা কোন্‌ লোকে স্মরণ করবো? আপনার শেষ আদেশ বা অনুজ্ঞা যদি কিছু থাকে তাও আমরা জানতে চাই।’ 
বিশদ

13th  January, 2020
প্রত্যক্ষানুভূতিই ধর্ম্ম 

ভক্তের পক্ষে এই সকল শুল্ক বিষয় জানার প্রয়োজন, কেবল নিজ ইচ্ছাশক্তিকে দৃঢ় করা মাত্র। এতদ্ব্যতীত উহাদের আর কোন উপযোগিতা নাই। কারণ তিনি এমন এক পথে বিচরণ করিতেছেন, যাহা শীঘ্রই তাঁহাকে যুক্তির কুহেলিকাময় ও অশান্তিপ্রদ রাজ্যের সীমা ছাড়াইয়া প্রত্যক্ষানুভূতির রাজ্যে লইয়া যাইবে; তিনি শীঘ্রই ঈশ্বরকৃপায় এমন এক অবস্থায় উপনীত হন, যেখানে পাণ্ডিত্যাভিমানিগণের প্রিয় অক্ষম যুক্তি অনেক পশ্চাতে পড়িয়া থাকে, আর বুদ্ধির সাহায্যে অন্ধকারে বৃথান্বেষণের স্থানে প্রত্যক্ষানুভূতির উজ্জ্বল দিবালোকের প্রকাশ হয়।  
বিশদ

12th  January, 2020
দস্যুর সাধুত্বে উত্তরণ 

ভগবান শ্রীহরিচাঁদ মানব জন্ম গ্রহণ করে নিজে আত্মসমর্পণ করে জীবকে আত্মসমর্পণ শিক্ষা দিলেন। নিজে হরিনামে আত্মসমর্পণ করে নামে প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে দিন যাপন করতে লাগলেন, পুত্র কন্যা ঘর সংসার সব কিছু বিস্মৃত হয়ে সর্বদা নাম সুধা পানে মত্ত হলেন। ভক্তগণ চাঁদের চতুর্দিকে তারকা মণ্ডলীর ন্যায় তাঁকে ঘিরে নাম সুধা পান করতে লাগলেন। 
বিশদ

11th  January, 2020
একনজরে
বিএনএ, বহরমপুর: এবার প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিনজন করে পিওসি (পয়েন্ট অব কন্ট্রাক্ট) নিয়োগ করবে টিম পিকে। প্রতিটি জেলা থেকে বিধায়ক এবং ব্লক সভাপতিদের কাছ থেকে বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক তিনজনের নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছিল। সেইমতো জেলা থেকে নাম পাঠানো হয়েছে।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিল্প ও ব্যবসায় উৎসাহ দিতে সব ক্ষেত্রেই ৯২ শতাংশ ফায়ার লাইসেন্স ফি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০১৭ সালের এই ফি খুব বেড়ে গিয়েছিল বলে বেশ কয়েকজন শিল্পপতি ও বণিকসভার প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রশ্নে ফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএমের সঙ্গে আর কোনও তিক্ততা নয়। তাই আসন্ন আলিপুরদুয়ার পুরভোটে বামফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেস থাকলেও শরিক আরএসপি’র কোনও অসুবিধা নেই।   ...

লুজিওবেলজানা, ২৭ জানুয়ারি (এএফপি): পদত্যাগের কথা ঘোষণা করলেন স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মারযান সারেক। সোমবার তিনি নতুন করে নির্বাচনের ডাক দেন। ২০১৮ সালে স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন সারেক। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শিক্ষার জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন। প্রেম-প্রণয়ে নতুন যোগাযোগ হবে। বিবাহের কথাবার্তাও পাকা হতে পারে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৫৬:দ্বিতীয় মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যু
১৮৬৫: স্বাধীনতা সংগ্রামী পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রাইয়ের জন্ম
১৮৯৮: ভারতের মাটিতে পা রাখলেন ভগিনী নিবেদিতা
১৯২৫: বিজ্ঞানী রাজা রামান্নার জন্ম
১৯৩০: গায়ক যশরাজের জন্ম
১৯৩৭: গায়িকা সুমন কল্যাণপুরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৩২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৭৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) তৃতীয়া ৫/৩ দিবা ৮/২২। শতভিষা ৭/৩৪ দিবা ৯/২৩। সূ উ ৬/২১/২১, অ ৫/১৭/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৬ গতে ১১/২২ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৬ গতে ৮/৩৪ মধ্যে।
১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ০/৪৫/৪৫ প্রাতঃ ৬/৪২/৩৩। শতভিষা ৪/৩৯/৩৪ দিবা ৮/১৬/৫। সূ উ ৬/২৪/১৫, অ ৫/১৬/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালবেলা ১/১১/৫৩ গতে ২/৩৩/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৪/৫৬ গতে ৮/৩৩/২৫ মধ্যে।
২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 চন্দননগরে সরস্বতী প্রতিমা কিনে এনে আত্মঘাতী সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র
বুধবার সরস্বতী পুজো। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে গিয়ে আনন্দ করেই সরস্বতী ...বিশদ

03:59:00 PM

ট্যুইটে আক্ষেপ রাজ্যপালের
সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে সম্মানের বিষয়টিই ...বিশদ

02:32:28 PM

এবার ক্যানভাসে সিএএ-র প্রতিবাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

02:16:00 PM

এই প্রথম বারুইপুর আদালতে ফাঁসির নির্দেশ
এই প্রথম ফাঁসির নির্দেশ দিল বারুইপুর আদালত। আজ এই আদালতে ...বিশদ

01:56:00 PM

 শিক্ষকদের জন্য সুখবর মমতার
শিক্ষকদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা রাজ্যের। ট্যু ইট করে সেই ...বিশদ

01:51:21 PM

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরেই গেলেন রাজ্যপাল 
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। ...বিশদ

01:42:00 PM