Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

শ্রীরামকৃষ্ণ আধ্যাত্মিক গগনে উজ্জ্বলতম তারকা

 অনিঃশেষ সেই আনন্দ, অদম্য সেই শক্তি। সে এক অনন্ত সুখের আকর। ধারণার উচ্চতায়, সুপ্রাচীন জ্ঞানের প্রকাশে, অন্তর্দৃষ্টির গভীরতায়, ধ্যানতন্ময় প্রশান্তিতে, ভক্তির উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনায়, সাধকজীবনের কঠোরতায়, বাণীর মনোহারিত্বে তাঁর জীবনকে সমৃদ্ধ অধ্যাত্মজীবনের বিস্ময়কর উদাহরণ। প্রসারিত দৃষ্টিসম্পন্ন, করুণার বারিধি, এক অতুলীয় বিশ্বতোমুখ প্রতিভার অধিকারী শ্রীরামকৃষ্ণ আধ্যাত্মিক গগনে উজ্জ্বলতম তারকার মতোই দেদীপ্যমান। স্বামীজী বলেছেন, ঠাকুরের নিজের জীবন উপনিষদের এক জীবন্ত ভাষ্য; বলা যায়, উপনিষদের আত্মা যেন মানুষের রূপ ধরে ভারতবর্ষের বিচিত্র ভাবধারার অন্তর্লীন ঐক্যকে তুলে ধরেছে ঠাকুরের মধ্যে। পাশ্চাত্য প্রত্যক্ষবাদে বিশ্বাসী কোনো অজ্ঞেয়বাদী বুদ্ধিজীবীই মরমী সাধকদের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাসমূহে বিশ্বাস রাখতে ইচ্ছুক নন। ঈশ্বরদর্শনের নিশ্চিত অভিজ্ঞতা যে যোগী সাধকের নির্ভর, তিনিই পারেন অজ্ঞেয়বাদীর সংশয় ছিন্ন করে তাঁকে ইতিবাচক উত্তর দিতে। শ্রীরামকৃষ্ণ ঈশ্বরকে সামনাসামনি দেখেছিলেন এবং বিবেকানন্দের মনে বিশ্বাস উৎপন্ন করার ক্ষমতা তাঁরই ছিল। খণ্ডকে অখণ্ডকে বলে ভুল করার ফলে অখণ্ড যার আয়ত্তের বাইরেই থাকে, সেই অহংতাড়িত মন ও যুক্তিতর্কের প্রতিস্পর্ধা অগ্রাহ্য করে সত্য সবসময় অবিচল হয়ে অবস্থান করে। যখন আমরা শ্রীরামকৃষ্ণের মধ্যে অতুলনীয় এবং অভূতপূর্ব এক আধ্যাত্মিক প্রকাশ লক্ষ করি, আমরা বিস্মিত হয়ে যাই তার প্রচণ্ড প্রাণশক্তিতে, তার অশেষ ক্ষমতায়, গভীর আনন্দময় করুণাঘন অভিব্যক্তিতে। এক অবিশ্বাসী পৃথিবীর চোখের সামনে তিনি খোলাখুলি উজাড় করে দিয়েছিলেন আধ্যাত্মিক সত্যের রত্নরাজী। যে সহজাত আধ্যাত্মিক ঐশ্বর্য তিনি প্রকাশ করতেন, তা ছিল বিস্ময়করভাবে বহুলাঙ্গ দ্যুতিময়। যেমন অবিশ্বাসীদের কাছে, তেমনি বিশ্বাসীদের কাছেও তিনি ছিলেন এক কঠিন সমস্যা। তাঁর আধ্যাত্মিক গভীরতায় বৈশিষ্ট্য ছিল এক বিরল প্রাণশক্তি যা আর পাঁচজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার দুর্দমনীয় আবেগে উদ্দীপ্ত হতেন তিনি। কেবল আত্মার শক্তিতে নির্ভর করেই তিনি চলতেন। যে পরম সত্য তাঁর সত্তার অন্তরশায়ী, তার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগ থাকায় ঈশ্বরের প্রকৃত অস্তিত্ব ও তাঁর নিকট-সান্নিধ্য সম্পর্কে ছবির মতো বুঝিয়ে দিতে পারতেন মানুষকে। অখণ্ডতা সঙ্গতি পরাদৃষ্টি প্রভৃতি আধ্যাত্মিক জীবনের উচ্চতর সত্যগুলির প্রমাণভিত্তিক যথার্থতার প্রতিপাদনই ছিল সেইযুগের সবচেয়ে বড়ো প্রয়োজন। আত্মবোধের নিশ্চিন্ততায় নিমগ্ন শ্রীরামকৃষ্ণকে শুষ্ক বিচার বিশ্বাসহীনতার মরুভূমিতে মনে হতো একটি সবুজ মরূদ্যান। শ্রীঅরবিন্দ বলেছেন, পাঁচশো বছরে আর একজন রামকৃষ্ণের ভার পৃথিবী ধারণ করতে পারবেন না।
সাধক শ্রীরামকৃষ্ণের আর একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য হল যে বিজ্ঞানীর মতো মনের গড়ন ছিল বলে তিনি কোনোকিছুই প্রমাণ ছাড়া মেনে নিতে পারতেন না। বিজ্ঞানের পথ ধরেই তাঁর সাধনা এগিয়েছিল। কোনো কিছু মেনে নেবার আগে গভীর পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, গবেষণা এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচারের পর, তবে তিনি কোনো কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন। ঠিক সেই কারণেই সংশয়ান্বিত পৃথিবীকে অধ্যাত্মজীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে এত স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষ পরিচয় দিতে সমর্থ হয়েছিলেন তিনি। মহৎ সত্যগুলিকে আবিষ্কার করার পর পরীক্ষিত সত্যের প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তাঁর সত্তা প্রকৃতই একটি বীক্ষণাগারে পরিবর্তিত হয়েছিল। উপনিষদের বাণীর সত্যতার অভ্রান্ত প্রমাণ, রামকৃষ্ণের জীবনালোকে সমস্ত শাস্ত্রবচনই এক নতুন অর্থে প্রভাবিত হলো, নতুন জীবন পেল তাঁরা। তাই স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন—
‘শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের আশ্চর্য সন্ধানী আলোয় সমগ্র হিন্দু ধর্মের যথার্থ পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সামনে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। শাস্ত্রসমূহে যে জ্ঞান তাত্ত্বিক স্তরে সীমাবদ্ধ ছিল, তার ব্যবহারিক রূপ দেখা গেল তাঁর জীবনে। ঋষি ও অবতারগণ যে বিষয়ে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর জীবন দিয়ে তিনি তাই করলেন। শ্রীরামকৃষ্ণকে না জেনে বেদ, বেদান্ত, ভাগবত এবং অন্যান্য পুরাণসমূহের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করা কারো পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়।’
উপলব্ধিই ধর্মের মূল কথা। যে হৃদয় সত্যকে জানার জন্যে তৃষিত হয়ে আছে, কোনো বিশেষ ধর্মমত কি তাকে তৃপ্তি দিতে পারে? একমাত্র উপলব্ধিজাত দৃঢ় বিশ্বাসই সত্যসন্ধানের প্রক্রিয়ায় টাটকা বাতাসের ছোঁয়া এনে দিতে পারে। পরাদৃষ্টির অধিকারী হওয়া এবং ঈশ্বরের নানা রূপের মধ্যে অখণ্ড সত্তার উপলব্ধিই হলো আধ্যাত্মিক জীবনের লক্ষ্য। স্বামী
তথাগতানন্দের ‘আভাসিত আলো’ থেকে
30th  July, 2019
ধর্ম

শ্রীরামকৃষ্ণ কোন ধর্মকে নিন্দা বা উপেক্ষা করেন নাই। কোন ধর্ম ভাঙ্গিতে তিনি আসেন নাই, নূতন কোন সম্প্রদায় গড়িতেও তিনি আসেন নাই। তিনি বুঝাইয়া দিতে আসিয়াছিলেন,—সকল ধর্মেই সত্য নিহিত আছে, প্রত্যেক মানুষ স্বধর্মে থাকিয়া সত্যকর্ম আচরণ করিবে। 
বিশদ

 কর্মশক্তি

“সতত মনে রাখিও তোমার কর্মশক্তি কাহারও হইতে কম নহে, ইহার পরিচয় এবার পাইয়াছ তোমার কর্মশক্তিই যেন তোমার আশ্রয়দাতার শুভাশীর্বাদ আনয়ন করিয়া তোমাকে মহামুক্তির পথে পরিচালনা করিতে পারে।...” সঙ্ঘগীতায় কর্মশক্তির পরিচয়ের কথা যাহা বলিলেন, তাহা এমন কিছুই নয়। বাংলার বাইরে হিন্দী ভাষীদের নিকট যাইয়া প্রথম একা আদায়, এই যা। যাহা ঘটিয়াছিল তাহা এই—ডালটনগঞ্জে [বিহার] একা কালেক্‌সনে গিয়াছি।
বিশদ

05th  December, 2019
 ঈশ্বর

 ‘সংসারের ভোগ হয়ে গেলে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়। কি করে তাঁকে পাব, কেবল এই চিন্তা হয়। যে যা বলে তাই শুনে। তিনি তো ধর্ম-মা নন, তিনি আপনারই মা, ব্যাকুল হয়ে মার কাছে আবদার কর। বিশদ

04th  December, 2019
বৈষ্ণব ভক্ত

এক বৈষ্ণব ভক্তের কথা শুনলাম—তিনি তোমার মূর্ত্তি ছাড়া অন্য মূর্ত্তি দর্শন করেন না। তাঁর গৃহে একখানি কালীর ছবি ছিল, তিনি সেখানি গৃহ হতে ফেলে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়েছেন। শক্তির প্রসাদ পর্য্যন্ত গ্রহণ করেন না। আমি ভক্তিহীন—সেজন্য “আমি শ্যাম, আমি শ্যামা” বলে বুঝলে, তাঁদের ত বুঝাতে পারি না।  
বিশদ

03rd  December, 2019
নাম

নীরব কেন? নাম কর্‌! এই রাম নাম—এই কৃষ্ণ নাম—মধুর হতেও মধুর, একথা কি জন্য বলছি জানিস্‌? দেখ্‌, মধুর কোন দ্রব্য জিহ্বায় রাখলে তার মাধুর্য্য অল্পক্ষণ থাকে, কিছুক্ষণ পরে আর জিহ্বাতে স্বাদ থাকে না; কিন্তু এই যে নাম—প্রথম বৈখরীতে জিহ্বায় রাখ, জিহ্বায় জপ করতে করতে এর মধুরত্ব শতগুণ বৃদ্ধি পাবে, জিহ্বা কৃতার্থ হবে, কণ্ঠ ধন্য হবে।  বিশদ

01st  December, 2019
 দেহ

দেখ্‌, আমার এ নাম প্রাণপ্রয়াণের পাথেয়। তুই নাম কর্‌। আজ তোর দেহে প্রাণ আছে, কিন্তু চিরদিন তো থাকবে না। তোর এমন একটা দিন আসছে যেদিন তোর হস্তপদাদি সঞ্চালনের শক্তি থাকবে না, তোর চক্ষু আর কিছু দেখবে না, তোর জিহ্বা রস গ্রহণ করতে পারবে না বা কোন শব্দ উচ্চারণ করতে পারবে না। প্রাণ তোর দেহকে ত্যাগ করে চলে যাবে।
বিশদ

30th  November, 2019
শিক্ষা

বাহ্যিক স্নেহ-প্রেম-ভালবাসা ও আদর-আপ্যায়ন তাহাদের জন্যই প্রয়োজন অধিক। কিন্তু, যাঁরা উচ্চকোটী সাধক, আচার্য্যদেব তাঁহাদিগকে করুণা করেন ভাল খাওয়াইয়া ভাল পরাইয়া নয়; পরন্তু অন্যভাবে।  বিশদ

29th  November, 2019
কর্ম

 এ জগৎ কর্মময়। এখানে মানুষ কর্ম করিতে আসে। তবে প্রকৃত কর্ম কি, এ সম্বন্ধে পণ্ডিতগণও মোহগ্রস্থ হন। প্রকৃত কর্মের সন্ধান না পাইলে উদ্দেশ্য বিহীন ভাবে কর্ম করিয়াও কোন লাভ হয় না। এইরূপ সম্মেলনের মাধ্যমেই সেই প্রকৃত কর্মের সন্ধান পাওয়া যায়।
বিশদ

28th  November, 2019
উচ্চকীর্ত্তন ও নামজপ 

‘‘মহাপ্রভু শ্রীগৌরাঙ্গ নাম-কীর্ত্তনের দ্বারা জীবের মুক্তি বিধান করিতে চাহিয়াছেন, ইহা সত্য। তিনি নিজেই ত্রিসত্য করিয়া বলিয়া গিয়াছেন,—হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম্‌, কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা।   বিশদ

27th  November, 2019
 যুক্তি

 অনেকে ঈশ্বরের প্রমাণে এই যুক্তি দেন—জগতের মধ্যে একটি শৃঙ্খলা বা নিয়মের সন্ধান পাই। সকল নিয়মেরই একজন নিয়ামক থাকতে হয়। আবার জগতের এই সুব্যবস্থিত অগ্রগতির পিছনে কোনও এক উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই আছে। কোনও একটি পরিণামের দিকে এ জগৎ অবশ্যই চালিত হচ্ছে। বিশদ

26th  November, 2019
এক আর একে দুই

মহাত্মা কবিরদাস বলেছেন—কবির যো ওহ এক ন জানিয়া,/ তও সব জানে ক্যা হোয়,/ এক হিঁতে সব হোঁত হায়,/ সবতে এক ন হোয়। এক আর একে দুই, দু আর একে তিন। এইরূপ এক থাকলে দুই, তাও আবার একে একে মিলিয়ে দুই হয়। পূর্বের এক পরের একের সঙ্গে না মিললে দুই হয় না। আর এই দুই যা বলছি তাও ভ্রম, কারণ পূর্বেও এক পরেও এক। এক ছাড়া আর কিছুই নেই, জোর করে দুই বলা মাত্র। বস্তুতঃ এক ব্যতীত দুই নেই। 
বিশদ

25th  November, 2019
 বেদ

‘বেদ’ অর্থে আত্মজ্ঞান বা ব্রহ্মবিদ্যা। পাঠ অর্থে অনুশীলন। এই ব্রহ্মবিদ্যা বা যোগশাস্ত্র যিনি অনুশীলন করেন তিনিই বেদ পাঠ করেন। তাই গীতার প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে বলা আছে—‘‘ইতি ব্রহ্মবিদ্যায়াং যোগশাস্ত্রে শ্রীকৃষ্ণার্জ্জুন সংবাদে...’’ অতএব, বেদ নামক ছাপা পুস্তকখানিকে বিধিপূর্বক মুখের উচ্চারণ করে অথবা মনে মনে পাঠ করাকে বেদপাঠ করা বোঝায় না। এটা সনাতন ধর্মের বাহ্যদিক।
বিশদ

24th  November, 2019
ভগবান দয়াল 

নিজের ইচ্ছায় কিছু করতে নেই। ভগবান দয়াল, তোমাকে রক্ষার ব্যবস্থাও তিনি করেছেন। আঘাত একটা দিলেন, নইলে জ্ঞান হোত না। সত্য রক্ষা করতে হয়, প্রভু সকলেরই ব্যবস্থা করবেন। দীন কাঙাল হয়ে তাঁকে কোনো কথা জানালে, তিনি তা রাখেন। 
বিশদ

23rd  November, 2019
 সংসার ধর্ম

তিনি শ্রী ভগবান তবু এই কথা তুলে ধরা এই জন্য যে তাঁদেরও বিস্মৃতি ছিল অথবা মানুষ জন্ম গ্রহণ করিয়া মানুষের দোষগুণ ইচ্ছাকৃত ভাবে নিজের মধ্যে দেখাইয়া তাহা হইতে উত্তরণের পথ দেখাইয়াছেন।
বিশদ

22nd  November, 2019
 শ্রীহরি

 ব্রজের পিতা মাতার স্নেহের সংবাদ অনেকেই অল্পবিস্তর জানেন। উদ্ধবও নিশ্চয়ই অবগত আছেন। ব্রজদেবীদের কথা কিন্তু অনেকেই জানেন না, তাই একটু সবিস্তারে বলিতেছেন তাঁহাদের কথা উদ্ধবের কাছে নিজ শ্রীমুখেই। এই সুযোগে শ্রীশুকদেবেরও শুনিবার ও শোনাইবার অবকাশ হইতেছে গোপীদের কৃষ্ণানুরাগের কথা প্রাণবল্লভের নিজ শ্রীকণ্ঠ হইতেছে। বিশদ

21st  November, 2019
অমৃতকথা 

কৃষ্ণ বলছেন, পরমপুরুষকে যে মানুষ যেভাবে চায় অর্থাৎ পরম পুরুষের কাছ থেকে যে মানুষের যে ধরনের আকাঙ্ক্ষা সে সেই রকমের জিনিসই পায়। কারুর ইচ্ছে—খুব খাবো, পরমপুরুষ তার ইচ্ছে পূর্ণ করবেন।  বিশদ

20th  November, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাইঝির উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল খুড়তুতো জেঠার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে শ্যামপুর থানার খাড়ুবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মরশাল গ্রামে। ...

বিশ্বজিৎ মাইতি, বারাসত, বিএনএ: বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত চাষিকে ক্ষতিপূরণ দিতে নতুন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড না থাকলেও ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার ...

 নয়াদিল্লি, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): আইনজীবীদের আদালত অবমাননার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারপতি অরুণ মিশ্র। মঙ্গলবার বিচারপতি মিশ্রর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে এক জমি অধিগ্রহণ মামলার শুনানি চলছিল। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপদগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: জার্মান দার্শনিক ম্যাক্সমুলারের জন্ম
১৮৫৩: ঐতিহাসিক ও শিক্ষাবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৫৬: দলিত আন্দোলনের নেতা ভীমরাওজি রামাজি আম্বেদকরের মৃত্যু
১৯৮৫: ক্রিকেটার আর পি সিংয়ের জন্ম
১৯৯২: অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংস
২০১৬ - তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯২ টাকা ৭৩.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬২ টাকা ৯৬.০৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৪২ টাকা ৮১.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ৪২/৬ রাত্রি ১০/৫৭। সূ উ ৬/৬/৫৩, অ ৪/৪৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৫৮/২৮/৪৯ শেষরাত্রি ৫/৩১/৫০। উত্তরভাদ্রপদ ৪১/৪৫/৪১ রাত্রি ১০/৫০/৩৪, সূ উ ৬/৮/১৮, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৯ মধ্যে, কালবেলা ১০/৮/২০ গতে ১১/২৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৮/২২ গতে ৯/৪৮/২১ মধ্যে।
৮ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহে যুবতীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় আজ নমুনা সংগ্রহ করল পুলিস
মালদহে ধানতলার আমবাগান যুবতীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগান থেকে ...বিশদ

02:08:47 PM

ভাঙড়ের জাগুলগাছিতে সদ্যোজাতের দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 

02:05:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে ভেঙে পড়ল গোয়ালঘরের দেওয়াল, মৃত ১ 

01:59:00 PM

মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

01:37:00 PM

উত্তরপ্রদেশে নাচ থামাতেই নর্তকীর মুখে গুলি, ভর্তি হাসপাতালে 
তেলেঙ্গানা ধর্ষণ কাণ্ডের রেশ এখনও মেটেনি। তার আগেই ফের ন্যক্কারজনক ...বিশদ

12:41:00 PM

কোচবিহারে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে উদয়ন গুহ
কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা ...বিশদ

12:29:00 PM