Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

শ্রীরামকৃষ্ণ আধ্যাত্মিক গগনে উজ্জ্বলতম তারকা

 অনিঃশেষ সেই আনন্দ, অদম্য সেই শক্তি। সে এক অনন্ত সুখের আকর। ধারণার উচ্চতায়, সুপ্রাচীন জ্ঞানের প্রকাশে, অন্তর্দৃষ্টির গভীরতায়, ধ্যানতন্ময় প্রশান্তিতে, ভক্তির উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনায়, সাধকজীবনের কঠোরতায়, বাণীর মনোহারিত্বে তাঁর জীবনকে সমৃদ্ধ অধ্যাত্মজীবনের বিস্ময়কর উদাহরণ। প্রসারিত দৃষ্টিসম্পন্ন, করুণার বারিধি, এক অতুলীয় বিশ্বতোমুখ প্রতিভার অধিকারী শ্রীরামকৃষ্ণ আধ্যাত্মিক গগনে উজ্জ্বলতম তারকার মতোই দেদীপ্যমান। স্বামীজী বলেছেন, ঠাকুরের নিজের জীবন উপনিষদের এক জীবন্ত ভাষ্য; বলা যায়, উপনিষদের আত্মা যেন মানুষের রূপ ধরে ভারতবর্ষের বিচিত্র ভাবধারার অন্তর্লীন ঐক্যকে তুলে ধরেছে ঠাকুরের মধ্যে। পাশ্চাত্য প্রত্যক্ষবাদে বিশ্বাসী কোনো অজ্ঞেয়বাদী বুদ্ধিজীবীই মরমী সাধকদের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাসমূহে বিশ্বাস রাখতে ইচ্ছুক নন। ঈশ্বরদর্শনের নিশ্চিত অভিজ্ঞতা যে যোগী সাধকের নির্ভর, তিনিই পারেন অজ্ঞেয়বাদীর সংশয় ছিন্ন করে তাঁকে ইতিবাচক উত্তর দিতে। শ্রীরামকৃষ্ণ ঈশ্বরকে সামনাসামনি দেখেছিলেন এবং বিবেকানন্দের মনে বিশ্বাস উৎপন্ন করার ক্ষমতা তাঁরই ছিল। খণ্ডকে অখণ্ডকে বলে ভুল করার ফলে অখণ্ড যার আয়ত্তের বাইরেই থাকে, সেই অহংতাড়িত মন ও যুক্তিতর্কের প্রতিস্পর্ধা অগ্রাহ্য করে সত্য সবসময় অবিচল হয়ে অবস্থান করে। যখন আমরা শ্রীরামকৃষ্ণের মধ্যে অতুলনীয় এবং অভূতপূর্ব এক আধ্যাত্মিক প্রকাশ লক্ষ করি, আমরা বিস্মিত হয়ে যাই তার প্রচণ্ড প্রাণশক্তিতে, তার অশেষ ক্ষমতায়, গভীর আনন্দময় করুণাঘন অভিব্যক্তিতে। এক অবিশ্বাসী পৃথিবীর চোখের সামনে তিনি খোলাখুলি উজাড় করে দিয়েছিলেন আধ্যাত্মিক সত্যের রত্নরাজী। যে সহজাত আধ্যাত্মিক ঐশ্বর্য তিনি প্রকাশ করতেন, তা ছিল বিস্ময়করভাবে বহুলাঙ্গ দ্যুতিময়। যেমন অবিশ্বাসীদের কাছে, তেমনি বিশ্বাসীদের কাছেও তিনি ছিলেন এক কঠিন সমস্যা। তাঁর আধ্যাত্মিক গভীরতায় বৈশিষ্ট্য ছিল এক বিরল প্রাণশক্তি যা আর পাঁচজনের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার দুর্দমনীয় আবেগে উদ্দীপ্ত হতেন তিনি। কেবল আত্মার শক্তিতে নির্ভর করেই তিনি চলতেন। যে পরম সত্য তাঁর সত্তার অন্তরশায়ী, তার সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগ থাকায় ঈশ্বরের প্রকৃত অস্তিত্ব ও তাঁর নিকট-সান্নিধ্য সম্পর্কে ছবির মতো বুঝিয়ে দিতে পারতেন মানুষকে। অখণ্ডতা সঙ্গতি পরাদৃষ্টি প্রভৃতি আধ্যাত্মিক জীবনের উচ্চতর সত্যগুলির প্রমাণভিত্তিক যথার্থতার প্রতিপাদনই ছিল সেইযুগের সবচেয়ে বড়ো প্রয়োজন। আত্মবোধের নিশ্চিন্ততায় নিমগ্ন শ্রীরামকৃষ্ণকে শুষ্ক বিচার বিশ্বাসহীনতার মরুভূমিতে মনে হতো একটি সবুজ মরূদ্যান। শ্রীঅরবিন্দ বলেছেন, পাঁচশো বছরে আর একজন রামকৃষ্ণের ভার পৃথিবী ধারণ করতে পারবেন না।
সাধক শ্রীরামকৃষ্ণের আর একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য হল যে বিজ্ঞানীর মতো মনের গড়ন ছিল বলে তিনি কোনোকিছুই প্রমাণ ছাড়া মেনে নিতে পারতেন না। বিজ্ঞানের পথ ধরেই তাঁর সাধনা এগিয়েছিল। কোনো কিছু মেনে নেবার আগে গভীর পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, গবেষণা এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচারের পর, তবে তিনি কোনো কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন। ঠিক সেই কারণেই সংশয়ান্বিত পৃথিবীকে অধ্যাত্মজীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে এত স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষ পরিচয় দিতে সমর্থ হয়েছিলেন তিনি। মহৎ সত্যগুলিকে আবিষ্কার করার পর পরীক্ষিত সত্যের প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তাঁর সত্তা প্রকৃতই একটি বীক্ষণাগারে পরিবর্তিত হয়েছিল। উপনিষদের বাণীর সত্যতার অভ্রান্ত প্রমাণ, রামকৃষ্ণের জীবনালোকে সমস্ত শাস্ত্রবচনই এক নতুন অর্থে প্রভাবিত হলো, নতুন জীবন পেল তাঁরা। তাই স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন—
‘শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের আশ্চর্য সন্ধানী আলোয় সমগ্র হিন্দু ধর্মের যথার্থ পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সামনে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। শাস্ত্রসমূহে যে জ্ঞান তাত্ত্বিক স্তরে সীমাবদ্ধ ছিল, তার ব্যবহারিক রূপ দেখা গেল তাঁর জীবনে। ঋষি ও অবতারগণ যে বিষয়ে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর জীবন দিয়ে তিনি তাই করলেন। শ্রীরামকৃষ্ণকে না জেনে বেদ, বেদান্ত, ভাগবত এবং অন্যান্য পুরাণসমূহের প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করা কারো পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়।’
উপলব্ধিই ধর্মের মূল কথা। যে হৃদয় সত্যকে জানার জন্যে তৃষিত হয়ে আছে, কোনো বিশেষ ধর্মমত কি তাকে তৃপ্তি দিতে পারে? একমাত্র উপলব্ধিজাত দৃঢ় বিশ্বাসই সত্যসন্ধানের প্রক্রিয়ায় টাটকা বাতাসের ছোঁয়া এনে দিতে পারে। পরাদৃষ্টির অধিকারী হওয়া এবং ঈশ্বরের নানা রূপের মধ্যে অখণ্ড সত্তার উপলব্ধিই হলো আধ্যাত্মিক জীবনের লক্ষ্য। স্বামী
তথাগতানন্দের ‘আভাসিত আলো’ থেকে
30th  July, 2019
স্বামীজী 

আলমোড়ায় অবস্থানকালে আর একদিন স্বামীজী হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন উপকূলে—আধুনিক চিন্তাতরঙ্গরাজির বহুদূর ব্যাপী প্লাবনের প্রথম ফলস্বরূপ রঙ্গদেশে যে-সকল উদার হৃদয় মহাপুরুষের আবির্ভাব হইয়াছিল, তাঁহাদিগের কথা বলিয়াছিলেন। রাজা রামমোহন রায়ের কথা আমরা ইতিপূর্বেই নৈনিতালে তাঁহার মুখে শুনিয়াছিলাম। 
বিশদ

প্রার্থনা 

মানুষের জীবন নিত্য অভাব ও অভিযোগ ও প্রয়োজনে পরিপূর্ণ, সুতরাং তার কামনা থাকেই, কেবল দেহে প্রাণে নয়, কিন্তু মনে এবং আধ্যাত্মিক সত্তাতেও। যখন সে জানে যে জগৎ চলছে কোন উচ্চশক্তির নিয়ন্ত্রণে, তখন সে ঐ উচ্চশক্তির কাছে তার অভাব পূরণের জন্য প্রার্থনা জানায়, যাতে তার জীবনের বন্ধুর পথে ও কঠিন সংগ্রামে ভগবৎ সাহায্য ও আশ্রয় লাভ করতে পারে। 
বিশদ

16th  January, 2020
আত্মদর্শন

উদ্ধব, আমি সর্বজীবের অধীশ্বর। নিখিল জগৎ আমাতে অধিষ্ঠিত। তুমি সংযমী হইয়া সমাচিত-চিত্ত হও, পরমাত্মায় আত্মদর্শন কর—‘‘আত্মন্যাত্মানমীক্ষস্ব’’। তুমি আত্মস্থ হও, আত্মানুভবে সন্তুষ্ট থাক। আগন্তুক কোন বিঘ্ন-বিপদ্‌ তোমাকে বিহত করিতে পারিবে না— ‘‘আত্মানুভবতুষ্টাত্মা নান্তরায়ৈর্বিহন্যসে।।’’ 
বিশদ

15th  January, 2020
 ব্রহ্মসত্তা

যাহা স্পন্দশীল, তাহা ক্রিয়াশীল, ব্রহ্মে তাহাই উত্থিত। ঐ ক্রিয়াশীল অবস্থাই কলন করেন অর্থাৎ ধারণ করেন সর্ব্ববিধ সৃষ্টিকে। “কল নাশনে কল ধারণে”। ক্রিয়াশীলা শক্তির গুণ-কার্য্যানুযায়ী নাম শাস্ত্রে রহিয়াছে তাই “কালী”, এবং যাহা ক্রিয়াশূন্য অথচ ক্রিয়াময়-সর্ব্ব অবস্থাকে আপন হৃদয়ে দিয়া স্বয়ং আছেন নির্ব্বিকার ভাবে অবস্থিত; স্পন্দশূন্য ঐ শবরূপে তিনিই হইতেছেন “শিব”—আমাদের আলোচনার চরম ও পরম বিষয়-সেই নিরাকার নির্ব্বিকার সর্ব্বব্যাপী পরম ব্রহ্ম।
বিশদ

14th  January, 2020
মিলারেপা 

শিষ্যদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়রা নিবেদন করলেন, ‘প্রভু আমরা আপনার অন্তিম আদেশ ও নির্দেশের প্রয়াসী। এই মরদেহ পরিত্যাগ করে আপনি কোন্‌ লোকে অবস্থান করবেন সে কথা জানবার জন্যে আমাদের কৌতূহল হয়েছে। প্রার্থনার কালে আপনাকে আমরা কোন্‌ লোকে স্মরণ করবো? আপনার শেষ আদেশ বা অনুজ্ঞা যদি কিছু থাকে তাও আমরা জানতে চাই।’ 
বিশদ

13th  January, 2020
প্রত্যক্ষানুভূতিই ধর্ম্ম 

ভক্তের পক্ষে এই সকল শুল্ক বিষয় জানার প্রয়োজন, কেবল নিজ ইচ্ছাশক্তিকে দৃঢ় করা মাত্র। এতদ্ব্যতীত উহাদের আর কোন উপযোগিতা নাই। কারণ তিনি এমন এক পথে বিচরণ করিতেছেন, যাহা শীঘ্রই তাঁহাকে যুক্তির কুহেলিকাময় ও অশান্তিপ্রদ রাজ্যের সীমা ছাড়াইয়া প্রত্যক্ষানুভূতির রাজ্যে লইয়া যাইবে; তিনি শীঘ্রই ঈশ্বরকৃপায় এমন এক অবস্থায় উপনীত হন, যেখানে পাণ্ডিত্যাভিমানিগণের প্রিয় অক্ষম যুক্তি অনেক পশ্চাতে পড়িয়া থাকে, আর বুদ্ধির সাহায্যে অন্ধকারে বৃথান্বেষণের স্থানে প্রত্যক্ষানুভূতির উজ্জ্বল দিবালোকের প্রকাশ হয়।  
বিশদ

12th  January, 2020
দস্যুর সাধুত্বে উত্তরণ 

ভগবান শ্রীহরিচাঁদ মানব জন্ম গ্রহণ করে নিজে আত্মসমর্পণ করে জীবকে আত্মসমর্পণ শিক্ষা দিলেন। নিজে হরিনামে আত্মসমর্পণ করে নামে প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে দিন যাপন করতে লাগলেন, পুত্র কন্যা ঘর সংসার সব কিছু বিস্মৃত হয়ে সর্বদা নাম সুধা পানে মত্ত হলেন। ভক্তগণ চাঁদের চতুর্দিকে তারকা মণ্ডলীর ন্যায় তাঁকে ঘিরে নাম সুধা পান করতে লাগলেন। 
বিশদ

11th  January, 2020
 মিলা

 কোন কোন ভাগ্যবান মিলার মুখের পানে চেয়ে থাকতে থাকতে প্রত্যক্ষ করে জ্যোতিসমুদ্রে জ্যোতির্ময়ের আবির্ভাব—আকাশজোড়া মেঘের মত সুবিশাল, আদিত্যের মত বর্ণ—স্নিগ্ধ নয়নাভিরাম পরমানন্দের রূপ। বিশদ

10th  January, 2020
ব্রজবিরহ

ব্রজবাসী সব শ্রীকৃষ্ণবিরহ কাতর। শ্রীকৃষ্ণ ব্রজবিরহে মম্মাহত, ব্রজজনের কাতরতার কথা ভাবিয়া অধিকতর ব্যথাহত। যাহাতে এই বিরহ-বেদনা বিন্দুমাত্র ঘুচিতে পারে এমত কোন সুষ্ঠু উপায় পরিদৃষ্ট হইতেছে না। যদুনাথের এখন মথুরা ছাড়া সম্ভব নয়। ব্রজজনের ব্রজের বাতাবরণ ছাড়া সম্ভব নয়। 
বিশদ

09th  January, 2020
চতুষ্টয়

বর, অভয়, অসি ও মুণ্ড মায়ের চারিহাতে। উহাদের রহস্য আর কিছুই নহে—ইহারা উপায় চতুষ্টয়-সাম, দান, ভেদ ও দণ্ডের প্রতীক। বর শোভিত একটি বাহু সামের, অভয় শোভিত অপরটি দানের, অসি শোভিত বাহুটি ভেদনীতির ও মুণ্ডধৃত অন্য বাহুটি দণ্ডদানেরই চিহ্ন স্বরূপ। উক্ত উপায় চতুষ্টয় জননী তাঁহার বিশ্বরাষ্ট্র প্রতিপালন করেন ও শাসন করেন প্রিয় বচনে। ইহাই সামনীতি। 
বিশদ

08th  January, 2020
মননক্রিয়া

মানবধর্মের সংজ্ঞা নির্দেশ করে যোগবাশিষ্ঠতে বলা হয়েছে: ‘তরুলতাও জীবনধারণ করে, পশুপক্ষীও জীবনধারণ করে, কিন্তু সে-ই প্রকৃতরূপে জীবিত যে মননের দ্বারা জীবিত থাকে।’ অন্যান্য জীবজন্তু ও গাছপালা থেকে মানুষের এইখানেই তফাত। মনের জীবন মননক্রিয়া এবং সেই জীবনেই মনুষ্যত্ব। 
বিশদ

07th  January, 2020
অহিংসা 

প্রশ্ন। ‘অহিংসা পরমো ধর্ম্মঃ’ বলে কেন? আমরা তো দেখতে পাই, হিংসা না করলে বাঁচাই কঠিন। অহিংসা যদি ধর্ম্ম হয়, তবে পূজায় বলিদানের ব্যবস্থা কেন? তা’ কি হিংসা নয়?
শ্রীশ্রীঠাকুর (অনুকূলচন্দ্র)। 
বিশদ

06th  January, 2020
  যোগবাশিষ্ট

বৈরাগ্যের ভাব জাগাইবার জন্য যোগবাশিষ্টের মতো আর কোন পুস্তক নাই। বিরল কোন বৈরাগ্যবান্‌, বা মুমুক্ষু আছেন, যে যোগবাশিষ্ট পড়েন না। যোগবাশিষ্টের সহায়ে বিরাগী মন মুহূর্ত্তের ভিতর অন্তর্জগতে চলিয়া যায়। বৈরাগ্যমূলক এই অপূর্ব গ্রন্থখানা পড়িতে পড়িতে মৃত্যুর চিত্র, ক্ষণভঙ্গুর এই সংসারের চিত্র চোখের সামনে ভাসিতে থাকে। বিশদ

05th  January, 2020
 অর্দ্ধনারীশ্বর

 যাঁহার অস্তিত্বে আমাদের অস্তিত্ব, যাঁহার শক্তিতে কার্য্যকরী সমস্ত শক্তি আমাদের মধ্যে সঞ্চারিত, সেই অনির্ব্বণীয় আত্মাব্রহ্ম অর্দ্ধনারীশ্বররূপে আছেন জীবে জীবে। তিনিই জনক তিনিই জননী! লীলা করিতেই তিনি স্ত্রীপুরুষভাবে ভাবিত হইয়া হইয়াছেন অনন্ত জীবমিথুনের স্রষ্ট্রা। অতএব আমরা বলিতে পারি তাঁহার সত্তায় আমরা সত্তাবান। বিশদ

04th  January, 2020
সকলের মা

একদিন রাসবিহারী মহারাজ শ্রীমাকে প্রশ্ন করিয়াছিলেন: “মা তুমি কি সকলের মা?” শ্রীমা বলিয়াছিলেন: “হ্যাঁ”। মহারাজ পুনরায় জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন: “এইসব ইতর জীবজন্তুরও?” শ্রীমা একটু গম্ভীরভাবে উত্তর দিয়েছিলেন: “হ্যাঁ, ওদেরও”। শ্রীমার মধ্যে সর্বভূতে ঈশ্বারানুভূতির ভাব লক্ষ্য করিয়া রাসবিহারী মহারাজ আনন্দে আত্মহারা হইয়াছিলেন। 
বিশদ

03rd  January, 2020
ভক্ত 

একবার একজন ভক্ত জপ করিয়াও মনে শান্তি পাইতেছে না বলিয়া শ্রীমার নিকট দুঃখ প্রকাশ করে এবং মন্ত্র জপ না করিলে শ্রীগুরুর অনিষ্ট হয় বলিয়া সে মন্ত্র শ্রীমাকে প্রত্যর্পণ করিতে চাহিল। তাহা শুনিয়া শ্রীমা বলিলেন: “দেখ, একি কথা! তোমাদের জন্য যে আমি ভেবে ভেবে অস্থির হলুম।  
বিশদ

02nd  January, 2020
একনজরে
দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৬ জানুয়ারি: শুধুমাত্র নামের আদ্যক্ষর ব্যবহার করে টিকিট বুকিং করা যাবে না। দিতে হবে পুরো নাম এবং পদবি। দালালরাজ আটকাতে এবার টিকিট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখতে ব্যর্থ মোহন বাগান কর্তারা। তাঁরা আনতে পারলেন না নতুন ইনভেস্টর কিংবা স্পনসর। শেষ পর্যন্ত এটিকের সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পথেই হাঁটতে হল ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

বিএনএ, কৃষ্ণনগর: নদীয়াজুড়ে এবার প্রকাশ্যে ধূমপান ও গুটখার বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কিছু দিন আগেই এবিষয়ে আলোচনায় বসা হয়েছিল। গত প্রায় ছ’মাসে অভিযান ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ আগমনের সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪১: মহান বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসুর মহানিষ্ক্রমণ
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯. ২০ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.১৯ টাকা ৯৪.৫৮ টাকা
ইউরো ৭৭.১০ টাকা ৮০.৮৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০, ৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮, ৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৮, ৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ২/৪০ দিবা ৭/২৮। চিত্রা ৪৭/৪ রাত্রি ১/১৩। সূ উ ৬/২৩/৭, অ ৫/৯/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪১ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/৪ গতে ১১/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৭ মধ্যে। 
২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ১২/৪/১৯ দিবা ১১/১৫/২৬। হস্তা ০/৩/৫ প্রাতঃ ৬/২৬/৫৬ পরে চিত্রা নক্ষত্র দং ৫৬/৯/৪১ শেষরাত্রি ৪/৫৩/৩৪। সূ উ ৬/২৫/৪২, অ ৫/৮/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৫ গতে ২/২৩ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৪৭ মধ্যে ও ৩/৪৪ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৫৫ গতে ১১/৪৭/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/২৮/৮ গতে ১০/৭/৪৩ মধ্যে । 
মোসলেম: ২১ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত ৩৬ রানে জিতল 

09:55:34 PM

অস্ট্রেলিয়া ২৩৫/৫ (৪০ ওভার), টার্গেট ৩৪১ 

08:50:02 PM

অস্ট্রেলিয়া ১৫১/২ (২৬ ওভার), টার্গেট ৩৪১

07:46:57 PM

অস্ট্রেলিয়াকে ৩৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

05:12:00 PM

নির্ভয়া কাণ্ড: দোষীদের ফাঁসি ১ ফেব্রুয়ারি 
নির্ভয়া কাণ্ডে চারজন দোষীদের ফাঁসি ২২ জানুয়ারির বদলে হবে ১ ...বিশদ

05:08:00 PM

ভারত ২৪৯/৩ (৪০ ওভার) 

04:25:39 PM