Bartaman Patrika
অমৃতকথা
 

মন ও মন্ত্র 

মনকে যা ত্রাণ করে তার নাম মন্ত্র। মনকে ত্রাণ করতে হলে এমন একটা-কিছুর আশ্রয় নিতে হয় যা মন থেকে পৃথক, যা মনের অতীত, যা মন নয়। সাধক ও তাঁর মনের মধ্যে মন্ত্র হ’ল, প্রথম আবির্ভাবে, এক তৃতীয় শক্তি-স্বরূপ। পরিশেষে অবশ্য, মন্ত্রই একমাত্র শক্তি হিসেবে বিরাজ করেন; সাধক ও তাঁর মনের শক্তি— এ দুটি ক্রমশ মন্ত্র-শক্তিতেই বিলীন হয়।
মন হ’ল জড়, মন্ত্র চেতন। বলা হয়ে থাকে, মন্ত্রে অক্ষরবুদ্ধি করতে নেই। আপাতভাবে মন্ত্র একটি অক্ষর, শব্দ বা শব্দসমষ্টি। কিন্তু সেটি হ’ল তাঁর নেহাৎই মৃন্ময়মূর্ত্তি। তাঁর মধ্য দিয়ে যে দ্যোতনা ও ব্যঞ্জনার উদ্ভব ঘটে, তাঁর যে উদ্ধারণের সার্মথ্য, তাই হ’ল মন্ত্রের আসল মূর্ত্তি— যা পুরোপুরি চিন্ময়, চেতনাশ্রয়, চৈতন্যময়। সেই শক্তিই আমাদের উপর অতি ধীরে ধীরে জপের মধ্য দিয়ে মনপ্রাণকে উত্তরণে সাহায্য করে। অতি সুদীর্ঘ অপসংস্কারের প্রকোপে আমাদের মন-প্রাণ মলিন ও ক্লিন্ন। শিশিরের বিন্দু বিন্দু ফোঁটার মতন জপ ব্যক্তির দেহ, মন, প্রাণের উপর ক্রিয়া করে।
মনের গতিপ্রকৃতি অতি বিচিত্র। চিদাকাশের বুকে মন যেন থরে থরে সাজানো মেঘের সারি। এই সে উৎফুল্ল এই যে বিমর্ষ, এই সে তুষ্ট, এই সে রুষ্ট, এই উজ্জীবিত এই ক্লান্ত, এই অনুকূল পরমুহূর্ত্তে প্রতিকূল। নিরন্তর নানাবিধ টানাপোড়েন সংঘর্ষ ও দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যেই এর বিচরণ—অতি ক্ষিপ্র গতিতে। মুহূর্ত্তে মুহূর্ত্তে সে রং পাল্টায়, ভোল বদলায়—অস্থিরচিত্ত চপলমতি বালকের মতন। শিশু না-হয় বড় হয়ে ঠিক হয়, কিন্তু মন শতবর্ষেও বৃদ্ধ হয় না। আমাদের ভিতরে থেকে সে নেহাৎই ছেলেমানুষি ক’রে চলে, তা আমরা যত দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত অথবা যত বয়োবৃদ্ধ হই না কেন। এই মনকে ত্রাণ না করলে এ আমাদের ভুগিয়ে ও জ্বালিয়ে মারবেই মারবে।
মন যতক্ষণ সুনিয়ন্ত্রিত না হচ্ছে ততক্ষণ কর্ম্মশক্তি, সাধনশক্তি, ইচ্ছাশক্তির স্ফুরণ ঘটে না। মনের আধারেই এদের বাস। তাই মনকে সুনিয়ন্ত্রিত করা এত জরুরী। মূল প্রশ্ন হল, আমার অধীন, না আমি মনের অধীন? দেহ এবং পরিবেশ আবার মূলত সেই মনের অধীন। সুতরাং সেই মনকে যদি আমার অধীন না রাখতে পারি, তবে দেহ পরিবেশ ইত্যাদি কিছুই আমার অধীনে থাকে না; ঝড়ের মুখে শালপাতার মতন আমাকে ব্রহ্মাণ্ডময় আছাড় খেয়ে মরতে হয়। জপ সুরু করা মানে, এই সমুদ্র-ঝঞ্ঝার মধ্যে নোঙ্গর করার প্রয়াস, মহাসমুদ্রে খাবি খাওয়া থেকে পরিত্রাণের প্রথম পদক্ষেপ। জপ সুরু করার প্রথম পর্য্যায়ে মন বানরের মতন ঠেলে ঠেলে আমাদের আসন থেকে উঠিয়ে দিতে চেষ্টা করে। সে সময় ঘাপ্‌টি মেরে বসে থাকতে হয়। কিছুক্ষণ চেষ্টা করার পর বেটা সাময়িকভাবে রণে ভঙ্গ দেয়। জপসাধনের প্রথম অবস্থায় এরকম কতকিছু ঘটে।
পাগলের একটি বড় লক্ষণ হল, যে ওষুধে আরোগ্য হয়, পাগল সেটি সযত্নে পরিহার করতে সবিশেষ উদ্যোগী। অন্য সব ব্যাপারে সে পাগল, কিন্তু এই ব্যাপারে তার টনটনে জ্ঞান। আত্মীয়স্বজনদের তাই তাকে ওষুধ খাওয়াতে কত ঝামেলা, কত কৌশল, কত যন্ত্রণা! আমরা যে জপ সুরু করি না, জপে বসি না বা জপে লেগে থাকি না—তা মূলত এই কারণেই। মন্ত্রজপে মনের তাই প্রাথমিক পর্য্যায়ে বিষম বিতৃষ্ণা ও বিরোধীতা।
নিজের মনের সঙ্গে নিজের লড়াই বস্তুত সবচেয়ে কঠিন, কষ্টসাধ্য এবং সুদীর্ঘ সংগ্রাম। জপসাধনাকে তাই সুদীর্ঘ এবং আয়াসসাধ্য হতেই হয়। সহস্র সহস্র বৎসরের অপসংস্কৃত মন দু’এক বছরের ক্ষীণ প্রয়াসে সম্পূর্ণ নিরাময় হয়ে যাবে—প্রায়ই তা হয় না, যদি-না মহতের বিশেষ কৃপা বা শক্তিপাত ঘটে। আর সে দুর্লভ সুযোগ ঘটলেও মুস্কিল এই—আমার মন যে তার মূল্য দিতে পারে না, জানে না। সে নিজে যতক্ষণ-না প্রয়াস পাচ্ছে, ততক্ষণ সে মুক্ত হতে পারে না। বস্তুত তাকে নিজেকেই নিজে উদ্ধার করতে হয়— ‘উদ্ধরেদাত্মনাত্মানম্‌’। মন্ত্র-জপ মানে মনের নিজ উদ্ধার-প্রয়াসে মনকে সাহায্য করা। অপসংস্কারের অতি পুরু আস্তরণ আমাদের মনের চারপাশে জমে উঠেছে। সেটিকে দূর করতে হলে জপরুপী সদভ্যাস নিয়মিতভাবে সুদীর্ঘকাল চালানো প্রয়োজন।

অযাচকের ‘জপ’ থেকে  
14th  May, 2019
মন 

‘উপাসনা’ শব্দটি সংস্কৃত, ‘উপসমীপে আসন’—অর্থাৎ উপ-আস্‌+অন্‌ (স্ত্রী আ)—এই তিন অংশ। ‘উপ’—উপসর্গে, আস—উপবেশনে, অন্‌ প্রত্যয় যোগে ‘উপাসনা’। মানব মননশীল। মানবের মনে অনেক কামনা-বাসনা বিদ্যমান। মনের এই নিম্নমুখী বেগকে অশুদ্ধ মন বলা হয় এবং কামনা-বাসনা বিমুক্ত মনের ঊর্ধ্ব বেগকে বিশুদ্ধ মন বলা হয়। মনই হল বন্ধন এবং মুক্তির কারণ। 
বিশদ

ঈশ্বর দর্শন

 প্রশ্ন: অবতার পুরুষকে দেখাই কি ঈশ্বর দর্শন? উত্তর: সাধারণ মানুষ ঈশ্বরকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারে না, কিন্তু তাঁর অবতারের ভিতর দিয়ে ঈশ্বরের অনেকখানি দেখা যায়। পুরোপুরি মানুষ দেখতে পায় না। সুতরাং অবতার যেন জানালা, যার ভিতর ঈশ্বরের কিছুটা দেখা যায়, যখন সে মাধ্যম-স্বরূপ হয়ে যাবে তখন দেখতে পাবে। যখন মানুষ তাঁতে বিলীন হয়, তখন মানুষের মানবরূপ ক্ষুদ্রত্বের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। ঠাকুর বলেছেন, ‘ছাঁচ’; ‘ছাঁচটা’ চিরকালই থেকে যায়। মানুষের individuality—ব্যক্তিত্বের নাশ হয়, কিন্তু ভগবানের নাশ হয় না।
বিশদ

28th  January, 2020
মহাযুদ্ধ 

বীর যোদ্ধা করে তোল আমাদের—আমরা তাই হতে চাই। অতীত আরো বেঁচে থাকতে চায়, তার বিরুদ্ধে যে ভবিষ্যৎ জন্ম নিতে চলেছে তার মহাযুদ্ধ আমরা যেন সফল করে তুলতে পারি—যাতে নূতন সব জিনিসের প্রকাশ হয়, আমরাও তাদের গ্রহণ করবার জন্য প্রস্তুত থাকি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 ভগবানলাভ

 ‘ভগবানলাভ’ কথাটির তাৎপর্য কি মহারাজ?
উত্তর: ভগবানের স্বরূপকে জানা এবং তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ অনুভব করা, এবং ধীরে ধীরে তাঁর ভাবেতে রূপান্তরিত হওয়া। বিশদ

24th  January, 2020
বহিরঙ্গনে 

কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা মনে করেন ধর্মের আহ্বান তাঁরা শুনতে পেয়েছেন। তাঁরা সাংসারিক কর্ম ছেড়ে, প্রতিশ্রুত ধর্মপথ অবলম্বন করেন। কেউ বা সাময়িক উদ্দীপনাবশতঃ কোন মঠে গিয়ে বৈরাগ্যের পথ অবলম্বন করতে চান। কিন্তু অনেক সময় এমন দেখা যায়, তাঁদের অনেকেই ধর্ম ও সন্ন্যাসজীবনের জন্য অনুপযুক্ত।  
বিশদ

23rd  January, 2020
শরীরের সঙ্গে মনের কি সম্বন্ধ

ধর্মের গভীর অনুশীলনে ইহা যেমন মনের সহায়ক, আবার মুমুক্ষুকে সহজেই অতীন্দ্রিয় রাজ্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে। পূর্বাধ্যায়ে আলোচিত সত্যের ন্যায় এতেও কিছুটা সত্যের আভাস পাওয়া যায়। কিন্তু প্রাণায়াম-সাধনার অতি প্রয়োজনীয় শর্তগুলি অসতকতাবশতঃ উপেক্ষা করা হয়ে থাকে।
বিশদ

22nd  January, 2020
কলিতে গোপাল জাগ্রত

কলৌ জাগর্ত্তি গোপালঃ। কলিতে গোপাল জাগ্রত। কোন্‌ সুদূর দ্বাপর যুগে এসেছিলেন ভগবান্‌ নন্দদুলাল ব্রজের গোপাল রূপে। স্থূল দেহে ধূলার ব্রজে লীলা ক’রে গেলেন সেই হারিয়ে যাওয়া শত শত বৎসর আগে। অথচ শাস্ত্র বলছেন—এই কলিতে তিনি বিশেষ ভাবে জাগ্রত। অর্থাৎ কলির জীবের কাছে তিনি বিশেষ ভাবে জাগ্রত। 
বিশদ

21st  January, 2020
ধর্মজীবন

আমরা এ পর্যন্ত যা বলে এসেছি তাতে অনেকে মনে করতে পারেন যে, ধর্মজীবন-প্রস্তুতির সহায়করূপে জ্ঞানচর্চা, কলাবিদ্যা, কার্যকলাপ প্রভৃতির অনুশীলন বুঝি আধ্যাত্মিকতার অপরিহার্য অঙ্গ। এটি অবশ্য একটি অপসিদ্ধান্ত। অনেকেই মনে করেন—বিশেষতঃ যাঁরা ইংলণ্ডের প্রোটেস্টাণ্ট সংস্কৃতিতে পুষ্ট—যে মস্তিষ্ক, হৃদয় ও বাহুর সমন্বিত বিকাশই হচ্ছে আধ্যাত্মিকতা। 
বিশদ

20th  January, 2020
কর্ম

ভারতবর্ষ শাশ্বত সনাতন ধর্মের দেশ। তার অমূল্য সম্পদ আধ্যাত্মিকতা। ভারতের এই অধ্যাত্ম-সম্পদ বিশ্বের দরবারে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বামীজী, এবং অভেদানন্দজী তা দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
বিশদ

19th  January, 2020
নীতিবোধের প্রয়োজনীয়তা 

ধর্মপথে ও ধর্মজীবনে নীতিবোধের প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করে না। বেশিরভাগ মানুষ তর্ক তোলে ধর্মজীবনে সূক্ষ্মানুভূতিলাভের আরও সহজ পথ বর্তমান, যা ধর্মসাধনের পক্ষে অত্যাবশ্যক শর্ত বলে আগেই আমরা উল্লেখ করেছি। অন্ততঃ এরূপ তিনটি পৃথক্‌ উপায়ের উল্লেখ এখানে করা যেতে পারে। 
বিশদ

18th  January, 2020
স্বামীজী 

আলমোড়ায় অবস্থানকালে আর একদিন স্বামীজী হিন্দু সভ্যতার চিরন্তন উপকূলে—আধুনিক চিন্তাতরঙ্গরাজির বহুদূর ব্যাপী প্লাবনের প্রথম ফলস্বরূপ রঙ্গদেশে যে-সকল উদার হৃদয় মহাপুরুষের আবির্ভাব হইয়াছিল, তাঁহাদিগের কথা বলিয়াছিলেন। রাজা রামমোহন রায়ের কথা আমরা ইতিপূর্বেই নৈনিতালে তাঁহার মুখে শুনিয়াছিলাম। 
বিশদ

17th  January, 2020
প্রার্থনা 

মানুষের জীবন নিত্য অভাব ও অভিযোগ ও প্রয়োজনে পরিপূর্ণ, সুতরাং তার কামনা থাকেই, কেবল দেহে প্রাণে নয়, কিন্তু মনে এবং আধ্যাত্মিক সত্তাতেও। যখন সে জানে যে জগৎ চলছে কোন উচ্চশক্তির নিয়ন্ত্রণে, তখন সে ঐ উচ্চশক্তির কাছে তার অভাব পূরণের জন্য প্রার্থনা জানায়, যাতে তার জীবনের বন্ধুর পথে ও কঠিন সংগ্রামে ভগবৎ সাহায্য ও আশ্রয় লাভ করতে পারে। 
বিশদ

16th  January, 2020
আত্মদর্শন

উদ্ধব, আমি সর্বজীবের অধীশ্বর। নিখিল জগৎ আমাতে অধিষ্ঠিত। তুমি সংযমী হইয়া সমাচিত-চিত্ত হও, পরমাত্মায় আত্মদর্শন কর—‘‘আত্মন্যাত্মানমীক্ষস্ব’’। তুমি আত্মস্থ হও, আত্মানুভবে সন্তুষ্ট থাক। আগন্তুক কোন বিঘ্ন-বিপদ্‌ তোমাকে বিহত করিতে পারিবে না— ‘‘আত্মানুভবতুষ্টাত্মা নান্তরায়ৈর্বিহন্যসে।।’’ 
বিশদ

15th  January, 2020
 ব্রহ্মসত্তা

যাহা স্পন্দশীল, তাহা ক্রিয়াশীল, ব্রহ্মে তাহাই উত্থিত। ঐ ক্রিয়াশীল অবস্থাই কলন করেন অর্থাৎ ধারণ করেন সর্ব্ববিধ সৃষ্টিকে। “কল নাশনে কল ধারণে”। ক্রিয়াশীলা শক্তির গুণ-কার্য্যানুযায়ী নাম শাস্ত্রে রহিয়াছে তাই “কালী”, এবং যাহা ক্রিয়াশূন্য অথচ ক্রিয়াময়-সর্ব্ব অবস্থাকে আপন হৃদয়ে দিয়া স্বয়ং আছেন নির্ব্বিকার ভাবে অবস্থিত; স্পন্দশূন্য ঐ শবরূপে তিনিই হইতেছেন “শিব”—আমাদের আলোচনার চরম ও পরম বিষয়-সেই নিরাকার নির্ব্বিকার সর্ব্বব্যাপী পরম ব্রহ্ম।
বিশদ

14th  January, 2020
মিলারেপা 

শিষ্যদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয়রা নিবেদন করলেন, ‘প্রভু আমরা আপনার অন্তিম আদেশ ও নির্দেশের প্রয়াসী। এই মরদেহ পরিত্যাগ করে আপনি কোন্‌ লোকে অবস্থান করবেন সে কথা জানবার জন্যে আমাদের কৌতূহল হয়েছে। প্রার্থনার কালে আপনাকে আমরা কোন্‌ লোকে স্মরণ করবো? আপনার শেষ আদেশ বা অনুজ্ঞা যদি কিছু থাকে তাও আমরা জানতে চাই।’ 
বিশদ

13th  January, 2020
প্রত্যক্ষানুভূতিই ধর্ম্ম 

ভক্তের পক্ষে এই সকল শুল্ক বিষয় জানার প্রয়োজন, কেবল নিজ ইচ্ছাশক্তিকে দৃঢ় করা মাত্র। এতদ্ব্যতীত উহাদের আর কোন উপযোগিতা নাই। কারণ তিনি এমন এক পথে বিচরণ করিতেছেন, যাহা শীঘ্রই তাঁহাকে যুক্তির কুহেলিকাময় ও অশান্তিপ্রদ রাজ্যের সীমা ছাড়াইয়া প্রত্যক্ষানুভূতির রাজ্যে লইয়া যাইবে; তিনি শীঘ্রই ঈশ্বরকৃপায় এমন এক অবস্থায় উপনীত হন, যেখানে পাণ্ডিত্যাভিমানিগণের প্রিয় অক্ষম যুক্তি অনেক পশ্চাতে পড়িয়া থাকে, আর বুদ্ধির সাহায্যে অন্ধকারে বৃথান্বেষণের স্থানে প্রত্যক্ষানুভূতির উজ্জ্বল দিবালোকের প্রকাশ হয়।  
বিশদ

12th  January, 2020
একনজরে
পোচেস্ট্রুম, ২৮ জানুয়ারি: লড়াকু ব্যাটিং এবং দুরন্ত বোলিংয়ের অনবদ্য মেলবন্ধনে অস্ট্রেলিয়াকে ৭৪ রানে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ভারত। প্রথমে ব্যাট করে টিম ইন্ডিয়া নির্ধারিত ৫০ ...

নয়াদিল্লি, ২৮ জানুয়ারি: স্থানীয় এক দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধের জেরে পাকিস্তানে খুন হল ভারতে ‘ওয়ান্টেড’ খলিস্তান লিবারেশন ফোর্সের (কেএলএফ) এক শীর্ষ নেতা। পাকিস্তানের পুলিস সূত্রে খবর, হত কেএলএফ জঙ্গির নাম হরমিত সিং ওরফে হ্যাপি পিএইচডি।   ...

সংবাদদাতা, গাজোল: সরস্বতীপুজোয় ইলিশ মাছ খাওয়ার রেওয়াজ মানতে গিয়ে এবার পকেট অনেকটাই হাল্কা হবে ইংলিশবাজারের বাসিন্দাদের। পুজো উপল঩ক্ষে শহরের বাজারগুলিতে বড় ইলিশ মাছের দেখা মিললেও ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কানে হেডফোন লাগিয়ে লাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক যুবকের। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়্গপুর ডিভিশনের ফুলেশ্বর স্টেশনের কাছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তি সংস্কার বিষয়ে চিন্তাভাবনা ফলপ্রসূ হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি। যাবতীয় আটকে থাকা কাজের ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৬: ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দের জন্ম
১৯৬৬: ব্রাজিলের ফুটবলার রোমারিওর জন্ম
১৯৭০: ওলিম্পিকে রুপোজয়ী শ্যুটার রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরের জন্ম
২০০৬: প্রথম ভারতীয় হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ওভারে হ্যাটট্রিক করলেন ইরফান পাঠান  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৮ টাকা ৭২.২৮ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬১ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.২৫ টাকা ৮০.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,১৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,০৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৬১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ মাঘ ১৪২৬, ২৯ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) চতুর্থী ১১/৩ দিবা ১০/৪৬। পূর্বভাদ্রপদ ১৪/৪১ দিবা ১২/১৩। সূ উ ৬/২১/৩, অ ৫/১৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৭ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/১১ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১০/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে। 
১৪ মাঘ ১৪২৬, ২৯ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, চতুর্থী ৫/৫৫/২৫ দিবা ৮/৪৬/৪। পূর্ব্বভাদ্রপদ ১০/৫৭/৫৮ দিবা ১০/৪৭/৫। সূ উ ৬/২৩/৫৪, অ ৫/১৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/০ গতে১১/২৯ মধ্যে ও ৩/১০ গতে ৪/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৫গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ২/০ গতে ৬/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৯/৭/১৪ গতে ১০/২৮/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৭/১৪ গতে ৪/৪৫/৩৪ মধ্যে। 
মোসলেম: ৩ জমাদিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তৃতীয় টি ২০: সুপার ওভারে নিউজিল্যান্ডকে হারাল ভারত 

04:26:47 PM

২৩২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:20:36 PM

তৃতীয় টি ২০: সুপার ওভারে ভারতকে ১৮ রানের টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড

04:16:55 PM

তৃতীয় টি ২০: ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ টাই, এবার সুপার ওভার

04:04:00 PM

খোঁজ মিলল বেআইনি ক্যাসিনোর, গ্রেপ্তার ৮
 

ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্তের জয়গাঁ শহরে একটি বেআইনি ক্যাসিনোর হদিশ। ওই ...বিশদ

04:00:25 PM

তৃতীয় টি ২০: নিউজিল্যান্ড ৯১/৩ (১২ ওভার) 

03:24:14 PM