Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

খামখেয়ালি ট্রেন

মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি। অথচ, বিশ্বে করোনা সংক্রমণের প্রথম খবরটির স্থান হয়েছিল নানা দেশের কাগজের প্রথম পাতায়। টিভি চ্যানেলগুলিও অন্যতম প্রধান খবরের মর্যাদা দিয়েছিল। একইভাবে ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গের জন্য প্রথম কোভিড-১৯ দুঃসংবাদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলাম আমরা। প্রথম একমাস স্বস্তিতেই ছিলাম ভারতবাসী। আমাদের লক্ষ্য ছিল, করোনা সংক্রমণের ক্ষতি ন্যূনতম স্কেলে বেঁধে রাখব। বিপুল জনসংখ্যা সত্ত্বেও আমরাই হয়ে উঠব দৃষ্টান্ত। অর্থনীতি এবং উন্নয়নের মাপকাঠিতে চীনের সঙ্গে টক্কর নেওয়া হয়ে ওঠে না। অন্তত এ‍টাতে নেব। করোনা মোকাবিলায় পথ দেখাবে আমাদের প্রিয় দেশ।
বিশ্বে করোনা বিপর্যয়ের ছ’মাস ছুঁই ছুঁই। একরাশ উদ্বেগ নিয়ে আমরা ভাবতে বসেছি, স্বতন্ত্রতা কিছু কি ধরে রাখতে পারল ভারত? সবচেয়ে বেশি বিপন্ন দেশগুলির থেকে ঠিক কতটা দূরে আমরা? কোনও সংশয় নেই যে ভারতে কোভিড-১৯ টেস্ট পরিকাঠামো দুর্বল। মৃতের সংখ্যা গণনা নিয়েও রয়েছে বিতর্কের অবকাশ। তার পরেও বৃহস্পতিবারের খবর: ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লক্ষাধিক! মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজার ছাড়িয়ে সামনের দিকে ছুটছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। প্রথম সংক্রমণের দুঃসংবাদ পাওয়া গিয়েছিল ৩ মার্চ। সংক্রমণের হার দৈনিক ১০০ ছাড়িয়েছিল ২৩ মার্চ। হাজার ছাড়িয়েছিল এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে। ২৭ মার্চ দেখা যাচ্ছে, একদিনে ৭ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড-১৯ পজিটিভ চিহ্নিত হয়েছেন! ভারতে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় ১২ মার্চ। মৃতের সংখ্যা ১০০ ছুঁয়েছিল ৫ মার্চ। সংখ্যাটি হাজার অতিক্রম করেছিল ২৮ এপ্রিল। এখন দৈনিক মৃত্যুর হারটাই উদ্বেগজনক। ২৭ মে একদিনেই মারা গিয়েছেন ১৯০ জন! এই প্রবণতা কতটা ভয়ঙ্কর, তার সাক্ষ্য বহন করছে মৃতের ক্রমপুঞ্জিত সংখ্যাটি—ইতিমধ্যেই সাড়ে চার হাজার অতিক্রান্ত!
সবাই জানি, ভারতে কোভিড-১৯ অন্য দেশ থেকে আমদানি। তাই বিশেষজ্ঞরা গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকানোর উপর জোর দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, শুরুতেই বহিরাগতদের সমাজের মূল স্রোতে মিশতে দেওয়া যাবে না। পূর্বলক্ষণ থাক বা না-থাক, প্রথমেই তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। প্রয়োজন বোধে করোনা হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করতে হবে। অন্যদের একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে যেতে হবে কোয়ারেন্টাইনে—সুবিধা থাকলে তা হোম কোয়ারেন্টাইনও হতে পারে। বাজার, অফিস, পরিবহণ প্রভৃতি সমস্ত ক্ষেত্রের জন্য জানানো হল বিশেষ নিয়ন্ত্রণবিধির কথা। দেশজুড়ে দফায় দফায় লকডাউন চাপিয়ে দেওয়া হল বটে, বাস্তবে দেখা গেল, সর্বমান্য সতর্কতা ও সুরক্ষা দেশবাসী পেলেন না। নিজের তৈরি নিয়ন্ত্রণবিধি কার্যকর হওয়ার পরিবেশ নষ্ট হল সরকারেরই ভুলে। সবচেয়ে বড় ভুলটি হয়েছিল—দেশের নানা প্রান্তের কয়েক কোটি পরিযায়ী শ্রমিককে অন্ধকারে রেখে সুদীর্ঘ লকডাউন চাপিয়ে দেওয়া। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বিপন্ন রাজ্যগুলির মধ্যে পড়ে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, তামিলনাড়ু, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ প্রভৃতি। সুতরাং ওইসব এলাকা থেকে যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে আসবেন, তাঁদের উপর বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি প্রযোজ্য হওয়া জরুরি। তার জন্য এখানে বিশেষ পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো থাকা প্রয়োজন। একে রাজ্যের ক্ষমতা সীমিত। তার মধ্যে ২০ এবং ২৭ মে দু’-দু’দিন বিধ্বংসী ঝড় বয়ে গিয়েছে বাংলার উপর দিয়ে। কলকাতা-সহ বিরাট অঞ্চল তাতে ভীষণ বিধ্বস্ত। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পক্ষে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া বাস্তবিকই অসম্ভব। তবুও বাংলার তরফে ২৩৫টি ট্রেনের তালিকা-সহ নিখুঁত পরিকল্পনা রেল মন্ত্রককে জানানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রেল কর্তৃপক্ষ সেটা অগ্রাহ্য করে মহারাষ্ট্র থেকে একের পর ট্রেন বাংলার পথে ছেড়ে দিচ্ছে! রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের এই ব্যর্থতার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রকেই দায়ী করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে তাঁকে বিড়ম্বনায় ফেলতেই এটা করা হচ্ছে। সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতা মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগকেই মান্যতা দিচ্ছে নাকি? এত বড় দুর্দিনে এমন রাজনৈতিক সঙ্কীর্ণতা দেশবাসী ক্ষমা করতে পারবে তো?
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
অর্থনীতির প্রাণভোমরা

গত পাঁচ দশক ধরে কৃষিক্ষেত্রকে বাদ দিলে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান শক্তির নাম এমএসএমই—অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ভারতের শিল্পক্ষেত্রে এমএসএমই দু’ভাবে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। (এক) বৃহৎ শিল্পের সহায়ক বা সহযোগী হিসেবে।
বিশদ

20th  May, 2020
বেসরকারিকরণ কি ত্রাণের
প্যাকেজ হতে পারে?

 বিপদের দিনে বোঝা যায় কে বন্ধু আর কে শত্রু। প্রকাশ্যে আসে দেশের সরকারের ভূমিকা। করোনার বিপদ মোদি সরকারের কাছে কিছুটা যেন সাপে বর হয়েই দাঁড়িয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক কিছু কাজকর্মে সেটাই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। বিশদ

19th  May, 2020
মানবিক মমতা

 ২০ মে, ২০১১। পাল্টে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারি পরিচয়। ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের অবিসংবাদিত বিরোধী নেত্রী। হয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে তিনিই প্রথম মহিলা।
বিশদ

18th  May, 2020
এখনও সময় আছে

ভারত বিপুল জনসংখ্যার এক গরিব দেশ। বিকেন্দ্রীকরণের নীতি ছাড়াই দেশের সামান্য কয়েকটি পকেটে কিছু বড় শিল্প তৈরি হয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি মহানগরকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বাণিজ্য ও অর্থনীতির সীমিত বিকাশ।
বিশদ

17th  May, 2020
ঋণনির্ভর প্যাকেজে সুরাহা হবে?

 আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা যে কত বড় ভাঁওতা ছিল এতদিনে দেশবাসী হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। করোনা সঙ্কটের দিনেও স্লোগান-সর্বস্ব সেই ভাঁওতাবাজি অব্যাহত। সঙ্গে যোগ হয়েছে পরিহাস। বিশদ

16th  May, 2020
গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য

স্বাধীনতালাভের পর সাত দশক পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও ভারতের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বাস করেন গ্রামাঞ্চলে। ৭৩৯টি জেলার প্রায় সাড়ে ৬ লক্ষ গ্রামে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা। ভারতের অন্যতম প্রধান একটি রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ। আয়তনের নিরিখে ত্রয়োদশ বৃহৎ।
বিশদ

15th  May, 2020
  ধোঁয়াশা রইল

 বছর ছয়েক আগে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে স্বনির্ভর হতে পারে, সে পথেই এগনোর দরকার ছিল। যা এতদিনেও হয়নি। বিশদ

14th  May, 2020
পরিযায়ীদের ফেরানোর পর

 ভারতে দারিদ্র্যসীমার নীচের বাসিন্দা বা চরম দারিদ্র্যের শিকার ২৫-২৬ কোটি মানুষ। দারিদ্র্যের প্রধান কুফল হল অপুষ্টি ও দুর্বল স্বাস্থ্য। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, মহিলা ও শিশুরাই এমন দুর্ভাগ্যের শিকার সবচেয়ে বেশি।
বিশদ

13th  May, 2020
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM