Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

অর্থনীতির প্রাণভোমরা

গত পাঁচ দশক ধরে কৃষিক্ষেত্রকে বাদ দিলে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান শক্তির নাম এমএসএমই—অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ভারতের শিল্পক্ষেত্রে এমএসএমই দু’ভাবে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। (এক) বৃহৎ শিল্পের সহায়ক বা সহযোগী হিসেবে। (দুই) বৃহৎ শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই এমন অসংখ্য ক্ষেত্রের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী পণ্য ও পরিষেবা উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত থেকে। ভারতে শিল্পায়নের বড় অন্তরায় হল পুঁজির স্বল্পতা। অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান কর্মপ্রার্থীদের প্রত্যাশাপূরণের ক্ষমতা দ্রুত হারাচ্ছে কৃষি। কাজের জগৎ তথা অর্থনীতিতে এই যে বিরাট শূন্যতা তা পূরণ করার ক্ষমতা এমএসএমই ছাড়া কারও নেই। কৃষিজ উৎপাদনকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে এমএসএমই পরোক্ষে কৃষি-অর্থনীতিকেও উজ্জীবিত করে চলেছে। পুঁজি বিনিয়োগের অনুপাতে কর্মসংস্থানের নিরিখে বৃহৎ শিল্পের থেকে কয়েক গুণ এগিয়ে রয়েছে এমএসএমই। ভারতের মতো গরিব দেশে উচ্চ মানের কারিগরি শিক্ষার বিস্তারে আছে নানা সীমাবদ্ধতা। ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি অনেক শিল্প সামান্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এবং স্বল্প পুঁজি সম্বল করে শুরু করা যায়। অতএব শুধু চাকরি নয়, স্বনিযুক্তির ক্ষমতার বিচারেও এই শিল্পক্ষেত্রের জুড়ি ভারতে অন্তত নেই। দুনিয়ার সঙ্গে দ্রুত বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদা। চাহিদাই শিল্প-ব্যবসার প্রাণ। সুতরাং বদলে যাওয়া পৃথিবীর সঙ্গে তাল মেলাতে শিল্পকেও উৎপাদনে নানা বৈচিত্র আনতে হয়। এমএসএমই-র প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন যোগ্যতা বেশি। সামান্য সংস্কারের ঝুঁকি নিয়ে তারা বাঁক বদলও করতে পারে।
ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভের এই বিষয়ক সর্বশেষ (২০১৫-১৬) রিপোর্ট উদ্ধৃত করে এমএসএমই মন্ত্রক জানাচ্ছে, শহর ও গ্রাম মিলিয়ে এমএসএমই প্রত্যক্ষভাবে ১১ কোটি ১০ লক্ষ পরিবারের অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। ম্যানুফ্যাকচারিং, ট্রেড, ইলেক্ট্রিসিটি এবং নানা ধরনের সার্ভিস বা পরিষেবা ক্ষেত্রে মাইক্রো, স্মল ও মিডিয়াম মিলিয়ে মোট সংস্থা ৬ কোটি ৩৩ লক্ষ ৮৮ হাজার। ব্যাপক লিঙ্গবৈষম্যের জন্য ভারতের দুর্নাম সুবিদিত। সেখানেও দেখা যাচ্ছে, এমএসএমই-র মালিকানায় মহিলাদের উপস্থিতি ২০.৩৭ শতাংশ। ভোট এলেই সব সরকার শিল্পায়নের ধুয়ো তুলে বাজার মাত করে। এ আমাদের কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা। কিন্তু আমরা পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করেছি যে, গর্জনের ছিটেফোঁটাও বর্ষণ হয় না। জুমলাবাজি জলের মতো পরিষ্কার হয়ে যাওয়ায়, ইদানীং বৃহৎ শিল্পস্থাপনকে আর শিল্পায়নের সমার্থক বলে ধরা হচ্ছে না। কী কেন্দ্র, কী রাজ্যে রাজ্যে সরকারগুলি জোর দিচ্ছে এমএসএমই ইউনিট বৃদ্ধির উপর। তারা বলছে, কৃষি থেকে শিল্প-অর্থনীতিতে উত্তরণের এটাই সর্বোত্তম পথ। দেরিতে হলেও এই উপলব্ধির বাস্তবতা ১৩৫ কোটি মানুষের অর্থনীতির পক্ষে স্বস্তিদায়ক।
তবে সবচেয়ে অস্বস্তির কারণ উদ্ভূত করোনা পরিস্থিতি। টানা দু’মাসের লকডাউনে এই শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্র ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটাকে যে-কোনও উপায়ে বাঁচানোই রাষ্ট্রের মন্ত্র হওয়া উচিত। মোদি সরকার অবশ্য তাদের জন্য সাড়ে তিন লক্ষ কোটি টাকার ঋণদান প্রকল্প ঘোষণা করে দাবি করছে যে, এর মাধ্যমেই পুনর্জীবন লাভ করবে এমএসএমই। যদিও কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস প্রভৃতি বিরোধী দলগুলির বক্তব্য, সরকার মানুষকে বোকা বানাতে চাইছে। প্রথম সারির একাধিক অর্থনীতিবিদেরও মত তাই। সত্যিই তো, ঋণগ্রহণের একটি পরিস্থিতি থাকে। ক’টি এমএসএমই ইউনিটের পরিস্থিতি আজ ঋণগ্রহণের পক্ষে অনুকূল? সে তো কঠিন গবেষণার বিষয়। সরকারের এই তথাকথিত স্টিমুলাস পেয়ে এমএসএমই নতুন করে ঋণের জালে ফাঁসবে না তো? এখন নতুন করে ফাঁসলে মৃত্যু ভিন্ন আর কেউই শিয়রে অপেক্ষা করবে না। বণিকসভা সিআইআইয়ের একটি সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, এমএসএমই-র মোট পাওনার ৩২ শতাংশের বেশি আটকে আছে সরকারের ঘরে—বিভিন্ন সরকারি বিভাগ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কাছে। বিক্ষিপ্তভাবে ৪৫০টি সংস্থার উপর সমীক্ষায় ধরা পড়েছে: তাদের মোট প্রাপ্যের পরিমাণ ১৮১৯ কোটি টাকা। তার মধ্যে ১৭০৯ কোটি টাকা তারা পাবে সরকারের কাছে! সার্বিক চিত্রটি আরও কত খারাপ সম্ভবত কেউ জানেন না। সরকারের উচিত, এমএসএমই’র সমস্ত ন্যায্য পাওনা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া। ঋণ, খয়রাতির প্রসঙ্গ তার পরে। তাদের জিএসটি মকুবের দাবিটিও আজকের অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অন্যায্য নয়। মোদি সরকার সেটাও বিবেচনা করুক সহানুভূতির সঙ্গে। দেশের স্বার্থেই এটি জরুরি। কারণ এমএসএমই মাথা তুলতে ব্যর্থ হওয়ার সরলার্থ হল, দেশের অর্থনীতিরও অপমৃত্যু।
20th  May, 2020
কবে ভ্যাকসিন: ধোঁয়াশা রইল

একেই বলে চর্বিতচর্বণ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানেনই না দেশে কবে থেকে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে বা তার ক’টি ডোজ। অথবা তার দাম কী! আর যদি জানেনও তাহলেও তিনি এব্যাপারে ভারতবাসীকে দিশা দেখাতে ব্যর্থ হলেন। বিশদ

ভ্যাকসিন: ভীষণ স্বস্তির কথা

ইউনিক আইডেনটিফিকেশন আধার ইন্ডিয়া-র তরফে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ২০২০ সালের মে মাসে প্রজেক্টেড পপুলেশন ছিল ৯ কোটি ৯৬ লক্ষের কিছু বেশি। সেই হিসেবে ভারতের চতুর্থ বৃহৎ জনসংখ্যার রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ ১০ কোটি জনসংখ্যার চাপ নিয়ে ২০২১ সালে প্রবেশ করতে চলেছে আমাদের রাজ্য। ভারত একটি গরিব দেশ। বিশদ

25th  November, 2020
এত দেরিতে বোধোদয়!

পরিযায়ী শব্দটার সঙ্গে আমরা অল্প বিস্তর পরিচিত। আমাদের মাতামাতি মূলত পরিযায়ী পাখিদের ঘিরে। শীতের সময়ে দূরদূরান্ত থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখি দেখার আকর্ষণ কম নয়। আর মানুষের ক্ষেত্রে? বিশদ

24th  November, 2020
জঙ্গিদের লক্ষ্য যদি ভ্যাকসিন 

করোনা মহামারী শতাব্দীর সবচেয়ে বড় বিপদ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে সভ্য সমাজের এই চিন্তার উল্টো দিকে হেঁটে চলেছে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি। তারা এটাকে বরং এক দুর্লভ মওকা হিসেবে বেছে নিয়েছে। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি জানে, এই পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলি মানুষকে বাঁচাতে নানাভাবে ব্যস্ত রয়েছে। বিশদ

23rd  November, 2020
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা

করোনাকালে বহু মানুষেরই আয় কমেছে, অথচ বেড়েছে জিনিসপত্রের দাম। দু’মাস এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার পর ফের বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম। তাই আশঙ্কাও বাড়ল। এমনিতেই গরিব-মধ্যবিত্তের এখন নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। মূল্যবৃদ্ধির আঁচে দগ্ধ আম জনতা। প্রায় সব খাদ্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বিশদ

22nd  November, 2020
জীববৈচিত্র রক্ষার দায়িত্ব মানুষের

জীববৈচিত্রের জন্য ভারত একটি উল্লেখযোগ্য দেশ। গোরু, মহিষ, ছাগল, কুকুর, বিড়াল, হাঁস, মুরগির মতো অল্প কিছু প্রাণী গৃহপালিত। কিন্তু এর বাইরে জলে, জঙ্গলে আছে আরও কয়েকশো প্রাণী। কিছু নিরীহ, কিছু হিংস্র। মানুষের সংস্রবের বাইরে, প্রাকৃতিক পরিবেশে যেসব প্রাণী রয়েছে ভারতে তাদের সংরক্ষণ করা হয় মূলত তিনভাবে। বিশদ

21st  November, 2020
শাঁখের করাত! 

শুধু আবেগ নয়, প্রশ্নটা অধিকারের। তথ্য জানার অধিকার। নেতাজি অন্তর্ধান রহস্যের প্রকৃত সত্যটা কী তা জানার অধিকার দেশবাসী, বিশেষ করে বাংলার মানুষের আছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের হাতে কী তথ্য আছে তা জানতে আগ্রহী বঙ্গবাসী। নেতাজির বিষয়ে যাবতীয় তথ্য এবার অন্তত কেন্দ্র সামনে আনুক। 
বিশদ

20th  November, 2020
স্বাগত উন্নয়নের রাজনীতি 

নির্ঘণ্ট ঘোষণা শুধু বাকি। সে নিতান্তই আনুষ্ঠানিকতা। এটুকু উপেক্ষা করলে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ঢাকে কাঠি কিন্তু পড়ে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে ভোট গ্রহণ নিয়ে যে আশঙ্কা ছিল সেটাও দূর করে দিয়েছে বিহার। পাশের রাজ্যে সফল ভোট গ্রহণের পর নতুন সরকারও তৈরি হয়ে গিয়েছে।  
বিশদ

19th  November, 2020
দাম: আশু সুরাহা চায় মানুষ 

সাম্প্রতিক অতীতে ভারতে অর্থনীতির অবনমনের শুরু ডিমানিটাইজেশন থেকে। নোট বাতিলের ধাক্কায় ভারতবাসীর জীবন-জীবিকার যখন নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম, ঠিক সেইসময়ই নামিয়ে আনা হয় আরও এক আঘাত। চাপিয়ে দেওয়া হয় ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি। নোটবন্দির ভয়াবহ হানার চার বছর ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

18th  November, 2020
তৎপর হতেই বায়ুদূষণ কমল 

পশ্চিমবঙ্গে নানা জাতি ও ধর্মের মানুষের বাস। ভিন রাজ্যের বহু মানুষকে বাংলা আপন করে নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এখানে অন্যান্য অনেক রাজ্যের তুলনায় জনঘনত্ব বেশি। এই কারণে যে-কোনও ধরনের সংক্রমণ মোকাবিলার কাজটি করাও এখানে বেশ কঠিন। তবে হাল ছাড়েনি বাংলার প্রশাসন।   বিশদ

17th  November, 2020
ভরসার দৃষ্টান্ত

শরৎ-হেমন্ত হল পশ্চিমবঙ্গে উৎসবের কাল। প্রধান উৎসব দুর্গাপুজো। তার রেশ কাটার আগেই চলে আসে কালীপুজো। কালীপুজোর দিন পুরো বাংলায় পালিত হয় আলোর উৎসব—দীপাবলি। দীপাবলি আলোর উৎসব হলেও বাঙালি এদিন শুধু রকমারি প্রদীপ জ্বালিয়ে এবং বিদ্যুতের আলোয় সবদিক সাজিয়ে আর সন্তুষ্ট হয় না। আলোর উৎসবের আনন্দকে বহুবর্ধিত করে নিতে বাজি পোড়ায়। বিশদ

16th  November, 2020
খয়রাতির ট্র্যাডিশন

কয়লা শতবার ধুলেও তার ময়লা যায় না। পরিচিত প্রবাদ। এই প্রবাদের নিহিতার্থ সকলে জানেন, অন্তর অথবা ভিত্তি যদি কারও অস্বচ্ছ হয় তবে হাজার সাফ করে কিংবা প্রসাধন লাগিয়ে কোনও লাভ হয় না। পার্মানেন্ট ব্ল্যাকের মতো, রয়েই যায়। ভারতের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কটাও তেমনি। বিশদ

15th  November, 2020
দেওয়ালিতে নগদহীন ধামাকা 

আমাদের দেশের ইতিহাসে এই প্রথম ভারত ‘টেকনিক্যাল রিসেশন’-এর পথে। সহজ বাংলায় বলা যায় মন্দার কবলে পড়ল। সৌজন্যে মোদি সরকারের অর্থনীতি। কেন্দ্রের সরকারের স্বঘোষিত ‘সাফল্য’ যদি এই হয় তাহলে বলতেই হয় অতল গহ্বরে মানুষ তলিয়ে গেলেও এই সরকারের টনক নড়বে না। ভবি ভোলার নয়।   বিশদ

14th  November, 2020
সময়োচিত পদক্ষেপ

করোনার সঙ্গে পৃথিবীর প্রথম পরিচয় সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাইরাস হিসেবে। পৃথিবী অসংখ্য ভাইরাসের মোকাবিলা করেছে এবং করছে। করোনার মোকাবিলা করতে নেমে বোঝা গেল এটা একেবারে অন্য জাতের বিপদ। এই ভাইরাস ভয়ানক ছোঁয়াচে বা সংক্রামক। বিশদ

13th  November, 2020
কূটনৈতিক চালে বাজিমাত
হারাধন চৌধুরী

দু’-দু’বার মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের থেকে দূরে সরে যাওয়ার ভুলটি করেননি। তাঁর সরকারের কাছে বরাবরের অগ্রাধিকার সার্বিক উন্নয়ন, আইনের শাসন এবং সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর কল্যাণ। বিশদ

12th  November, 2020
লোকাল ট্রেন: জেতার চ্যালেঞ্জ

আজ, বুধবার বাংলার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দিন। চালু হচ্ছে সুবার্বান শাখায় সকলের জন্য লোকাল ট্রেন। অর্থাৎ বিভিন্ন শাখায় লোকাল ট্রন চালু হবে শিয়ালদহ এবং হাওড়া থেকে। শহরতলির দূর দূর প্রান্তের সঙ্গে ফের জুড়ে যাবে মহানগরী কলকাতা। লকডাউনের পর এই প্রথম, মানে প্রায় সাড়ে সাতমাস বাদে। বিশদ

11th  November, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বাংলাদেশে গমের খেতে জলসা রোগ ক্ষতি করতে পারে সীমান্তবর্তী দক্ষিণদিনাজপুর জেলার গম চাষে। সেই আশঙ্কায় গত তিন বছর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণদিনাজপুরের বিস্তীর্ণ ...

পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ জঙ্গিদের গড়। প্রাক্তন আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন থেকে শুরু করে বহু জঙ্গি সংগঠনের নেতারা অ্যাবটাবাদকে গোপন ডেরা বানিয়ে রেখেছে। সন্ত্রাসে মদত প্রসঙ্গে এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে লাদেন নিকেশের ঘটনা তুলে ধরল ভারত। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা তৈরিতে জোর দেওয়ার জন্য অক্টোবর মাসেই পথশ্রী অভিযান প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই প্রকল্প ছাড়াও সাধারণ মানুষের স্বার্থে জেলায় আরও ৩৬টি রাস্তা তৈরি করছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ। প্রতিটি কাজের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে।   ...

আবারও সীমান্ত থেকে উদ্ধার হল পাখি। লকডাউন এবং পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে পাখি পাচার হতে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের হাতে বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটল। এবার ঘটনাটি ঘটেছে তেঁতুলবেড়িয়া সীমান্তে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কর্মস্থানে সহকর্মীর ঈর্ষার শিকার। গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। পুলিসি ঝামেলা, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯০: ভাষাবিদ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: অভিনেতা অর্জুন রামপালের জন্ম
১৯৭৬: মাইক্রোসফট নামটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধিত হয়
২০০৮: লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের মুম্বইয়ে হানা, অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৯ টাকা ৭৪.৯০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.২৩ টাকা ১০০.৬৩ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী অহোরাত্র। রেবতী নক্ষত্র ৩৮/২০ রাত্রি ৯/২০। সূর্যোদয় ৬/০/৩৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে  ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে  ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/২৫ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২৪ গতে ১/৩ মধ্যে। 
১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, একাদশী প্রাতঃ ৬/১৪। রেবতী নক্ষত্র ১০/৫৩। সূর্যোদয় ৬/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ৩/৩৩ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৩ মধ্যে। কালবেলা ২/৬ গতে ৪/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২৫ গতে ১/৪ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিয়েগো মারাদোনার জীবনাবসান
দিয়েগো মারাদোনার জীবনাবসান। আজ, বুধবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে ...বিশদ

25-11-2020 - 10:14:20 PM

গোয়া ০ মুম্বই সিটি ১ (৯৪ মিনিট) 

25-11-2020 - 09:28:56 PM

আইএসএল: গোয়া  ০  মুম্বই সিটি এফসি  ০ (প্রথমার্ধ)

25-11-2020 - 08:25:44 PM

অস্কারের মঞ্চে এবার জাল্লিকাট্টু
অস্কারের মঞ্চে এবার ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত হল মালয়ালম ...বিশদ

25-11-2020 - 07:52:43 PM

কমছে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাস
২০২১ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পাঠক্রমে কাটছাঁট করা হচ্ছে। ...বিশদ

25-11-2020 - 07:47:48 PM

বদলে যাচ্ছে ফোন করার নিয়ম
বদলে যেতে চলেছে ল্যান্ডলাইন থেকে মোবাইলে ফোন করার পদ্ধতি। আগামী ...বিশদ

25-11-2020 - 07:43:21 PM