Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

বেসরকারিকরণ কি ত্রাণের
প্যাকেজ হতে পারে?

বিপদের দিনে বোঝা যায় কে বন্ধু আর কে শত্রু। প্রকাশ্যে আসে দেশের সরকারের ভূমিকা। করোনার বিপদ মোদি সরকারের কাছে কিছুটা যেন সাপে বর হয়েই দাঁড়িয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক কিছু কাজকর্মে সেটাই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। সঙ্কটকে সামনে রেখে রাজ্যগুলিকে কোণঠাসা করে রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণের লক্ষ্যে এগচ্ছে দেশের শাসক। এরজন্য রাজ্যের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করতেও কসুর করছে না, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় বেমানান। যে সব ঘোষণা বাজেটের সময় করা যেত তা না করে মহামারীর পরিস্থিতিতে কুশলী রাজনীতির আশ্রয়ে এখন তারা সেটা করছে।
সংসদের অধিবেশন না চলার সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে প্যাকেজের নামে একতরফা গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্তের কথা যেভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে তা প্রশ্নাতীত নয়, সমালোচনার যোগ্য। ভাবতে অবাক লাগে মুখ থুবড়ে পড়া আর্থিক পরিস্থিতিতে সরকারি কোষাগার ভরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি তারা নিল। এমন সুযোগ সন্ধানী মনোবৃত্তির জুড়ি মেলা ভার। এই সময়ে সংসদে হট্টগোল হবে না, বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলনের তেমন সুযোগও নেই। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা অজানা। তাই লক্ষ্যপূরণের এটাই সুবর্ণ সুযোগ। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে মুখোশের আড়াল থেকে আসল মুখটি বেরিয়ে পড়ল। ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণার শেষ দিনে শুধু বাছাই করা শিল্পক্ষেত্রই নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির অধীনে প্রায় সব ক্ষেত্রেই কর্পোরেট অনুপ্রবেশে সিলমোহর দিল তারা। বেসরকারি সংস্থাকে স্থান করে দিতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সংযুক্তিকরণ ও বিলগ্নিকরণের কথাও বলা হল। গালভরা সংস্কারের নামে মোদি সরকার যে পথে হাঁটছে তাতে শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ কতটা রক্ষিত হবে তা বলা বেশ কঠিন, তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় মালিকশ্রেণীর স্বার্থরক্ষা হবে। যা তাদের আমলে অতীতেও হয়েছে।
করোনা মোকাবিলায় রাজ্যকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেয়নি কেন্দ্র। বঞ্চনার ইতিহাসকে বহাল রেখে রাজ্যের ঋণ গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াতে কেন্দ্র চারটি শর্ত আরোপ করেছে যা তাদের ক্ষমতা প্রদর্শনেরই নামান্তর। শর্ত আরোপের বিষয়টিকে শুধুমাত্র তাদের ক্ষমতা দেখানোর নজির ভাবলে একটু ভুল হবে। বিষয়টা রাজ্যের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপও। ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে শর্ত আরোপের এই মানসিকতা আদৌ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্যের কাজে সমন্বয় সাধনের ইঙ্গিতবাহী নয়। বরং তা সংঘাতের পথই প্রশস্ত করবে। করোনা পরিস্থিতিকে সামাল দিতে গিয়ে রাজ্যগুলির কোষাগারে যে দৈন্যদশার সৃষ্টি হয়েছে তার থেকে মুক্তির উপায় না করে যেভাবে রাজ্যকে ঋণের জালে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হল, তা সুস্থ অর্থনীতির পরিচয় নয়। দরকার ছিল নিঃশর্ত আর্থিক সহায়তার আর শর্তহীনভাবে রাজ্যের ঋণ গ্রহণ ক্ষমতার বৃদ্ধি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই এই দাবি করেছিলেন যাতে কর্ণপাত করেনি কেন্দ্র। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই রাজ্যের উপর ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে এভাবে কৌশলগতভাবে শর্ত আরোপ করা কাম্য ছিল না। ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে গণতান্ত্রিক দেশে তাদের একনায়ক মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটল। একতরফা সিদ্ধান্তে বিদ্যুৎ সহ নানা ক্ষেত্রে রাজ্যের অধিকার খর্ব করে আইন করাটা কতটা ন্যায়সঙ্গত তাই নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
করোনার কারণে মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, দুর্গতি বাড়ছে। কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে স্বস্তির বার্তা না দিয়ে দেশের সরকার প্যাকেজের মোড়কে রাষ্ট্রায়ত্ত বহু শিল্পকে বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে। ত্রাণের প্যাকেজের মধ্যে বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা পড়ে? বেচারাম সরকার বাহাদুর কি এর জবাব দেবেন? সঙ্কটের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের এই ভ্রষ্টাচার কতদিন চলবে? বেসরকারিকরণের পথে হাঁটা তাদের উদ্দেশ্য ছিলই। কেন্দ্র ৪৪টি শ্রম আইনের বদলে চারটি কোড আনার পরিকল্পনাও নিয়েছিল আগেই। চালু না হলেও গতবছরই তাদের তৈরি কোড অব ওয়েজেস রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেয়েছে। তবে আশা জেগেছিল করোনা সঙ্কটের দিনে তারা মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনকল্যাণমুখী সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করাটাই যেন তাদের মূল লক্ষ্য, এই দুর্দিনে যা একেবারেই বেমানান।
19th  May, 2020
গরিবকে মাথা তুলতে নগদ

 শস্যশ্যামলা বাংলা। কিন্তু বিধ্বংসী উম-পুন তছনছ করে দিয়েছে আমাদের ঘর। সবচেয়ে ক্ষতি করেছে সোনার বাংলার সোনার ফসলের। চাষির ঘরে তাই এখন হাহাকার। দুশ্চিন্তায় মাথায় হাত। কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার লক্ষ লক্ষ চাষি? ঝড় আসছে বলে আগাম সতর্কবার্তা ছিল।
বিশদ

বিকেন্দ্রিত কোভিড চিকিৎসা

 সোমবারের সরকারি হিসেব বলছে, কালিম্পং ছাড়া রাজ্যে আর কোনও জেলা নেই, যাকে গ্রিন জোন হিসেবে উল্লেখ করা যায়। অর্থাৎ বাকি সমস্ত জেলাতেই কমবেশি কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী আছে। সোজা কথায়, কালিম্পং বাদে বাংলা করোনা-পীড়িত।
বিশদ

03rd  June, 2020
আশার আলো

করোনার দাপটে যখন বিশ্বজুড়ে মন্দা শুরু হয়েছে, চাকরি যাচ্ছে কোটি কোটি মানুষের, তখন এই রাজ্যের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে মোদি সরকারের দেওয়া এক তথ্য। কেন্দ্র জানিয়েছে, গত এক বছরে রাজ্যে চাকরির বাজার বেড়েছে। চাকরি পেয়েছেন প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ।
বিশদ

02nd  June, 2020
সবুজায়ন সংস্কৃতি

 পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বিধ্বংসী ঝড় বয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু উম-পুন যে ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে, কোনও সংশয় নেই, কলকাতার ইতিহাসে তার বিশেষ উল্লেখ থেকে যাবে। কারণ, স্মরণকালের মধ্যে কলকাতাকে এইভাবে আহত করেনি প্রকৃতির অন্য কোনও খেয়াল।
বিশদ

01st  June, 2020
দুর্দিনে ভরসা সেই কৃষি

ভারতীয় অর্থনীতির উপর করোনা আক্রমণের প্রভাব যে বিরাট হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু আমরা জানতে পারছি তা বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য এবং তার বেশিরভাগটাই অনুমান বা আশঙ্কা।
বিশদ

31st  May, 2020
মমতার আশঙ্কাই সত্যি

 করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া লকডাউন ঘোষণার ফল ভুগতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এটাই বাস্তব সত্য। তাঁদের নিয়ে কেন্দ্রের যে কোনওরকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। প্রশ্ন হল, দেশবাসীর সুরক্ষায় সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে দেশের শাসক রাজধর্ম কতটা পালন করছে? বিশদ

30th  May, 2020
খামখেয়ালি ট্রেন

 মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি।
বিশদ

29th  May, 2020
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
অর্থনীতির প্রাণভোমরা

গত পাঁচ দশক ধরে কৃষিক্ষেত্রকে বাদ দিলে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান শক্তির নাম এমএসএমই—অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ভারতের শিল্পক্ষেত্রে এমএসএমই দু’ভাবে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। (এক) বৃহৎ শিল্পের সহায়ক বা সহযোগী হিসেবে।
বিশদ

20th  May, 2020
একনজরে
 রূপঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ৩ জুন: করোনায় মৃত্যু এবং আক্রান্তের নিরিখে ব্রিটেনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্ল্যাক অ্যান্ড এথনিক মাইনরিটি (বিএএম‌ই) গোষ্ঠীর মানুষ। এ ব্যাপারে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড (পিএইচ‌ই)। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি,বারাসত: মঙ্গলবার সন্ধ্যার প্রবল বৃষ্টিতে বসিরহাট পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডের কয়েকশো বাড়ি জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় ঘরের মধ্যে হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ৩ জুন: চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে হার্দিক পান্ডিয়া। ভারতী দলের এই তারকা অলরাউন্ডারটিকে শেষবার টিম ইন্ডিয়ার জার্সি পরে খেলতে দেখা গিয়েছিল ২০১৮ সালে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: করোনা নিয়ে গুজব ও আতঙ্ক ঠেকাতে আরামবাগের ২৬ জন কোভিড-১৯ জয়ীকে নিয়ে ‘করোনা সচেতনতা টিম’ গড়ল প্রশাসন। টিমে থাকবেন একজন করে করোনা জয়ী, ভিলেজ পুলিস, আশাকর্মী ও পঞ্চায়েত সদস্য। মহকুমার গ্রামেগঞ্জে গিয়ে ওই টিম প্রচার চালাবে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.২৯ টাকা ৭৬.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৪ টাকা ৯৬.২৩ টাকা
ইউরো ৮২.৬৮ টাকা ৮৫.৭৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী ২/৫৮ প্রাতঃ ৬/৭ পরে চর্তুদশী ৫৫/৫২ রাত্রি ৩/১৬। বিশাখা নক্ষত্র ৩৪/১৩ রাত্রি ৬/৩৭। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশী প্রাতঃ ৫/১ পরে চর্তুদশী রাত্রি ২/৫৩। বিশাখানক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৬/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
১১ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নয়াদিল্লিতে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৫১৩
নয়াদিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৫১৩ জনের শরীরে ...বিশদ

03-06-2020 - 09:37:03 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৪০
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৪০ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

03-06-2020 - 08:23:00 PM

পাকিস্তানে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,০৬৫ ও মৃত ৬৭ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ ...বিশদ

03-06-2020 - 07:40:47 PM

কেরালায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৮২ 
গত ২৪ ঘণ্টায় কেরালায় করোনা আক্রান্ত হল আরও ৮২ ...বিশদ

03-06-2020 - 07:29:31 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১২৮৬ 
গত ২৪ ঘণ্টায় তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত হল আরও ১২৮৬জন। ফলে ...বিশদ

03-06-2020 - 07:19:16 PM

জলপাইগুড়িতে বোমা রাখার ভুয়ো ফোনে চাঞ্চল্য 
তিস্তা ব্রিজে বোমা রাখা আছে। আজ বুধবার এরকমই একটি ...বিশদ

03-06-2020 - 04:50:47 PM