Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

ঋণনির্ভর প্যাকেজে সুরাহা হবে?

আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা যে কত বড় ভাঁওতা ছিল এতদিনে দেশবাসী হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। করোনা সঙ্কটের দিনেও স্লোগান-সর্বস্ব সেই ভাঁওতাবাজি অব্যাহত। সঙ্গে যোগ হয়েছে পরিহাস। সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার দেশের মানুষের আছে। সেই অধিকারটুকুকেও সম্মান দিতে অপারগ কেন্দ্রের সরকার প্যাকেজের নামে একের পর এক যে সব ঘোষণা করছে তার অধিকাংশই ভবিষ্যতের গল্প, বাগাড়ম্বর। অনেকটাই নতুন বোতলে পুরনো পানীয়র মতো। খুড়োর কলের মতো ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেই একশো দিনের কাজকে, যাকে একসময়ে এই প্রধানমন্ত্রীই ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন, গর্ত খোঁড়ার প্রকল্প।
এই গর্ত খোঁড়ার প্রকল্পটি এখন কেন্দ্রের বড় হাতিয়ার, বলভরসা। কারণ বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে তারা যে ব্যর্থ এখন তা জলের মতো স্বচ্ছ। যাদের ভোটে এই সরকার ক্ষমতাসীন সেই মানুষের দুর্দিনেও সরকারের পরিকল্পনাহীনতার ছাপ স্পষ্ট। তাই তারা একাধিক ক্ষেত্রে ঋণ সর্বস্ব প্যাকেজ ঘোষণা করছে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। প্রান্তিক চাষি থেকে হকার, মধ্যবিত্ত, প্রায় সকলের জন্য ঋণের টোপ দিয়ে এবার কি কেন্দ্র মানুষকে ঋণভারে জর্জরিত করার দিকে ঠেলে দিচ্ছে না? চটকদারির আশ্রয়ে নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ঢাকতে নিল এমন এক কৌশল যাতে কর্মসংস্থানের বিষযটি অনুল্লেখ থাকল। বলা হলনা এক নয়া পয়সাও দেওয়ার কথা। স্মরণে রাখা প্রয়োজন এই মোদি জমানাতেই ঋণভারে জর্জরিত হয়ে কত কৃষকের ক্ষুধার জ্বালায় অকালমৃত্যু ঘটেছে। ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নিতে নারাজ এই সরকার। তাই করোনা বিপদের দিনে গরিব মানুষ যখন পেট ভরাতে হিমশিম খাচ্ছে তখন তিন বছর ধরে চলা আবাসন প্রকল্পকে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সম্প্রসারিত করার কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটা কোনও নতুন প্রকল্পই নয়। তাহলে?
আসলে রাজসিংহাসনে বসে কুঁড়েঘরের মানুষের মনের হদিশ পাওয়া বেশ কঠিন। তারজন্য থাকতে হয় মাটির সঙ্গে যোগ। কেন্দ্রের শাসকের সেই যোগসূত্রই আজ বিচ্ছিন্ন। তাই তারা হয়তো সমস্যার গভীরে গিয়ে সমাধানের উপায় বের করতে পারছে না। অভুক্ত, অর্ধভুক্ত মানুষকে দিচ্ছে ঋণের টোপ। দরকার ছিল কিছুটা হলেও তাঁদের হাতে নগদের জোগান।
লকডাউনের মধ্যে রাস্তায় যখন পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুমিছিল চলছে, তখন কেন্দ্র যেন দয়ার দান হিসেবে ঘোষণা করল আগামী দু’মাস ওই শ্রমিকদের জন্য রেশন কার্ড ছাড়াই মাথাপিছু মাসে পাঁচ কেজি করে চাল/গম, পরিবার পিছু এক কেজি ডাল বিনামূল্যে দেওয়ার কথা। বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ব্যবস্থা আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই করেছেন। কেন্দ্র সে পথেই হাঁটলো অনেক দেরিতে। তাও আবার রাজ্যের ঘাড়ে দায় দায়িত্ব চাপিয়ে, যাতে দায়িত্বপালনে এতটুকু ত্রুটি হলেই যাবতীয় দোষ পড়ে রাজ্যের উপর। এর নাম কি মানবিকতা?
লকডাউন শুরুর আগেই যদি কেন্দ্র বিনামূল্যে যে যেখানে আছে সেখানেই রেশন পাবে বলে ঘোষণা করত তাহলে হয়তো এতগুলি প্রাণ বেঘোরে চলে যেত না। এর দায় কেন্দ্রকেই নিতে হবে। আত্মসম্মান বজায় রেখেই রুটিরুজির সন্ধানে ওই শ্রমিকরা ভিন রাজ্যে পাড়ি দিয়েছিল। যাদের অনেকের মৃত্যু হয়েছে পথে। আর অবর্ণনীয় দুর্দশায় যারা দিন কাটাচ্ছে তাদের হাতে নগদের জোগান দেওয়ার বিষয় এখনও কেন্দ্র নীরব। তাদের জন্য সস্তায় ভাড়া বাড়ির ব্যবস্থা করতে প্রকল্পের যে কথা শোনানো হল তা সময়সাপেক্ষ। বিনামূল্যে চাল ডাল পেলেও তা রান্নার জন্য হাতে এখনই যে কিছুটা নগদ টাকার প্রয়োজন সেটা ইচ্ছাকৃতভাবে সরকার পাশ কাটিয়ে গিয়েছে।
প্যাকেজের মাধ্যমে মানুষকে সহায়তার নামে যা করা হচ্ছে তাতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের একনায়কতন্ত্রের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে রাজ্যের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ না দিয়েই ঘুরপথে রাজ্যের ঘাড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দায়িত্ব কৌশলে তুলে দিচ্ছে তারা। যেমন, রাজ্যগুলিকে বিপর্যয় মোকাবিলা সংক্রান্ত তহবিল থেকে নাকি টাকা খরচ করতে বলা হচ্ছে। করোনা ঠেকাতে যদি ওই খাতের টাকা ব্যয় হয়ে যায় তাহলে অন্য বিপর্যয় এলে ভবিষ্যতে কী হবে তার কোনও দিশা নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের পদ্ধতিতে রয়েছে স্বচ্ছতার অভাব। কার্ড ছাড়াও রেশন মেলার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু কীভাবে মিলবে ত বলা হয়নি। আসলে দায়িত্ব থেকে পাশ কাটাতে এবং রাজকোষ ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নগদ নয়, ঋণের টোপ দিয়ে পরিস্থিতি সামালের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। এই তাদের জনহিতের নমুনা!
16th  May, 2020
ছন্দে ফিরছে পরিবহণ

 করোনা-যুদ্ধে নেমে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। আর্থিক বিকাশের হার একেবারে তলানিতে নেমে এসেছে। হু হু করে বাড়ছে বেকারত্বের হার। মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) হার হ্রাসের প্রবণতা আগেই ছিল। বিশদ

গরিবকে মাথা তুলতে নগদ

 শস্যশ্যামলা বাংলা। কিন্তু বিধ্বংসী উম-পুন তছনছ করে দিয়েছে আমাদের ঘর। সবচেয়ে ক্ষতি করেছে সোনার বাংলার সোনার ফসলের। চাষির ঘরে তাই এখন হাহাকার। দুশ্চিন্তায় মাথায় হাত। কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার লক্ষ লক্ষ চাষি? ঝড় আসছে বলে আগাম সতর্কবার্তা ছিল।
বিশদ

04th  June, 2020
বিকেন্দ্রিত কোভিড চিকিৎসা

 সোমবারের সরকারি হিসেব বলছে, কালিম্পং ছাড়া রাজ্যে আর কোনও জেলা নেই, যাকে গ্রিন জোন হিসেবে উল্লেখ করা যায়। অর্থাৎ বাকি সমস্ত জেলাতেই কমবেশি কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী আছে। সোজা কথায়, কালিম্পং বাদে বাংলা করোনা-পীড়িত।
বিশদ

03rd  June, 2020
আশার আলো

করোনার দাপটে যখন বিশ্বজুড়ে মন্দা শুরু হয়েছে, চাকরি যাচ্ছে কোটি কোটি মানুষের, তখন এই রাজ্যের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে মোদি সরকারের দেওয়া এক তথ্য। কেন্দ্র জানিয়েছে, গত এক বছরে রাজ্যে চাকরির বাজার বেড়েছে। চাকরি পেয়েছেন প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ।
বিশদ

02nd  June, 2020
সবুজায়ন সংস্কৃতি

 পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বিধ্বংসী ঝড় বয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু উম-পুন যে ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে, কোনও সংশয় নেই, কলকাতার ইতিহাসে তার বিশেষ উল্লেখ থেকে যাবে। কারণ, স্মরণকালের মধ্যে কলকাতাকে এইভাবে আহত করেনি প্রকৃতির অন্য কোনও খেয়াল।
বিশদ

01st  June, 2020
দুর্দিনে ভরসা সেই কৃষি

ভারতীয় অর্থনীতির উপর করোনা আক্রমণের প্রভাব যে বিরাট হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু আমরা জানতে পারছি তা বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য এবং তার বেশিরভাগটাই অনুমান বা আশঙ্কা।
বিশদ

31st  May, 2020
মমতার আশঙ্কাই সত্যি

 করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া লকডাউন ঘোষণার ফল ভুগতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এটাই বাস্তব সত্য। তাঁদের নিয়ে কেন্দ্রের যে কোনওরকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। প্রশ্ন হল, দেশবাসীর সুরক্ষায় সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে দেশের শাসক রাজধর্ম কতটা পালন করছে? বিশদ

30th  May, 2020
খামখেয়ালি ট্রেন

 মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি।
বিশদ

29th  May, 2020
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ আগস্ট ভারতে খুলছে ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো। আন্তঃরাজ্য ছাড়পত্রও শুরু হবে একই দিনে। বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সচিব কুশল দাস এই কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘৯ জুন ভারতে ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো খোলার কথা ছিল। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে আচমকা লকডাউন শুরু হওয়ায় বিভিন্ন রা঩জ্যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষ আটকে পড়েছিলেন। এখন প্রতিদিন সেই ...

বেজিং, ৪ জুন (পিটিআই): চীনে একটি প্রাথমিক স্কুলে ছুরিকাহত হলেন পড়ুয়া ও শিক্ষক মিলিয়ে কমপক্ষে ৪০ জন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ গুয়াংজি প্রদেশের ওঝাউ শহরের একটি সরকারি স্কুলে ওই ঘটনা ঘটেছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাসখানেক হল চালু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কোভিড হাসপাতাল। চালু হয়েছে করোনা রোগীদের সুপার স্পেশালিটি ব্লক বা এসএসবি বাড়ি। কিন্তু, এরই মধ্যে কোভিডে মৃত ব্যক্তির মোবাইল উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছে মেডিক্যালের সিকিউরিটি অফিসারের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তরপাড়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট ১৮ লক্ষ টাকা 
উত্তরপাড়ায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট হল ১৮ লক্ষ টাকা। ...বিশদ

04:29:00 PM

দুর্যোগ নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে: মমতা 

04:20:00 PM

উমপুনে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ নষ্ট হয়েছে: মমতা 

04:15:00 PM

পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন-বাসের ভাড়া দিয়েছি: মমতা

04:13:00 PM

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রের কোনও পরিকল্পনা নেই: মমতা 

04:11:00 PM

২৫ লক্ষ কৃষককে সাহায্য করা হয়েছে: মমতা 

04:11:00 PM