Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা: সঠিক সিদ্ধান্ত জরুরি

করোনার প্রকোপ নিয়ে দেশজুড়ে যে অস্থিরতা এবং আতঙ্কের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে, তাতে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছেন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এবং তাঁদের অভিভাবক। রাজ্যের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শ’পাঁচেক কলেজ মিলিয়ে শুধুমাত্র ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার জন্য উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষায় আছেন, এমন ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৯ লাখ। এই সঙ্কট থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায়, তার রাস্তা খুঁজতে মরিয়া কলেজ-বিশ্বদ্যালয়ের আধিকারিকরা, এমনকী শিক্ষা দপ্তরের কর্তারাও।
সবার চিন্তার যুক্তিসঙ্গত কারণও রয়েছে। কারণ, এর সঙ্গে ওইসব ছাত্রছাত্রীর আরও উচ্চশিক্ষায় যাওয়া এবং চাকরির প্রশ্ন জড়িত। যেহেতু লকডাউন কবে উঠবে বা আদৌ ১৭ তারিখে উঠবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি, তাই অন্য রাজ্যের মতো আমাদের রাজ্যেও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। এমনকী সম্প্রতি উপাচার্যদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর অনলাইনে যে বৈঠক হল, সেখানেও কোনও সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। কিন্তু সামগ্রিক পরিস্থিতি যা, তাতে এই সিদ্ধান্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আগেভাগেই নিয়ে রাখা জরুরি। কারণ এই ধরনের সিদ্ধান্ত পরে নিতে গেলে দীর্ঘসূত্রিতা বাড়বে, বাড়বে ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ঘোষণা করেছেন, সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ইন্টারমিডিয়েট সেমেস্টার (দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি) আপাতত নেওয়া হবে না। সবাই একটি করে সেমেস্টার এগিয়ে যাবে, কিন্তু চূড়ান্ত সেমেস্টার বা তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা নিতেই হবে।
উল্লেখ্য, সবচেয়ে বেশি সঙ্কট তৈরি হয়েছে এই ফাইনাল নিয়েই। যেমন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যে যে চাকরির অফার লেটার নিয়ে বসে আছেন, তার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার সার্টিফিকেট। ছাত্রছাত্রীদের জুলাইয়ে জয়েন করতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ ৩০ শে জুনের মধ্যে রেজাল্ট না বেরলে এদের পক্ষে চাকরিতে যোগদান করা আপাতত সম্ভব হবে না।
অন্যদিকে, ইউজিসি যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেই অনুযায়ী পরীক্ষা না হলে ইন্টার্নাল অ্যাসেসমেন্ট থেকে ৫০ শতাংশ এবং আগের সেমেস্টার থেকে ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে গড় করে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন করতে হবে। কিন্তু এই প্রস্তাব মানলেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। প্রথমত, কোনও রকম পরীক্ষা ছাড়াই কেউ যদি চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষায় পাশ করে যায়, তাহলে তার মূল্যায়ন হলো কোথায়? যে কোনও চাকরির পরীক্ষায় বা আরও উঁচু কোর্সে ভর্তি হতে গিয়ে তার সমস্যা হতেই পারে। তাই যে কোনও রকমের বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু করার পথেই চিন্তাভাবনা করা উচিত।
এমনিতে নির্ধারিত ১০ জুন যদি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলে যায়, তাহলে বাড়ি স্যানিটাইজ করার কাজ শেষ করার জন্য উপাচার্যরা দিন দশেক সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন। এছাড়া রুটিন, অ্যারেঞ্জমেন্ট তো আছেই। সব মিলিয়ে কেউ কেউ বিষয়টা এক মাসের মধ্যে মিটিয়ে ফেলা যাবে বলে জানিয়েছেন। কিন্তু লকডাউন উঠে গিয়ে স্কুল-কলেজ চালু হওয়ার পর আসল পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে, সেটা নিয়েও কিন্তু বিভ্রান্তি কাটেনি। বিভ্রান্তি হল অফলাইন না অনলাইনে পরীক্ষা, তা নিয়ে। চারটি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে যুক্তি সাজিয়েছে। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার অবস্থানগত সুবিধা এবং যে আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে অনলাইন কিন্তু আশু সমাধান হতে পারে না। এমনকী খোদ শিক্ষামন্ত্রীও এখনই ওই অনলাইন পরীক্ষায় সম্মতি দিতে পারেননি। তিনি বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপরই ছেড়ে দিয়েছেন।
তাই সামগ্রিক যা পরিস্থিতি, তাতে লকডাউন উঠলেই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়ার বন্দোবস্ত করা যায়, সেই সিদ্ধান্ত এখন থেকেই নিয়ে রাখতে হবে।
12th  May, 2020
ছন্দে ফিরছে পরিবহণ

 করোনা-যুদ্ধে নেমে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। আর্থিক বিকাশের হার একেবারে তলানিতে নেমে এসেছে। হু হু করে বাড়ছে বেকারত্বের হার। মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) হার হ্রাসের প্রবণতা আগেই ছিল। বিশদ

গরিবকে মাথা তুলতে নগদ

 শস্যশ্যামলা বাংলা। কিন্তু বিধ্বংসী উম-পুন তছনছ করে দিয়েছে আমাদের ঘর। সবচেয়ে ক্ষতি করেছে সোনার বাংলার সোনার ফসলের। চাষির ঘরে তাই এখন হাহাকার। দুশ্চিন্তায় মাথায় হাত। কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার লক্ষ লক্ষ চাষি? ঝড় আসছে বলে আগাম সতর্কবার্তা ছিল।
বিশদ

04th  June, 2020
বিকেন্দ্রিত কোভিড চিকিৎসা

 সোমবারের সরকারি হিসেব বলছে, কালিম্পং ছাড়া রাজ্যে আর কোনও জেলা নেই, যাকে গ্রিন জোন হিসেবে উল্লেখ করা যায়। অর্থাৎ বাকি সমস্ত জেলাতেই কমবেশি কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগী আছে। সোজা কথায়, কালিম্পং বাদে বাংলা করোনা-পীড়িত।
বিশদ

03rd  June, 2020
আশার আলো

করোনার দাপটে যখন বিশ্বজুড়ে মন্দা শুরু হয়েছে, চাকরি যাচ্ছে কোটি কোটি মানুষের, তখন এই রাজ্যের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে মোদি সরকারের দেওয়া এক তথ্য। কেন্দ্র জানিয়েছে, গত এক বছরে রাজ্যে চাকরির বাজার বেড়েছে। চাকরি পেয়েছেন প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ।
বিশদ

02nd  June, 2020
সবুজায়ন সংস্কৃতি

 পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বিধ্বংসী ঝড় বয়ে যাওয়া নতুন কিছু নয়। কিন্তু উম-পুন যে ধাক্কা দিয়ে গিয়েছে, কোনও সংশয় নেই, কলকাতার ইতিহাসে তার বিশেষ উল্লেখ থেকে যাবে। কারণ, স্মরণকালের মধ্যে কলকাতাকে এইভাবে আহত করেনি প্রকৃতির অন্য কোনও খেয়াল।
বিশদ

01st  June, 2020
দুর্দিনে ভরসা সেই কৃষি

ভারতীয় অর্থনীতির উপর করোনা আক্রমণের প্রভাব যে বিরাট হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু আমরা জানতে পারছি তা বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য এবং তার বেশিরভাগটাই অনুমান বা আশঙ্কা।
বিশদ

31st  May, 2020
মমতার আশঙ্কাই সত্যি

 করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া লকডাউন ঘোষণার ফল ভুগতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এটাই বাস্তব সত্য। তাঁদের নিয়ে কেন্দ্রের যে কোনওরকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। প্রশ্ন হল, দেশবাসীর সুরক্ষায় সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে দেশের শাসক রাজধর্ম কতটা পালন করছে? বিশদ

30th  May, 2020
খামখেয়ালি ট্রেন

 মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি।
বিশদ

29th  May, 2020
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনে দেশের সর্বত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি আটকে রয়েছে। ব্যতিক্রম নয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তাদের চিন্তা বাড়িয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম তৈরি হতে চলা ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ আগস্ট ভারতে খুলছে ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো। আন্তঃরাজ্য ছাড়পত্রও শুরু হবে একই দিনে। বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সচিব কুশল দাস এই কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘৯ জুন ভারতে ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো খোলার কথা ছিল। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাসখানেক হল চালু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কোভিড হাসপাতাল। চালু হয়েছে করোনা রোগীদের সুপার স্পেশালিটি ব্লক বা এসএসবি বাড়ি। কিন্তু, এরই মধ্যে কোভিডে মৃত ব্যক্তির মোবাইল উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছে মেডিক্যালের সিকিউরিটি অফিসারের ...

বেজিং, ৪ জুন (পিটিআই): চীনে একটি প্রাথমিক স্কুলে ছুরিকাহত হলেন পড়ুয়া ও শিক্ষক মিলিয়ে কমপক্ষে ৪০ জন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ গুয়াংজি প্রদেশের ওঝাউ শহরের একটি সরকারি স্কুলে ওই ঘটনা ঘটেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: ইরানে একদিনে আক্রান্ত ২৮৮৬ জন
 

ইরানে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২৮৮৬ জন। মৃত্যু ...বিশদ

05:40:15 PM

উত্তরপাড়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট ১৮ লক্ষ টাকা 
উত্তরপাড়ায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট হল ১৮ লক্ষ টাকা। ...বিশদ

04:29:00 PM

দুর্যোগ নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে: মমতা 

04:20:00 PM

উমপুনে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ নষ্ট হয়েছে: মমতা 

04:15:00 PM

পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন-বাসের ভাড়া দিয়েছি: মমতা

04:13:00 PM

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন্দ্রের কোনও পরিকল্পনা নেই: মমতা 

04:11:00 PM