Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

প্রোমোটারের থাবা থেকে মুক্তি  

দেশ স্বাধীন হয়েছে সাত দশক পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও দারিদ্র্য দূর করা যায়নি। দারিদ্রসীমার নীচে রয়ে গিয়েছে অন্তত ২০ কোটি ভারতবাসী। সরকারের পর সরকারের বদলায়, পরিকল্পনার পর পরিকল্পনা শেষ হয়, তবু চরম দারিদ্র্য দূর হওয়ার, এমনকী কমারও কোনও লক্ষণ স্পষ্ট হয় না। বিপিএল রেশন কার্ড আর সস্তা দরের খাদ্য কতটা বণ্টন করা প্রয়োজন, তা নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যগুলির দড়ি টানাটানির অন্ত নেই। এই বাবদ অর্থ বরাদ্দ নিয়েও কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে বিবাদ নিত্যকার ঘটনা—যার কোনও মীমাংসা আজ অবধি হয়নি। জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম চাহিদা হল খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান। তারপর আসে চিকিৎসা, শিক্ষা, বিনোদন প্রভৃতি। খাদ্যের নিশ্চয়তা নিয়ে সরকারি প্রকল্প চালু হয়েছে ঠিকই, তবু কোনও সরকার বুকে হাত রেখে বলতে পারবে না যে সবাইকে দু’বেলা পেট ভরে স্বাস্থ্যকর পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা গিয়েছে। চাহিদার প্রথমটাই যে-দেশে যে-সমাজে এখনও পূরণ করা সম্ভব হয়নি সেখানে বস্ত্র এবং বাসস্থানের অপ্রতুলতা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ কোথায়? বলার অপেক্ষা রাখে না গরিবের জন্য চিকিৎসা শিক্ষা বিনোদনের কী হাল! ভোটের প্রচারে সব দলের দাবি থাকে যে তারা সরকারে এলেই গরিবের চাহিদা পূরণের কাজটি করবে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে। আর শাসক দল বলে, ফের সরকার গড়ার সুযোগ পেলে গরিবি দূর করেই তবে ক্ষান্ত হবে। গত শতকের সত্তরের দশকে ইন্দিরা গান্ধীর মুখে এই আশ্বাস প্রথম শোনা গিয়েছিল। তারপর তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে কংগ্রেসের তরফে দীর্ঘদিন ভারত শাসন করেছেন রাজীব গান্ধী, নরসিমা রাও, মনমোহন সিং প্রমুখ। তাঁরাও কথা রাখেননি। কংগ্রেসের মুণ্ডপাত করে সরকার আলো করেছেন একাধিক বারোভাজা নেতা এবং বিজেপিরও দু’জন প্রধানমন্ত্রী। তবু আমরা কমবেশি সেই তিমিরেই পড়ে রয়েছি।
বিশেষত সবার মাথার উপর ছাদের ব্যবস্থা করা যায়নি। তার একটি বড় কারণ গরিবদের বেশিরভাগই ভূমিহীন। শহুরে গরিবদের অবস্থা যাকে বলে সঙ্গিন! ঘর তৈরির জন্য সবার আগে দরকার একখণ্ড জমি। যে মানুষ পেট ভরাবার সামান্য ভাত রুটি ডাল সব্জির ব্যবস্থা করতেই দিনে তারা দেখে, তার সঞ্চয় বলে কিছু থাকে না। সঞ্চয় না-থাকলে জমির মালিক হওয়ার স্বপ্নটাও দেখা যায় না। অতএব সেই মানুষের জায়গা হয় ফুটপাত, রেলের প্ল্যাটফর্ম, বাসযাত্রী প্রতীক্ষালয়, উড়ালপুল বা কোনও সেতুর নীচের অন্ধকার কোণ কিংবা কোনও পরিত্যক্ত বিপজ্জনক বাড়ি বা গুদাম ঘরের একটি অংশে। কেউ-বা কাঁচাঘর বানায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা সরকারি বেসরকারি জমিতে। আবার কিছু মানুষ বহু বছর ধরে বাস করে যেমন-তেমন ভাড়ার ঘরে কিংবা ঠিকাস্বত্বে পাওয়া জমিতে। কলকাতায় এবং শহরতলিতে গত কয়েক দশক যাবৎ হাজারে হাজারে ছোটবড় আবাসন তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে—এর কোনও বিরাম নেই। দেখে মনে হবে—গৃহসমস্যা আর কারও কিছু থাকবে না। কিন্তু বাস্তবটা একেবারে অন্যরকম। কারণ, ফ্ল্যাট কেনার সামর্থ্য ক’জনের আছে? যে ফ্ল্যাট তৈরি করতে ৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে, সেটাও একজন গরিব কিনতে পারবে না। কারণ, নির্মাণ খরচের সঙ্গে প্রোমোটারের লাভ এবং নানাবিধ সরকারি কর এবং গুন্ডা ট্যাক্স দিয়ে তার দাম গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ১৫ লাখ! ব্যাঙ্কের বিধি মেনে গৃহঋণ চাইবার যোগ্যতাও সকলের নেই। অতএব কোটি কোটি মানুষের গৃহহীন হয়ে থাকাই নিয়তি এই পোড়ার দেশে।
কিন্তু, বস্তিতে বা ঠিকাস্বত্বের উপর কোনোরকমে কাটিয়েও দিতে পারেন না সকলে। প্রোমোটার নামক বিশেষ প্রজাতির একটি অংশের সীমাহীন লোলুপ হাত সেদিকেও প্রসারিত হয়। তারা গুন্ডা দিয়ে, রাজনীতির দাদাদের ধরে কিংবা আগুন লাগিয়ে বহু বস্তির দখল নেয়। কলকাতা ও হাওড়ায় প্রোমোটার চক্রের এই অনাচার ঠেকাতে এবার উদ্যোগী হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ঠিকা টেন্যান্সি আইনের সংশোধন করে ঠিকা ভাড়াটিয়াদের আইনগত মর্যাদা আগেই বদলে দেওয়া হয়েছে। সেই অনু্যায়ী বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঠিকা লিজি এবং ঠিকা অ্যাসাইনিদের গৃহনির্মাণের ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। তারা এবার থেকে ব্যাঙ্কঋণ গ্রহণ এবং ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে। সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে, নতুন এই বিধানে প্রোমোটারদের ইনিয়ে বিনিয়েও অনুপ্রবেশের কোনও সুযোগ রাখা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও এই বিষয়ে সতর্ক পদক্ষেপ করতে হবে। তারা যেন আইন মেনেই ঘর তৈরি করে। পরিবেশের সুস্থতা বজায় রাখার বিষয়েও যত্নবান হয়। তারা যাতে কোনোভাবেই রাজনীতির বোড়ে কিংবা অসাধুচক্রের শিকার না-হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে সরকারকে।  
02nd  November, 2019
সিলেবাসেও আক্রান্ত গণতন্ত্র

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান। জীবনধারণের প্রথম তিনটি উপকরণ। এই তিনটি চাহিদা পূরণ না হলে কোনও মানুষের পক্ষে সভ্য সমাজের অংশ হওয়া সম্ভব নয়। বস্ত্র ও বাসস্থানের প্রকার ভেদ রয়েছে। মানুষ তার আর্থিক পরিস্থিতি এবং প্রাকৃতিক ও সামাজিক অবস্থান অনুসারে বস্ত্র বেছে নেয়।
বিশদ

সুরক্ষাবিধি না মানার খেসারত 

জুলাই মাসে টানা কয়েকদিন ধরে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ও মৃতের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। সেই করোনা চিত্রই তিন মাস আগের স্মৃতি উসকে দিয়ে ফিরিয়ে আনল লকডাউন। তবে সর্বত্র নয়, কলকাতা সহ রাজ্যের কিছু এলাকায়।   বিশদ

09th  July, 2020
করোনা যুদ্ধের সহায়ক পদক্ষেপ

ভারত একটি উন্নয়নশীল দেশ। মানে, দেশটি উন্নত দুনিয়ার সমগোত্রীয় নয়। সেই স্তরে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে এগচ্ছে। গত চার দশক যাবৎ সেটাই শুনে আসছেন দেশবাসী। তবু, ভারত ‘উন্নত’ দেশের সংজ্ঞাভুক্ত এখনও হতে পারেনি।
বিশদ

08th  July, 2020
সাফল্যের রেকর্ড

 এক অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশ, রাজ্য। এক ভাইরাসের ধ্বংসলীলায় নাভিশ্বাস উঠেছে দেশবাসীর। করোনা হানায় অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙেছে। যার জেরে কাজ হারানো লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে গভীর সঙ্কট।
বিশদ

07th  July, 2020
কাজের বাংলা 

একটা দেশ আর্থিকভাবে কতটা শক্তিশালী, তা বোঝাতে অনেকে মাথাপিছু আয়ের হিসেব নেন। যে দেশের মাথাপিছু আয় বেশি, সেই দেশকে আপাতভাবে উন্নত মনে হয়। মনে হতে পারে, সেই দেশ আর্থ-সামাজিকভাবে বেশ এগিয়ে।   বিশদ

06th  July, 2020
মানুষের রাজনীতি 

রাজনীতির প্রাচীন সংজ্ঞা চারটি বিষয় বা নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। সাম, দান, ভেদ ও দণ্ড। ‘সাম’ শব্দের অর্থ শত্রুকে বশীভূত করা। তোষণ এবং সন্ধিস্থাপনের মাধ্যমে তা সম্ভব।   বিশদ

05th  July, 2020
স্বপ্নপূরণের দলিল 

সেই কবে কোলে কাঁখে বাচ্চা আর বাক্স প্যাটরা নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে এপারে ঠাঁই নিয়েছিলেন তাঁরা। মানে আজকের উদ্বাস্তু কলোনির বাসিন্দাদের পূর্বপুরুষরা। তারপর গঙ্গা-পদ্মা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে, এখন তাঁরা বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছেন।  বিশদ

04th  July, 2020
এবার ভয় জি-৪ 

কথায় বলে, বিপদ একা আসে না। কোভিড-১৯-এর ধাক্কায় মানবসভত্যা টলমল। এই মহামারী থেকে বাঁচার উপায় খুঁজতে হিমশিম খাচ্ছে সারা পৃথিবী। এরই মধ্যে জি-৪ নামক এক মারণ ভাইরাসের দুঃসংবাদে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।   বিশদ

03rd  July, 2020
হিসেবের চাল 

কথায় আছে, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। কিন্তু মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণায় এক বেনজির উলটপুরাণের সাক্ষী থাকল রাজ্যবাসী।   বিশদ

02nd  July, 2020
কয়লা শিল্পে সরকার একাই যথেষ্ট

 জ্বালানি ও শক্তির প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে কয়লার গুরুত্ব বিরাট। হাতে গোনা কয়েকটিমাত্র দেশে ভালো পরিমাণ কয়লার মজুদ ভাণ্ডার রয়েছে। সেই সৌভাগ্যের অধিকারীদের মধ্যে ভারত অন্যতম। বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ কয়লা ভাণ্ডারটি ভারতের।
বিশদ

01st  July, 2020
সতর্কতা, নাকি অন্য কারণ

 এ যেন ভাসুর ভাদ্দর বউয়ের সম্পর্ক! ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে সংঘর্ষের পর সর্বদল বৈঠকে চীনের নাম না করে তিনি বলেছিলেন, কেউ ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে বসে নেই, তাঁবুও তৈরি করেনি। রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে লাদাখের প্রসঙ্গ টানলেও চীনের নাম নিলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

30th  June, 2020
কেন্দ্রের অমানবিক নিয়ম

 করোনা পরিস্থিতি পৃথিবীর প্রায় সব দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়া বানচাল করে দিয়েছে। সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে কাজের বাজারে। বাঁধাধরা সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত মানুষের সংখ্যা খুব কম। বেশিরভাগ মানুষ কাজ করেন বেসরকারি শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা পরিষেবা ক্ষেত্রে।
বিশদ

29th  June, 2020
চিকিৎসা খরচ ও মানবিক সরকার

 কথায় বলে, বসে খেলে রাজার ধনও একটা সময় পর নিঃশেষিত হয়ে যায়। আমরা ভারতবাসী। আমরা বঙ্গবাসী। আর্থ-রাজনীতিক তত্ত্ব ভিন্নমত পোষণ করতে পারে। কিন্তু বাস্তবটা হল, ভারত একটা গরিব দেশ। তার ভিতরে পশ্চিমবঙ্গের আর্থ-সামাজিক অবস্থান গড়পড়তা।
বিশদ

28th  June, 2020
হুঙ্কারেই সুর বদল

 কারও সর্বনাশ হলে অনেকের পৌষ মাস হয়। ঝড়-বন্যা-ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে লক্ষ লক্ষ মানুষ সব হারিয়ে পথে বসেন। তাঁদের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান ফিরিয়ে দিতে ত্রাণবাবদ কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করে সরকার। বিশদ

27th  June, 2020
ওষুধের অপপ্রয়োগের বিপদ

 ওষুধ আমরা একাধিক উপায়ে নিয়ে থাকি। ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইঞ্জেকশন, সিরাপ, মলম, স্যালাইন, ইনহেলার প্রভৃতি। যে-কোনও ওষুধ সবসময় ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই ব্যবহার করা উচিত। অন্যথায় সব ওষুধই অতি মাত্রায়, কম মাত্রায় (অনিয়মিত-সহ) এবং অপ্রয়োজনে নেওয়া হতে পারে।
বিশদ

26th  June, 2020
বাংলার উত্তরণ

কথায় আছে, যারে দেখতে নারি তার চরণ ব্যাঁকা। এ রাজ্যের স্কুল শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা সরকারের শাপশাপান্ত করেন, গেল গেল রব তোলেন—এই রিপোর্ট তাঁদের কপালে ভাঁজ ফেলবে নিশ্চিত।
বিশদ

25th  June, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা ‘সিপ’ বাবদ আদায় কমল জুন মাসে। গত মাসে গোটা দেশে সিপ-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। অথচ তার আগের মাসে, অর্থাৎ মে মাসে বিনিয়োগ হয়েছিল ৮ হাজার ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আগেই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বালুরঘাট শহরের বাইকের একটি শোরুমের এক কর্মী। এবার সেই শোরুমের আরও এক কর্মী এবং সেখানে আসা এক ক্রেতার করোনা ...

বার্সেলোনা: খেতাবের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েও লড়াই জারি বার্সেলোনার। বুধবার ক্যাম্প ন্যু’য়ে লুই সুয়ারেজের করা একমাত্র গোলে কাতালন ডার্বিতে এস্প্যানিয়লকে পরাস্ত করল কিকে সেতিয়েন-ব্রিগেড। এই জয়ের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে করোনায় আক্রান্ত ৫৯৬ জন বন্দী ও ১৬৭ কর্মী
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৬ জন ...বিশদ

09:44:11 AM

করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:35:40 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM