Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

গরিবের আয় বাড়াতেই হবে

দেশ স্বাধীন হওয়ার সাত দশক পরেও আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল বিপিএল তালিকা তৈরি করা। সরকারের পর সরকার বদল হয়েছে। পরিকল্পনার পর পরিকল্পনা শেষ হয়েছে। তবু দারিদ্র্যসীমার নীচের মানুষের সংখ্যা কমেনি, বরং বেড়ে চলেছে পশ্চিমবঙ্গসহ অনেক রাজ্যে। গরিবের জন্য ডোল বিতরণের রাজনৈতিক দলীয় প্রতিযোগিতা লক্ষণীয় হয়ে ওঠে যে-কোনও ভোটের আগে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদক্ষেপ হল নামমাত্র দামে চাল, গম, আটার মতো প্রধান খাদ্য সরকারি ব্যবস্থার মাধ্যমে বণ্টন। ভারতের একটি বড় অংশের মানুষের কাছে এই ধরনের খয়রাতি যে এখনও বিরাট মূল্য বহন করে তার প্রমাণ বহু পরিবার খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রকল্পের রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য মাথা কুটছে। এই ধরনের কার্ড তৈরি করিয়ে দেওয়ার নামে অনেক রাজ্যেই শাসক দল বা গোষ্ঠী তাদের কাছে গরিব মানুষের বশ্যতা দাবি করে। গরিব মানুষকে তারা ল্যাজে খেলায়। এমনকী, এই ধরনের কার্ড করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনেক অসাধু রাজনীতির কারবারি কাটমানি খেয়ে থাকে। এসব নিত্য প্রত্যক্ষ করার পর ভারতবাসীর কাছে বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারতের পিছিয়ে পড়ার খবর অস্বাভাবিক ঠেকে না। শুধু লজ্জাবোধ হয় যে আমরা প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের থেকেও নীচে নেমে গেলাম! অথচ আমরা মঙ্গল এবং চন্দ্র অভিযান করছি। সার্জিকাল স্ট্রাইক করে পাকিস্তানকে টাইট দেওয়ার অহংকারে ফেটে পড়ছি। বলিউডে চোখ ধাঁধানো ফিল্ম তৈরি করে সবাইকে ঘোরের ঘরে নিয়ে বসিয়ে দিচ্ছি। শুধু গরিবের পেট ভরাতে ব্যর্থ হচ্ছি!
এই কলঙ্ক থেকে দেশকে উদ্ধারের একটি কার্যকরী পদক্ষেপের নাম মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট (এমজিএনআরইজিএ), ২০০৫। এই আইন অনুসারে মনমোহন সিংয়ের সরকার ২০০৬ সালের গোড়ায় যে কর্মসূচি নিয়েছিল তার মোদ্দা কথা ছিল—গ্রাম-ভারতের সবচেয়ে গরিব পরিবারগুলির জন্য বছরে অন্তত ১০০ দিনের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া। কর্মসূচিটি ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প নামে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সরকারি উদ্যোগে বছরে অন্তত ১০০ দিনের কাজের ব্যবস্থা একটি যুগান্তকারী ভাবনা। প্রকল্পটি চালু হতেই দেশজুড়ে সাড়া পড়ে যায়। প্রকল্পটির একাধিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও হত দরিদ্র পরিবারগুলি হঠাৎ হেসে ওঠে। গ্রাম-ভারতের অর্থনীতিতে এই পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রভাবটি স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হতে থাকে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট, ২০১৪-য় কর্মসূচিটিকে ‘স্টেলার এক্সাম্পেল অফ রুরাল ডেভেলপমেন্ট’ নামে অভিহিত করা হয়। কিন্তু, পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করা যায়, ভারত আছে ভারতেই। গরিবের অন্নেও চোরের হাত প্রসারিত হল দিকে দিকে। এই প্রকল্পের জব কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে নানাবিধ জালজোচ্চুরি হল। অনেক জায়গায় প্রকৃত গরিবদের অন্ধকারে রেখে সচ্ছল ব্যক্তিদের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হল। কোনও কাজ না-করেই তারা ভুয়ো বিল তৈরির মাধ্যমে গরিবের প্রাপ্য অর্থ আত্মসাৎ করতে লাগল। তার ফলে অনেক জায়গায় গরিব গরিবই রয়ে গেল, সচ্ছল পরিবার আরও পয়সার মালিক হতে থাকল। গরিবের হাতে কিছু পয়সা দেওয়ার আর একটি উদ্দেশ্য ছিল গ্রাম দেশে কিছু সম্পদেরও সৃষ্টি। কিন্তু সীমাহীন দুর্নীতির কারণে গ্রাম-ভারত সম্পদ সৃষ্টির সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হল। অর্থাৎ রাজনীতি আর প্রশাসনের অসাধু অংশটি দু’ভাবে দেশের ক্ষতি করল।
প্রকল্প রূপায়ণের এই গলদের প্রসঙ্গ টেনে নরেন্দ্র মোদির সরকার এই ব্যাপারে বিশেষ কড়াকড়ি করেছে। তাতে অন্যায় কিছু নেই। দুর্নীতি ঠেকানোই কাম্য। প্রকল্পটিকে স্বচ্ছতার সঙ্গে রূপায়ণ করা গেলে আরও বেশি গরিব মানুষ উপকৃত হবে। গ্রাম গ্রামান্তরের আর্থিক বৈষম্য কমতে থাকবে। প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ এই কর্মসূচির বিস্তারই বরং কাঙ্ক্ষিত। প্রকল্পটিকে হাতিয়ার করে স্থায়ী সম্পদ বৃদ্ধির উপর বেশি করে জোর দেওয়া জরুরি। এইভাবে আরও কয়েক বছর এগিয়ে যেতে পারলে একদিন দারিদ্র্য সত্যিই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, আজকের মতো দারিদ্র্য হয়তো ইতিহাসই হয়ে যাবে। তার পরিবর্তে চোরের উপর রাগ করে মাটিতে ভাত খাওয়া তো যায় না! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যা অভিযোগ তা থেকে মনে হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে। এখানে গত বছরের তুলনায় উপকৃত পরিবার এবং শ্রমদিবসের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছে। কেন্দ্র এবং রাজ্য দুই সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে, যাতে প্রকল্পটি দারিদ্র্যদূরীকরণের সার্থক হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। ‌বুকে হাত রেখে ‘জয় হিন্দ’ উচ্চারণের জন্য গরিবের আয় বৃদ্ধির বিকল্প কিছু নেই।
24th  October, 2019
শ্রীলঙ্কায় ‘চীনবন্ধু’র জয় ভারতের পক্ষে অনুকূল হবে না 

ভোটে জিতে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হলেন গোতাবায়া রাজাপাকসে। আমরা শ্রীলঙ্কার মহিন্দা রাজাপাকসেকে জানি। ইনি হলেন তাঁর দাদা। ভালো মার্জিনে জিতে গোতাবায়া ক্ষমতায় এলেও একমাত্র সিংহলী আর বৌদ্ধরা ছাড়া সেই দ্বীপভূমি রাজ্যে আর কেউ তেমন আনন্দে নেই। কেননা গোতাবায়ার অতীত ইতিহাস তেমন উজ্জ্বল নয়।  
বিশদ

বিমার অর্থের অবিবেচক লগ্নি

চিটফান্ডে টাকা রেখে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ তাদের সঞ্চয় খুইয়েছেন। সেই পথে আর যেতে চান না কেউই। অগত্যা ভারতীয় জীবন বিমা নিগম (এলআইসি) ছিল সঞ্চিত অর্থ লগ্নি করার সহজ পথ। সবাই জানেন, সরকারি বিমা সংস্থায় অন্তত টাকা মার যাওয়ার ভয় নেই। তাই এলআইসিতে আম জনতা টাকা রাখেন নিরাপদ মনে করেই। 
বিশদ

18th  November, 2019
ভারতের নারীশক্তির যুক্তিতে আবার বেআব্রু পাকিস্তান

 মার্গারেট থ্যাচার বলেছিলেন, যদি কোনও কাজ নিয়ে কিছু বলতে হয়, একজন পুরুষকে বলুন। আর যদি কোনও কাজ সম্পূর্ণ করতে হয়, বলে দেখুন একজন মহিলাকে। শুক্রবার ভারতের নারীশক্তির যে দাপট আন্তর্জাতিক মঞ্চ দেখল, তা পৃথিবীর অন্তিম লগ্ন পর্যন্ত মনে রাখবে পাকিস্তান। বিশদ

17th  November, 2019
রেলের খাবারের দাম বাড়ছে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ুক মানও

 ভারতের জীবনরেখার অন্যতম একটি নাম হল রেল। প্রতিদিন অহোরাত্র লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশু থেকে ধনী-দরিদ্রদের যাতায়াতের সহজ ও সুলভ মাধ্যম রেল। সব থেকে কম খরচে, আরামে, তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য রেলই আমআদমির প্রথম পছন্দ। বিশদ

16th  November, 2019
পণের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত রাজস্থানে!

 ভারতে পণপ্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আইন বলবৎ হয়েছে ১৯৬১ সালে, অর্থাৎ ৫৮ বছর হয়ে গেল। তার পরেও পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি নারী পণপ্রথার বলি হয় যে দেশে তার নাম ভারত, আমাদের মহান দেশ! ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর (এনসিআরবি) তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতে প্রতি দেড় ঘণ্টায় একজন মহিলাকে পণলোভীদের রোষে পুড়ে মরতে হয়। বিশদ

15th  November, 2019
বেলাগাম গতি: চাই কড়া পদক্ষেপ

গতি। বলা ভালো উদ্দাম গতি। কখনও নেশার ঘোরে, কখনও রেষারেষি, কখনও আবার স্রেফ স্টান্টবাজি। শহরের বুকে ঝরে পড়ছে একের পর এক প্রাণ। বয়সে তরুণ বা সদ্য যৌবনে পা দেওয়া তরতাজা প্রাণ। 
বিশদ

14th  November, 2019
লক্ষ্য কর্মসংস্থান

 পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল বলে কেন্দ্রের সরকার যতই দাবি করুক না কেন তার বড় ধাক্কা যে দেশের কর্মসংস্থানের উপর পড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কাজের বাজারের ছবিটাই এখন বিবর্ণ, কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। নোটবন্দির জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। বিশদ

13th  November, 2019
বুলবুল-পরবর্তী বাংলার প্রত্যাশা  

এক দশক আগের ‘আ‌ইলা’র স্মৃতি উসকে দিয়ে শনিবার দক্ষিণবঙ্গের একাংশে আছড়ে পড়ল ‘বুলবুল’। প্রাণহানির নিরিখে বুলবুলের দাপট আইলার চেয়ে কমই ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত অন্য ক্ষয়ক্ষতির যে খতিয়ান সরকারের হাতে এসেছে তাতে এই বিপর্যয়কে কোনোভাবেই ন্যূন মনে করার সুযোগ নেই।  
বিশদ

12th  November, 2019
বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের দেশ

সময় লাগল অনেকটাই। তবে অবশেষে স্বস্তি এল। দীর্ঘদিনের জটও কাটল। নতুন করে সবকিছু শুরু হওয়ার অপেক্ষায় অযোধ্যা। আর বহু প্রতীক্ষিত এই সুদিন দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এভাবেই অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণার পর জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিশদ

11th  November, 2019
নিরাপত্তার নামে 

গোয়েন্দারা বারবার সতর্ক করেছিলেন। শোনেননি ইন্দিরা গান্ধী। অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে অপারেশন ব্লু স্টারের পর ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো জানিয়েছিল, শিখ সম্প্রদায় আপনার শত্রু হয়ে গিয়েছে। আপনার নিরাপত্তা বলয় থেকে শিখদের সরিয়ে দিন। মানতে চাননি ইন্দিরা। বিয়ন্ত সিং এবং সতবন্ত সিং বহুদিনের সঙ্গী... তাঁদের সরাবেন না প্রধানমন্ত্রী। 
বিশদ

10th  November, 2019
পেঁয়াজের দামে নাভিশ্বাস

 প্রায় শেষ পুজোর মরশুম। গণেশ পুজো দিয়ে শুরু হয়ে জগদ্ধাত্রীতে এসেছে থেমেছে উৎসবের লগ্ন। এই সময় আমবাঙালির হাত প্রায়-শূন্য হয়ে পড়ে ফিবছরই। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু, তার উপর আছড়ে পড়েছে মূল্যবৃদ্ধির ভয়াবহ ‘বুলবুল’। বাজারে বেরলে নিমেষে উড়ে যাচ্ছে নোট। বিশদ

09th  November, 2019
গুজরাতি: বৈষম্যমূলক ও অবাঞ্ছিত 

গোটা এশিয়া মহাদেশে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যিনি তিনি একজন বাঙালি কবি। বলা বাহুল্য তাঁর নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তারপর শতবর্ষ পেরিয়ে গিয়েছে। তবু ভারতের অন্যকোনও ভাষার সাহিত্যিকরা সেই গর্ব স্পর্শ করতে পারেননি। রবীন্দ্রনাথেরই লেখা দুটি গান ভারত এবং বাংলাদেশের জাতীয়সঙ্গীত। এও এক অনন্য নজির।  
বিশদ

08th  November, 2019
অগ্রগতির আসল চাবিকাঠি

 সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতীয় সমীক্ষা রিপোর্ট। ‘ন্যাশনাল হেলথ প্রোফাইল, ২০১৯’ নামের এই বিশাল রিপোর্টে দেশের শিশুদের যে স্বাস্থ্যচিত্র ধরা পড়েছে তাকে কোনোভাবেই আশাব্যঞ্জক বলা যাবে না। বিশদ

07th  November, 2019
নিরাপদ অবস্থান 

দেশের উন্নতি করতে হলে সাধারণ মানুষের, বিশেষত গরিব মানুষের জীবনযাত্রায় উন্নতি ঘটাতেই হবে। তাঁদের জীবনকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। ভাবতে হবে তাঁদের স্বার্থরক্ষার কথা। কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে যে তারা ধনীদের স্বার্থরক্ষা করে, সিদ্ধান্ত নেয় বড়লোক শ্রেণীর স্বার্থে। তারা চাষি, খেতমজুর অর্থাৎ গরিব মানুষের কথা বিশেষ ভাবে না। 
বিশদ

06th  November, 2019
পাকিস্তানের স্বভাব যায় না ম’লে 

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, স্বভাব যায় না ম’লে। যার যা স্বভাব সেটা সে পালন করে যাবেই। সে ভালোই হোক আর মন্দই হোক। মন্দ হলে সে কাজের সমালোচনা বা নিন্দা হবেই। কিন্তু অসম্মান আর বেইজ্জতই যাদের ভূষণ তারা এসব অসম্মানকে থোড়াই কেয়ার করে।  বিশদ

05th  November, 2019
পেগাসাস থেকে সাবধান! 

ফের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ! ভারতের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের উপর গোয়েন্দাগিরি করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপকে কাজে লাগানো হয়েছিল এ বছরের গোড়ায়। নজরদারি চালাবার জন্য ‘পেগাসাস’ নামে একটি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছিল, যা তৈরি করেছিল এনএসও গ্রুপ নামের এক ইজরায়েলি সংস্থা। 
বিশদ

04th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: সোমবার সকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার বেলন গ্রাম পঞ্চায়েতের পটুয়া এলাকায় ধান খেতে এক অজ্ঞাতপরিচয়ের যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।   ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: সোমবার সকালে বড়ঞা থানার বিপ্রশেখর গ্রামে এক প্রৌঢ়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম বাদল দত্ত(৫২)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   ...

মাইসুরু, ১৮ নভেম্বর: রবিবার মাইসুরুতে একটি বিয়েবাড়িতে যোগ দিতে গিয়ে আততায়ীর হামলায় গুরুতর জখম হলেন কর্ণাটকের কংগ্রেস বিধায়ক তনভির সাইত। তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এক ব্যক্তি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভ কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৭: ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্ম
১৯২২: সঙ্গীতকার সলিল চৌধুরির জন্ম
১৯২৮: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের জন্ম
১৯৫১: অভিনেত্রী জিনাত আমনের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৪ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৬ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৫ টাকা ৮০.৮১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১ দিবা ৩/৩৬। অশ্লেষা ৩৮/৩৮ রাত্রি ৯/২২। সূ উ ৫/৫৫/২২, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৭/২৩ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩৪ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৫/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫ মধ্যে। 
২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১৯/২৬/৫২ দিবা ১/৪৩/৫৬। অশ্লেষা ৩৬/১/৪১ রাত্রি ৮/২১/৫১, সূ উ ৫/৫৭/১১, অ ৪/৪৮/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ৯/১৪ গতে ১১/৫৪ মধ্যে ও ১/৪১ গতে ৩/২৮ মধ্যে ও ৫/১৪ গতে ৫/৫৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৮/৩৬ গতে ৮/৪০/১ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৩/১৫ গতে ২/৫/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭/৪ গতে ৮/৫/৪০ মধ্যে।
২১ রবিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

18-11-2019 - 05:36:00 PM

খড়্গপুরের এসডিপিও সুকমল দাসকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন 

18-11-2019 - 05:34:00 PM

হাসপাতালে ভর্তি নুসরত জাহান
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা সংসদ সদস্য ...বিশদ

18-11-2019 - 04:58:35 PM

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে অপারেশন করা হয়েছে: মমতা 

18-11-2019 - 04:46:00 PM

মিথ্যে কথা বলা ছাড়া কোনও কাজ করছে না বিজেপি: মমতা 

18-11-2019 - 04:43:00 PM

৩ দলকেই বাংলা থেকে বিদায় নিতে হবে: মমতা 

18-11-2019 - 04:41:00 PM