Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

সুদের হার হ্রাসে সুরাহা হবে কি? 

বছর পাঁচেক আগেও বৃদ্ধির নিরিখে ভারতের অর্থনীতিকে সমীহ করছিল দুনিয়া। সবচেয়ে দ্রুতগতির অর্থনীতির প্রশ্নে ভারত সমানে টক্কর দিচ্ছিল চীনের সঙ্গে। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (আইএমএফ) এবং বিশ্ব ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন শীর্ষ সংস্থা ভারতকে নিয়ে একাধিক আশাপ্রদ ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিল। ভারতে বৈদেশিক পুঁজি বিনিয়োগের পরিসর চওড়া হচ্ছিল। তা থেকে অর্থনীতির পণ্ডিতরা খুশি প্রকাশ করেছিলেন। কারণ, তাঁদের বক্তব্য ছিল—ভারতের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করে তুলতে প্রয়োজন শিল্পায়ন। কৃষিপ্রধান দেশ। এখানে কৃষিকে আধুনিক করার পাশাপাশি শিল্পোৎপাদনে বৈচিত্র্য আনতে হবে। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা কারও অজানা নয়। আবার দেশীয় বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষমতাও প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য। অতএব প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ। ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই), ফরেন পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট (এফপিআই), ফরেন ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টমেন্ট (এফআইআই) প্রভৃতি সবধরনের বিনিয়োগই কাম্য। অর্থনৈতিক মহল আশা করেছিল সমস্ত ধরনের বিনিয়োগের পরিসর তৈরি করা গেলে দেশজুড়ে কাজের সুযোগ বাড়বে। ‘ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে’ আর শুধু কবির কল্পনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বাস্তব হয়ে উঠবে দ্রুত।
কিন্তু, এই প্রত্যাশা বেশিদিন ধরে রাখা যায়নি। প্রত্যাশার পারদ দ্রুত নেমেছে ২০১৬ সালের নভেম্বরে নোটবন্দির অব্যবহিত পরেই। ওইসঙ্গে যোগ হয়েছে তড়িঘড়ি জিএসটি বলবৎ করার সিদ্ধান্ত। এই ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত দুটি গ্রহণের পিছনে দ্রুত কালো টাকা উদ্ধার এবং অধিক রাজস্ব সংগ্রহের মতো সৎ চিন্তা নিশ্চয় ছিল। কিন্তু, এই ‘ফাটকা’য় মোদি সরকারের হার হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে পরিকল্পনাগত একাধিক ত্রুটি। অর্থনীতির পণ্ডিতদের একাংশের বক্তব্য, নোটবন্দির পথে যাওয়ার আগে যে-ধরনের সতর্কতা নেওয়া দরকার ছিল সরকার তা নেয়নি। অন্যদিকে, জিএসটি বলবৎ করার জন্য যে ধরনের পরিকাঠামো প্রয়োজন দেশে তা গড়ে তোলা হয়নি। তার ফলে জিএসটি নিয়ে নানা ধরনের ফাঁকি এবং জালিয়াতির শিকার হয়েছে দেশের রাজকোষ। অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, আয়কর সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং আয়কর ফাঁকি রুখতে নেমেও সরকারের অতি সক্রিয়তায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে বাণিজ্যমহল। সব মিলিয়ে মাইক্রো ছোট মাঝারি বড় প্রভৃতি সব ধরনের ব্যবসা এবং শিল্পে মন্দা চলে এসেছে। বিশেষ ভাবে ধাক্কা খেয়েছে নির্মাণ শিল্প এবং সব ধরনের গাড়ি শিল্প। এই দুটি ক্ষেত্র একইসঙ্গে বিপুল রেভিনিউ দিয়ে থাকে এবং কর্মসংস্থানেরও বড় ভরসা। সব মিলিয়ে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমনিম্নমুখী। বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বাধিক। নুয়ে-পড়া অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য সরকার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আপৎকালীন ভাণ্ডারের মুখাপেক্ষী হয়ে পড়েছে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাধ্য হয়েছেন কর্পোরেট কর কাঠামো একটু নরমসরম করতে এবং রপ্তানি বাণিজ্যে গতি আনার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করতে। পাশাপাশি চলছে ব্যাঙ্কে আমানত এবং ঋণ দুটি ক্ষেত্রেই সুদের হার ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দেওয়ার পালা। গতি হ্রাসের কারণে ভারতের অর্থনীতি যে পুরনো প্রত্যাশা ধরে রাখতে পারেনি এবং কৌলীন্য অনেকটাই খুইয়েছে তার সাক্ষ্য দিচ্ছে প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির তালিকা। এই আন্তর্জাতিক তালিকায় ভারত গত বছরের চেয়ে দশ ধাপ নেমে গিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের তৈরি এই তালিকায় ভারত ৫৮ থেকে ৬৮তম স্থানে নেমে গিয়েছে।
বলা দরকার, বিশ্ব অর্থনীতির হাল সুখকর নয়। আইএমএফের শীর্ষ কর্ত্রী ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার আশঙ্কা, বিশ্ব অর্থনীতি ৯০ শতাংশ গতি হারাতে পারে। তাঁর ধারণা, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব উদীয়মান দেশগুলির উপরেই বেশি পড়েছে। ভারতের এই যে সঙ্কট তার জন্য বিশ্ব অর্থনীতির হালফিল চেহারা অনেকাংশে দায়ী। শুধু ভারত নয় এশিয়ার অপর বিস্ময়কর অর্থনীতি চীনও এই প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারেনি। আইএফএফের পরামর্শ হল—এই পরিস্থিতিতে সুদের হার কমিয়ে বাজারে টাকার জোগান বাড়াতে হবে। তাতে সুফল মিলবে। যথাসময়ে আর্থিক সংস্কারের মাধ্যমে উদীয়মান অর্থনীতিগুলিতে দ্রুত দ্বিগুণ গতি সঞ্চার করা সম্ভব। ভারত যে সেদিকেই হাঁটছে সরকারের সাম্প্রতিক একাধিক পদক্ষেপের ভিতরে তার সাক্ষ্য রয়েছে। তবে, একটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে বাজারে টাকার জোগান বাড়াতে গিয়ে যেন প্রবীণদের বিপন্ন করে তোলা না-হয়। কারণ, তাঁদের একটি বড় অংশেরই জীবন সঞ্চিত অর্থের সুদের উপর নির্ভর করে চলে। সুতরাং সঞ্চয়ের উপর সুদের হার কমানোর এই চরৈবেতি যেন নোটবন্দির মতো নতুন এক আতঙ্কের নাম না-হয়ে ওঠে।  
11th  October, 2019
দুর্দিনে ভরসা সেই কৃষি

ভারতীয় অর্থনীতির উপর করোনা আক্রমণের প্রভাব যে বিরাট হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তবে এখনও পর্যন্ত যতটুকু আমরা জানতে পারছি তা বিক্ষিপ্ত কিছু তথ্য এবং তার বেশিরভাগটাই অনুমান বা আশঙ্কা।
বিশদ

মমতার আশঙ্কাই সত্যি

 করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক ব্যর্থতার মাশুল দিতে হচ্ছে রাজ্যকে। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া লকডাউন ঘোষণার ফল ভুগতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। এটাই বাস্তব সত্য। তাঁদের নিয়ে কেন্দ্রের যে কোনওরকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। প্রশ্ন হল, দেশবাসীর সুরক্ষায় সতর্ক প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে দেশের শাসক রাজধর্ম কতটা পালন করছে? বিশদ

30th  May, 2020
খামখেয়ালি ট্রেন

 মানুষ শোকে কাতর হয়। কিন্তু শোক যখন বিরাট বিপুল—জানা হয়ে গিয়েছে যে উপর্যুপরি শোকটাই ভবিতব্য—মানুষ সেই শোকে পাথর হয়ে যায়। ঠিক এই নিয়মেই খবরের কাগজের ভিতরের পাতায় স্বাভাবিক জায়গা খুঁজে নিয়েছে ‘আমরিকায় ভাইরাসের বলি লক্ষ, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ছাড়াল’-র মতো বিরটা খবরটি।
বিশদ

29th  May, 2020
বিপদ পিছু ছাড়েনি,
সতর্কতা জরুরি

দু’মাস পেরিয়ে গিয়েছে, অথচ করোনা নিয়ে আতঙ্ক কেটে যাওয়ার কোনও লক্ষণ নেই! বরং এই মারণ ভাইরাসের থাবায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কী দেশে, কী রাজ্যে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরও বেশ কিছুদিন এই ভাইরাসের লালচোখ দেখতে হবে। বিশদ

28th  May, 2020
সমন্বয়ের এতটা অভাব! 

জয় যেখানে চূড়ান্ত লক্ষ্য, সেটা একটা গেম, বা খেলা। সেই হিসেবে যুদ্ধ হল সবচেয়ে বড় খেলা। যুদ্ধে জরুরি সৈন্যসহ লোকবল এবং কৌশল। জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় সেরা কৌশলের দ্বারা। কৌশল নির্ধারণ করতে হয় প্রতিপক্ষ কে এবং কেমন তার শক্তি ও কৌশল ইত্যাদি দেখে।   বিশদ

27th  May, 2020
বিপদকালেও চীনের আগ্রাসন! 

ভারত বরাবরই শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের আদর্শে বিশ্বাসী। কিন্তু তার প্রতিবেশী এমন দু’টি রাষ্ট্র রয়েছে, যারা সে পথে হাঁটে না। চীন ও পাকিস্তান। কখনও সীমান্ত দিয়ে সেনা ঢুকিয়ে দখলদারির চেষ্টা, কখনও বা জঙ্গিহানায় মদত জুগিয়ে ভারত সরকারকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে চায় তারা।   বিশদ

26th  May, 2020
আর একটু ধৈর্য 

প্রবাদ যে কতটা সত্য বহন করে, তা পশ্চিমবঙ্গকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল ২০২০। এ বছরটা শুরুই হয়েছে যেন বিপর্যয়কে সঙ্গী করে। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে দেশ। সাড়ে তিন বছরেও ‘কারেকশন’ হয়নি।  বিশদ

25th  May, 2020
এবার কেন্দ্রের পালা

প্রাকৃতিক বিপর্যয় পশ্চিমবঙ্গের ফি বছরের সঙ্গী। কোনও বছর বন্যা, তো পরের বছর বিধ্বংসী ঝড়। কোনও বছর খরা, তো পরের বছর পাহাড়ে ধস। এছাড়া নদীতে ব্যাপক ভাঙন, সুন্দরবন অঞ্চলে মাইলের পর মাইল নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়া, লোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলি আছেই।
বিশদ

24th  May, 2020
দুর্যোগ শেষে অগ্রিম, লক্ষ কোটি
ক্ষতির হিসেব মিলবে তো?

 মারণ ঝড়ের ধ্বংসলীলায় বিধ্বস্ত রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মাথার উপর ছাদটুকুও নেই, শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব অনেকেই। আকাশে আলো ফুটলেও নির্মম কঠিন এই পরিস্থিতিতে তাঁদের জীবনে কে দেবেন আলোর সন্ধান? বিশদ

23rd  May, 2020
 সবাই মিলে বিপর্যয়ের মোকাবিলা করতে হবে

পশ্চিমবঙ্গ নামের সুপ্রাচীন জনপদটি সুজলা সুফলা। সে আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর পিছনে রয়েছে এখানকার প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। নদীমাতৃক এই সভ্যতা বিপুল পরিমাণে ঋণী বঙ্গোপসাগরের কাছে। বঙ্গের নামাঙ্কিত এই উপসাগর আবার ভয়ঙ্কর খেয়ালি।
বিশদ

22nd  May, 2020
জোড়া বিপর্যয় মোকাবিলার কঠিন চ্যালেঞ্জ

 বিপদ একা আসে না। বিপদের পিছু পিছু আসে অন্য বিপদ। একে করোনা সঙ্কট, তারমধ্যেই ধেয়ে এল এক ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগ উম-পুন। সুপার সাইক্লোন। এমন জোড়া ধাক্কাই সামলাতে হচ্ছে বাংলাকে। বিশদ

21st  May, 2020
অর্থনীতির প্রাণভোমরা

গত পাঁচ দশক ধরে কৃষিক্ষেত্রকে বাদ দিলে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান শক্তির নাম এমএসএমই—অর্থাৎ ছোট, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। ভারতের শিল্পক্ষেত্রে এমএসএমই দু’ভাবে তার ভূমিকা পালন করে থাকে। (এক) বৃহৎ শিল্পের সহায়ক বা সহযোগী হিসেবে।
বিশদ

20th  May, 2020
বেসরকারিকরণ কি ত্রাণের
প্যাকেজ হতে পারে?

 বিপদের দিনে বোঝা যায় কে বন্ধু আর কে শত্রু। প্রকাশ্যে আসে দেশের সরকারের ভূমিকা। করোনার বিপদ মোদি সরকারের কাছে কিছুটা যেন সাপে বর হয়েই দাঁড়িয়েছে। তাদের সাম্প্রতিক কিছু কাজকর্মে সেটাই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। বিশদ

19th  May, 2020
মানবিক মমতা

 ২০ মে, ২০১১। পাল্টে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারি পরিচয়। ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের অবিসংবাদিত বিরোধী নেত্রী। হয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে তিনিই প্রথম মহিলা।
বিশদ

18th  May, 2020
এখনও সময় আছে

ভারত বিপুল জনসংখ্যার এক গরিব দেশ। বিকেন্দ্রীকরণের নীতি ছাড়াই দেশের সামান্য কয়েকটি পকেটে কিছু বড় শিল্প তৈরি হয়েছে। হাতে গোনা কয়েকটি মহানগরকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বাণিজ্য ও অর্থনীতির সীমিত বিকাশ।
বিশদ

17th  May, 2020
ঋণনির্ভর প্যাকেজে সুরাহা হবে?

 আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা যে কত বড় ভাঁওতা ছিল এতদিনে দেশবাসী হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। করোনা সঙ্কটের দিনেও স্লোগান-সর্বস্ব সেই ভাঁওতাবাজি অব্যাহত। সঙ্গে যোগ হয়েছে পরিহাস। বিশদ

16th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারি অফিসে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করছেন। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ৩০ মে: গতবছর বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে ভারতীয় দলের বিদায়ের পরেই মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আইপিএলে কামব্যাক করার থাকলেও তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় করোনার জন্য।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ১,১৪৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২,৩৩৩ 

06:59:00 PM

জলপাইগুড়িতে ৩২ লক্ষ টাকার বেআইনি মদ উদ্ধার 
অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে বিপুল পরিমাণ ...বিশদ

06:46:00 PM

মাধ্যমিক: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খাতা জমা দেওয়ার হুঁশিয়ারি পর্ষদের 
এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা জমা না দেওয়া পরীক্ষাকদের চরম হুঁশিয়ারি ...বিশদ

06:45:35 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ২৯৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩,২২১ 

06:24:26 PM

একদিনে নয়াদিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত ১২৯৫
গত ২৪ ঘণ্টায় নয়াদিল্লিতে নতুন করে ১ হাজার ২৯৫ জনের ...বিশদ

06:23:44 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৭১  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭১ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

06:14:38 PM