Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

সবার মত নিয়ে চলুক সরকার

মনমোহন সিংয়ের অর্থনীতি দেশকে ডুবিয়ে দিচ্ছে আওয়াজ তুলে ২০১৪-র ভোটে দেশবাসীর সমর্থন পক্ষে এনেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হয়ে মোদিজি বলেছিলেন, ইউপিএ জমানার সমস্ত ভুল শুধরে দেশকে অর্থনৈতিক প্রগতির সত্যিকার দিশা দেখাবেন। তাঁর সরকারের বক্তব্য ছিল, দেশের আর্থিক দুর্গতির মূল কারণ বিপুল পরিমাণ কালো টাকা। দেশের ভিতরে যেমন তেমনি বিদেশেও দেশের কালো টাকা রাজ করছে। মোদিজি দাবি করেছিলেন, তিনি একইসঙ্গে বিদেশ থেকে কালো টাকা দেশে ফেরাবেন এবং দেশের অভ্যন্তরে কালো টাকার সমস্ত উৎস বন্ধ করে দেবেন। এই যুক্তিতে তাঁর সরকার নোট বাতিলের মতো বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ এক পদক্ষেপ করেছিল। তার কিছুকাল পর চালু করা হয়েছিল এক দেশ এক কর নীতি—পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি)। জিএসটি চালু করার প্রয়োজনীয়তা কোনও দলই যুক্তি দিয়ে অগ্রাহ্য করতে পারেনি। কিন্তু, এই আধুনিক করব্যবস্থা চালু করার জন্য যে ধরনের সতর্কতাগ্রহণ এবং পরিকাঠামো গড়া জরুরি ছিল—কেন্দ্র সেসব বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। এ ছিল কংগ্রেস, তৃণমূলসহ বেশিরভাগ বিরোধী দলের অভিযোগ। তড়িঘড়ি জিএসটি চালুর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল অনেক দল। আর্থিক দুর্নীতিতে লাগাম পরাতে আয়কর এবং শুল্ক ব্যবস্থাতেও কিছু কঠোরতার নীতি গ্রহণ করা হয়। বিশেষ পরিবর্তন আনা হয় আমদানি, রপ্তানিসহ সামগ্রিক শিল্প-বাণিজ্য নীতিতে।
অনেকের প্রত্যাশা ছিল যে সরকারের এইসমস্ত কড়া দাওয়াই পেয়ে অর্থনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটবে শিল্পোৎপাদনে, কৃষি উৎপাদনে, জিডিপিতে এবং রাজস্ব সংগ্রহে। বাড়বে দেশি ও বিদেশি লগ্নি, শিল্পঋণ (ক্রেডিট গ্রোথ)। মোদিজির প্রতিশ্রুতি মতো চাকরির বাজারে জোয়ার আসবে। কমবে বাণিজ্য ঘাটতি এবং ফিসকাল ঘাটতি। কিন্তু, মোদি সরকারের প্রথম টার্মের মেয়াদ শেষের ছবিটি মোটেই আশাব্যঞ্জক ছিল না। বরং, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থতার ছবি প্রকট হয়ে উঠেছিল। তা সত্ত্বেও, ২০১৯-এ দেশবাসী আস্থা রেখেছে মোদিজিরই নেতৃত্বে। তারা ধরে নিয়েছে, প্রথমবার গৃহীত পদক্ষেপগুলির সুফল পেতে কিছু সময় দরকার। অতএব, মোদিজির আর-একটি সুযোগ প্রাপ্য। অর্থাৎ উপর্যুপরি দু’বার কেন্দ্রে মজবুত স্থিতিশীল সরকার তৈরির পক্ষে রায় দিয়েছে দেশবাসী। কাশ্মীর এবং তিন তালাকের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে, তার শক্তি কতখানি। শক্তির প্রশ্নে এই সরকার বাজপেয়ি তো বটেই নেহরু, ইন্দিরা, রাজীব প্রভৃতির থেকে কোনও অংশে কম নয়। প্রশ্নটা এখানেই, তাহলে অর্থনীতির স্টিয়ারিং হাতে এমন একটি মজবুত সরকারের সামাল সামাল অবস্থা কেন? কেন এই সরকার ৪৫ বছরের ভিতরে সবচেয়ে বেশি বেকারত্ব দেখাল? কেন এই সরকার দেশকে সাত দশকের ভিতরে সবচেয়ে দুর্বল অর্থনীতির ভিতের উপর দাঁড় করাল। কেন এই সরকার ব্যাঙ্ক-ব্যবস্থাকে সবচেয়ে দুর্বল করে ফেলল? কেন এই সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রটিকে দুর্বলতর করে ফেলল? কেন এই সরকার টাকার দামের রেকর্ড পতনের সাক্ষী করল দেশকে? কেন এই সরকার সঙ্কট মোকাবিলায় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের খয়রাতির দ্বারস্থ হওয়ার মতো একটি কৃষ্ণকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করল? এই পরিস্থিতির জন্য মোদি সরকার আর যাই হোক বিরোধীদের, এমনকী এনডিএ জোটসঙ্গীদেরও দুষতে পারবে না। কারণ, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি গ্রহণে এই সরকার বিরোধীদের তো বটেই, সরকারের বন্ধু দলগুলিকেও পরোয়া করে না।
কিন্তু এই কুছ পরোয়া মনোভাবে দেশের তো কোনও ভালো হচ্ছে না। মানুষের আয় কমছে। বহু শিল্প ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হচ্ছে। চাষ মার খাচ্ছে। নতুন চাকরি হচ্ছে না। পুরনো চাকরি চলে যাচ্ছে। মানুষের হাসিমুখ ম্লান হয়ে যাচ্ছে। শুধু পাকিস্তান নামক দৈত্যশাসনের সুখানুভূতি দিয়ে এত মালিন্য ঢাকা অসম্ভব। এরপরও কি বলা যাবে না যে সরকারের গৃহীত নীতির পুনর্বিবেচনার সময় হয়েছে? মনমোহন জমানার অর্থনৈতিক পণ্ডিতদের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলির মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়ার অভ্যাস করুক মোদি সরকার। এই প্রসঙ্গে ক্রমবধর্মান জিএসটি জালিয়াতির কথাটি উল্লেখযোগ্য। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের আশঙ্কা জিএসটি জালিয়াতির অঙ্কটি ৪৫ হাজার কোটি টাকায় আর সীমিত নেই—১ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে! কর দুর্নীতি ঠেকাতে জিএসটি চালু করা হল। কিন্তু, এই ভয়ঙ্কর ছবি বলে দিচ্ছে, সরকার দক্ষ জিএসটি পরিকাঠামো গড়তে ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গসহ সমস্ত রাজ্যের মতামত নিয়ে এই দুর্নীতি ঠেকাতে না-পারলে অর্থনীতিতে যে ধস শুরু হয়েছে তা চরম বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। ১৩০ কোটি মানুষের মুখ চেয়ে মোদি সরকারের উচিত, ইগো সরিয়ে রেখে যথার্থ পদক্ষেপ করা। এটি মানুষের জীবন-মৃত্যুর মামলা।
30th  August, 2019
করোনার বিরুদ্ধে আগামী
দু’সপ্তাহের লড়াই আরও কঠিন 

আগামী দু’টি সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দু’সপ্তাহেই ঠিক হয়ে যাবে, আমরা আমেরিকা হব কি না। এই দু’সপ্তাহেই ঠিক হয়ে যাবে, আমরা ইতালির সর্বনাশা রাস্তাকেই বেছে নিলাম কি না। এই দু’সপ্তাহেই প্রমাণ হয়ে যাবে, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন থেকে আমরা সত্যিই কোনও শিক্ষা নিয়েছি কি না!   বিশদ

সাধু সাবধান 

করোনা দানবের তাণ্ডব চলছে বিশ্বজুড়ে। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যু-মিছিল চলছে। এসময়ে এতটুকু গাফিলতি, নজরদারির অভাব বিপদ বাড়াতে পারে। যার জ্বলন্ত প্রমাণ রাজধানী দিল্লির ধর্মীয় সম্মেলনের ঘটনা।   বিশদ

02nd  April, 2020
ভুল পথ, ঠিক পথ

 রবিবার, ২৯ মার্চ দিনটি মহামারীর ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য হিসাবে চিহ্নিত হয়ে রইল। কোভিড-১৯ সংক্রমণ ওই একদিনে (২৪ ঘণ্টায়) অতিরিক্ত ১ লক্ষ হল। সারা পৃথিবীতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা সেদিন ছাপিয়ে গেল ৮ লক্ষ। অথচ তার আগের দিনও সংখ্যাটি ৬ লক্ষের কিছু বেশি ছিল। বিশদ

01st  April, 2020
উন্নত দেশ পারেনি, আমরা পারব

 আমরা কিছুটা সাবধান হয়েছি। এখন অনেক কিছুই অনেকে মেনে চলছি। কিন্তু আমাদের এখনও অনেকটাই সাবধান হতে হবে। সবাই আমরা যথার্থ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি না। সকলকেই মনে রাখতে হবে, পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মৃত্যুর এক হানাদার।
বিশদ

31st  March, 2020
ভয়ের পরেই আসবে জয়

 করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে হাহাকার। শত চেষ্টা করেও তা আটকাতে পারছেন না কেউ। চীনের উহান থেকে শুরু হওয়া এই মৃত্যু মিছিল ইতালি, স্পেন ও ইরানকে বিধ্বস্ত করে এখন আমেরিকায় পৌঁছে গিয়েছে। বিশদ

30th  March, 2020
  সচেতন না হলে বিপদ বাড়বে

 সচেতনতার অভাব কীভাবে ঘরে বাইরে বিপদ ডেকে আনে তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল নদীয়ার তেহট্টের ঘটনা। চিকিৎসকের পরামর্শ অগ্রাহ্য করার মাশুল গুনতে হচ্ছে ওই পরিবারটিকে। বিশদ

29th  March, 2020
দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই চলুক

 এমন দৃশ্য কি সচরাচর দেখা যায়? স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় নেমে আধলা ইট তুলে নিজেই সুরক্ষাবৃত্ত এঁকে দিচ্ছেন। সব্জি বিক্রেতাদের বোঝাচ্ছেন, দূরত্ব বজায় রেখে চলাটাই মূল সতর্কতা। বিশদ

28th  March, 2020
ভয়ঙ্কর সময়ের সামনে দাঁড়িয়ে

 অনেক বাধা আর প্রতিকূলতাকে দূরে সরিয়ে আবার আমরা পাঠকের মুখোমুখি। গত একশো বছরের ইতিহাসে মানবজাতির সামনে এমন অভূতপূর্ব সঙ্কট এসেছে বলে মনে পড়ে না। তিন মাস বয়সের এক মারণ ভাইরাসের সঙ্গে সারা পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত আধুনিক নাগরিক সমাজের অদৃশ্য লড়াই চলছে। বিশদ

27th  March, 2020
এ লড়াই শুধুই জয়ের জন্য

আমরা আজ যে যুগে বাস করছি, সেটাকে তথ্য ও সংবাদের যুগ বললে অত্যুক্তি হবে না। তথ্য ও খবর কোনও শ্রেণী বিশেষেরও কুক্ষিগত নয়। অন্তত সাধারণ তথ্য ও খবর এখন রীতিমতো সর্বজনীন। তাই আমাদের জানতে দেরি হয়নি গত ডিসেম্বরে সুদূর চীন দেশের হুবেই প্রদেশের উহান শিল্প-শহরে কী ভয়ানক কাণ্ড ঘটেছিল।
বিশদ

25th  March, 2020
সংযম পালনই হোক বাঁচার সংকল্প 

এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন, এক কার্যে সঁপিয়াছি সহস্র জীবন— আজ গোটা দেশবাসী মনপ্রাণ দিয়ে সংযমের সঙ্গে একটাই সংকল্প পালন করে চলেছেন, আর সেটা হল স্বেচ্ছাবন্দিত্ব।  
বিশদ

24th  March, 2020
বাংলার মানুষ করোনা যুদ্ধে প্রস্তুত 

ভয় পাবেন না! এখনও যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে এরাজ্যের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তাঁরা সকলেই ভাইরাসকে শরীরে ধারণ করে বিদেশ থেকে এসেছেন। তবে শিক্ষিত সমাজের অংশ হয়েও কিছু মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ কতটা সঙ্কট ডেকে আনতে পারে, তা নিয়ে চিন্তা আছে বইকি! বিদেশ ফেরতদের দায়িত্বশীল হতে আর্জি জানিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।  
বিশদ

23rd  March, 2020
এই ফাঁসিই শেষ নয়

দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা। অবশেষে ন্যায়বিচার পেলেন নির্ভয়া। নাঃ, একটু ভুল হল। এই বিচারের অপেক্ষায় শুধু সেই প্যারামেডিক্যাল ছাত্রীর মা আশা দেবী আর বাবা বদ্রীনাথ সিং ছিলেন না... প্রতীক্ষা ছিল গোটা দেশের। প্রত্যেক নারীর... সব নির্যাতিতার।
বিশদ

22nd  March, 2020
  এ বাঁচার তাগিদ

 পৃথিবীর গভীর অসুখ এখন। প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মৃত্যুর পরিসংখ্যান। তাই বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর মধ্যে সকলকে সতর্কভাবে পা ফেলতে আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু তিনি একাই নন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোড়া থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সরকারি তরফে নানা ব্যবস্থা নিয়েছেন, সেকথাও অনস্বীকার্য। বিশদ

21st  March, 2020
শাস্তি দরকার অবিবেচক প্রভাবশালীদেরও 

একেবারে অবিবেচকের মতো কাজ হয়েছে। উচ্চপদস্থ আমলার দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা এই মন্তব্যের সঙ্গে গোটা রাজ্য একমত।   বিশদ

20th  March, 2020
করোনা ও জাতি-বিদ্বেষের বিষ

 করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু চীন থেকে। ২০১৯-এর ১ ডিসেম্বর। হুবেই প্রদেশের উহান শহর। গত ১১ মার্চ, অর্থাৎ সাড়ে তিনমাসের কম সময়ের ভিতরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) করোনাকে বিশ্বব্যাপী মহামারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। কারণ, এই মারণ ব্যাধি ছড়িয়ে গিয়েছে ১৬০টির মতো দেশে। বিশদ

19th  March, 2020
অপপ্রচারে কান না দিয়ে সতর্ক থাকুন

 বড় বিচিত্র এই দেশের কিছু মানুষ। বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ এখন করোনা ভাইরাস আতঙ্কে ভুগছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের দেশ ও রাজ্যের নানা জায়গায় জনজীবন প্রায় থমকে যাওয়ার উপক্রম। সরকারি তরফে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন সতর্কতা। বিশদ

18th  March, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি,২ এপ্রিল: করোনা মোকাবিলায় কোভিড-১৯র সংক্রমণ এড়াতে দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউনকে সমর্থন করলেও প্রস্তুতিহীন প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার কড়া সমালোচনা করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ বকেয়া ২ হাজার ৮৭৫ কোটি এখনই রাজ্যকে দেওয়া হোক। আজ এই মর্মে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে চিঠি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।  ...

নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দু’বছরের বেতন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সাংসদ গৌতম গম্ভীর। ট্যুইটারে পূর্ব দিল্লির সাংসদ লিখেছেন, ...

নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: করোনার বিস্তার রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এতে কাজ হারানোর ফলে বহু দুঃস্থ, শ্রমিক ও দিনমজুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে যে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানা সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮০: রায়গড় দুর্গে মৃত্যু হল শিবাজির
১৯৫৫: গায়ক হরিহরনের জন্ম
১৯৬২: অভিনেত্রী জয়াপ্রদার জন্ম
২০১০: প্রথম জেনারশনের আই প্যাড বাজারে আনে অ্যাপল 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৬৪ টাকা ৭৬.৩৬ টাকা
পাউন্ড ৭৬.৩৬ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮১.৭৩ টাকা ৮৪.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  April, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) অষ্টমী ৫৫/১৯ রাত্রি ৩/৪১। আর্দ্রা ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৯। সূ উ ৫/৩৩/১, অ ৫/৪৮/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৮ গতে ১১/১৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৪/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৬ গতে ১০/৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/৪ মধ্যে।
১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, অষ্টমী ৪১/১৫/৩৫ রাত্রি ১০/৪/৫৮। আর্দ্রা ২২/৩০/৫২ দিবা ২/৩৫/৫। সূ উ ৫/৩৪/৪৪, অ ৫/৪৮/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৮/১১ গতে ১০/৯/৫৪ মধ্যে।
 ৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়াল 

02-04-2020 - 12:02:29 AM

বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল 

02-04-2020 - 09:45:51 PM

মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সোহিনীর এক লক্ষ 
করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ...বিশদ

02-04-2020 - 08:27:27 PM

দেশে করোনা আক্রান্ত ২৩৩১ জন, মৃত ৭৩: পিটিআই 

02-04-2020 - 07:35:43 PM

রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ জন, নবান্নে জানালেন  মুখ্যসচিব
বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ করোনা মোকাবিলায় নবান্নে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ...বিশদ

02-04-2020 - 06:34:00 PM

আজ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

02-04-2020 - 06:32:00 PM