Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

কড়া হাতে দমন 

স্মৃতি সতত সুখের হয় না। কিছু কিছু পুরনো স্মৃতি পীড়াদায়ক, উদ্বেগও বাড়ায়। সোমবারের ঘটনা সেরকমই একটা পুরনো স্মৃতিকে উস্কে দিল। মনে পড়ে যায় সেই দৃশ্যটি যেখানে প্রাণ বাঁচাতে পুলিসকে আশ্রয় নিতে হয়েছে টেবিলের নীচে। আইনরক্ষকরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন সেখানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তারক্ষার বিষয়টি নিয়ে সমস্যা দেখা দেওয়াটাই স্বাভাবিক। বেশ কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে পুলিসের উপর চড়াও হওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। হেনস্তার শিকার হচ্ছেন এক শ্রেণীর পুলিসকর্মী। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমনটা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকবে কী করে সে নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই এই প্রশ্নটি যাতে কোনোভাবেই না-উঠতে পারে সেজন্য কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে সেই পুলিসকেই। দেখতে হবে যাতে কোনও অপরাধী ছাড় পেয়ে না-যায়। এর জন্য সবার আগে দরকার পুলিসের নিরপেক্ষ ভূমিকা। অপরাধী কোন দলভুক্ত বা কাদের আশ্রয়ে লালিত পালিত, অর্থাৎ রং না-দেখে পুলিসকে সেই দায়িত্বটি পালন করতে হবে, আর পুলিসকে সেই দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলির নেতাদের বিশেষ করে শাসক দলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের ছত্রছায়ায় থাকার সুবাদে অপরাধ করে অপরাধী যাতে পার পেয়ে না-যায় সে বিষয়ে স্পষ্ট বক্তব্য তাঁদের রাখতে হবে। দুর্নীতি ও অপরাধকে প্রশ্রয় দিলে তা যে উত্তরোত্তর বাড়ে এই সহজ সত্যটি কারও না-জানার কথা নয়। কিন্তু প্রায়শ এর উল্টোটা ঘটে। রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থাকা অপরাধীকে ছাড়াতে অনেক সময়ই নেতাদের কেউ কেউ পুলিসকে ফোন করেন, নির্দেশও দেন। হয়তো বা থাকে অলিখিত বোঝাপড়া। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।
এমনটা নয় পুলিস একেবারে ধোওয়া তুলসীপাতা। পুলিসের ভূমিকা বা তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে বারবার অভিযোগ ওঠে। যদিও দায়িত্বকর্তব্যসচেতন পুলিসকর্মীরও অভাব নেই। তবু, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিস মার খাবে, এটা কখনওই কাম্য নয়। তা মেনে নেওয়াও যায় না। পুলিসকে মারধর করা চরমতম অপরাধ। এই সাহস যারা দেখাচ্ছে সেই অপরাধীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতেই হবে এবং সেটা রাজনীতির রং না-দেখেই। আর পুলিসের আচরণ নিয়ে যদি জনতার ক্ষোভ থাকেও তাহলেও সেই ক্ষোভ মেটানোর জায়গা নিশ্চয়ই থানা নয়। সেখানে তাণ্ডব চালিয়ে, ভাঙচুর করে বা পুলিসকে মারধর করে কোনও সমস্যারই সুরাহা হতে পারে না। প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিকেরই এটা স্মরণে রাখা প্রয়োজন। রবিবার গভীর রাতে টালিগঞ্জ থানায় যে ঘটনাটি ঘটেছে তা আলিপুরের সেই পুরনো স্মৃতিকেই উস্কে দিল। এদিন উত্তেজিত জনতার তাণ্ডবের সামনে কার্যত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন কর্তব্যরত পুলিসকর্মীরা। তাঁদের মারধর করা থেকে শুরু করে ভাঙচুর, ইটপাটকেল ছোড়া, এমনকী পুলিস-মেসে হামলা চালানো—কোনও কিছুই বাদ যায়নি! এমন অভিযোগও উঠেছে, অভিযুক্তরা শাসক দলের এক নেতার পাড়ার বাসিন্দা ও ওই দলের সমর্থক হওয়ার কারণেই নাকি পুলিস ব্যবস্থা নিতে কড়া হতে পারেনি। এক শ্রেণীর পুলিসকর্মী
নাকি আপস করারও আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছিলেন। আরও অভিযোগ, দ্বিধাগ্রস্ত পুলিসকর্মীরা প্রথমে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারেননি। অনেক
পরে বিরাট ফোর্স গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। তাই গোটা ঘটনাটি লালবাজারে জানাতে থানার তরফে কেন দেরি হল তা খতিয়ে দেখারও বিশেষ প্রয়োজন আছে।
এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিসের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের তরফে কিছু অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগটিও গুরুত্বসহকারে যাচাই করা দরকার। তবে, শহরের বুকে থানায় ঢুকে কেউ তাণ্ডব চালিয়ে ভাঙচুর করবে—এটা ভাবাও কষ্টসাধ্য! কোনও মদ্যপকে ছাড়াতে পুলিসের উপর চড়াও হওয়ার ঘটনাটিকে ছোটখাটো অপরাধ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। কারণ, এই ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটিটিও সামনে এসেছে। আইনশৃঙ্খলার রক্ষক উর্দিধারীরাই যদি আইনভঙ্গকারীদের হাতে প্রহৃত হন তাহলে তা সাধারণ মানুষের পক্ষে যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ, বিপদে আপদে তাঁরা এই পুলিসেরই দ্বারস্থ হন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য এঁদের উপরেই ভরসা রাখেন। পুলিসেরই কোনও নিরাপত্তা নেই—এমন একটা ধারণা জনমানসে তৈরি হলে তা সমাজের পক্ষে মঙ্গলজনক নয়। এমন বার্তাটি যাতে মানুষের কাছে না-যায়, সেজন্য প্রশাসনকেই সতর্ক থেকে যথোচিত পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে পুলিস তার নিজস্ব দায়িত্বটি নিরপেক্ষভাবে পালন করতে পারে এবং নিরাপত্তাহীনতায় না-ভোগে। প্রাণ বাঁচাতে টেবিলের নীচে পুলিসের লুকনো বা আত্মসমর্পণ করার ঘটনা অবশ্যই লজ্জাজনক। এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি বাঞ্ছনীয় নয়। তাই আইনভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে প্রশাসনকে। 
14th  August, 2019
প্রবীণরাই কেন শিকার? 

কলকাতা মহানগরীর বুকে ফের একাকী বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা ঘটে গেল। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে—কেন বারবার প্রবীণরাই দুষ্কৃতীদের নিশানা হচ্ছেন? তাঁরা দুর্বল বলে, নাকি জরাগ্রস্ত শরীরে নিঃসঙ্গ-নির্বাসিত বলে! নইলে কী করে গড়িয়াহাটের মতো জমজমাট এলাকার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধাকে গলা কেটে নির্মমভাবে খুন করা হল। অথচ, কাকপক্ষী টের পেল না? 
বিশদ

আজকের বদলে যাওয়া পশ্চিম বাংলায় শিল্পের আশ্বাস 

বাংলা পাল্টে গিয়েছে। দীঘায় অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভে’ এমনই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পপতিদের কাছে তাঁর আহ্বান, ‘পাল্টে যাওয়া এই বাংলায় বিনিয়োগ করুন।’ এরাজ্যের পরিবেশ যে অনেকটাই বদলে গিয়েছে, সেটা তাঁর অতি বড় সমালোচকও মানবে। 
বিশদ

13th  December, 2019
  সংসদ ও নারীর সম্মান

 জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী। জননী অর্থাৎ মা এবং মাতৃভূমি অর্থাৎ নিজের দেশ হল স্বর্গের চেয়ে গর্বের বা বড়। মায়ের মধ্যেই বিধাতা সব সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছেন। মা কেন সবচেয়ে সুন্দর? কারণ তাঁরই ভেতরে সন্তানের জন্য অপার স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসা—যতটা না প্রকট তার চেয়ে বেশি সুপ্ত। বিশদ

12th  December, 2019
লক্ষ্য সেই ভোট

ফের একটি মধ্যরাতের ঘটনা। ভোটাভুটির মাধ্যমে ৩১১-৮০ ব্যবধানে লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করালো কেন্দ্রের শাসক শিবির। রাজ্যসভায় বিল অনুমোদনের পক্ষে সংখ্যা জোগাড় করে নেওয়া তাদের কাছে হয়তো কঠিন হবে না।
বিশদ

11th  December, 2019
অগ্নিকাণ্ড: বছরভর সতর্কতা জরুরি 

১৯৯৭ সালের স্মৃতি ফিরে এল । সেদিনের সেই ভয়াবহ ঘটনা এখনও অনেকের মন থেকে মুছে যায়নি। চলছিল ‘বর্ডার’ ছবি। আর তার মাঝেই উপহার সিনেমা হলে লাগল আগুন। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, সেদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৯ জনের। আহতের সংখ্যা নয় নয় করে একশো।  
বিশদ

10th  December, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

09th  December, 2019
এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
একনজরে
ওয়াশিংটন, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই অসমে তিনজনের প্রাণ গিয়েছে। অসম ছাড়াও দেশের নানা রাজ্যে সাধারণ মানুষ ওই আইনের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ফের চাপ বাড়াল আমেরিকা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নভেম্বর মাসে এলআইসি’র পলিসি বিক্রির হার বাড়ল। দেশে ১০০টি পলিসি বিক্রি পিছু ৮৪টিই এলআইসি’র। নভেম্বর মাসে এলআইসি’র মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি বোঝাতে গিয়ে এমনটাই জানালেন সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল ম্যানেজার দীনেশ ভগত। ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: পূর্বস্থলীর বাঁশদহ বিলেও এবার পরিযায়ী পাখিদের আগমন শুরু হয়েছে। ওই বিলের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কচুরিপানার উপর পরিযায়ী পাখিদের বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চার থেকে পাঁচটি প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে এসেছে।  ...

 কোচি, ১৩ ডিসেম্বর: শুক্রবার আইএসএলের অ্যাওয়ে ম্যাচে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করল জামশেদপুর এফসি। এদিন কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জামশেদপুরকে এগিয়ে দেন পিটি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৪: অভিনেতা ও পরিচালক রাজ কাপুরের জন্ম
১৯৩১: কুমিল্লায় বিপ্লবী শান্তি ঘোষ ও সুনীতি চৌধুরি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেনসকে হত্যা করেন
১৯৩৪: পরিচালক শ্যাম বেনেগালের জন্ম
১৯৫৩: ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় বিজয় অমৃতরাজের জন্ম
১৯৫৭: হাওড়া এবং ব্যান্ডেলের মধ্যে প্রথম চালু হল বৈদ্যুতিক ট্রেন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৬/২৯ দিবা ৮/৪৭। পুনর্বসু ৫৭/৮ শেষরাত্রি ৫/৩। সূ উ ৬/১১/৫৯, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৮/৪৯/১৯ দিবা ৯/৪৫/২৯। আর্দ্রা ২/৫১/২২ দিবা ৭/২২/১৮, সূ উ ৬/১৩/৪৫, অ ৪/৫০/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ৯/৫২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৪৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৩/১৮ মধ্যে ও ৩/৩০/৩৭ গতে ৪/৫০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩৩/১৮ গতে ৬/১৪/২৯ মধ্যে। 
১৬ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের হটাতে লাঠিচার্জ পুলিসের, ফাটানো হল টিয়ার গ্যাসের শেল 

12:02:07 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ  

11:58:00 AM

কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের ইটের ঘায়ে জখম হাওড়া সিটি পুলিসের ডিসি সাউথ জোন 

11:38:53 AM

মুরারইতে রেল অবরোধের জেরে বাঁশলৈ স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়েছে ডাউন শতাব্দী এক্সপ্রেস 

11:26:10 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুরারইতে রেল ও পথ অবরোধ

10:59:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ

10:45:00 AM