Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

ব্যর্থ কৌশল ছাড়ুক পাকিস্তান

পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) বৈঠক হল পর পর দু’দিন। মঙ্গলবার ও বুধবার। বুধবার সে-দেশের পার্লামেন্টের বিশেষ যৌথ অধিবেশনও ডাকা হয়। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ও অধিবেশনের আলোচ্যসূচি ছিল কাশ্মীর। এনএসসি’ই পাকিস্তানের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কমিটি। শীর্ষ কূটনীতিক, সেনাকর্তা এবং গোয়েন্দা কর্তারা এই কমিটির সদস্য। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা খারিজ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের ভারত-নীতি কী হবে—এই দুই বৈঠকে সেটাই আলোচনা করা হয়েছে। পার্লামেন্টের বিশেষ যৌথ অধিবেশনেও কাশ্মীর বিষয়ে গরমাগরম প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নেতৃস্থানীয়রা। স্বাধীন সার্বভৌম ভারত তার অন্যতম এক অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতেই গোঁসা হয়েছে পাকিস্তানের। পাকিস্তানের গোঁসা চীনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এনএসসি’র বৈঠকের পর পাকিস্তান এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে পাকিস্তান বহিষ্কারও করেছে। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূতকেও তারা ফিরিয়ে নিচ্ছে। একইসঙ্গে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের আজকের অবস্থানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তারা প্রতিবাদ ও প্রচার চালাবে বলে ঘোষণা করেছে।
বিমর্ষ ইমরান খান মঙ্গলবারই বিষয়টির প্রতি তাঁদের আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ওইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি ছিল, রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে বিচার চাইবেন। বুধবার পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী আরও বেড়ে খেলেছেন। চৌধুরী সাহেব বলেছেন, ভারত তাঁদের মানসম্মান নিয়ে টানাটানি করছে। অতএব মৌখিক প্রতিবাদ কিংবা কূটনৈতিক সমাধানের রাস্তা তাঁর কাছে আর যথেষ্ট মনে হচ্ছে না। তিনি ভারতের সঙ্গে যুদ্ধই চান! একইসঙ্গে বলেছেন, আন্তর্জাতিক আদালতে মামলাও করবেন। পাকিস্তানের এই অবস্থান অবশ্য অভিনব বা অপ্রত্যাশিত নয়। তারা যে এটা করতে পারে তা অনুমেয়ই ছিল। কারণ, ভারত-বিরোধিতা ছাড়া পাকিস্তানের রাজনীতির আর কোনও সম্বল নেই। কিন্তু এবার তাদের প্রতিবাদ বিরোধিতার মধ্যে যুক্তির চেয়ে বিভ্রান্তি ও অসহায়তাই বেশি প্রকট হয়ে পড়ছে। চৌধুরী সাহেব উজিরে আজমের জিগরি দোস্ত হতে পারেন কিন্তু তিনি যে বড় কাঁচা দুর্বল আর বিভ্রান্ত তা বোঝাই যাচ্ছে। একদিকে বলছেন মামলা করবেন, অন্যদিকে বলেছেন যুদ্ধে যাবেন! দুটো তো একসঙ্গে হয় না। ভারতের বিরোধিতার মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের জন্ম। সেই বিরোধিতাকে শত্রুতায় রূপান্তরিত করার পরিণাম কী, ভারত তা একাধিকবার টের পাইয়ে দিয়েছে—পাকিস্তানের অঙ্গহানি হয়েছে—একাত্তরে পূর্ব পাকিস্তান ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র’ নামে আত্মপ্রকাশ করেছে। তারপরেও বহুবার বহুভাবে ভারতের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছে এবং হচ্ছে পাকিস্তান। চৌধুরী সাহেব এই নির্মম সত্যটি বিস্মৃত হয়েছেন।
বোঝাই যাচ্ছে, পাকিস্তানের অঙ্গারচরিত্র বদলাবার নয়। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান বড় বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব কোনোদিনই উল্লেখ করার মতো নয়। কাশ্মীরকে আঁকড়েই হতভাগ্য দেশটি আন্তর্জাতিক মানচিত্রে টিকে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে সাত দশক যাবৎ। মোদি সরকারের বিচক্ষণ সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের সেই কৌশলের মস্তকে করাঘাত হয়েছে। তাই পাক নেতৃত্বের একাংশ বিভ্রান্তিকর অসার আস্ফালন করে চলেছেন। তার বড় কারণটি অবশ্য অর্থনৈতিক। অনুন্নয়ন আর তীব্র দারিদ্র্র্যের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি আর উগ্র মৌলবাদের আরাধনাই পাকিস্তানের এত সর্বনাশের মূলে। গোড়ার গলদ ধামাচাপাই পড়ে রয়েছে। পিঠ বাঁচাতে আরও বেশি ভারত-বিরোধিতা এবং যুদ্ধের জিগির তোলা ছাড়া পাক নেতৃত্বের উপায় নেই। ইমরান খান শিক্ষিত মানুষ। তাঁর দেশের হাড়ির হাল তাঁর চেয়ে ভালো কম জনেই জানে। তিনি আরও জানেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে আর কেউ সমীহ করে না। দেশটি নেহাতই দু-চারটি দেশের করুণার পাত্র। এবার অন্তত ভারতের নিতান্ত অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে বাজার গরম করার পুরনো ও ব্যর্থ কৌশলটি তারা পরিত্যাগ করুক।
নতুবা, অভ্যন্তরের নিদারুণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার ছায়া
পড়তে পারে পাকিস্তানে আজকের মানচিত্রে। পাক নেতৃত্বের অপরিণত আচরণ সম্পর্কে ভারতকেও সর্বতোভাবে সতর্ক থাকতে হবে।
09th  August, 2019
আজকের বদলে যাওয়া পশ্চিম বাংলায় শিল্পের আশ্বাস 

বাংলা পাল্টে গিয়েছে। দীঘায় অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভে’ এমনই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পপতিদের কাছে তাঁর আহ্বান, ‘পাল্টে যাওয়া এই বাংলায় বিনিয়োগ করুন।’ এরাজ্যের পরিবেশ যে অনেকটাই বদলে গিয়েছে, সেটা তাঁর অতি বড় সমালোচকও মানবে। 
বিশদ

  সংসদ ও নারীর সম্মান

 জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী। জননী অর্থাৎ মা এবং মাতৃভূমি অর্থাৎ নিজের দেশ হল স্বর্গের চেয়ে গর্বের বা বড়। মায়ের মধ্যেই বিধাতা সব সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছেন। মা কেন সবচেয়ে সুন্দর? কারণ তাঁরই ভেতরে সন্তানের জন্য অপার স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসা—যতটা না প্রকট তার চেয়ে বেশি সুপ্ত। বিশদ

12th  December, 2019
লক্ষ্য সেই ভোট

ফের একটি মধ্যরাতের ঘটনা। ভোটাভুটির মাধ্যমে ৩১১-৮০ ব্যবধানে লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করালো কেন্দ্রের শাসক শিবির। রাজ্যসভায় বিল অনুমোদনের পক্ষে সংখ্যা জোগাড় করে নেওয়া তাদের কাছে হয়তো কঠিন হবে না।
বিশদ

11th  December, 2019
অগ্নিকাণ্ড: বছরভর সতর্কতা জরুরি 

১৯৯৭ সালের স্মৃতি ফিরে এল । সেদিনের সেই ভয়াবহ ঘটনা এখনও অনেকের মন থেকে মুছে যায়নি। চলছিল ‘বর্ডার’ ছবি। আর তার মাঝেই উপহার সিনেমা হলে লাগল আগুন। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, সেদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৯ জনের। আহতের সংখ্যা নয় নয় করে একশো।  
বিশদ

10th  December, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

09th  December, 2019
এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর, বিএনএ: গত পাঁচ বছরে কৃষ্ণনগরের পকসো আদালতে প্রায় ৫০০ মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে ‘প্রিভেনশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সসেস’ বা পকসো আইন চালু হয়েছে। কৃষ্ণনগরে এই বিশেষ আদালত চালু হয়েছে ২০১৪ সালে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের পক্ষে মিছিল বিজেপির 

05:30:00 PM

সান্দাকফুতে মরশুমের প্রথম তুষারপাত 
রাজ্যের উচ্চতম পয়েন্ট সান্দাকফুতে মরশুমের প্রথম তুষারপাত শুরু হল। আজ ...বিশদ

05:25:42 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ  

05:09:18 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: প্রতিবাদে বিজেপি ছাড়লেন দক্ষিণ দিনাজপুরের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে বিজেপি ছাড়লেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ...বিশদ

05:03:32 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: প্রতিবাদ ঘিরে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা

04:54:00 PM

উলুবেড়িয়ায় দূরপাল্লার ট্রেনে ভাঙচুর, অবরোধ 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উলুবেড়িয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা হাওড়া-চেন্নাই মেলে ভাঙচুর ...বিশদ

04:48:00 PM