Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

দার্জিলিং: এক অবান্তর প্রসঙ্গ

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে মোদি সরকার প্রশংসনীয় পদক্ষেপ করতেই দেশাভ্যন্তরের অন্যকিছু অঞ্চল নিয়ে অবান্তর প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন কেউ কেউ। সাত দশক যাবৎ জম্মু ও কাশ্মীর বিশেষ অধিকার ভোগ করেছে ভারতের সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারায়। আমরা জানি, ৫ আগস্ট ৩৭০ ধারা খারিজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ভূখণ্ডের অঙ্গরাজ্যের তকমাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ওইসঙ্গে রাজ্যটিকে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জম্মুর হিন্দু এবং লাদাখের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষজন অত্যন্ত খুশি। কারণ, সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাঁদের বহুদিনের আকাঙ্ক্ষাপূরণের সূচনা হল। বিশেষ দিনটিকে তাঁরা নিজেদের মতো করে সেলিব্রেটও করেছেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে শুধু শাসক দলই স্বাগত জানায়নি, স্বাগত জানিয়েছে এনডিএ-বহির্ভূত একাধিক দলও। এমনকী প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের ইয়ং ব্রিগেডও এজন্য মোদি-শাহ জুটির বিচক্ষণতা ও সাহসিকতার প্রশংসা করেছে। সমর্থনের হাত উঠে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতর থেকেও। বিরোধী শিবিরের অনেকেই বলেছেন, মোদি সরকারের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শগত পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু কাশ্মীর-প্রসঙ্গে তাঁরা মোদি সরকারকে সমর্থন না-করার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। কাশ্মীর নিয়ে মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাধীন ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক প্রশাসনিক বিচক্ষণতা হিসেবে অভিহিত করলে অত্যুক্তি হবে না। সিদ্ধান্তটি এতটাই চমকপ্রদ এবং ভারতবাসীর হৃদয়ের কাছাকাছি যে জাতীয় রাজনীতিতে অপাংক্তেয় হয়ে আসা বামপন্থীরা এবং আরও কিছু ছোট দল বিরোধিতা করলেও ক’জন তাতে কর্ণপাত করেছেন বলা মুশকিল। অর্থাৎ কাশ্মীর প্রশ্নে দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশের বেশিরভাগ মানুষের সমর্থন এখন সরকারের পক্ষে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই), শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি মিত্র দেশও ভারতের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, ভারতের একটি শ্রেণীর কাছে স্বচ্ছ জল সবসময়ই অপেয় গণ্য হয়; তৃষ্ণা মেটাতে তাঁরা স্বচ্ছ জল ঘোলা করে নেন। ঘোলা জলে মাছধরাও সহজ ভেবে নেন তাঁরা। এই শ্রেণী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এরপর উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশেষ অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে মোদি সরকার। শুধু তাই নয়, এই ঘোলা জলে দার্জিলিংকেও টেনে আনছেন কেউ কেউ। সেই বস্তাপচা দাবি, দার্জিলিং পাহাড়কে বাংলা থেকে বিচ্ছিন্ন করে পৃথক রাজ্য গড়ে দিতে হবে, নিদেনপক্ষে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করে দিলেও তাঁরা খুশি। এইসমস্ত কথা যাঁরা বলছেন, তাঁরা সজ্ঞানে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। কারণ, তাঁরাও জানেন কাশ্মীর একেবারে একটি ভিন্ন প্রশ্ন। কাশ্মীর ভারতের অন্যতম এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান সেখানে চরম অশান্তি জিইয়ে রেখেছে। সম্মুখসমরে একাধিকবার পরাজিত হয়ে ছায়াযুদ্ধ জারি রেখেছে। কাশ্মীর বিবাদকে বারবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান। কাশ্মীরের ভাগ পাওয়ার জন্য তারা বারবার আন্তর্জাতিক মুরুব্বি ধরে বেড়িয়েছে। এই সেদিনও ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একই বায়না রেখেছিলেন। আমরা জানি, ওই প্রসঙ্গে ট্রাম্প সাহেব বেফাঁস মন্তব্য করে নিজের দেশেই নিন্দিত হয়েছেন। কাশ্মীর নিয়ে ইমরান সাহেবের প্রাপ্তি বলতে ওইটুকুই। কাশ্মীর বিষয়ে ভারত সরকারের সর্বশেষ পদক্ষেপ নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মূলত দুটি দেশ—পাকিস্তান এবং চীন। তাদের প্রতিক্রিয়া আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল না। কারণ, কাশ্মীর এবং লাদাখের বিশাল অঞ্চল (আকসাই চীন) এই দুটি দেশ দীর্ঘদিন যাবৎ বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে। এই প্রথম কোনও ভারত সরকার ওই দুই ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার শুনিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানিয়ে দিয়েছেন, উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির বিশেষ অধিকার সংরক্ষিত হয়েছে সংবিধানের ৩৭১ ধারায়, তার সঙ্গে খারিজ-হওয়া ৩৭০ ধারার কোনও সম্পর্ক নেই। ৩৭১ ধারার বাধ্যবাধকতা ভিন্ন প্রেক্ষিতে। এই ধারাটি নিয়ে যাবতীয় আশঙ্কা অমিত শাহ উড়িয়ে দিয়েছেন।
সুতরাং এরপরও কাশ্মীর প্রশ্নের পাশে উত্তর-পূর্বাঞ্চল-চর্চায় চীন এবং পাকিস্তান ছাড়া আর কেউই খুশি হবে না। আর দার্জিলিংকে কোনোভাবেই এই পংক্তিতে আনা যায় না। দার্জিলিং বরাবর বাংলার একটি অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। উন্নয়নই দার্জিলিং সমস্যার একমাত্র সমাধান। রাজ্য সরকার গত আটবছর যাবৎ লাগাতার সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে আন্তরিকভাবে। কেন্দ্র দরাজ-হস্ত হলে দার্জিলিঙের উন্নয়ন নিশ্চয় ত্বরান্বিত হবে। মোদি সরকারের কাছে সেটাই কাঙ্ক্ষিত। কিন্তু, বিজেপির স্থানীয় এমপি ঘোলা জলে মাছধরার যে চেষ্টা নিয়েছেন তা নিন্দনীয় এবং পরিত্যাজ্য। বিজেপির কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য নেতৃত্ব বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন না-করলে বাংলায় আগামী বিধানসভার ভোটে তার মূল্য তাদের চোকাতে হবে—আগাম বলে দেওয়া যায়।
08th  August, 2019
আজকের বদলে যাওয়া পশ্চিম বাংলায় শিল্পের আশ্বাস 

বাংলা পাল্টে গিয়েছে। দীঘায় অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভে’ এমনই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পপতিদের কাছে তাঁর আহ্বান, ‘পাল্টে যাওয়া এই বাংলায় বিনিয়োগ করুন।’ এরাজ্যের পরিবেশ যে অনেকটাই বদলে গিয়েছে, সেটা তাঁর অতি বড় সমালোচকও মানবে। 
বিশদ

  সংসদ ও নারীর সম্মান

 জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী। জননী অর্থাৎ মা এবং মাতৃভূমি অর্থাৎ নিজের দেশ হল স্বর্গের চেয়ে গর্বের বা বড়। মায়ের মধ্যেই বিধাতা সব সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছেন। মা কেন সবচেয়ে সুন্দর? কারণ তাঁরই ভেতরে সন্তানের জন্য অপার স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসা—যতটা না প্রকট তার চেয়ে বেশি সুপ্ত। বিশদ

12th  December, 2019
লক্ষ্য সেই ভোট

ফের একটি মধ্যরাতের ঘটনা। ভোটাভুটির মাধ্যমে ৩১১-৮০ ব্যবধানে লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করালো কেন্দ্রের শাসক শিবির। রাজ্যসভায় বিল অনুমোদনের পক্ষে সংখ্যা জোগাড় করে নেওয়া তাদের কাছে হয়তো কঠিন হবে না।
বিশদ

11th  December, 2019
অগ্নিকাণ্ড: বছরভর সতর্কতা জরুরি 

১৯৯৭ সালের স্মৃতি ফিরে এল । সেদিনের সেই ভয়াবহ ঘটনা এখনও অনেকের মন থেকে মুছে যায়নি। চলছিল ‘বর্ডার’ ছবি। আর তার মাঝেই উপহার সিনেমা হলে লাগল আগুন। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, সেদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৯ জনের। আহতের সংখ্যা নয় নয় করে একশো।  
বিশদ

10th  December, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

09th  December, 2019
এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

ওয়াশিংটন ও লাহোর, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): হাফিজ সইদ নিয়ে পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াল আমেরিকা। জামাত-উদ-দাওয়া (জেইউডি) প্রধান সইদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুক ইসলামাবাদ। ২০০৮ মুম্বই হামলার মূলচক্রীর সাজা নিয়ে পাকিস্তানকে এমনই নির্দেশ দিল আমেরিকা।  ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের পক্ষে মিছিল বিজেপির 

05:30:00 PM

সান্দাকফুতে মরশুমের প্রথম তুষারপাত 
রাজ্যের উচ্চতম পয়েন্ট সান্দাকফুতে মরশুমের প্রথম তুষারপাত শুরু হল। আজ ...বিশদ

05:25:42 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ  

05:09:18 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: প্রতিবাদে বিজেপি ছাড়লেন দক্ষিণ দিনাজপুরের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে বিজেপি ছাড়লেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ...বিশদ

05:03:32 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: প্রতিবাদ ঘিরে রণক্ষেত্র মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা

04:54:00 PM

উলুবেড়িয়ায় দূরপাল্লার ট্রেনে ভাঙচুর, অবরোধ 
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে উলুবেড়িয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা হাওড়া-চেন্নাই মেলে ভাঙচুর ...বিশদ

04:48:00 PM