Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

বৃদ্ধিযোগের ভালো-মন্দ

পশ্চিমবঙ্গে হঠাৎ বৃদ্ধিযোগ। সরকারের রাজকোষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও নানা ভাবে যুক্ত মানুষের পাওনাগণ্ডা অনেকখানি বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। যেমন গত ২৫ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন একলাফে অনেকটাই বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২৯ জুলাই শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (এসএসকে) এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের (এমএসকে) শিক্ষকদেরও প্রাপ্য বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সদস্য এবং ভোটে নির্বাচিত নানা ধরনের পদাধিকারীদেরও। তার আগে বেড়েছে বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রীদের ভাতাও। ৩০ জুলাই ঘোষিত হল পুর কাউন্সিলারসহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত পদাধিকারীর ভাতাবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বেতন এবং ভাতাবৃদ্ধির প্রতিটি সিদ্ধান্তই স্বাগত। কারণ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অর্থনীতির ধর্ম। সরকারি কর্মী থেকে জনপ্রতিনিধি সকলেই এই অর্থনীতির অংশ। একই বাজারে সকলকেই বাজার করতে হয়। অতএব দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বর্ধিত বেতন এবং ভাতাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাপ্য। সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই পাওনাগণ্ডা বাড়িয়েছে এমন নয়। প্রতিটি ক্ষেত্র নিজ নিজ দাবিতে সরব ছিল। স্কুলশিক্ষক এবং এসএসকে, এমএসকের শিক্ষকরা বেতনবৃদ্ধির দাবিতে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন। জনপ্রতিনিধিরা আন্দোলনের পথে যাননি ঠিকই কিন্তু ‘সামান্য’ মাসিক ভাতা নিয়ে তাঁদের একাংশের মনে ক্ষোভ অবশ্যই ছিল। অতএব প্রতিটি ক্ষেত্রে পাওনাগণ্ডা বাড়িয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সুবিবেচনাপ্রসূত বলেই প্রশংসিত হবে, ধরে নেওয়া যায়।
তবে, এর দুটি প্রভাব সম্পর্কেও হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সমাজের একটি অংশের আয়বৃদ্ধির প্রভাব বা‌জারে পড়বে। তার দরুণ জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আর একটি সম্ভাবনা হল সরকারের বাকি সমস্ত ক্ষেত্রও একইসঙ্গে বেতনসহ অন্যান্য প্রাপ্য বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রত্যাশী হয়ে উঠবে। যেমন হাইস্কুল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি এবং সরকার অধিগৃহীত সংস্থাগুলির কর্মীরা। আমরা জানি, সরকারি কর্মীরা মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দীর্ঘদিন যাবৎ সোচ্চার। ইতিমধ্যেই ডিএ মামলায় স্যাটের রায় কর্মীদের পক্ষে গিয়েছে। তাঁদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্যাট। নবান্নের উপর আরও রয়েছে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করার চাপ। দাবিপূরণের দরজা একবার খুলে গেলে তা বন্ধ করে দেওয়া কঠিন। আশঙ্কা হয়, এরপর প্রত্যাশা বাড়বে সামাজিক কল্যাণ ক্ষেত্রে সরকার যত রকম ভাতা দিয়ে থাকে (যেমন বিধবাভাতা, বার্ধক্যভাতা, ছাত্রবৃত্তি প্রভৃতি) সেগুলিও বৃদ্ধির জন্য।
সম্প্রতি যতটা বর্ধিত আর্থিক দায় সরকার স্বীকার করে নিয়েছে তার পরিমাণ বিপুল। এরপর ডিএ, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ মিলিয়ে আরও এক বিশাল ব্যয়ভার অপেক্ষা করছে। সরকার এই পুরোটাই মেটাতে পারলে তার চেয়ে সুখের কিছু হয় না। কারণ, তাতে নাগরিকদের একটি বৃহৎ অংশের জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে। যার সুফল বাজারেও পড়বে। কিন্তু প্রশ্ন হল, যে সরকারের কাঁধে ঋণের সুদ বাবদ অবিলম্বে ৫৬ হাজার কোটি টাকা মেটানোর দায় রয়েছে, সেই সরকার এটা কতটা পেরে উঠবে? রাজ্য সরকারের আয়ের ক্ষেত্র সীমিত। কেন্দ্রীয় রাজস্বের প্রাপ্য অংশও রাজ্য কখনও পুরো পায় না। যেমন চতুর্দশ অর্থ কমিশনের নিয়মানুসারে মোট কেন্দ্রীয় রাজস্বের (জিটিআর) ৪২ শতাংশ রাজ্যগুলির প্রাপ্য। এটি রাজ্যগুলির সাংবিধানিক অধিকারও বটে। তারপরেও গত পাঁচ বছরে রাজ্যগুলির প্রাপ্য ৩৬ শতাংশও স্পর্শ করেনি। তাই রাজ্যের দায়ভারকে অংশত কেন্দ্রেরও স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তা না-হলে রাজ্যের উপর চাপবৃদ্ধিতে অশান্তিই বাড়বে, বাস্তবে কিছুই করার থাকবে না রাজ্যের। অন্যদিকে, রাজ্যকেও চেষ্টা করতে হবে সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার এবং অনাবশ্যক কিছু খরচে লাগাম টানার। আয়বৃদ্ধির নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করাও জরুরি। বেতন ভাতা বাবদ যাঁরা বাড়তি অর্থ পেতে চলেছেন, তাঁদেরকেও মনে রাখতে হবে, বাংলার কর্মসংস্কৃতির বিন্দুমাত্র সুনাম নেই। জনপ্রতিনিধিদের একাংশ সম্পর্কেও মানুষের শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অতএব সরকার যখন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থে তাঁদের জন্য বাড়তি বিপুল ব্যয়ভার স্বীকার করছে, তখন কর্মসংস্কৃতি এবং স্বচ্ছতা ফেরানোর বিষয়ে তাঁরা যেন আন্তরিকতার পরিচয়টি রাখেন।
01st  August, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
এনআরসির উদ্দেশ্য হয়তো সাধু, উদ্বেগ প্রয়োগ নিয়েই

 মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের। আর রাজনৈতিক নেতাদের টিকে থাকার জন্য লাগে ইস্যু। জবরদস্ত ইস্যুই রাজনীতির প্রধান খোরাক। রাজনৈতিক দলের তৈরি ইস্যুতে আমরা আলোড়িত হয়, উৎফুল্ল হই, আবার উদ্বিগ্নও হই। এই ইস্যুকে ঘিরেই তৈরি হয় জনমত, এই ইস্যুই রাজনৈতিক দলগুলির ভাগ্য নির্ধারণ করে।
বিশদ

22nd  November, 2019
জলাশয় ধ্বংসে শাস্তিটাও কাম্য

 ভারতে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ রাজ্যগুলির মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। জনবসতির ঘনত্ব এখানে ক্রমবর্ধমান, নানা কারণে। স্বভাবত বসতি কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রবণতা কলকাতাকে ঘিরেই। কারণটি সোজা। পূর্ব ভারতের ভিতরে আধুনিক জীবনযাপনের সবচেয়ে বেশি সুযোগ কলকাতাতেই মেলে।
বিশদ

21st  November, 2019
বছরভর নজরদারি প্রয়োজন 

সাধারণ মানুষ বিশেষত গরিব মধ্যবিত্ত শ্রেণী এই মুহূর্তে যে সমস্যাটিতে জেরবার হচ্ছে তা হল সাম্প্রতিক বাজার দর। দেশের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে এমনিতেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। হাতে নগদ টাকার অভাব।   বিশদ

20th  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, মালদহ: রোগীকে পরীক্ষার নাম করে তার শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসকের খোঁজ মিলল না বৃহস্পতিবারেও। ইংলিশবাজার শহরে তার চেম্বারটিও বন্ধ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এব্যাপারে মালদহ মহিলা থানা একটি মামলা দায়ের করেছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নয়াদিল্লি, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): আইনজীবীদের আদালত অবমাননার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর করজোড়ে ক্ষমা চাইলেন বিচারপতি অরুণ মিশ্র। মঙ্গলবার বিচারপতি মিশ্রর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে এক জমি অধিগ্রহণ মামলার শুনানি চলছিল। ...

বিশ্বজিৎ মাইতি, বারাসত, বিএনএ: বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত চাষিকে ক্ষতিপূরণ দিতে নতুন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড না থাকলেও ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপদগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: জার্মান দার্শনিক ম্যাক্সমুলারের জন্ম
১৮৫৩: ঐতিহাসিক ও শিক্ষাবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৫৬: দলিত আন্দোলনের নেতা ভীমরাওজি রামাজি আম্বেদকরের মৃত্যু
১৯৮৫: ক্রিকেটার আর পি সিংয়ের জন্ম
১৯৯২: অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংস
২০১৬ - তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯২ টাকা ৭৩.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬২ টাকা ৯৬.০৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৪২ টাকা ৮১.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ৪২/৬ রাত্রি ১০/৫৭। সূ উ ৬/৬/৫৩, অ ৪/৪৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৫৮/২৮/৪৯ শেষরাত্রি ৫/৩১/৫০। উত্তরভাদ্রপদ ৪১/৪৫/৪১ রাত্রি ১০/৫০/৩৪, সূ উ ৬/৮/১৮, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৯ মধ্যে, কালবেলা ১০/৮/২০ গতে ১১/২৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৮/২২ গতে ৯/৪৮/২১ মধ্যে।
৮ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহে যুবতীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় আজ নমুনা সংগ্রহ করল পুলিস
মালদহে ধানতলার আমবাগান যুবতীর দগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগান থেকে ...বিশদ

02:08:47 PM

ভাঙড়ের জাগুলগাছিতে সদ্যোজাতের দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 

02:05:00 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে ভেঙে পড়ল গোয়ালঘরের দেওয়াল, মৃত ১ 

01:59:00 PM

মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

01:37:00 PM

উত্তরপ্রদেশে নাচ থামাতেই নর্তকীর মুখে গুলি, ভর্তি হাসপাতালে 
তেলেঙ্গানা ধর্ষণ কাণ্ডের রেশ এখনও মেটেনি। তার আগেই ফের ন্যক্কারজনক ...বিশদ

12:41:00 PM

কোচবিহারে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে উদয়ন গুহ
কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা ...বিশদ

12:29:00 PM