Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

বৃদ্ধিযোগের ভালো-মন্দ

পশ্চিমবঙ্গে হঠাৎ বৃদ্ধিযোগ। সরকারের রাজকোষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও নানা ভাবে যুক্ত মানুষের পাওনাগণ্ডা অনেকখানি বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। যেমন গত ২৫ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন একলাফে অনেকটাই বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২৯ জুলাই শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (এসএসকে) এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের (এমএসকে) শিক্ষকদেরও প্রাপ্য বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সদস্য এবং ভোটে নির্বাচিত নানা ধরনের পদাধিকারীদেরও। তার আগে বেড়েছে বিধায়ক এবং রাজ্যের মন্ত্রীদের ভাতাও। ৩০ জুলাই ঘোষিত হল পুর কাউন্সিলারসহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত পদাধিকারীর ভাতাবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। বেতন এবং ভাতাবৃদ্ধির প্রতিটি সিদ্ধান্তই স্বাগত। কারণ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি অর্থনীতির ধর্ম। সরকারি কর্মী থেকে জনপ্রতিনিধি সকলেই এই অর্থনীতির অংশ। একই বাজারে সকলকেই বাজার করতে হয়। অতএব দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বর্ধিত বেতন এবং ভাতাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রাপ্য। সরকার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই পাওনাগণ্ডা বাড়িয়েছে এমন নয়। প্রতিটি ক্ষেত্র নিজ নিজ দাবিতে সরব ছিল। স্কুলশিক্ষক এবং এসএসকে, এমএসকের শিক্ষকরা বেতনবৃদ্ধির দাবিতে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন। জনপ্রতিনিধিরা আন্দোলনের পথে যাননি ঠিকই কিন্তু ‘সামান্য’ মাসিক ভাতা নিয়ে তাঁদের একাংশের মনে ক্ষোভ অবশ্যই ছিল। অতএব প্রতিটি ক্ষেত্রে পাওনাগণ্ডা বাড়িয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সুবিবেচনাপ্রসূত বলেই প্রশংসিত হবে, ধরে নেওয়া যায়।
তবে, এর দুটি প্রভাব সম্পর্কেও হুঁশিয়ার থাকতে হবে। সমাজের একটি অংশের আয়বৃদ্ধির প্রভাব বা‌জারে পড়বে। তার দরুণ জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আর একটি সম্ভাবনা হল সরকারের বাকি সমস্ত ক্ষেত্রও একইসঙ্গে বেতনসহ অন্যান্য প্রাপ্য বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রত্যাশী হয়ে উঠবে। যেমন হাইস্কুল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি এবং সরকার অধিগৃহীত সংস্থাগুলির কর্মীরা। আমরা জানি, সরকারি কর্মীরা মহার্ঘভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দীর্ঘদিন যাবৎ সোচ্চার। ইতিমধ্যেই ডিএ মামলায় স্যাটের রায় কর্মীদের পক্ষে গিয়েছে। তাঁদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্যাট। নবান্নের উপর আরও রয়েছে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করার চাপ। দাবিপূরণের দরজা একবার খুলে গেলে তা বন্ধ করে দেওয়া কঠিন। আশঙ্কা হয়, এরপর প্রত্যাশা বাড়বে সামাজিক কল্যাণ ক্ষেত্রে সরকার যত রকম ভাতা দিয়ে থাকে (যেমন বিধবাভাতা, বার্ধক্যভাতা, ছাত্রবৃত্তি প্রভৃতি) সেগুলিও বৃদ্ধির জন্য।
সম্প্রতি যতটা বর্ধিত আর্থিক দায় সরকার স্বীকার করে নিয়েছে তার পরিমাণ বিপুল। এরপর ডিএ, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ মিলিয়ে আরও এক বিশাল ব্যয়ভার অপেক্ষা করছে। সরকার এই পুরোটাই মেটাতে পারলে তার চেয়ে সুখের কিছু হয় না। কারণ, তাতে নাগরিকদের একটি বৃহৎ অংশের জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হবে। যার সুফল বাজারেও পড়বে। কিন্তু প্রশ্ন হল, যে সরকারের কাঁধে ঋণের সুদ বাবদ অবিলম্বে ৫৬ হাজার কোটি টাকা মেটানোর দায় রয়েছে, সেই সরকার এটা কতটা পেরে উঠবে? রাজ্য সরকারের আয়ের ক্ষেত্র সীমিত। কেন্দ্রীয় রাজস্বের প্রাপ্য অংশও রাজ্য কখনও পুরো পায় না। যেমন চতুর্দশ অর্থ কমিশনের নিয়মানুসারে মোট কেন্দ্রীয় রাজস্বের (জিটিআর) ৪২ শতাংশ রাজ্যগুলির প্রাপ্য। এটি রাজ্যগুলির সাংবিধানিক অধিকারও বটে। তারপরেও গত পাঁচ বছরে রাজ্যগুলির প্রাপ্য ৩৬ শতাংশও স্পর্শ করেনি। তাই রাজ্যের দায়ভারকে অংশত কেন্দ্রেরও স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তা না-হলে রাজ্যের উপর চাপবৃদ্ধিতে অশান্তিই বাড়বে, বাস্তবে কিছুই করার থাকবে না রাজ্যের। অন্যদিকে, রাজ্যকেও চেষ্টা করতে হবে সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার এবং অনাবশ্যক কিছু খরচে লাগাম টানার। আয়বৃদ্ধির নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করাও জরুরি। বেতন ভাতা বাবদ যাঁরা বাড়তি অর্থ পেতে চলেছেন, তাঁদেরকেও মনে রাখতে হবে, বাংলার কর্মসংস্কৃতির বিন্দুমাত্র সুনাম নেই। জনপ্রতিনিধিদের একাংশ সম্পর্কেও মানুষের শ্রদ্ধা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অতএব সরকার যখন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থে তাঁদের জন্য বাড়তি বিপুল ব্যয়ভার স্বীকার করছে, তখন কর্মসংস্কৃতি এবং স্বচ্ছতা ফেরানোর বিষয়ে তাঁরা যেন আন্তরিকতার পরিচয়টি রাখেন।
01st  August, 2019
প্রবীণরাই কেন শিকার? 

কলকাতা মহানগরীর বুকে ফের একাকী বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা ঘটে গেল। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে—কেন বারবার প্রবীণরাই দুষ্কৃতীদের নিশানা হচ্ছেন? তাঁরা দুর্বল বলে, নাকি জরাগ্রস্ত শরীরে নিঃসঙ্গ-নির্বাসিত বলে! নইলে কী করে গড়িয়াহাটের মতো জমজমাট এলাকার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধাকে গলা কেটে নির্মমভাবে খুন করা হল। অথচ, কাকপক্ষী টের পেল না? 
বিশদ

আজকের বদলে যাওয়া পশ্চিম বাংলায় শিল্পের আশ্বাস 

বাংলা পাল্টে গিয়েছে। দীঘায় অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভে’ এমনই দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্পপতিদের কাছে তাঁর আহ্বান, ‘পাল্টে যাওয়া এই বাংলায় বিনিয়োগ করুন।’ এরাজ্যের পরিবেশ যে অনেকটাই বদলে গিয়েছে, সেটা তাঁর অতি বড় সমালোচকও মানবে। 
বিশদ

13th  December, 2019
  সংসদ ও নারীর সম্মান

 জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী। জননী অর্থাৎ মা এবং মাতৃভূমি অর্থাৎ নিজের দেশ হল স্বর্গের চেয়ে গর্বের বা বড়। মায়ের মধ্যেই বিধাতা সব সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছেন। মা কেন সবচেয়ে সুন্দর? কারণ তাঁরই ভেতরে সন্তানের জন্য অপার স্নেহ, মায়া, মমতা, ভালোবাসা—যতটা না প্রকট তার চেয়ে বেশি সুপ্ত। বিশদ

12th  December, 2019
লক্ষ্য সেই ভোট

ফের একটি মধ্যরাতের ঘটনা। ভোটাভুটির মাধ্যমে ৩১১-৮০ ব্যবধানে লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করালো কেন্দ্রের শাসক শিবির। রাজ্যসভায় বিল অনুমোদনের পক্ষে সংখ্যা জোগাড় করে নেওয়া তাদের কাছে হয়তো কঠিন হবে না।
বিশদ

11th  December, 2019
অগ্নিকাণ্ড: বছরভর সতর্কতা জরুরি 

১৯৯৭ সালের স্মৃতি ফিরে এল । সেদিনের সেই ভয়াবহ ঘটনা এখনও অনেকের মন থেকে মুছে যায়নি। চলছিল ‘বর্ডার’ ছবি। আর তার মাঝেই উপহার সিনেমা হলে লাগল আগুন। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, সেদিনের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৫৯ জনের। আহতের সংখ্যা নয় নয় করে একশো।  
বিশদ

10th  December, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

09th  December, 2019
এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নভেম্বর মাসে এলআইসি’র পলিসি বিক্রির হার বাড়ল। দেশে ১০০টি পলিসি বিক্রি পিছু ৮৪টিই এলআইসি’র। নভেম্বর মাসে এলআইসি’র মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি বোঝাতে গিয়ে এমনটাই জানালেন সংস্থার পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল ম্যানেজার দীনেশ ভগত। ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-১ ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের গেন্দুগুড়িতে ১০০ দিনের কাজে মাটির রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন শ্রমিকরা প্রায় এককিমি রাস্তার কাজ শুরু করেন।  ...

পানাজি, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): গোয়ায় বসবাসকারী পর্তুগিজ পাসপোর্টধারীদের উপর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কোনও প্রভাব পড়বে না। শুক্রবার গোয়ার এনআরআই কমিশনের পক্ষ থেকে এই কথা জানানো হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: পূর্বস্থলীর বাঁশদহ বিলেও এবার পরিযায়ী পাখিদের আগমন শুরু হয়েছে। ওই বিলের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কচুরিপানার উপর পরিযায়ী পাখিদের বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চার থেকে পাঁচটি প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে এসেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৪: অভিনেতা ও পরিচালক রাজ কাপুরের জন্ম
১৯৩১: কুমিল্লায় বিপ্লবী শান্তি ঘোষ ও সুনীতি চৌধুরি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেনসকে হত্যা করেন
১৯৩৪: পরিচালক শ্যাম বেনেগালের জন্ম
১৯৫৩: ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় বিজয় অমৃতরাজের জন্ম
১৯৫৭: হাওড়া এবং ব্যান্ডেলের মধ্যে প্রথম চালু হল বৈদ্যুতিক ট্রেন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৬/২৯ দিবা ৮/৪৭। পুনর্বসু ৫৭/৮ শেষরাত্রি ৫/৩। সূ উ ৬/১১/৫৯, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৮/৪৯/১৯ দিবা ৯/৪৫/২৯। আর্দ্রা ২/৫১/২২ দিবা ৭/২২/১৮, সূ উ ৬/১৩/৪৫, অ ৪/৫০/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ৯/৫২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৪৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৩/১৮ মধ্যে ও ৩/৩০/৩৭ গতে ৪/৫০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩৩/১৮ গতে ৬/১৪/২৯ মধ্যে। 
১৬ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের হটাতে লাঠিচার্জ পুলিসের, ফাটানো হল টিয়ার গ্যাসের শেল 

12:02:07 PM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ  

11:58:00 AM

কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের ইটের ঘায়ে জখম হাওড়া সিটি পুলিসের ডিসি সাউথ জোন 

11:38:53 AM

মুরারইতে রেল অবরোধের জেরে বাঁশলৈ স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়েছে ডাউন শতাব্দী এক্সপ্রেস 

11:26:10 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুরারইতে রেল ও পথ অবরোধ

10:59:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ

10:45:00 AM