Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

ইংরেজি মাধ্যমের গুরুত্ব

মেধার ক্ষেত্রে তেমন ঘাটতি না-থাকলেও শুধুমাত্র ইংরেজিতে বলিয়ে কইয়ে না-হওয়ার মাশুল দিতে হয় বাংলা মাধ্যম স্কুলের বহু ছাত্রছাত্রীকে। ইংরেজিতে দখল না-থাকার কারণে প্রতিযোগিতার দৌড়ে অনেকসময় তারা পিছিয়ে পড়ছে। এই কারণেই অভিভাবকদের অনেকেই চান না তাঁদের সন্তানদের বাংলা মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করতে। ‌ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করানোর এই প্রবণতাটি উত্তরোত্তর বাড়ছে। মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই তাই চলে যাচ্ছে সিআইএসসিই, সিবিএসই অনুমোদিত স্কুলগুলিতে। ফলে, জয়েন্ট এন্ট্রান্স বা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফলেও লক্ষ করা যায় ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য বাংলা মাধ্যমের চেয়ে বেশি। প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি তুলে দিয়ে এই সাড়ে সর্বনাশটি করে গিয়েছে বামফ্রন্ট সরকার, যার ফল ভুগতে হচ্ছে এখনও। বলা যায়, বাম আমলের ‘ব্যর্থ শিক্ষানীতি’র জেরে এই রাজ্যে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে বেসরকারি বহু ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। প্রতিযোগিতার দৌড়ে সন্তানদের এগিয়ে দেওয়ার যৌক্তিক প্রত্যাশা থেকেই ইংরেজি মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি করানোটা অনেকেরই লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বাংলা মাধ্যম স্কুলে তো বটেই, এমনকী সরকারি স্কুলেও পড়ুয়ার সংখ্যা কমছে। অথচ, এমনটা হওয়ার কথা নয়। মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা দিতে গিয়ে যদি অত্যন্ত কার্যকরী একটি ভাষা, অর্থাৎ ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় ঘাটতি থেকে যায় তাহলে শিক্ষার্থীর পক্ষে তা অপূরণীয় ক্ষতি। এই সহজ সত্যটি বুঝতে সম্ভবত অক্ষম ছিলেন তৎকালীন বাম শাসকরা। সেইসঙ্গে ছিল রাজনৈতিক ফয়দালাভের প্রশ্নটি। আশার কথা যে, ইংরেজি শিক্ষার কদরটি এবার বুঝতে পারছে এখনকার সরকার।
রাজ্যের অগ্রগতি করতে হলে আমাদের ছেলেমেয়েদের অবশ্যই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তা কখনওই ইংরেজিকে অচ্ছুৎ করে রেখে নয়। ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় যথোচিত গুরুত্ব এখন না-দিলেই নয়। এই সারমর্মটি উপলব্ধি করেছে তৃণমূল সরকার। প্রশ্নটা হল, যে-রাজ্যে ছেলেমেয়েদের স্কুলমুখী করতে নানা রকম সরকারি প্রকল্প রয়েছে, চালু আছে মিড ডে মিল সেখানে সরকার পোষিত স্কুলে ছাত্রাভাব থাকবে কেন? অস্বীকার করার উপায় নেই—সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে একসময় ইংরেজি তুলে দেওয়াটা ছিল ভর্তির আকর্ষণ কমে যাওয়ার একটি কারণ। দুর্ভাগ্যজনক যে রাজ্যে আড়াই হাজারেরও কিছু বেশি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২০-র নীচে চলে গিয়েছে! ছাত্রছাত্রী কমে গিয়েছে এরকম একাধিক স্কুলকে একসঙ্গে যুক্ত করা, পরিকাঠামোর উন্নতি, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা চালু করা প্রভৃতির মাধ্যমে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বা সরকারি স্কুলগুলিকে আকর্ষণীয় করে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। আপাতত এক হাজার সরকারি স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারি এই প্রচেষ্টাটি তখনই সফল হবে যখন স্কুলে উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে। থাকবেন প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষক। দরকার নির্ভুল পাঠ্যপুস্তকেরও। মাথায় রাখা দরকার, গোড়ায় গলদ রেখে কোনও কাজই সফল হতে পারে না। শিক্ষা দপ্তর বিষয়টি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছে তার জন্য তাদের সাধুবাদ প্রাপ্য। শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক প্রাথমিকেই যাতে ইংরেজির সঙ্গে ধাতস্থ হতে পারে খুদে পড়ুয়ারা সেজন্য সিলেবাস কমিটির তরফে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব জমা পড়েছে। ওই শ্রেণীতে বাচ্চাদের জন্য ওয়ার্ক বুক তৈরি করারও প্রস্তাব আছে।
একথা ঠিক, সরকারি স্কুলে যদি অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষার সুযোগ থাকে তাহলে সেখানে পড়ুয়ার অভাব হওয়ার কথা নয়, বিশেষত যেখানে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম বহু স্কুলেই পড়ার খরচাপাতি অনেক বেশি। ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষা নেওয়ার জন্য যেখানে এত ঝোঁক রয়েছে তাকে মান্যতা দেওয়াই উচিত। সরকারি স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ার সুযোগ প্রসারিত হলে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করানোর প্রবণতা কিছুটা হলেও কমবে। কমবে তাদের রমরমা। তবে, বিজ্ঞাপনের যুগে এ ব্যাপারে প্রচারটাও চাই। আর দরকার নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি। রাজ্যে‌ যত্রতত্র যাতে বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল গ‌঩জিয়ে উঠতে না-পারে সেজন্য সরকারকে তৎপর হতে হবে। সেক্ষেত্রে অন্য বোর্ডের অধীনে গড়ে ওঠা স্কুলগুলির জন্য সরকারের তরফে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেওয়ার বিষয়টির গুরুত্বকে অস্বীকার করার উপায় নেই। যেহেতু রাজ্যেই স্কুলগুলি চলছে তার দায় কিছুটা হলেও রাজ্য সরকারের উপর বর্তায়। তবে সরকারি স্কুলের হৃত গৌরব ফেরাতে হলে আগে শিক্ষকের অভাব দূর করতে হবে। নজর দিতে হবে সেখানে শিক্ষার মানোন্নয়নের উপর। দরকার উপযুক্ত লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরিও। নচেৎ উদ্দেশ্য সফল হবে না। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পড়ুয়া কমে যাওয়া ঠেকাতে ইংরেজি মাধ্যমে জোর দেওয়ার যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি সরকার নিয়েছে তা অত্যন্ত যুক্তিসংগত। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে এছাড়া উপায়ও নেই।
10th  July, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
একনজরে
হায়দরাবাদ, ৮ ডিসেম্বর (পিটিআই): তেলেঙ্গানায় পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারায় অভিযুক্ত চারজনের পুলিসি এনকাউন্টার নিয়ে রবিবারও পুরোদস্তর তদন্তের প্রক্রিয়া চালাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। শনিবার থেকে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ৮ ডিসেম্বর: চলতি বছরের নভেম্বর মাসে গাড়ির উৎপাদন ৪.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করল মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া (এমএসআই)। বাজারে চাহিদা না থাকায় টানা ন’মাস ধরে গাড়ির উৎপাদন কমিয়ে এনেছিল সংস্থাটি। মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া তরফে জানানো হয়েছে, নভেম্বর মাসে ১ লক্ষ ৪১ ...

বিএনএ, সিউড়ি ও সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: লাভপুরে একই পরিবারের তিন ভাইয়ের হত্যা মামলায় নতুন করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিল পুলিস। নতুন করে চার্জশিটে নাম জুড়ল বিজেপি নেতা মনিরুল ইসলামের।  ...

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর নতুন বাসস্ট্যান্ডে নির্মিত পুরসভার প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাগার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। ‌বোর্ড মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গেছে। এই বিষয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতল

08-12-2019 - 10:32:44 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৩/১ (১০ ওভার) 

08-12-2019 - 09:47:37 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

08-12-2019 - 08:47:23 PM

কোচবিহারে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 
কোচবিহারে ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। বোমার ঘায়ে জখম দুই তৃণমূল সমর্থক। ...বিশদ

08-12-2019 - 08:23:24 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১৩২/৪ (১৫ ওভার) 

08-12-2019 - 08:19:18 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১১২/৩ (১২ ওভার) 

08-12-2019 - 08:06:46 PM