Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

কর্মসংস্থানে প্রশ্নচিহ্ন

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীরা মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার করেছিল কর্মসংস্থান ইস্যুটিকে। কারণ, ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার আগে নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। প্রতিশ্রুতি পালন হয়নি। সত্যি বলতে কী, বেকার যুবক-যুবতীদের কাছে কর্মসংস্থান বা স্থায়ী চাকরি না-হওয়ার বিষয়টি এখন অন্যতম জ্বলন্ত একটি সমস্যা। দেশে বেকারত্ব যখন বাড়ছে তখন বেকারদের কর্মসংস্থানের প্রশ্নে শাসক দলের কেউই তেমন সুনির্দিষ্ট কোনও দিশা দেখাতে পারেননি। বেকার থাকার থেকে পকোড়া ভেজে রোজগারের উপায় বের করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শটি বেকারদের, বিশেষত শিক্ষিত বেকারদের হতাশই করেছিল। প্রধানমন্ত্রী ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান করলেও বেকারদের মনের যন্ত্রণা যে তিনি একেবারেই উপলব্ধি করেননি তা বেশ বোঝা যায়। কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে শূন্যপদের সংখ্যাটি পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয় যে কর্মসংস্থানের বিষয়টি সম্ভবত যথোচিত গুরুত্ব পায়নি। সত্যিই যদি বেকাররা কী চায় তার সন্ধান সরকার করত তাহলে নিশ্চয় শূন্যপদগুলি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় চেষ্টাটি করা হতো। শ্রমমন্ত্রক যে তথ্য পেশ করেছে, তাতেই বড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির কর্মসংস্থানের দাবিটি। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এবং তার অধীন দপ্তরগুলিতে ফাঁকা পড়ে রয়েছে প্রায় সাত লক্ষ পদ। চাকরি না-পেয়ে যখন দেশের বহু বেকার মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছে, একটি চাকরির জন্য হাহাকার উঠছে তখন সরকারি ওই শূন্যপদগুলি পূরণের কাজে কি অগ্রাধিকার দেওয়া যেত না? আইনগত বাধা যদি শূন্যপদ পূরণের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায় তাহলে সেই বাধা কাটানোর জন্য তৎপর হতে হবে তো সরকারকেই। সত্যিই কি সেই তৎপরতা দেখিয়েছে কেন্দ্রের সরকার?
বিপুল জনাদেশ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় মোদি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। মোদি সরকার বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করবে সেটাই প্রত্যাশিত। যদিও, কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার জানিয়েছেন, সারা দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সরকার বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। হয়েছে প্রধানমন্ত্রী এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম, মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি স্কিম ইত্যাদি। সে না হয় হল, কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ২০১৮ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত ডিপার্টমেন্ট অফ এক্সপেন্ডিচার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে শূন্যপদের যে খতিয়ান পেশ করেছেন তা যথেষ্ট হতাশাজনক। ওই তথ্যে জানা গিয়েছে, সারা দেশে সরকারি ক্ষেত্রে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৩৮ লক্ষ ২৭৫৯টি। মোট অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩১ লক্ষ ১৮৯৫৬টি পদে কর্মী আছেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে শূন্যপদের সংখ্যা মোট ৬ লক্ষ ৮৩৮২৩টি । বলা বাহুল্য, ২০১৯ সালের জুন মাসের মধ্যে নিঃসন্দেহে আরও কিছু পদ শূন্য হয়েছে। সরকার যদি ওই শূন্যপদগুলিতে কর্মী নিয়োগ করত তাহলে নিঃসন্দেহে দেশের প্রায় ৭ লক্ষ বেকারের মুখে হাসি ফুটত। লাভবান হতো সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলি।
এ প্রসঙ্গে আরও একটি বিষয়ে বিশেষভাবে নজর দেওয়া দরকার। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোদি সরকার দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গুরুত্ব দিতে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়বৃদ্ধিও ঘটিয়েছে। বিরোধীরা রাফাল ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে যতই শোরগোল তুলুক না কেন, সরকার দেশের স্বার্থের প্রসঙ্গ তুলে তাতে কর্ণপাত করেনি। অবাক লাগে, এই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেই শূন্যপদের সংখ্যা মোট ১ লক্ষ ৮৭০৫৪টি। রেলও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। সেই রেলেই শূন্যপদের সংখ্যা আড়াই লক্ষেরও বেশি। তুলনামূলকভাবে অবশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে শূন্যপদ রয়েছে মাত্র ৭২৩৬৫টি এবং শ্রমমন্ত্রকে শূন্যপদের সংখ্যা ২২৬৬টি। যা-ই হোক, ভয়াবহ বেকার সমস্যার কারণে দেশের মানুষের রাতের ঘুম যখন ছুটে যাচ্ছে তখন দেশের সরকারের অন্যতম কাজ হল কর্মসংস্থানের লক্ষ্যপূরণের কাজটিতে অগ্রাধিকার দেওয়া। তাই, সবার আগে কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরিতে যেসব পদ শূন্য আছে তা পূরণের অবিলম্বে ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে দেশের মানুষ মোদি সরকারকে মসনদে বসিয়েছে। বেকারদের কর্মসংস্থানের উপর গুরুত্ব আরোপ করে আশা করা যায় কেন্দ্রীয় সরকার দেশের মানুষের সেই চাহিদা পূরণের কাজে অগ্রণী হবে।
03rd  July, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, চুঁচুড়া: খো খো প্রতিযোগিতায় দেশকে জিতিয়ে ঘরে ফিরলেন চুঁচুড়ার সোনার মেয়ে ঈশিতা। ঈশিতা বিশ্বাস সাউথ এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী ভারতীয় খো খো দলের সদস্য ছিলেন। ...

সিওল, ৮ ডিসেম্বর (এএফপি): পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে আমেরিকার উপর চাপ বাড়াল উত্তর কোরিয়া। ফের শক্তিশালী অস্ত্রের পরীক্ষা করল কিম জং উনের দেশ। শনিবার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এই পরীক্ষাটি চালায় পিয়ংইয়ং।  ...

হায়দরাবাদ, ৮ ডিসেম্বর (পিটিআই): তেলেঙ্গানায় পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারায় অভিযুক্ত চারজনের পুলিসি এনকাউন্টার নিয়ে রবিবারও পুরোদস্তর তদন্তের প্রক্রিয়া চালাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। শনিবার থেকে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর নতুন বাসস্ট্যান্ডে নির্মিত পুরসভার প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাগার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। ‌বোর্ড মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গেছে। এই বিষয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতল

08-12-2019 - 10:32:44 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৩/১ (১০ ওভার) 

08-12-2019 - 09:47:37 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

08-12-2019 - 08:47:23 PM

কোচবিহারে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 
কোচবিহারে ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। বোমার ঘায়ে জখম দুই তৃণমূল সমর্থক। ...বিশদ

08-12-2019 - 08:23:24 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১৩২/৪ (১৫ ওভার) 

08-12-2019 - 08:19:18 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১১২/৩ (১২ ওভার) 

08-12-2019 - 08:06:46 PM