Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

একটাই পথ, জল ধরো জল ভরো

ভয়ঙ্কর কথাটা শুনিয়েছে নীতি আয়োগ। মাঝে আর মাত্র একটা বছর। নীতি আয়োগের রিপোর্ট বলছে, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদ-সহ দেশের ২১টি শহরে ভূগর্ভস্থ জল প্রায় শেষ হতে চলেছে পরের বছরেই। তীব্র জল সঙ্কটে পড়বেন অন্তত ১০ কোটি ভারতীয়। ভারত এই মুহূর্তে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম জল সঙ্কটের মুখোমুখি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে ৬০ কোটির উপর ভারতীয় ভয়ঙ্কর জল-সঙ্কটের সম্মুখীন। এবং, প্রত্যেক বছর কমপক্ষে দু’লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় পানীয় জলের অভাবে। এই জল সঙ্কট সামনের দিনগুলোয় আরও খারাপ আকার ধারণ করতে চলেছে। নীতি আয়োগের রিপোর্ট থেকে আরও জানা যাচ্ছে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রবল সঙ্কটে পড়বেন ৪০ শতাংশেরও বেশি ভারতীয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে নবগঠিত জলশক্তি মন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকা। নদী-নালার জল পরিস্রুত করে পাইপের সাহায্যে সরবরাহ করাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। বৃষ্টিপাত ভীষণ কম হওয়ার ফলে তাও থমকে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বারেবারে যে বিষয়টি বিভিন্ন মহল থেকে সামনে উঠে এসেছে তা হল, বিপুল পরিমাণে গাছ লাগানো। ভূমিক্ষয় রোধ করে, বৃষ্টিপাতে সাহায্য করে, ভূগর্ভস্থ জলের ঘাটতি সামাল দিতে পারে গাছই। সরকারের প্রকল্প তো রয়েছেই, তা ছাড়া নিজেকেও করতে হবে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ। সংরক্ষণের সময় দু’টি জিনিস মাথায় রাখতে হবে। প্রথম পড়া বৃষ্টির জল কিছুতেই সংগ্রহ করবেন না। সংগ্রহ করা বৃষ্টির জল যেন অতি অবশ্যই মাটির ৬০ ফুট নীচে পর্যন্ত পৌঁছয়। না-হলে, আগামী প্রজন্মকে এক ভয়াবহ ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে হবে।
কিন্তু কেন এই তীব্র জল সঙ্কট? রাষ্ট্রসঙ্ঘের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতের হালফিল জনসংখ্যা প্রায় ১৩৬ কোটি। এই বিপুল জনসংখ্যার চাপ স্বাভাবিক ভাবেই এসে পড়ছে প্রকৃতির উপর। এছাড়া জল সঞ্চয়ের বিষয়ে বেশিরভাগ মানুষের সাধারণ সচেতনতার অভাব জল সঙ্কটের অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞরা। নাসা এবং জার্মানির অ্যারো স্পেস সেন্টারের এক যৌথ সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ভূগর্ভস্থ জল হ্রাসের অন্যতম কারণ কৃষিক্ষেত্র এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে জলের যথেচ্ছ ব্যবহার। ভূগর্ভস্থ জল হ্রাসের আরেক কারণ ব্যাপক হারে বৃক্ষচ্ছেদনও। তাছাড়াও কল-কারখানা থেকে বার হওয়া দূষিত বর্জ্য পদার্থ ভূগর্ভস্থ জলকে ক্রমাগত ঠেলে দিচ্ছে দূষণের দিকে। পরিস্রুত জল হয়ে উঠছে বিষাক্ত। নীতি আয়োগের রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, দেশের অন্তত ৭০ শতাংশ জলই দূষিত। জলের গুণমানের সূচক হিসাবে যা গোটা বিশ্বে ভারতকে ১২২টি দেশের মধ্যে ১২০ তম স্থানে নামিয়ে ফেলেছে। একইসঙ্গে প্রলম্বিত শীতের মতোই দীর্ঘায়িত হচ্ছে গ্রীষ্ম। বর্ষার দেখা নেই। ভারতের প্রায় অর্ধেকটা জুড়ে আজ ভয়ানক খরার প্রকোপ চলছে। মৌসুমি বায়ু বিলম্বিত, প্রাক্-বর্ষা বৃষ্টি হয়নি বলে ভূগর্ভের জল শুকিয়ে গিয়েছে, জলাধারে সংগৃহীত জল তলানিতে ঠেকেছে। কর্ণাটকে আশি শতাংশ, মহারাষ্ট্রে বাহাত্তর শতাংশ জেলা খরাক্রান্ত। একই অবস্থা আমাদের রাজ্যের পুরুলিয়া-বাঁকুড়ার মতো স্বল্প বৃষ্টির টাঁড় মাটির এই জেলাগুলিতে। কিন্তু যেখানে পৃথিবীর তিনভাগ জল আর একভাগ স্থল, সেখানে কেন এত জলাভাব! তার কারণও কিন্তু মানুষই। গ্রীষ্মের তীব্র জল সঙ্কটের তিক্ত অভিজ্ঞতা বর্ষা বা শীতের মরসুমে আমরা দিব্যি ভুলে যাই।
২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘জল ধরো জল ভরো’ নামে যে কর্মসূচি গ্রহণ করেন, তার মূল বক্তব্য ছিল—যে-কোনও উপায়ে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ ও তার ব্যবহার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পে প্রায় ২ লক্ষ ৭৯ হাজার পুকুর খনন করা হয়েছে। দেশজুড়ে জলসঙ্কট যে-হারে বাড়ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সব দলের জনপ্রতিনিধিদের কাছে তাঁর আবেদন, ঘরোয়া মিটিং, জনসভা, বৈঠকে রাজনীতির পাশাপাশি জল অপচয় বন্ধ করা এবং ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্প নিয়েও দু’-চার কথা বলুন। আশার আলো বলতে এইটুকুই।
01st  July, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ : যে আমবাগান থেকে দিন তিনেক আগে উদ্ধার করা হয়েছে দগ্ধ মহিলার দেহ, তার এক প্রান্তে রয়েছে আড়াপুর জোত টিপাজানি আহ্লাদমণি ঘোষ ...

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর নতুন বাসস্ট্যান্ডে নির্মিত পুরসভার প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষাগার বেসরকারিকরণ হতে চলেছে। ‌বোর্ড মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গেছে। এই বিষয়ে ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: এক সপ্তাহের মাথায় দেশজুড়ে টোলপ্লাজাগুলিতে কেবলমাত্র একটি করে লেনে ছাড় দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে গাড়িতে থাকতেই হবে ফাস্ট্যাগ।  ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: খো খো প্রতিযোগিতায় দেশকে জিতিয়ে ঘরে ফিরলেন চুঁচুড়ার সোনার মেয়ে ঈশিতা। ঈশিতা বিশ্বাস সাউথ এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী ভারতীয় খো খো দলের সদস্য ছিলেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতল

08-12-2019 - 10:32:44 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৩/১ (১০ ওভার) 

08-12-2019 - 09:47:37 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

08-12-2019 - 08:47:23 PM

কোচবিহারে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 
কোচবিহারে ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। বোমার ঘায়ে জখম দুই তৃণমূল সমর্থক। ...বিশদ

08-12-2019 - 08:23:24 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১৩২/৪ (১৫ ওভার) 

08-12-2019 - 08:19:18 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১১২/৩ (১২ ওভার) 

08-12-2019 - 08:06:46 PM