Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

মনমোহন-অর্থমন্ত্রী সাক্ষাৎ

গত বছর ডিসেম্বর মাসে একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। বইটির নাম ‘চেঞ্জিং ইন্ডিয়া’। লেখক ডঃ মনমোহন সিং। ওই অনুষ্ঠানে একটি কথা বলেছিলেন মনমোহন, ‘লোকে আমাকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টারের তকমা দিয়েছে। আমি কিন্তু অ্যাক্সিডেন্টাল ফিনান্স মিনিস্টারও।’
মনমোহন সিং যে অর্থমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেটা ভারতীয় রাজনীতির বহু বড় বোদ্ধাও আন্দাজ করে উঠতে পারেননি। নরসিমা রাও সেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলেন। ২১ মার্চ, ১৯৯৮। অর্থমন্ত্রী হয়েছিলেন মনমোহন সিং। তার আগের প্রোফাইল যাঁর ছিল রীতিমতো ঈর্ষণীয়। কেন্দ্রীয় সরকারের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর, যোজনা কমিশনের ডেপুটি কমিশনার...। এমন এক ব্যক্তি রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে যদি অর্থমন্ত্রিত্বের দাবিদার হন, তা তো দেশের পক্ষেই গর্বের! তা সত্ত্বেও মনমোহন সিং নিজে দাবি করেছেন, দুর্ঘটনাবশত তিনি অর্থমন্ত্রী হয়ে গিয়েছিলেন। যদিও সেই দুর্ঘটনার সুফল ভারত আজও ভোগ করছে। যে সংস্কার তাঁর হাত ধরে হয়েছিল, তার উপর ভর করেই দেশের অর্থনীতি আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় সাফল্যের ডানা মেলেছে। রাও-মনমোহন মডেল। ভারতের অর্থনীতির সোপান। আর তিনিই গত ৩০ বছরে এই প্রথমবার বাজেট পেশের সময় সংসদে থাকছেন না। কারণ, মনমোহন সিংয়ের রাজ্যসভার সদস্যপদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে আজ।
এটাও কি রাজনৈতিক ইস্যু হতে পারে? পারে। সেটাই করে দেখিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহিলা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে পাঠালেন মনমোহন সিংয়ের নয়াদিল্লির বাসভবনে। কী কথা হল? কেউ কিছুই বলতে চাননি। শুধু বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৌজন্য সাক্ষাৎ। এর মাঝে অন্য কিছু খুঁজতে যাবেন না। কিন্তু ৫ জুলাই বাজেট পেশের আগে অর্থমন্ত্রী দেশের অন্যতম হাইপ্রোফাইল অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞের বাড়িতে কেবল সৌজন্য করতে যাবেন, এই ব্যাখ্যা রাজনৈতিক মহল মানতে নারাজ। তাহলে এর নেপথ্যে কী আছে? হতে পারে, পরামর্শ নিতেই নির্মলা গিয়েছিলেন মনমোহনের কাছে। ভোট অন অ্যাকাউন্টকে মনমোহন শুধু একটি কথায় ব্যাখ্যা করেছিলেন—‘ইলেকশন বাজেট’। তাহলে এই পূর্ণাঙ্গ বাজেট কেমন হওয়া উচিত? বা ভোট অন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এর ফারাক কোথায় কোথায় আনা প্রয়োজন? এইসব প্রশ্নের উত্তর বা পরামর্শ যদি নির্মলা সীতারামন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর থেকে শুনতে চান, মনমোহন দেশের স্বার্থেই এর মাঝে রাজনীতি নিয়ে আসবেন না। আর এ ব্যাপারে তাঁর সবচেয়ে বড় নিন্দুকও একমত হবেন।
এ গেল প্রথম সম্ভাবনা। দ্বিতীয়টি রাজনৈতিক। দিন কয়েক আগেই নরেন্দ্র মোদি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, কংগ্রেস তো নরসিমা রাও, মনমোহন সিংদেরই সেই অর্থে গুরুত্ব দেয়নি। দেশের প্রতি মনমোহন সিংয়ের যা অবদান, তাতে তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়া উচিত ছিল কংগ্রেসের। মোদির এক এবং একমাত্র টার্গেট যে গান্ধী পরিবার, তা জানতে পারলে আর কোনও পুরস্কার নেই। গান্ধী-নেহরু পরিবারকে যেভাবে হোক অপদস্থ করা এবং দেশের রাজনীতি থেকে তাঁদের নাম মুছে ফেলার লক্ষ্য নিয়ে প্রথম ইনিংস শুরু করেছিলেন মোদি। দ্বিতীয় ইনিংসে এসেও সেই টার্গেট থেকে একচুল সরেননি তিনি। কংগ্রেসের শিকড়ে আঘাত করতে গিয়ে তারই শাখা-প্রশাখাকে নিশানা করেছেন মোদি। এখন তাঁর সামনে এমনই এক শাখা, যিনি মহীরুহ হয়ে আত্মপ্রকাশ করতে পারতেন। কিন্তু পেরে ওঠেননি। তার প্রথম কারণ যদি সোনিয়া গান্ধী হয়ে থাকেন, দ্বিতীয়টি অবশ্যই মনমোহন সিং নামে সেই ব্যক্তির মার্কেটিংয়ের অভাব। আজকের যুগে সবটাই প্যাকেজিং-নির্ভর। যা মনমোহন সিংয়ের নেই। তিনি শুধুই কাজ করে গিয়েছেন। কাজের প্রচার করেননি। করতে পারলে তাঁর দশ বছরের শাসনকাল এতটা সাদামাটাভাবে শেষ হতো না। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের যত পালক তাঁর মুকুটে রয়েছে, তা জ্বলজ্বল করে দেশবাসীকে মনমোহন সিংয়ের ক্ষমতা অবগত করাত।
মনমোহন সিং বলতেন, ‘জীবনে কখনও কখনও বোকা হয়ে থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হয়’। মৌন থাকতে পছন্দ করেন মনমোহন। গোটা দেশ যখন তাঁকে সোনিয়া গান্ধীর হাতের পুতুল বলেছে, তখনও চুপ থেকেছেন। তবে তাতে কাজ তাঁর বন্ধ হয়নি। সেই কাজ কিন্তু আজও অস্ত্র মোদির। এবার কি তাহলে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে আর একটা মাস্টারস্ট্রোক দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে? মনমোহন সিংকে যদি তিনি ‘ভারতরত্ন’ সম্মানে ভূষিত করেন, অবাক হওয়ার কিন্তু কিছু থাকবে না!
30th  June, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
একনজরে
বিএনএ, চুঁচুড়া: খো খো প্রতিযোগিতায় দেশকে জিতিয়ে ঘরে ফিরলেন চুঁচুড়ার সোনার মেয়ে ঈশিতা। ঈশিতা বিশ্বাস সাউথ এশিয়ান গেমসের সোনাজয়ী ভারতীয় খো খো দলের সদস্য ছিলেন। ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: এক সপ্তাহের মাথায় দেশজুড়ে টোলপ্লাজাগুলিতে কেবলমাত্র একটি করে লেনে ছাড় দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে গাড়িতে থাকতেই হবে ফাস্ট্যাগ।  ...

সিওল, ৮ ডিসেম্বর (এএফপি): পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে আমেরিকার উপর চাপ বাড়াল উত্তর কোরিয়া। ফের শক্তিশালী অস্ত্রের পরীক্ষা করল কিম জং উনের দেশ। শনিবার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এই পরীক্ষাটি চালায় পিয়ংইয়ং।  ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ : যে আমবাগান থেকে দিন তিনেক আগে উদ্ধার করা হয়েছে দগ্ধ মহিলার দেহ, তার এক প্রান্তে রয়েছে আড়াপুর জোত টিপাজানি আহ্লাদমণি ঘোষ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতল

08-12-2019 - 10:32:44 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৩/১ (১০ ওভার) 

08-12-2019 - 09:47:37 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

08-12-2019 - 08:47:23 PM

কোচবিহারে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 
কোচবিহারে ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। বোমার ঘায়ে জখম দুই তৃণমূল সমর্থক। ...বিশদ

08-12-2019 - 08:23:24 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১৩২/৪ (১৫ ওভার) 

08-12-2019 - 08:19:18 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১১২/৩ (১২ ওভার) 

08-12-2019 - 08:06:46 PM