Bartaman Patrika
সম্পাদকীয়
 

পথদুর্ঘটনা: আরও কঠোর আইন

এখনও বহু মানুষ বিমানভ্রমণ করতে ভয় পান। কারণ কী? বিমানদুর্ঘটনায় মৃত্যুর আশঙ্কা। অথচ দেখুন, সেই ভিতু মানুষটিই দিব্যি বাসে ট্রেনে ট্যাক্সিতে অটোরিকশয় যাতায়াত করেন। ব্যস্ত রাস্তার মধ্যে দিয়ে হেঁটে যান (কারণ, সংকীর্ণ রাজনীতি শহরের বেশিরভাগ ফুটপাতকে যূপকাষ্ঠে চড়িয়ে দিয়েছে অনেক বছর হল)। এমনকী ট্রাফিক সিগন্যাল উপেক্ষা করেও তিনি রাস্তা পার হন। এই প্রসঙ্গেই ভেবে দেখা দরকার, সারা বছরে ক’টা বিমানদুঘর্টনা হয় আর ক’টা পথদুর্ঘটনা হয়। দুই ধরনের দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যার তুলনামূলক খতিয়ানটাও চমকপ্রদ। বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের পরিসংখ্যানটি পথদুর্ঘটনায় মৃতের পরিসংখ্যানের তুলনায় নগণ্য—বিমান পরিবহণের সংখ্যার স্বল্পতার দিকটি মাথায় রাখলেও একথা বাহুল্য হয়ে যায় না। দিল্লি বা কলকাতার মতো শহরে প্রায় রোজই এক বা একাধিক দুর্ঘটনা হয়। হয় মানুষ গাড়ি চাপা পড়ে অথবা বাস ট্যাক্সি অটো প্রভৃতি অন্যভাবে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বসে। তাতে বড় শহরগুলিতে রোজ গড়ে একাধিক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এই ব্যাপারে সব শহরকে ছাপিয়ে গিয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে রোজ গড়ে চারজনের মৃত্যু হয়। অথচ যত কড়াকড়ি সতর্কতা বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেই। সড়ক পরিবহণে ছাড় দেওয়া হয় বিস্তর।
বিপদের বাস্তব দিকটি গুরুত্ব পেলে পথনিরাপত্তার জন্য অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ট্রাফিক আইন এখন আগের চেয়ে অনেক কঠোর নিঃসন্দেহে। একইসঙ্গে কলকাতার মতো শহরগুলিতে নিয়ম করে পথনিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। তার পরেও নিয়ন্ত্রণে আনা মুশকিল হচ্ছে বেপরোয়া কার ড্রাইভিং, হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক চালানো প্রভৃতি। গাড়ি চালানোর পক্ষে অনুপযুক্ত ব্যক্তিরাও (মত্ত এবং/অপ্রাপ্তবয়স্ক, উপযুক্ত ড্রাইভিং ট্রেনিং নেয়নি) ব্যস্ত রাস্তায় স্টিয়ারিং ধরে বেড়িয়ে পড়ছে, সিগন্যাল ভেঙে গাড়ি চালানোর ঘটনা আকছার ঘটছে। গাড়ির বিমা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের ছাড়পত্রও অনেকে হালফিল করে রাখেন না। পণ্যবাহী গাড়িগুলির একাংশ বহনক্ষমতার অতিরিক্ত পণ্য বহন করছে। নিয়ম ভেঙে দিনের বেলাতেই শহরের ব্যস্ত এলাকায় ঢুকে পড়ছে অনেক পণ্যবাহী গাড়ি। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক গাড়ি অ্যাম্বুলেন্সকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার মানবিকতা দেখাচ্ছে না। বাস, ট্যাক্সির মধ্যে অন্যায় রেষারেষির ফলেও দুর্ঘটনা ঘটছে। শুধু যে গাড়ি উল্টে পড়ছে বা মানুষ গাড়িচাপা পড়ছে তা নয়, যাত্রীদের হাত পায়ের মতো অঙ্গ বাদও চলে যাচ্ছে। বাসস্টপে বাস থামাতে আপত্তি থাকে অনেক বাসের। তারা বরং রাস্তায় যেখানে সেখানে যাত্রী তোলে। ট্রাফিক সিগন্যাল ভেঙে বেপরোয়াভাবে রাস্তা পারাপার করতে গিয়েও বহু মানুষ বিপদ ডেকে আনছে। নতুন বিপদ হয়েছে কানে হেডফোন গুঁজে গান শুনতে শুনতে অথবা কানে মোবাইল রেখে কথা বলতে বলতে রাস্তা অনেকে পেরচ্ছে এবং গাড়িতে ওঠানামা করছে। মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলায়, অনেকে এর ফলে, মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এই শ্রেণীর মধ্যে কমবয়সি ছেলেমেয়েই বেশি। আর একটি পরিতাপের বিষয় হল, পুলিসকর্মীদেরও একটি অংশ ট্রাফিকবিধি সম্পর্কে সচেতন নন অথবা জেনেশুনেই তা ভঙ্গ করছেন। তা দেখে যুবকদের একটি অংশ প্ররোচিত হচ্ছে।
কিন্তু, এই অন্যায় যে আর চুপচাপ মেনে নেওয়া হবে না সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে। আঠারোটি রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রীদের সুপারিশ মেনে কেন্দ্র একটি সংশোধনী বিল আনছে। কঠোরতর এই মোটর ভেহিকলস সংশোধনী বিলটিকে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। ট্রাফিক এবং মোটর ভেহিকলস আইনলঙ্ঘনের প্রতিটি পর্যায়ে অনেক বেশি অর্থদণ্ড এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের ব্যবস্থা থাকছে। ওইসঙ্গে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করারও সংস্থান থাকছে। ড্রাইভিং ট্রেনিংয়েও কিছু বদল আনা হচ্ছে। বিলটি সংসদের চলতি অধিবেশনেই পেশ করা হবে। বিগত লোকসভায় পাশ হয়ে গেলেও এটি রাজ্যসভায় পাশ করানো যায়নি। রাজ্যসভায় পাশ করানোর আগেই বিলটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। আশা করা যায়, এবার সর্বসম্মতিক্রমেই রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয়ে যাবে। এবং, তার ভিত্তিতে সারা দেশেই একই কঠোরতর আইন বলবৎ হবে। ট্রাফিক আইনভঙ্গকারী পুলিসকর্মীদের বিরুদ্ধেও কঠোর মনোভাব নিয়েছেন কলকাতা পুলিস কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে পথদুর্ঘটনা এবং তার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকাতে যে পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা স্বাগত। কারণ, আইনের প্রয়োজনে মানুষ নয় মানুষের প্রয়োজনেই আইন।
27th  June, 2019
পৃথিবীকে রক্ষা করবে কারা?

খরা, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড়! এই ত্র্যহস্পর্শেই জলবায়ু বদলজনিত বিপদের আশঙ্কায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। একটি জার্মান পরিবেশ গবেষণা সংস্থার প্রকাশিত সমীক্ষা রিপোর্টে একথা জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।   বিশদ

এনআরসি নয়, সমস্যা অর্থনীতি

 নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যদি একজন মাত্র মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সোজাসাপ্টা কথা বলতে ভালোবাসেন। এবং তাঁর উদ্দেশ্যটাও সব সময় পরিষ্কার হয়। এবারও তার অন্যথা হচ্ছে না। বিশদ

08th  December, 2019
মুখ ঢাকো লজ্জায়

মধ্যযুগীয় নারকীয় বর্বরতাও মুখ ঢাকবে লজ্জায়। তেমনই লজ্জায় মাথা হেঁট করা উচিত উন্নাওয়ের পুলিস-প্রশাসনেরও। এ কোন দেশে বাস করছি আমরা? মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়া তো দূরঅস্ত, ধর্ষণের মতো ঘৃণ্যতম অপরাধের মূল সাক্ষী ‘নির্যাতিতা’কে সুরক্ষা না দিতে পারার ব্যর্থতা কি কিছু দিয়েই ঢাকা দেওয়া যাবে? 
বিশদ

07th  December, 2019
রান্নাঘরে আগুন, অসহায় সরকার 

দেশজুড়ে রীতিমতো যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। দাম বৃদ্ধির প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় পেট্রল, ডিজেল সহ অনেককে পিছনে ফেলে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে চলেছে পেঁয়াজ। তার গতি এতটাই তীব্র যে, ধারেকাছে কেউ ঘেঁষতে পারছে না। চিতাবাঘের গতিও তার কাছে হার মেনেছে। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর রেল দুর্ঘটনা চায় না দেশ

রেল। এই ছোট্ট একটি শব্দের গুরুত্ব ভারতের মতো সুবিশাল দেশে বিরাট। দেশজুড়ে ৬০ হাজার কিমি রেল ট্র্যাকে রোজ নানা ধরনের ১১ হাজারের বেশি ট্রেন দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে দীর্ঘতম রেলরুট হল অসমের ডিব্রুগড় থেকে সুদূর দক্ষিণে কন্যাকুমারী—৪,২৮৬ কিমি!
বিশদ

05th  December, 2019
গোদের উপর বিষফোঁড়া 

এখন বাজার করতে যাওয়া আর গিলোটিনে মাথা দেওয়া একই ব্যাপার। বাজার মানেই তপ্ত কড়াই। পিঁয়াজ কিনলে আলু কেনার পয়সা থাকে না। আলু কিনলে ফুলকুপি কেনার পয়সা থাকে না। ফুলকপি কিনলে ধনেপাতা কেনার পয়সা থাকে না। এই নিত্য ছেঁকা খাওয়ার অবস্থার মধ্যেই এল দুঃসংবাদ। আরও এক ছেঁকা। 
বিশদ

03rd  December, 2019
ধ্যান-জপের অপরিহার্য্যতা 

জপ-ধ্যানাদি সম্বন্ধে একটা সন্দেহ কাহারও কাহারও মনে থাকিতে পারে। আচার্য্যদেব ফোন সময়ে বলিয়াছেন—সকলে জপ করে কাঠের মালায়, তিনি জপ করেন জাতিগঠনের মালায়—কোন দুর্ব্বল মুহুর্তে ইহার ব্যাখ্যা কেহ কেহ নিজের সুবিধা মতো করিয়া নিতে পারে। মনে হইতে পারে, আচার্য্যদেব জাতিগঠনের কাজকে জপ-ধ্যানের চাইতে উচ্চ স্থান দিয়াছেন। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বন্ধ হোক পেঁয়াজের দাদাগিরি

চলতি সপ্তাহেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। কালোবাজারি রুখতে সরকারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ রয়েছে। নজরদারির জন্য রয়েছে টাস্ক ফোর্স। কিন্তু, সেসবকে কলা দেখিয়ে খুচরো বাজারে চলছে ‘পেঁয়াজের দাদাগিরি’। পরিস্থিতি এমনই যে, আপেলের মতো দামি ফলকে হারিয়ে মহার্ঘ তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে সে। 
বিশদ

02nd  December, 2019
আর্থিক সঙ্কট, মোদির চ্যালেঞ্জ 

রাজনীতির ময়দানে একের পর এক ধাক্কা সামাল দেওয়ার ফুরসত নেই, তারই মধ্যে নরেন্দ্র মোদির কাছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে এল দেশের অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ‘সমস্যা কিছু রয়েছে ঠিকই, তবে আর্থিক মন্দা নয়।  বিশদ

01st  December, 2019
আগুনখেলায় হাতও পুড়ল, মুখও বাঁচল না

 কথায় আছে—অতি দর্পে হতা লঙ্কা। এটা শুধু কথার কথা নয়, দেশে-কালে, ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত সত্য। ঔদ্ধত্য আকাশ ছুঁয়ে ফেললেই তার পতন অনিবার্য। যেমনটা দেখা যাচ্ছে সাম্প্রতিক আমাদের দেশের রাজনীতিতে। সেই কারণেই লোকসভা ভোটে দু’কূল ছাপানো ফলাফলের পর থেকে বিজেপি নিজেকে সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করেছিল। বিশদ

30th  November, 2019
সরকারের ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হয় জনগণকেই 

এতদিন যা ছিল মানুষের মনে, বৃহস্পতিবার সেটাই এল সরকারের মুখে। সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গঙ্গওয়ার স্বীকার করে নিয়েছেন, নোট বাতিলের পর দেশে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।  বিশদ

29th  November, 2019
গড়পড়তা

গত শনিবার সাত সকালে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। পিছন পিছন শপথ নিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। বলা হল, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন ফড়নবিশ।
বিশদ

28th  November, 2019
ক্ষোভ প্রশমনের দাওয়াই 

অবসরপ্রাপ্ত বহু মানুষ স্বস্তিতে নেই। সন্তানের বেকারত্ব, নিজের রোগব্যাধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সমস্যায় জেরবার তাঁরা। কর্মজীবনে তিলে তিলে সঞ্চয় করা অর্থের সুদের টাকায় অনেকের পক্ষে সংসার চালানোটা এখন মুশকিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।  বিশদ

27th  November, 2019
আপাতত জল্পনার স্বর্গরাজ্য 

মাঝরাতেই শিবির বদল শারদ পাওয়ারের ভাইপোর। রাতের অন্ধকারে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান চরিত্র হয়ে উঠলেন এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার। কোন অজিত পাওয়ার? ফড়নবিশ যাঁকে দুর্নীতির দায়ে জেলে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর সেই অজিতের হাত ধরেই মহারাষ্ট্রে ফের সরকারে বিজেপি। 
বিশদ

25th  November, 2019
ঐতিহাসিক ‘গোলাপি’ টেস্ট

 অবশ্যই ঐতিহাসিক। দিনরাতের টেস্ট ম্যাচের পরিধিতে ঢুকে পড়ল ভারত। সৌজন্যে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বদল আসতে চলেছে তাঁর হাত ধরে। ভারতের ক্রিকেটে।
বিশদ

24th  November, 2019
আবার শিল্পে সুসময় আসুক

পশ্চিমবঙ্গে শিল্প-বিকাশের ক্যালেন্ডারটি থমকে গিয়েছিল বাম আমলেই। একরোখা শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল কারখানার চিমনিগুলি। ধনতন্ত্রের অবসানে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে রাষ্ট্র গঠনের আফিমে বুঁদ করে মজদুর খেপিয়ে এক এক করে শিল্পপতিদের রাজ্যছাড়া করেছে সিপিএম। যার ফলে দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বঙ্গের শিল্প সম্ভাবনার। 
বিশদ

23rd  November, 2019
একনজরে
হায়দরাবাদ, ৮ ডিসেম্বর (পিটিআই): তেলেঙ্গানায় পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারায় অভিযুক্ত চারজনের পুলিসি এনকাউন্টার নিয়ে রবিবারও পুরোদস্তর তদন্তের প্রক্রিয়া চালাল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। শনিবার থেকে এই তদন্ত শুরু হয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ৮ ডিসেম্বর: চলতি বছরের নভেম্বর মাসে গাড়ির উৎপাদন ৪.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করল মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া (এমএসআই)। বাজারে চাহিদা না থাকায় টানা ন’মাস ধরে গাড়ির উৎপাদন কমিয়ে এনেছিল সংস্থাটি। মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া তরফে জানানো হয়েছে, নভেম্বর মাসে ১ লক্ষ ৪১ ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: এক সপ্তাহের মাথায় দেশজুড়ে টোলপ্লাজাগুলিতে কেবলমাত্র একটি করে লেনে ছাড় দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা চালু করতে গেলে গাড়িতে থাকতেই হবে ফাস্ট্যাগ।  ...

সিওল, ৮ ডিসেম্বর (এএফপি): পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রশ্নে আমেরিকার উপর চাপ বাড়াল উত্তর কোরিয়া। ফের শক্তিশালী অস্ত্রের পরীক্ষা করল কিম জং উনের দেশ। শনিবার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ এই পরীক্ষাটি চালায় পিয়ংইয়ং।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৩: অন্ধকবি সুরদাসের জন্ম
১৮৯৮: বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠিত হল
১৬০৮: ইংরেজ কবি জন মিলটনের জন্ম
১৯৪৬: কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার জন্ম
২০১১: আমরি হাসপাতালে আগুন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৯/২৩ দিবা ৯/৫৪। ভরণী ৫৭/৯ শেষ রাত্রি ৫/০। সূ উ ৬/৮/৫৩, অ ৪/৪৮/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৮ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ১১/২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৭/২৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ২/৮ গতে ৩/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৮ গতে ১১/২৮ মধ্যে। 
২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, দ্বাদশী ৭/১০/১১ দিবা ৯/২/২২। ভরণী ৫৭/৩১/১০ শেষরাত্রি ৫/১০/২৬, সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ৯/৪ গতে ১১/১১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে ও ২/৪০ গতে ৩/৩৪ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩০/৮ গতে ৮/৪৯/৫৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৯/৩০ গতে ১১/২৯/৪০ মধ্যে।
১১ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভারতের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জিতল

08-12-2019 - 10:32:44 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৩/১ (১০ ওভার) 

08-12-2019 - 09:47:37 PM

দ্বিতীয় টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

08-12-2019 - 08:47:23 PM

কোচবিহারে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 
কোচবিহারে ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। বোমার ঘায়ে জখম দুই তৃণমূল সমর্থক। ...বিশদ

08-12-2019 - 08:23:24 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১৩২/৪ (১৫ ওভার) 

08-12-2019 - 08:19:18 PM

দ্বিতীয় টি২০: ভারত ১১২/৩ (১২ ওভার) 

08-12-2019 - 08:06:46 PM