Bartaman Patrika
খেলা
 
রাত পোহালেই মহারণ

আইএসএলের মঞ্চে ডার্বির উত্তাপে গা ঘামাচ্ছেন মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গলের ফুটবলাররা।

নেতৃত্ব হারানোর আক্ষেপ
এখনও রয়েছে সানির

মুম্বই: বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ারে খ্যাতির শিখর ছুঁয়েছেন তিনি। রান, রেকর্ড, স্বীকৃতি মিলিয়ে প্রাপ্তির ভাণ্ডার পরিপূর্ণ। খেলা ছাড়ার পরেও তাঁর উপর থেকে প্রচারের আলো কমেনি এতটুকু। নিজের কেরিয়ার বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্ষেপ করা তাঁর অভ্যাসে নেই। তবে খেলোয়াড়ি জীবনের একটি ঘটনা এখনও ভুলতে পারেননি সুনীল গাভাসকর। সানি জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জেতা ও ব্যাটে সফল হওয়া সত্ত্বেও কেন যে তাঁকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তার সদুত্তর আজও তিনি পাননি।
বিশ্ব ক্রিকেটে তখন রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তা সে দেশের মাটিতে হোক বা বিদেশে, টেস্টে হোক কিংবা সীমিত ওভারের ক্রিকেটে। ক্লাইভ লয়েডদের থামায় এমন সাধ্যি কার! পরাক্রমশালী ক্যারিবিয়ান ব্রিগেডের অশ্বমেধের ঘোড়া আচমকা থমকে দাঁড়িয়েছিল ভারতে এসে। সেটা ১৯৭৮-৭৯ মরশুম। ছয় টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল গাভাসকরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। সিরিজে ক্যাপ্টেন সানি একাই করেছিলেন ৭৩২ রান। তার পরও আচমকা নেতৃত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল এস বেঙ্কটরাঘবনের হাতে। সেই দুঃখ এখনও ভুলতে পারেননি ‘লিটল মাস্টার’। নিজের নিবন্ধে সানি লিখেছেন, ‘ভালোই মনে আছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ছয় ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ছিল। সেই কঠিন লড়াইয়ে আমরা ১-০ ব্যবধানে জিতেছিলাম। তার পরও আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অধিনায়কত্ব থেকে। এমন নয় যে, আমি খারাপ ফর্মে ছিলাম। ওই সিরিজে আমার নামের পাশে সাতশোর উপর রান ছিল। তবু কেন ক্রিকেট বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা আমার কাছে অজানাই থেকে গিয়েছে। তবে একটা কথা আমি আন্দাজ করতে পেরেছি। আর তা হল কেরি প্যাকারের ওয়ার্ল্ড সিরিজে আমার খেলার প্রস্তাব পাওয়া। তবে আমি তো সেই প্রলোভনে শেষ পর্যন্ত পা দিইনি। বিশ্বাসভঙ্গ না করে বোর্ডের চুক্তিপত্রেই সই করেছিলাম। তারপরেও এমন সিদ্ধান্ত আমাকে হতবাক করেছিল।’
তবে সেই হতাশা বেশিদিন বয়ে বেড়াতে হয়নি গাভাসকরকে। পরের মরশুমেই অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হোম সিরিজে ভারতীয় দলের নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনা হয় তাঁকে। তবে নির্বাচকদের সঙ্গে মতানৈক্য দূর হয়নি সানির। সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রাক্তন তারকা ওপেনারটি বলছেন, ‘কপিল দেব তখন সবে উঠছে। কারসন ঘাউড়ির নতুন বলের সঙ্গী হিসেবে বেশ নজরও কেড়েছে। এই অবস্থায় বাকি বোলারদের মধ্যে কাকে রাখা হবে তা নিয়ে বেশ অস্থির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল। রাজিন্দর গোয়েল, ধীরাজ প্রসন ও শিভালকরের মধ্যে দলে ঢোকার লড়াই বেশ জমে উঠেছিল। আমি দলে চাইছিলাম, গোয়েল বা শিভালকরের মধ্যে একজনকে। কিন্তু তাঁরা আমার কথায় কর্ণপাত না করে বেছে নিয়েছিলেন ধীরাজ প্রসনকে। আসলে তখন তো আর দল নির্বাচনে অধিনায়কের কোনও ভোটাধিকার ছিল না!’

30th  June, 2020
স্বর্গে ওর সঙ্গে খেলব: পেলে 

পেলে: খুবই বেদনাদায়ক ঘটনা। একজন দারুণ বন্ধুকে আজ আমি হারালাম। ফুটবল বিশ্বও হারাল একজন কিংবদন্তিকে। আরও অনেক কথা বলার ছিল, কিন্তু এখন বলার মত অবস্থায় নেই। স্বর্গলোক বলে যদি কিছু থাকে, আশা করি, সেখানে আমরা একসঙ্গে জুটি বেঁধে খেলার সুযোগ পাব। 
বিশদ

শেষ অঙ্কে মিলে গেলেন
ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে  

বুয়েনস আইরেস: এক আশ্চর্য সমাপতন! ‘বিপ্লব পুরুষ’ ফিদেল কাস্ত্রোর মৃত্যুদিনেই বিশ্ব হারাল ফুটবলের রাজপুত্রকে। আর বিশ্বের চিরাকলীন ইতিহাসে স্থান করে নিল ২৫ নভেম্বর। একসূত্রে গেঁথে গেল ভক্ত আর অনুরাগীর প্রয়াণ। ফিদেলের মতোই হাভানা চুরুটের ভক্ত ছিলেন মারাদোনা।  
বিশদ

কলকাতার আবেগের স্রোতে
ঘাবড়ে গিয়েছিলেন ডিয়েগো 

ডিয়েগো মারাদোনার অকাল প্রয়াণে শোকে পাথর গোটা কলকাতা। কলকাতার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল নিবিড়। খেলোয়াড়ী জীবনে তাঁকে কলকাতায় আনতে কয়েকবার উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী। তাঁর সেই প্রয়াস সফল হয়নি। খেলোয়াড়ী জীবনে তিনি কলকাতায় না এলেও পরবর্তীকালে দু’বার এসেছিলেন কলকাতায়।
বিশদ

সোনালি অধ্যায়ে ফুলের সঙ্গে ছিল কাঁটাও 

কারও কাছে তিনি ছিলেন ফুটবলের রাজপুত্র। কেউ তাঁকে ঈশ্বররূপে দেখার চেষ্টা করতেন। বুয়েনস আইরেসের তস্য গলি থেকে সাফল্যের রাজপথে বিচরণ করেছিলেন শুধু বাঁ পায়ের জাদুতে। সাফল্যের শিখর স্পর্শ করেছিলেন বিদ্যুৎ গতিতে। রাতারাতি হয়েছিলেন তরুণ প্রজন্মের ‘আইকন’। খ্যাতি আর বিতর্ক তাঁর জীবনে হাত ধরাধরি করে চলত। সীমাহীন ভালোবাসায় পূর্ণ ও বাঁধনহারা জীবন ছিল তাঁর। তিনি আর কেউ নন। ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা। 
বিশদ

বিদায় স্বপ্নের ফেরিওয়ালা 

তাঁর সঙ্গে প্রথম আলাপ টিভি’র পর্দায়। পড়শি বাড়ির ছোট্ট ঘরটাতে। কত আর বয়স তখন। দশও হয়নি। ১৯৮৬ বিশ্বকাপ। পাড়ায় তখন ব্রাজিল সমর্থকদের রমরমা। এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত টাঙানো হলুদ পতাকায় জিকো-সক্রেটিসদের ছবি। 
বিশদ

নক আউট পর্বে জুভেন্তাস-বার্সা 

কিয়েভ ও তুরিন: লায়োনেল মেসিকে ছাড়াই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বড় জয় পেল বার্সেলোনা। মঙ্গলবার অ্যাওয়ে ম্যাচে দুর্বল ডায়নামো কিয়েভকে ৪-০ গোলে হারাল রোনাল্ড কোম্যানের দল। দলের হয়ে জোড়া গোল মার্টিন ব্রেথওয়েটের। এছাড়া স্কোরশিটে নাম লেখান সের্গিও ডেস্ট ও আঁতোয়া গ্রিজম্যান।  
বিশদ

 প্রয়াত মারাদোনা ​​​​

যুগাবসান। নক্ষত্রপতনও বটে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ফুটবলের রাজপুত্র ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা (৬০)। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের জন্য সপ্তাহ তিনেক আগে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। সেই পর্বে চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছিলেন বাঁ পায়ের জাদুকর। কিন্তু এদিন বাড়িতেই হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয় তাঁর। বিপক্ষের বহু ডিফেন্ডারের কড়া চ্যালেঞ্জ সহজাত প্রতিভায় অতিক্রম করলেও শেষ লড়াইয়ে হার মানতে হল তাঁকে। বিশ্ব ফুটবল হারাল তার অন্যতম অলঙ্কারকে। ‘এল পিবে ডো ওরো’র (সোনার ছেলে) অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ফুটবল দুনিয়া। 
বিশদ

নতুন মোড়কে পুরানো
ঐতিহ্য, বলছেন বিজয়ন

শুক্রবারের বড় ম্যাচের আগে স্মৃতিমেদুর আইএম বিজয়ন। কেরল পুলিসের অফিসার তিনি। তবে কাজের ফাঁকে দুই প্রধান সম্বন্ধে অনেক খোঁজখবরই তিনি রাখেন। 
আসন্ন ডার্বিও তাঁর নজরের বাইরে নেই। বিজয়ন বলছেন, ‘এবার নতুন মোড়কে কলকাতার দুই প্রধান। তবে গর্বের ঐতিহ্যে কোনও আঁচ পড়েনি।
বিশদ

অরিন্দমের জন্যই এটিকে
মোহন বাগানের পাল্লা ভারি
ইস্ট বেঙ্গলের গোলে থাক দেবজিৎ
ভাস্কর গাঙ্গুলি

শুধু ডার্বি নয়, যে কোনও ম্যাচেই গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া প্রয়োজন। না হলে সেই দল ডুবতে বাধ্য। শুক্রবার গোয়ার বুকে আইএসএল ডার্বিতে শেষ হাসি কে হাসবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে এই তালমিলের উপর। দু’টি দলই এই ব্যাপারে পরীক্ষিত নয়। বিশদ

নতুন আঙ্গিকে বড় ম্যাচ
দর্শকশূন্য মাঠে উদ্দীপ্ত
হওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ: বাইচুং

ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ইতিহাসে প্রথম ডার্বি। নিঃসন্দেহে এই ম্যাচ নিয়ে ইতিমধ্যে উন্মাদনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। আগামী শুক্রবার মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্ট বেঙ্গল ও মোহন বাগান। এই ডার্বির মাধ্যমেই দেশের সর্বোচ্চ লিগে অভিষেক ঘটবে লাল-হলুদ ব্রিগেডের। বিশদ

নতুন আঙ্গিকে বড় ম্যাচ
দুই প্রধানের সমর্থক
ছাড়া ডার্বি অসম্পূর্ণ

অমৃতসরে ‘কুলজিৎ ফুটবল অ্যাকাডেমি’ পরিচালনা করি। তার উপর পাঞ্জাব পুলিসের দায়িত্বশীল পদে থাকার ফলে ব্যস্ততা আমার নিত্যসঙ্গী। তাই অ্যাকাডেমিতে তেমন সময় দিতে পারি না। অবসরের পর অবশ্য এই সমস্যা থাকবে না। তবে অ্যাকাডেমিতে গেলে খুদে ফুটবলারদের উদ্দীপ্ত করতে স্মৃতির সরণী বেয়ে ডার্বি ম্যাচের প্রসঙ্গ টেনে আনি। বিশদ

অতীতে ফাউলারের বাতিল করা
রয় কৃষ্ণাই ভরসা সবুজ-মেরুনের

শুক্রবারের ডার্বিতে এটিকে মোহন বাগানের বড় ভরসা রয় কৃষ্ণাকে এক সময়ে বাতিল করে দিয়েছিলেন রবি ফাউলার। লাল-হলুদের ব্রিটিশ কোচ তখন কুইন্সল্যান্ড ফিউরির দায়িত্বে। তিন মাস ট্রায়ালে তিনি দেখেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। বিশদ

খুদে আদিবাসীদের মেসি, রোনাল্ডো হওয়ার স্বপ্ন
দেখাচ্ছে পুলিস-প্রশাসনের ফুটবল অ্যাকাডেমি

ওরা খেলতে চায়।  করোনাকালে আশেপাশে কী হচ্ছে না হচ্ছে, পরোয়া নেই। গায়ে মেসি, রোনাল্ডোদের জার্সি পরে বড় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে তারা। যদিও এই মহারথীদের খেলা তারা সেভাবে দেখেনি। কিন্তু তাতে স্বপ্ন দেখা বন্ধ হয়নি। ওরা প্রত্যেকেই আদিবাসী এলাকার কিশোর-কিশোরী।   বিশদ

শেষ মুহূর্তের গোলে গোয়াকে হারাল মুম্বই

প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষাৎকারে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লেন সের্গিও লোবেরো। বুধবার আইএসএলে এফসি গোয়াকে হারাল মুম্বই সিটি এফসি। সংযোজিত সময়ে পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদে মুম্বইকে তিন পয়েন্ট এনে দেন অ্যাডাম লে ফন্ড্রে। বিশদ

Pages: 12345

একনজরে
সরকারি উদ্যোগে যেসব বাজারে আলু সরবরাহ করা হবে সেখানে ক্রেতাদের কাছ থেকে সঠিক দাম নেওয়া হচ্ছে কি না তার উপর নজর রাখবে কৃষি বিপণন দপ্তর। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা তৈরিতে জোর দেওয়ার জন্য অক্টোবর মাসেই পথশ্রী অভিযান প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই প্রকল্প ছাড়াও সাধারণ মানুষের স্বার্থে জেলায় আরও ৩৬টি রাস্তা তৈরি করছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ। প্রতিটি কাজের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে।   ...

আবারও সীমান্ত থেকে উদ্ধার হল পাখি। লকডাউন এবং পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে পাখি পাচার হতে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের হাতে বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা ঘটল। এবার ঘটনাটি ঘটেছে তেঁতুলবেড়িয়া সীমান্তে। ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বাংলাদেশে গমের খেতে জলসা রোগ ক্ষতি করতে পারে সীমান্তবর্তী দক্ষিণদিনাজপুর জেলার গম চাষে। সেই আশঙ্কায় গত তিন বছর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণদিনাজপুরের বিস্তীর্ণ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। কর্মস্থানে সহকর্মীর ঈর্ষার শিকার। গুরুজনের স্বাস্থ্যোন্নতি। পুলিসি ঝামেলা, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯০: ভাষাবিদ সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭২: অভিনেতা অর্জুন রামপালের জন্ম
১৯৭৬: মাইক্রোসফট নামটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধিত হয়
২০০৮: লস্কর ই তৈবা জঙ্গিদের মুম্বইয়ে হানা, অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৯ টাকা ৭৪.৯০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.২৩ টাকা ১০০.৬৩ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী অহোরাত্র। রেবতী নক্ষত্র ৩৮/২০ রাত্রি ৯/২০। সূর্যোদয় ৬/০/৩৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে  ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে  ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/২৫ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/২৪ গতে ১/৩ মধ্যে। 
১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, একাদশী প্রাতঃ ৬/১৪। রেবতী নক্ষত্র ১০/৫৩। সূর্যোদয় ৬/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৯ মধ্যে ও ১/১৮ গতে ২/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ৩/৩৩ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৩ মধ্যে। কালবেলা ২/৬ গতে ৪/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/২৫ গতে ১/৪ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ম্যাচ ড্র, কেরল ব্লাস্টার্স ২ নর্থইস্ট ২ 

09:29:30 PM

কেরল ব্লাস্টার্স ২ নর্থইস্ট ২ (৮৯ মিনিট) 

09:27:49 PM

কেরল ব্লাস্টার্স ২ নর্থইস্ট ০ (হাফটাইম)

08:28:54 PM

কেরল ব্লাস্টার্স ২ নর্থইস্ট ০ (৪৫ মিনিট) 

08:25:22 PM

কাপড়ের গুদামে আগুন
ভরসন্ধ্যায় অগ্নিকাণ্ড। দক্ষিণ কলকাতার পূর্ণদাস রোডের একটি কাপড়ের গুদামে আগুন ...বিশদ

07:56:58 PM

স্বাস্থ্যসাথীর স্মার্ট কার্ড প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:23:08 PM