Bartaman Patrika
বিদেশ
 

অপারেশন পেপারক্লিপ 
মৃণালকান্তি দাস

১৯৪৫ সালের মার্চ মাস।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির তখন টালমাটাল অবস্থা। নাৎসি জার্মানির রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়ছে রাশিয়ার লালফৌজ আর আমেরিকান সেনারা। বিশ্বযুদ্ধের কুখ্যাত খলনায়করা তখন তাদের অপকর্মের প্রমাণ লোপাটে ব্যস্ত। ৩০ এপ্রিল রেড আর্মি বার্লিনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। জার্মানির মিলিটারি রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ওয়ার্নার ওসেনবার্গ রেডিওতে শুনতে পেলেন হিটলারের আত্মহত্যার সংবাদ। দ্রুত তিনি সামরিক গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ কাগজগুলো টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দিয়ে গা ঢাকা দিলেন। কাগজগুলো বেশিরভাগ চলে গেল ভূগর্ভস্থ নর্দমায়। কিন্তু সম্ভবত জল শেষ হয়ে যাওয়ায়, ফ্ল্যাশ হওয়া থেকে বেঁচে যাওয়া কিছু কাগজ উদ্ধার হওয়ার পর চলে গেল ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৬ এর কাছে। হাতবদল হয়ে সেই কাগজ আবার পৌঁছে গেল আমেরিকান গোয়েন্দাদের কাছে। তখন এই কাগজে থাকা তথ্যগুলোই যে হন্যে হয়ে খুঁজছে মার্কিন গোয়েন্দারা। আর সেসব কাগজ থেকেই শুরু হয়েছিল গোপন এক অভিযান। যার নাম ‘অপারেশন পেপারক্লিপ’। কী লেখা ছিল সেই কাগজে? কী ছিল সেই অভিযানে?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের অধীনে নাৎসি জার্মানির উত্থানের পিছনে অনেক বড় ভূমিকা ছিল বিজ্ঞানীদের। তাই যুদ্ধকালীন জার্মানিতে থাকা বিখ্যাত সব বিজ্ঞানী আর গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে এক ছাতার নীচে আনতেই গঠন করা হয় মিলিটারি রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন। এর প্রধান করা হয় ওয়ার্নার ওসেনবার্গকে। ওসেনবার্গ সেইসময় হ্যানোভার টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ছিলেন। নাৎসিবাদের ভক্ত হিসাবে তাঁর বেশ খ্যাতি ছিল। তার কাঁধে দায়িত্ব ছিল সামরিক অস্ত্র তৈরিতে সহায়তা করতে সক্ষম এমন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ আর প্রকৌশলীদের এই সংগঠনে নিয়োগ করা। তিনি তাঁর কাজে সফল ছিলেন বটে। এখানে তিনি কম করে হলেও প্রায় ৫,০০০ বিখ্যাত বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ আর প্রকৌশলী নিয়োগ করেন। নিয়োগপ্রাপ্তদের নামের তালিকার একটি কপিই টয়লেটে ফ্ল্যাশ হওয়া থেকে বেঁচে গিয়েছিল সেদিন। পরবর্তীতে এই তালিকা মার্কিন গোয়েন্দাদের হাতে গিয়ে পড়ে। এই তালিকার ঐতিহাসিক নাম ‘ওসেনবার্গ লিস্ট’। আর এই লিস্ট ধরে জার্মানিতে থাকা মার্কিন সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা শুরু করেন বিজ্ঞানীদের খুঁজে বের করার কাজ।
খ্যাতিমান সেই বিজ্ঞানীদের যুদ্ধবন্দি হিসেবে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার গোপন মিশন শুরু করেন তাঁরা। তাদের লক্ষ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র, রাডার সহ সামরিক যন্ত্রপাতিতে দক্ষ বিজ্ঞানীরা। পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে সামরিক ডাক্তার, জৈব প্রযুক্তিবিদ থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রের সেরাদের ধরে ধরে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার গোপন এই পরিকল্পনাই করা হয়েছিল ‘অপারেশন পেপারক্লিপ’-এর অধীনে।
মার্কিন গোয়েন্দারা অপারেশন পেপারক্লিপের কাজ শুরু করেন অনেক আগেই। প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সেক্রেটারি হেনরি ওয়ালেস নিয়মিত খবরাখবর রাখতেন জার্মানির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের সামরিক গবেষণাগুলোর উপরে। বিশ্বযুদ্ধ যখন শেষের দিকে তখন এই ওয়ালেস আঁচ করতে পেরেছিলেন আমেরিকা আর সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে সম্ভাব্য এক স্নায়ুযুদ্ধের কথা। আর কঠিন এই যুদ্ধে জিতে শক্তিশালী হয়ে উঠতে গেলে বিজ্ঞানীদের যে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করতে হবে, তা ভালোই বুঝতেন দক্ষ অর্থনীতিবিদ আর পরবর্তীতে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া হেনরি ওয়ালেস।
তাই যুদ্ধের হাওয়া যখন মিত্রশক্তির দিকে বইছে, তখন প্রায় ১,৮০০ জার্মান বিজ্ঞানীর তালিকা করা হয়। তারা সবাই যুদ্ধকালীন রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র, পারমাণবিক বোমা, সামরিক ওষুধপত্র, রাসায়নিক আর জৈব অস্ত্র নিয়ে কাজ করছিলেন। এই ক্ষেত্রগুলোতে নাৎসি জার্মানির বিজ্ঞানীরা অভূতপুর্ব সাফল্য পেয়েছে — এমন খবরও ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। আর তাই এদের সকলকে যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ওয়ালেসের খসড়া তালিকাটি পৌঁছে দেওয়া হয় আমেরিকান সেনা, নৌ আর বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ একদল গোয়েন্দার কাছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে গঠিত এই গোয়েন্দা দলের কেতাবি নাম ‘United States Joint Intelligence Objectives Agency (JIOA)’। এই দলটিই মূলত ওসেনবার্গ লিস্টের সঙ্গে ওয়ালেসের খসড়াটির সমন্বয় করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ শুরু করে। এই তালিকাটি ১৯৪৫ সালের মে মাস নাগাদ জার্মানিতে থাকা মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বও ছিল দলটির। এই গোপন অপারেশনের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন ওভারকাস্ট’। পরবর্তীতে মার্কিন সামরিক বাহিনী এর নামকরণ করে ‘অপারেশন পেপারক্লিপ’।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জার্মান বিজ্ঞানীরা যে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, বিশেষত রকেট নির্মাণে সাফল্য অর্জন করেছিলেন, তা কারও অজানা ছিল না। নাৎসি বিজ্ঞানীদের নির্মিত ২,০০০ পাউন্ড ওজনের গোলাবারুদ বহনে সক্ষম V-2 rocket মিত্র বাহিনীর জন্য ছিল সাক্ষাৎ মৃত্যু। আর তাই এই গোপন অপারেশনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল, এই রকেট নির্মাতা বিজ্ঞানীদের খুঁজে বের করা। আর এই তালিকায় থাকা ইঞ্জিনিয়ার আর বিজ্ঞানী, যাঁদের আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, তাঁদের কাগজপত্রগুলোকে ‘পেপারক্লিপ’ দিয়ে আলাদা করে রাখতেন গোয়েন্দারা। আর তাই ১৯৪৫-এর নভেম্বরে আমেরিকার সামরিকদপ্তর থেকে এই মিশনের নাম রাখা হয় ‘অপারেশন পেপারক্লিপ’।
১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে আর্মি অর্ডিন্যান্সের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের রকেট শাখার প্রধান কর্নেল টফটয় জার্মান রকেট বিজ্ঞানীদের প্রাথমিকভাবে এক বছরের একটি চুক্তির প্রস্তাব দেন। টফটয় ওই বিজ্ঞানীদের পরিবারের দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলে মোট ১২৭ জন বিজ্ঞানী তাঁর প্রস্তাবটি মেনে নেন। ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭ জন বিজ্ঞানীর প্রথম দল জার্মানি থেকে আমেরিকায় পৌঁছান। পরবর্তীতে তাঁদের টেক্সাসে নিয়ে আসা হয় ‘War Department Special Employee’ হিসেবে। এর প্রায় এক দশক পর এই জার্মান বিজ্ঞানীরা যুদ্ধের সময় কোথায় কী কাজে লিপ্ত ছিলেন, সেই বিষয়ে খোজ খবর নেওয়া শুরু হয়। তাঁদের মধ্যে আর্থার রুডলফ দাস শ্রমিক ক্যাম্প, হিউবার্টাস স্ট্রাগহোল্ড মানব পরীক্ষা নিরীক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলেন বলে জানা যায়। তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানের উন্নতিতেও।
ওসেনবার্গ লিস্টের এক নম্বরে ছিলেন রকেট সাইন্টিস্ট ওয়ার্নার ভন ব্রাউন। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিভাবান এই বিজ্ঞানীর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মহাকাশে মনুষ্যবাহী রকেট পাঠানো। কিন্তু অভিজাত এই জার্মান বিজ্ঞানী শুরু থেকেই ছিলেন হিটলারের নাৎসি বাহিনীর সমর্থক। হিটলার তাকে মিলিটারি স্পেস রিসার্চের প্রধান হিসেবে নিয়োগ করার পর তার হাতেই তৈরি হয় ইংল্যান্ডে আঘাত হানা সেই কুখ্যাত V-2 rocket। অপারেশন পেপারক্লিপের মাধ্যমে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়া হয় বিজ্ঞানী ব্রাউন আর দলের সব ইঞ্জিনিয়ারকে। ১০৪ জন রকেট সায়েন্টিস্টের পুরো দলকে মার্কিন সেনাবাহিনী নিয়োজিত করে মহাকাশ গবেষণার কাজে। মার্কিন সরকার এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাঁদের নিশ্চিত করা হয় কড়া নিরাপত্তা। মহাকাশে মার্কিনীদের পাঠানো প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘এক্সপ্লোরার-১’ উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে অ্যাপোলো মিশনে অনেক বড় ভূমিকা রাখেন এই দলের সদস্যরা। অ্যাপোলো-১১ মিশনের সহকারী পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন ওয়ার্নার ভন ব্রাউন।
‘অপারেশন পেপারক্লিপ’-এর তালিকায় ছিলেন অটো অ্যামব্রোস-এর মতো খ্যাতনামা রসায়নবিদরাও। অটো অ্যামব্রোস ছিলেন ‘সারিন’, ‘ট্যাবুন’ সহ বেশ কয়েকটি নার্ভ গ্যাসের উদ্ভাবক। যুদ্ধের ট্যাঙ্ক সহ যুদ্ধযানের টায়ার নির্মাণে অ্যামব্রোস গবেষণাগারে তৈরি করেন কৃত্রিম রাবার। ১৯৪৪ সালে হিটলার তাঁকে এক ভোজসভায় ডেকে ১০ লক্ষ রাইখমার্ক দিয়ে পুরস্কৃত করেন। কিন্তু, পেপারক্লিপের খপ্পরে পড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমানো এই বিজ্ঞানী পরবর্তীতে কাজ করেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য। ভন ব্রাউন আর অটো অ্যামব্রোসের মতো আরও প্রায় ১,৬০০ জার্মান বিজ্ঞানী এই অপারেশনের মাধ্যমে আমেরিকায় যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁদের সবাই আমেরিকায় সামরিক বাহিনীর গবেষণা ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতি রেখেছেন। তাই অপারেশন পেপারক্লিপ যে মার্কিন শিবিরে অনেকগুণ সফল ছিল তা বলাই বাহুল্য। যা পরবর্তীতে আমেরিকাকে বিশ্বের শক্তিশালী দেশ হিসেবে তুলে এনেছে।
আমেরিকার এই তৎপরতার খবর পেয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এমন ভাবা মুর্খামি। সোভিয়েত গোয়েন্দা আর সামরিক বাহিনীও শুরু করে অপারেশন ওসোভিয়াখিম। যার মাধ্যমে যুদ্ধকালীন ২,০০০ জার্মান বিজ্ঞানীকে যুদ্ধবন্দি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয় সোভিয়েত ইউনিয়নে। সোভিয়েত ইউনিয়ন আর আমেরিকার এই অপারেশনে জার্মান বিজ্ঞানীরাও নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলেন যে, তাঁদের জন্মভূমি ছেড়ে পাড়ি জমাতে হবে এই দুই দেশের যেকোনও একটিতে। ওই সময়ে যে সব বিজ্ঞানী ও গবেষকরা সোভিয়েত ইউনিয়নে গিয়েছিলেন, তাঁরাও অনেক বেশি অবাক হয়েছিলেন। কারণ, তাদের সেখানে ভালো ভালো চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এমনকী তাদের স্ত্রী ও পরিবার নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। যার ফলে সেখানে একটি ছোটখাটো জার্মান কলোনি গড়ে ওঠে। শুধুমাত্র কাজের ক্ষেত্র ছাড়া জার্মান বিজ্ঞানীদের রাশিয়ান লোকদের থেকে আলাদা করেই রাখা হতো এবং রাশিয়ার লোকদের সঙ্গে মেলামেশা করার অনুমতি তাদের ছিল না। ১৯৫২ সালের দিকে যখন রাশিয়ায় তাদের নিজেদের বিজ্ঞানীর সংখ্যা বাড়তে থাকে, তখন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার কাজগুলোতে জার্মান বিজ্ঞানীদের কদর কমতে থাকে। বিশেষ করে শিক্ষকতায়। এমনকী এক বছরের মাথায় জার্মান বিজ্ঞানীদের পূর্ব জার্মানিতে ফেরত পাঠানো হয়। হয়তো সোভিয়েত ইউনিয়ন চায়নি তাদের বৈজ্ঞানিক উন্নয়নের কৃতিত্ব এমন কারও ঝুলিতে যাক যে কি না রাশিয়ান নয়।
এখনও পর্যন্ত এই মিশনের বেশিরভাগই গোপন করে রেখেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী আর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যতটুকু জানা যায়, তা ‘Operation Paperclip: The Secret Intelligence Program That Brought Nazi Scientists to America’ নামে ২০১৪ সালে লেখা একটি বই থেকে। লেখক মার্কিন সাংবাদিক অ্যানি জ্যাকবসেন। 

13th  August, 2019
নাগরিকত্ব আইন মোদি সরকারের ব্যর্থতা, প্রতিবাদের ঝড় ব্রিটেনেও 

লন্ডন, ১৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়ল সাগরপারেও। শনিবার ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে ভারতীয় হাই কমিশনের সামনে এই ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখালেন বহু মানুষ। সাফ জানালেন, এটা আসলে মোদি সরকারের ব্যর্থতা। ব্রিটেনে বসবাসকারী অসমিয়ারা বিক্ষোভের সামনের সারিতে ছিলেন। 
বিশদ

ফিলিপিন্সে ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, মৃত ১ 

ম্যানিলা, ১৫ ডিসেম্বর (এএফপি): রবিবার জোরালো ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ ফিলিপিন্সের মিন্ডানাও দ্বীপ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৮। অক্টোবর মাসে ওই অঞ্চলেই ভূমিকম্পের জেরে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। এদিনের ভূমিকম্পে বাড়ি ভেঙে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
বিশদ

নেপালে খাদে বাস, মৃত ১৪ 

কাঠমাণ্ডু, ১৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): হাইওয়েতে যাত্রীবোঝাই বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১০০ মিটার গভীর খাদে পড়ল। মৃত্যু হল ১৪ জনের। মৃতদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে নেপালের সিন্ধুপালচকে। পুলিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনার জেরে আরও ১৮ জন জখম হয়েছেন। 
বিশদ

‘বুধবার হবে টু-প্লাস-টু বৈঠক’
চীনকে দমিয়ে রাখতে ভারত সহ তিন দেশের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করতে চায় আমেরিকা

ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): লক্ষ্য ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের আগ্রাসন মোকাবিলা। আর সেই উদ্দেশেই গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদানের জন্য ভারতকে পাশে চাইছে আমেরিকা।
বিশদ

15th  December, 2019
নিষেধাজ্ঞার মাঝেই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সারল উত্তর কোরিয়া

সিওল, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে উত্তর কোরিয়ার আলোচনার দিনক্ষণ এগিয়ে আসছে। তার আগেই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সারল উত্তর কোরিয়া। সে দেশের প্রতিরক্ষা দপ্তর (এনএনএডিএস) সূত্রে জানানো হয়েছে, ‘সোহে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ১৩ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’
বিশদ

15th  December, 2019
‘আমাকে ইমপিচ করাটা অন্যায়’, ট্যুইটারে ট্রাম্প

 ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): ‘আমার কোনও দোষ নেই। তবু আমাকে ইমপিচ করা হচ্ছে। এটা অন্যায়।’ শুক্রবার ট্যুইটারে এভাবেই ইমপিচমেন্ট বিতর্কে ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের জুডিশিয়ারি কমিটি ট্রাম্পের ‘অপসারণ’ অনুমোদন করে দেওয়ায় তা এখন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের হাতে চলে গিয়েছে।
বিশদ

15th  December, 2019
পাকিস্তানে পথ দুর্ঘটনায় মৃত ১৫ 

করাচি, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): মুখোমুখি দু’টি গাড়ির সংঘর্ষে মৃত্যু হল অন্তত ১৫ জনের। শুক্রবার মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের কিল্লা সইফুল্লা জেলায়।
বিশদ

14th  December, 2019
প্যারিসে পুলিসের গুলিতে খতম হামলাকারী 

প্যারিস, ১৩ ডিসেম্বর (এপি): প্রথমে হুমকি। তারপরেই ছুরি নিয়ে পুলিসের টহলদারি দলের উপর হামলা চালায় এক ব্যক্তি। তাকে গুলি করে নিকেশ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ফ্রান্সের প্যারিসে।
বিশদ

14th  December, 2019
ব্রিটিশ সংসদে আরও চার ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মোট ১৫
৩১ জানুয়ারির মধ্যে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ
করব, ক্ষমতায় ফিরে ঘোষণা বরিস জনসনের 

রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ১৩ ডিসেম্বর: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ফিরে আসলেন বরিস জনসন। তাঁর দল কনজারভেটিভ পার্টি একাই পেয়েছে ৩৬৪টি আসন। ফল ঘোষণার পরেই বরিস ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের অনুমতি চেয়েছেন।  
বিশদ

14th  December, 2019
সন্ত্রাসবাদের প্রতিটা ঘটনায় পাকিস্তানের হাত রয়েছে, রাষ্ট্রসঙ্ঘে তুলোধোনা ভারতের

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): সন্ত্রাস নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে তুলোধোনা করল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের প্রতিটা বড় ঘটনায় ছাপ রয়েছে পাকিস্তানের। পাশাপাশি, সে দেশের নিরাপদ আশ্রয়ে প্রশিক্ষিত জঙ্গিদের হাতে নিরীহ মানুষ খুন হচ্ছেন বলেও ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে নয়াদিল্লি। 
বিশদ

14th  December, 2019
ট্রাম্পের ইমপিচমেন্টের ভোটাভুটি পিছনোয় অসন্তুষ্ট রিপাবলিকানরা 

ওয়াশিংটন, ১৩ ডিসেম্বর (এএফপি): টানা ১৪ ঘণ্টা ম্যারাথন বিতর্ক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়ায় শুক্রবার ভোটাভুটি করতে সম্মত হলেন ডেমোক্র্যাটরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ তুলে তাঁর ইমপিচমেন্ট বা অপসারণ দাবি করেছেন বিরোধীরা। 
বিশদ

14th  December, 2019
ফোর্বসের প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকায় ঠাঁই সীতারামনের

নিউইয়র্ক, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ জন মহিলার তালিকায় ঠাঁই পেলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০১৯ সালের রাজনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, মানবপ্রেম এবং সংবাদিকতার ক্ষেত্রে প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকা প্রকাশ করেছে ‘দ্য ফোর্বস’। সেখানে সীতারামন ছাড়াও অপর দুই ভারতীয় মহিলা স্থান পেয়েছেন। 
বিশদ

14th  December, 2019
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার জন্য ভারতের কাছে আর্জি আমেরিকার 

ওয়াশিংটন, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই অসমে তিনজনের প্রাণ গিয়েছে। অসম ছাড়াও দেশের নানা রাজ্যে সাধারণ মানুষ ওই আইনের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ফের চাপ বাড়াল আমেরিকা।  
বিশদ

14th  December, 2019
কনকনে ঠান্ডাতেও উৎসবের মেজাজে ভোট ব্রিটেনে

 রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ১২ ডিসেম্বর: কনকনে ঠান্ডা। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে হিমাঙ্কের নীচে। তারসঙ্গে ঝিরঝির বৃষ্টি। ডিসেম্বরের এই তাপমাত্রায় ব্রিটেনে ভোট সাধারণত হয় না। সেই ১৯২৩ সালের পর আবার ডিসেম্বরে ভোট। কিন্তু প্রকৃতিদেবী যতই বিরূপ হন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে ভোটদানের উৎসাহে কোনও খামতি ছিল না ব্রিটিশদের।
বিশদ

13th  December, 2019

Pages: 12345

একনজরে
সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: শিয়রে কলকাতা পুরভোট। জনসংযোগে গুরুত্ব দিতে দলের কাউন্সিলারদের আরও বেশি করে সক্রিয় হতে নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও দলের কাউন্সিলারদের ঝাঁপিয়ে পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন।   ...

জয় চৌধুরি, কলকাতা: সোমবার আই লিগে বাংলা আর কেরলের মর্যাদার লড়াই। ডুরান্ড কাপ ফাইনালের রিপ্লেও বলা যেতে পারে। গোকুলাম কেরল ম্যাচের জন্য মোহন বাগান রবিবার ...

নাগরিকত্ব আইন-২০১৯। যা নিয়ে এই মুহূর্তে দেশসহ গোটা রাজ্য উত্তাল। রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি তো সব সময়ই শোনা যায়। কিন্তু, কী ভাবছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ! সরাসরি তাঁদের মুখেই শোনা যাক। আজ হুগলি জেলার প্রতিক্রিয়া।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যবিত্তের ‘নিজের বাড়ির’ স্বপ্ন পূরণে গৃহঋণ মেলার আয়োজন করেছিল ইডেন রিয়েলটি গ্রুপ। সংস্থার সোলারিস সিটি শ্রীরামপুর এবং জোকা প্রকল্পে গত ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর এই ‘ফ্লেক্সি হোম লোন মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বাড়তি অর্থ পাওয়ার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭০: জার্মান সুরকার লুদভিগ ভ্যান বেটোভেনের জন্ম
১৯১৭: কল্পবিজ্ঞান লেখক আর্থার সি ক্লার্কের জন্ম
১৯২১: হুগলি নদীর নীচ দিয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু করল সিইএসসি
১৯৭১: বাংলাদেশে ভারতীয় বাহিনীর কাছে পাক সেনার আত্মসমর্পণ। জন্ম স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের
২০১২: দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল দেশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৪৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
15th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী ৫৩/৩৭ দিবা ৩/৪০। অশ্লেষা ৫১/২৫ রাত্রি ২/৪৭। সূ উ ৬/১৩/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩ গতে ১১/১১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৩/৩৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫২ মধ্যে পুনঃ ২/১১ গতে ৩/৩১ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫১ গতে ১১/৩১ মধ্যে। 
২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ১/২৭/৫৩ প্রাতঃ ৬/৫০/১৯ পরে পঞ্চমী ৫৬/৩৮/৫ শেষরাত্রি ৪/৫৪/২৪। অশ্লেষা ৫৫/৪৫/৩৮ শেষরাত্রি ৪/৩৩/২৫, সূ উ ৬/১৫/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ৯/১১ গতে ১১/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ২/৪৭ গতে ৩/৪০ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৪/৩৬ গতে ৮/৫৪/২ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫২/২১ গতে ১১/৩২/৫৫ মধ্যে। 
১৮ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে জিতল 

15-12-2019 - 09:55:39 PM

প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩২/২ (৪০ ওভার) 

15-12-2019 - 09:12:17 PM

প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৬১/১ (৩০ ওভার) 

15-12-2019 - 08:23:30 PM

মাথাভাঙায় জলাশয় থেকে পচাগলা দেহ উদ্ধার 

15-12-2019 - 08:10:00 PM

প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯৩/১ (২০ ওভার) 

15-12-2019 - 07:37:24 PM

প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৫/১ (১১ ওভার) 

15-12-2019 - 07:02:38 PM