দেশ

রাজ্যের জন্য চাই ৩০ হাজার কোটি টাকা, চন্দ্রবাবুর পর এবার নীতিশের আবদারে বিপাকে প্রধানমন্ত্রী

নয়াদিল্লি: লোকসভা ভোটের প্রচারে ৪০০ আসনের ঢাক পেটালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা মেলেনি বিজেপির। নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডুর সমর্থনে সরকার গড়তে হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। কিন্তু এবার সমর্থনের বিনিময়ে নিজেদের দাবিদাওয়া আদায়ের জন্য চাপ বাড়াচ্ছে দুই শরিক নীতীশের জেডিইউ ও চন্দ্রবাবুর টিপিডি। এই পরিস্থিতিতে সরকার বাঁচাতে এখন জোট টিকিয়ে রাখার চিন্তাই কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে গেরুয়া শিবিরের। আর বাজেট এগিয়ে আসতেই ক্রমে যেন বেরিয়ে আসছে জোট রাজনীতির আসল রং। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু আগেই নিজের রাজ্যের জন্য আর্থিক দাবি পেশ করেছিলেন। এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশও হাঁটলেন সেই পথেই।  নিজের রাজ্যের জন্য চেয়ে বসলেন তিরিশ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা। 
কোষাগারে এমনিতেই ভাঁটার টান। তার উপর শরিকদের এই দাবিদাওয়া কার্যত অগ্নিপরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। ওয়াকিবহাল মহল সূত্রে খবর, গত মাসেই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে প্রাক-বাজেট বৈঠকে ওই আর্থিক সহায়তার দাবি করেন নীতিশ। তবে বিহারকে কত টাকা বরাদ্দ করা হবে সে বিষয়ে কেন্দ্র এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেই খবর সূত্রের।  জানা যাচ্ছে, বাজেটকে সামনে রেখে বিহারের জন্য নীতিশ সরকারের দাবি দীর্ঘ। রাজ্যে ন’টি বিমান বন্দর, চারটি নতুন মেট্রো লাইন ও সাতটি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের পাশাপাশি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার মতো প্রকল্পের জন্য ওই বিপুল অর্থের দাবি জানানো হয়েছে। রয়েছে কুড়ি  হাজার কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের পরিকল্পনাও। 
নীতিশের আগেই নিজের রাজ্যের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন চন্দ্রবাবু। এক লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ চেয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানিয়েছেন তিনি।  তাঁর এই দাবি নিয়ে এমনিতেই ঘুম উড়েছে কেন্দ্রের। এবার নীতিশও মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়ালেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নীতিশ-নাইডুর যৌথ আর্থিক দাবির পরিমাণ এক লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকা। আর এই দাবি মেটাতে গেলে কেন্দ্রকে বার্ষিক খাদ্য ভর্তুকির অর্ধেকের বেশি অর্থ এই দুই রাজ্যকে দিতে হবে। কেন্দ্রের খাদ্য ভর্তুকির পরিমাণ বছরে প্রায় দু’লক্ষ কোটি টাকা। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে উভয় রাজ্যের সরকারই নিজেদের দিকে বরাদ্দ টানতে তৎপর। কিন্তু কোনও বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া একটি নির্দিষ্ট রাজ্যকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ কি সম্ভব? তাহলে বাকি রাজ্যগুলির কী হবে? জোট সঙ্গীদের মন রাখতে না পারলে কিন্তু সরকার পতনের আশঙ্কাও রয়েছে। এই অবস্থায় শরিকদের দাবি পূরণে কীভাবে মোদি ভারসাম্যের পথে হাঁটেন,সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। 
14d ago
কলকাতা
রাজ্য
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

চল্লিশের ঊর্ধ্ব বয়সিরা সতর্ক হন, রোগ বৃদ্ধি হতে পারে। অর্থ ও কর্ম যোগ শুভ। পরিশ্রম...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮৩.১৭ টাকা৮৪.২৬ টাকা
পাউন্ড১০৬.৯৩ টাকা১০৯.৬০ টাকা
ইউরো৯০.০০ টাকা৯২.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
দিন পঞ্জিকা