দক্ষিণবঙ্গ

আরামবাগের ডহরকুণ্ডু গ্রামে ধসে যাওয়া বাঁধ বর্ষার আগেই মেরামতির দাবি বাসিন্দাদের

সংবাদদাতা, আরামবাগ: আরামবাগ ব্লকের ডহরকুণ্ডু গ্রামের দাসপাড়ায় বাঁধ মেরামতের দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, শেষবারের বন্যায় বাঁধে গর্ত হয়ে জল ঢুকেছিল গ্রামে। তার পাশেই নেমেছিল ধস। প্রায় তিন বছর হতে চলল এখনও নদী বাঁধ মেরামত করা হয়নি। আমরা বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে জানিয়েছি নেতানেত্রীদের কাছে তদ্বিরও করেছি। তাতেও কাজ হয়নি। আমাদের পাশের পাড়া পর্যন্ত নদী বাঁধের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের পাড়ায় এখনও ধস যেমন কে তেমনি রয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ষা আসতে চলেছে। বর্ষা এলেই নদীতে যখন তখন জল বেড়ে যেতে পারে। তখন বাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছি। অবিলম্বে নদী বাঁধ মেরামত করার দাবি জানাচ্ছি। শালেপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উত্তম বেড়া বলেন, আমাদের নদী বাঁধের ওই অংশে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গ্রামে বহু উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। ওই কাজটিও যাতে দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা যায়, সেই বিষয়ে সেচ দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করব।
স্থানীয় ও সেচদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ ব্লকের শালেপুর দু’ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ডহরকুণ্ডল গ্রামের দাসপাড়া এলাকায় ২০২১ সালে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই সময় পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দ্বারকেশ্বর নদীর জলের তোড়ে ওই এলাকার জানাপাড়ায় হানা পড়ে। ওই হানা এলাকা থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত দাসপাড়া। ওই দাসপাড়ায় নবকুমার দাসের বাড়ির সামনের বাঁধ গর্ত হয়ে জল বেরতে থাকে। ধস নামতে শুরু করে সেখানে। সেই সময়ে পাড়ার মানুষ বালির বস্তা দিয়ে কোনরকমে ওই গর্ত বোজাতে সক্ষম হয়। যার ফলে ওই সময় ওই বাঁধ কোনও রকমে বেঁচে যায়। পরবর্তী সময়ে সেচদপ্তরের পক্ষ থেকে ওই হানা এলাকায় নদী বাঁধ মেরামত করা হলেও এই দাসপাড়া এলাকায় নদী বাঁধে কোনওরকম কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেল, নদীবাঁধের একটি অংশে এখনও গর্ত রয়েছে। নদী বাঁধের গ্রামের দিকে একটি অংশ ধসে গিয়েছে। আসন্ন বর্ষায় যদি নদীর জল বাড়তে থাকে তাহলে এই এলাকার নদীবাঁধ মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা নবকুমার দাস বলেন, আমাদের পাড়ায় নদী বাঁধের গায়ে বহু বাড়ি রয়েছে। প্রায় ১০০টি পরিবার এই এলাকায় বসবাস করি। এখানে রয়েছে একটি স্কুল, উপ স্বাস্থকেন্দ্র, মন্দির। ২০২১ সালের বন্যায় আমরা সবাই মিলে কোনওরকমে বাঁধ বাঁচাতে পেরেছিলাম। বন্যা কেটে যাওয়ার পরে আমাদের এই নদী বাঁধ এলাকায় কোনরকম পাইলিং হয়নি। যেমনকে তেমনই রয়েছে। এখনও গর্ত এবং ধস তেমনই রয়েছে। আমাদের পাড়া থেকে কিছুটা দূরে যেখানে হানা হয়েছিল, সেখানে নদী বাঁধের কাজ করা হলেও আমাদের এদিকে কাজ করা হয়নি। যার ফলে নদীর জল বাড়লে আমাদের নদী বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। আরও এক স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত দাস বলেন, সামনেই বর্ষা। নদী আবার ফুলে ফেঁপে উঠবে। এখনই যদি ওই অংশ মেরামত না করা হয়, তাহলে আমরা বিপদে পড়ব। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, নদী বাঁধের ওই অংশটি দ্রুততার সঙ্গে মেরামত করা হোক।
27d ago
কলকাতা
রাজ্য
দেশ
বিদেশ
খেলা
বিনোদন
ব্ল্যাকবোর্ড
শরীর ও স্বাস্থ্য
বিশেষ নিবন্ধ
সিনেমা
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
আজকের দিনে
রাশিফল ও প্রতিকার
ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
mesh

বিকল্প উপার্জনের নতুন পথের সন্ধান লাভ। কর্মে উন্নতি ও আয় বৃদ্ধি। মনে অস্থিরতা।...

বিশদ...

এখনকার দর
ক্রয়মূল্যবিক্রয়মূল্য
ডলার৮৩.২৩ টাকা৮৪.৩২ টাকা
পাউন্ড১০৬.৮৮ টাকা১০৯.৫৬ টাকা
ইউরো৯০.০২ টাকা৯২.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
*১০ লক্ষ টাকা কম লেনদেনের ক্ষেত্রে
21st     July,   2024
দিন পঞ্জিকা