শরীর ও স্বাস্থ্য
 

বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি কী কী?

বেহিসেবি জীবনযাত্রাই কি বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ?
সন্তানহীনতার সমস্যা বড়দের সমস্যা হলেও সমস্যার বীজ রোপন হয় শৈশবেই। তার কারণ আমাদের জীবনযাত্রা। ছোটরা আগেকার দিনে যৌথ পরিবারে বড় হত। পাড়ায় একসঙ্গে অনেক বাচ্চা খেলাধুলো করত। এখন ছোট ফ্ল্যাটে চার দেওয়ালের গণ্ডীবদ্ধ জীবনে তারা একা বড় হচ্ছে। দৈহিক কসরত, খেলাধুলোর সুযোগ কমেছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পড়ার চাপ, বইয়ের বোঝা। তারা ব্যস্ত হয়েছে প্রাইভেট টিউশন, কম্পিউটার, মোবাইলে ইনডোর গেমসে। বদলেছে খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস। আগেকার ট্র্যাডিশনাল খাবারের বদলে অভ্যস্ত বাইরের খাবার, জাঙ্ক ফুডে। সপ্তাহে বা মাসে একদিন সদলবলে রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভ্যাস আগে থাকলেও এখন অনেকে প্রায়দিনই খাবার আনান বাইরে থেকে। হোম ডেলিভারি তো আছেই, এমনকী অ্যাপসেই অর্ডার দেন খাবারের, যাতে একটু দূর থেকেও পছন্দসই খাবার আনানো যায় বিনা শ্রমে। আগে রোজকার বাড়ির খাবারে ক্যালোরি, প্রোটিন, ভিটামিনের যে ভারসাম্য থাকত, এখন বাইরের খাবারে তা সেভাবে থাকছে না। সব মিলিয়ে জীবনযাত্রার এই ধরন বদলানোর সঙ্গেই বাড়ছে ছোটদের স্থূলত্ব। এখান থেকেই যত সমস্যা সূত্রপাত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একে একে বাড়ছে নানা রোগের বহর।
মেয়েদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা কোথায়?
মেয়েদের ওবেসিটি বা স্থূলত্বের কারণে হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এটি রোগ না হলেও এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে, যাতে মোটা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে। স্থূল মেয়েদের শরীরে মেল হরমোনের প্রভাব পুরুষালি ভাব, গলার পাশে পিগমেন্টেশন, গায়ে, হাতে, পায়ে, জুলফিতে লোমের লোমের আধিক্য দেখা যায়। এছাড়া ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের তারতম্যে ওভ্যুলেশন না হওয়ায় একটা ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। নির্গত না হওয়া ডিমগুলি ওভারির সারফেসে জমা হতে থাকে যা সোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। একে কাব্য করে বলা হয় কুইনস নেকলেস।
মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের ওভিউলেশনের এই সমস্যা ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা বাড়ায়। এটির জন্য অনেকটাই দায়ী আমাদের লাইফস্টাইল।
পুরুষদের ইনফার্টিলিটির জন্য জীবনযাত্রা কতটা দায়ী?
আজকাল ছেলেরাও ছোট থেকেই স্থূলত্বের শিকার। অতিরিক্ত বাইরের খাবারে আসক্তি, বসে পড়াশোনা বা কাজ, ব্যায়াম, দৈহিক পরিশ্রম না করায় স্থূলত্ব বাড়ছে। এর সঙ্গে জাঙ্কফুড খাওয়ায় জাঙ্কফুডের টক্সিন ক্ষতি করে স্পার্মের। স্পার্মের কোষ ডেলিকেট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ক্ষতিকর রাসায়নিক বা টক্সিন, ধূমপান, স্থূলত্ব হ্রাসের ওষুধ ইত্যাদির প্রভাবে এবং অবসাদের জন্য কাউন্ট কমে যায়। আবার কাউন্ট ঠিক থাকলেও তার গতি কমতে পারে। এর থেকেই আসে মেল ইনফার্টিলিটি।
এহেন সমস্যার সমাধান নিশ্চয় আছে আধুনিক চিকিৎসায়?
  ইংল্যন্ডে ১৯৭৮ সালের ২১ জুলাই লুই ব্রাউনের জন্মের পরেও বিগত ৩৯ বছরে লক্ষ লক্ষ শিশু জন্মেছে আসিস্ট্যান্ট রিপ্রোডাকটিভ টেকনোলজির মাধ্যমে। মহিলাদের জন্য রয়েছে আইভিএফ বা ইন ভিটরো ফার্টিলাইজেশন। ওভ্যুলেশন না হলে, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওষুধ দিয়ে, ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এগ প্রোডাকশন কাউন্ট বাড়ানো হয়। তারপর সেই ডিম তুলে নেওয়া হয়। স্পার্ম কাউন্ট কম হলে পুরুষদের জন্য আছে আইসিএসআই-ইনট্রা সাইটোপ্লাসমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন। ১ মিলি সিমেনে ৬০ মিলিয়ন স্পার্ম থাকলে তাকে স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু এই টেকনোলজিতে ৬০ মিলিয়নের দরকার পড়ে না। হিসাব বলছে প্রতিটি ডিমের জন্য ১টি স্পার্ম যথেষ্ট। এরপর ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপের নিচে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ডাইরেক্ট ফার্টিলাইজেশন করানো হয়। সেল ডিভিশন শুরু হয়। পরে ইউটেরাসের মধ্যে এমব্রায়ো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়।
ইনফার্টিলিটির ক্ষেত্রে পরিবেশের কি কোনও ভূমিকা আছে?
আছে তো বটেই। আমাদের খাবারদাবার, শাকসবজি, ফল, সবেতেই চাষের সময় প্রচুর কিটনাশক ও সার দেওয়া হয়। এর মাত্রা বেশি হলে তা শরীরে টক্সিনের কাজ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন অসম, পশ্চিমবঙ্গে ভাত যাঁদের প্রধান খাদ্য, সেখানে মেয়েদের শরীরে এন্ড্রোমেট্রিওসিস রোগ বাড়ছে। ধান চাষে ব্যবহৃত কিটনাশক এই রোগ বৃদ্ধির কারণ। এটি এমন রোগ যাতে ওভারির টিস্যুর মধ্যে রক্তপাত হতে হতে সিস্টের মতো জমে যায়। অপারেশন করে এই সিস্ট রিমুভ করতে হয়। ওভারিতে সিস্ট থাকার ফলে ডিম তৈরি হয় না, হলেও তার কোয়ালিটি ভালো হয় না। ফলে ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা থাকে। এছাড়া এই রোগে জননাঙ্গগুলি গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, সেজন্য টিউব বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে ছোট ছোট ফুটো করে, পেট না কেটেই এই জটগুলি ছাড়ানো হয়। একে বলা হয় ফার্টিলিটি এনহ্যান্সিং সার্জারি। টক্সিনের কারণে পুরুষদের স্পার্মে গতি কমে যায়। ফলে দেখা যাচ্ছে কীটনাশক, রাসায়নিক সারের একটা সম্পর্ক থাকছে বন্ধ্যত্বের সঙ্গে।
শহুরে আধুনিকদের মধ্যে কি এই সমস্যা বেশি দেখা যায়?
কমবয়সি দম্পতি যাঁরা আইটি বা এই ধরনের পেশায় নিযুক্ত, তাঁদের মধ্যে জীবনযাত্রার এই বদলটা খুব বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশি ক্লায়েন্ট সামলাতে গিয়ে রাত জেগে কাজ করতে হয়। বদলে যায় নিজেদের জীবনের চলতি ছক। রাতের কাজ দিনে এবং দিনের কাজ রাতে করায় ব্রেনের পিটুইটারি গ্লান্ডের উপরে চাপ পড়ে, হরমোন নিঃসরণ বদলায়। হরমোনের সমস্যা দেখা যায়। দীর্ঘদিন এমন চলতে গিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। এর থেকে ছেলেদের পারফরমেন্স আ্যংজাইটি, ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে। শহুরে আধুনিক দম্পতিদের এহেন স্বাভাবিক যৌনজীবন না থাকায় ঝুঁকি বাড়ে ইনফার্টিলিটির। দ্বারস্থ হতে হয় ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট এবং কাউন্সিলরের।
বয়স কি ইনফার্টিলিটির অন্যতম কারণ নয়?
হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ। বিয়ের বয়স ক্রমশ পিছচ্ছে মেয়েরা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি জীবন শুরু এভং কেরিয়ার স্টেবল হতে গিয়ে বয়স যাচ্ছে বেড়ে। তারপর বিয়ে, সন্তানধারণ। ২২ থেকে ৩০ এর মধ্যে সন্তান ধারণের আদর্শ সময়। সেই চান্স ৩০-৩৫ বছরে কমে, ৩৫-এ আরও কম, ৪০-এর পরে একেবারেই কমে যায়। ফলে চাকরি, কেরিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, বিদেশ ট্যুর-এত প্ল্যানিং করতে গিয়েই সমস্যা বাড়ছে।
ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাসও তো কুপ্রভাব ফেলে?
এখন মেয়েরা ধূমপান এবং মদ্যপান অভ্যস্ত। একটা সময় এগুলি নিয়ে ট্যাবু থাকলেও একন স্ট্যাটাস সিম্বল। কিন্তু এর ক্ষতি সুদূরপ্রসারী। মেয়েদের সন্তান ধারণের ক্ষেত্রেও যেমন ক্ষতি, পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। তাই চিকিৎসক হিসেবে এটি একেবারেই বারণ করব।
স্ট্রেস কি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর?
এখন কাজের ধরনই অবসাদের মূল কারণ। আর অবসাদ থাকলে ইনফার্টিলিটির সমস্যা হতে পারে। কাজের জগতে চাপ থাকবেই। সেটা নিজেকেই কন্ট্রোল করতে হবে। দিনের কাজ দিনে এবং রাতের কাজ রাতে না হলেও বিপদ। প্রভাব পড়ে দাম্পত্য জীবনে। ফলে অবসাদ আসবেই। মেয়েদের ক্ষেত্রে অফিসের কাজ এবং বাড়ির চাপ উভয়দিকে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে অবসাদ অনেক বেড়ে যায়। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে হবে, প্রয়োজনে কাউন্সিলরের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন।
ইনফার্টিলির ক্ষেত্রে কীভাবে উপকার মিলতে পারে ফিটনেসে?
সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান পেতে, বাবা-মাকেও সুস্থ ও ফিট থাকতে হবে। শরীর মন উভয় শান্ত এবং সুস্থ না থাকলে চলবে না। এর জন্য যোগা এবং মেডিটেশন খুব ভালো কাজ দেয়। আমি দেখেছি, অনেকেই বাড়ির কাজে আপত্তি বোধ করেন। অথচ অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে জিমে ক্যালোরি বার্ন করেন।
বাড়িতে নানা কাজে সময় দিন, সেটা কাজে লাগবে। রান্না করুন, বাড়িটা পরিষ্কার করুন, একটু বাজার করুন, বাগানে কাজ করুন—নিজের মতো সময় কাটান। সবমিলিয়ে আপনার সময় এবং সাহচর্যে পরিবারের সদস্যরাও খুশি হবে। বাড়িতেই ব্যাডমিন্টন খেললেন, স্কিপিং করুন—একসঙ্গে ব্যায়াম/যোগা করুন। যোগা খুব ভালো কাজ দেয়। সূর্য নমস্কার একটি পরিপূর্ণ ব্যায়াম। মেয়েদের জন্য এটি দারুণ উপকারী। ইন্টারনেট থেকেই শিখে নিজেই বাড়িতে করুন। এতে শরীর ভালো থাকবে।
আর ডায়েটিং?
ডায়েটিংয়ের অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। এখন অনেকেই বাইরের জাঙ্কফুড খান, আর বাড়িতে নো কার্বস, অনলি প্রোটিন, অনলি ফ্যাট মেনে চলেন। এমন ডায়েট মেনে চলার দরকার নেই। সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াটা জরুরি। মেয়েদের মা হতে গেলে শরীরকে উপযুক্ত করে গড়ার খাবার দরকার। বাঙালি খাবারে খুব ভালো ভারসাম্য রয়েছে। শাক, শুক্তোয় সবজিতে নানা ভিটামিন/ ফাইবার, ডাল, মাছে প্রোটিন/ ফ্যাট আছে, শেষ পাতে চাটনি এবং দইতে টক আছে—এইভাবে রোজের খাবার খান। চাইনিজ এবং ইতালিয় খাবারে এখনকার জেনারেশন মজেছে। কিন্তু বলব, এর চিজ এবং ময়দার আধিক্য একেবারে খাদ্যতালিকার বাইরে রাখা উচিত। চিড়ে, মুড়ি, খই, দই/ দুধ, আম/কলা মেখে খাওয়ার অভ্যাস তো ভালোই ছিল। এখন জাঙ্কফুডের পাল্লায়, স্টাইলের খাবার দাবারে অভ্যস্ত হয়ে পুষ্টিটাই হচ্ছে না। খাদ্যবিধির মূল নিয়ম, ব্রেকফাস্ট খান পেট ভরে, দুপুরের খাবার খান পুষ্টিকর আর রাতে হালকা খাবার।
লাইফস্টাইল ডিজিজ কি ফার্টিলিটির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে?
অবশ্যই করে। এখন জীবনযাত্রার বদলের জন্য নানা রোগের বাড়বাড়ন্ত। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বাড়ছে। এখন ইনফার্টিলিটিও লাইফস্টাইল ডিজিজ হয়ে গেছে। ফলে চাপ তো পড়ছেই। হাই রিস্ক প্রেগনেন্সি, মিসক্যারেজ বাড়ছে।
কেমন হবে সুস্থ জীবনযাত্রা?
আধুনিক দ্রুতগতির জীবনযাত্রার কারণে যে সমস্যা হচ্ছে, তার থেকে বাঁচিয়ে চলতে হবে। স্বাভাবিক সুস্থজীবনযাপন করুন। স্ট্রেস যাতে কম হয় চেষ্টা করুন। পুষ্টিকর খাবার খান, বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করে ফিটনেস বজায় রাখুন। সব থেকে বড় কথা সময়ের কাজ সময়ে করুন। কাজ কেরিয়ার বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে চললেও, বিয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে অযথা দেরি করে জটিলতা না বাড়ানোই উচিত। বয়স তো কাউকে ছাড়বে না। তারপরেও ইনফার্টিলিটির সমস্যা হলে সমাধান রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সবসময় পাশে আছে। তাই ইনফার্টিলিটি এখন আর তেমন রোগ নয় যা সারে না। নির্দিষ্ট সময়, সঠিক চিকিৎসক এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সক্ষম হয়েছে বহু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।
 
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
18th  May, 2017
 বাচ্চারও যখন ডায়াবেটিক

প্রত্যেক বছর ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়। লক্ষণীয় বিষয় হল—১৪ নভেম্বরের আরেকটি গুরুত্বও আছে—সেটি হল এই দিনটি শিশু দিবস। এই দুটি বিষয়কে আমরা যদি একই দিনে উদ্‌যাপিত করতে পারি, তবে পেডিয়াট্রিক ডায়াবেটিস বা শৈশবের মধুমেহর আলোচনা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
বিশদ

16th  November, 2017
  চন্দননগরে বার্থ

 চলতি বছরে চন্দননগরে উদ্বোধন হল বেঙ্গল ইনফার্টিলিটি অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ থেরাপি হসপিটালের (বার্থ) আরও একটি শাখার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বার্থ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ গৌতম খাস্তগীর, পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মাননীয় সাংসদ রত্না দে নাগ, চন্দননগর পৌরসভার মেয়র শ্রী রাম চক্রবর্তীসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

16th  November, 2017
সুরক্ষার ডায়াবেটিস সচেতনতা শিবির

 এদেশে ক্রমশ বেড়েই চলেছে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তর সংখ্যা। মূলত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্যগ্রহণে অংসযম, শরীরচর্চায় অনীহা হল টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার মূল কারণ। এই কারণেই কমবয়সিদেরও, বিশেষ করে মহিলাদের ডায়াবেটিস রোগটি নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।
বিশদ

16th  November, 2017
শিশুদের পাশে সরোজ গুপ্ত ক্যানসার

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতার সরোজ গুপ্ত ক্যানসার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ক্যানসারে আক্রান্তদের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে ক্যানাসারে আক্রান্ত শিশুদের সামনে ক্যানসার থেকে ফিরে আসা শিশুদের উপস্থিত করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও ছিল সেখানে।
বিশদ

16th  November, 2017
হাড়ের ক্ষয় আটকাবেন কীভাবে?

দীর্ঘদিন ধরে গায়ে হাত-পায়ে ব্যথা হলে মোটেই এড়িয়ে চলা যাবে না। দেখা গিয়েছে চল্লিশোর্ধ্ব মহিলা এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যথার কারণ হতে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত অসুখ। চিকিৎসা না করালে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে। জানাচ্ছেন অ্যাপোলো হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ বুদ্ধদেব  চট্টোপাধ্যায় এবং ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব আয়ুর্বেদিক ড্রাগ ডেভেলপমেন্ট-এর চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডাঃ দেবজ্যোতি দাস।
বিশদ

09th  November, 2017
 ক্যানসার মোকাবিলায় মৈত্রী

সারা ভারতে সমস্ত ধরনের ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তরা সংখ্যায় দ্বিতীয়। আর ভারতসহ পশ্চিমবঙ্গেও এই রোগের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে বলে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্যে উঠে এসেছে। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের সুবিধার্থে হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ‘মৈত্রী’ নামের একটি ক্যানসার সহায়তা গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে।
বিশদ

09th  November, 2017
বাঙালি চিকিৎসকের বিশ্বজয়

 সম্প্রতি কলকাতার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস-এর কর্ণধার অধ্যাপক ডক্টর রবিন সেনগুপ্তকে বেঙ্গল রোয়িং ক্লাবে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী অভিরামানন্দ মহারাজ, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

09th  November, 2017
ঋতু পরিবর্তনের অসুখবিসুখে 
সাবধান থাকবেন কীভাবে?

ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রধানত বাড়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ। যদিও এ রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস। তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্ম প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। এছাড়া ধূলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয়, ফলে হাঁপানির টান বাড়ে।
বিশদ

02nd  November, 2017
জ্বর-জ্বালায় হোমিওপ্যাথি

যখন কোনও মানুষের দৈহিক তাপমাত্রা খুব বৃদ্ধি পায়, তখন আমরা তাকে জ্বর বলি। প্রথমেই বলি, আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬-৩৭ সেন্ট্রিগ্রেড বা ৯৪-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এছাড়া এমনিতেই দিনের বিভিন্ন সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সন্ধ্যায় সর্বাধিক, আবার নিম্নতম হয় ভোরবেলা বা সকালের দিকে। এই ধরনের ব্যতিক্রম ছাড়া শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি হওয়ার পিছনে নানা কারণ থাকে। বিশদ

02nd  November, 2017
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হাঁটার গুরুত্ব

আগামী ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এই উপলক্ষ্যে বাংলার জনগণের মধ্যে ডায়াবেটিস সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নেওয়া হয়েছিল জি ডি হসপিটাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের তরফে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সি ই ও-মুসরেফা হোসেন, সংস্থার চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, সংস্থার দন্ত বিভাগের প্রধান ডাঃ দীপ্ত দে, চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৈকত চক্রবর্তী, এন্ডোক্রিনোলোজিষ্ট ডাঃ নীলাঞ্জন সেনগুপ্তসহ বহু বিশিষ্টজন। ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করলে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালরি খরচ হয়।
বিশদ

02nd  November, 2017
স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করতে বিমা

 দুঃস্থ পরিবারের কোনও পড়ুয়া হাসপাতালে ভরতি হলে তার চিকিৎসার খরচ বহন করতেই বাবা-মা হিমশিম খান। অনেকক্ষেত্রে এই অর্থনৈতিক বোঝা বাচ্চার লেখাপড়ায় ব্যাঘাত করে। আবার বাড়ির একমাত্র রোজগেরে সদস্যটির অকালপ্রয়াণ ঘটলেও কোপ পড়ে বাচ্চার পড়াশোনায়।
বিশদ

02nd  November, 2017
উপোস
শরীরের লাভ হয় না ক্ষতি?

 মানবদেহে উপোসের প্রভাব কী?
 দেখুন, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে উপোস সম্বন্ধে একটু জেনে নেওয়া দরকার। আসলে উপোসের ধারণাটি বহু প্রাচীন। প্রায় সকল ধর্মের সঙ্গেই উপোসের একটা নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
আবার ধর্ম ছাড়াও প্রতিবাদের ভাষা হিসাবেও উপোসের চল রয়েছে। মানুষের দীর্ঘ প্রতিবাদের ইতিহাসে আমরা অনশনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখতে পাই। এটা একটা দিক।
বিশদ

26th  October, 2017
রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস : দ্রুত রোগ নির্ণয় জরুরি

 রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর সময়ে এই রোগের চিকিৎসা শুরু না করলে সমস্যা গুরুতর আকার নেয়। তাই বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসে প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন শহরের বিশিষ্ট রিউম্যাটোলজিস্টরা।
বিশদ

26th  October, 2017
রবীন্দ্রনাথের হোমিওপ্যাথি প্রীতি

 অ্যাসোসিয়েশন অব ভলেন্টারি ব্লাড ডোনারস পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন প্রয়াত ডাঃ লাবণ্যকুমার গাঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি তাঁরই নামাঙ্কিত স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতার ইন্দুমতী সভাগৃহে। রবীন্দ্রনাথ এবং গণস্বাস্থ্য বিষয়ক বক্তৃতার বক্তা ছিলেন ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী।
বিশদ

26th  October, 2017
একনজরে
 বিএনএ, মালদহ: হরিশ্চন্দ্রপুরের তিনটি রাস্তা সারানোর দাবিতে শুক্রবার চার জায়গায় পথ অবরোধ করে বাসিন্দরা প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ দেখান। এই আন্দোলনের জেরে এদিন জনজীবন ও যাতায়াত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা জানান, হরিশ্চন্দ্রপুরের শহিদমোড় থেকে থানা, বাজারগামী রাস্তা সহ তিনটি ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডেঙ্গু সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় শুক্রবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত প্রকাশ্যে এল। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কেন্দ্র পর্যাপ্ত অর্থ দেয় না, রাজ্যের এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিল নয়াদিল্লি। বলা হল, যা দেওয়া হয়, সেই অর্থই রাজ্য বছরের পর বছর খরচ করতে পারে ...

 সংবাদদাতা, মালবাজার: বেঙ্গল ওলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার জলপাইগুড়ির বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গন পরিদর্শন করে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনের মাঠ এবং ইনডোর স্টেডিয়ামটি ঘুরে দেখে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদেশে ভালো গুণগতমানের প্যাকেটজাত মাছ বিক্রি করতে এবার আরও আধুনিক ফ্রিজার কিনছে মৎস্য উন্নয়ন নিগম। ইতিমধ্যে ‘হার্ডনার ফ্রিজার’ নামক ওই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র দুটি কেনা হয়েছে। আরও দুটি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে, প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীগ জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা সন্ধ্যা ঘ ৫/১২, নক্ষত্র-বিশাখা রাত্রি ৭/২৪, সূ উ ৫/৫৫/৫, অ ৪/৪৮/৩১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
১ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা অপরাহ্ন ৪/৮/১১, বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৭/১৬/৪০, সূ উ ৫/৫৫/২৬, অ ৪/৪৭/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/৫৫ মধ্যে ও ৭/২২/২৪-৯/৩২/৫০ মধ্যে ও ১১/৪৩/১৭-২/৩৭/১২ মধ্যে ও ৩/২০/৪১-৪/৪৭/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৪৩/২১-২/২৫/২৩ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৩/৪-২/৪/৩৬, কালবেলা ৭/১৬/৫৮ মধ্যে, ৩/২৬/৭-৪/৪৭/৩৯, কালরাত্রি ২/২৬/৭ মধ্যে, ৪/১৭/৪৪-৫/৫৬/১২ মধ্যে।
২৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

17-11-2017 - 10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

17-11-2017 - 08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

17-11-2017 - 08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

17-11-2017 - 07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

17-11-2017 - 05:06:00 PM