শরীর ও স্বাস্থ্য
 

বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি কী কী?

বেহিসেবি জীবনযাত্রাই কি বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ?
সন্তানহীনতার সমস্যা বড়দের সমস্যা হলেও সমস্যার বীজ রোপন হয় শৈশবেই। তার কারণ আমাদের জীবনযাত্রা। ছোটরা আগেকার দিনে যৌথ পরিবারে বড় হত। পাড়ায় একসঙ্গে অনেক বাচ্চা খেলাধুলো করত। এখন ছোট ফ্ল্যাটে চার দেওয়ালের গণ্ডীবদ্ধ জীবনে তারা একা বড় হচ্ছে। দৈহিক কসরত, খেলাধুলোর সুযোগ কমেছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পড়ার চাপ, বইয়ের বোঝা। তারা ব্যস্ত হয়েছে প্রাইভেট টিউশন, কম্পিউটার, মোবাইলে ইনডোর গেমসে। বদলেছে খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস। আগেকার ট্র্যাডিশনাল খাবারের বদলে অভ্যস্ত বাইরের খাবার, জাঙ্ক ফুডে। সপ্তাহে বা মাসে একদিন সদলবলে রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভ্যাস আগে থাকলেও এখন অনেকে প্রায়দিনই খাবার আনান বাইরে থেকে। হোম ডেলিভারি তো আছেই, এমনকী অ্যাপসেই অর্ডার দেন খাবারের, যাতে একটু দূর থেকেও পছন্দসই খাবার আনানো যায় বিনা শ্রমে। আগে রোজকার বাড়ির খাবারে ক্যালোরি, প্রোটিন, ভিটামিনের যে ভারসাম্য থাকত, এখন বাইরের খাবারে তা সেভাবে থাকছে না। সব মিলিয়ে জীবনযাত্রার এই ধরন বদলানোর সঙ্গেই বাড়ছে ছোটদের স্থূলত্ব। এখান থেকেই যত সমস্যা সূত্রপাত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একে একে বাড়ছে নানা রোগের বহর।
মেয়েদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা কোথায়?
মেয়েদের ওবেসিটি বা স্থূলত্বের কারণে হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এটি রোগ না হলেও এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে, যাতে মোটা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে। স্থূল মেয়েদের শরীরে মেল হরমোনের প্রভাব পুরুষালি ভাব, গলার পাশে পিগমেন্টেশন, গায়ে, হাতে, পায়ে, জুলফিতে লোমের লোমের আধিক্য দেখা যায়। এছাড়া ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের তারতম্যে ওভ্যুলেশন না হওয়ায় একটা ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। নির্গত না হওয়া ডিমগুলি ওভারির সারফেসে জমা হতে থাকে যা সোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। একে কাব্য করে বলা হয় কুইনস নেকলেস।
মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের ওভিউলেশনের এই সমস্যা ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা বাড়ায়। এটির জন্য অনেকটাই দায়ী আমাদের লাইফস্টাইল।
পুরুষদের ইনফার্টিলিটির জন্য জীবনযাত্রা কতটা দায়ী?
আজকাল ছেলেরাও ছোট থেকেই স্থূলত্বের শিকার। অতিরিক্ত বাইরের খাবারে আসক্তি, বসে পড়াশোনা বা কাজ, ব্যায়াম, দৈহিক পরিশ্রম না করায় স্থূলত্ব বাড়ছে। এর সঙ্গে জাঙ্কফুড খাওয়ায় জাঙ্কফুডের টক্সিন ক্ষতি করে স্পার্মের। স্পার্মের কোষ ডেলিকেট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ক্ষতিকর রাসায়নিক বা টক্সিন, ধূমপান, স্থূলত্ব হ্রাসের ওষুধ ইত্যাদির প্রভাবে এবং অবসাদের জন্য কাউন্ট কমে যায়। আবার কাউন্ট ঠিক থাকলেও তার গতি কমতে পারে। এর থেকেই আসে মেল ইনফার্টিলিটি।
এহেন সমস্যার সমাধান নিশ্চয় আছে আধুনিক চিকিৎসায়?
  ইংল্যন্ডে ১৯৭৮ সালের ২১ জুলাই লুই ব্রাউনের জন্মের পরেও বিগত ৩৯ বছরে লক্ষ লক্ষ শিশু জন্মেছে আসিস্ট্যান্ট রিপ্রোডাকটিভ টেকনোলজির মাধ্যমে। মহিলাদের জন্য রয়েছে আইভিএফ বা ইন ভিটরো ফার্টিলাইজেশন। ওভ্যুলেশন না হলে, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওষুধ দিয়ে, ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এগ প্রোডাকশন কাউন্ট বাড়ানো হয়। তারপর সেই ডিম তুলে নেওয়া হয়। স্পার্ম কাউন্ট কম হলে পুরুষদের জন্য আছে আইসিএসআই-ইনট্রা সাইটোপ্লাসমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন। ১ মিলি সিমেনে ৬০ মিলিয়ন স্পার্ম থাকলে তাকে স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু এই টেকনোলজিতে ৬০ মিলিয়নের দরকার পড়ে না। হিসাব বলছে প্রতিটি ডিমের জন্য ১টি স্পার্ম যথেষ্ট। এরপর ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপের নিচে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ডাইরেক্ট ফার্টিলাইজেশন করানো হয়। সেল ডিভিশন শুরু হয়। পরে ইউটেরাসের মধ্যে এমব্রায়ো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়।
ইনফার্টিলিটির ক্ষেত্রে পরিবেশের কি কোনও ভূমিকা আছে?
আছে তো বটেই। আমাদের খাবারদাবার, শাকসবজি, ফল, সবেতেই চাষের সময় প্রচুর কিটনাশক ও সার দেওয়া হয়। এর মাত্রা বেশি হলে তা শরীরে টক্সিনের কাজ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন অসম, পশ্চিমবঙ্গে ভাত যাঁদের প্রধান খাদ্য, সেখানে মেয়েদের শরীরে এন্ড্রোমেট্রিওসিস রোগ বাড়ছে। ধান চাষে ব্যবহৃত কিটনাশক এই রোগ বৃদ্ধির কারণ। এটি এমন রোগ যাতে ওভারির টিস্যুর মধ্যে রক্তপাত হতে হতে সিস্টের মতো জমে যায়। অপারেশন করে এই সিস্ট রিমুভ করতে হয়। ওভারিতে সিস্ট থাকার ফলে ডিম তৈরি হয় না, হলেও তার কোয়ালিটি ভালো হয় না। ফলে ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা থাকে। এছাড়া এই রোগে জননাঙ্গগুলি গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, সেজন্য টিউব বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে ছোট ছোট ফুটো করে, পেট না কেটেই এই জটগুলি ছাড়ানো হয়। একে বলা হয় ফার্টিলিটি এনহ্যান্সিং সার্জারি। টক্সিনের কারণে পুরুষদের স্পার্মে গতি কমে যায়। ফলে দেখা যাচ্ছে কীটনাশক, রাসায়নিক সারের একটা সম্পর্ক থাকছে বন্ধ্যত্বের সঙ্গে।
শহুরে আধুনিকদের মধ্যে কি এই সমস্যা বেশি দেখা যায়?
কমবয়সি দম্পতি যাঁরা আইটি বা এই ধরনের পেশায় নিযুক্ত, তাঁদের মধ্যে জীবনযাত্রার এই বদলটা খুব বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশি ক্লায়েন্ট সামলাতে গিয়ে রাত জেগে কাজ করতে হয়। বদলে যায় নিজেদের জীবনের চলতি ছক। রাতের কাজ দিনে এবং দিনের কাজ রাতে করায় ব্রেনের পিটুইটারি গ্লান্ডের উপরে চাপ পড়ে, হরমোন নিঃসরণ বদলায়। হরমোনের সমস্যা দেখা যায়। দীর্ঘদিন এমন চলতে গিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। এর থেকে ছেলেদের পারফরমেন্স আ্যংজাইটি, ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে। শহুরে আধুনিক দম্পতিদের এহেন স্বাভাবিক যৌনজীবন না থাকায় ঝুঁকি বাড়ে ইনফার্টিলিটির। দ্বারস্থ হতে হয় ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট এবং কাউন্সিলরের।
বয়স কি ইনফার্টিলিটির অন্যতম কারণ নয়?
হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ। বিয়ের বয়স ক্রমশ পিছচ্ছে মেয়েরা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি জীবন শুরু এভং কেরিয়ার স্টেবল হতে গিয়ে বয়স যাচ্ছে বেড়ে। তারপর বিয়ে, সন্তানধারণ। ২২ থেকে ৩০ এর মধ্যে সন্তান ধারণের আদর্শ সময়। সেই চান্স ৩০-৩৫ বছরে কমে, ৩৫-এ আরও কম, ৪০-এর পরে একেবারেই কমে যায়। ফলে চাকরি, কেরিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, বিদেশ ট্যুর-এত প্ল্যানিং করতে গিয়েই সমস্যা বাড়ছে।
ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাসও তো কুপ্রভাব ফেলে?
এখন মেয়েরা ধূমপান এবং মদ্যপান অভ্যস্ত। একটা সময় এগুলি নিয়ে ট্যাবু থাকলেও একন স্ট্যাটাস সিম্বল। কিন্তু এর ক্ষতি সুদূরপ্রসারী। মেয়েদের সন্তান ধারণের ক্ষেত্রেও যেমন ক্ষতি, পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। তাই চিকিৎসক হিসেবে এটি একেবারেই বারণ করব।
স্ট্রেস কি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর?
এখন কাজের ধরনই অবসাদের মূল কারণ। আর অবসাদ থাকলে ইনফার্টিলিটির সমস্যা হতে পারে। কাজের জগতে চাপ থাকবেই। সেটা নিজেকেই কন্ট্রোল করতে হবে। দিনের কাজ দিনে এবং রাতের কাজ রাতে না হলেও বিপদ। প্রভাব পড়ে দাম্পত্য জীবনে। ফলে অবসাদ আসবেই। মেয়েদের ক্ষেত্রে অফিসের কাজ এবং বাড়ির চাপ উভয়দিকে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে অবসাদ অনেক বেড়ে যায়। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে হবে, প্রয়োজনে কাউন্সিলরের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন।
ইনফার্টিলির ক্ষেত্রে কীভাবে উপকার মিলতে পারে ফিটনেসে?
সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান পেতে, বাবা-মাকেও সুস্থ ও ফিট থাকতে হবে। শরীর মন উভয় শান্ত এবং সুস্থ না থাকলে চলবে না। এর জন্য যোগা এবং মেডিটেশন খুব ভালো কাজ দেয়। আমি দেখেছি, অনেকেই বাড়ির কাজে আপত্তি বোধ করেন। অথচ অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে জিমে ক্যালোরি বার্ন করেন।
বাড়িতে নানা কাজে সময় দিন, সেটা কাজে লাগবে। রান্না করুন, বাড়িটা পরিষ্কার করুন, একটু বাজার করুন, বাগানে কাজ করুন—নিজের মতো সময় কাটান। সবমিলিয়ে আপনার সময় এবং সাহচর্যে পরিবারের সদস্যরাও খুশি হবে। বাড়িতেই ব্যাডমিন্টন খেললেন, স্কিপিং করুন—একসঙ্গে ব্যায়াম/যোগা করুন। যোগা খুব ভালো কাজ দেয়। সূর্য নমস্কার একটি পরিপূর্ণ ব্যায়াম। মেয়েদের জন্য এটি দারুণ উপকারী। ইন্টারনেট থেকেই শিখে নিজেই বাড়িতে করুন। এতে শরীর ভালো থাকবে।
আর ডায়েটিং?
ডায়েটিংয়ের অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। এখন অনেকেই বাইরের জাঙ্কফুড খান, আর বাড়িতে নো কার্বস, অনলি প্রোটিন, অনলি ফ্যাট মেনে চলেন। এমন ডায়েট মেনে চলার দরকার নেই। সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াটা জরুরি। মেয়েদের মা হতে গেলে শরীরকে উপযুক্ত করে গড়ার খাবার দরকার। বাঙালি খাবারে খুব ভালো ভারসাম্য রয়েছে। শাক, শুক্তোয় সবজিতে নানা ভিটামিন/ ফাইবার, ডাল, মাছে প্রোটিন/ ফ্যাট আছে, শেষ পাতে চাটনি এবং দইতে টক আছে—এইভাবে রোজের খাবার খান। চাইনিজ এবং ইতালিয় খাবারে এখনকার জেনারেশন মজেছে। কিন্তু বলব, এর চিজ এবং ময়দার আধিক্য একেবারে খাদ্যতালিকার বাইরে রাখা উচিত। চিড়ে, মুড়ি, খই, দই/ দুধ, আম/কলা মেখে খাওয়ার অভ্যাস তো ভালোই ছিল। এখন জাঙ্কফুডের পাল্লায়, স্টাইলের খাবার দাবারে অভ্যস্ত হয়ে পুষ্টিটাই হচ্ছে না। খাদ্যবিধির মূল নিয়ম, ব্রেকফাস্ট খান পেট ভরে, দুপুরের খাবার খান পুষ্টিকর আর রাতে হালকা খাবার।
লাইফস্টাইল ডিজিজ কি ফার্টিলিটির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে?
অবশ্যই করে। এখন জীবনযাত্রার বদলের জন্য নানা রোগের বাড়বাড়ন্ত। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বাড়ছে। এখন ইনফার্টিলিটিও লাইফস্টাইল ডিজিজ হয়ে গেছে। ফলে চাপ তো পড়ছেই। হাই রিস্ক প্রেগনেন্সি, মিসক্যারেজ বাড়ছে।
কেমন হবে সুস্থ জীবনযাত্রা?
আধুনিক দ্রুতগতির জীবনযাত্রার কারণে যে সমস্যা হচ্ছে, তার থেকে বাঁচিয়ে চলতে হবে। স্বাভাবিক সুস্থজীবনযাপন করুন। স্ট্রেস যাতে কম হয় চেষ্টা করুন। পুষ্টিকর খাবার খান, বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করে ফিটনেস বজায় রাখুন। সব থেকে বড় কথা সময়ের কাজ সময়ে করুন। কাজ কেরিয়ার বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে চললেও, বিয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে অযথা দেরি করে জটিলতা না বাড়ানোই উচিত। বয়স তো কাউকে ছাড়বে না। তারপরেও ইনফার্টিলিটির সমস্যা হলে সমাধান রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সবসময় পাশে আছে। তাই ইনফার্টিলিটি এখন আর তেমন রোগ নয় যা সারে না। নির্দিষ্ট সময়, সঠিক চিকিৎসক এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সক্ষম হয়েছে বহু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।
 
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
18th  May, 2017
 বাস্তবের নায়কদের মার্ক-এর সম্মান
সায়ন নস্কর  মুম্বই থেকে ফিরে

  সাধারণের মধ্য থেকে অসাধারণ হয়ে উঠে আসা চার ব্যক্তিকে মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে ‘ইন্ডিয়াস ট্রু হিরোজ’ পুরস্কারে সম্মানিত করল ওষুধ নির্মাতা সংস্থা মার্ক নিউরোবিয়ন ফর্ট। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী, বিএসএফ-এর ডিআইজি অমিত লোধাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সংস্থার পক্ষ থেকে পাঁচ শহিদ সেনা পরিবারকে সাহায্য করার কথাও জানানো হয়।
বিশদ

20th  July, 2017
 কলকাতায় জাইগোমা ইমপ্লান্ট

 মুকুন্দপুরের আমরি হাসপাতাল এবং একটি বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে জাইগোমা ইমপ্লান্ট সার্জারি নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অফ ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন অফ ইন্ডিয়া এবং তামিলনাড়ু ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডাঃ গুণশীলন রাজন।
বিশদ

20th  July, 2017
সিগারেট ছাড়তে আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি

সিগারেট, তামাকজাত দ্রব্য ও মদের নেশা ত্যাগ করা অনেকের কাছেই প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু তা সম্ভবও করা যায়। কীভাবে? জানাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুর্বেদ গবেষণা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডাঃ সুবলকুমার মাইতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির (সল্টলেক) তামাক আসক্তি দূরীকরণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ডাঃ প্রলয় শর্মা।
বিশদ

20th  July, 2017
  মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস সচেতন হন

 মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস নিয়ে সম্প্রতি কলকাতায় বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস অফ ইন্ডিয়া (এম এস এস আই) কলকাতা শাখা’র পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সংগীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচী সহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

06th  July, 2017
 ছোট্ট অপরাজিতার লড়াই

  শিশুদের হার্টে ফুটো হলে তখনই তাকে বুক চিরে অপারেশন করে তার ফুটো বন্ধ করে দিতেই হবে এই সিদ্ধান্তের ঠিক উলটো পথে ১৬/২ ডোভার টেরেসের বাসিন্দা রামপ্রসাদ তাঁতি ও রেখা তাঁতির শিশু কন্যার চিকিৎসা শুরু করলেন আর এন ট্যাগোর হাসপাতালের শিশু হার্ট বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
বিশদ

06th  July, 2017
গাট সামিট

  সম্প্রতি কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল দু’দিনের গাট সামিট ২০১৭। সম্মেলনটির আয়োজন করেছিল গাট চাট ক্লাব। সম্মেলনের চেয়ারম্যান ডাঃ সত্যপ্রিয় দে সরকার জানান, এই বছরের সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ডাঃ ভবতোষ বিশ্বাস।
বিশদ

06th  July, 2017
 ইসকিমিয়া কতটা চিন্তার?

 ভারতসহ গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় এই রোগের দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আক্রান্ত হচ্ছে হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, পা, ফুসফুস এবং পাচন নালির মতো অঙ্গগুলি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে ঘটে যেতে পারে বড়সড় শারীরিক বিপত্তি। তবে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকলেই এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন পিয়ারলেস হসপিটাল অ্যান্ড বি কে রয় রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কার্ডিওলজি বিভাগের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ অঞ্জনলাল দত্ত।
বিশদ

06th  July, 2017
আইভিএফ-এ উর্বরার সাফল্য
১০০ শিশু

 বিজ্ঞানের হাত ধরেই জীবনের জয় হয়। কথায় বলে, মানবজীবনের চাইতে মূল্যবান কিছু হয় না। আর তাই হয়তো জীবনধারণের অনুভূতি এত সুন্দর। অথচ বর্তমানের ‘ফাস্ট লাইফ’-এর যুগে বহু দম্পতিই সেই অনুভূতি থেকে বঞ্চিত। ফলে প্রকৃতির সাধারণ নিয়ম মেনেই প্রত্যেক দম্পতিরই এক নতুন প্রাণের সৃষ্টি করার কথা, তা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। ফার্টিলিটি ক্লিনিক উর্বরার কাজ এমন দম্পতিদের নিয়েই।
বিশদ

29th  June, 2017
দু’সপ্তাহ কাশির সঙ্গে জ্বর? টিবি পরীক্ষা জরুরি
সচেতনতায় অ্যাপোলো

সর্দি, কাশি আর জ্বর হলে সাধারণত আমরা স্থানীয় কোনও ডাক্তারের পরামর্শ নিই। মোটামুটি সপ্তাহখানেকের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় দু’সপ্তাহ পেরিয়েও জ্বর কমছে না। এইরকম হলে অতি অবশ্যই টিউবারক্যুলোসিস বা যক্ষ্মারোগের পরীক্ষা করাতে হবে। যে কারণে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর বারবার সাধারণ মানুষকে এই ব্যাপারে সচেতন করে চলেছে।
বিশদ

29th  June, 2017
স্নানের উপকারিতা কী কী?

চারদিকে শুধু ধোঁয়া আর ধুলো। সঙ্গে জীবাণুর রাজত্ব। এমন অবস্থায় শরীর, মন, মেজাজ, স্বাস্থ্য ঠিক রাখা বেজায় কঠিন। তবে এই কাজটিকেই সহজ করে দিতে পারে স্নান। কিন্তু কীভাবে? কথা বললেন ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্র্যাজুয়েট আয়ুর্বেদিক এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অধ্যাপক ডাঃ প্রদ্যোৎবিকাশ কর মহাপাত্র।
বিশদ

29th  June, 2017
৯৯ শতাংশ ক্যানসার রোগীই মরফিন পান না

  ভারতের প্রায় ১০ লক্ষ রোগীর মরফিনের দরকার। অথচ এই বিপুল সংখ্যক রোগীর জন্য মরফিনের চাহিদা থাকলেও মোট রোগীর এক শতাংশেরও কম মানুষ মরফিন পেয়ে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন। যোগান পর্যাপ্ত। কিন্তু আইনের কড়াকড়ি, চিকিৎসকদের দীর্ঘদিন ধরে মরফিন ব্যবহারে অনীহা এবং রোগীর আত্মীয়স্বজনের মরফিন নিয়ে বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার কারণে মরফিন পাচ্ছেন না রোগীরা।
বিশদ

22nd  June, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইষ্টার্ন কোলফিল্ডের সালানপুর এলাকায় থাকা কর্মী আবাসন থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অন্তত ১০০ বেআইনি দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তুত, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বহু আবাসনেই তারপরেও প্রচুর বেআইনি দখলদার রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM