শরীর ও স্বাস্থ্য
 

বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি কী কী?

বেহিসেবি জীবনযাত্রাই কি বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ?
সন্তানহীনতার সমস্যা বড়দের সমস্যা হলেও সমস্যার বীজ রোপন হয় শৈশবেই। তার কারণ আমাদের জীবনযাত্রা। ছোটরা আগেকার দিনে যৌথ পরিবারে বড় হত। পাড়ায় একসঙ্গে অনেক বাচ্চা খেলাধুলো করত। এখন ছোট ফ্ল্যাটে চার দেওয়ালের গণ্ডীবদ্ধ জীবনে তারা একা বড় হচ্ছে। দৈহিক কসরত, খেলাধুলোর সুযোগ কমেছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পড়ার চাপ, বইয়ের বোঝা। তারা ব্যস্ত হয়েছে প্রাইভেট টিউশন, কম্পিউটার, মোবাইলে ইনডোর গেমসে। বদলেছে খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস। আগেকার ট্র্যাডিশনাল খাবারের বদলে অভ্যস্ত বাইরের খাবার, জাঙ্ক ফুডে। সপ্তাহে বা মাসে একদিন সদলবলে রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভ্যাস আগে থাকলেও এখন অনেকে প্রায়দিনই খাবার আনান বাইরে থেকে। হোম ডেলিভারি তো আছেই, এমনকী অ্যাপসেই অর্ডার দেন খাবারের, যাতে একটু দূর থেকেও পছন্দসই খাবার আনানো যায় বিনা শ্রমে। আগে রোজকার বাড়ির খাবারে ক্যালোরি, প্রোটিন, ভিটামিনের যে ভারসাম্য থাকত, এখন বাইরের খাবারে তা সেভাবে থাকছে না। সব মিলিয়ে জীবনযাত্রার এই ধরন বদলানোর সঙ্গেই বাড়ছে ছোটদের স্থূলত্ব। এখান থেকেই যত সমস্যা সূত্রপাত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একে একে বাড়ছে নানা রোগের বহর।
মেয়েদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা কোথায়?
মেয়েদের ওবেসিটি বা স্থূলত্বের কারণে হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এটি রোগ না হলেও এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে, যাতে মোটা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে। স্থূল মেয়েদের শরীরে মেল হরমোনের প্রভাব পুরুষালি ভাব, গলার পাশে পিগমেন্টেশন, গায়ে, হাতে, পায়ে, জুলফিতে লোমের লোমের আধিক্য দেখা যায়। এছাড়া ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের তারতম্যে ওভ্যুলেশন না হওয়ায় একটা ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। নির্গত না হওয়া ডিমগুলি ওভারির সারফেসে জমা হতে থাকে যা সোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। একে কাব্য করে বলা হয় কুইনস নেকলেস।
মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের ওভিউলেশনের এই সমস্যা ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা বাড়ায়। এটির জন্য অনেকটাই দায়ী আমাদের লাইফস্টাইল।
পুরুষদের ইনফার্টিলিটির জন্য জীবনযাত্রা কতটা দায়ী?
আজকাল ছেলেরাও ছোট থেকেই স্থূলত্বের শিকার। অতিরিক্ত বাইরের খাবারে আসক্তি, বসে পড়াশোনা বা কাজ, ব্যায়াম, দৈহিক পরিশ্রম না করায় স্থূলত্ব বাড়ছে। এর সঙ্গে জাঙ্কফুড খাওয়ায় জাঙ্কফুডের টক্সিন ক্ষতি করে স্পার্মের। স্পার্মের কোষ ডেলিকেট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ক্ষতিকর রাসায়নিক বা টক্সিন, ধূমপান, স্থূলত্ব হ্রাসের ওষুধ ইত্যাদির প্রভাবে এবং অবসাদের জন্য কাউন্ট কমে যায়। আবার কাউন্ট ঠিক থাকলেও তার গতি কমতে পারে। এর থেকেই আসে মেল ইনফার্টিলিটি।
এহেন সমস্যার সমাধান নিশ্চয় আছে আধুনিক চিকিৎসায়?
  ইংল্যন্ডে ১৯৭৮ সালের ২১ জুলাই লুই ব্রাউনের জন্মের পরেও বিগত ৩৯ বছরে লক্ষ লক্ষ শিশু জন্মেছে আসিস্ট্যান্ট রিপ্রোডাকটিভ টেকনোলজির মাধ্যমে। মহিলাদের জন্য রয়েছে আইভিএফ বা ইন ভিটরো ফার্টিলাইজেশন। ওভ্যুলেশন না হলে, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওষুধ দিয়ে, ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এগ প্রোডাকশন কাউন্ট বাড়ানো হয়। তারপর সেই ডিম তুলে নেওয়া হয়। স্পার্ম কাউন্ট কম হলে পুরুষদের জন্য আছে আইসিএসআই-ইনট্রা সাইটোপ্লাসমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন। ১ মিলি সিমেনে ৬০ মিলিয়ন স্পার্ম থাকলে তাকে স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু এই টেকনোলজিতে ৬০ মিলিয়নের দরকার পড়ে না। হিসাব বলছে প্রতিটি ডিমের জন্য ১টি স্পার্ম যথেষ্ট। এরপর ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপের নিচে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ডাইরেক্ট ফার্টিলাইজেশন করানো হয়। সেল ডিভিশন শুরু হয়। পরে ইউটেরাসের মধ্যে এমব্রায়ো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়।
ইনফার্টিলিটির ক্ষেত্রে পরিবেশের কি কোনও ভূমিকা আছে?
আছে তো বটেই। আমাদের খাবারদাবার, শাকসবজি, ফল, সবেতেই চাষের সময় প্রচুর কিটনাশক ও সার দেওয়া হয়। এর মাত্রা বেশি হলে তা শরীরে টক্সিনের কাজ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন অসম, পশ্চিমবঙ্গে ভাত যাঁদের প্রধান খাদ্য, সেখানে মেয়েদের শরীরে এন্ড্রোমেট্রিওসিস রোগ বাড়ছে। ধান চাষে ব্যবহৃত কিটনাশক এই রোগ বৃদ্ধির কারণ। এটি এমন রোগ যাতে ওভারির টিস্যুর মধ্যে রক্তপাত হতে হতে সিস্টের মতো জমে যায়। অপারেশন করে এই সিস্ট রিমুভ করতে হয়। ওভারিতে সিস্ট থাকার ফলে ডিম তৈরি হয় না, হলেও তার কোয়ালিটি ভালো হয় না। ফলে ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা থাকে। এছাড়া এই রোগে জননাঙ্গগুলি গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, সেজন্য টিউব বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে ছোট ছোট ফুটো করে, পেট না কেটেই এই জটগুলি ছাড়ানো হয়। একে বলা হয় ফার্টিলিটি এনহ্যান্সিং সার্জারি। টক্সিনের কারণে পুরুষদের স্পার্মে গতি কমে যায়। ফলে দেখা যাচ্ছে কীটনাশক, রাসায়নিক সারের একটা সম্পর্ক থাকছে বন্ধ্যত্বের সঙ্গে।
শহুরে আধুনিকদের মধ্যে কি এই সমস্যা বেশি দেখা যায়?
কমবয়সি দম্পতি যাঁরা আইটি বা এই ধরনের পেশায় নিযুক্ত, তাঁদের মধ্যে জীবনযাত্রার এই বদলটা খুব বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশি ক্লায়েন্ট সামলাতে গিয়ে রাত জেগে কাজ করতে হয়। বদলে যায় নিজেদের জীবনের চলতি ছক। রাতের কাজ দিনে এবং দিনের কাজ রাতে করায় ব্রেনের পিটুইটারি গ্লান্ডের উপরে চাপ পড়ে, হরমোন নিঃসরণ বদলায়। হরমোনের সমস্যা দেখা যায়। দীর্ঘদিন এমন চলতে গিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। এর থেকে ছেলেদের পারফরমেন্স আ্যংজাইটি, ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে। শহুরে আধুনিক দম্পতিদের এহেন স্বাভাবিক যৌনজীবন না থাকায় ঝুঁকি বাড়ে ইনফার্টিলিটির। দ্বারস্থ হতে হয় ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট এবং কাউন্সিলরের।
বয়স কি ইনফার্টিলিটির অন্যতম কারণ নয়?
হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ। বিয়ের বয়স ক্রমশ পিছচ্ছে মেয়েরা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি জীবন শুরু এভং কেরিয়ার স্টেবল হতে গিয়ে বয়স যাচ্ছে বেড়ে। তারপর বিয়ে, সন্তানধারণ। ২২ থেকে ৩০ এর মধ্যে সন্তান ধারণের আদর্শ সময়। সেই চান্স ৩০-৩৫ বছরে কমে, ৩৫-এ আরও কম, ৪০-এর পরে একেবারেই কমে যায়। ফলে চাকরি, কেরিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, বিদেশ ট্যুর-এত প্ল্যানিং করতে গিয়েই সমস্যা বাড়ছে।
ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাসও তো কুপ্রভাব ফেলে?
এখন মেয়েরা ধূমপান এবং মদ্যপান অভ্যস্ত। একটা সময় এগুলি নিয়ে ট্যাবু থাকলেও একন স্ট্যাটাস সিম্বল। কিন্তু এর ক্ষতি সুদূরপ্রসারী। মেয়েদের সন্তান ধারণের ক্ষেত্রেও যেমন ক্ষতি, পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। তাই চিকিৎসক হিসেবে এটি একেবারেই বারণ করব।
স্ট্রেস কি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর?
এখন কাজের ধরনই অবসাদের মূল কারণ। আর অবসাদ থাকলে ইনফার্টিলিটির সমস্যা হতে পারে। কাজের জগতে চাপ থাকবেই। সেটা নিজেকেই কন্ট্রোল করতে হবে। দিনের কাজ দিনে এবং রাতের কাজ রাতে না হলেও বিপদ। প্রভাব পড়ে দাম্পত্য জীবনে। ফলে অবসাদ আসবেই। মেয়েদের ক্ষেত্রে অফিসের কাজ এবং বাড়ির চাপ উভয়দিকে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে অবসাদ অনেক বেড়ে যায়। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে হবে, প্রয়োজনে কাউন্সিলরের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন।
ইনফার্টিলির ক্ষেত্রে কীভাবে উপকার মিলতে পারে ফিটনেসে?
সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান পেতে, বাবা-মাকেও সুস্থ ও ফিট থাকতে হবে। শরীর মন উভয় শান্ত এবং সুস্থ না থাকলে চলবে না। এর জন্য যোগা এবং মেডিটেশন খুব ভালো কাজ দেয়। আমি দেখেছি, অনেকেই বাড়ির কাজে আপত্তি বোধ করেন। অথচ অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে জিমে ক্যালোরি বার্ন করেন।
বাড়িতে নানা কাজে সময় দিন, সেটা কাজে লাগবে। রান্না করুন, বাড়িটা পরিষ্কার করুন, একটু বাজার করুন, বাগানে কাজ করুন—নিজের মতো সময় কাটান। সবমিলিয়ে আপনার সময় এবং সাহচর্যে পরিবারের সদস্যরাও খুশি হবে। বাড়িতেই ব্যাডমিন্টন খেললেন, স্কিপিং করুন—একসঙ্গে ব্যায়াম/যোগা করুন। যোগা খুব ভালো কাজ দেয়। সূর্য নমস্কার একটি পরিপূর্ণ ব্যায়াম। মেয়েদের জন্য এটি দারুণ উপকারী। ইন্টারনেট থেকেই শিখে নিজেই বাড়িতে করুন। এতে শরীর ভালো থাকবে।
আর ডায়েটিং?
ডায়েটিংয়ের অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। এখন অনেকেই বাইরের জাঙ্কফুড খান, আর বাড়িতে নো কার্বস, অনলি প্রোটিন, অনলি ফ্যাট মেনে চলেন। এমন ডায়েট মেনে চলার দরকার নেই। সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াটা জরুরি। মেয়েদের মা হতে গেলে শরীরকে উপযুক্ত করে গড়ার খাবার দরকার। বাঙালি খাবারে খুব ভালো ভারসাম্য রয়েছে। শাক, শুক্তোয় সবজিতে নানা ভিটামিন/ ফাইবার, ডাল, মাছে প্রোটিন/ ফ্যাট আছে, শেষ পাতে চাটনি এবং দইতে টক আছে—এইভাবে রোজের খাবার খান। চাইনিজ এবং ইতালিয় খাবারে এখনকার জেনারেশন মজেছে। কিন্তু বলব, এর চিজ এবং ময়দার আধিক্য একেবারে খাদ্যতালিকার বাইরে রাখা উচিত। চিড়ে, মুড়ি, খই, দই/ দুধ, আম/কলা মেখে খাওয়ার অভ্যাস তো ভালোই ছিল। এখন জাঙ্কফুডের পাল্লায়, স্টাইলের খাবার দাবারে অভ্যস্ত হয়ে পুষ্টিটাই হচ্ছে না। খাদ্যবিধির মূল নিয়ম, ব্রেকফাস্ট খান পেট ভরে, দুপুরের খাবার খান পুষ্টিকর আর রাতে হালকা খাবার।
লাইফস্টাইল ডিজিজ কি ফার্টিলিটির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে?
অবশ্যই করে। এখন জীবনযাত্রার বদলের জন্য নানা রোগের বাড়বাড়ন্ত। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বাড়ছে। এখন ইনফার্টিলিটিও লাইফস্টাইল ডিজিজ হয়ে গেছে। ফলে চাপ তো পড়ছেই। হাই রিস্ক প্রেগনেন্সি, মিসক্যারেজ বাড়ছে।
কেমন হবে সুস্থ জীবনযাত্রা?
আধুনিক দ্রুতগতির জীবনযাত্রার কারণে যে সমস্যা হচ্ছে, তার থেকে বাঁচিয়ে চলতে হবে। স্বাভাবিক সুস্থজীবনযাপন করুন। স্ট্রেস যাতে কম হয় চেষ্টা করুন। পুষ্টিকর খাবার খান, বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করে ফিটনেস বজায় রাখুন। সব থেকে বড় কথা সময়ের কাজ সময়ে করুন। কাজ কেরিয়ার বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে চললেও, বিয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে অযথা দেরি করে জটিলতা না বাড়ানোই উচিত। বয়স তো কাউকে ছাড়বে না। তারপরেও ইনফার্টিলিটির সমস্যা হলে সমাধান রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সবসময় পাশে আছে। তাই ইনফার্টিলিটি এখন আর তেমন রোগ নয় যা সারে না। নির্দিষ্ট সময়, সঠিক চিকিৎসক এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সক্ষম হয়েছে বহু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।
 
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
18th  May, 2017
আত্মহত্যা আটকাবেন কীভাবে?

আত্মহত্যার চিন্তা আর ঘুমের মধ্যে ভয়াল স্বপ্নের মধ্যে মিল একটাই— জেগে উঠলেই রোদ পড়ে চোখে। জীবনের ওম্‌ গায়ে মেখে, কাজ করার আনন্দে কাটিয়ে কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে করে আরও হাজার বছর। তাই খারাপ স্বপ্ন থেকে জেগে উঠুন। অন্যদেরও ডাক দিন অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসার। গত রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ছিল ওয়ার্ল্ড সুইসাইড ডে। মৃত্যু নয় বেঁচে থাকার আনন্দ উদ্‌যাপন করতেই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। লিখেছেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কেদাররঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশদ

14th  September, 2017
সকাল ৯টায় কাজ করানো নির্যাতন!

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, অন্তত ৫৫ বছরের কমবয়সিদের সকাল ৯টায় কাজ করানো ‘নির্যাতন’। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ অ্যান্ড সার্কাডিয়ান নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউট অনারারি ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ফেলো ডক্টর পল স্কোলের মতে, কর্মীদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করলে তাদের ক্লান্তির পাশাপাশি স্ট্রেস দেখা দেয়। ফলে স্বাভাবিক ঘুম হয় না।
বিশদ

14th  September, 2017
স্মরণে সুব্রত

  আগামী নির্মাণ ২০০৩ ও মেডিকেল কন্সোর্টিয়াম অব ডাঃ সুব্রত মৈত্র-র উদ্যোগে এবং রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচারের সহযোগিতায় ইনস্টিউটের বিবেকানন্দ প্রেক্ষাগৃহে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ সুব্রত মৈত্র স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

14th  September, 2017
 নারায়ণায় ভার্চুয়াল অঙ্কোলজি ক্লিনিক

  নারায়ণা হেল্‌঩থ গোষ্ঠীর বারাসাত, গুয়াহাটি এবং জামশেদপুর শাখায় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল অঙ্কোলজি ক্লিনিক খুলল হাওড়ার নারায়ণা হেল্‌থ। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগে এই হাসপাতালগুলি থেকে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল হাওড়ায় পাঠানো হত।
বিশদ

07th  September, 2017
 মেডিকার হার্ট টিম

  হৃদরোগ নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্কের শেষ নেই। এরপর আবার যদি একই সমস্যায় দুই বিশেষজ্ঞের আলাদা মতামত থাকলে তো বিভ্রান্তির শেষ থাকে না। দেখা গিয়েছে, হৃদযন্ত্রের একই সমস্যায় এক বিশেষজ্ঞ অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তো অন্য বিশেষজ্ঞের দিচ্ছেন হার্ট সার্জারির নিদান। বিশদ

07th  September, 2017
 রাগ কমায় আয়ু

ট্রাফিক জ্যামে পড়ে আপনার রাগের চোটে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলেন? অফিসে সহকর্মীদের উপর সব সময়ই চটে থাকেন? বাচ্চাদের আহ্লাদ-আবদারে মেজাজটা চড়ে যায়?
এমন স্বভাব বদলানোটাই ভালো। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের আয়ওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে উঠে এসেছে বিপজ্জনক তথ্য। প্রায় চল্লিশ বছরের কাছাকাছি বয়সের ১হাজার তিনশোরও বেশি পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালান তারা।
বিশদ

07th  September, 2017
 ত্বকের যত্ন নেবেন কীভাবে?

উৎসবের আবহে নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে অনেকেই নানাভাবে মেক-আপ করেন। ত্বকের উপর চলে লেবু, রশুন, টুথপেস্টের মতো জিনিস নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। না জেনে নিজের উপর এমন গবেষণার ফলাফল মারাত্মক হতে পারে।পুুজো মানেই উদ্দীপনা। তিনমাস আগে থেকেই পুজোর দিনগোনা শুরু শুরু করি আমরা। 
বিশদ

07th  September, 2017
মানুষকে কম বয়সেই বুড়িয়ে
দিচ্ছে মোবাইল ফোন

  বেশি সময় ধরে আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধার যন্ত্র ব্যবহারে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাচ্ছে মানুষ। মোবাইল ফোন ও ট্যাবের মতো আধুনিক প্রযুক্তি-সুবিধার ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ব্যবহার মানুষকে এখন কম বয়সেই বুড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশদ

31st  August, 2017
 বর্ধমানে বিনামূল্যে ত্বকের রোগের চিকিৎসা শিবির

  প্রয়াত বিশিষ্ট ত্বক বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভবেশচন্দ্র লাহিড়ীর স্মরণে ২৭ আগস্ট বর্ধমান শহরে প্রয়াত চিকিৎসকের নিজস্ব বাসভবনে সারাদিন ব্যাপী বিনামূল্যে ত্বকের রোগের চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

31st  August, 2017
 সুশ্রুতের উদ্যোগ: নিখরচায় শিশুদের চক্ষু-পরীক্ষা শিবির

  সঠিক সময়ের মধ্যে চক্ষু-পরীক্ষা না করার কারণে বহু শিশু ছানি অথবা স্কুইন্টের (ট্যারা) চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়। তবে সময়মতো অসুখ ধরা পড়লে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। শিশুরা পুনরায় তাদের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়।
বিশদ

31st  August, 2017
একনজরে
 বাংলা নিউজ এজেন্সি: মহাপঞ্চমীতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগে বহু পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল। এদিন বিকাল থেকেই জেলার মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ঢল নামতে শুরু করে। তবে, এদিনও কয়েকটি পুজোর প্যান্ডেলে শিল্পীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে দেখা যায়। ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা দার্জিলিং: সোমবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ’র প্রশাসক পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজে যোগ দিলেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং। সোমবার আধিকারিকদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই ...

বার্লিন, ২৫ সেপ্টেম্বর: বুথ ফেরত সমীক্ষায় পাওয়া আভাসই শেষমেশ সত্য হল। চতুর্থবার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেলই। ৩২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে মার্কেলের দল। আর ...

 হরিহর ঘোষাল, বারাকপুর, বিএনএ: কামারহাটি পুরসভায় রেশন কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের কার্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলি করা না হলেও একজন রেশন ডিলারের কাছে ভূরি ভূরি কার্ড জমা পড়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিড়ের জেরে আজও বাড়ানো হল রাতের শেষ মেট্রোর সময় 
ষষ্ঠীর রাতে কলকাতা শহরে জনজোয়ারের জেরে এদিনও রাতের ...বিশদ

09:42:56 PM

সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM