শরীর ও স্বাস্থ্য
 

বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি কী কী?

বেহিসেবি জীবনযাত্রাই কি বন্ধ্যত্বের অন্যতম কারণ?
সন্তানহীনতার সমস্যা বড়দের সমস্যা হলেও সমস্যার বীজ রোপন হয় শৈশবেই। তার কারণ আমাদের জীবনযাত্রা। ছোটরা আগেকার দিনে যৌথ পরিবারে বড় হত। পাড়ায় একসঙ্গে অনেক বাচ্চা খেলাধুলো করত। এখন ছোট ফ্ল্যাটে চার দেওয়ালের গণ্ডীবদ্ধ জীবনে তারা একা বড় হচ্ছে। দৈহিক কসরত, খেলাধুলোর সুযোগ কমেছে। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে পড়ার চাপ, বইয়ের বোঝা। তারা ব্যস্ত হয়েছে প্রাইভেট টিউশন, কম্পিউটার, মোবাইলে ইনডোর গেমসে। বদলেছে খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাস। আগেকার ট্র্যাডিশনাল খাবারের বদলে অভ্যস্ত বাইরের খাবার, জাঙ্ক ফুডে। সপ্তাহে বা মাসে একদিন সদলবলে রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভ্যাস আগে থাকলেও এখন অনেকে প্রায়দিনই খাবার আনান বাইরে থেকে। হোম ডেলিভারি তো আছেই, এমনকী অ্যাপসেই অর্ডার দেন খাবারের, যাতে একটু দূর থেকেও পছন্দসই খাবার আনানো যায় বিনা শ্রমে। আগে রোজকার বাড়ির খাবারে ক্যালোরি, প্রোটিন, ভিটামিনের যে ভারসাম্য থাকত, এখন বাইরের খাবারে তা সেভাবে থাকছে না। সব মিলিয়ে জীবনযাত্রার এই ধরন বদলানোর সঙ্গেই বাড়ছে ছোটদের স্থূলত্ব। এখান থেকেই যত সমস্যা সূত্রপাত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একে একে বাড়ছে নানা রোগের বহর।
মেয়েদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা কোথায়?
মেয়েদের ওবেসিটি বা স্থূলত্বের কারণে হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এটি রোগ না হলেও এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করে, যাতে মোটা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে। স্থূল মেয়েদের শরীরে মেল হরমোনের প্রভাব পুরুষালি ভাব, গলার পাশে পিগমেন্টেশন, গায়ে, হাতে, পায়ে, জুলফিতে লোমের লোমের আধিক্য দেখা যায়। এছাড়া ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের তারতম্যে ওভ্যুলেশন না হওয়ায় একটা ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। নির্গত না হওয়া ডিমগুলি ওভারির সারফেসে জমা হতে থাকে যা সোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। একে কাব্য করে বলা হয় কুইনস নেকলেস।
মেয়েদের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের ওভিউলেশনের এই সমস্যা ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা বাড়ায়। এটির জন্য অনেকটাই দায়ী আমাদের লাইফস্টাইল।
পুরুষদের ইনফার্টিলিটির জন্য জীবনযাত্রা কতটা দায়ী?
আজকাল ছেলেরাও ছোট থেকেই স্থূলত্বের শিকার। অতিরিক্ত বাইরের খাবারে আসক্তি, বসে পড়াশোনা বা কাজ, ব্যায়াম, দৈহিক পরিশ্রম না করায় স্থূলত্ব বাড়ছে। এর সঙ্গে জাঙ্কফুড খাওয়ায় জাঙ্কফুডের টক্সিন ক্ষতি করে স্পার্মের। স্পার্মের কোষ ডেলিকেট হওয়ায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ক্ষতিকর রাসায়নিক বা টক্সিন, ধূমপান, স্থূলত্ব হ্রাসের ওষুধ ইত্যাদির প্রভাবে এবং অবসাদের জন্য কাউন্ট কমে যায়। আবার কাউন্ট ঠিক থাকলেও তার গতি কমতে পারে। এর থেকেই আসে মেল ইনফার্টিলিটি।
এহেন সমস্যার সমাধান নিশ্চয় আছে আধুনিক চিকিৎসায়?
  ইংল্যন্ডে ১৯৭৮ সালের ২১ জুলাই লুই ব্রাউনের জন্মের পরেও বিগত ৩৯ বছরে লক্ষ লক্ষ শিশু জন্মেছে আসিস্ট্যান্ট রিপ্রোডাকটিভ টেকনোলজির মাধ্যমে। মহিলাদের জন্য রয়েছে আইভিএফ বা ইন ভিটরো ফার্টিলাইজেশন। ওভ্যুলেশন না হলে, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম থাকলে ওষুধ দিয়ে, ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে এগ প্রোডাকশন কাউন্ট বাড়ানো হয়। তারপর সেই ডিম তুলে নেওয়া হয়। স্পার্ম কাউন্ট কম হলে পুরুষদের জন্য আছে আইসিএসআই-ইনট্রা সাইটোপ্লাসমিক স্পার্ম ইঞ্জেকশন। ১ মিলি সিমেনে ৬০ মিলিয়ন স্পার্ম থাকলে তাকে স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু এই টেকনোলজিতে ৬০ মিলিয়নের দরকার পড়ে না। হিসাব বলছে প্রতিটি ডিমের জন্য ১টি স্পার্ম যথেষ্ট। এরপর ইলেকট্রন মাইক্রোস্কপের নিচে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে ডাইরেক্ট ফার্টিলাইজেশন করানো হয়। সেল ডিভিশন শুরু হয়। পরে ইউটেরাসের মধ্যে এমব্রায়ো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়।
ইনফার্টিলিটির ক্ষেত্রে পরিবেশের কি কোনও ভূমিকা আছে?
আছে তো বটেই। আমাদের খাবারদাবার, শাকসবজি, ফল, সবেতেই চাষের সময় প্রচুর কিটনাশক ও সার দেওয়া হয়। এর মাত্রা বেশি হলে তা শরীরে টক্সিনের কাজ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে, পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যেমন অসম, পশ্চিমবঙ্গে ভাত যাঁদের প্রধান খাদ্য, সেখানে মেয়েদের শরীরে এন্ড্রোমেট্রিওসিস রোগ বাড়ছে। ধান চাষে ব্যবহৃত কিটনাশক এই রোগ বৃদ্ধির কারণ। এটি এমন রোগ যাতে ওভারির টিস্যুর মধ্যে রক্তপাত হতে হতে সিস্টের মতো জমে যায়। অপারেশন করে এই সিস্ট রিমুভ করতে হয়। ওভারিতে সিস্ট থাকার ফলে ডিম তৈরি হয় না, হলেও তার কোয়ালিটি ভালো হয় না। ফলে ভবিষ্যতে ইনফার্টিলিটির আশঙ্কা থাকে। এছাড়া এই রোগে জননাঙ্গগুলি গভীরভাবে জড়িয়ে যায়, সেজন্য টিউব বন্ধ হয়ে যায়। ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে ছোট ছোট ফুটো করে, পেট না কেটেই এই জটগুলি ছাড়ানো হয়। একে বলা হয় ফার্টিলিটি এনহ্যান্সিং সার্জারি। টক্সিনের কারণে পুরুষদের স্পার্মে গতি কমে যায়। ফলে দেখা যাচ্ছে কীটনাশক, রাসায়নিক সারের একটা সম্পর্ক থাকছে বন্ধ্যত্বের সঙ্গে।
শহুরে আধুনিকদের মধ্যে কি এই সমস্যা বেশি দেখা যায়?
কমবয়সি দম্পতি যাঁরা আইটি বা এই ধরনের পেশায় নিযুক্ত, তাঁদের মধ্যে জীবনযাত্রার এই বদলটা খুব বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিদেশি ক্লায়েন্ট সামলাতে গিয়ে রাত জেগে কাজ করতে হয়। বদলে যায় নিজেদের জীবনের চলতি ছক। রাতের কাজ দিনে এবং দিনের কাজ রাতে করায় ব্রেনের পিটুইটারি গ্লান্ডের উপরে চাপ পড়ে, হরমোন নিঃসরণ বদলায়। হরমোনের সমস্যা দেখা যায়। দীর্ঘদিন এমন চলতে গিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। এর থেকে ছেলেদের পারফরমেন্স আ্যংজাইটি, ইরেকটাইল ডিসফাংশন হতে পারে। শহুরে আধুনিক দম্পতিদের এহেন স্বাভাবিক যৌনজীবন না থাকায় ঝুঁকি বাড়ে ইনফার্টিলিটির। দ্বারস্থ হতে হয় ফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট এবং কাউন্সিলরের।
বয়স কি ইনফার্টিলিটির অন্যতম কারণ নয়?
হ্যাঁ, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কারণ। বিয়ের বয়স ক্রমশ পিছচ্ছে মেয়েরা। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি জীবন শুরু এভং কেরিয়ার স্টেবল হতে গিয়ে বয়স যাচ্ছে বেড়ে। তারপর বিয়ে, সন্তানধারণ। ২২ থেকে ৩০ এর মধ্যে সন্তান ধারণের আদর্শ সময়। সেই চান্স ৩০-৩৫ বছরে কমে, ৩৫-এ আরও কম, ৪০-এর পরে একেবারেই কমে যায়। ফলে চাকরি, কেরিয়ার, বাড়ি, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, বিদেশ ট্যুর-এত প্ল্যানিং করতে গিয়েই সমস্যা বাড়ছে।
ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাসও তো কুপ্রভাব ফেলে?
এখন মেয়েরা ধূমপান এবং মদ্যপান অভ্যস্ত। একটা সময় এগুলি নিয়ে ট্যাবু থাকলেও একন স্ট্যাটাস সিম্বল। কিন্তু এর ক্ষতি সুদূরপ্রসারী। মেয়েদের সন্তান ধারণের ক্ষেত্রেও যেমন ক্ষতি, পুরুষদেরও স্পার্ম কাউন্ট কমিয়ে দেয়। তাই চিকিৎসক হিসেবে এটি একেবারেই বারণ করব।
স্ট্রেস কি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর?
এখন কাজের ধরনই অবসাদের মূল কারণ। আর অবসাদ থাকলে ইনফার্টিলিটির সমস্যা হতে পারে। কাজের জগতে চাপ থাকবেই। সেটা নিজেকেই কন্ট্রোল করতে হবে। দিনের কাজ দিনে এবং রাতের কাজ রাতে না হলেও বিপদ। প্রভাব পড়ে দাম্পত্য জীবনে। ফলে অবসাদ আসবেই। মেয়েদের ক্ষেত্রে অফিসের কাজ এবং বাড়ির চাপ উভয়দিকে ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে অবসাদ অনেক বেড়ে যায়। তাই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে হবে, প্রয়োজনে কাউন্সিলরের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিন।
ইনফার্টিলির ক্ষেত্রে কীভাবে উপকার মিলতে পারে ফিটনেসে?
সুস্থ স্বাভাবিক সন্তান পেতে, বাবা-মাকেও সুস্থ ও ফিট থাকতে হবে। শরীর মন উভয় শান্ত এবং সুস্থ না থাকলে চলবে না। এর জন্য যোগা এবং মেডিটেশন খুব ভালো কাজ দেয়। আমি দেখেছি, অনেকেই বাড়ির কাজে আপত্তি বোধ করেন। অথচ অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে জিমে ক্যালোরি বার্ন করেন।
বাড়িতে নানা কাজে সময় দিন, সেটা কাজে লাগবে। রান্না করুন, বাড়িটা পরিষ্কার করুন, একটু বাজার করুন, বাগানে কাজ করুন—নিজের মতো সময় কাটান। সবমিলিয়ে আপনার সময় এবং সাহচর্যে পরিবারের সদস্যরাও খুশি হবে। বাড়িতেই ব্যাডমিন্টন খেললেন, স্কিপিং করুন—একসঙ্গে ব্যায়াম/যোগা করুন। যোগা খুব ভালো কাজ দেয়। সূর্য নমস্কার একটি পরিপূর্ণ ব্যায়াম। মেয়েদের জন্য এটি দারুণ উপকারী। ইন্টারনেট থেকেই শিখে নিজেই বাড়িতে করুন। এতে শরীর ভালো থাকবে।
আর ডায়েটিং?
ডায়েটিংয়ের অর্থ না খেয়ে থাকা নয়। এখন অনেকেই বাইরের জাঙ্কফুড খান, আর বাড়িতে নো কার্বস, অনলি প্রোটিন, অনলি ফ্যাট মেনে চলেন। এমন ডায়েট মেনে চলার দরকার নেই। সুস্থ থাকার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়াটা জরুরি। মেয়েদের মা হতে গেলে শরীরকে উপযুক্ত করে গড়ার খাবার দরকার। বাঙালি খাবারে খুব ভালো ভারসাম্য রয়েছে। শাক, শুক্তোয় সবজিতে নানা ভিটামিন/ ফাইবার, ডাল, মাছে প্রোটিন/ ফ্যাট আছে, শেষ পাতে চাটনি এবং দইতে টক আছে—এইভাবে রোজের খাবার খান। চাইনিজ এবং ইতালিয় খাবারে এখনকার জেনারেশন মজেছে। কিন্তু বলব, এর চিজ এবং ময়দার আধিক্য একেবারে খাদ্যতালিকার বাইরে রাখা উচিত। চিড়ে, মুড়ি, খই, দই/ দুধ, আম/কলা মেখে খাওয়ার অভ্যাস তো ভালোই ছিল। এখন জাঙ্কফুডের পাল্লায়, স্টাইলের খাবার দাবারে অভ্যস্ত হয়ে পুষ্টিটাই হচ্ছে না। খাদ্যবিধির মূল নিয়ম, ব্রেকফাস্ট খান পেট ভরে, দুপুরের খাবার খান পুষ্টিকর আর রাতে হালকা খাবার।
লাইফস্টাইল ডিজিজ কি ফার্টিলিটির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে?
অবশ্যই করে। এখন জীবনযাত্রার বদলের জন্য নানা রোগের বাড়বাড়ন্ত। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার বাড়ছে। এখন ইনফার্টিলিটিও লাইফস্টাইল ডিজিজ হয়ে গেছে। ফলে চাপ তো পড়ছেই। হাই রিস্ক প্রেগনেন্সি, মিসক্যারেজ বাড়ছে।
কেমন হবে সুস্থ জীবনযাত্রা?
আধুনিক দ্রুতগতির জীবনযাত্রার কারণে যে সমস্যা হচ্ছে, তার থেকে বাঁচিয়ে চলতে হবে। স্বাভাবিক সুস্থজীবনযাপন করুন। স্ট্রেস যাতে কম হয় চেষ্টা করুন। পুষ্টিকর খাবার খান, বাড়িতে নিয়মিত শরীরচর্চা করে ফিটনেস বজায় রাখুন। সব থেকে বড় কথা সময়ের কাজ সময়ে করুন। কাজ কেরিয়ার বা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে চললেও, বিয়ে সন্তানের ক্ষেত্রে অযথা দেরি করে জটিলতা না বাড়ানোই উচিত। বয়স তো কাউকে ছাড়বে না। তারপরেও ইনফার্টিলিটির সমস্যা হলে সমাধান রয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সবসময় পাশে আছে। তাই ইনফার্টিলিটি এখন আর তেমন রোগ নয় যা সারে না। নির্দিষ্ট সময়, সঠিক চিকিৎসক এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সক্ষম হয়েছে বহু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।
 
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
18th  May, 2017
প্রকাশিত হল ডাঃ সরোজ গুপ্ত রচনাসংগ্রহ

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও ঠাকুরপুকুর ক্যানসার হসপিটালের প্রাণপুরুষ ডাঃ সরোজ গুপ্তর স্মরণে সম্প্রতি নন্দন-৪ প্রেক্ষাগৃহে দে’জ পাবলিশিং থেকে এই প্রথম প্রকাশিত হল অঞ্জন গুপ্ত ও ডাঃ অর্ণব গুপ্ত সম্পাদিত একটি গল্পের বই ‘ডাঃ সরোজ গুপ্ত রচনাসংগ্রহ’।
বিশদ

25th  May, 2017
ছেলেমেয়ের মন বুঝবেন কীভাবে?

ছেলেবেলা পেরিয়ে কৈশোর। মাঝবেলায় যৌবনের ছায়া। দেখতে দেখতে কেটে যায় অনেকটা সময়। এমন বাড়ন্ত বেলার ছেলেমেয়েদের চলাফেরা, ভাবনা-চিন্তার সঙ্গে অভিভাবকের তীব্র মতান্তর সৃষ্টি হওয়ার ঘটনা এখন ঘরে ঘরে। এই সময় ছেলেমেয়ের মনের নাগাল পাওয়া বেজায় ভার। কিন্তু কীভাবে মালুম হবে তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার তারতম্য? কেমনভাবে খোঁজ মিলবে ওদের লুকিয়ে রাখা অনুভূতি? জানালেন পিজি হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব সাইকিয়াট্রি বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ প্রদীপ সাহা।
বিশদ

25th  May, 2017
দুর্গাপুরে বিরল রোগের চিকিৎসা

ফুফফুসের বিরল রোগ ‘হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস’ আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করেল দুর্গাপুরের আইকিউ সিটি নারায়াণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল। বয়স ৩২-এর শায়িদা তারানাম একসপ্তাহ ধরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছিলন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন, স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম পরিমাণ অক্সিজেন শারিদার রক্তে রয়েছে।
বিশদ

18th  May, 2017
কুসুমদেবী ডেন্টালের দন্ত পরীক্ষা শিবির

বারাকপুরের স্টেম ওয়ার্ল্ড স্কুলে সম্প্রতি নিখরচায় দন্ত পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করেছিল কুসুমদেবী সুন্দরলাল দুগার জৈন ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল। বিদ্যালয়ের ২৫০ ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকের মুখগহ্বরের পরীক্ষা করেন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
বিশদ

18th  May, 2017
 ওষুধের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা

  অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ান অব ইন্ডিয়া’র (এপিআই) পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফে কলকাতায় শিক্ষামূলক চিকিৎসা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত বিভিন্ন অসুখ সারানোর ওষুধগুলির সাম্প্রতিকতম ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করাই ছিল এই সভার উদ্দেশ্য।
বিশদ

11th  May, 2017
 হ্যানিম্যানের হোমিওপ্যাথি বিতর্ক সভা

  ভক্তদের দাবি, হোমিওপ্যাথিই যে কোনও রোগের সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি। খুব ধীরে ধীরে অসুখ নিরাময় করে। কিন্তু মানুষ চান দ্রুত নিরাময়। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই উঠে এসেছে একটি প্রশ্ন। হোমিওপ্যাথি কি আদৌ বিজ্ঞানসম্মত? এই দাবির কতটা সত্যতা আছে?
বিশদ

11th  May, 2017
 টিটেনাস

আমরা জানি কাচে বা জং ধরা লোহায় শরীরে কোনও জায়গা কেটে গেলে টিনেনাস রোগের ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে। এমন ভাবনা মোটেই সঠিক নয়। যে কোনও ধরনের কাটাছেঁড়া বা পোড়া থেকেও এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে ঢোকার আশঙ্কা থেকে যায়। আর শুধু একটা ইঞ্জেকশনে টিটেনাসের ব্যাকটেরিয়া মরে না। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেগুলো জানা ছোট-বড় সবার কর্তব্য। 
বিশদ

11th  May, 2017
সোয়াইন ফ্লু সতর্কতা প্রয়োজন
ডাঃ দ্বৈপায়ন মজুমদার

ছোটবেলায় আমরা সর্দি, জ্বর, কাশিকে তেমন পাত্তাই দিতাম না । সর্দি, জ্বর মানে স্কুল থকে কয়েকদিনের মুক্তি, আর বড় হলে অফিসে কিছু দিনের ছুটি । কিন্তু বছর কয়েক আগে ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামটা শোনার পর থেকে ব্যাপারটা আর অত সহজ সরল থাকল না । ফ্লু শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকে পরিচিত হলেও ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামটা আমাদের কাছে নতুন ছিল । কিছুটা গুজব, কিছুটা বাস্তব থেকে জন্ম নিল আতঙ্ক । ২০০৯ এ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অসুখের ব্যাপকতা লক্ষ করে একে প্যানডেমিক ঘোষণা করেছিল ।
বিশদ

04th  May, 2017
 কখন কতটা জল খাবেন?

দৈনিক কতটা জল প্রত্যেকের পান করা উচিত?
সাধারণত দিনে প্রত্যেকের তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার জল পান করা উচিত। অবশ্য কে কোন ধরনের জলবায়ুতে বাস করছেন, কেমন ধরনের কাজ করছেন তার ওপরে জলপানের অভ্যাস ও পরিমাণ নির্ভর করে। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে মানুষের ঘাম হয় বেশি। ফলে অনেকটা জল শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে যারা শীতপ্রধান দেশে বাস করেন, তাঁদের ঘাম হয় কম। 
বিশদ

04th  May, 2017
জীবনদায়ী ওআরএস

  ওআরএস কী?
 ওর‌্যাল রিহাইড্রেশন সল্ট সলিউশন বা ওআর এস-এর ব্যবহার চলে আসছে বহুকাল ধরেই। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে, খ্রিস্টজন্মের আগে, এমনকী আমাদের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায়ও উল্লেখ মিলেছে এর।
 কখন দরকার পড়ে ওআরএস?
বিশদ

27th  April, 2017



একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৯ মে (পিটিআই): সাংবাদিক রাজদেও রঞ্জন হত্যা মামলায় আরজেডি নেতা সাহাবুদ্দিনকে হেপাজতে নিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহাবুদ্দিনকে এজেন্সির ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশের বেশি নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা অন্য বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যলয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাহাড় জয়ের স্বপ্নে এবার হাত মেলাল দুই বাংলা। কলকাতার পর্বতারোহী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহিম একযোগে অভিযান শুরু করলেন ওশিয়ানিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কারস্টেইনৎস পিরামিড ওরফে পুনসাক জয়া-র উদ্দেশ্যে। ...

সিওল, ২৯ মে: তিন সপ্তাহের মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া। জাপানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আছড়ে পড়েছে। স্কাড মিসাইলটি ৪৫০ কিলোমিটার আকাশপথ ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে অষ্টম স্থানে থাকা পূর্ব মেদিনীপুরের বৈদুর্য্য নায়ক 

11:05:00 AM

পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

11:04:50 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...