শরীর ও স্বাস্থ্য
 

জীবনদায়ী ওআরএস

 ওআরএস কী?
 ওর‌্যাল রিহাইড্রেশন সল্ট সলিউশন বা ওআর এস-এর ব্যবহার চলে আসছে বহুকাল ধরেই। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে, খ্রিস্টজন্মের আগে, এমনকী আমাদের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায়ও উল্লেখ মিলেছে এর।
 কখন দরকার পড়ে ওআরএস?
 কলেরা, গ্যাসট্রোএনট্রাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগে যখন শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় ডিহাইড্রেশন হয়, শরীরের দরকার পড়ে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত জলের জোগান। অধিকাংশ সময় তাতেই রেহাই মেলে এসব রোগ থেকে। ওষুধের দরকার পড়ে না।
 ওআরএস-এর গুরুত্ব কতটা?
 আধুনিক বিজ্ঞান ওআরএস-এর গুরুত্ব নিয়ে বহু গবেষণা করেছে। বাংলাদেশেও অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকের ভুল ধারণা ছিল ডায়ারিয়া হলে মুখ দিয়ে জল খাওয়ালে নাকি সেটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং একমাত্র ইনট্রাভেনাসই কার্যকর। ওআরএসের ব্যবহার নিয়ে এসব ভুল ধারণাই এর প্রয়োগের মূল বাধা ছিল। সেগুলি এখন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করলেন, সল্টের সঙ্গে গ্লুকোজ মেশালে সেটি আরও তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়। এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলা যায়।
 কী থাকে ওআরএস-এ?
 সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড এবং গ্লুকোজ—এই চারটি মূল উপাদান থাকে ওআরএস-এর মধ্যে। জলে নির্দিষ্ট পরিমাণে এটি মিশিয়ে উপযুক্ত সলিউশন তৈরি করতে হয়।
 ওআরএস-এর উপকারিতা কতটা?
 পেনিসিলিনের মতোই ওআরএসও বহু মানুষের জীবনরক্ষা করেছে। মানবসভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। তাই একে লাইফ সেভিং সলিউশন বলা হয়ে থাকে।
 বাজারজাত এবং ঘরে তৈরি ওআরএস-এর উপকারিতায় কোনও তফাত আছে?
 না। বাড়িতে যে ওআরএস তৈরি করে নেওয়া হয়, সেটিও কারও একার তৈরি নয়। বহু গবেষণার পরেই এটির উপাদান এবং তৈরির পদ্ধতি প্রচারিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত এই হোম মেড ওআরএস। চুলচেরা বৈজ্ঞানিক বিচার করলে উপাদানগত ফারাক কিছু পাওয়া গেলেও উপকারিতায় তেমন ফারাক নেই।
 ঘরে ওআরএস বানাব কীভাবে?
 বাইরে থেকে কেনা ওআরএস না পাওয়া গেলে অনায়াসেই এটি খাওয়া যায়। উপকার এক। আগেই বলেছি এর উপাদান কী কী । সুক্রোজ ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়। তাই সুক্রোজ (খাওয়ার চিনি) এবং সোডিয়াম (সাধারণ নুন) নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে নিতে হবে। এক গ্লাস জলে ২ চা চামচ চিনি ও এক চিমটে নুন। শুধু দেখতে হবে, যে জলে মেশাচ্ছেন সেটি যেন বিশুদ্ধ হয়। পরিষ্কার পাত্রে, হাত ধুয়ে বানিয়ে নিলেই হল।
 কোন কোন রোগে ওআরএস দিতে হয়?
 জলবাহিত রোগ, ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়াল, প্যারাসাইটাল ইনফেকশন, ইনফেকটিভ ডায়ারিয়া, নন ইনফেকটিভ ডায়ারিয়ার (তুলনামূলক কম দেখা যায়) ক্ষেত্রে এবং বমির প্রাবল্য কম থাকলে ওআরএস-এর ব্যবহারে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যায়।
 কাদের ওআরএস দেওয়া যায় না?
 অজ্ঞান অবস্থায় থাকা বা সাড় নেই বা প্রচণ্ড বমি হচ্ছে এমন রোগীদের ওআরএস দেওয়া যায় না।
 ডায়ারিয়ার সঙ্গে বমি হলে তখন কোনওভাবেই কী ওআরএস দেওয়ার উপায় নেই?
 তখন বমির ওষুধ খাইয়ে তারপর ওআরএস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। না হলে ইনট্রাভেনাস দিতেই হয়। বাকি ক্ষেত্রে জলবাহিত ডায়ারিয়া যত বেশিই হোক না কেন, ওআরএস চালু করতে হয়।
 যদি তখনই হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না মেলে তাহলে?
 ইনট্রাভেনাস ইঞ্জেকশনের মতো করে ড্রিপ চালানো বাড়িতে তো সম্ভব নয়। অন্তত তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগে সে ব্যবস্থা করতে। বাড়াবাড়ি হলে এটুকু সময়ই যথেষ্ট। তাই এই সময়ে শুরুতেই বমি বন্ধ করার ওষুধ দিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে বমি বন্ধ হলে চামচে করে অল্প অল্প ওআরএস বারে বারে খাওয়ানো যেতে পারে।
 ডায়ারিয়ার শুরুতেই অনেকে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক খান। তাহলে ওআরএস-এর কাজটি কী?
 প্রথমেই বলি, ডায়ারিয়ায় শুরুতে অ্যান্টিবায়োটিক ভূমিকা খুব কম। জরুরি কাজটিই হল রোগীর শরীরে জলের জোগান দিয়ে যাওয়া। সেই কাজটি করে ওআরএস। কারণ আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনা থেকেই ডায়ারিয়ার জীবাণু ধ্বংস করে। অথচ বমি-পায়খানার মাধ্যমে যে শরীর থেকে অবিরাম জল বেরিয়ে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে— ডিহাইড্রেশন হচ্ছে, তার বদলে শরীরকে রিহাইড্রেট করার পর্বটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা একটা মস্ত ভুল। ফলে অনেক সময় পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।
 তাহলে কী ওআরএস ডায়ারিয়ায় ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে?
 ওষুধের বিকল্প না বলে বলা যায় ওআরএসই একমাত্র পন্থা যা দিলে ৯০ শতাংশ রোগীর অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না। শরীর থেকে জল বেরলে যেভাবেই হোক জল খেয়ে জলের জোগান দেওয়াটাই মূল কাজ। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই ভালো। সামান্য পেট খারাপ, ডায়ারিয়া ১/২ দিনে এমনিই সেরে যায়।
 কতটা ওআরএস পান করতে হবে?
 প্রয়োজন বুঝে খেতে হবে। যতক্ষণ না প্রস্রাব পরিষ্কার হচ্ছে, মলত্যাগের পরিমাণ ও বেগ কমছে, ততক্ষণ এবং ততদিন চালিয়ে যেতে হবে ওআরএস গ্রহণ। ছোটদের বয়স অনুপাতে বা ওজন বুঝে ওআরএস খাওয়ানো সাধারণ মানুষের পক্ষে সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই সেই পরিমাপের হিসাবে না গিয়ে বলব, একবারে বেশে খেলে বমি হতে পারে, তাই অল্প অল্প করে, বারে বারে চামচে করে খাওয়াতে হবে।
 বয়স্কদের ওআরএস গ্রহণে কী বিশেষ কোনও সতর্কতা আছে?
 বয়স্কদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অনেকেই বয়সজনিত নানা রোগের ওষুধ খান। হাই ব্লাডপ্রেশার, ডায়াবেটিস ছাড়াও হার্ট, কিডনির নানান সমস্যায় বিভিন্ন ওষুধ চলে অনেকের। কিন্তু ডায়ারিয়া বা এই জাতীয় সমস্যায় রিহাইড্রেশন প্রসেস চালু করতে হবে তৎক্ষণাৎ। এর থেকে কোনও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। শুধু যে চিকিৎসককে তিনি দেখান, তাঁর সঙ্গে একবার পরামর্শ করে নেওয়া দরকার। কতটা তরল তিনি গ্রহণ করবেন, জেনে নিতে হবে। অধিক তরল গ্রহণ করলে শরীরে জমে ক্ষতি হতে পারে।
 হাইপ্রেশারের থাকলে ওআরএস গ্রহণে কি সমস্যা হতে পারে?
 হাইপ্রেশার থাকলে এটা নিয়ে অনেকই চিন্তিত হন। জেনে রাখুন, ডায়ারিয়া হলে ওআরএস গ্রহণের সঙ্গে হাইপ্রেশার বাড়ার আশঙ্কা নেই। উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ আছে, যেগুলি শরীর থেকে সোডিয়াম বের করে শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। তাই অনেক সময় ডায়ারিয়া হলে চিকিৎসক সাময়িকভাবে এ ধরনের কিছু ওষুধ খেতে বারণ করেন, আবার ডায়ারিয়া সারলে ওষুধ চালু করা হয়।
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে উপায়?
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে বলা হয় অ্যাকিউট সিচুয়েশনে ওআরএস শুরু করা উচিত। তবে এই সময় বাড়িতে ব্লাড সুগার পরিমাপ করুন গ্লুকোমিটার যন্ত্রে। রক্তে গ্লুকোজ খুব বেড়ে গেলে চিনি ছাড়া শুধু নুন জল খান, সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন আর্টিফিশিয়াল সুইটনার। ইনসুলিন যাঁরা নেন, সেই মাত্রা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ডায়াবেটিক রোগীদের এ ধরনের সমস্যা বাড়লে একটু বেশি সতর্কতা নেওয়া উচিত। হাসপাতালে ভরতি হওয়া ভালো।
 অনেকে ভাবেন এটি স্যালাইনের বিকল্প। ওআরএস খাওয়া মানে বাড়িতেই স্যালাইন চালানোর সমতুল?
 স্যালাইন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শিরায় দেওয়া হয়। ওআরএস সরবতের মতো মুখ দিয়ে খাওয়া হয়। তাই সমতুল্য নয়। তবে শরীরের জলের ঘাটতি দু’ভাবেই মেটানো হয়। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে শরীরে জল এবং খনিজের ভারসাম্য রক্ষার এই দুটি পন্থা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে যখন মুখ দিয়ে খাওয়ানো যায় না অর্থাৎ ওআর এস দেওয়া যায় না, তখন ইনট্রাভেনাস দিতে হয়।
 সব বয়স ও ধরনের রোগীই কি ওআরএস খেতে পারবেন?
 হ্যাঁ। তবেই আগেই বলেছি, শুধু বিশেষ বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ বাঞ্ছনীয়।
 কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?
 নেগেটিভ সাইড তেমন কিছু নেই। তবে অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের নিরিখে কম খেলে উদ্দেশ্য সফল হবে না। আবার বেশি খেলে ফ্লুইড ওভারলোড হয়ে শ্বাসকষ্ট হবে, ফুসফুসে জল জমবে। এছাড়া ক্রনিক হার্ট, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অত্যাধিক তরল গ্রহণের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোগীদের কতটা দেওয়া যেতে পারে, জেনে নেওয়া ভালো।
 ওআরএস চলাকালীন খাওয়া দাওয়ায় বিধিনিষেধ কতটা?
 ডায়ারিয়া হলেই খাওয়াদাওয়া নিয়ে চিন্তিত হন অনেকেই। জেনে রাখুন, এই সময় খাদ্যের থেকে বেশি জরুরি শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা। একদিন বা একবেলা না খেলে ততটা ক্ষতি হয় না, যতটা ডিহাইড্রেশনে হয়।
 ডায়ারিয়ার কারণে মৃত্যুহার আটকাতে ওআরএস কতটা কার্যকর?
 ডায়ারিয়ার ইনফেকশন কোনও জীবাণুর কারণে হচ্ছে, তার উপর মৃত্যুহার নির্ভর করে না। আবার এটাও ঠিক যে, মূলত শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি হয় ডিহাইড্রেশন থেকেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এইসব জীবাণু শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দিয়েই ধ্বংস হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে তাই সারতে ১/২/৩ দিন সময় লাগে। কোনও অ্যান্টিবায়োটিকের দরকার পড়ে না। ওআরএস দিলেও ডিহাইড্রেশন কমে যায়। বেশিরভাগক্ষেত্রেই এই ডায়ারিয়া ভাইরাল হয়। ভাইরাল মানে তার কোনও ওষুধ নেই। ব্যাকটেরিয়াল ডায়ারিয়াও সেরে যায় নিজে থেকেই। কিন্তু, এর ফলে যে ডিহাইড্রেশন হয়, সেটা আপনাআপনি সারে না। বাইরে থেকেই রিহাইড্রেট করতে হয়। এত কিছু জেনেও তাই মানুষ দু’বারের বেশি পাতলা মলত্যাগ করলেই বাজারচলতি ওষুধ খান। কিন্তু ওআরএস খাওয়াটা ততটা জরুরি নয় ভাবেন। এ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
 তাহলে ওষুধের দরকারই পড়ে না?
 ওষুধ যে দিতে হবে না, এমন নয়। ক্রিটিক্যাল রোগী, সারছে না এমন ডায়ারিয়া, প্রবল জ্বর থাকলে তখন চিকিৎসক পুনর্বিবেচনা করে অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু শর্টকোর্স দিতে পারেন। কিন্তু, অতিরিক্ত হারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা কমাতেই হবে।
 গরিব মানুষের হাতের কাছের সহজ ওষুধ তাহলে ওআরএস?
 একেবারেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ওআরএস-এর গুরুত্ব আজ স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রচার চালাচ্ছে যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ ডায়ারিয়ার মতো জলবাহিত পেটের রোগের সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমায় বা বন্ধ করে ও ওআরএস ব্যবহার বাড়ায়।
 ওআরএস আবিষ্কার এবং ব্যবহার তাহলে কতটা বদল এনেছে আমাদের সমাজ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায়?
 বিগত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী একটি আবিষ্কার বলা যায় একে। বাড়িতে বসেই শুধুমাত্র নুন-চিনি জলের সরবত খেয়ে মৃত্যুহার কমানো যাচ্ছে, ভাবা যায়!
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
27th  April, 2017
 বাচ্চারও যখন ডায়াবেটিক

প্রত্যেক বছর ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়। লক্ষণীয় বিষয় হল—১৪ নভেম্বরের আরেকটি গুরুত্বও আছে—সেটি হল এই দিনটি শিশু দিবস। এই দুটি বিষয়কে আমরা যদি একই দিনে উদ্‌যাপিত করতে পারি, তবে পেডিয়াট্রিক ডায়াবেটিস বা শৈশবের মধুমেহর আলোচনা আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
বিশদ

16th  November, 2017
  চন্দননগরে বার্থ

 চলতি বছরে চন্দননগরে উদ্বোধন হল বেঙ্গল ইনফার্টিলিটি অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ থেরাপি হসপিটালের (বার্থ) আরও একটি শাখার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বার্থ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ গৌতম খাস্তগীর, পুর ও নগরন্নোয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মাননীয় সাংসদ রত্না দে নাগ, চন্দননগর পৌরসভার মেয়র শ্রী রাম চক্রবর্তীসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

16th  November, 2017
সুরক্ষার ডায়াবেটিস সচেতনতা শিবির

 এদেশে ক্রমশ বেড়েই চলেছে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তর সংখ্যা। মূলত অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্যগ্রহণে অংসযম, শরীরচর্চায় অনীহা হল টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার মূল কারণ। এই কারণেই কমবয়সিদেরও, বিশেষ করে মহিলাদের ডায়াবেটিস রোগটি নিয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।
বিশদ

16th  November, 2017
শিশুদের পাশে সরোজ গুপ্ত ক্যানসার

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতার সরোজ গুপ্ত ক্যানসার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পেডিয়াট্রিক ক্যানসারে আক্রান্তদের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে ক্যানাসারে আক্রান্ত শিশুদের সামনে ক্যানসার থেকে ফিরে আসা শিশুদের উপস্থিত করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাও ছিল সেখানে।
বিশদ

16th  November, 2017
হাড়ের ক্ষয় আটকাবেন কীভাবে?

দীর্ঘদিন ধরে গায়ে হাত-পায়ে ব্যথা হলে মোটেই এড়িয়ে চলা যাবে না। দেখা গিয়েছে চল্লিশোর্ধ্ব মহিলা এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ব্যথার কারণ হতে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত অসুখ। চিকিৎসা না করালে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে। জানাচ্ছেন অ্যাপোলো হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ বুদ্ধদেব  চট্টোপাধ্যায় এবং ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব আয়ুর্বেদিক ড্রাগ ডেভেলপমেন্ট-এর চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডাঃ দেবজ্যোতি দাস।
বিশদ

09th  November, 2017
 ক্যানসার মোকাবিলায় মৈত্রী

সারা ভারতে সমস্ত ধরনের ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তরা সংখ্যায় দ্বিতীয়। আর ভারতসহ পশ্চিমবঙ্গেও এই রোগের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে বলে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্যে উঠে এসেছে। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্তের সুবিধার্থে হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের পক্ষ থেকে ‘মৈত্রী’ নামের একটি ক্যানসার সহায়তা গোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছে।
বিশদ

09th  November, 2017
বাঙালি চিকিৎসকের বিশ্বজয়

 সম্প্রতি কলকাতার ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস-এর কর্ণধার অধ্যাপক ডক্টর রবিন সেনগুপ্তকে বেঙ্গল রোয়িং ক্লাবে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করা হল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী অভিরামানন্দ মহারাজ, ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রতিনিধিসহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

09th  November, 2017
ঋতু পরিবর্তনের অসুখবিসুখে 
সাবধান থাকবেন কীভাবে?

ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রধানত বাড়ে শ্বাসতন্ত্রের রোগ। যদিও এ রোগের প্রধান কারণ ভাইরাস। তথাপি বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। শীতে বাতাসের তাপমাত্রা কমার সঙ্গে আর্দ্রতাও কমে যায়, যা শ্বাসনালির স্বাভাবিক কর্ম প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করে ভাইরাসের আক্রমণকে সহজ করে। এছাড়া ধূলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু করে দেয়, ফলে হাঁপানির টান বাড়ে।
বিশদ

02nd  November, 2017
জ্বর-জ্বালায় হোমিওপ্যাথি

যখন কোনও মানুষের দৈহিক তাপমাত্রা খুব বৃদ্ধি পায়, তখন আমরা তাকে জ্বর বলি। প্রথমেই বলি, আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬-৩৭ সেন্ট্রিগ্রেড বা ৯৪-১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এছাড়া এমনিতেই দিনের বিভিন্ন সময় আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সন্ধ্যায় সর্বাধিক, আবার নিম্নতম হয় ভোরবেলা বা সকালের দিকে। এই ধরনের ব্যতিক্রম ছাড়া শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি হওয়ার পিছনে নানা কারণ থাকে। বিশদ

02nd  November, 2017
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হাঁটার গুরুত্ব

আগামী ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এই উপলক্ষ্যে বাংলার জনগণের মধ্যে ডায়াবেটিস সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ সচেতনতাবৃদ্ধিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নেওয়া হয়েছিল জি ডি হসপিটাল এবং ডায়াবেটিস ইনস্টিটিউটের তরফে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সি ই ও-মুসরেফা হোসেন, সংস্থার চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়, সংস্থার দন্ত বিভাগের প্রধান ডাঃ দীপ্ত দে, চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৈকত চক্রবর্তী, এন্ডোক্রিনোলোজিষ্ট ডাঃ নীলাঞ্জন সেনগুপ্তসহ বহু বিশিষ্টজন। ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, প্রতিদিন হাঁটাহাঁটি করলে যথেষ্ট পরিমাণ ক্যালরি খরচ হয়।
বিশদ

02nd  November, 2017
স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করতে বিমা

 দুঃস্থ পরিবারের কোনও পড়ুয়া হাসপাতালে ভরতি হলে তার চিকিৎসার খরচ বহন করতেই বাবা-মা হিমশিম খান। অনেকক্ষেত্রে এই অর্থনৈতিক বোঝা বাচ্চার লেখাপড়ায় ব্যাঘাত করে। আবার বাড়ির একমাত্র রোজগেরে সদস্যটির অকালপ্রয়াণ ঘটলেও কোপ পড়ে বাচ্চার পড়াশোনায়।
বিশদ

02nd  November, 2017
উপোস
শরীরের লাভ হয় না ক্ষতি?

 মানবদেহে উপোসের প্রভাব কী?
 দেখুন, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগে উপোস সম্বন্ধে একটু জেনে নেওয়া দরকার। আসলে উপোসের ধারণাটি বহু প্রাচীন। প্রায় সকল ধর্মের সঙ্গেই উপোসের একটা নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।
আবার ধর্ম ছাড়াও প্রতিবাদের ভাষা হিসাবেও উপোসের চল রয়েছে। মানুষের দীর্ঘ প্রতিবাদের ইতিহাসে আমরা অনশনের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখতে পাই। এটা একটা দিক।
বিশদ

26th  October, 2017
রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস : দ্রুত রোগ নির্ণয় জরুরি

 রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর সময়ে এই রোগের চিকিৎসা শুরু না করলে সমস্যা গুরুতর আকার নেয়। তাই বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবসে প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছেন শহরের বিশিষ্ট রিউম্যাটোলজিস্টরা।
বিশদ

26th  October, 2017
রবীন্দ্রনাথের হোমিওপ্যাথি প্রীতি

 অ্যাসোসিয়েশন অব ভলেন্টারি ব্লাড ডোনারস পশ্চিমবঙ্গ শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন প্রয়াত ডাঃ লাবণ্যকুমার গাঙ্গোপাধ্যায়। সম্প্রতি তাঁরই নামাঙ্কিত স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতার ইন্দুমতী সভাগৃহে। রবীন্দ্রনাথ এবং গণস্বাস্থ্য বিষয়ক বক্তৃতার বক্তা ছিলেন ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী।
বিশদ

26th  October, 2017
একনজরে
 সংবাদদাতা, মালবাজার: বেঙ্গল ওলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল শুক্রবার জলপাইগুড়ির বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গন পরিদর্শন করে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনের মাঠ এবং ইনডোর স্টেডিয়ামটি ঘুরে দেখে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডেঙ্গু সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় শুক্রবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত প্রকাশ্যে এল। মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে কেন্দ্র পর্যাপ্ত অর্থ দেয় না, রাজ্যের এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিল নয়াদিল্লি। বলা হল, যা দেওয়া হয়, সেই অর্থই রাজ্য বছরের পর বছর খরচ করতে পারে ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ছ’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর পুকুরের জল থেকে এক বৃদ্ধর মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মাড়গ্রামের নামুবাজারপাড়ায়। শনিবার সকালে মাড়গ্রাম থানার পিছনের একটি পুকুরে ওই বৃদ্ধের মৃতদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদেশে ভালো গুণগতমানের প্যাকেটজাত মাছ বিক্রি করতে এবার আরও আধুনিক ফ্রিজার কিনছে মৎস্য উন্নয়ন নিগম। ইতিমধ্যে ‘হার্ডনার ফ্রিজার’ নামক ওই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র দুটি কেনা হয়েছে। আরও দুটি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে, প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীগ জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা সন্ধ্যা ঘ ৫/১২, নক্ষত্র-বিশাখা রাত্রি ৭/২৪, সূ উ ৫/৫৫/৫, অ ৪/৪৮/৩১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
১ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা অপরাহ্ন ৪/৮/১১, বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৭/১৬/৪০, সূ উ ৫/৫৫/২৬, অ ৪/৪৭/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/৫৫ মধ্যে ও ৭/২২/২৪-৯/৩২/৫০ মধ্যে ও ১১/৪৩/১৭-২/৩৭/১২ মধ্যে ও ৩/২০/৪১-৪/৪৭/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৪৩/২১-২/২৫/২৩ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৩/৪-২/৪/৩৬, কালবেলা ৭/১৬/৫৮ মধ্যে, ৩/২৬/৭-৪/৪৭/৩৯, কালরাত্রি ২/২৬/৭ মধ্যে, ৪/১৭/৪৪-৫/৫৬/১২ মধ্যে।
২৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

17-11-2017 - 10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

17-11-2017 - 08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

17-11-2017 - 08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

17-11-2017 - 07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

17-11-2017 - 05:06:00 PM