শরীর ও স্বাস্থ্য
 

জীবনদায়ী ওআরএস

 ওআরএস কী?
 ওর‌্যাল রিহাইড্রেশন সল্ট সলিউশন বা ওআর এস-এর ব্যবহার চলে আসছে বহুকাল ধরেই। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে, খ্রিস্টজন্মের আগে, এমনকী আমাদের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায়ও উল্লেখ মিলেছে এর।
 কখন দরকার পড়ে ওআরএস?
 কলেরা, গ্যাসট্রোএনট্রাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগে যখন শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় ডিহাইড্রেশন হয়, শরীরের দরকার পড়ে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত জলের জোগান। অধিকাংশ সময় তাতেই রেহাই মেলে এসব রোগ থেকে। ওষুধের দরকার পড়ে না।
 ওআরএস-এর গুরুত্ব কতটা?
 আধুনিক বিজ্ঞান ওআরএস-এর গুরুত্ব নিয়ে বহু গবেষণা করেছে। বাংলাদেশেও অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকের ভুল ধারণা ছিল ডায়ারিয়া হলে মুখ দিয়ে জল খাওয়ালে নাকি সেটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং একমাত্র ইনট্রাভেনাসই কার্যকর। ওআরএসের ব্যবহার নিয়ে এসব ভুল ধারণাই এর প্রয়োগের মূল বাধা ছিল। সেগুলি এখন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করলেন, সল্টের সঙ্গে গ্লুকোজ মেশালে সেটি আরও তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়। এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলা যায়।
 কী থাকে ওআরএস-এ?
 সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড এবং গ্লুকোজ—এই চারটি মূল উপাদান থাকে ওআরএস-এর মধ্যে। জলে নির্দিষ্ট পরিমাণে এটি মিশিয়ে উপযুক্ত সলিউশন তৈরি করতে হয়।
 ওআরএস-এর উপকারিতা কতটা?
 পেনিসিলিনের মতোই ওআরএসও বহু মানুষের জীবনরক্ষা করেছে। মানবসভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। তাই একে লাইফ সেভিং সলিউশন বলা হয়ে থাকে।
 বাজারজাত এবং ঘরে তৈরি ওআরএস-এর উপকারিতায় কোনও তফাত আছে?
 না। বাড়িতে যে ওআরএস তৈরি করে নেওয়া হয়, সেটিও কারও একার তৈরি নয়। বহু গবেষণার পরেই এটির উপাদান এবং তৈরির পদ্ধতি প্রচারিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত এই হোম মেড ওআরএস। চুলচেরা বৈজ্ঞানিক বিচার করলে উপাদানগত ফারাক কিছু পাওয়া গেলেও উপকারিতায় তেমন ফারাক নেই।
 ঘরে ওআরএস বানাব কীভাবে?
 বাইরে থেকে কেনা ওআরএস না পাওয়া গেলে অনায়াসেই এটি খাওয়া যায়। উপকার এক। আগেই বলেছি এর উপাদান কী কী । সুক্রোজ ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়। তাই সুক্রোজ (খাওয়ার চিনি) এবং সোডিয়াম (সাধারণ নুন) নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে নিতে হবে। এক গ্লাস জলে ২ চা চামচ চিনি ও এক চিমটে নুন। শুধু দেখতে হবে, যে জলে মেশাচ্ছেন সেটি যেন বিশুদ্ধ হয়। পরিষ্কার পাত্রে, হাত ধুয়ে বানিয়ে নিলেই হল।
 কোন কোন রোগে ওআরএস দিতে হয়?
 জলবাহিত রোগ, ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়াল, প্যারাসাইটাল ইনফেকশন, ইনফেকটিভ ডায়ারিয়া, নন ইনফেকটিভ ডায়ারিয়ার (তুলনামূলক কম দেখা যায়) ক্ষেত্রে এবং বমির প্রাবল্য কম থাকলে ওআরএস-এর ব্যবহারে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যায়।
 কাদের ওআরএস দেওয়া যায় না?
 অজ্ঞান অবস্থায় থাকা বা সাড় নেই বা প্রচণ্ড বমি হচ্ছে এমন রোগীদের ওআরএস দেওয়া যায় না।
 ডায়ারিয়ার সঙ্গে বমি হলে তখন কোনওভাবেই কী ওআরএস দেওয়ার উপায় নেই?
 তখন বমির ওষুধ খাইয়ে তারপর ওআরএস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। না হলে ইনট্রাভেনাস দিতেই হয়। বাকি ক্ষেত্রে জলবাহিত ডায়ারিয়া যত বেশিই হোক না কেন, ওআরএস চালু করতে হয়।
 যদি তখনই হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না মেলে তাহলে?
 ইনট্রাভেনাস ইঞ্জেকশনের মতো করে ড্রিপ চালানো বাড়িতে তো সম্ভব নয়। অন্তত তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগে সে ব্যবস্থা করতে। বাড়াবাড়ি হলে এটুকু সময়ই যথেষ্ট। তাই এই সময়ে শুরুতেই বমি বন্ধ করার ওষুধ দিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে বমি বন্ধ হলে চামচে করে অল্প অল্প ওআরএস বারে বারে খাওয়ানো যেতে পারে।
 ডায়ারিয়ার শুরুতেই অনেকে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক খান। তাহলে ওআরএস-এর কাজটি কী?
 প্রথমেই বলি, ডায়ারিয়ায় শুরুতে অ্যান্টিবায়োটিক ভূমিকা খুব কম। জরুরি কাজটিই হল রোগীর শরীরে জলের জোগান দিয়ে যাওয়া। সেই কাজটি করে ওআরএস। কারণ আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনা থেকেই ডায়ারিয়ার জীবাণু ধ্বংস করে। অথচ বমি-পায়খানার মাধ্যমে যে শরীর থেকে অবিরাম জল বেরিয়ে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে— ডিহাইড্রেশন হচ্ছে, তার বদলে শরীরকে রিহাইড্রেট করার পর্বটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা একটা মস্ত ভুল। ফলে অনেক সময় পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।
 তাহলে কী ওআরএস ডায়ারিয়ায় ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে?
 ওষুধের বিকল্প না বলে বলা যায় ওআরএসই একমাত্র পন্থা যা দিলে ৯০ শতাংশ রোগীর অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না। শরীর থেকে জল বেরলে যেভাবেই হোক জল খেয়ে জলের জোগান দেওয়াটাই মূল কাজ। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই ভালো। সামান্য পেট খারাপ, ডায়ারিয়া ১/২ দিনে এমনিই সেরে যায়।
 কতটা ওআরএস পান করতে হবে?
 প্রয়োজন বুঝে খেতে হবে। যতক্ষণ না প্রস্রাব পরিষ্কার হচ্ছে, মলত্যাগের পরিমাণ ও বেগ কমছে, ততক্ষণ এবং ততদিন চালিয়ে যেতে হবে ওআরএস গ্রহণ। ছোটদের বয়স অনুপাতে বা ওজন বুঝে ওআরএস খাওয়ানো সাধারণ মানুষের পক্ষে সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই সেই পরিমাপের হিসাবে না গিয়ে বলব, একবারে বেশে খেলে বমি হতে পারে, তাই অল্প অল্প করে, বারে বারে চামচে করে খাওয়াতে হবে।
 বয়স্কদের ওআরএস গ্রহণে কী বিশেষ কোনও সতর্কতা আছে?
 বয়স্কদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অনেকেই বয়সজনিত নানা রোগের ওষুধ খান। হাই ব্লাডপ্রেশার, ডায়াবেটিস ছাড়াও হার্ট, কিডনির নানান সমস্যায় বিভিন্ন ওষুধ চলে অনেকের। কিন্তু ডায়ারিয়া বা এই জাতীয় সমস্যায় রিহাইড্রেশন প্রসেস চালু করতে হবে তৎক্ষণাৎ। এর থেকে কোনও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। শুধু যে চিকিৎসককে তিনি দেখান, তাঁর সঙ্গে একবার পরামর্শ করে নেওয়া দরকার। কতটা তরল তিনি গ্রহণ করবেন, জেনে নিতে হবে। অধিক তরল গ্রহণ করলে শরীরে জমে ক্ষতি হতে পারে।
 হাইপ্রেশারের থাকলে ওআরএস গ্রহণে কি সমস্যা হতে পারে?
 হাইপ্রেশার থাকলে এটা নিয়ে অনেকই চিন্তিত হন। জেনে রাখুন, ডায়ারিয়া হলে ওআরএস গ্রহণের সঙ্গে হাইপ্রেশার বাড়ার আশঙ্কা নেই। উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ আছে, যেগুলি শরীর থেকে সোডিয়াম বের করে শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। তাই অনেক সময় ডায়ারিয়া হলে চিকিৎসক সাময়িকভাবে এ ধরনের কিছু ওষুধ খেতে বারণ করেন, আবার ডায়ারিয়া সারলে ওষুধ চালু করা হয়।
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে উপায়?
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে বলা হয় অ্যাকিউট সিচুয়েশনে ওআরএস শুরু করা উচিত। তবে এই সময় বাড়িতে ব্লাড সুগার পরিমাপ করুন গ্লুকোমিটার যন্ত্রে। রক্তে গ্লুকোজ খুব বেড়ে গেলে চিনি ছাড়া শুধু নুন জল খান, সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন আর্টিফিশিয়াল সুইটনার। ইনসুলিন যাঁরা নেন, সেই মাত্রা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ডায়াবেটিক রোগীদের এ ধরনের সমস্যা বাড়লে একটু বেশি সতর্কতা নেওয়া উচিত। হাসপাতালে ভরতি হওয়া ভালো।
 অনেকে ভাবেন এটি স্যালাইনের বিকল্প। ওআরএস খাওয়া মানে বাড়িতেই স্যালাইন চালানোর সমতুল?
 স্যালাইন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শিরায় দেওয়া হয়। ওআরএস সরবতের মতো মুখ দিয়ে খাওয়া হয়। তাই সমতুল্য নয়। তবে শরীরের জলের ঘাটতি দু’ভাবেই মেটানো হয়। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে শরীরে জল এবং খনিজের ভারসাম্য রক্ষার এই দুটি পন্থা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে যখন মুখ দিয়ে খাওয়ানো যায় না অর্থাৎ ওআর এস দেওয়া যায় না, তখন ইনট্রাভেনাস দিতে হয়।
 সব বয়স ও ধরনের রোগীই কি ওআরএস খেতে পারবেন?
 হ্যাঁ। তবেই আগেই বলেছি, শুধু বিশেষ বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ বাঞ্ছনীয়।
 কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?
 নেগেটিভ সাইড তেমন কিছু নেই। তবে অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের নিরিখে কম খেলে উদ্দেশ্য সফল হবে না। আবার বেশি খেলে ফ্লুইড ওভারলোড হয়ে শ্বাসকষ্ট হবে, ফুসফুসে জল জমবে। এছাড়া ক্রনিক হার্ট, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অত্যাধিক তরল গ্রহণের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোগীদের কতটা দেওয়া যেতে পারে, জেনে নেওয়া ভালো।
 ওআরএস চলাকালীন খাওয়া দাওয়ায় বিধিনিষেধ কতটা?
 ডায়ারিয়া হলেই খাওয়াদাওয়া নিয়ে চিন্তিত হন অনেকেই। জেনে রাখুন, এই সময় খাদ্যের থেকে বেশি জরুরি শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা। একদিন বা একবেলা না খেলে ততটা ক্ষতি হয় না, যতটা ডিহাইড্রেশনে হয়।
 ডায়ারিয়ার কারণে মৃত্যুহার আটকাতে ওআরএস কতটা কার্যকর?
 ডায়ারিয়ার ইনফেকশন কোনও জীবাণুর কারণে হচ্ছে, তার উপর মৃত্যুহার নির্ভর করে না। আবার এটাও ঠিক যে, মূলত শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি হয় ডিহাইড্রেশন থেকেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এইসব জীবাণু শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দিয়েই ধ্বংস হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে তাই সারতে ১/২/৩ দিন সময় লাগে। কোনও অ্যান্টিবায়োটিকের দরকার পড়ে না। ওআরএস দিলেও ডিহাইড্রেশন কমে যায়। বেশিরভাগক্ষেত্রেই এই ডায়ারিয়া ভাইরাল হয়। ভাইরাল মানে তার কোনও ওষুধ নেই। ব্যাকটেরিয়াল ডায়ারিয়াও সেরে যায় নিজে থেকেই। কিন্তু, এর ফলে যে ডিহাইড্রেশন হয়, সেটা আপনাআপনি সারে না। বাইরে থেকেই রিহাইড্রেট করতে হয়। এত কিছু জেনেও তাই মানুষ দু’বারের বেশি পাতলা মলত্যাগ করলেই বাজারচলতি ওষুধ খান। কিন্তু ওআরএস খাওয়াটা ততটা জরুরি নয় ভাবেন। এ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
 তাহলে ওষুধের দরকারই পড়ে না?
 ওষুধ যে দিতে হবে না, এমন নয়। ক্রিটিক্যাল রোগী, সারছে না এমন ডায়ারিয়া, প্রবল জ্বর থাকলে তখন চিকিৎসক পুনর্বিবেচনা করে অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু শর্টকোর্স দিতে পারেন। কিন্তু, অতিরিক্ত হারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা কমাতেই হবে।
 গরিব মানুষের হাতের কাছের সহজ ওষুধ তাহলে ওআরএস?
 একেবারেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ওআরএস-এর গুরুত্ব আজ স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রচার চালাচ্ছে যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ ডায়ারিয়ার মতো জলবাহিত পেটের রোগের সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমায় বা বন্ধ করে ও ওআরএস ব্যবহার বাড়ায়।
 ওআরএস আবিষ্কার এবং ব্যবহার তাহলে কতটা বদল এনেছে আমাদের সমাজ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায়?
 বিগত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী একটি আবিষ্কার বলা যায় একে। বাড়িতে বসেই শুধুমাত্র নুন-চিনি জলের সরবত খেয়ে মৃত্যুহার কমানো যাচ্ছে, ভাবা যায়!
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
27th  April, 2017
আত্মহত্যা আটকাবেন কীভাবে?

আত্মহত্যার চিন্তা আর ঘুমের মধ্যে ভয়াল স্বপ্নের মধ্যে মিল একটাই— জেগে উঠলেই রোদ পড়ে চোখে। জীবনের ওম্‌ গায়ে মেখে, কাজ করার আনন্দে কাটিয়ে কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে করে আরও হাজার বছর। তাই খারাপ স্বপ্ন থেকে জেগে উঠুন। অন্যদেরও ডাক দিন অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসার। গত রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ছিল ওয়ার্ল্ড সুইসাইড ডে। মৃত্যু নয় বেঁচে থাকার আনন্দ উদ্‌যাপন করতেই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। লিখেছেন বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ কেদাররঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশদ

14th  September, 2017
সকাল ৯টায় কাজ করানো নির্যাতন!

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, অন্তত ৫৫ বছরের কমবয়সিদের সকাল ৯টায় কাজ করানো ‘নির্যাতন’। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লিপ অ্যান্ড সার্কাডিয়ান নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউট অনারারি ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ফেলো ডক্টর পল স্কোলের মতে, কর্মীদের সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করলে তাদের ক্লান্তির পাশাপাশি স্ট্রেস দেখা দেয়। ফলে স্বাভাবিক ঘুম হয় না।
বিশদ

14th  September, 2017
স্মরণে সুব্রত

  আগামী নির্মাণ ২০০৩ ও মেডিকেল কন্সোর্টিয়াম অব ডাঃ সুব্রত মৈত্র-র উদ্যোগে এবং রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচারের সহযোগিতায় ইনস্টিউটের বিবেকানন্দ প্রেক্ষাগৃহে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ সুব্রত মৈত্র স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

14th  September, 2017
 নারায়ণায় ভার্চুয়াল অঙ্কোলজি ক্লিনিক

  নারায়ণা হেল্‌঩থ গোষ্ঠীর বারাসাত, গুয়াহাটি এবং জামশেদপুর শাখায় ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক ভার্চুয়াল অঙ্কোলজি ক্লিনিক খুলল হাওড়ার নারায়ণা হেল্‌থ। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগে এই হাসপাতালগুলি থেকে ক্যানসার আক্রান্ত রোগীকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল হাওড়ায় পাঠানো হত।
বিশদ

07th  September, 2017
 মেডিকার হার্ট টিম

  হৃদরোগ নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্কের শেষ নেই। এরপর আবার যদি একই সমস্যায় দুই বিশেষজ্ঞের আলাদা মতামত থাকলে তো বিভ্রান্তির শেষ থাকে না। দেখা গিয়েছে, হৃদযন্ত্রের একই সমস্যায় এক বিশেষজ্ঞ অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তো অন্য বিশেষজ্ঞের দিচ্ছেন হার্ট সার্জারির নিদান। বিশদ

07th  September, 2017
 রাগ কমায় আয়ু

ট্রাফিক জ্যামে পড়ে আপনার রাগের চোটে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলেন? অফিসে সহকর্মীদের উপর সব সময়ই চটে থাকেন? বাচ্চাদের আহ্লাদ-আবদারে মেজাজটা চড়ে যায়?
এমন স্বভাব বদলানোটাই ভালো। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের আয়ওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে উঠে এসেছে বিপজ্জনক তথ্য। প্রায় চল্লিশ বছরের কাছাকাছি বয়সের ১হাজার তিনশোরও বেশি পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালান তারা।
বিশদ

07th  September, 2017
 ত্বকের যত্ন নেবেন কীভাবে?

উৎসবের আবহে নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে অনেকেই নানাভাবে মেক-আপ করেন। ত্বকের উপর চলে লেবু, রশুন, টুথপেস্টের মতো জিনিস নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। না জেনে নিজের উপর এমন গবেষণার ফলাফল মারাত্মক হতে পারে।পুুজো মানেই উদ্দীপনা। তিনমাস আগে থেকেই পুজোর দিনগোনা শুরু শুরু করি আমরা। 
বিশদ

07th  September, 2017
মানুষকে কম বয়সেই বুড়িয়ে
দিচ্ছে মোবাইল ফোন

  বেশি সময় ধরে আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধার যন্ত্র ব্যবহারে অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাচ্ছে মানুষ। মোবাইল ফোন ও ট্যাবের মতো আধুনিক প্রযুক্তি-সুবিধার ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ব্যবহার মানুষকে এখন কম বয়সেই বুড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশদ

31st  August, 2017
 বর্ধমানে বিনামূল্যে ত্বকের রোগের চিকিৎসা শিবির

  প্রয়াত বিশিষ্ট ত্বক বিশেষজ্ঞ ডাঃ ভবেশচন্দ্র লাহিড়ীর স্মরণে ২৭ আগস্ট বর্ধমান শহরে প্রয়াত চিকিৎসকের নিজস্ব বাসভবনে সারাদিন ব্যাপী বিনামূল্যে ত্বকের রোগের চিকিৎসা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

31st  August, 2017
 সুশ্রুতের উদ্যোগ: নিখরচায় শিশুদের চক্ষু-পরীক্ষা শিবির

  সঠিক সময়ের মধ্যে চক্ষু-পরীক্ষা না করার কারণে বহু শিশু ছানি অথবা স্কুইন্টের (ট্যারা) চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়। তবে সময়মতো অসুখ ধরা পড়লে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। শিশুরা পুনরায় তাদের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়।
বিশদ

31st  August, 2017
একনজরে
 বিএনএ, বারাকপুর: দলের এক সময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায় সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কার্যত তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর পুত্র বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়ের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে দলের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ...

 হরিহর ঘোষাল, বারাকপুর, বিএনএ: কামারহাটি পুরসভায় রেশন কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের কার্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলি করা না হলেও একজন রেশন ডিলারের কাছে ভূরি ভূরি কার্ড জমা পড়েছে। ...

 চেন্নাই, ২৫ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জয়ললিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে শশীকলা শিবিরের উপর চাপ আরও বাড়াতে সোমবার তদন্ত কমিশন গঠন করল তামিলনাড়ু সরকার। তদন্তে কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। ...

অভিজিৎ সরকার  শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বর: রবিবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই রাতে টিম হোটেলে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেছেন ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলাররা। মঙ্গলবার সকালে ক্লাব তাঁবুতে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিড়ের জেরে আজও বাড়ানো হল রাতের শেষ মেট্রোর সময় 
ষষ্ঠীর রাতে কলকাতা শহরে জনজোয়ারের জেরে এদিনও রাতের ...বিশদ

09:42:56 PM

সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM