শরীর ও স্বাস্থ্য
 

জীবনদায়ী ওআরএস

 ওআরএস কী?
 ওর‌্যাল রিহাইড্রেশন সল্ট সলিউশন বা ওআর এস-এর ব্যবহার চলে আসছে বহুকাল ধরেই। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে, খ্রিস্টজন্মের আগে, এমনকী আমাদের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায়ও উল্লেখ মিলেছে এর।
 কখন দরকার পড়ে ওআরএস?
 কলেরা, গ্যাসট্রোএনট্রাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগে যখন শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় ডিহাইড্রেশন হয়, শরীরের দরকার পড়ে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত জলের জোগান। অধিকাংশ সময় তাতেই রেহাই মেলে এসব রোগ থেকে। ওষুধের দরকার পড়ে না।
 ওআরএস-এর গুরুত্ব কতটা?
 আধুনিক বিজ্ঞান ওআরএস-এর গুরুত্ব নিয়ে বহু গবেষণা করেছে। বাংলাদেশেও অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকের ভুল ধারণা ছিল ডায়ারিয়া হলে মুখ দিয়ে জল খাওয়ালে নাকি সেটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং একমাত্র ইনট্রাভেনাসই কার্যকর। ওআরএসের ব্যবহার নিয়ে এসব ভুল ধারণাই এর প্রয়োগের মূল বাধা ছিল। সেগুলি এখন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করলেন, সল্টের সঙ্গে গ্লুকোজ মেশালে সেটি আরও তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়। এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলা যায়।
 কী থাকে ওআরএস-এ?
 সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড এবং গ্লুকোজ—এই চারটি মূল উপাদান থাকে ওআরএস-এর মধ্যে। জলে নির্দিষ্ট পরিমাণে এটি মিশিয়ে উপযুক্ত সলিউশন তৈরি করতে হয়।
 ওআরএস-এর উপকারিতা কতটা?
 পেনিসিলিনের মতোই ওআরএসও বহু মানুষের জীবনরক্ষা করেছে। মানবসভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। তাই একে লাইফ সেভিং সলিউশন বলা হয়ে থাকে।
 বাজারজাত এবং ঘরে তৈরি ওআরএস-এর উপকারিতায় কোনও তফাত আছে?
 না। বাড়িতে যে ওআরএস তৈরি করে নেওয়া হয়, সেটিও কারও একার তৈরি নয়। বহু গবেষণার পরেই এটির উপাদান এবং তৈরির পদ্ধতি প্রচারিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত এই হোম মেড ওআরএস। চুলচেরা বৈজ্ঞানিক বিচার করলে উপাদানগত ফারাক কিছু পাওয়া গেলেও উপকারিতায় তেমন ফারাক নেই।
 ঘরে ওআরএস বানাব কীভাবে?
 বাইরে থেকে কেনা ওআরএস না পাওয়া গেলে অনায়াসেই এটি খাওয়া যায়। উপকার এক। আগেই বলেছি এর উপাদান কী কী । সুক্রোজ ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়। তাই সুক্রোজ (খাওয়ার চিনি) এবং সোডিয়াম (সাধারণ নুন) নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে নিতে হবে। এক গ্লাস জলে ২ চা চামচ চিনি ও এক চিমটে নুন। শুধু দেখতে হবে, যে জলে মেশাচ্ছেন সেটি যেন বিশুদ্ধ হয়। পরিষ্কার পাত্রে, হাত ধুয়ে বানিয়ে নিলেই হল।
 কোন কোন রোগে ওআরএস দিতে হয়?
 জলবাহিত রোগ, ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়াল, প্যারাসাইটাল ইনফেকশন, ইনফেকটিভ ডায়ারিয়া, নন ইনফেকটিভ ডায়ারিয়ার (তুলনামূলক কম দেখা যায়) ক্ষেত্রে এবং বমির প্রাবল্য কম থাকলে ওআরএস-এর ব্যবহারে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যায়।
 কাদের ওআরএস দেওয়া যায় না?
 অজ্ঞান অবস্থায় থাকা বা সাড় নেই বা প্রচণ্ড বমি হচ্ছে এমন রোগীদের ওআরএস দেওয়া যায় না।
 ডায়ারিয়ার সঙ্গে বমি হলে তখন কোনওভাবেই কী ওআরএস দেওয়ার উপায় নেই?
 তখন বমির ওষুধ খাইয়ে তারপর ওআরএস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। না হলে ইনট্রাভেনাস দিতেই হয়। বাকি ক্ষেত্রে জলবাহিত ডায়ারিয়া যত বেশিই হোক না কেন, ওআরএস চালু করতে হয়।
 যদি তখনই হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না মেলে তাহলে?
 ইনট্রাভেনাস ইঞ্জেকশনের মতো করে ড্রিপ চালানো বাড়িতে তো সম্ভব নয়। অন্তত তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগে সে ব্যবস্থা করতে। বাড়াবাড়ি হলে এটুকু সময়ই যথেষ্ট। তাই এই সময়ে শুরুতেই বমি বন্ধ করার ওষুধ দিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে বমি বন্ধ হলে চামচে করে অল্প অল্প ওআরএস বারে বারে খাওয়ানো যেতে পারে।
 ডায়ারিয়ার শুরুতেই অনেকে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক খান। তাহলে ওআরএস-এর কাজটি কী?
 প্রথমেই বলি, ডায়ারিয়ায় শুরুতে অ্যান্টিবায়োটিক ভূমিকা খুব কম। জরুরি কাজটিই হল রোগীর শরীরে জলের জোগান দিয়ে যাওয়া। সেই কাজটি করে ওআরএস। কারণ আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনা থেকেই ডায়ারিয়ার জীবাণু ধ্বংস করে। অথচ বমি-পায়খানার মাধ্যমে যে শরীর থেকে অবিরাম জল বেরিয়ে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে— ডিহাইড্রেশন হচ্ছে, তার বদলে শরীরকে রিহাইড্রেট করার পর্বটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা একটা মস্ত ভুল। ফলে অনেক সময় পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।
 তাহলে কী ওআরএস ডায়ারিয়ায় ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে?
 ওষুধের বিকল্প না বলে বলা যায় ওআরএসই একমাত্র পন্থা যা দিলে ৯০ শতাংশ রোগীর অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না। শরীর থেকে জল বেরলে যেভাবেই হোক জল খেয়ে জলের জোগান দেওয়াটাই মূল কাজ। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই ভালো। সামান্য পেট খারাপ, ডায়ারিয়া ১/২ দিনে এমনিই সেরে যায়।
 কতটা ওআরএস পান করতে হবে?
 প্রয়োজন বুঝে খেতে হবে। যতক্ষণ না প্রস্রাব পরিষ্কার হচ্ছে, মলত্যাগের পরিমাণ ও বেগ কমছে, ততক্ষণ এবং ততদিন চালিয়ে যেতে হবে ওআরএস গ্রহণ। ছোটদের বয়স অনুপাতে বা ওজন বুঝে ওআরএস খাওয়ানো সাধারণ মানুষের পক্ষে সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই সেই পরিমাপের হিসাবে না গিয়ে বলব, একবারে বেশে খেলে বমি হতে পারে, তাই অল্প অল্প করে, বারে বারে চামচে করে খাওয়াতে হবে।
 বয়স্কদের ওআরএস গ্রহণে কী বিশেষ কোনও সতর্কতা আছে?
 বয়স্কদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অনেকেই বয়সজনিত নানা রোগের ওষুধ খান। হাই ব্লাডপ্রেশার, ডায়াবেটিস ছাড়াও হার্ট, কিডনির নানান সমস্যায় বিভিন্ন ওষুধ চলে অনেকের। কিন্তু ডায়ারিয়া বা এই জাতীয় সমস্যায় রিহাইড্রেশন প্রসেস চালু করতে হবে তৎক্ষণাৎ। এর থেকে কোনও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। শুধু যে চিকিৎসককে তিনি দেখান, তাঁর সঙ্গে একবার পরামর্শ করে নেওয়া দরকার। কতটা তরল তিনি গ্রহণ করবেন, জেনে নিতে হবে। অধিক তরল গ্রহণ করলে শরীরে জমে ক্ষতি হতে পারে।
 হাইপ্রেশারের থাকলে ওআরএস গ্রহণে কি সমস্যা হতে পারে?
 হাইপ্রেশার থাকলে এটা নিয়ে অনেকই চিন্তিত হন। জেনে রাখুন, ডায়ারিয়া হলে ওআরএস গ্রহণের সঙ্গে হাইপ্রেশার বাড়ার আশঙ্কা নেই। উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ আছে, যেগুলি শরীর থেকে সোডিয়াম বের করে শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। তাই অনেক সময় ডায়ারিয়া হলে চিকিৎসক সাময়িকভাবে এ ধরনের কিছু ওষুধ খেতে বারণ করেন, আবার ডায়ারিয়া সারলে ওষুধ চালু করা হয়।
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে উপায়?
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে বলা হয় অ্যাকিউট সিচুয়েশনে ওআরএস শুরু করা উচিত। তবে এই সময় বাড়িতে ব্লাড সুগার পরিমাপ করুন গ্লুকোমিটার যন্ত্রে। রক্তে গ্লুকোজ খুব বেড়ে গেলে চিনি ছাড়া শুধু নুন জল খান, সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন আর্টিফিশিয়াল সুইটনার। ইনসুলিন যাঁরা নেন, সেই মাত্রা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ডায়াবেটিক রোগীদের এ ধরনের সমস্যা বাড়লে একটু বেশি সতর্কতা নেওয়া উচিত। হাসপাতালে ভরতি হওয়া ভালো।
 অনেকে ভাবেন এটি স্যালাইনের বিকল্প। ওআরএস খাওয়া মানে বাড়িতেই স্যালাইন চালানোর সমতুল?
 স্যালাইন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শিরায় দেওয়া হয়। ওআরএস সরবতের মতো মুখ দিয়ে খাওয়া হয়। তাই সমতুল্য নয়। তবে শরীরের জলের ঘাটতি দু’ভাবেই মেটানো হয়। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে শরীরে জল এবং খনিজের ভারসাম্য রক্ষার এই দুটি পন্থা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে যখন মুখ দিয়ে খাওয়ানো যায় না অর্থাৎ ওআর এস দেওয়া যায় না, তখন ইনট্রাভেনাস দিতে হয়।
 সব বয়স ও ধরনের রোগীই কি ওআরএস খেতে পারবেন?
 হ্যাঁ। তবেই আগেই বলেছি, শুধু বিশেষ বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ বাঞ্ছনীয়।
 কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?
 নেগেটিভ সাইড তেমন কিছু নেই। তবে অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের নিরিখে কম খেলে উদ্দেশ্য সফল হবে না। আবার বেশি খেলে ফ্লুইড ওভারলোড হয়ে শ্বাসকষ্ট হবে, ফুসফুসে জল জমবে। এছাড়া ক্রনিক হার্ট, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অত্যাধিক তরল গ্রহণের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোগীদের কতটা দেওয়া যেতে পারে, জেনে নেওয়া ভালো।
 ওআরএস চলাকালীন খাওয়া দাওয়ায় বিধিনিষেধ কতটা?
 ডায়ারিয়া হলেই খাওয়াদাওয়া নিয়ে চিন্তিত হন অনেকেই। জেনে রাখুন, এই সময় খাদ্যের থেকে বেশি জরুরি শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা। একদিন বা একবেলা না খেলে ততটা ক্ষতি হয় না, যতটা ডিহাইড্রেশনে হয়।
 ডায়ারিয়ার কারণে মৃত্যুহার আটকাতে ওআরএস কতটা কার্যকর?
 ডায়ারিয়ার ইনফেকশন কোনও জীবাণুর কারণে হচ্ছে, তার উপর মৃত্যুহার নির্ভর করে না। আবার এটাও ঠিক যে, মূলত শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি হয় ডিহাইড্রেশন থেকেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এইসব জীবাণু শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দিয়েই ধ্বংস হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে তাই সারতে ১/২/৩ দিন সময় লাগে। কোনও অ্যান্টিবায়োটিকের দরকার পড়ে না। ওআরএস দিলেও ডিহাইড্রেশন কমে যায়। বেশিরভাগক্ষেত্রেই এই ডায়ারিয়া ভাইরাল হয়। ভাইরাল মানে তার কোনও ওষুধ নেই। ব্যাকটেরিয়াল ডায়ারিয়াও সেরে যায় নিজে থেকেই। কিন্তু, এর ফলে যে ডিহাইড্রেশন হয়, সেটা আপনাআপনি সারে না। বাইরে থেকেই রিহাইড্রেট করতে হয়। এত কিছু জেনেও তাই মানুষ দু’বারের বেশি পাতলা মলত্যাগ করলেই বাজারচলতি ওষুধ খান। কিন্তু ওআরএস খাওয়াটা ততটা জরুরি নয় ভাবেন। এ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
 তাহলে ওষুধের দরকারই পড়ে না?
 ওষুধ যে দিতে হবে না, এমন নয়। ক্রিটিক্যাল রোগী, সারছে না এমন ডায়ারিয়া, প্রবল জ্বর থাকলে তখন চিকিৎসক পুনর্বিবেচনা করে অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু শর্টকোর্স দিতে পারেন। কিন্তু, অতিরিক্ত হারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা কমাতেই হবে।
 গরিব মানুষের হাতের কাছের সহজ ওষুধ তাহলে ওআরএস?
 একেবারেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ওআরএস-এর গুরুত্ব আজ স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রচার চালাচ্ছে যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ ডায়ারিয়ার মতো জলবাহিত পেটের রোগের সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমায় বা বন্ধ করে ও ওআরএস ব্যবহার বাড়ায়।
 ওআরএস আবিষ্কার এবং ব্যবহার তাহলে কতটা বদল এনেছে আমাদের সমাজ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায়?
 বিগত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী একটি আবিষ্কার বলা যায় একে। বাড়িতে বসেই শুধুমাত্র নুন-চিনি জলের সরবত খেয়ে মৃত্যুহার কমানো যাচ্ছে, ভাবা যায়!
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
27th  April, 2017
 বাস্তবের নায়কদের মার্ক-এর সম্মান
সায়ন নস্কর  মুম্বই থেকে ফিরে

  সাধারণের মধ্য থেকে অসাধারণ হয়ে উঠে আসা চার ব্যক্তিকে মুম্বইয়ের এক অনুষ্ঠানে ‘ইন্ডিয়াস ট্রু হিরোজ’ পুরস্কারে সম্মানিত করল ওষুধ নির্মাতা সংস্থা মার্ক নিউরোবিয়ন ফর্ট। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী, বিএসএফ-এর ডিআইজি অমিত লোধাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সংস্থার পক্ষ থেকে পাঁচ শহিদ সেনা পরিবারকে সাহায্য করার কথাও জানানো হয়।
বিশদ

20th  July, 2017
 কলকাতায় জাইগোমা ইমপ্লান্ট

 মুকুন্দপুরের আমরি হাসপাতাল এবং একটি বেসরকারি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে জাইগোমা ইমপ্লান্ট সার্জারি নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অফ ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন অফ ইন্ডিয়া এবং তামিলনাড়ু ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডাঃ গুণশীলন রাজন।
বিশদ

20th  July, 2017
সিগারেট ছাড়তে আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি

সিগারেট, তামাকজাত দ্রব্য ও মদের নেশা ত্যাগ করা অনেকের কাছেই প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু তা সম্ভবও করা যায়। কীভাবে? জানাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুর্বেদ গবেষণা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডাঃ সুবলকুমার মাইতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির (সল্টলেক) তামাক আসক্তি দূরীকরণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ডাঃ প্রলয় শর্মা।
বিশদ

20th  July, 2017
  মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস সচেতন হন

 মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস নিয়ে সম্প্রতি কলকাতায় বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস অফ ইন্ডিয়া (এম এস এস আই) কলকাতা শাখা’র পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সংগীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচী সহ বহু বিশিষ্ট মানুষ।
বিশদ

06th  July, 2017
 ছোট্ট অপরাজিতার লড়াই

  শিশুদের হার্টে ফুটো হলে তখনই তাকে বুক চিরে অপারেশন করে তার ফুটো বন্ধ করে দিতেই হবে এই সিদ্ধান্তের ঠিক উলটো পথে ১৬/২ ডোভার টেরেসের বাসিন্দা রামপ্রসাদ তাঁতি ও রেখা তাঁতির শিশু কন্যার চিকিৎসা শুরু করলেন আর এন ট্যাগোর হাসপাতালের শিশু হার্ট বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়।
বিশদ

06th  July, 2017
গাট সামিট

  সম্প্রতি কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল দু’দিনের গাট সামিট ২০১৭। সম্মেলনটির আয়োজন করেছিল গাট চাট ক্লাব। সম্মেলনের চেয়ারম্যান ডাঃ সত্যপ্রিয় দে সরকার জানান, এই বছরের সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ডাঃ ভবতোষ বিশ্বাস।
বিশদ

06th  July, 2017
 ইসকিমিয়া কতটা চিন্তার?

 ভারতসহ গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় এই রোগের দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আক্রান্ত হচ্ছে হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, পা, ফুসফুস এবং পাচন নালির মতো অঙ্গগুলি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে ঘটে যেতে পারে বড়সড় শারীরিক বিপত্তি। তবে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকলেই এই রোগ থেকে দূরে থাকা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন পিয়ারলেস হসপিটাল অ্যান্ড বি কে রয় রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কার্ডিওলজি বিভাগের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর ডাঃ অঞ্জনলাল দত্ত।
বিশদ

06th  July, 2017
আইভিএফ-এ উর্বরার সাফল্য
১০০ শিশু

 বিজ্ঞানের হাত ধরেই জীবনের জয় হয়। কথায় বলে, মানবজীবনের চাইতে মূল্যবান কিছু হয় না। আর তাই হয়তো জীবনধারণের অনুভূতি এত সুন্দর। অথচ বর্তমানের ‘ফাস্ট লাইফ’-এর যুগে বহু দম্পতিই সেই অনুভূতি থেকে বঞ্চিত। ফলে প্রকৃতির সাধারণ নিয়ম মেনেই প্রত্যেক দম্পতিরই এক নতুন প্রাণের সৃষ্টি করার কথা, তা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। ফার্টিলিটি ক্লিনিক উর্বরার কাজ এমন দম্পতিদের নিয়েই।
বিশদ

29th  June, 2017
দু’সপ্তাহ কাশির সঙ্গে জ্বর? টিবি পরীক্ষা জরুরি
সচেতনতায় অ্যাপোলো

সর্দি, কাশি আর জ্বর হলে সাধারণত আমরা স্থানীয় কোনও ডাক্তারের পরামর্শ নিই। মোটামুটি সপ্তাহখানেকের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় দু’সপ্তাহ পেরিয়েও জ্বর কমছে না। এইরকম হলে অতি অবশ্যই টিউবারক্যুলোসিস বা যক্ষ্মারোগের পরীক্ষা করাতে হবে। যে কারণে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর বারবার সাধারণ মানুষকে এই ব্যাপারে সচেতন করে চলেছে।
বিশদ

29th  June, 2017
স্নানের উপকারিতা কী কী?

চারদিকে শুধু ধোঁয়া আর ধুলো। সঙ্গে জীবাণুর রাজত্ব। এমন অবস্থায় শরীর, মন, মেজাজ, স্বাস্থ্য ঠিক রাখা বেজায় কঠিন। তবে এই কাজটিকেই সহজ করে দিতে পারে স্নান। কিন্তু কীভাবে? কথা বললেন ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্র্যাজুয়েট আয়ুর্বেদিক এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অধ্যাপক ডাঃ প্রদ্যোৎবিকাশ কর মহাপাত্র।
বিশদ

29th  June, 2017
৯৯ শতাংশ ক্যানসার রোগীই মরফিন পান না

  ভারতের প্রায় ১০ লক্ষ রোগীর মরফিনের দরকার। অথচ এই বিপুল সংখ্যক রোগীর জন্য মরফিনের চাহিদা থাকলেও মোট রোগীর এক শতাংশেরও কম মানুষ মরফিন পেয়ে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন। যোগান পর্যাপ্ত। কিন্তু আইনের কড়াকড়ি, চিকিৎসকদের দীর্ঘদিন ধরে মরফিন ব্যবহারে অনীহা এবং রোগীর আত্মীয়স্বজনের মরফিন নিয়ে বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণার কারণে মরফিন পাচ্ছেন না রোগীরা।
বিশদ

22nd  June, 2017



একনজরে
দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শহরে তোলাবাজির অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক প্রোমোটার। মহম্মদ ওমর ফারুখ নামে ওই প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। লালবাজার সূত্রে এই ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM