শরীর ও স্বাস্থ্য
 

জীবনদায়ী ওআরএস

 ওআরএস কী?
 ওর‌্যাল রিহাইড্রেশন সল্ট সলিউশন বা ওআর এস-এর ব্যবহার চলে আসছে বহুকাল ধরেই। বিভিন্ন দেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে, খ্রিস্টজন্মের আগে, এমনকী আমাদের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসায়ও উল্লেখ মিলেছে এর।
 কখন দরকার পড়ে ওআরএস?
 কলেরা, গ্যাসট্রোএনট্রাইটিসের মতো বিভিন্ন রোগে যখন শরীর থেকে জল বেরিয়ে যাওয়ায় ডিহাইড্রেশন হয়, শরীরের দরকার পড়ে বাইরে থেকে পর্যাপ্ত জলের জোগান। অধিকাংশ সময় তাতেই রেহাই মেলে এসব রোগ থেকে। ওষুধের দরকার পড়ে না।
 ওআরএস-এর গুরুত্ব কতটা?
 আধুনিক বিজ্ঞান ওআরএস-এর গুরুত্ব নিয়ে বহু গবেষণা করেছে। বাংলাদেশেও অনেক গবেষণা হয়েছে। অনেকের ভুল ধারণা ছিল ডায়ারিয়া হলে মুখ দিয়ে জল খাওয়ালে নাকি সেটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায় এবং একমাত্র ইনট্রাভেনাসই কার্যকর। ওআরএসের ব্যবহার নিয়ে এসব ভুল ধারণাই এর প্রয়োগের মূল বাধা ছিল। সেগুলি এখন বদলেছে। বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করলেন, সল্টের সঙ্গে গ্লুকোজ মেশালে সেটি আরও তাড়াতাড়ি শরীরে শোষিত হয়। এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার বলা যায়।
 কী থাকে ওআরএস-এ?
 সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড এবং গ্লুকোজ—এই চারটি মূল উপাদান থাকে ওআরএস-এর মধ্যে। জলে নির্দিষ্ট পরিমাণে এটি মিশিয়ে উপযুক্ত সলিউশন তৈরি করতে হয়।
 ওআরএস-এর উপকারিতা কতটা?
 পেনিসিলিনের মতোই ওআরএসও বহু মানুষের জীবনরক্ষা করেছে। মানবসভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। তাই একে লাইফ সেভিং সলিউশন বলা হয়ে থাকে।
 বাজারজাত এবং ঘরে তৈরি ওআরএস-এর উপকারিতায় কোনও তফাত আছে?
 না। বাড়িতে যে ওআরএস তৈরি করে নেওয়া হয়, সেটিও কারও একার তৈরি নয়। বহু গবেষণার পরেই এটির উপাদান এবং তৈরির পদ্ধতি প্রচারিত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দ্বারা স্বীকৃত এই হোম মেড ওআরএস। চুলচেরা বৈজ্ঞানিক বিচার করলে উপাদানগত ফারাক কিছু পাওয়া গেলেও উপকারিতায় তেমন ফারাক নেই।
 ঘরে ওআরএস বানাব কীভাবে?
 বাইরে থেকে কেনা ওআরএস না পাওয়া গেলে অনায়াসেই এটি খাওয়া যায়। উপকার এক। আগেই বলেছি এর উপাদান কী কী । সুক্রোজ ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয়। তাই সুক্রোজ (খাওয়ার চিনি) এবং সোডিয়াম (সাধারণ নুন) নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে নিতে হবে। এক গ্লাস জলে ২ চা চামচ চিনি ও এক চিমটে নুন। শুধু দেখতে হবে, যে জলে মেশাচ্ছেন সেটি যেন বিশুদ্ধ হয়। পরিষ্কার পাত্রে, হাত ধুয়ে বানিয়ে নিলেই হল।
 কোন কোন রোগে ওআরএস দিতে হয়?
 জলবাহিত রোগ, ভাইরাল, ব্যাকটেরিয়াল, প্যারাসাইটাল ইনফেকশন, ইনফেকটিভ ডায়ারিয়া, নন ইনফেকটিভ ডায়ারিয়ার (তুলনামূলক কম দেখা যায়) ক্ষেত্রে এবং বমির প্রাবল্য কম থাকলে ওআরএস-এর ব্যবহারে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যায়।
 কাদের ওআরএস দেওয়া যায় না?
 অজ্ঞান অবস্থায় থাকা বা সাড় নেই বা প্রচণ্ড বমি হচ্ছে এমন রোগীদের ওআরএস দেওয়া যায় না।
 ডায়ারিয়ার সঙ্গে বমি হলে তখন কোনওভাবেই কী ওআরএস দেওয়ার উপায় নেই?
 তখন বমির ওষুধ খাইয়ে তারপর ওআরএস দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। না হলে ইনট্রাভেনাস দিতেই হয়। বাকি ক্ষেত্রে জলবাহিত ডায়ারিয়া যত বেশিই হোক না কেন, ওআরএস চালু করতে হয়।
 যদি তখনই হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না মেলে তাহলে?
 ইনট্রাভেনাস ইঞ্জেকশনের মতো করে ড্রিপ চালানো বাড়িতে তো সম্ভব নয়। অন্তত তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগে সে ব্যবস্থা করতে। বাড়াবাড়ি হলে এটুকু সময়ই যথেষ্ট। তাই এই সময়ে শুরুতেই বমি বন্ধ করার ওষুধ দিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে বমি বন্ধ হলে চামচে করে অল্প অল্প ওআরএস বারে বারে খাওয়ানো যেতে পারে।
 ডায়ারিয়ার শুরুতেই অনেকে নিজেই অ্যান্টিবায়োটিক খান। তাহলে ওআরএস-এর কাজটি কী?
 প্রথমেই বলি, ডায়ারিয়ায় শুরুতে অ্যান্টিবায়োটিক ভূমিকা খুব কম। জরুরি কাজটিই হল রোগীর শরীরে জলের জোগান দিয়ে যাওয়া। সেই কাজটি করে ওআরএস। কারণ আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনা থেকেই ডায়ারিয়ার জীবাণু ধ্বংস করে। অথচ বমি-পায়খানার মাধ্যমে যে শরীর থেকে অবিরাম জল বেরিয়ে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে— ডিহাইড্রেশন হচ্ছে, তার বদলে শরীরকে রিহাইড্রেট করার পর্বটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এটা একটা মস্ত ভুল। ফলে অনেক সময় পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়।
 তাহলে কী ওআরএস ডায়ারিয়ায় ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে?
 ওষুধের বিকল্প না বলে বলা যায় ওআরএসই একমাত্র পন্থা যা দিলে ৯০ শতাংশ রোগীর অ্যান্টিবায়োটিক লাগে না। শরীর থেকে জল বেরলে যেভাবেই হোক জল খেয়ে জলের জোগান দেওয়াটাই মূল কাজ। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই ভালো। সামান্য পেট খারাপ, ডায়ারিয়া ১/২ দিনে এমনিই সেরে যায়।
 কতটা ওআরএস পান করতে হবে?
 প্রয়োজন বুঝে খেতে হবে। যতক্ষণ না প্রস্রাব পরিষ্কার হচ্ছে, মলত্যাগের পরিমাণ ও বেগ কমছে, ততক্ষণ এবং ততদিন চালিয়ে যেতে হবে ওআরএস গ্রহণ। ছোটদের বয়স অনুপাতে বা ওজন বুঝে ওআরএস খাওয়ানো সাধারণ মানুষের পক্ষে সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই সেই পরিমাপের হিসাবে না গিয়ে বলব, একবারে বেশে খেলে বমি হতে পারে, তাই অল্প অল্প করে, বারে বারে চামচে করে খাওয়াতে হবে।
 বয়স্কদের ওআরএস গ্রহণে কী বিশেষ কোনও সতর্কতা আছে?
 বয়স্কদের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে অনেকেই বয়সজনিত নানা রোগের ওষুধ খান। হাই ব্লাডপ্রেশার, ডায়াবেটিস ছাড়াও হার্ট, কিডনির নানান সমস্যায় বিভিন্ন ওষুধ চলে অনেকের। কিন্তু ডায়ারিয়া বা এই জাতীয় সমস্যায় রিহাইড্রেশন প্রসেস চালু করতে হবে তৎক্ষণাৎ। এর থেকে কোনও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। শুধু যে চিকিৎসককে তিনি দেখান, তাঁর সঙ্গে একবার পরামর্শ করে নেওয়া দরকার। কতটা তরল তিনি গ্রহণ করবেন, জেনে নিতে হবে। অধিক তরল গ্রহণ করলে শরীরে জমে ক্ষতি হতে পারে।
 হাইপ্রেশারের থাকলে ওআরএস গ্রহণে কি সমস্যা হতে পারে?
 হাইপ্রেশার থাকলে এটা নিয়ে অনেকই চিন্তিত হন। জেনে রাখুন, ডায়ারিয়া হলে ওআরএস গ্রহণের সঙ্গে হাইপ্রেশার বাড়ার আশঙ্কা নেই। উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ আছে, যেগুলি শরীর থেকে সোডিয়াম বের করে শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। তাই অনেক সময় ডায়ারিয়া হলে চিকিৎসক সাময়িকভাবে এ ধরনের কিছু ওষুধ খেতে বারণ করেন, আবার ডায়ারিয়া সারলে ওষুধ চালু করা হয়।
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে উপায়?
 ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে বলা হয় অ্যাকিউট সিচুয়েশনে ওআরএস শুরু করা উচিত। তবে এই সময় বাড়িতে ব্লাড সুগার পরিমাপ করুন গ্লুকোমিটার যন্ত্রে। রক্তে গ্লুকোজ খুব বেড়ে গেলে চিনি ছাড়া শুধু নুন জল খান, সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন আর্টিফিশিয়াল সুইটনার। ইনসুলিন যাঁরা নেন, সেই মাত্রা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ডায়াবেটিক রোগীদের এ ধরনের সমস্যা বাড়লে একটু বেশি সতর্কতা নেওয়া উচিত। হাসপাতালে ভরতি হওয়া ভালো।
 অনেকে ভাবেন এটি স্যালাইনের বিকল্প। ওআরএস খাওয়া মানে বাড়িতেই স্যালাইন চালানোর সমতুল?
 স্যালাইন ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে শিরায় দেওয়া হয়। ওআরএস সরবতের মতো মুখ দিয়ে খাওয়া হয়। তাই সমতুল্য নয়। তবে শরীরের জলের ঘাটতি দু’ভাবেই মেটানো হয়। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে শরীরে জল এবং খনিজের ভারসাম্য রক্ষার এই দুটি পন্থা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে যখন মুখ দিয়ে খাওয়ানো যায় না অর্থাৎ ওআর এস দেওয়া যায় না, তখন ইনট্রাভেনাস দিতে হয়।
 সব বয়স ও ধরনের রোগীই কি ওআরএস খেতে পারবেন?
 হ্যাঁ। তবেই আগেই বলেছি, শুধু বিশেষ বিশেষ রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ বাঞ্ছনীয়।
 কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া?
 নেগেটিভ সাইড তেমন কিছু নেই। তবে অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের নিরিখে কম খেলে উদ্দেশ্য সফল হবে না। আবার বেশি খেলে ফ্লুইড ওভারলোড হয়ে শ্বাসকষ্ট হবে, ফুসফুসে জল জমবে। এছাড়া ক্রনিক হার্ট, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকলেও অত্যাধিক তরল গ্রহণের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই রোগীদের কতটা দেওয়া যেতে পারে, জেনে নেওয়া ভালো।
 ওআরএস চলাকালীন খাওয়া দাওয়ায় বিধিনিষেধ কতটা?
 ডায়ারিয়া হলেই খাওয়াদাওয়া নিয়ে চিন্তিত হন অনেকেই। জেনে রাখুন, এই সময় খাদ্যের থেকে বেশি জরুরি শরীরে জলের ভারসাম্য বজায় রাখা। একদিন বা একবেলা না খেলে ততটা ক্ষতি হয় না, যতটা ডিহাইড্রেশনে হয়।
 ডায়ারিয়ার কারণে মৃত্যুহার আটকাতে ওআরএস কতটা কার্যকর?
 ডায়ারিয়ার ইনফেকশন কোনও জীবাণুর কারণে হচ্ছে, তার উপর মৃত্যুহার নির্ভর করে না। আবার এটাও ঠিক যে, মূলত শিশুদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি হয় ডিহাইড্রেশন থেকেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এইসব জীবাণু শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা দিয়েই ধ্বংস হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে তাই সারতে ১/২/৩ দিন সময় লাগে। কোনও অ্যান্টিবায়োটিকের দরকার পড়ে না। ওআরএস দিলেও ডিহাইড্রেশন কমে যায়। বেশিরভাগক্ষেত্রেই এই ডায়ারিয়া ভাইরাল হয়। ভাইরাল মানে তার কোনও ওষুধ নেই। ব্যাকটেরিয়াল ডায়ারিয়াও সেরে যায় নিজে থেকেই। কিন্তু, এর ফলে যে ডিহাইড্রেশন হয়, সেটা আপনাআপনি সারে না। বাইরে থেকেই রিহাইড্রেট করতে হয়। এত কিছু জেনেও তাই মানুষ দু’বারের বেশি পাতলা মলত্যাগ করলেই বাজারচলতি ওষুধ খান। কিন্তু ওআরএস খাওয়াটা ততটা জরুরি নয় ভাবেন। এ থেকেই সমস্যার সূত্রপাত।
 তাহলে ওষুধের দরকারই পড়ে না?
 ওষুধ যে দিতে হবে না, এমন নয়। ক্রিটিক্যাল রোগী, সারছে না এমন ডায়ারিয়া, প্রবল জ্বর থাকলে তখন চিকিৎসক পুনর্বিবেচনা করে অ্যান্টিবায়োটিকের কিছু শর্টকোর্স দিতে পারেন। কিন্তু, অতিরিক্ত হারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা কমাতেই হবে।
 গরিব মানুষের হাতের কাছের সহজ ওষুধ তাহলে ওআরএস?
 একেবারেই। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ওআরএস-এর গুরুত্ব আজ স্বীকৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও প্রচার চালাচ্ছে যাতে বেশি সংখ্যক মানুষ ডায়ারিয়ার মতো জলবাহিত পেটের রোগের সমস্যায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমায় বা বন্ধ করে ও ওআরএস ব্যবহার বাড়ায়।
 ওআরএস আবিষ্কার এবং ব্যবহার তাহলে কতটা বদল এনেছে আমাদের সমাজ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থায়?
 বিগত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী একটি আবিষ্কার বলা যায় একে। বাড়িতে বসেই শুধুমাত্র নুন-চিনি জলের সরবত খেয়ে মৃত্যুহার কমানো যাচ্ছে, ভাবা যায়!
সাক্ষাৎকার: শেরী ঘোষ
27th  April, 2017
প্রকাশিত হল ডাঃ সরোজ গুপ্ত রচনাসংগ্রহ

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও ঠাকুরপুকুর ক্যানসার হসপিটালের প্রাণপুরুষ ডাঃ সরোজ গুপ্তর স্মরণে সম্প্রতি নন্দন-৪ প্রেক্ষাগৃহে দে’জ পাবলিশিং থেকে এই প্রথম প্রকাশিত হল অঞ্জন গুপ্ত ও ডাঃ অর্ণব গুপ্ত সম্পাদিত একটি গল্পের বই ‘ডাঃ সরোজ গুপ্ত রচনাসংগ্রহ’।
বিশদ

25th  May, 2017
ছেলেমেয়ের মন বুঝবেন কীভাবে?

ছেলেবেলা পেরিয়ে কৈশোর। মাঝবেলায় যৌবনের ছায়া। দেখতে দেখতে কেটে যায় অনেকটা সময়। এমন বাড়ন্ত বেলার ছেলেমেয়েদের চলাফেরা, ভাবনা-চিন্তার সঙ্গে অভিভাবকের তীব্র মতান্তর সৃষ্টি হওয়ার ঘটনা এখন ঘরে ঘরে। এই সময় ছেলেমেয়ের মনের নাগাল পাওয়া বেজায় ভার। কিন্তু কীভাবে মালুম হবে তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার তারতম্য? কেমনভাবে খোঁজ মিলবে ওদের লুকিয়ে রাখা অনুভূতি? জানালেন পিজি হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব সাইকিয়াট্রি বিভাগের ডিরেক্টর ডাঃ প্রদীপ সাহা।
বিশদ

25th  May, 2017
দুর্গাপুরে বিরল রোগের চিকিৎসা

ফুফফুসের বিরল রোগ ‘হাইপারসেনসিটিভিটি নিউমোনাইটিস’ আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করেল দুর্গাপুরের আইকিউ সিটি নারায়াণা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল। বয়স ৩২-এর শায়িদা তারানাম একসপ্তাহ ধরে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছিলন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন, স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম পরিমাণ অক্সিজেন শারিদার রক্তে রয়েছে।
বিশদ

18th  May, 2017
কুসুমদেবী ডেন্টালের দন্ত পরীক্ষা শিবির

বারাকপুরের স্টেম ওয়ার্ল্ড স্কুলে সম্প্রতি নিখরচায় দন্ত পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করেছিল কুসুমদেবী সুন্দরলাল দুগার জৈন ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল। বিদ্যালয়ের ২৫০ ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকের মুখগহ্বরের পরীক্ষা করেন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
বিশদ

18th  May, 2017
বন্ধ্যাত্বের কারণগুলি কী কী?

সন্তানহীনতার সমস্যা যখন ক্রমবর্ধমান, যার বীজ রোপন হয় শৈশবেই। আধুনিক জীবনযাত্রা অনেকটাই দায়ী এর জন্য। তবে হতাশ হবেন না, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতিতে সম্ভব হয়েছে ইনফার্টিলিটি সমস্যার সমাধান। পরামর্শে উর্বরা আইভিএফ এর ল্যাপারোস্কোপিক গাইনোকলজিস্ট অ্যান্ড আইভিএফ স্পেশালিস্ট ডঃ ইন্দ্রাণী লোধ।
বিশদ

18th  May, 2017
 ওষুধের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা

  অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ান অব ইন্ডিয়া’র (এপিআই) পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফে কলকাতায় শিক্ষামূলক চিকিৎসা বিষয়ক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মূলত বিভিন্ন অসুখ সারানোর ওষুধগুলির সাম্প্রতিকতম ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করাই ছিল এই সভার উদ্দেশ্য।
বিশদ

11th  May, 2017
 হ্যানিম্যানের হোমিওপ্যাথি বিতর্ক সভা

  ভক্তদের দাবি, হোমিওপ্যাথিই যে কোনও রোগের সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি। খুব ধীরে ধীরে অসুখ নিরাময় করে। কিন্তু মানুষ চান দ্রুত নিরাময়। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই উঠে এসেছে একটি প্রশ্ন। হোমিওপ্যাথি কি আদৌ বিজ্ঞানসম্মত? এই দাবির কতটা সত্যতা আছে?
বিশদ

11th  May, 2017
 টিটেনাস

আমরা জানি কাচে বা জং ধরা লোহায় শরীরে কোনও জায়গা কেটে গেলে টিনেনাস রোগের ব্যাকটেরিয়া দেহে প্রবেশ করে। এমন ভাবনা মোটেই সঠিক নয়। যে কোনও ধরনের কাটাছেঁড়া বা পোড়া থেকেও এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে ঢোকার আশঙ্কা থেকে যায়। আর শুধু একটা ইঞ্জেকশনে টিটেনাসের ব্যাকটেরিয়া মরে না। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেগুলো জানা ছোট-বড় সবার কর্তব্য। 
বিশদ

11th  May, 2017
সোয়াইন ফ্লু সতর্কতা প্রয়োজন
ডাঃ দ্বৈপায়ন মজুমদার

ছোটবেলায় আমরা সর্দি, জ্বর, কাশিকে তেমন পাত্তাই দিতাম না । সর্দি, জ্বর মানে স্কুল থকে কয়েকদিনের মুক্তি, আর বড় হলে অফিসে কিছু দিনের ছুটি । কিন্তু বছর কয়েক আগে ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামটা শোনার পর থেকে ব্যাপারটা আর অত সহজ সরল থাকল না । ফ্লু শব্দটির সঙ্গে আমরা অনেকে পরিচিত হলেও ‘সোয়াইন ফ্লু’ নামটা আমাদের কাছে নতুন ছিল । কিছুটা গুজব, কিছুটা বাস্তব থেকে জন্ম নিল আতঙ্ক । ২০০৯ এ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অসুখের ব্যাপকতা লক্ষ করে একে প্যানডেমিক ঘোষণা করেছিল ।
বিশদ

04th  May, 2017
 কখন কতটা জল খাবেন?

দৈনিক কতটা জল প্রত্যেকের পান করা উচিত?
সাধারণত দিনে প্রত্যেকের তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার জল পান করা উচিত। অবশ্য কে কোন ধরনের জলবায়ুতে বাস করছেন, কেমন ধরনের কাজ করছেন তার ওপরে জলপানের অভ্যাস ও পরিমাণ নির্ভর করে। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে মানুষের ঘাম হয় বেশি। ফলে অনেকটা জল শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। অন্যদিকে যারা শীতপ্রধান দেশে বাস করেন, তাঁদের ঘাম হয় কম। 
বিশদ

04th  May, 2017



একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৯ মে (পিটিআই): সাংবাদিক রাজদেও রঞ্জন হত্যা মামলায় আরজেডি নেতা সাহাবুদ্দিনকে হেপাজতে নিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহাবুদ্দিনকে এজেন্সির ...

 মুম্বই, ২৯ মে (পিটিআই): শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বগতি চলছেই। এদিন মুম্বই শেয়ার বাজারের সূচক সেনসেক্স ৩১ হাজার ১০৯ পয়েন্টে শেষ হয়েছে। গত তিন দিন ধরেই সেনসেক্স ঊর্ধ্বমুখী। তিনদিনে ৮০০ পয়েন্টেরও বেশি উঠেছে সূচক। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশের বেশি নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা অন্য বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যলয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগরে তোলাবাজির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম সুশান্ত মাহাত। অভিযোগ, সে নেতাজিনগর থানার ৮বি, নাকতলা রোডে গত ২৬ মে সকাল ১১টা নাগাদ একটি বহুতলে কাজ চলার সময় কলকাতা পুরসভার স্বীকৃত ‘প্লাম্বার’ নিলয় ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

11:00:40 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...