Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

 ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু ও এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

 পরামর্শে সল্টলেকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ গৌতম আশ।

ডেঙ্গু

ডেঙ্গু জ্বর ভেক্টর বাহিত একটি গুরুতর সংক্রমণ যা চারটি ভিন্ন ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাস সংক্রমিত হয় এডিস ইজিপটাই মশার দ্বারা। ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাসটির চারটি সেরোটাইপ রয়েছে। ডেন-১, ২, ৩ এবং ৪। আমাদের দেশের বিভিন্ন অংশে প্রতি বছর ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। বিশেষত, বর্ষাকালের পরে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরে মাসে এই রোগের প্রকোপ বাড়ে। যদিও এখন সারা বছরই কোনও না কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে এই জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

রোগ লক্ষণ

এই জ্বরের লক্ষণগুলি হালকা থেকে গুরুতর হতে পারে। মারাত্মক উপসর্গগুলি ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরের অন্তর্ভুক্ত। এই জ্বরের লক্ষণ রোগের তীব্রতার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। যেমন হালকা থেকে উচ্চ মাত্রায় জ্বর। এর পাশাপাশি পেশি এবং অস্থিসন্ধিগুলিতে তীব্র বেদনা, শরীরে লাল লাল ফুসকুড়ি, তীব্র মাথা ও চোখের পিছনে ব্যাথা এবং বমি বমি ভাব থাকে। সাধারণত লক্ষণগুলি মশার কামড়ের ৪ থেকে ৭ দিন পরে শুরু হয় এবং ৩ থেকে ১০ দিনের মতো থাকে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই অসুখ গুরুতর আকার নেয় না। তবে কখনও কখনও মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হয় যাকে ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বর ও ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম বলা হয়ে থাকে। ডেঙ্গু হেমারেজিক জ্বরে সাধারণত মুখ, নাক থেকে রক্ত বেরয়। পাশাপাশি ব্রেনেও রক্তপাত হতে পারে। আবার অভ্যন্তরীণ রক্তপাত, কালো বমি ও মল হতে পারে এবং রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা অত্যন্ত কমে যায়, ত্বকে রক্ত জমে যায়।
এছাড়া ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হল জটিল শারীরিক অবস্থা যেখানে পেটে তীব্র ব্যথা, হঠাৎ শরীরে রক্তচাপ কমে যাওয়া, শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে ভারী রক্তপাত হয় এবং রোগী অচেতন অবস্থায় চলে যায়।

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গগুলি বিশ্লেষণ করতে হয়। এছাড়া রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করার জন্য কিছু রক্ত পরীক্ষাও জরুরি।
যেহেতু ডেঙ্গু একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ, তাই এই জ্বরের কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা প্রতিকার নেই। তবে যাই হোক রোগ কতটা গুরুতর তার উপর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে জলের ঘাটতি (ডিহাইড্রেশন) প্রতিরোধ করাই অত্যন্ত জরুরি। দরকারে রোগীকে স্যালাইন দিতে হতে পারে। এর মাধ্যমে রোগীর শরীরে জরুরি লবণ, তরল এবং খনিজ পদার্থের ভারসাম্য আসে। গুরুতর ক্ষেত্রে রক্ত দেওয়ারও প্রয়োজন হয়। বিশেষত, যেখানে রক্তের প্লেটলেট ভীষণভাবে কমে যায়। ডেঙ্গু জ্বর একাধিক বার হতে পারে এবং দ্বিতীয় সংক্রমণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আছে যেগুলি ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় খুবই ভালো ফল দেয়। যার মধ্যে ইউপেটোরিয়াম পার ফোলিয়েটাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই ওষুধটির ৬, ৩০ বা ২০০ শক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী। আবার এই ওষুধটির ৩০ শক্তি ডেঙ্গু জ্বরের প্রতিষেধক হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও বেলেডোনা, রাসটক্স, ক্রোটেলাস হরিডাস, ফসফরাস ইত্যাদি ওষুধগুলিও এই জ্বর নিরাময়ে ভালো ফল দেয়।
তবে ওষুধের সঙ্গে প্রচুর জলপান করা, ফলের রস খাওয়া ও সম্পূর্ণ বিশ্রাম একান্তই প্রয়োজন।

এই রোগের প্রতিরোধ

রোগ প্রতিরোধ করার প্রধান উপায় হল মশার কামড় এড়ানো এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো। এজন্য বাড়ির আশেপাশে বা বাড়িতে ছাদে ফুলের টব, বালতিতে বা যে কোনও পাত্রে জল জমতে দেওয়া যাবে না। এছাড়া লম্বা প্যান্ট, হাতা যুক্ত জামা, মোজা ইত্যাদির ব্যবহার দরকার। মশারি ব্যবহার করা একান্তই জরুরি। ডোর এবং উইন্ডো স্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে যাতে মশা ঘরে ঢুকতে না পারে। ভোর বেলা ও সন্ধ্যায় বাইরে থাকা এড়ানোর চেষ্টা করা। মশা মারার তেল ব্যবহার ও মশা যাতে সংরক্ষিত জলে ডিম না পারতে পারে তা দেখা।

সোয়াইন ফ্লু

এইচ১এন১ ভাইরাসের মাধ্যমে সোয়াইন ফ্লু সংক্রমণ হয়। এই ভাইরাস হঠাৎই আসে, কয়েকদিনের জন্য থাকে এবং চলেও যায়। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গগুলি সাধারণ মৌসুমী ইনফ্লুয়েঞ্জার লক্ষণগুলির মতোই। এক্ষেত্রে রোগীর গলা ব্যথা, জ্বর, নাক দিয়ে জলপড়া, কাশি, গলা খুশখুশ, বমি বমি ভাব বা বমি, শীত শীত ভাব, গা-হাত-পা ব্যথা, খিদে কমে যাওয়া, এনার্জি কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জার থেকে এই সংক্রমণটির পার্থক্য হল সোয়াইন ফ্লু স্বাস্থ্যের পক্ষে আরও গুরুতর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এই রোগ অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তাই যে কোনও মুহূর্তে সোয়াইন ফ্লু একটি মহামারীর আকার ধারণ করে বা করতে পারে।
সাধারণত ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব, পাঁচ বছরের কমবয়সি বাচ্চা, গর্ভবতী মহিলা ও যাঁরা হাঁপানি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রোগটি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ।
এই রোগ ছড়িয়ে পড়া
‘সোয়াইন ফ্লু’ শব্দটা শুয়োরের ইনফ্লুয়েঞ্জা বোঝায়। মাঝেমধ্যে শুয়োর থেকে মানুষের মধ্যে এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সংক্রামিত হয়। বিশেষত কৃষক ও পশুচিকিৎসকদের মধ্যে। তবে প্রায়ই একজন সোয়াইন ফ্লু সংক্রামিত ব্যক্তির থেকেও অন্যরাও এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে।

নানাভাবে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ে—

 কোনও সংক্রামিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশির মাধ্যমে সরাসরি অন্য ব্যক্তির চোখ, নাক বা মুখ দিয়ে  বায়ুতে থাকা ভাইরাস সুস্থ ব্যক্তির শ্বাসের সঙ্গে শরীরের ঢোকে  সরাসরি ব্যক্তিগত যোগাযোগের দ্বারা বা সংক্রমিত কোনও বস্তুর সংস্পর্শে এসে হাত থেকে চোখ, হাত থেকে নাক বা হাত থেকে মুখে সংক্রমণ হতে পারে।
ডায়গনসিস: নাক ও গলার সোয়াব পরীক্ষা করেই এই রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়া যায়।
চিকিৎসা: সোয়াইন ফ্লু রোগের প্রকৃতির ভিত্তিতে এবং এই রোগবিজ্ঞানের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি যে সোয়াইন ফ্লু-এর মতো ভাইরাল রোগের চিকিৎসার হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ভালো কাজে দেয়। সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত রোগীদের স্বতন্ত্র উপসর্গগুলির উপর নির্ভর করে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন করা হয়ে থাকে। এখানে কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধের নাম উল্লেখ করা হল যেগুলো সোয়াইন ফ্লু’র চিকিৎসার বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। যথা— ইনফ্লুয়েনজিনাম, জেলসিনিয়াম, আর্সেনিক অ্যালব, রাসটক্স ইউপেটোরিয়াম পারক, ব্রায়োনিয়া, অক্সিলোঙ্গেকিনান, ভেরেট্রাম ভিরিডি, ব্যাল্টিসিয়া ইত্যাদি। এই ওষুধগুলির শক্তি মাত্রা ও ডোজ নির্ণয় করা হয়ে থাকে রোগের প্রকৃতি ও তীব্রতার উপর। এই ওষুধগুলি আবার শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করতেও সাহায্য করে এবং এই রোগের প্রতিকারের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ
 হাঁচি ও কাশির সময় নাক ও মুখ চাপা দেওয়া দরকার  হাত না ধুয়ে ঘনঘন চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ না করা  ঘনঘন হাত ধোয়া উচিত  ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত  ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত রোগীর বা অসুস্থ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়ানো  যাঁদের শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ আছে তাঁদের কাছ থেকে দূরে (অন্তত ৩ ফুট দূরে) থাকা দরকার  প্রচুর জল খাওয়া এবং রেস্ট নেওয়ার প্রয়োজন
 দরকারে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

এনকেফেলাইটিস
এনকেফেলাইটিস হল মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের তীব্র প্রদাহ (অ্যাকিউট ইনফ্লামেশন)। এই সমস্যা সাধারণত ভাইরাল সংক্রমণের ফলে হয়। অথবা শরীরের নিজের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে মস্তিষ্কের টিস্যুকে আক্রমণ করে থাকে এবং প্রদাহের সৃষ্টি করে। তীব্র প্রদাহের অর্থ হল রোগটি হঠাৎ করে আসে এবং রোগে তীব্রতা দ্রুত বাড়ে। এই জন্যই এই রোগের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
এই সংক্রমণটি সাধারণত প্রতি হাজার জনের মধ্যে ১ জনের ঘটে থাকে। সাধারণত এনকেফেলাইটিস জ্বর এবং সঙ্গে মাথা ব্যথা দিয়ে শুরু হয়। উপসর্গগুলি দ্রুত খারাপ হতে থাকে। দেখা দেয় বমি, তড়কা, বিভ্রান্তি, তন্দ্রা এবং চেতনা হারানোর মতো লক্ষণ। এমনকী রোগী কোমায় পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।
এই রোগে আক্রান্ত অল্পবয়সের রোগী সাধারণত কোনও জটিল সমস্যা ছাড়াই সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু বয়স্ক ও একদম বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই সংক্রমণের জন্য বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
এনকেফেলাইটিসের নানান প্রকারভেদ রয়েছে— জাপানি এনকেফেলাইটিস মশা দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। টিক-বোর্ন এনকেফেলাইটিস টিক (এঁটুলিজাতীয় পোকা) দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। আবার কোনও প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ানোর দ্বারা রেবিস ভাইরাস দেহে প্রবেশ করেও এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও প্রাথমিক বা সেকেন্ডারি এনকেফেলাইটিস ভাইরাস, ফাঙ্গাস বা ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা মস্তিষ্কের সংক্রমণ হয়। আবার সেকেন্ডারি বা পোস্ট-সংক্রামক এনকেফেলাইটিস-এর সৃষ্টি হয় যখন ইমিউন সিস্টেম আগের সংক্রমণের প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ভুলভাবে মস্তিষ্ককে আক্রমণ করে।
যদিও অধিকাংশ সময়, এই প্রদাহ ভাইরাল সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট হয় কিন্তু আরবোভাইরাস অর্থাৎ ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও হারপিস ভাইরাসের কারণেও এই সংক্রমণ হয়ে থাকে। এছাড়াও হাম, মামস, চিকেন পক্স, রুবেলা ও রেবিসও এই সংক্রণের কারণ হয়।
গ্রীষ্মকালেই এই সংক্রমণ বাড়ে। তবে এনকেফেলাইটিসের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে বয়স্ক ব্যক্তিদের ও এক বছরের কমবয়সি শিশুদের। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা মানুষদেরও এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।

রোগ নির্ণয়

রোগের লক্ষণ এবং রোগীর শারীরিক পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে এই রোগ সন্দেহ করা হয়। রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়ার জন্য রক্ত ও সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনে মস্তিষ্কের ইইজি বা ইমেজিং স্টাডি এবং কখনও কখনও নির্দিষ্ট ভাইরাল স্টাডিও করা হয় রোগের তীব্রতা নির্ণয়ের জন্য।

চিকিৎসা:

এনকেফেলাইটিসে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় আমাদের চেষ্টা থাকবে যাতে উপসর্গগুলির আশু হ্রাস হয় এবং যাতে রোগীর কোনও জটিলতা সৃষ্টি না হয়। এজন্য রোগীকে পুরোপুরি বিশ্রামে রাখা ও প্রচুর পরিমাণে জলপান করানো একান্তই প্রয়োজন। প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়। সেখানে আক্সিজেন ও ইন্ট্রা ভেনাস ড্রিপও দিতে হয় যাতে শরীরের ইলেক্ট্রো লাইটস ব্যালেন্স ঠিক রাখা যায়।
হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসার জন্য কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এই রোগ প্রতিরোধের জন্যও ভালো কাজ করে। এনকেফেলাইটিস সংক্রমণের চিকিৎসায় বেলেডোনা, জেলসিয়াম, হেলেবোরাস, হাইও সাইমাসনাইজার, স্ট্র্যামনিয়াম, আর্সেনিক অ্যালবাম, রাসটক্স ব্রায়োনিয়া, আরনিকা, ইউপেটোরিয়াস ইত্যাদি ওষুধগুলি বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে বেলেডোনা ওষুধটিই এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসার জন্য শীর্ষস্থানীয়। তবে এই রোগের উপসর্গ, রোগের তীব্রতা, রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর ভিত্তি করেই ওষুধ নির্বাচন, ওষুধের শক্তি ও মাত্রা ঠিক করা হয়ে থাকে।
এই রোগের প্রতিরোধী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ হিসেবে বেলেডোনা, ক্যালকেরিয়া কার্ব ও টিউবার কউলিমাস ২০০ মাত্রায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য পেতে প্রায় বেশ কয়েক সপ্তাহ বা মাস লাগতে পারে।

প্রতিরোধ:

 যে সমস্ত সংক্রামক রোগের ফলে এনকেফেলাইটিস হয় সেগুলি থেকে দূরে থাকা উচিত।
 মশারির ব্যবহার করুন।
 বিভিন্ন রকম সংক্রামক রোগের টিকা শিশুদের দেওয়া।
 এনকেফেলাইটিসে আক্রান্তদের থেকে শিশুদের দূরে রাখতে হবে।
 প্রত্যেকেরই ভালো করে বারবার হাত ধোয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
 মশার কামড় এড়াতে ভোর ও সন্ধ্যায় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
 ফুলহাতা জামা, লম্বা প্যান্ট, টুপি ইত্যাদির ব্যবহার করুন।
 পোকামাকড় ও মশা বিতারক দ্রব্য বা রাসায়নিক ব্যবহার।
 বাড়িতে ও বাড়ির চারপাশে জল জমতে না দেবেন না।
 টিক বা এঁটুলিজাতীয় পোকার কামড় এড়ান।
 পোষ্যের নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করা দরকার।
11th  July, 2019
পাওয়ার থাকলে চোখের যত্ন নেবেন কীভাবে? 

চোখের পাওয়ার
জানলে অবাক হবেন, দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ মাইয়োপিক। অর্থাৎ তাঁদের চোখে মাইনাস পাওয়ারের চশমা রয়েছে। তুলনায় প্লাস পাওয়ার বা হাইপারমেট্রোপিকের সমস্যায় ভোগা রোগীর সংখা কম। 
বিশদ

19th  September, 2019
আত্মহত্যা বিরোধী দিবস উদযাপন
 

১০ সেপ্টেম্বর ছিল বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবস। এই উপলক্ষ্যে মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়াদের একত্রিত করে শোভাবাজার মেট্রো স্টেশনের সামনে আত্মহত্যা বিরোধী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।  
বিশদ

19th  September, 2019
বিএমবিড়লায় প্রাণ বাঁচানোর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি 

বারবার বুকে ব্যথা হয়েই চলেছিল পঞ্চাশোর্ধ্ব এক রোগীর। রোগী বিশ্রামরত অবস্থাতে থাকলেও বুকে এমন ব্যথা হতো। এমনকী শেষ কদিনে অ্যান্টি অ্যানজাইনাল ওষুধও আর কাজ করছিল না। অথচ কয়েকমাস আগেই তিনি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করিয়েছিলেন।  
বিশদ

19th  September, 2019
বোন অ্যান্ড জয়েন্ট ক্লিনিকের অনুষ্ঠান 

চতুর্থ প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বোন অ্যান্ড জয়েন্ট ক্লিনিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল অভিনব উদ্যোগ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে ২৫ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম ও দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। 
বিশদ

19th  September, 2019
তারাপিঠে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির 

কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে তারাপিঠ মন্দিরের কাছে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। বাম তারা অর্চনম ট্রাস্ট পরিচালিত এই শিবিরে কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।  
বিশদ

19th  September, 2019
নারায়ণা হাওড়ায় হার্টের বিরল চিকিৎসা 

‘ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে’ উপলক্ষ্যে হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের তরফে প্রেস ক্লাবে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সম্প্রতি হাসপাতালে বিরল কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   বিশদ

19th  September, 2019
 পুজোয় বেড়াতে গেলে
কী কী ওষুধ রাখবেন?
ডাঃ আশিস মিত্র ( মেডিসিন বিশেষজ্ঞ)

 সারা বছরের ধকল কাটাতে পুজোর ছুটিতে বাইরে বেড়াতে যাওয়া বাঙালির সংখ্যা নেহাত কম নয়। শরতের আবাহাওয়ায় পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। আর সেই অপরূপ সাজ চাক্ষুষ করতে ভ্রমণ পিপাসুরা দলে পৌঁছে যান প্রকৃতির কোলে। বুনে ফেলেন নতুন অভিজ্ঞতার স্মৃতি।
বিশদ

12th  September, 2019
 হোমিওপ্যাথিক ওষুধ
ডাঃ দেবর্ষি দাস ( হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক)

 বাঙালি আর বেড়ানো এই দুই শব্দকে কখনওই আলাদা করা যায় না। কিন্তু বেড়াতে গিয়ে শরীর খারাপ হলে প্রকৃতি দর্শনের পুরো আনন্দটাই মাটি। আর এই বেড়ানোর আনন্দটা যাতে কোনওভাবেই নিরানন্দে পরিণত না হয় তাই বেড়াতে যাবার ব্যাগ গোছানোর সময় অবশ্যই কিছু জরুরি ওষুধ ব্যাগে নিতে হবে। দরকারে এগুলো ভীষণ উপযোগী এবং বেড়ানোটাকে নির্ঝঞ্ঝাট রাখতে পারে। বিশদ

12th  September, 2019
 শিশুদের সমস্যায়
ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী ( শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ)

  বর্ষার শেষ আর শরতের আগমন মানেই বাঙালির এক বছরের অপেক্ষার অবসান। মা দুর্গার আগমনীবার্তায় যখন আকাশ-বাতাসে খুশির সুর, ঘরকুনো বাঙালিও তাঁর বদনাম ঘোচাতে হয়ে ওঠে ভ্রমণ পিপাসু। পাহাড় থেকে সমুদ্র, অরণ্য থেকে সমতল— এই সময়টাতে সর্বত্র আমাদের অবাধ বিচরণ।
বিশদ

12th  September, 2019
 ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক কলেজের পুনর্মিলন উৎসব

  শিয়ালদহের কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল প্রেক্ষাগ্রৃহে অনুষ্ঠিত হল ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের বার্ষিক পুনর্মিলন উৎসব। আয়োজক ছিল ওই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি। উৎসবের সূচনা করেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (যোগোদদান) অধ্যক্ষ স্বামী বিমলাৎমানন্দজী মহারাজ।
বিশদ

12th  September, 2019
মাতৃভবন হাসপাতালে ল্যাপেরোস্কোপি

  আধুনিক ল্যাপেরোস্কোপি ও হিস্টেরেস্কোপির পদ্ধতিতে পেটের উপর শুধুমাত্র কয়েকটি ছিদ্র করে অপারেশন করা হচ্ছে। এরফলে রোগীর ব্যথা বেদনা কম হওয়া, অপারেশনের ঝুঁকি কম থাকা সহ আরও অনেক সুবিধে রয়েছে। কিন্তু খরচের কারণে অনেকেই এই সার্জারির সুবিধে নিতে পারেন না।
বিশদ

12th  September, 2019
গঙ্গা হাসপাতাল 

তামিলনাড়ুর কোয়াম্বাটুরের গঙ্গা মেডিক্যাল সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালের তরফে সল্টলেকে রিকনস্ট্রাকটিভ মাইক্রোসার্জারি, আগুনে পোড়া, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্লাস্টিক সার্জারি ইত্যাদি চিকিৎসার নয়া কেন্দ্র চালু হল।   বিশদ

05th  September, 2019
তামাকমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির 

গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস ২০১৭) অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে রোজ তামাকের নেশায় পা দিয়ে চলেছে ৪৩৮টি শিশু! রাজ্য জুড়ে যে হারে শিশুরা তামাকের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে তা যথেষ্ট চিন্তায় রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরকে।   বিশদ

05th  September, 2019
মেডিকার সেন্টার ফর লিভার ডিজিজ 

লিভারের রোগের চিকিৎসা এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ক্ষেত্রে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে মেডিকা হাসপাতালে শুরু হল সেন্টার ফর লিভার ডিজিজ ক্লিনিক। লিভারের চিকিৎসার সঙ্গে প্যাংক্রিয়াস ও গল ব্লাডারের রোগেরও চিকিৎসা হবে সেখানে।  বিশদ

05th  September, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুক্রবার সকালে সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিলের পরিত্যক্ত ক্যান্টিন থেকে নিখোঁজ থাকা এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্বার হল। তাঁর নাম সুভাষ রায় (৪৫)। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: চলতি ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে দেশের মাইক্রো-ফিনান্স ইন্ডাস্ট্রি ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার গণ্ডি অতিক্রম করবে। স্ব-ধন ‘ভারত মাইক্রো-ফিনান্স রিপোর্ট, ২০১৯’-এ প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। ...

 গুয়াহাটি, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): এনআরসির বিরোধিতায় শুক্রবার অসমজুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ধ পালন করা হয়। অল কোচ রাজবংশী স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (একেআরএসইউ)-এর ডাকা ওই বন্঩ধে এদিন স্বাভাবিক ...

 ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার রাস্তায় ফের প্রকাশ্যে বন্দুকবাজের তাণ্ডব। গুলিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ কলম্বিয়া হাইটস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। জায়গাটি হোয়াইট হাউস থেকে খুব বেশি দূরে নয় বলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM