Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

হাইপোস্কিল্লিয়া
এখন অভাব রোগ ধরার দক্ষতাতেই 

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে একটি দুর্ভাগ্যজনক বিষয়ের জন্য আমরা চিকিৎসকরাই দায়ী। আর এই নির্দিষ্ট কারণে বহু রোগীও নিত্যদিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রশ্ন হল, কী সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? বিষয়টিকে হাইপোস্কিল্লিয়া বলা হয়। অর্থাৎ চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল স্কিল কম থাকা। আরও সহজ করে বললে, অসুখের উপসর্গ দেখে রোগ সম্বন্ধে অনুমান করার পারদর্শিতা কম থাকা। এই ধরনের চিকিৎসকদের হাইপোস্কিল্লিয়াক্স বলা হয়। বলতে কোনও অসুবিধে নেই, প্রতিবছর মেডিক্যাল কলেজগুলি থেকে অসংখ্য হাইপোস্কিল্লিয়াক্স বেরিয়ে আসছেন। এই চিকিৎসকরা রোগীর অসুখের ইতিহাস নেন না, রোগীর জরুরি শারীরিক পরীক্ষাও প্রায় করেন না, নিজেদের বিচারবুদ্ধি কাজে লাগিয়ে তথ্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণও করেন না। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসা পরিকল্পনাও সঠিক পদ্ধতিতে গড়ে তুলতে পারেন না। পাশাপাশি রোগী ও তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে ঠিকভাবে কথাও বলেন না।
এখন চিকিৎসকরা রোগীর অসুখ সম্বন্ধে বিশদে জানার জন্য প্রয়োজনীয় সময়টুকুও ব্যয় করেন না। কারণ তাঁরা তাড়াতাড়ি কাজ সারতে চান। সময়ের অভাবে রোগীর অসুখের ইতিহাসটাই অজানা রয়ে যায়। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের রোগ পরীক্ষা সম্বন্ধে গভীরে জানেন। কিন্তু অনেকসময় কখন কোন টেস্ট করাতে হবে বা সেই টেস্টের রিপোর্টগুলিকে বিশ্লেষণই করতে পারেন না। বেশিরভাগক্ষেত্রেই তাঁরা সংখ্যার উপর বেশি জোর দেন। তাই রোগীর বদলে রোগীর রিপোর্টের চিকিৎসা চলে। এই অদ্ভুত পরিস্থিতি গড়ে তোলার পিছনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা পরিচালনকারীদেরও দোষ কম নয়। তাঁর চান, একজন চিকিৎসক কম সময়ের মধ্যে সর্বাধিক পরিমাণে রোগী দেখুক। তাই চিকিৎসকদের শুধু দায়ী করে লাভ নেই।
কোনও চিকিৎসকের ক্লিনিক্যাল স্কিল কম থাকা একটি জটিল ও দীর্ঘকালীন সমস্যা। অসম্পূর্ণ শিক্ষাই এই সমস্যার মূল কারণ। এই হিসেবে দেখলে, আমরা যাঁরা মেডিক্যাল কলেজে পড়াই তাঁরাও এই সমস্যার জন্য দায়ী।
তাহলে কেন আমরা জেনেবুঝে আমাদের পড়ুয়াদের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে অবহেলা করতে শেখাই? এই প্রশ্নের উত্তরের দু’টি দিক রয়েছে বলে আমার মনে হয়। প্রথমত, সামগ্রিকভাবে গোটা সমাজের মুল্যবোধ ও অগ্রাধিকার বদলেছে। উদাহরণ হিসেবে বলি, ১৯৫০-এর দশকে আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখন কঠোর শ্রম, আত্মমর্যাদা, কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা, দায়বদ্ধতা এবং শ্রেষ্ঠত্বর পিছনে ধাওয়া করাটাই ছিল নিয়ম। আর এখন নির্দিষ্ট সময় কাজ করা, নিজের ব্যক্তিগত লাভ, নিজেকে পলিটিক্যালি কারেক্ট রাখার মতো কাজগুলিতেই সবাই ব্যস্ত থাকে। আত্মমর্যাদা এবং দায়বদ্ধতা প্রায় হারিয়ে গিয়েছে। তার ফল হিসেবে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রায় সকলেই নিজেদের মাঝারি মান নিয়েই বেশ খুশিতে রয়েছেন।
উত্তরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বলব, শিক্ষকরা তেমন শিক্ষাই দিচ্ছেন যা তাঁরা নিজেরা পেয়েছেন। আজকের বেশিরভাগ মেডিক্যাল শিক্ষকরাই ৭০ দশকের আগে-পিছু প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। সেই সময়েই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার চিকিৎসাবিজ্ঞানে খুব বেশি মাত্রায় শুরু হয়। তাই তাঁরা নিজেরা প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসা করতে শিখেছেন। এই বিষয়টিকে হাই-টেক মেডিসিন হিসেবে দেখা হয়। আর তাঁরা নিজেরা যেই পদ্ধতিতে শিক্ষিত, আজ নিজেদের ছাত্রছাত্রীদেরও সেই হাই-টেক মেডিসিন শিক্ষাই দিয়ে চলেছেন। অনেক শিক্ষক নিজেরাও হাই-টাচ মেডিসিন বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেননি।
এবার প্রশ্ন আসতে পারে, হাই-টাচ মেডিসিন বিষয়টি কী? উত্তর হল, রোগীর অসুখের ইতিহাস জেনে এবং রোগীর যথাযথ শারীরিক পরীক্ষা করে একজন চিকিৎসক অনেক তথ্য পান। এই তথ্যগুলিকে চিকিৎসক নিজের বিচারবুদ্ধির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেন। তথ্যের বিশ্লেষণ করার পর দেখতে হয় আদৌ কোনও রোগ পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে কি না। এবার রোগ পরীক্ষার প্রয়োজন হলে প্রথমে সহজ পরীক্ষাগুলি আগে করাতে হয়। এই গোটা বিষয়টিই হল হাই-টাচ মেডিসিন।
অন্যদিকে হাই-টেক মেডিসিন-এর ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই চিকিৎসক রোগীর অসুখের ইতিহাস জানতে চান না এবং জরুরি শারীরিক পরীক্ষাগুলিও এড়িয়ে যান। এক্ষেত্রে চিকিৎসক সরাসরি রোগীর কাছ থেকে মূল সমস্যার কথা জানতে চান। তারপর সেই সমস্যার বিষয়ে জানতে একগাদা রোগ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
যেহেতু হাই-টেক মেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা রোগীর কাছ থেকে অসুখের ইতিহাস জানেন না এবং রোগীর শারীরিক পরীক্ষাও করেন না, এই কারণে চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে নিবিড় সম্পর্কও গড়ে ওঠে না। অন্যদিকে হাই-টাচ মেডিসিন পদ্ধতিতে চিকিৎসক রোগীর মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার অর্থ— রোগ নয়, আমরা রোগীর চিকিৎসা করছি।
অর্থাৎ আধুনিক প্রযুক্তি যেমন রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে, ঠিক তেমনই চিকিৎসকদের অনেকাংশে মানসিকভাবে অলস করে দিয়েছে। প্রুযুক্তির উপর বিশ্বাস রাখতে রাখতে তাঁরা নিজেদের সর্বোত্তম হাতিয়ার মস্তিষ্কের ব্যবহারই কমিয়ে এনেছেন। তবে এই সমস্যার সমাধান কোথায়? সমাধান বেশ কঠিন। গোটা চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকেই নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে। আমাদের এমন শিক্ষক চাই যাঁদের ভালো ক্লিনিক্যাল স্কিল রয়েছে, যাঁরা রোগীর অসুখের ইতিহাস নেওয়া শেখাবেন, যাঁরা রোগীর যথাযথ শারীরিক পরীক্ষা করতে শেখাবেন, যাঁরা কোন রোগ পরীক্ষা কখন করতে হবে সেই হিসেব জানেন, যাঁরা রিপোর্টের ফলাফল বিশ্লেষণ করা শেখানোর মতো আরও অনেক জরুরি কাজ করতে পারবেন। সর্বোপরি পড়ুয়াদের ভালো মূল্যবোধ তৈরি করার শিক্ষক চাই। পাশাপাশি ক্লাস রুমের বদলে আরও বেশি করে রোগীর মধ্যে পড়ুয়াদের ক্লাস নিতে হবে। হাতেকলমে তাঁদের আরও পক্ত করে তোলা দরকার। এভাবেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
(ধন্যবাদন্তে ডাঃ অখিল কে সঙ্গল)
অনুবাদক: সায়ন নস্কর 
04th  July, 2019
মোবাইল, ল্যাপটপ, টিভি
বাচ্চাদের কতটা ক্ষতি করছে?

‘টেলিভিশন, মোবাইলে তো কতই জানার জিনিস থাকে’ এই বলে বেচারি অরিত্র দেখা শুরু করেছিল টেলিভিশনের জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রোগ্রাম! আজ তার ১২ বছর বয়সে, বাবা-মা তাকে নিয়ে ছুটছেন ডাক্তারের কাছে। টেলিভিশনের নেশায় তার লেখাপড়া লাটে উঠেছে। লুকিয়ে লুকিয়ে সে রাতে বাবা-মা’র মোবাইল থেকে টেলিভিশনের প্রোগ্রাম দেখতে শুরু করেছে।
বিশদ

18th  July, 2019
বাসন মাজলে কমে মানসিক চাপ

বিভিন্ন কারণে সবাই কমবেশি মানসিক চাপে ভুগছেন। শরীরেও এর কু-প্রভাব পড়ে। উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে অনিদ্রা, হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, এমনকী স্নায়ুর নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে উদ্বেগ বা মানসিক চাপ আগে দূর করা দরকার।
বিশদ

18th  July, 2019

এক পাত্রে মিলেমিশে খাওয়া নয়

কাউকে ভালোবাসেন ভালো কথা, কিন্তু তাঁর শরীরে বসবাস করা রোগ-জীবাণুর প্রতি কি ভালোবাসা থাকা উচিত? একেবারেই না। যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটির খাদ্যবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডাউসন বলেছেন, আমরা নিজেদের অজান্তেই বহু বিপজ্জনক কাজ করে চলি।
বিশদ

18th  July, 2019
 নারায়ণা হাওড়ায় পেট সিটি স্ক্যান

নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, হাওড়ায় চালু হল পেট সিটি স্ক্যান। সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পোজিট্রন এমিশন টোমোগ্রাফি (পেট) টেস্টে রেডিওট্রেসার নামে এক ধরনের রেডিওঅ্যাক্টিভ পদার্থ, একটি বিশেষ ধরনের ক্যামেরা এবং একটি কম্পিউটারের সাহায্যে শরীরের অঙ্গ বা কোষের কার্যকারিতার মূল্যায়ন করা হয়।
বিশদ

18th  July, 2019
 আই কিউ সিটি’র জনকল্যাণ প্রকল্প

 মণিদেবী ঝুনঝুনওয়ালা জনকল্যাণ ট্রাস্ট এবং দুর্গাপুরের আই কিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাম জনকল্যাণ প্রকল্প। বিশদ

18th  July, 2019
মুখের ক্যান্সার সচেতনতায় 

 অ্যাসোসিয়েশন অব ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জেন অব ইন্ডিয়া (এওএমএসআই) ৫০ বছর পূর্ণ করল। এই উপলক্ষে সংস্থার রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে গোলপার্ক অঞ্চলে একটি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

18th  July, 2019
 শিশুদের বাঁকা পায়ের চিকিৎসা

কিছু শিশুর জন্মগত পায়ের গঠন বাঁকা থাকে। এই সমস্যার নাম হল ক্লাবফুট প্রবলেম বা চক্রপদ সমস্যা। তবে এখনও মানুষের মধ্যে ক্লাবফুট নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছর এর চিকিৎসায় সাফল্যের হারও ছিল কম।
বিশদ

18th  July, 2019
 আই কিউ সিটি’র জনকল্যাণ প্রকল্প

  মণিদেবী ঝুনঝুনওয়ালা জনকল্যাণ ট্রাস্ট এবং দুর্গাপুরের আই কিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাম জনকল্যাণ প্রকল্প।
বিশদ

18th  July, 2019
ফুলে কীটনাশক, শিশুদের বিপদ!

ফুল সবাই ভালোবাসলেও, ফুল থেকেই হতে পারে ভয়ানক বিপদ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের ফুলবাগান সন্নিহিত এলাকায় বসবাসরত ছেলেমেয়েদের ওপর গবেষণা করেছেন। বিশদ

18th  July, 2019
 ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু ও এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

ডেঙ্গু জ্বর ভেক্টর বাহিত একটি গুরুতর সংক্রমণ যা চারটি ভিন্ন ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাস সংক্রমিত হয় এডিস ইজিপটাই মশার দ্বারা। ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাসটির চারটি সেরোটাইপ রয়েছে। ডেন-১, ২, ৩ এবং ৪।
বিশদ

11th  July, 2019
 ডেঙ্গু ও এনকেফেলাইটিসের মশা চিনুন

 এডিস ইজিপ্টাই এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ভারত সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় এই দু’ধরনের মশার দেখা মেলে। এছাড়াও পানামা, মেক্সিকো এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও এই দু’ধরনের মশা দেখতে পাওয়া যায়। বিশদ

11th  July, 2019
মনের সুস্থতায় ফর্টিসের উদ্যোগ

ফর্টিস হাসপাতাল আনন্দপুরের ডিপার্টমেন্ট অব মেন্টাল হেল্‌থ অ্যান্ড বিহেভিওয়াল সায়েন্সের পক্ষ থেকে একটি একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রায় ২০টি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
বিশদ

11th  July, 2019
বিধান ভবনে বিধান স্মরণ 

ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যু দিনে তাঁকে স্মরণ করে বর্তমান সমাজে তিনি আরও কত বেশি প্রাসঙ্গিক তা বোঝানোর জন্যেই এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সম্প্রতি বিধান ভবনে বিধান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত এই আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন এই ট্রাস্টেরই চেয়ারম্যান সোমেন মিত্র। 
বিশদ

04th  July, 2019
হোমিও প্রতিষ্ঠানেও পালিত যোগের দিন 

পঞ্চম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথিতে (সল্টলেক)। প্রতিষ্ঠানে এদিন সকাল সাড়ে নটা থেকেই ছাত্রছাত্রী এবং চিকিৎসকরা জমায়েত হন। এরপর সারাদিনে দু’টি পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীরা যোগার কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।  
বিশদ

04th  July, 2019
একনজরে
পল্লব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: তিনিই যোগ্যতম। বাণিজ্য শাখার স্কুল শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ২০০১ সালের ৩০ জুলাই। কিন্তু, কম যোগ্যতাসম্পন্নদের স্কুলে শিক্ষক পদে রেখে দেওয়া হলেও তাঁর চাকরি বিগত ১৮ বছরেও অনুমোদিত হয়নি। তাঁর মামলা সূত্রে দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক ...

 ভোপাল, ২০ জুলাই (পিটিআই): ভেজাল দুধের বড়সড় চক্রের পর্দা ফাঁস করল মধ্যপ্রদেশ পুলিস। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে শনিবার এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ৬২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। ...

  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...

সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ড্রেনের মধ্যে প্লাস্টিকে মোড়া শিশুকন্যা, টেনে তুলল কুকুর
প্লাস্টিকে মোড়া পুঁটলিটা ড্রেন থেকে টেনে রাস্তায় এনেই তারস্বরে চেঁচাতে ...বিশদ

08:30:00 AM

 ছুটির দিন হলেও আজ যানজটের শঙ্কা
রবিবার ছুটির দিন হলেও, ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবস উপলক্ষে ...বিশদ

08:28:29 AM

মাতৃদুগ্ধ প্রদানের ঘর তাজমহলে 
লক্ষ লক্ষ মানুষ শাহজাহানের তৈরি প্রেম সমাধি তাজমহল দেখতে আসেন। ...বিশদ

08:25:00 AM

বৃদ্ধ আইফেল 
প্যারিসের অন্যতম আকর্ষণ আইফেল টাওয়ার। ৭৩০০ টন ওজনের ও ৩২৪ ...বিশদ

08:20:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮৯৯: মার্কিন ঔপন্যাসিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের জন্ম১৯৩০: গীতিকার আনন্দ বক্সির জন্ম১৯৩৪: ...বিশদ

08:19:09 AM

২১ জুলাই : যেসব রাস্তা এড়িয়ে চলবেন
* হাওড়া স্টেশন থেকে মিছিল স্ট্র্যান্ড রোড, কিংসওয়ে, মেয়ো রোড, ...বিশদ

08:11:02 AM