Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

ডাঃ বিধান রায়ের ঘরানার চিকিৎসার দিন কি শেষ? 

১ জুলাই ধুমধাম করে দেশজুড়ে পালিত হল দিকপাল চিকিৎসক ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও প্রয়াণদিবস। আলোচনা, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, স্মৃতিচারণা সবই হল। কিন্তু, অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গটিই বহুক্ষেত্রে এড়িয়ে যাওয়া হল না কি? মানুষের মুখে মুখে যে আজও ঘোরে তাঁর নাড়ি টিপে রোগী দেখা আর দূর থেকে দেখেই রোগ বলে দেওয়ার প্রায় অবিশ্বাস্য সব কাহিনি। অনেকে বলেন, আজকের চিকিৎসা বইছে ঠিক উল্টো খাতে। অনেকটাই যন্ত্রনির্ভর, রক্ত ও রোগপরীক্ষা নির্ভর। আলোচনায় প্রবীণ ফিজিশিয়ান ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায়।

আমিও শুনেছি আগেকার দিনে চিকিৎসকরা নাড়ি ধরে, গতি বুঝে রোগ বলে দিতেন! সেসব দেখার সৌভাগ্য আমার হয়নি। তবে আমি যে সময়ে বড় হয়েছি সেই সময়ে, চিকিৎসকের কাছে রোগীর কথা শোনা, রোগীকে ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখা জরুরি বিষয় ছিল। কিন্তু একটা বিষয় বুঝতে হবে, আমার ছোটবেলার সময়েও, চিকিৎসাব্যবস্থা আজকের মতো উন্নত হয়নি। আর উন্নত ছিল না বলেই চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘অ্যাকুইটি অব অবজারভেশন’ খুব গুরত্বপূর্ণ ছিল। অর্থাৎ তীক্ষ্ণভাবে একজন মানুকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা করা। ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় এই পর্যবেক্ষণ এবং অসুখ ধরার দক্ষতাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
এমনকী আমরা যখন ডাক্তারির পরীক্ষা দিয়েছিলাম তখন ‘স্পট ডায়াগনোসিস’ নামে আলাদা করে পরীক্ষা দিতাম। অর্থাৎ রোগীকে শুধু চোখে দেখে বলতে হবে কী অসুখ হয়েছে! আমাদের খুব সতর্ক হয়ে রোগীর কথা বলার ভঙ্গি, হাঁটাচলার ধরন, মুখের গঠন দেখতে হতো। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। ধরা যাক একটা ঘরে চিকিৎসক বসে আছেন। রোগী ঢুকলেন সেই ঘরে। দেখা গেল রোগী ভারসাম্যহীনভাবে হাঁটছেন। তার হাত কাঁপছে। বোঝা গেল তাঁর পারকিনসনস হয়েছে। এমনকী এভাবে শুধু মুখ দেখে হাইপোথাইরয়েডিজম নির্ণয় করতে হয়েছে আমাদের! হাতের নড়াচড়া ভঙ্গি দেখে পক্ষাঘাতের সমস্যাও নির্ণয় করেছি।
অগ্রজ শিক্ষক চিকিৎসকের কাছেই শিখেছি, চিকিৎসা শাস্ত্রে পর্যবেক্ষণ অতি জরুরি একটা ব্যাপার। কারণ, প্রত্যেক মানুষ আলাদা। একই অসুখ পাঁচটি ভিন্ন মানুষের হলে, তাদের চিকিৎসা করা ও সারিয়ে তোলার ক্ষেত্রেও ভিন্ন ভাবে ভাবতে হবে। তার জীবনযাত্রার ধরন সম্পর্কেও জানতে হবে। সেই বুঝে পরামর্শ দিতে হবে।
একটা কথা বুঝতে হবে, আমাদের দেশে ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ বাস করেন। সেই অনুযায়ী বদলে যায় খাদ্যাভাস ও রীতি রেওয়াজ। এমনকী আর্থসামাজিক পরিবেশের হেরফেরে বদল ঘটে জীবনচর্চার। ফলে রোগীর সঙ্গে কথা বলে জানতে হবে ঠিক কোন কারণে তাঁর শারীরিক সমস্যা হচ্ছে! অনেকসময় জীবনপ্রণালীর, রোজকার কিছু খাদ্যাভ্যাস থেকেও শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। তাই রোগীকে ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসকের কর্তব্য, ওই রোগীকে তার জীবনযাত্রার সমস্যার দিকগুলি সম্পর্কেও অভিহিত করা। নইলে শুধু রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা করলে আর চিকিৎসকের প্রয়োজন কী! কতকগুলি যন্ত্র থাকলেই কাজ মেটে। আর একটা কথা— চিকিৎসককে বুঝতে হবে যে কেউ কোনও বিষয়ে সংবেদনশীলতা প্রকাশ করছেন মানেই তাকে সেই বিষয়ে রোগ নির্ণয়ক পরীক্ষা করাতে দিতে হবে এমন নয়। অর্থাৎ কোনও রোগী এসে কিছু লক্ষণের কথা বললেন যা শুনে চিকিৎসক সুগার টেস্ট করাতে দিলেন। পাশাপাশি রোগী বললেন, মনে হচ্ছে নাকটা অবশ হয়ে যাচ্ছে! নাক দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস ধীর গতিতে চলছে! আর তাই শুনে চিকিৎসক এমআরআই করাতেও দিয়ে দিলেন। এমন হলে চলবে কেন! পরে তো ওই রোগী বলবেন, চিকিৎসক বিনা কারণে গুচ্ছের টেস্ট দিলেন! এখানেই আসে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণের গুরত্ব। কাকে কোন পরীক্ষা করাতে দেওয়া দরকার আর কতটুকু কাউন্সেলিং-এ কাজ হবে, তা চিকিৎসককে স্থির করতে হবে। কথা বললে চিকিৎসকের প্রতি রোগী বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে বই কমে না।
প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে কি পরীক্ষার কোনও মূল্য নেই!
না তা কখনই নয়। ক্লিনিক্যাল অবজারভেশন এবং আধুনিক পরীক্ষা পাশাপাশি চলুক। তাতেই মানুষের কল্যাণ। কারণ চিকিৎসক রোগীর রোগ লক্ষণ শুনে অসুখ সম্পর্কে ধারণা করছেন। কিন্তু তাঁর ধারণা যে সঠিক তা যাচাই করার জন্যই দরকার ল্যাবরেটরির পরীক্ষা!
এই যে আমরা আগেকার দিনে নাড়ি টিপে রোগ নির্ণয় করার কথা বলছিলাম, হয়তো সত্যিই তখন পালস গুণে চিকিৎসক বলতেন রোগীর টাইফয়েড হয়েছে না ডেঙ্গু হয়েছে। সেই বুঝে ওষুধও দিতেন। কিন্তু সেইসব রোগীদের মধ্যে সবাই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এমন নিশ্চয় নয়। কারও কারও ক্ষেত্রে রোগনির্ণয়ে ভুল হওয়া আশ্চর্য নয়। কারণ সেই যুগে রোগনির্ণয়ক পরীক্ষার প্রযুক্তি ছিল অমিল। ফলে ভুল-ঠিক যাচাই করার কোনও উপায় ছিল না। কিন্তু আজ আছে। আর আছে যখন, তখন প্রযুক্তির সাহায্য না নেওয়ার কোনও অর্থ হয় বলে মনে হয় না।
একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উদাহরণ দিই। এক রোগীকে পরীক্ষা করে কিছুতেই রোগ ধরা যাচ্ছে না। দু’সপ্তাহ-তিন সপ্তাহ ধরে জ্বর আছে। অনেক টেস্ট করেও রোগ ধরা যাচ্ছে না। শেষে বোন ম্যারো পরীক্ষা করে দেখা গেল টিউবারক্যুলোসিস এর জীবাণু রয়েছে! বিরল ধরনের টিবি! উন্নত রোগনির্ণয়ক পরীক্ষা ব্যবস্থা না থাকলে আমরা রোগীর এই অসুখ ধরতে পারতাম না! অতএব রোগনির্ণয়ক পরীক্ষার দরকার অবশ্যই রয়েছে।
এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা আরও আধুনিক হচ্ছে। ভবিষ্যতে জিন পরীক্ষা করেও বলে দেওয়া সম্ভব হবে সম্ভাব্য অসুখ সম্পর্কে! তাহলে কী আমরা সেসব জানব না? মুখ ফিরিয়ে থাকব প্রযুক্তির উন্নতি থেকে!
আসলে বর্তমান পরিস্থিতিও খুব ভালো নয়। চিকিৎসকেরও কিছু করার থাকছে না। কারণ ‘মেডিক্যাল এরর’ যে থাকতে পারে তা মানুষ মেনে নিতে পারছেন না। তাই রোগীর মৃত্যু হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের দিকে আঙুল উঠছে! তারপর মামলা-মকদ্দমা! সামাজিক সম্মানহানি! চিকিৎসকও তাই কোনও ত্রুটি রাখতে চাইছেন না। রোগী সামান্য সমস্যার কথা বললেও টেস্ট করাতে দিচ্ছেন। কেই বা বিনা কারণে সমস্যায় পড়তে চায়?
অতএব রোগীকেও বুঝতে হবে চিকিৎসক ঈশ্বর নন। তিনি তার জ্ঞানগম্যি দিয়ে সর্বতোভাবে রোগীকে সারিয়ে তুলতে চান। আর সেজন্য যতরকম চেষ্টা করা যায় তিনি করেন। এই বিশ্বাসটুকু রোগী চিকিৎসকের উপর রাখা দরকার। তাহলেই এই গুচ্ছের টেস্ট দেওয়ার অভিযোগগুলোও ধীরে ধীরে কমে আসবে। চিকিৎসক-রোগীর সম্পর্কও সুস্থির হবে।
অনুলিখন: সুপ্রিয় নায়েক  
04th  July, 2019
মোবাইল, ল্যাপটপ, টিভি
বাচ্চাদের কতটা ক্ষতি করছে?

‘টেলিভিশন, মোবাইলে তো কতই জানার জিনিস থাকে’ এই বলে বেচারি অরিত্র দেখা শুরু করেছিল টেলিভিশনের জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রোগ্রাম! আজ তার ১২ বছর বয়সে, বাবা-মা তাকে নিয়ে ছুটছেন ডাক্তারের কাছে। টেলিভিশনের নেশায় তার লেখাপড়া লাটে উঠেছে। লুকিয়ে লুকিয়ে সে রাতে বাবা-মা’র মোবাইল থেকে টেলিভিশনের প্রোগ্রাম দেখতে শুরু করেছে।
বিশদ

18th  July, 2019
বাসন মাজলে কমে মানসিক চাপ

বিভিন্ন কারণে সবাই কমবেশি মানসিক চাপে ভুগছেন। শরীরেও এর কু-প্রভাব পড়ে। উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে অনিদ্রা, হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, এমনকী স্নায়ুর নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে উদ্বেগ বা মানসিক চাপ আগে দূর করা দরকার।
বিশদ

18th  July, 2019

এক পাত্রে মিলেমিশে খাওয়া নয়

কাউকে ভালোবাসেন ভালো কথা, কিন্তু তাঁর শরীরে বসবাস করা রোগ-জীবাণুর প্রতি কি ভালোবাসা থাকা উচিত? একেবারেই না। যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটির খাদ্যবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডাউসন বলেছেন, আমরা নিজেদের অজান্তেই বহু বিপজ্জনক কাজ করে চলি।
বিশদ

18th  July, 2019
 নারায়ণা হাওড়ায় পেট সিটি স্ক্যান

নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল, হাওড়ায় চালু হল পেট সিটি স্ক্যান। সংস্থার পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পোজিট্রন এমিশন টোমোগ্রাফি (পেট) টেস্টে রেডিওট্রেসার নামে এক ধরনের রেডিওঅ্যাক্টিভ পদার্থ, একটি বিশেষ ধরনের ক্যামেরা এবং একটি কম্পিউটারের সাহায্যে শরীরের অঙ্গ বা কোষের কার্যকারিতার মূল্যায়ন করা হয়।
বিশদ

18th  July, 2019
 আই কিউ সিটি’র জনকল্যাণ প্রকল্প

 মণিদেবী ঝুনঝুনওয়ালা জনকল্যাণ ট্রাস্ট এবং দুর্গাপুরের আই কিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাম জনকল্যাণ প্রকল্প। বিশদ

18th  July, 2019
মুখের ক্যান্সার সচেতনতায় 

 অ্যাসোসিয়েশন অব ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জেন অব ইন্ডিয়া (এওএমএসআই) ৫০ বছর পূর্ণ করল। এই উপলক্ষে সংস্থার রাজ্য শাখার পক্ষ থেকে গোলপার্ক অঞ্চলে একটি পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশদ

18th  July, 2019
 শিশুদের বাঁকা পায়ের চিকিৎসা

কিছু শিশুর জন্মগত পায়ের গঠন বাঁকা থাকে। এই সমস্যার নাম হল ক্লাবফুট প্রবলেম বা চক্রপদ সমস্যা। তবে এখনও মানুষের মধ্যে ক্লাবফুট নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছর এর চিকিৎসায় সাফল্যের হারও ছিল কম।
বিশদ

18th  July, 2019
 আই কিউ সিটি’র জনকল্যাণ প্রকল্প

  মণিদেবী ঝুনঝুনওয়ালা জনকল্যাণ ট্রাস্ট এবং দুর্গাপুরের আই কিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাম জনকল্যাণ প্রকল্প।
বিশদ

18th  July, 2019
ফুলে কীটনাশক, শিশুদের বিপদ!

ফুল সবাই ভালোবাসলেও, ফুল থেকেই হতে পারে ভয়ানক বিপদ। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরের ফুলবাগান সন্নিহিত এলাকায় বসবাসরত ছেলেমেয়েদের ওপর গবেষণা করেছেন। বিশদ

18th  July, 2019
 ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু ও এনকেফেলাইটিসের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

ডেঙ্গু জ্বর ভেক্টর বাহিত একটি গুরুতর সংক্রমণ যা চারটি ভিন্ন ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হয়। এই ভাইরাস সংক্রমিত হয় এডিস ইজিপটাই মশার দ্বারা। ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী ভাইরাসটির চারটি সেরোটাইপ রয়েছে। ডেন-১, ২, ৩ এবং ৪।
বিশদ

11th  July, 2019
 ডেঙ্গু ও এনকেফেলাইটিসের মশা চিনুন

 এডিস ইজিপ্টাই এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর ভাইরাস মানুষের দেহে প্রবেশ করে। ভারত সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় এই দু’ধরনের মশার দেখা মেলে। এছাড়াও পানামা, মেক্সিকো এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও এই দু’ধরনের মশা দেখতে পাওয়া যায়। বিশদ

11th  July, 2019
মনের সুস্থতায় ফর্টিসের উদ্যোগ

ফর্টিস হাসপাতাল আনন্দপুরের ডিপার্টমেন্ট অব মেন্টাল হেল্‌থ অ্যান্ড বিহেভিওয়াল সায়েন্সের পক্ষ থেকে একটি একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রায় ২০টি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
বিশদ

11th  July, 2019
বিধান ভবনে বিধান স্মরণ 

ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যু দিনে তাঁকে স্মরণ করে বর্তমান সমাজে তিনি আরও কত বেশি প্রাসঙ্গিক তা বোঝানোর জন্যেই এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সম্প্রতি বিধান ভবনে বিধান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত এই আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন এই ট্রাস্টেরই চেয়ারম্যান সোমেন মিত্র। 
বিশদ

04th  July, 2019
হোমিও প্রতিষ্ঠানেও পালিত যোগের দিন 

পঞ্চম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথিতে (সল্টলেক)। প্রতিষ্ঠানে এদিন সকাল সাড়ে নটা থেকেই ছাত্রছাত্রী এবং চিকিৎসকরা জমায়েত হন। এরপর সারাদিনে দু’টি পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীরা যোগার কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।  
বিশদ

04th  July, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন রাস্তায় গবাদিপশুর বিচরণ বেড়ে যাওয়া ব্যাপক সমস্যার পড়েছেন পথচলতি সাধারণ মানুষ। শহরের যত্রতত্র গোরু, ছাগল ঘোরাঘুরি করলেও সেসব ধরে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ...

  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...

পল্লব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: তিনিই যোগ্যতম। বাণিজ্য শাখার স্কুল শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ২০০১ সালের ৩০ জুলাই। কিন্তু, কম যোগ্যতাসম্পন্নদের স্কুলে শিক্ষক পদে রেখে দেওয়া হলেও তাঁর চাকরি বিগত ১৮ বছরেও অনুমোদিত হয়নি। তাঁর মামলা সূত্রে দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ওভারথ্রোয়ের নিয়ম বদলাতে পারে এমসিসি
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওভারথ্রো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নিয়ম বদল করা ...বিশদ

10:15:00 AM

  ইস্ট বেঙ্গলে জুনিয়র বিশ্বকাপার
ইস্ট বেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিলেন যুব ভারতীয় দলের স্ট্রাইকার অভিজিৎ ...বিশদ

09:28:53 AM

প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গেরাম গর্গ 

09:25:00 AM

তেলেঙ্গানার নালগোন্ডায় জামাইবাবুর গলা কেটে খুন করল শ্যালক 

09:22:00 AM

হায়দরাবাদের জুলজিক্যাল পার্কে একটি সিংহের মৃত্যু 

09:20:00 AM

‘সি সি’ না নিলে মিলবে না ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন
পুরসভার দেওয়া ‘কমপ্লিশন সার্টিফিকেট’ বা সিসি না দেখে ফ্ল্যাট কিনবেন ...বিশদ

09:19:10 AM