হ য ব র ল
 

গান গেয়ে, বই পড়ে কাটে অবসর 

গান ভালোবাসি
গান মানুষকে হাসাতে পারে। কাঁদাতে পারে। মন ভালো করে দিতে পারে। তাই অবসর পেলেই গান নিয়ে বসি। বড় ভালোবাসি গান। পাঁচ বছর বয়স থেকে গানের তালিম নিচ্ছি। এই গান আমায় সব কাজে উৎসাহ দেয়। গান গাইতে গাইতে হারিয়ে যাই নিজের মধ্যে। একদিন গান গাইতে না পারলে নিজেকে অসম্পূর্ণ লাগে। মনে হয় কী যেন একটা জরুরি কাজ আমার করা হয়নি। এই গান দিয়ে মানুষের অবসর সময়কে জয় করতে চাই।
চাই পৃথিবীতে নিজের গান ছড়িয়ে দিতে ।
দীপশিখা দাস, দশম শ্রেণি
লেখকের লাইফস্টাইলকে অনুসরণ করি
সময় কই সময় নষ্ট করার। প্রতিদিনের ইদুঁর দৌড়ে তাল মেলাতে গিয়ে আমাদের কাছে দুর্লভ বস্তু অবসর। তাই অবসর বড়ই মূল্যবান। অবসরের প্রকৃত ব্যবহারে আমি মনের বিকাশ ঘটাই বইয়ের পাতায়। অনুসরণ করি বিভিন্ন লেখকের লাইফস্টাইল এবং তাদের লেখালেখির ধরণ। তঁাদের বড় হওয়া এবং প্রতিষ্ঠা পাওয়া সংক্রান্ত ঘটনাগুলিকে যথাযথ গুরুত্ব দিই। ভবিষ্যতে আমার লেখক হওয়ার ইচ্ছে। তাই দেশ-বিদেশের লেখকদের বই পড়ে নিজের ভিত শক্ত করি।
রুশিল সেনগুপ্ত, দশম শ্রেণি
শুধুই বই পড়া
দশম শ্রেণিতে ওঠার পর আমাদের অবসর আর কোথায়? তবুও রবিবার দুপুরবেলা বা শনিবার স্কুল ছুটির পর যেটুকু সময় ফাঁকা পাওয়া যায় তাতেই নিজের পছন্দের কাজগুলি করি। পছন্দ আমার একটাই— শুধুই বই পড়া। বাড়ির পাশে ন্যাশনাল লাইব্রেরি। যখন তখন সেখানে চলে যাই আর ঘণ্টা দুয়েক কাটিয়ে দিই। বাড়ি ফেরার পর মায়ের বকুনি খাই। দুপুরগুলি চোখের নিমেষে কেটে যায় হ্যারি পটার বা... হোমসের সঙ্গে। কখনও বা হয়ে যাই ফেলুদার তোপসে। কিংবা অ্যালিসের সঙ্গে পাড়ি দিই ওয়ান্ডারল্যান্ডে। অবশ্য মা-বাবা বকলেও বই সবসময়ই আমার প্রিয় বন্ধু। বই পড়ার পাশাপাশি লেখালেখিটাও আমার আরেকটা শখ।
সৃজনী গুহ, দশম শ্রেণি
স্কুল থেকে ফিরেই মাঠে
অবসর মানেই ইচ্ছেপূরণ। সেই ইচ্ছে কিন্তু গদে বাঁধা নয়। একেবারে ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্কুল থেকে ফিরেই চলে যাই মাঠে খেলতে। নানা ধরনের খেলায় পা মেলাই। এক ফাঁকে সাইকেলে বার দুয়েক চক্কর কাটি। মন ভরে আকাশ ও প্রকৃতিতে উপভোগ করি। ছুটির দিনে গান, আঁকা, আবৃত্তি করি। তবে নিজের পড়া সময়মতো করে নেই। একটু রাতে দক্ষিণের বারান্দায় বসে রবীন্দ্রসংগীত ও নানা ধরনের আধুনিক গান শুনি।
অঙ্কিতা সাহা, সপ্তম শ্রেণি
গাছের সঙ্গে সময় কাটাই
বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৬টা। এই দেড় ঘণ্টা আমিই আমার অভিভাবক। এই সময়টা কাটাই গাছেদের সঙ্গে। আমার বাড়ির ফাঁকা জমিতে করি আমার সখের স্বপ্নপূরণ। বিভিন্ন নার্সারি থেকে গাছ, সার, টব কিনে কত রকমের যে গাছ লাগিয়েছি। তাতে যখন ফল, ফুল ধরে কী যে আনন্দ হয়। তবে ওদের পরিচর্যা করি নিজের হাতে। আর সেই গাছে যখন পাখি বসে, সেই পাখির ডাকে মন ভরে ওঠে। হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ওদের ভালোবাসা আমায় স্পর্শ করে। তবে পড়ার চাপে সময় কম পাই ওদের সঙ্গে সময় কাটানোর। মন তখন বিদ্রোহ করে বলে।—
‘মাগো আমায় ছুটি দিতে বল
সকাল থেকে পড়েছি যে মেলা...’
শাদিয়া খাতুন, অষ্টম শ্রেণি
নিজের মতো সময় কাটানোর চেষ্টা করি
নিজের রুটিন তৈরি নিজেই করি। তাই একটু সময় পাই নিজের মতো করে কাটানোর। তবে আমার অবসরে মা কিন্তু ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন। প্রচুর দুষ্টুমি করি যে। তবে একা নয়। আমার সাঙ্গপাঙ্গ আছে। বাড়িতে নতুন খাবার তৈরি হলেই টের পাই। ভাইদের বলে রাখি। আচার, মোয়া, নাড়ু চুরি করি। দলবল নিয়ে উঠে পড়ি ছাদে। পড়ন্ত বেলায় লাল থালার মতো সূর্যের ডুবে যাওয়ার দৃশ্য উপভোগ করি ওই খাবারের স্বাদ নিতে নিতে। তবে ধরা পড়লে বকুনি, মার কোনওটাই বাদ যায় না। কিন্তু ঠাকুরমার প্রশ্রয়ে কিছু সময়ের জন্য
রেহাই পাই।
মহুয়া দাস, নবম শ্রেণি


ক্রিকেট খেলি
খেলা। একমাত্র এই জিনিসটাতে আনন্দ পাই। আমাদের স্কুলে খেলার মাঠ নেই। তাই স্কুলের পর সময় পেলে খেলতে যাই। ক্রিকেট খেলি। তাই সব খেলোয়াড়ের খুঁটিনাটি মুখস্থ। আই পি এলের সব খেলাই দেখছি। তবে মাঠে গিয়ে দেখতে পারলে ভালো হত। আমি একটু খেলা পাগল। তাই প্রিয় ক্রিকেটারদের ছবিও সংগ্রহে রাখি।
অনুরাগ সেন, অষ্টম শ্রেণি
গল্পের বই পড়ি
আমার অবসর। এই সময়ে আমি নানা কিছু করি। শুধু বই পড়া, ছবি আঁকা, গান শোনা, খেলাতেই শেষ নয়। আমার অবসরে আমি নিজেকে সাজিয়ে তুলতে চাই। নিজের বই, পড়ার ঘর, বিছানা সবকিছু পরিপাটি করে গুছাই। শারীরিক যত্ন নিই। ইচ্ছে হলে টিভিও দেখি। তবে নির্দিষ্ট কিছু অনুষ্ঠান। তার মধ্যে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিও আছে। কম্পিউটার বা মোবাইলে শুধু শুধু সময় ব্যয় করি না। প্রাণভরে গল্পের বই পড়ি। বইও যে আমার প্রিয় বন্ধু।
উপল মিত্র, সপ্তম শ্রেণি
টিভিতে খেলা দেখি
সবুজ মাঠ। দেখলে মন খারাপ হয়। আমরা তো খেলতে পারি না। আমাদের এই প্রজন্মের সেই সুযোগ কই! তাই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে হয়। পড়া শেষে সময় পেলেই টিভিতে খেলা দেখি। কখনও ফুটবল ম্যাচ, ক্রিকেট ইত্যাদি। এই খেলা দেখে অনেক কিছু শিখি। সুযোগ পেলেই মাঠে যাই খেলা দেখতে। মনটা ছুটে চলে যায় ওই মাঠের ভেতরে।
পর্ণা মণ্ডল, ষষ্ঠ শ্রেণি
গোয়েন্দাগিরির শখ
ফেলুদা, তোপসে সব চরিত্রগুলি আমার প্রিয়। গোয়েন্দাগিরি করতে একটু আধটু শখও আছে। সেই শখ পূরণ করি কখনও কখনও হাতে-কলমে। কখনও কল্পনার জগতে। স্বপ্নপূরণের সঙ্গী হয় ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের পাণ্ডব গোয়েন্দা, সমরেশ মজুমদারের অর্জুন সমগ্র, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাকাবাবু বা সুচিত্রা ভট্টাচার্যের মিতিন মাসি। আর এর ফাঁকে ফাঁকে একটু রবীন্দ্রসংগীতও শিখি। এই গানের মধ্য দিয়ে রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতনের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ঘুরে বেড়াই। কখনও মনে মনে, কখনও সশরীরে।
অশ্বিনী চন্দ, ষষ্ঠ শ্রেণি

বিধাননগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
তারাপদ সাঁতরা, ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক
সালটা ১৯৭৭। তখন সবে শুরু হয়েছে সল্টলেক তৈরির কাজ। চারিদিকে গড়ে উঠছে আবাসন। অফিস কাছারি। সরকারি লোকজনরা বদলির চাকরি নিয়ে আসছে সল্টলেকে। তাদের ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনোর কথা ভেবে তৈরি হয়েছিল এই স্কুল। পুরোপুরি সরকারি উদ্যোগে। সেচ দপ্তরের গুদামে।
১৯৭৭ সালের ১৮ এপ্রিল। শুরু হল পড়াশুনো। এখানে পড়াশুনো নীরস বিদ্যাচর্চা নয়। ছাত্র-ছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রাণপাত করেন শিক্ষকমণ্ডলী। রেজাল্টও হয় খুব ভালো। তার প্রতিফলন ঘটে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের মেধা তালিকায়। অঙ্কন, বিতর্ক, ক্যুইজের মতো সবেতেই। ছাত্র-ছাত্রীরা আনে নজরকাড়া পুরস্কার।
আমাদের কিছু কিছু সমস্যাও আছে। যেমন বাথরুমের অভাব। স্কুল ঘিরে আছে বহু পরিকাঠামোগত ত্রুটি। যেগুলি বাইরে থেকে বোঝা যায় না। এখানে ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার মাঠ নেই। স্কুলের ক্লাসরুমের অবস্থা খুব খারাপ। ক্লাস চলাকালীন ছাদ থেকে চাঙ্গর ভেঙে পড়ে। এসব কারণে কয়েকটি ক্লাসরুম আপাতত বন্ধ। যে কোনও সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনহানির মতো বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাসে রং হয়নি বহুদিন। মিড ডে মিলের মানও খারাপ। অধিকাংশ দিন ছাত্র-ছাত্রীরা সেসব খাবার খেতে পারে না। কম্পিউটার রুমগুলিও বাতানুকূল নয়। দীর্ঘদিন ধরে অন্যান্য সরকারি বিদ্যালয়ের মতো এখানেও প্রধান সমস্যা শূন্য পদের। প্রধান শিক্ষক, লাইব্রেরিয়ান, সুইপার, দারোয়ান, ৭ জন গ্রুপ-ডি এবং ১৯ জন শিক্ষক, শিক্ষিকার পদ খালি। গোটা স্কুলে মাত্র একজন অংকের শিক্ষক। অন্য একজন অঙ্কের শিক্ষিকা দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত। একাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের পদার্থবিদ্যা ও অংকের ক্লাস ঘিরে রয়েছে নানা সমস্যা। এছাড়া অন্যান্য ক্লাসে বহু পিরিয়ড শিক্ষকের অভাবে খালি যায়। কম্পিউটার জানা বিশেষজ্ঞ কর্মী না থাকায় অফিসিয়াল কাজে প্রচুর অসুবিধা হচ্ছে। তবুও এই নেই রাজ্যের বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা নানান কৃতিত্বের প্রমাণ রাখছে। বারবার মোহভঙ্গ হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের শৈশব ও কৈশোর। তবু তারই মধ্যে বেঁচে আছে একটাই স্বপ্ন। কবে সেজে ওঠবে ওদের স্বপ্নের স্কুল?
সংকলক: শম্পা সরকার
ছবি: বিশ্বজিৎ কুণ্ডু 
23rd  April, 2017
 রেনি ডে মানে দেদার মজা

 স্কুলের পথে ঝুপ ঝুপ বৃষ্টি। আকাশ কালো শ্রাবণ ধারায় মনে অফুরন্ত ফুর্তি। রেনি ডে মানে খিচুড়ি খাওয়া, কাগজের নৌকা ভাসানো, মাছ ধরা আরও কত কী। এবারের সংখ্যায় রেনি ডে নিয়ে তোমাদের বেশকিছু মজাদার গল্প শোনালো সংস্কৃত কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্ররা।
বিশদ

দুই দেশের এক দ্বীপ

তোমরা আজ দু’টি দেশের একটি দ্বীপের মজার ঘটনা সম্পর্কে জানবে। বছরে ছয় মাস থাকে ফ্রান্সের দখলে। আর বাকি ছয় মাস থাকে স্পেনের নিয়ন্ত্রণে। ফ্রান্স ও স্পেন সীমান্তের মধ্যে একটি নদী আছে। নাম বিদাসোয়া। সেখানেই দেখতে পাওয়া যায় দ্বীপটিকে। দু’দেশের লড়াইয়ে দ্বীপটি যেন একটি পিং পং বলে পরিণত হয়েছে। কখনও এর সীমানায় তো, কখনও ওর সীমানায়। এমন একটি রহস্যঘেরা দ্বীপের নাম ফেজেন্ট।
বিশদ

16th  July, 2017
সত্যিকারের হারানো পৃথিবী

যে পাহাড় নিয়ে লেখা হয় বিখ্যাত এক উপন্যাস আর তৈরি হয় দু-দুটি হলিউডি সিনেমা, সেই পাহাড় কি আর বিখ্যাত না হয়ে উপায় আছে? দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত এই পাহাড়ের অবস্থান ভেনিজুয়েলা-ব্রাজিল সীমান্তে। ১৯১২ সালে ‘দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড’ উপন্যাসে ‘রোরাইমা’ নামের এই পাহাড়ের বর্ণনা দিয়েছিলেন স্যার আর্থার কোনান ডয়েল।
বিশদ

16th  July, 2017
কার্ডের সাহায্যে অনায়াসে বড় বড় অঙ্কের সমাধান করে ফেলছে ছোটরা

পরামর্শ দিচ্ছেন ইউসিমাস, কলকাতার প্রধান নবনীতা ভৌমিক। বিশদ

16th  July, 2017
ইন্দাস ভ্যালি স্কুল পুরস্কৃত

ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতি বছর তোমাদের মতো স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড’ নামে একটি অনুষ্ঠান করে। এখানে বিভিন্ন দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেয়। এ বছর ভারত থেকে এই পরস্কার পেয়েছে কলকাতার ইন্দাস ভ্যালি ওয়ার্ল্ড স্কুল। এদের কাছে ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পুরস্কারটি থাকবে।
বিশদ

16th  July, 2017
স্কুলের সেরা মুহূর্ত

শিক্ষকদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা
আমার এবার দশম শ্রেণি। আস্তে আস্তে পা বাড়াচ্ছি সামনের দিকে। আর বছর তিনেক পর ছাড়তে হবে স্কটিশ চার্চকে। কিন্তু আমার জীবনে স্কুল ঘিরে রয়েছে কত রঙিন মুহূর্ত। অজস্র স্মৃতি। কত ভালো লাগা।
বিশদ

16th  July, 2017
মাধ্যমিকে বঙ্গানুবাদের প্রস্তুতি নিয়ে কিছু জরুরি টিপস

পরামর্শ দিচ্ছেন হোলি চাইল্ড স্কুলের (বিডন স্ট্রিট) বাংলার শিক্ষিকা হাসি সাহা
বিশদ

09th  July, 2017
টাটা ট্রাস্টের দ্য বিগ লিটল বুক অ্যাওয়ার্ড

তোমাদের একটা ভালো সংবাদ দিই। ভারতীয় ভাষায় শিশু সাহিত্যে লেখকদের ও পুস্তক অলংকরণে অবদানের জন্য বিশেষ সম্মান জানাতে ‘দ্য বিগ লিটল বুক অ্যাওয়ার্ড’
(বি এল বি এ) www.tatatrusts.org, ফেসবুক: Tata Trusts দেখতে পারো।
বিশদ

09th  July, 2017
স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান

স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলের বার্ষিক পুরস্কারবিরতণী অনুষ্ঠান হয়ে গেল। গত ১২ জুন সোমবার বিকেল পঁাচটায় মোহিত মৈত্র মঞ্চে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণের পাশাপাশি ছাত্ররা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
বিশদ

09th  July, 2017
যুগান্তকারী আবিষ্কার

সকালে ঘুম থেকে উঠেই তোমাদের কেউ হয়তো প্রথমে চশমাটা পড়ে নাও, এরপর রেডিও বা টেলিভিশন চালু করো এবং নিউজপেপারটা হাতে
নিয়েই পড়া শুরু করো। এর মাঝেই কিন্তু তুমি গত ১০০০ বছরের ইতিহাসের তিনটি যুগান্তকারী আবিষ্কারকে ব্যবহার করে ফেলেছ: চশমার লেন্স, তারহীন যোগাযোগ এবং প্রিন্টিং প্রেস।
বিশদ

09th  July, 2017
ডাকবাড়িতে ইতিহাসের ডাক

একসময় রাত জেগে ছুটত রানার চিঠির বোঝা কাঁধে। কত অতীত পেরিয়ে এখন ডাকব্যবস্থা পেয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া। সেইসব দিনের স্মৃতিকে, ইতিহাসকে আমাদের কাছে তুলে ধরেছে ভারতীয় ডাক ব্যবস্থা। কলকাতার জিপিওতে গড়ে ওঠা সংগ্রহশালায় মিলছে সেইসব ইতিহাসের দর্শন। দেখে এলেন রাজীব চক্রবর্তী। বিশদ

09th  July, 2017



একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:09:14 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM