Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

মহাকাশের দিনযাপন

মহাকাশে যাওয়া কঠিন। কিন্তু তার থেকেও কঠিন সেখানে দিনযাপন করা। কারণ, মহাকাশে পৃথিবীর মতো মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কাজ করে না। নেই বায়ুমণ্ডল, ফলে বায়ুর চাপও নেই। জল খাওয়া থেকে শুরু করে টয়লেটে যাওয়া সবই খুব শক্ত কাজ সেখানে। লিখেছেন প্রীতম দাশগুপ্ত।

মহাকাশ তোমাদের অনেককেই টানে। মহাকাশে নভশ্চরদের জীবন কিন্তু আমাদের পৃথিবীর মতো হয় না। সেই জীবন অনেক কঠিন। কেন জানো? আমরা যে পৃথিবীতে হাঁটতে পারি, শুতে পারি, খেতে পারি, তার সবকিছুর জন্যই পৃথিবীর অভিকর্ষ বল দায়ী। সেই কোন কালে বিজ্ঞানী নিউটন আপেল পড়তে দেখে আবিষ্কার করেছিলেন মাধ্যাকর্ষণ সূত্র। পৃথিবীর এই আকর্ষণের কারণেই আমাদের পা মাটিতে থাকতে পারে। আমরা নিজেদের দেহের ভারসাম্য রাখতে পারি। সব কাজ করতে পারি। কিন্তু মহাকাশে সেই সুযোগ কোথায়। সেখানে প্রায় জিরো গ্র্যাভিটি। অর্থাৎ মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রায় শূন্য। সেখানে সব জিনিসই ভেসে বেড়ায়। এমনকী, অ্যাস্ট্রোনটও ভেসে থাকে। তাই ওই ভাসমান অবস্থায় পৃথিবীর মতো সব কাজ করা বেশ কঠিন।
এই কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে মহাকাশচারীরা করতে পারে তার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ভেসে থাকা অবস্থায় যাবতীয় কাজ যেন তাঁরা করতে পারেন। মহাকাশচারীদের জন্য তৈরি করা হয় বিশেষ পোশাক। কারণ সবসময় যে তাঁরা স্পেশ স্টেশনেই থাকবেন, তার তো মানে নেই। তাঁদের স্পেশ-ওয়াক অর্থাৎ মহাকাশে হাঁটতেও হতে পারে। মনে রাখতে হবে মহাকাশের তাপমাত্রা আর পৃথিবীর তাপমাত্রা কিন্তু এক নয়। আবার সূর্যালোকও সমান নয়। তাই এই পোশাক নভশ্চরদের বিশেষ সুবিধা দেয়। চরম তাপমাত্রা বলতে যা বোঝায় যেমন ধরো মাইনাস ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১২০ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও যেন কারও অসুবিধা না হয় তার ব্যবস্থা থাকে ওই পোশাকে। মহাকাশচারীর বুক ঢাকা দেওয়ার জন্য পোশাকের ওই অংশটি বেশ শক্ত হয়। তাঁদের হাত পুরো ঢাকা থাকে। হাতে থাকে গ্লাভস। ওই পোশাকের সঙ্গে হাতের অংশ যুক্ত থাকে। পোশাকের মধ্যে থাকে কিছু টিউব। যে টিউব দিয়ে জল সরবরাহ করা হয়। যাতে মহাকাশে হাঁটার সময় তাঁদের শরীর ঠান্ডা থাকে। আর ব্যাগের পিছনে থাকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমের অঙ্গ হিসেবে অক্সিজেন, প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা ও একটি ফ্যান। পোশাকের সঙ্গেই থাকে সোলার প্রুফ হেলমেট। সূর্যালোকে চোখ যাতে ঝলসে না যায়, তার জন্য থাকে বিশেষ ব্যবস্থা। সবকিছু ঠিকঠাক নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে কি না, তা পোশাকের সঙ্গেই থাকা কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখতে পারেন মহাকাশচারী। স্পেশ ওয়াক করতে গিয়ে যদি কোনও মহাকাশচারী দুর্ঘটনাবশত হারিয়ে যান তবে কী হবে? যেমন গ্র্যাভিটি বলে একটি হলিউড ছবিতে দেখানো হয়েছিল। না তেমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ তাঁদের ওই পোশাকেই সেফার বলে একটি মোড আছে। যদি কোনও কারণে স্পেশ স্টেশন থেকে ছিটকে যান ওই মহাকাশচারী, তিনি তৎক্ষণাৎ ওই সেফার চালু করবেন। তখন কয়েকটি ছোট ছোট জেট কার্যকর হবে। এবং ওই মহাকাশচারী স্টেশনে ফিরে আসতে পারবেন। ও আর একটা কথা মহাকাশচারীদের হাতে থাকে দু’টো ঘড়ি। পৃথিবী থেকে তাঁরা কোন সময় রওনা দিয়েছেন, তা দেখার জন্য একটি ঘড়ি। অন্য ঘড়ি দেয় জিএমটি অর্থাৎ গ্রিনিচ মিন টাইম। মানে বিশ্বের স্ট্যান্ডার্ড সময়।
এ তো গেল হাঁটার কথা। আর স্টেশনের ভিতরে কী অবস্থা হয়। সেখানেই তো বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয় তাঁদের। আমরা পৃথিবীতে সকাল থেকে কী করি? মা ডাকলে ঘুম থেকে ওঠে ব্রাশ করি। ওঁদের তো ডাকার কেউ নেই। ওঁরা নিজেরাই ওঠেন। তারপর আমাদের মতোই ব্রাশ করেন। কিন্তু একটু তফাৎ রয়েছে। ওখানে তো ব্রাশ করে জল দিয়ে কুলকুচি করে ফেলা যায় না। স্পেশ স্টেশনের দেওয়ালে ব্যাগের মধ্যে আটকানো থাকে একটি ব্যাগ। তার মধ্যেই থাকে ওই সব ব্রাশ-পেস্ট। সেই পেস্ট অবশ্য বিশেষ ধরনের। খেয়ে নেওয়া যায়। ব্রাশে পেস্ট লাগিয়ে জলের টিউব থেকে জল লাগিয়ে দেন মহাকাশচারীরা। জল লাগানোর সময় একটু জল যদি টিউব থেকে বেরিয়ে আসে, তখন সেটি বাবল হয়ে ভেসে বেড়ায়। মহাকাশচারীরা দিব্যি সেটিকে খেয়ে ফেলেন। কারণ অপচয়ের সুযোগ কোথায়। ব্রাশ করে সেই পেস্ট খেয়েই ফেলেন তাঁরা।
দৈনন্দিন রুটিনের মধ্যে টয়লেট বা বাথরুম যাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাথরুমে একটি কমোড থাকে। আর থাকে ভ্যাকুম ক্লিনার টাইপের মেশিন। ওই মেশিন নোংরাকে শুকনো কাগজের মতো করে দেয়। সেগুলিকে জড়ো করে করে রাখতে হয়। নাহলে সেটি ভেসে এদিক-ওদিক হয়ে যাবে। আসলে ১০ সেমির ওই সাকশন কমোডে বসাটাই কঠিন। তাঁরা নিয়মিত স্নানও করেন। শ্যাম্পু করেন, সাবান দেন। তফাৎ হল তাঁদের শ্যাম্পু জল ছাড়া। ওই শ্যাম্পু তাঁরা মাথায় ঘষে দেন। স্নান করেন ভিজে কাপড় গায়ে ঘষে। লিক্যুইড শোপ যেমন হয়, ওই কাপড়ও অনেকটা তেমনভাবে তৈরি করা হয়। স্পেশ স্টেশনের ভিতরকার পরিবেশ অবশ্য অনেকটাই স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হয়। সেখানে তাই নভশ্চররা স্পেশ ওয়াকের মতো পোশাক পরে থাকেন না। স্বাভাবিক কাপড়ই তাঁরা পরেন। যেমন আমরা কটন পোশাক পরি, তেমনি। তবে ওখানে কাচাকাচির বা ইস্ত্রি করার কোনও সুযোগ নেই। তাই পোশাক ও আন্ডারওয়্যার বেশিই লাগে।
মহাকাশচারীদের আগে খাওয়ার জন্য টিউব ব্যবহার করতে হতো। এখন তাঁরা স্বাভাবিক খাবার খান। যেমন আমরা পৃথিবীতে খাই। কী নেই সেই তালিকায়, রুটি, ফল, সব্জি, ডিম, মাংস, ডাল, সবই। তবে সবটাই প্যাকেটজাত। স্টেশনের রান্নাঘরের ফ্রিজে (আমাদের পৃথিবীর মতো নয় কিন্তু) এসব খাবার থাকে। মহাকাশচারীদের কিন্তু শরীরচর্চা মাস্ট। কারণ প্রায় মাধ্যাকর্ষণ শূন্য এলাকায় হাড় ও মাসলের শক্তি বাড়ানো জরুরি। তাই তাঁরা প্রতিদিন ট্রেডমিলে হাঁটেন। নানাবিধ বিজ্ঞান চর্চার পাশাপাশি মহাকাশের ঘরকেও তাঁদের পরিষ্কার রাখতে হয়।
ভ্যাকুম ক্লিনার, লিক্যুইড ডিটারজেন্ট ও ডিসপোজেবল গ্লাভস এই কাজে ব্যবহার হয়। এই নোংরা তাঁরা জমা করে রেখে দেন। মহাকাশে ফেলে দেন না। সেগুলি পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, তাঁরা কি সারাদিন কাজই করেন? তাঁদের বিনোদন নেই। আছে। তাঁদের শোওয়ার ঘর (অবশ্য যদি সেটিকে তোমাদের ঘর বলে মনে হয় তবেই) আছে। সেখানে ল্যাপটপ রয়েছে, বই রয়েছে। গান শোনার সুযোগ রয়েছে। পৃথিবীকে দেখার সুযোগ রয়েছে। এমনকী, পৃথিবীর সঙ্গে কথা বলাও যায়।
সবার শেষে আসি ঘুমের কথায়। অ্যাস্ট্রোনটরাও কিন্তু দিনে ঘণ্টা ছয় অবশ্যই ঘুমোন। ভেসে ভেসে তো ঘুমনো যায় না, তাই তাঁদের জন্য স্লিপিং ব্যাগ রয়েছে। সেখানে ঢুকে দিব্যি ঘুম দেন তাঁরা। যে টিম মহাকাশে যায়, তার মধ্যে কিন্তু চিকিৎসকও থাকেন। অসুখ-বিসুখ হলে আমাদের মতো মহাকাশেও ডাক্তারই ভরসা। জরুরি প্রয়োজনের জন্য চিকিৎসকদের ওষুধ, ইনজেকশন থেকে শুরু করে নানাবিধ বিষয় মজুত থাকে।
ব্যাপারটা সহজ নয় ঠিকই, কিন্তু আকর্ষণীয়। কী ভাবছ, ট্রাই করে দেখবে নাকি?
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে
12th  May, 2019
কাগাড়ু
স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী

 কিন্তু নিত্যকে বিজয়মাল্যে ভূষিত করার বদলে স্যার চেয়ার থেকে উঠে তাড়াতাড়ি সরে যেতে গিয়ে চেয়ারের পায়ায় ঠোক্কর খেয়ে প্রায় পড়ে যাচ্ছিলেন। কোনওমতে টেবিলের কোনাটা ধরে সামলে নিলেন। তারপর প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করে বললেন, গেট আউট! আই সে গেট আউট!! স্যারের চিৎকারে আমরা সবাই বেশ ভয় পেয়ে গেলাম। বিশদ

18th  August, 2019
 আনন্দ চন্দ্রিকায় নবদুর্গা

  প্রতি বছরের মতোই এবছরও আনন্দ চন্দ্রিকায় উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে। সাংস্কৃতিক সংস্থা ও কত্থক নৃত্যের শিক্ষাকেন্দ্র আনন্দ চন্দ্রিকার কর্ণধার অমিতা দত্ত জানান এবছর তাঁরা নবদুর্গার ওপর একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছেন। কলকাতার দুঃস্থ শিশুদের নিয়ে এই উৎসবের আয়োজন করেছেন অমিতা দত্ত। বিশদ

18th  August, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস

 চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় প্রিয় পানীয়-র চ্যালেঞ্জ! বিশদ

18th  August, 2019
ক্ষুদিরামের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার শহিদ ক্ষুদিরাম বসু। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

11th  August, 2019
স্বাধীনতা দিবস 

আমাদের স্বাধীনতা দিবস
‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিয়ে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়’— কবির এই বাণী সর্বাংশে সত্য। আকাশের নক্ষত্র থেকে মাটির ক্ষুদ্রতম প্রাণটি পর্যন্ত স্বাধীনতা চায়।
অজস্র রক্তপাতের মূল্যে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা।  
বিশদ

11th  August, 2019
ইস্কুলে বায়োস্কোপের সমাপ্তি অনুষ্ঠান 

সম্প্রতি ‘ইস্কুলে বায়োস্কোপ’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয়ে গেল। সস ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনসের উদ্যোগে সাহিত্য অ্যাকাডেমির সহযোগিতায় প্রায় ২০ দিন ধরে বিভিন্ন স্কুলে এই ‘ইস্কুলে বায়োস্কোপ’ অনুষ্ঠানটি চলেছিল। 
বিশদ

04th  August, 2019
সোনার লক্ষ্যে ছুটে চলেছেন ধিং এক্সপ্রেস 

বড় হয়ে কী হবি?— ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই প্রায়ই এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হও। আবার কখনও কখনও নিজেরাও মনে মনে চিন্তা কর, বড় হয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ক্রিকেটার, ফুটবলার, কবি, সাহিত্যিক, গায়ক বা অভিনেতা হব। কিন্তু, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই চিন্তা মনে দানা বাঁধে পারিপার্শ্বিক তারকাদের পারফরম্যান্স বা সাফল্যে প্রভাবিত হয়ে।  
বিশদ

04th  August, 2019
চাঁদের হাসি বাঁধ ভাঙার অপেক্ষা 

মঙ্গলযান-২ চাঁদে পা রাখবে ৪৮তম দিনে। মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে কোন পথে কীসের খোঁজে সে এগিয়ে চলেছে চাঁদের উদ্দেশ্যে, সে বিষয়ে তোমাদের জানানোর জন্য কলম ধরেছেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

04th  August, 2019
শুরু হয়েছে সানফিস্ট কলকাতা স্কুল ফুটবল লিগ 

তোমাদের একটি ভালো খবর দিই। গতবারের মতো এবারও শুরু হয়েছে সানফিস্ট কলকাতা স্কুল ফুটবল লিগ (কে এস এফ এল)। এটি দ্বিতীয় সংস্করণ। কে এস এফ এল লিগ শুরু হয়েছে গত বছর থেকে।   বিশদ

28th  July, 2019
মার্কশিট
মাধ্যমিকে চলতড়িৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় 

তোমাদের জন্য চলছে মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ভৌতবিজ্ঞান। 
বিশদ

28th  July, 2019
রুকু ও ছেলেটি 

বিজলি চক্রবর্তী: টলটল পায়ে ট্রাম রাস্তার ধারে এসে রুকু দাঁড়াল। রাস্তা কীভাবে পার হতে হয় সে এখন বুঝতে পারে। মায়ের পেছন পেছন এখন যায় না। দুধ খেয়ে পেট ভর্তি করে রুকু মাকে ছেড়ে একাই রাস্তায় চলে এসেছে।   বিশদ

28th  July, 2019
স্পাইসি অ্যালফানসো ও ওয়াটারমেলন ফেটা স্যালাড 

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না। কারণ আগুনের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় এমন রেসিপিই থাকবে তোমাদের জন্য। এবার সেরকমই দুটি জিভে জল আনা রেসিপি দিয়েছেন ওয়াটস আপ ক্যাফে রেস্তরাঁর শেফ দেবব্রত রায়। 
বিশদ

21st  July, 2019
কলকাতায় ডাবর ওডোমসের ডেঙ্গু-মুক্তি প্রচারাভিযান 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডের ওডোমস ব্র্যান্ড ভারতকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে একটি বিশেষ প্রচারাভিযানের উদ্যোগ নিয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘#মেকিংইন্ডিয়াডেঙ্গুফ্রি’। উদ্যোগটিকে সফল করতে ওডোমসের বিশেষজ্ঞ দল ভারতে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় দশ লক্ষ অফিসকর্মীর কাছে পৌঁছেছিলেন।   বিশদ

21st  July, 2019
বিস্ময়কর নদী 

নদীর জল হবে স্বচ্ছ ও নীলাভ। আমরা ছোটবেলা থেকে এমন কথাই পড়েছি বইয়ের পাতায়। দেখেছিও তাই। বাস্তবের সঙ্গে কল্পনার রং মেলে না ঠিকই। কিন্তু আজ যেসব নদীর গল্প তোমাদের বলব, শুনলে মনে হবে রূপকথার গল্প। পৃথিবীতে এমন কিছু নদী আছে যার জলের রং প্রকৃতির আপন খেয়ালে তৈরি। কোনওটা বা মানুষের দুষ্কর্মের ফলে অন্য রং ধারণ করেছে। কোনওটির আবার গতিপথ এতটাই অদ্ভুত যে অবাক হতে হয়। এই নদীগুলির কথা জানলে সত্যিই মনে হবে, বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। অদ্ভুত এই পাঁচটি নদীর রোমাঞ্চকর গল্প শুনিয়েছে সৌম্য নিয়োগী।  
বিশদ

21st  July, 2019
একনজরে
 কুলিজ (অ্যান্টিগা), ২০ আগস্ট: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা স্বস্তি পেলেন অজিঙ্কা রাহানে। গত দু’বছর ধরে তাঁর ব্যাটে কোনও সেঞ্চুরি নেই। টেস্ট দলে তাঁর পায়ের তলার জমি ক্রমাগত আলগা হচ্ছিল। রাহানে বুঝতে পারছিলেন, লাল বলে জাতীয় ...

সংবাদদাতা, মালদহ: ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যেই মালদহের গ্রামে গ্রামে গিয়ে জনসংযোগ শুরু করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা। তাঁদের লক্ষ্য, শাসক দলের সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ আরও মজবুত করা।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃতীয় প্রজন্মের ‘গ্র্যান্ড আই টেন নিয়োস’ গাড়ি বাজারে আনল হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া লিমিটেড। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘নিয়োস’ কথাটির অর্থ আরও বেশি। সেই শব্দটির যথোপযুক্ত ব্যবহার হয়েছে এই হ্যাচব্যাক গাড়িটিতে, দাবি হুন্ডাইয়ের। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বদলি হওয়া বিভিন্ন রাজ্য কর্মী সংগঠনের পদাধিকারীদের ফের কলকাতার সচিবালয়ে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিপিএম প্রভাবিত কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর দুই সদস্য ও তৃণমূল প্রভাবিত কর্মী সংগঠনের কোর কমিটির এক সদস্যকে উত্তরবঙ্গ থেকে কলকাতায় ফেরানো হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসাতে যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩১: গায়ক বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের মৃত্যু
১৯৭২: বন সংরক্ষণ আইন চালু হল
১৯৭৮: ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬: জামাইকার স্প্রিন্টার উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫: ভারতের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬: প্রখ্যাত সানাইবাদক ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৭ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৪ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, পঞ্চমী ০/২৯ প্রাতঃ ৫/৩১। অশ্বিনী ৪৮/৪০ রাত্রি ১২/৪৭। সূ উ ৫/১৯/২, অ ৬/০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ৩/২৮ গতে ৫/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪০ গতে ১/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৩/৫৪ মধ্যে।
৩ ভাদ্র ১৪২৬, ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ষষ্ঠী ৫৩/৫৮/৩০ রাত্রি ২/৫৩/৩১। অশ্বিনীনক্ষত্র ৪২/৯/৫৩ রাত্রি ১০/১০/৪, সূ উ ৫/১৮/৭, অ ৬/৩/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/১৮ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪০/৫৫ গতে ১/১৬/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩১ গতে ১০/৫/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩১ গতে ৩/৫৩/৪৯ মধ্যে। 
১৯ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অসমের পর মহারাষ্ট্র, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫১ লক্ষ টাকা দান অমিতাভ বচ্চনের 
অসমের মতো মহারাষ্ট্রেও বন্যা কবলিতদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এলেন বিগ বি। ...বিশদ

20-08-2019 - 05:24:59 PM

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজ্যপাল জগদীপ ধানকরের 
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হওয়ার পর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ ...বিশদ

20-08-2019 - 04:58:00 PM

ব্রাজিলে ১৮ বাসযাত্রীকে পণবন্দি করল এক বন্দুকবাজ 

20-08-2019 - 04:57:51 PM

সদর স্ট্রিটে ২.৪৪ কোটি টাকার সোনা সহ ধৃত ৪ 

20-08-2019 - 04:47:02 PM

৭৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

20-08-2019 - 03:55:31 PM

খিদিরপুর ও কালীঘাট ব্রিজে ভারী যান নিষিদ্ধ 

20-08-2019 - 03:50:00 PM