Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

 ব্ল্যাক হোল রহস্য

 এই প্রথম কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলা সম্ভব হল। কীভাবে উঠল এই ছবি? কৃষ্ণগহ্বরই বা কী? আলোচনায় কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক অতনু বিশ্বাস।

আকাশ ভরা সূর্য তারা-র অজানা রহস্যে বিভোর থেকেছে বিজ্ঞানী। যুগ যুগ ধরে। তবু দেখি, ‘খেয়া’ কাব্যগ্রন্থের ‘হারাধন’ শীর্ষক কবিতায় কবি লিখছেন, ‘জ্যোতির মালায় একটি তারা/ কোথায় গেছে টুটে!’ ‘হারা তারা কোথায় গেল’ তার সন্ধানে ব্যস্ত বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানী।
অনন্ত এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের আপাতত সব চাইতে রহস্যময় বিষয় বোধকরি এই কৃষ্ণ-গহ্বর। স্থানের রয়েছে তিনটি মাত্রা (ডাইমেনশন), এবং সেই সঙ্গে কাল (সময়) মিলেমিশে যেন একটা পর্দার মতো। ভর আছে এমন যে কোনও বস্তুই একটা বক্রতা সৃষ্টি করে সেই পর্দায়। কোনও নক্ষত্রের ভর যখন হয় খুব বেশি, সেই বক্রতাটা যেন পরিণত হয় গহ্বরে। কৃষ্ণ-গহ্বরের আকার খুব ছোট হতে পারে, যেমন হয়তো বা একটা পরমাণুর মতো। আবার হতে পারে খুব বড়, যেমন সূর্যের লক্ষ লক্ষ গুণ। আকার অনুপাতে এর ভর খুবই বেশি। যেমন, পরমাণুর আকারের কৃষ্ণ-গহ্বরের ভর হয়তো হিমালয়ের সমান। আর এই প্রচণ্ড ভর বা ঘনত্বের ফলেই এর মহাকর্ষ খুব বেশি। এর আওতার মধ্যে আসা সব কিছুকেই নিজের মধ্যে টেনে নেয় কৃষ্ণ-গহ্বর। এই আওতার সীমারেখাকে বলে ‘ঘটনা-দিগন্ত’, ইংরেজিতে ‘ইভেন্ট হরাইজন’। স্থান-কাল সব দুমড়ে মিলিয়ে যায় সেখানে। এমনকী আলোরও নিস্তার নেই, সীমারেখার মধ্যে পেলে তাকেও টেনে নেয় কৃষ্ণ-গহ্বর। আলো বের হতে পারে না বলেই তো এ হল নিকষ কালো অন্ধকার। চলতি কথায় একেই বলে নক্ষত্রের মৃত্যু। তারার জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে এটাই তার ভবিতব্য। তারার ভিতরের হাইড্রোজেন গ্যাস শেষ হলে থেমে যায় তার নিউক্লিয় বিক্রিয়া। তখনই সঙ্কুচিত হতে থাকে এর অভ্যন্তরীণ মূল বস্তু। আচ্ছা, কবির ভাষায় এটাই কী ‘হারা তারা’?
সেই কোন ১৭৯৬ সালে অঙ্কবিদ ল্যাপলাস বিপুল ভর-বিশিষ্ট আলোকে-গিলে খাওয়া অজগর অন্ধকারের অস্তিত্বের কথা বলেছিলেন। ১৮৮৩-তে একই কথা বলেন বিজ্ঞানী জন মাইকেল। আর, প্রায় একশো বছর আগে, ১৯১৬তে, আইনস্টাইন তাঁর ‘জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি’ দিয়ে ধারণা করেন কৃষ্ণ-গহ্বরের অস্তিত্বের। মার্কিন পদার্থ-বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে প্রথম এই ‘ব্ল্যাক হোল’ নাম দেন। দেখে-শুনে যতটুকু বোঝা গেছে, প্রতিটা বড় ছায়াপথের কেন্দ্রে রয়েছে একটা দৈত্যাকার কৃষ্ণ-গহ্বর। আমাদের ‘মিল্কিওয়ে’ বা ‘আকাশগঙ্গা’ ছায়াপথের কেন্দ্রেও রয়েছে এমনই এক দৈত্য, ‘স্যাগিটারিয়াস এ*’।
মহাকাশে একটা গোলকের মতো অঞ্চল নিয়ে অস্তিত্ব এই কৃষ্ণ-গহ্বরের। ঘটনা-দিগন্তের প্রান্তে রয়েছে ফোটন বলয়, যা আবর্তিত হয় কৃষ্ণ-গহ্বরের কেন্দ্রকে ঘিরে। আলো যেন পিছলে পিছলে যায় এর গা ঘেঁষে। আসলে মহাকাশ-সংক্রান্ত গবেষণা অনেকটাই অঙ্ক-নির্ভর যুক্তিসঙ্গত আন্দাজ। এর অনেক তত্ত্বই প্রমাণ বা অপ্রমাণ করা সময়-সাপেক্ষ, এবং প্রমাণটাও অনেকাংশে অনুমান-নির্ভর অঙ্ক। তাই মহাকাশ সংক্রান্ত অনেক তত্ত্বকেই আপাতভাবে কল্পবিজ্ঞানের গল্প বলেও মনে হতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, কৃষ্ণ-গহ্বরের গভীরতম অংশে পদার্থবিদ্যার নিয়মগুলি আর কাজ করে না। এমন ধারণার কথাও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা যে, কৃষ্ণ-গহ্বর হল এক প্রবেশপথ, যার মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া যায় মহাবিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। একে বলা হয়েছে ‘ওয়ার্ম-হোল’ বা কীট-গহ্বর। কৃষ্ণ-গহ্বরের অন্তঃপুরে তৈরি হয়ে চলেছে বস্তু আর প্রতিবস্তু। এদের মধ্যে ঘটে সংঘর্ষ। যার নাম দেওয়া হয়েছে প্রয়াত কিংবদন্তি ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং-এর নামে। এই সংঘর্ষের ফলশ্রুতিতে বস্তু আর প্রতিবস্তু কিন্তু একে অপরকে ধ্বংস করে দেবে একেবারে। রাখবে না কিছুই। একে বলে ‘কোয়ান্টাম ফ্লাকচুয়েশন’। এই সংঘাত যখন ঘটে ব্ল্যাক হোলের প্রান্তে, অর্থাৎ ঘটনা-দিগন্তের সীমানায়, কৃষ্ণ-গহ্বর শোষণ করে নেয় কিছু কণা, আর বাকিটা মুক্ত হয়ে পরিণত হয় বাস্তব কণায়। তাই ক্রমে ভর হারাতে থাকে কৃষ্ণ-গহ্বর। কোনও এক সময় মহাশূন্যে বিলীন হওয়াটাই তার ভবিতব্য। কিন্তু, বিশ্বস্রষ্টার মহান সৃষ্টি এই মহাবিশ্বে সত্যিই কিছু কি হারায়?
ক'দিন আগেই, এপ্রিলের ১০ তারিখ, গোটা পৃথিবীর সামনে উঠে এসেছে এম৮৭* নামক কৃষ্ণ-গহ্বরের ছবি। যা নিয়ে পৃথিবী জুড়ে মস্ত হইচই। পৃথিবী থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি আলোকবর্ষ দূরে এর অস্তিত্ব। উপবৃত্তাকার ছায়াপথ মেসিয়ার৮৭-র কেন্দ্রে। যার আনুমানিক ভর আমাদের সূর্যের ভরের প্রায় সাতশো/সাড়ে সাতশো কোটি গুণ।
উজ্জ্বল কমলা রঙের ডোনাটের মতো দেখতে এই বলয় আসলে কৃষ্ণ-গহ্বরটির ঘটনা-দিগন্তের ছবি। এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস, মেঘ, প্লাজমা অশান্ত আবেগে ঘুরপাক খেয়ে বেড়াচ্ছে, বিকিরণ ঘটাচ্ছে এমনকী আলোরও। কৃষ্ণ-গহ্বরটির ব্যাস সূর্যের চারধারে নেপচুনের কক্ষপথের মোটামুটি দশগুণ। মাঝখানের কালো অংশটাই সেই রহস্যময় কৃষ্ণ-গহ্বর। যার ছবি এমনিতে পাবার কোনও উপায় নেই। আলোকে সে গিলে খায়। চারদিকের আলোর বলয়ের মধ্যেই তাই অন্ধকারের হিম-কুঞ্চিত অস্তিত্বকে অনুভব করা। উপলব্ধি করা অজগর অন্ধকারকে।
প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, ব্ল্যাক হোল তো রয়েছে অনেক। তাহলে এর আগে অন্য কেউই বা এভাবে ছবি তুলতে পারেনি কেন? ধরা যাক এই এম৮৭* কৃষ্ণ-গহ্বরটির কথাই। এর ব্যাস ৪,০০০ কোটি কিলোমিটার, বা দেড় আলোকবর্ষ। চারপাশের বলয়টা মোটামুটি এরও ৪-৫ গুণ ছড়িয়ে আছে। আমাদের টেলিস্কোপে এর ছবি ঠিকঠাক তোলা অসম্ভব। যে ছবিটা তোলা হয়েছে তাতে দরকার একটা মস্ত টেলিস্কোপ, যার অ্যান্টেনা পৃথিবীর মত বড়। কিন্তু, সেটা তো আর বাস্তব নয়। পরিবর্তে তাই একটা চমৎকার উপায় বের করলেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর সব চাইতে বড় আর কার্যকরী আটটি টেলিস্কোপের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাঁরা বানিয়ে ফেললেন যেন এক পৃথিবীর আকৃতির টেলিস্কোপ। এই আটটি টেলিস্কোপ একসাথে তথ্য সংগ্রহ করবে কৃষ্ণ-গহ্বর থেকে। বিপুল সেই তথ্য। ৪ পেটাবাইট। এমপি৩ ফরম্যাটে যদি নিরন্তর গান বাজানো হয়, একটানা ৮,০০০ বছর ধরে, তাহলে যতটা ডেটা থাকে, ততটা। এই সমস্ত তথ্যকে পাঠানো হয় বস্টনের মাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে। আর সেখানেই সেই বিপুল পরিমাণ তথ্যকে জুড়ে, এবং সুপার-কম্পিউটারের সাহায্যে এই তথ্যের এবং ছবির অনেক ফাঁকফোকর বুজিয়ে নতুন করে তৈরি হয় কৃষ্ণ-গহ্বরের ছবিটা। এর জন্য কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লিখতে প্রধান ভূমিকা নিয়ে বিশ্বজোড়া খবরের শিরোনামে এসেছেন ২৯ বছরের কেটি বাউম্যান। ছবিটা দেখে বোঝা না গেলেও, টেলিস্কোপে পাওয়া তথ্যগুলি জুড়ে পাওয়া গেল যেন অত্যন্ত ভাঙাচোরা, থাম উপড়ে পড়া, দেওয়ালে ইট খুবলে নেওয়া, দরজা-জানালা-ছাদের হদিশ না থাকা এক পুরনো রাজবাড়ির ছবি। তাকে অনেক মেরামত করে, বেশ কিছু কল্পনার মশলা, ইঁট, সিমেন্ট, রং দিয়ে রংচঙে রূপ দেওয়া হয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ছবি তৈরি করতে পৃথিবীর সব চাইতে দক্ষ সুপার-কম্পিউটারের লেগেছে দু’বছর।
২০১৪ সালের সায়েন্স ফিকশন ম্যুভি ‘ইন্টারস্টেলার’। ভিসুয়াল এফেক্টের জন্য ছবিটি অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পায় ২০১৫তে। এর ঘটনার প্রেক্ষাপট ভবিষ্যৎ— একুশ শতকের মাঝামাঝি। শস্যে মড়ক এবং ধুলোঝড়ের প্রভাবে পৃথিবী তখন হয়ে পড়েছে বসবাসের অযোগ্য। শনিগ্রহের কাছে অবস্থিত একটি ওয়ার্মহোলের পথ ধরে যাওয়া যায় দূর এক ছায়াপথে, যেখানে গর্গানচুয়া নামে এক কৃষ্ণ-গহ্বরের কাছে রয়েছে এক ডজন বসবাস-যোগ্য গ্রহ। কীট-গহ্বরের পথ গলে বেরিয়ে পড়ে বারোজন, বারোটি গ্রহ সরেজমিনে দেখবার জন্যে। আশাপ্রদ তথ্য পাঠায় তিনজন। তাঁদের পাঠানো তথ্যের উপর নির্ভর করে প্রফেসর ব্র্যান্ড তৈরি করেন দুটি পরিকল্পনা। প্ল্যান ‘এ’, আর প্ল্যান ‘বি’। তারপর ওয়ার্মহোলের পথ বেয়ে ভিন ছায়াপথের অজানা গ্রহে পৌঁছানোর অভিযাত্রা চমকপ্রদ বললেও কম বলা হয়। সঙ্গে রয়েছে ডঃ রোমিলি নামে একটি চরিত্রের ব্ল্যাক হোলের অজানা তথ্য অনুসন্ধানের প্রয়াসও। মুভিটিতে দেখানো হয়েছে, প্রফেসর ব্র্যান্ডের প্ল্যান ‘এ’ বাস্তবায়িত করা যাবে না, কারণ তাতে প্রয়োজন ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরের কিছু তথ্য, যা পাওয়া অসম্ভব। তাই এই মুভিটির কল্পনার সীমারেখাকে বাড়াতে বাড়াতেও কোথাও যেন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে কৃষ্ণ-গহ্বরের অজ্ঞাত অতলান্তিক রহস্যের কথা। যা বোধকরি কল্পবিজ্ঞানের সীমারও বাইরে।
ওয়ার্মহোল গলে অন্য ব্রহ্মাণ্ডে পাড়ি দেওয়াটা কল্পবিজ্ঞানের আওতাতেই থাকুক। আমরা কৃষ্ণ-গহ্বরের ছবিতেই উল্লসিত। আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রে থাকা ‘স্যাগিটারিয়াস এ*’ কৃষ্ণ-গহ্বরের ছবিটাও হয়তো আমরা দেখতে পাব অদূর ভবিষ্যতে।
21st  April, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস 

শুরু হল নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় টেলিপ্যাথি বা অতীন্দ্রিয় অনুভূতি।  
বিশদ

26th  May, 2019
সংস্কৃতি পরিচয়ের মহাভারত অনন্তকথা 

সংস্কৃতি পরিচয়ের ১২তম বাৎসরিক অনুষ্ঠান হয়ে গেল ১ মে। কলকাতার জি ডি বিড়লা সভাঘরে। ‘মহাভারত অনন্তকথা’ এই কনসার্টটিতে অংশ নিয়েছিল ৩ থেকে ১৫ বছরের ছেলে-মেয়েরা। 
বিশদ

26th  May, 2019
সবাই সফল হতে পারে
 

দেবমাল্য সাহা, মাধ্যমিকে দশম স্থানাধিকারী
রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বালকাশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের (উচ্চ মাধ্যমিক) ছাত্র

‘Origin of species by Means of Natural Selection’ গ্রন্থে মহাবিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জানিয়েছেন যে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য প্রত্যেক জীবকে অনবরত সংগ্রাম করতে হয়। 
বিশদ

26th  May, 2019
বিরুমপুরের বড়জেঠু
কার্তিক ঘোষ
 

সত্যি বলতে, এটা ঠিক গল্প নয়। কিন্তু গল্পের মতন শুনতে।
বয়েসটাও একটু বেশি। সত্তর পেরিয়ে গেছে কবেই।
তবে তখনও বিরুমপুরকে আস্ত একটা গ্রাম বলত না কেউ। বলত, তাজপুরের লেজুড়। 
বিশদ

26th  May, 2019
নিকেলোডিয়ান সোনিকে গোলমাল জুনিয়র  

তোমাদের কার্টুন ফিল্ম দেখতে ভালো লাগে? আজ তাহলে তোমাদের একটা দারুণ খবর দিই। টেলিভিশনে নিকেলোডিয়ান সোনিক চ্যানেলের নাম নিশ্চয়ই শুনেছ। কার্টুন চ্যানেল হিসেবে বেশ জনপ্রিয় এই চ্যানেলে গত ১৩ মে থেকে শুরু হয়েছে নতুন অ্যানিমেটেড শো ‘গোলমাল জুনিয়র’। 
বিশদ

19th  May, 2019
অন্য পৃথিবীর খোঁজ 

গরমটা কেমন পড়েছে দেখেছ? শান্তি নেই কোনওখানে! দিনরাত প্যাচপেচে ঘাম। পিঠে উইপোকার ঢিবির মতো বড় বড় ঘামাচি বেরিয়ে গিয়েছে! সারা মাসের পাউডার একদিনে মেখেও আরাম হচ্ছে না! রাস্তায় বেরব কী! সুয্যিমামা গলন্ত লাভা ঢেলে দিচ্ছেন গায়ে।
বিশদ

19th  May, 2019
বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম 

আগামী ২৪ মে বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলামের ১২০তম জন্মদিন। তাঁর রোমাঞ্চকর জীবনকাহিনী তোমাদের জন্য লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।
 
বিশদ

19th  May, 2019
প্রতিটি পরীক্ষায় ইংরাজিতে ভালো নম্বর পেতে হলে ভয়েস চেঞ্জকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে

পরামর্শ দিচ্ছেন বাঁকুড়া জিলা স্কুলের ইংরাজির শিক্ষক রক্তিম মুখোপাধ্যায়। বিশদ

12th  May, 2019
 ডিপিএস রুবি পার্কের বার্ষিক অনুষ্ঠান

  দিল্লি পাবলিক স্কুল (ডিপিএস), রুবি পার্ক প্রতি বছরের মতো এবারও তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। ‘রেভারেন্স ২০১৯’ নামে এই অনুষ্ঠানটি হয়েছিল নজরুল মঞ্চে। দু’দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখা গেল। উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্টজন। প্রথম দিন অনুষ্ঠান শুরু হয় গণেশস্তুতি দিয়ে।
বিশদ

12th  May, 2019
মহাকাশের দিনযাপন

মহাকাশে যাওয়া কঠিন। কিন্তু তার থেকেও কঠিন সেখানে দিনযাপন করা। কারণ, মহাকাশে পৃথিবীর মতো মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কাজ করে না। নেই বায়ুমণ্ডল, ফলে বায়ুর চাপও নেই। জল খাওয়া থেকে শুরু করে টয়লেটে যাওয়া সবই খুব শক্ত কাজ সেখানে। লিখেছেন প্রীতম দাশগুপ্ত।
বিশদ

12th  May, 2019
তানজেনিয়ার জাতীয় উদ্যানে

আফ্রিকা মহাদেশের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত তানজেনিয়া। দেশটির সরকারি নাম ইউনাইটেড রিপাবলিক অব তানজেনিয়া। প্রায় ৯ লক্ষ ৪৭ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এই দেশটি আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশে ১৩তম স্থান দখল করে। দেশটির একধারে প্রতিনিয়ত আছড়ে পড়ে ভারত মহাসাগরের উত্তাল ঢেউ।
বিশদ

05th  May, 2019
মুকুলিত কিশলয়

‘জল পড়ে পাতা নড়ে...’— যে অবোধ বালক শৈশবে এই পঙ্‌ক্তি লিখেছিলেন, তিনিই ভবিষ্যতের বিশ্বজোড়া খ্যাতির অধিকারী। এই কিংবদন্তি মানুষটি ছেলেবেলায় কিন্তু তোমাদের মতোই ছিলেন। তাঁর লেখা বই ‘ছেলেবেলা’ থেকে আকর্ষণীয় কিছু অংশ তুলে ধরে তাঁকে নিয়েই এই লেখা। গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো করেছেন মৃণালকান্তি দাস।
বিশদ

05th  May, 2019
মুকুলবীথি শিশু বিদ্যালয়

 মুকুলবীথি। শুধু আর শব্দ নয়। শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনের উজ্জ্বল ঠিকানা। স্নেহ, ভালোবাসা, নিয়মানুবর্তিতা, ব্যক্তিত্ব বিকাশের অভিনব প্রতিষ্ঠান। সুন্দর পরিবেশে সহানুভূতির সঙ্গে বেড়ে ওঠা শিশুদের নিজের বাড়ি। এই ধরনের একটা স্কুল তৈরির স্বপ্ন ছিল রেণুকা সেনের। সেই ইচ্ছেটা বেশিমাত্রায় তীব্র হল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার সময়।
বিশদ

05th  May, 2019
খুদেদের খেলনা

কারও পছন্দ বার্বি ডল, কেউ ভালোবাসে কু ঝিক ঝিক ট্রেনগাড়ি। মুকুলবীথি শিশু বিদ্যালয়ের ছোট্ট সোনাদের প্রিয় খেলনার খবরাখবর নিলেন শম্পা সরকার। বিশদ

05th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহ জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের তুলসীহাটা হাইস্কুলের তানবীর আলম এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে। কিন্তু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে দারিদ্রতাই তার কাছে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রে নতুন সরকার আসার পর বাড়তে পারে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার পিছু কমিশনের অঙ্ক। এমনটাই আশা করছেন ডিলাররা। তাঁদের আশা, গৃহস্থের সিলিন্ডার পিছু অন্তত ২০ টাকা কমিশন বাড়বে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ১১ জন ভুয়ো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পাবলিক নোটিস ইস্যু করল দেশের অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার শীর্ষ সংস্থা মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (এমসিআই)। তারা জানিয়েছে, এর মধ্যে তিনজনের নামে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে জাল কাগজপত্র দাখিল করার জন্য। ...

দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়, হাওড়া: প্রবল মোদি হাওয়ায় শুধু সিপিএমের ভোট ব্যাঙ্কে ধ্বস নামেনি, তৃণমূলেরও একটি বড় অংশের ভোট বিজেপির বাক্সে গিয়েছে। আর তার ফলেই উলুবেড়িয়া লোকসভা এলাকায় তৃণমূলের জয়ের মার্জিন কমেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের বিষয় নির্বাচন সঠিক হওয়া দরকার। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে পারেন। কারও সঙ্গে সম্পর্ক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  May, 2019

দিন পঞ্জিকা

১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৭ মে ২০১৯, সোমবার, অষ্টমী ১৫/৫০ দিবা ১১/১৬। শতভিষা ২৮/১১ দিবা ৪/১৩। সূ উ ৪/৫৬/৩৩, অ ৬/১০/৪২, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৮/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৭ মে ২০১৯, সোমবার, অষ্টমী ১২/৭/৫০ দিবা ৯/৪৭/৩১। শতভিষানক্ষত্র ২৫/৩৫/২১ দিবা ৩/১০/৩১, সূ উ ৪/৫৬/২৩, অ ৬/১২/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে, বারবেলা ২/৫৩/৩১ গতে ৪/৩৩/২ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৫/৫৪ গতে ৮/১৫/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪/০ গতে ১১/৩৪/২৯ মধ্যে। 
২১ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়িতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে 

26-05-2019 - 08:56:39 PM

রাজীব কুমারকে আগামীকাল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নোটিস দিল সিবিআই 

26-05-2019 - 08:21:15 PM

বাগনানে দামোদরে স্নান করতে নেমে নিখোঁজ যুবক 

26-05-2019 - 08:16:00 PM

আদর্শ আচরণবিধি উঠতেই বদলি হওয়া পুলিস কর্তাদের পুরনো পদে ফেরার নির্দেশ
আদর্শ আচরণবিধি উঠতেই নির্বাচন কমিশন দ্বারা বদলি হওয়া একাধিক পুলিস ...বিশদ

26-05-2019 - 08:13:25 PM

কলকাতার প্রাক্তন পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআইয়ের দল 

26-05-2019 - 07:49:53 PM

বিমান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ফোন, চাঞ্চল্য 
বাগডোগরা থেকে কলকাতামুখী এয়ার এশিয়ার বিমান মাঝ আকাশে উড়িয়ে দেওয়ার ...বিশদ

26-05-2019 - 07:36:28 PM