Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

ইঞ্জিন ছাড়াই ছুটছে ট্রেন! 

আমাদের দেশে চালু হয়েছে নতুন দ্রুতগতির ট্রেন বন্দে ভারত। এই ট্রেন চলে ইঞ্জিন ছাড়াই। কেমন সেই ট্রেন? ভিতরে কী আছে? নিজের চোখে দেখে এসে তোমাদের জানাচ্ছেন দিব্যেন্দু বিশ্বাস।

তোমরা নিশ্চই রেলগাড়িতে চেপে মাঝেমধ্যেই এদিক ওদিক বেড়াতে যাও! আর মাত্র মাসদুয়েকের মধ্যে তোমাদের স্কুলে গরমের ছুটিও শুরু হয়ে যাবে। সেইসময় তোমরা রেলগাড়িতে চেপেই কেউ কেউ মামাবাড়ি যাবে, অনেকে আবার অন্য কোথাও ঘুরতে যাবে নিশ্চয়! কু ঝিকঝিক এই শব্দটি শুনলেই কেমন যেন ছুটির ঘণ্টা বেজে গেল বলেই মনে হতে থাকে, তাই না? তবে আজ তোমাদের এমন একটা রেলগাড়ির গল্প শোনাব, যেখানে কোনও কু ঝিকঝিক শব্দ হয় না। মানে কু ঝিকঝিক শব্দের উৎস যেখানে, এই রেলগাড়িতে সেই ইঞ্জিনটিই নেই। ইঞ্জিন ছাড়াই ছুটে বেড়াচ্ছে একটি আস্ত রেলগাড়ি। তোমরা নিশ্চয় ভাবছ, ইঞ্জিন নেই। তাও রেলগাড়ি ছুটছে? এ কীভাবে সম্ভব? অবশ্যই সম্ভব। সম্প্রতি ভারতীয় রেল এমনই এক অভিনব ট্রেন তৈরি করেছে। যাতে কোনও ইঞ্জিনই নেই। অথচ এই ট্রেন ছুটছে আমাদের দেশের বাকি রেলগাড়িগুলির থেকে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে। ট্রেনটির নাম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। আর ডাকনাম ট্রেন-১৮। ২০১৮ সালে তৈরি হয়েছিল বলেই এরকম নাম। পরে অবশ্য জমা পড়া অনেক নামের মধ্যে থেকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের নামই চূড়ান্ত করা হয়। আপাতত এই ট্রেনটি শুধুমাত্র নয়াদিল্লি এবং বারাণসীর মধ্যে চলাচল করছে। মাঝে কানপুর এবং এলাহাবাদে স্টপেজও দিচ্ছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবুজ পতাকা নেড়ে নয়াদিল্লি থেকে এই ট্রেনের উদ্বোধনও করে দিয়েছেন। আমাদের রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আগামীদিনে কলকাতা থেকে পাটনা এবং কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বরের মধ্যেও এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালানো হবে। কী ভাবছ? ব্যাগ গোছাতে শুরু করবে কি না? করতেই পারো। কারণ দেশের এই প্রথম সেমি হাইস্পিড ট্রেন ভারতীয় রেলের গর্ব।
কেন? এই ট্রেনটি তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তোমাদের মধ্যে অনেকেই নিশ্চয় চেন্নাইয়ে গিয়েছ? সেখানে ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) নামে রেলের একটি কারখানা আছে। সেই কারখানাতেই মাত্র ১৮ মাস সময়ের মধ্যে তৈরি হয়েছে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। একমাত্র এই ট্রেনেই বিদেশের কোনও রাষ্ট্র থেকে কোনওরকম প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়া হয়নি। আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়াররাই এই কৃতিত্বের অধিকারী। ট্রেনটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৯৭ কোটি টাকা। কেন এই ট্রেনকে দেশের প্রথম সেমি হাইস্পিড ট্রেন বলা হচ্ছে? কারণ এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চলার ক্ষমতা রাখে, যা এই মুহূর্তে আমাদের দেশের অন্য কোনও ট্রেনের নেই। আর যে কারণে নয়াদিল্লি থেকে বারাণসী যেতে যেখানে এমনিতে সময় লেগে যায় প্রায় ১১-১২ ঘণ্টা, সেখানে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে চেপে দিল্লি থেকে বারাণসী পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে আট ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই। তবে আপাতত ট্রেনটিকে ছোটানো হচ্ছে গড়ে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতিতেই, যা কিনা এই মুহূর্তে শতাব্দী এক্সপ্রেসের গতিবেগ। কারণ সেমি হাইস্পিডের গতিতে ছোটাতে গেলে আরও কিছু পরিকাঠামোর প্রয়োজন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ট্রেনটির গোটা রুটে ফেন্সিংয়ের ব্যবস্থা করা। কারণ এত দ্রুতগতিতে ছুটে চলা ট্রেনের যাত্রাপথে যদি কোনও বাধা চলে আসে (গবাদি পশু, মানুষ, গাড়ি), তাহলে সেগুলির ক্ষতি তো হবেই, এত স্পিডে ছুটে চলার জন্যই বড়সড় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। সেই আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে, সব পরিকাঠামোগত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একে শতাব্দী এক্সপ্রেসের গতিতেই চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলমন্ত্রক। তোমাদের আরও একটি কথা চুপিচুপি বলে দিই, এই শতাব্দী এক্সপ্রেসের পরিবর্তেই কিন্তু বন্দে ভারত এক্সপ্রেস বা ট্রেন-১৮ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রেল। অর্থাৎ ধীরে ধীরে শতাব্দী এক্সপ্রেস সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। তার বদলে ছুটে চলবে ট্রেন-১৮।
এবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ডিজাইন সম্পর্কে শোনো। ইঞ্জিন ছাড়াই কীভাবে একটি গোটা ট্রেন চলতে পারে, এবং তা দেখতেও বা কেমন, তা নিয়ে নিশ্চই তোমরা খুব চিন্তায় পড়েছ? একটু সহজ করে বলি। তোমরা কলকাতায় মেট্রোরেলে চড়ো তো? পুরনো মেট্রো নয় কিন্তু। নতুন যেসব মেট্রো এসেছে কলকাতায়, সেগুলি। বন্দে ভারত এক্সপ্রেস দেখতে অনেকটা সেরকম। অর্থাৎ এই ট্রেনটিকে সামনে এবং পিছনে দুদিকেই ইচ্ছেমতো ‘মুভ’ করানো যায়। সবমিলিয়ে এই ট্রেনে রয়েছে মোট ১৬টি কোচ। পুরোটাই তৈরি হয়েছে স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে। সম্পূর্ণ ট্রেনটি এসি। পুরোটাই চেয়ারকার। অর্থাৎ বসে যেতে হবে। শোয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। এসি চেয়ারকার রয়েছে ১২টি। প্রতিটি চেয়ার কার কোচে বসতে পারবেন ৭৮ জন করে যাত্রী। এগ্‌জিকিউটিভ চেয়ার কার রয়েছে দুটি। যেখানে প্রতি কোচে ৫২ জন করে যাত্রীর জায়গা হবে। এগ্‌জিকিউটিভ চেয়ার কারের বসার আসনগুলিকে আবার ইচ্ছেমতো ঘোরানোও যায়। দরজা খোলা-বন্ধের ব্যবস্থাও স্বয়ংক্রিয়। অর্থাৎ তুমি যদি সামনে গিয়ে দাঁড়ও, ব্যস, দরজা খুলে যাবে মুহূর্তেই। তুমি কোন স্টেশন থেকে উঠেছ, পরবর্তী স্টেশনের নাম কী, সেটি কতক্ষণের মধ্যে পৌঁছবে সমস্ত তথ্য তোমায় দেখিয়ে দেবে কোচে লাগানো টিভি, যা চালানো হবে জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে। পুরো ট্রেনেই এলইডি আলোর ব্যবস্থা। এছাড়াও প্রতি কোচেই তোমাদের সকলের সুরক্ষার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে কোনওরকম ঝাঁকুনি ছাড়াই দ্রুত ট্রেনের গতি বৃদ্ধি এবং হ্রাস করা সম্ভব। আরও একটি তথ্য দিয়ে রাখি তোমাদের। এই ট্রেন-১৮, অর্থাৎ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস কিন্তু সুরক্ষার দিক দিয়েও একেবারেই নিরাপদ। দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহার হলেও তা সবই আন্তর্জাতিক মানের। এবং অত্যাধুনিক। ফলে ট্রেন যখন দুরন্ত গতিতে ছুটে চলবে, তখন অযথা ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই। নিশ্চিন্তে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যেয়ো। তবে হ্যাঁ, টিকিটের দাম একটু বেশি। শতাব্দী এক্সপ্রেসের তুলনায় এর ভাড়া অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি। এরপরেও যদি তোমাদের বাবা-মা টিকিটের ঠিকঠাক দাম তোমাদের কাছে জানতে চান, তখন কী করবে? দেখে নাও ঠিক কত দাম দিয়ে টিকিট কাটতে হবে তোমাদের। নয়াদিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব মোট ৭৭৬ কিলোমিটার। এই পুরো পথ যেতে এসি চেয়ার কারের জন্য ভাড়া পড়বে মাথাপিছু এক হাজার ৭৬০ টাকা। যার মধ্যে বেস ফেয়ার যাত্রীপিছু এক হাজার ২৪০ টাকা। কেটারিং চার্জ ৩৪৪ টাকা। এর সঙ্গে পাঁচ শতাংশ জিএসটি যুক্ত হবে। অন্যদিকে, এগ্‌জিকিউটিভ ক্লাসের জন্য তোমাদের খরচ পড়বে যাত্রীপিছু তিন হাজার ৩১০ টাকা। যার মধ্যে বেস ফেয়ার দুহাজার ৬১৭ টাকা। কেটারিং চার্জ ৩৯৯ টাকা। এর সঙ্গে একইভাবে যুক্ত হবে পাঁচ শতাংশ জিএসটি। আর যদি তোমরা কানপুর এবং এলাহাবাদে নামতে চাও, তাহলে ভাড়া আরও একটু কম পড়বে। তবে টিকিটের দামের মধ্যেই ধরা আছে খাবারের মূল্যও। যাত্রীপিছু এর চার্জের হিসেব তোমরা পেয়েই গেলে। খাবারের বৈচিত্র্যে যাত্রীরা কার্যত পাঁচতারা হোটেলের স্বাদই পাবেন বলে জানিয়েছে খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা আইআরসিটিসি (ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কেটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন)।
শুধুমাত্র একটি বিষয় তোমরা একটু মাথায় রাখতে বলো তোমাদের বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের। এই ট্রেনে কিন্তু কোনওরকম কনসেশন নেই। অর্থাৎ টিকিট কাটায় কোনওরকম ছাড় মিলবে না। বড়দের জন্যও নেই। ছোটদের (চাইল্ড কনসেশন) জন্যও নেই। অবশ্য তোমরা তো এখন বড় হয়েই গিয়েছ, তাই না?
ছবি: রেলমন্ত্রকের সৌজন্যে  
24th  March, 2019
বিকেলবেলার আলো

আজ ক্লাস ফাইভ থেকে বিনন্দ সিক্সে উঠেছে। ওর এরকম নামটা মা রেখেছিল। মা একটা পুরনো বই ঠাকুরমার কাছ থেকে পেয়েছিল। বইটার নাম ‘লক্ষ্মীচরিত্র’। বইটার মলাটে একটা লক্ষ্মী ঠাকুরের রঙিন ছবি আছে। মা সন্ধেবেলা বইটা নিয়ে পড়তে বসে।
বিশদ

21st  April, 2024
পশ্চিম আকাশে সূর্যোদয়

শুক্রের আহ্নিক গতি অন্য গ্রহগুলির মতো নয়। সৌর জগতে কেন ব্যতিক্রমী এই গ্রহ জানালেন স্বরূপ কুলভী বিশদ

21st  April, 2024
মুদ্রা যখন বিশালাকৃতির পাথর

টাকা-পয়সা বা মুদ্রা সম্পর্কে আমাদের সকলেরই কমবেশি ধারণা আছে। সভ্যতার ঊষালগ্নে চালু ছিল বিনিময় প্রথা। তারপর এল তামা, সোনা ও রুপোর মুদ্রা। বর্তমান সময়ে ধাতব মুদ্রার পাশাপাশি কাগজের নোট চালু আছে।
বিশদ

21st  April, 2024
বাংলা ভাষার প্রতি ঠাকুরবাড়ির ভালোবাসা
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

বাংলা নববর্ষের দিন জানব বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার কথা। সেই ইংরেজ আমলে রবীন্দ্রনাথের পরিবারের সদস্যরা কীভাবে এই ভাষার জন্য লড়াই করেছিলেন, তুলে ধরা হল তারই টুকরো কিছু স্মৃতি।  বিশদ

14th  April, 2024
হরেকরকম হাতের কাজ: মটকা পেন্টিং

ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে হাতের কাজ করা শেখাচ্ছেন ডিজাইনার বিদিশা বসু। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

14th  April, 2024
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আবিষ্কার
কল্যাণকুমার দে

ঘুম! পড়তে বসলেই ঘুম পেয়ে যায়। এর জন্য বাবা-মায়ের কাছে কম বকুনি খেতে হয় না। বকুনি খেয়েও কিন্তু অভ্যেসটা পাল্টায় না। আসলে ঘুমের অভ্যেসটা আমাদের জন্মাবার সঙ্গেই তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, আমরা কেন ঘুমোই? জীবনে কি ঘুম অত্যন্ত জরুরি? বিশদ

14th  April, 2024
এপ্রিল ফুলের খুনসুটি

পেরিয়ে এলাম পয়লা এপ্রিল। ইংরেজি চতুর্থ মাসের ১ তারিখ মানেই এপ্রিল ফুলস’ ডে। বোকা বানানোর দিন। কীভাবে বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি মজা করে কাটল, সেই গল্পই শোনাল পূর্ব বর্ধমানের ঘোড়ানাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ‘ফুল’ একটি ইংরেজি শব্দ। এর অর্থ বোকা। এপ্রিল ফুলের অর্থ এপ্রিল মাসের বোকা।
বিশদ

07th  April, 2024
যাত্রী যখন গান্ধীজি

১৯৪৬ সালের জানুয়ারি মাস। শীতের বিকেলে সোদপুর স্টেশন দিয়ে কু-ঝিকঝিক আওয়াজ করে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেন। স্ব-পার্ষদ খাদি আশ্রমে বসে রয়েছেন জাতির জনক। আচমকা বললেন, মাদ্রাজ যেতে হবে। এখান থেকেই ট্রেন ধরব
বিশদ

07th  April, 2024
বিরল সংখ্যা

গণিত মানেই মগজাস্ত্রে শান। সংখ্যার খেলা। কত ধরনেরই যে বিস্ময় লুকিয়ে রয়েছে, তা বলে বোঝানো যায় না। এক একটা সংখ্যাতেই কত না রহস্য। এই ধর, ছয় দশ পাঁচ পঁয়ষট্টির কথা। সংখ্যায় লিখলে— ৬৫। দেখে কী মনে হচ্ছে!
বিশদ

07th  April, 2024
রুকু ঝুকুর চাওয়া পাওয়া
অংশুমান কর

আমরা গ্রামের বাড়ি যাব। ঝুকুর জন্মের পর এই প্রথম আমাদের সকলের একসঙ্গে গ্রামের বাড়ি যাওয়া। ও তাই খুব আনন্দে আছে। কতবার আমাকে বলছে, ‘দাদা তুই আর আমি ধানগাছে চড়ে দোল খাব।’ আমি ওকে বলিনি যে, ধানগাছে চড়ে দোল খাওয়া যায় না। বিশদ

31st  March, 2024
মহাকাশযাত্রীদের খাবার-দাবার
উৎপল অধিকারী

মহাকাশ বড়ই রহস্যময় স্থান। এই রহস্যের উদ্ঘাটন করার জন্য মানুষ দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষ সশরীরে সেখানে হাজির হয়েছে। এই অকুতোভয় সাহসী মহাকাশযাত্রীরা জীবন বাজি রেখে অসীম ধৈর্য নিয়ে মহাকাশযানে তাঁদের গবেষণা করছেন। বিশদ

31st  March, 2024
চরম দারিদ্র্য থেকে সর্বোচ্চ শিখরে

পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের প্রথম উচ্চতা মেপেছিলেন রাধানাথ শিকদার। এই বাঙালি গণিতবিদের সাফল্যের গল্প শোনালেন সোমনাথ সরকার বিশদ

31st  March, 2024
কবিগুরুর দোল উৎসব
সায়ন্তন মজুমদার

১৯২৫ সালে দোল উপলক্ষ্যে সেজে ওঠে আম্রকুঞ্জ। কিন্তু বিকেলের ঝড়বৃষ্টিতে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বৃষ্টি থামতে রবীন্দ্রনাথ সকলকে নিয়ে চলে যান এখনকার পাঠভবনে। সেখানে অভিনীত হয় ‘সুন্দর’ নাটকটি। বিশদ

24th  March, 2024
খেলাধুলোর আনন্দ

পড়াশোনায় ফাঁক পেলেই চলছে চুটিয়ে খেলা। ব্যাট-উইকেট, ফুটবল নিয়ে সকলে নেমে পড়ছে। খেলার আনন্দের বিকল্প নেই। নিজেদের প্রিয় খেলার বিষয়ে জানাল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর হাই স্কুলের পড়ুয়ারা। বিশদ

24th  March, 2024
একনজরে
একাধিক মামলায় তিনি ছিলেন পুলিসের খাতায় ‘ওয়ান্টেড’। জানুয়ারিতেই তাঁর নামে রেড কর্নার নোটিস জারি হয়েছিল। শেষপর্যন্ত, থাইল্যান্ডে ধরা পড়লেন নয়ডার স্ক্র্যাপ মাফিয়া তথা উত্তরপ্রদেশের কুখ্যাত গ্যাংস্টার রবি কানা। ...

ভ্লাদিমির পুতিনের অন্যতম সমালোচক তথা বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনি গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মারা যান। জেলের ভিতর সেই মৃত্যু নিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিন্দার মুখে পড়েছেন পুতিন। ...

কলকাতা বেলেঘাটার বাসিন্দা গণেশ দাসকে খুনের ঘটনায় বুধবার উদ্ধার হল কিছু হাড়গোড়। জয়পুর থানার পুলিস জানিয়েছে, গাইঘাটা খাল থেকে ফিমার, কোমরের সহ সাতটি হাড় উদ্ধার হয়েছে। মৃতদেহটি জলে ডুবিয়ে রাখতে ব্যবহৃত বস্তা, দড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। ...

একটা নেটে অনবরত হাত ঘুরিয়ে চলেছেন সুয়াশ শর্মারা। আর একটা নেট পেসারদের দখলে। মূল পিচের ঠিক পাশের নেটে আবার থ্রো ডাউনের বিরুদ্ধে টক টক করে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিমাসূত্রে ধনাগম হতে পারে। প্রেম-প্রণয়ে আনন্দ। কাজকর্মে অগ্রগতি ও সুনাম। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব  ম্যালেরিয়া দিবস
১৮৫৯: সুয়েজ খাল খননের কাজ শুরু হয়
১৯৪০: মার্কিন অভিনেতা আল পাচিনোর জন্ম
১৯৬৯: ফুটবলার আই এম বিজয়নের জন্ম
১৯৮৭: সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮২.৮৩ টাকা ৮৩.৯২ টাকা
পাউন্ড ১০২.৫৫ টাকা ১০৫.১৬ টাকা
ইউরো ৮৮.০৫ টাকা ৯০.৪৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৭২,৬৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৭৩,০০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৬৯,৪০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৮১,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৮১,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ বৈশাখ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪। প্রতিপদ ৩/৫৫ দিবা ৬/৪৬। বিশাখা নক্ষত্র ৫৩/০ রাত্রি ২/২৪। সূর্যোদয় ৫/১২/১৫, সূর্যাস্ত ৫/৫৭/০। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/৫৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৫১ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। 
১২ বৈশাখ, ১৪৩১, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪। প্রতিপদ প্রাতঃ ৫/৪৪। বিশাখা নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৫/৫৮। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪০ গতে ২/৫০ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ২/৪৭ গতে ৫/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৬ গতে ১/০ মধ্যে। 
১৫ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইপিএল: গুজরাতকে ৪ রানে হারাল দিল্লি

24-04-2024 - 11:27:04 PM

আইপিএল: ১৩ রানে আউট সাই কিশোর, গুজরাত ২০৬/৮ (১৯ ওভার) টার্গেট ২২৫

24-04-2024 - 11:18:57 PM

আইপিএল: ৫৫ রানে আউট ডেভিড মিলার, গুজরাত ১৮১/৭ (১৭.৩ ওভার) টার্গেট ২২৫

24-04-2024 - 11:08:30 PM

আইপিএল: ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি ডেভিড মিলারের, গুজরাত ১৭৭/৬ (১৭ ওভার) টার্গেট ২২৫

24-04-2024 - 11:05:47 PM

আইপিএল: ৪ রানে আউট রাহুল তেওতিয়া, গুজরাত ১৫২/৬ (১৬ ওভার) টার্গেট ২২৫

24-04-2024 - 10:58:15 PM

আইপিএল: ৮ রানে আউট শাহরুখ খান, গুজরাত ১৩৯/৫ (১৪.১ ওভার) টার্গেট ২২৫

24-04-2024 - 10:49:17 PM