Bartaman Patrika
সাম্প্রতিক
 

কলঙ্কিত দেশ 
কল্যাণ বসু

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর পরিসংখ্যান বলছে ২০১২ সালে গোটা দেশে নথিভুক্ত ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ২৪,৯২৩ আর ২০১৬ সালে সেটা ৩৮,৯৪৭! অর্থাৎ হ্রাস তো দূরের কথা, পাঁচ বছরে ধর্ষণের ঘটনা ৫৬ শতাংশ বেড়েছে!

কাশ্মীরের কাঠুয়া, উত্তরপ্রদেশের উন্নাও, গুজরাতের সুরাত... নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের অন্তহীন সাম্প্রতিক মিছিল এই দেশকে বিশ্বের দরবারে আবারও কলঙ্কিত করেছে। এই দেশ যেন ধর্ষণভূমি।
দিনে গড়ে প্রায় ১০৭ জন এই ভূমিতে ধর্ষণের শিকার। ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২। দিল্লির বাসে ওই দিন গণধর্ষণ ও নৃশংস যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে মারা যায় একটি মেয়ে। এমনই বিধির বাঁধন, কলঙ্কিত সমাজ সেই মেয়েটির নাম জানাতে পারবে না, জানতেও অপারগ! অন্যোন্যপায় হয়ে সমাজ অভাগার নাম দিয়েছিল ‘নির্ভয়া।’ নির্ভয়া কাণ্ডের পর কত অশ্রুপাত, কত উদ্যোগ, কত অঙ্গীকার! কিন্তু সমাজ পরবর্তী এই ক’বছরে কতটা সভ্য, শালীন, সংবেদনশীল ও নিরাপদ হল? কতটা নির্ভয়া? ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর পরিসংখ্যান বলছে ২০১২ সালে গোটা দেশে নথিভুক্ত ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ২৪,৯২৩ আর ২০১৬ সালে সেটা ৩৮,৯৪৭! অর্থাৎ হ্রাস তো দূরের কথা, পাঁচ বছরে ধর্ষণের ঘটনা ৫৬ শতাংশ বেড়েছে! ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতি ১৫ বছরের এক ছাত্রীর গণধর্ষণের মামলার শুনানি চলাকালীন স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘পরিস্থিতি আরও খারাপ থেকে খারাপ হচ্ছে। মুশকিল হল এই কলঙ্ক দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মুখ পোড়াচ্ছে। আসমুদ্রহিমাচল আবালবৃদ্ধবনিতা কাঠুয়া-উন্নাও কাণ্ডে উত্তাল। দেশের ৪৯ জন আমলা কড়া চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা জানিয়েছেন। দেশের বাইরে রাষ্ট্রপুঞ্জ একই সুরে দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবি তুলেছে। মোদিকে খোলা চিঠি দিয়ে লন্ডনের নামী কলেজগুলির ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন ‘প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। ভারতে যে মেয়েদের যোগ্য সম্মান আছে তা প্রমাণ করুন।’
মনে পড়ে যায় শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের সেই মার্কিন ছাত্রীটির কথা। তিন মাসের ভারত সফরে তিনি বেশ কয়েকবার শ্লীলতাহানির শিকার হন। দেশে ফিরে গিয়ে তিনি পোস্ট-ট্রমাটিক ডিজ অর্ডারে ভোগেন আর সেই বিভীষিকাময় ভারত ভ্রমণের ইতিবৃত্ত সিএনএন-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন। ‘ইন্ডিয়া: দ্য স্টোরি ইউ নেভার ওয়ান্টেড টু হিয়ার’ শীর্ষক সেই প্রতিবেদনে তরুণীটি জানান যে, ভারত পর্যটকদের স্বর্গভূমি হলেও মেয়েদের কাছে নরকের মতো।
যাই হোক, প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্ভয়া কাণ্ডকে ঘিরে গর্জে উঠেছিল আসমুদ্রহিমাচল। দেশের আনাচ-কানাচে দিবারাত্র প্রতিবাদ-ধিক্কার-আন্দোলন-সমাবেশে শামিল হয়েছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ। তারপরও কেন যে-কে-সেই? অথবা, আরও তীব্রতর তমসা? উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টকেও কেন প্রশ্ন তুলতে হল ‘কেন বারংবার এত ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে?’ সত্যিই আরও গভীরভাবে অনুসন্ধানের প্রয়োজন ধর্ষণ নামক এই ভয়ঙ্কর ব্যাধির নিরাময় বা প্রশমনের উপায় কী।

 নানা গুরুবাদ
ধর্ষণের ঘটনা কেন ঘটে তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কারণ শনাক্তকরণের মধ্যেই নিহিত থাকে নিবারণের উপায়। কিন্তু সেখানেই তো বিভ্রান্তি, যাকে বলে গোড়ায় গলদ। মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ, মানে যেটা সব চাইতে বেশি শোনা যায়, তা হল মেয়েদের বেশভূষা। কানাডা তো যথেষ্ট প্রগতিশীল। সেই দেশের এক পুলিস কী করে বলে বসলেন ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেতে হলে ‘স্লাট’ মেয়েদের মতো পোশাক পরা বন্ধ করতে হবে? ২০১১-র এই মন্তব্যের পর পৃথিবী জুড়ে সমালোচনার ঝড়, কত প্রতিবাদ, চালু হল ‘স্লাট ওয়াক’। তবুও কি ধারণার কোনও পরিবর্তন হল? সমাজবাদী পার্টির নেতা আবু আজমি মেয়েদের পোশাকে ধর্ষণের রসদ খুঁজে পেয়ে বলেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্যের পোশাকই নারীর শ্লীলতাহানির মূল কারণ। পোশাকের বাইরেও ধর্ষণোদ্দীপক কিছু কারণের সন্ধান দিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন দিকের নামীদামি কিছু মানুষ। যেমন, মেয়েরা লিপস্টিক ব্যবহার না করলেই ভালো, যদিও বা করে তা যেন প্রগাঢ় লাল না হয়। কো-এড শিক্ষাপদ্ধতি নিষিদ্ধ করা উচিত। নাইট শো-তে সিনেমা-থিয়েটার দেখতে যাওয়া ঠিক কাজ না। রাস্তায় একা দাঁড়িয়ে ফুচকা, চাউমিন কিংবা একা রেস্তরাঁয় কাটলেট, বিরিয়ানি খাওয়া বিপজ্জনক। মেয়েদের হাতে যেন মোবাইল ফোন না থাকে...। এইরকম নানা প্রস্তাব, উপদেশ, নিষেধাজ্ঞা সমাজের বিভিন্ন বিভাগের অভিভাবকরা অকাতরে বিলি করছেন, কখনও তাঁরা ধর্মীয় গুরু কখনও বা রাজনৈতিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক গুরু। লক্ষ করার বিষয় হল এদের সমস্ত বাণীই মেয়েদের উদ্দেশে নিঃসৃত। ব্যতিক্রম যা আছে যৎসামান্য এবং সেটাও হাস্যকর। এই যেমন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতালা মহাশয় রজনীশীয় সম্ভোগ তত্ত্বের পথে গিয়ে বলেন বিবাহযোগ্যতার ন্যূনতম বয়সসীমা কমিয়ে দিলেই নাকি সমাজে ধর্ষণের হারও কমে যাবে। পুরুষেরা ধর্ষণোদ্যত হলে মেয়েরা কী করবে তারও উপায় বাতলে দিয়েছেন এক ধর্মীয় গুরু। তাঁর কথায় সেই সময় মেয়েদের উচিত বেদমন্ত্র উচ্চারণ এবং ধর্ষকামীদের ভাই বলে সম্বোধন করা। এই সম্বোধনতত্ত্ব প্রসঙ্গে আর একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে যা ২০০৫ সালে ঘটে। ৬২ বছরের আলি মহম্মদ তাঁর পুত্রবধূকে (যে কি না পাঁচ সন্তানের মা) ধর্ষণের পর পঞ্চায়েত প্রধানরা বিধান দিয়েছিলেন ওই মহিলা যেন শ্বশুরকে স্বামী হিসাবে গ্রহণ করে এবং স্বামীকে ছেলে হিসাবে বিবেচনা করে সেইভাবে আচরণ করে। মুজফ্ফরনগরের এই ঘটনা দেশে আলোড়ন তৈরি করেছিল এবং শ্বশুর বাবাজির ১০ বছরের জেল হয়।
কেন ধর্ষণ কিংবা কী তার প্রতিষেধক সেই সম্পর্কে এইসব গুরুবাদ যে সমস্যা সমাধানের পথে অন্তরায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সঠিক চিকিৎসার প্রধান শর্ত হল সঠিক রোগ নির্ণয়। ধর্ষণ মোকাবিলায় এই অযৌক্তিক ব্যাখ্যাসমূহ সমাধানকে করছে সুদূর পরাহত। শুধু তাই নয়, অনেক সময় ধর্ষণ-বিরোধী কর্মকাণ্ডের একটা বড় অংশের অপচয় ঘটছে এইসব গুরুবাদ ও তজ্জনিত ফতোয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। একটা উদাহরণ দিই। দিল্লির বাসে গণধর্ষণের তখন এক মাসও হয়নি, দেশের অন্যপ্রান্তে সতেরো বছরের এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া এক ছাত্র ও এক বাস কন্ডাক্টর। পুদুচেরির সরকার ফরমান জারি করে স্কুলছাত্রীদের ওভারকোট পরতে হবে যাতে ছেলেদের চোখে শরীর ঢাকা থাকে। কিন্তু বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলনে সরকার সেই ফরমান তুলে নেয়। কথা হল, এই আন্দোলনটা যদি পোশাকের ফতোয়ার বিরুদ্ধে না হয়ে ধর্ষণের বিরুদ্ধে হতো, সেটা কি আরও ভালো হতো না? কাজেই চাই সমস্যার গভীরে গিয়ে তথ্যনির্ভর বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ।

 চাই বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণ
৯/১১-র সন্ত্রাসবাদী হানায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর দুনিয়া জুড়ে একটা চর্চা শুরু হয়েছিল মানুষ কেন সন্ত্রাসবাদী হয়। আর্থ-সামাজিক কারণ অনুসন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে স্নায়বিক বা শারীরবৃত্তীয় কারণ নিয়েও বিস্তর গবেষণাধর্মী কাজ হয়েছে। সেই অন্বেষণ আজও চলেছে। ধর্ষণের পিছনেও সেই বায়োলজি, কেমিস্ট্রি বা বায়োকেমিস্ট্রি কীভাবে কাজ করে সেই বিশুদ্ধ বিজ্ঞানে না ঢুকেও বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টি দিয়ে সমস্যাটা বোঝা দরকার।
পোশাকের কথাই ধরা যাক। মেয়েদের হ্রস্ব পোশাকই যদি ধর্ষণের কারণ হয় তাহলে বোরখা পরিহিতা কিংবা শাড়ি পরিহিতা ব্রীড়াবনত মহিলাও কেন ধর্ষণের শিকার হয়? মেয়েদের বেশভূষাকে দায়ী না করে যাঁরা পুলিস, বিচার, শাস্তি এই তিনের তৎপরতার কথা বলেন তারা তাও কিছুটা সদর্থক যুক্তি খাড়া করেন। তবে একথাও জোর দিয়ে বলা যায়, শাস্তি কিছুটা প্রতিবন্ধকতার কাজ করলেও সম্পূর্ণ প্রতিরোধক নয়। সুনীল সুরেশ নামে সেই বর্বরটির কথা মনে পড়ে? একটি শিশুকে ধর্ষণ করে খুনের অপরাধে ২০০৩ সালে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় নাসিকের দায়রা আদালত। পরে বম্বে হাইকোর্টের রায়ে সতেরো বছরের জেল হয়। সংশোধনাগারে ভালো ব্যবহারের জন্য ২০১২ সালে সে ছাড়া পায়। সবাইকে স্তম্ভিত করে দিয়ে মুক্তির কিছু দিনের মধ্যেই সে আর একটি শিশুকে ধর্ষণ ও খুনের অপরাধে গ্রেপ্তার হয়। সুতরাং শাস্তির ভয়ই ধর্ষকাম থেকে বিরত রাখার একমাত্র উপায় নয়। অনেকে বলছেন চরম শাস্তি, যেমন ফাঁসি হলে ধর্ষণের হার কমবে। তাহলে তো ধনঞ্জয়ের ফাঁসির পর এদেশে ধর্ষণের ঘটনা আর না হওয়ার কথা ছিল। আসলে পুলিস ও বিচারবিভাগের কাজ যদি সঠিক ও দ্রুত হয় তাহলে শাস্তির ভয় ভালো কাজ করতে পারে। ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে পুলিসের ঢিলেমি, রাজনীতি ও পয়সার অসাধু সংমিশ্রণ একদিকে, অন্যদিকে বিচারবিভাগীয় দীর্ঘসূত্রিতা—এই দুটি নেতিবাচক দিক জারি থাকায় অপরাধীদের কাছে শাস্তির ভয় অনেকটাই কম ঠেকে। ২০১৩-র ২২ জানুয়ারি নবি মুম্বইয়ে ৫৩ বছরের এক প্রৌঢ় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে খুন করে। চার্জশিটের দু’মাসের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে আদালত। মনে করা হচ্ছে এ ধরনের মামলায় এত তাড়াতাড়ি শাস্তি এই প্রথম।
দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ডের সাত মাসের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার মধ্যেও অনেকে ব্যতিক্রম দেখছেন যা আশার আলো। কিন্তু আবারও স্মরণ করিয়ে দেওয়া ভালো যে, পুলিস ও বিচারবিভাগের যৌথ অকর্মণ্যতার কারণে ধর্ষকদের দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও শাস্তি পাওয়ার হার এদেশে ভয়ঙ্কর ভাবে কম। ২০১২-তে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর হিসাবে প্রায় ২৫ হাজার ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়, যার মাত্র ২৪ শতাংশ ক্ষেত্রে অপরাধী সাব্যস্ত হয়েছে শাস্তি পাওয়ার জন্য।
কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ডের পর সেখানে যে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিল সেখানে অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অন্যান্য যে সব দাবি ছিল তা হল পাকা রাস্তা, রাস্তায় স্ট্রিট ল্যাম্প, হাইস্কুল এবং পুলিস ফাঁড়ি। পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ কিংবা দিল্লি গণধর্ষণের ক্ষেত্রে ঘটনাস্থল তো মেট্রোপলিটন দুই শহরে, এমনকী রাজ্য ও দেশের রাজধানীতে। সেখানে তো রাস্তা-লাইট-স্কুল-পুলিসের প্রাচুর্য। তবুও তো নৃশংস ঘটনা ঘটল। আর একটা কথা— শুধু পুলিস দিয়ে যেমন সমাজকে ধর্ষণমুক্ত করা যাবে না, আবার অত পুলিস জোগান পাওয়াও অসম্ভব। একটা পরিসংখ্যান দিই। ভারতের আয়তন প্রায় ৩২ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিমি যেখানে প্রায় ১২১ কোটি লোকের বাস। সারা দেশে মোট পুলিসের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ১১৭ জন। তাহলে প্রতি হাজার জনের জন্য ১.৩ জন এবং প্রতি ১০ বর্গকিমিতে মাত্র ৫ জন পুলিস। অর্থাৎ পুলিসকে যদি রক্ষক হিসাবে ধরি তাহলে দেশের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড এবং সেখানে বসবাসকারী মানুষ অরক্ষিত।

 রক্ষকই যে ভক্ষক
সর্ষেতেই যে ভূত!
গভীর রাতে ধর্ষিতা থানায় অভিযোগ জানাতে এসে ওসি-র দ্বারা আবার ধর্ষিতা হয়, এমন ঘটনা যেমন আছে, তেমনই রাস্তার ধারে ঝুপড়ির মহিলাকে ধর্ষণ করেছে পুলিস এমনও আছে। নানাবিধ পাপাচারের বিরুদ্ধে যে তহেলকারের ভূমিকা সর্বজনবিদিত তার প্রাক্তন সম্পাদকের বিরুদ্ধে সহকর্মীকে যৌন নিগ্রহের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। ৭৪ বছরের বিখ্যাত ধর্মগুরু ষোড়শী কিশোরীকে যৌন নিগ্রহের অপরাধে ধৃত। কত মন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ। এক রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর ধর্ষণের ভিডিও সিডি প্রকাশ পাওয়ায় তিনি পদত্যাগ পর্যন্ত করেন। ডাক্তারের দ্বারা রোগিণীর শ্লীলতাহানির ঘটনা বহু। বাকি রইল শ্রেষ্ঠ সমাজবন্ধু শিক্ষকের কথা। শিক্ষকদের দ্বারা শিশু থেকে বিভিন্ন বয়সের ছাত্রী বা সহকর্মিণীকে ধর্ষণের ঘটনা বহু। সাত মাসের গর্ভবতী মহিলাকে ধর্ষণ করেছেন শিক্ষক এমন ঘটনা তো এই রাজ্যেই আছে। শ্রেষ্ঠ সমাজবন্ধুদের হাতেই যখন নারীর শ্লীলতা, মর্যাদা লুণ্ঠিত, তখন পুলিসি নিরাপত্তার কথা হাস্যকর ঠেকে না কি? বাইরের লোক, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবদেরও বাদ দিন, পিতৃসঙ্গও যে বিপজ্জনক হয়েছে! পেশায় অটোচালক এক ব্যক্তি তার বছর কুড়ির মেয়েকে প্রায় চার বছর ধরে ধর্ষণ করেছে তিন সন্তানেরও জন্ম দিয়েছে। শুধু ধর্ষণ নয়, একবার মেয়ের কানও কেটে দেয় সে। তামিলনাড়ুতে ঘটা এই ঘটনাটির পর বাইরের নিরাপত্তার কথা বড্ড অসার মনে হয়।

 তাহলে উপায়
ধর্ষকদের টার্গেট শিশু থেকে বৃদ্ধা যে কোনও বয়সি। ধর্ষণ শুধু নয়, যৌন নিপীড়ন করে খুন। গর্ভবতী মহিলাকেও ধর্ষণ। সুস্থ সংস্কৃতির ক্রমাগত চর্চা ছাড়া ধর্ষণ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। বিভিন্ন ক্লাব ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিকে এই আন্দোলনে শামিল করতে হবে। রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আর্থিক, লিঙ্গীয় ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে গিয়ে একযোগে সমাজের নজরদারি ও তার বিশোধনের কাজটা চালাতে হবে।
হাল ছেড়ে দিয়ে প্রাক্তন সিবিআই প্রধান যা বলেছেন (‘ধর্ষণ না ঠেকানো গেলে তা এনজয় করাই বুদ্ধির কাজ’) সেটা সমাজকে আরও ভয়ঙ্কর পথে ঠেলে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুঘটনের কাজ করবে। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এইসব বিষাক্ত অর্বাচীন মন্তব্যের বিরুদ্ধেও লড়াই জারি রাখতে হবে। আর হ্যাঁ, বছরে একবার পক্ষকাল ব্যাপী ‘নারী নিগ্রহ প্রতিরোধ দিবস’-এর উদ্যাপন-মুখরতায় মগ্ন থাকলেই চলবে না। কারণ, এই সংগ্রাম প্রত্যেকের, প্রত্যহের, প্রতি মুহূর্তের।
06th  May, 2018
কোলিন্দার ‘সুন্দর’ মুখের আড়ালে! 

কখনও টিমের জন্য গলা ফাটাচ্ছেন, কখনও ফুটবলারদের সঙ্গে মেতে উঠছেন উদ্দাম সেলিব্রেশনে। দেখে কে বলবে তিনিই ছোট্ট দেশটার প্রথম নাগরিক। প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাবার কিতারোভিচ। পাপারাৎজিরা কেন তাঁর পিছু ছাড়ে না? তিনি নাকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গেও খুনসুঁটি করতে ছাড়েন না! র‌্যাকিটিচ, মডরিচদের ফুটবল স্কিলে যখম সম্মোহিত ক্রীড়া দুনিয়া, তখন ক্রোটদের সুন্দরী প্রেসিডেন্টের প্রাণোচ্ছলতায় মজেছে নেট দুনিয়া।
বিশদ

22nd  July, 2018
ভালোবাসার শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ
রাশিয়া থেকে ফিরে
সন্দীপন বিশ্বাস

সেন্ট পিটার্সবার্গ যেমন ইতিহাসের শহর, তেমনই ভালোবাসারও শহর। এই শহরের প্রাসাদে, নদীতে, গির্জায়, মেট্রোয়, পথে পথে মিশে আছে এক রোমান্টিসিজম। তাকে দেখা যায়, অনুভব করা যায়। প্রেমের শহর সেন্ট পিটার্সবার্গ। জার শাসকদের সময় ছুঁয়ে আজ পর্যন্ত এই শহর দেখেছে বহু প্রেম। সেই প্রেম কখনও সফল, কখনও রক্তাক্ত, কখনও ব্যর্থ, কখনও বা সেই প্রেম এনে দিয়েছে মৃত্যুর গন্ধ।
বিশদ

22nd  July, 2018
থাই শিশুদের নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহী হলিউড 

ঘটনা অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি। ১৭ দিন পর থাইল্যান্ডের বিপজ্জনক গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের উদ্ধার করেছেন দুঃসাহসী ডুবুরিরা। চিয়াং রাই হাসপাতালের বেডে মুখে মাস্ক ও হাসপাতালের গাউন পরা অবস্থায় রয়েছে তারা।
বিশদ

15th  July, 2018
ইতিহাসের সন্ধানে... 
সেন্ট পিটার্সবার্গে
(রাশিয়া থেকে ফিরে সন্দীপন বিশ্বাস)

জুন, জুলাই মাসের এই সময়টায় সেন্ট পিটার্সবার্গে সূর্যের আলস্য দেখার মতো। অস্ত যেতে যেন মন চায় না তার। সারাদিন মাথার উপর জ্বলছে তো জ্বলছেই। ঘড়িতে তখন সাড়ে এগারোটা বেজে গেল। সেটাকে রাত বলব কিনা বুঝতে পারছি না! তখন পশ্চিমের আকাশে সূয্যিমামার অনিচ্ছার ডুব।
বিশদ

15th  July, 2018
হেরে গিয়েও জিতে যাওয়া বোধহয় একেই বলে 

হেরে গিয়েও জিতে যাওয়া বোধহয় একেই বলে!
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াইয়ে বেলজিয়ামের সঙ্গে মুখোমুখি হয় জাপান। দুর্দান্ত খেলে দু’গোলে এগিয়েও যায় তারা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই তিনটে গোল দিয়ে জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় বেলজিয়াম।
বিশদ

08th  July, 2018
ভলগা নদীর তীরে... 
রাশিয়া থেকে সোমনাথ বসু

উলিৎসা সেমাশকো থেকে হাঁটাপথেই গোর্কি মিউজিয়াম। সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে ‘মা’ উপন্যাসের খসড়া। এমনকী প্রথম মুদ্রিত বইও। দুই খণ্ডে লেখা ‘মা’ বিপ্লবের আগমনি বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিল গোটা রাশিয়ায়। সরল মানবিকতা থেকে গোর্কি উত্তীর্ণ হন শ্রেণী-মানবিকতায়। উৎপল দত্ত এ‌ই উপন্যাসের একটি অংশকে নিয়ে লিখেছিলেন ‘মে দিবস’ নাটক...
বিশদ

08th  July, 2018
বিশ্বকাপের ম্যাসকট
জাবিভাকার জন্মকথা
সন্দীপন বিশ্বাস

পশ্চিম সাইবেরিয়ার একটা ছোট্ট শহর কিদরোভি। মস্কো থেকে অনেক দূর। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার। সেখানকার মেয়ে একাতেরিনা বোচারোভা আজ সারা বিশ্বে এক পরিচিত নাম। সে তো ওই জাবিভাকার দৌলতেই। জাবিভাকা একাতেরিনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। সেই জাবিভাকা এবারের বিশ্বকাপের ম্যাসকট। বিশদ

03rd  June, 2018
সিলভিও গাজ্জানিগা
বিশ্বকাপের নকশার কারিগর
অরূপ দে

১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জুরিখে ফিফা প্রেসিডেন্ট স্যার স্ট্যানলি রিউসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করা হয় নতুন ট্রফির জন্য নকশা নির্বাচনের উদ্দেশ্যে। সেই কমিটি আহ্ববান করে নকশা প্রতিযোগিতার। খবর পেয়েই সিলভিও গাজ্জানিগা শুরু করলেন কাজ।
বিশদ

03rd  June, 2018
লেডি ডন

হেঁসেলের অন্ধকারে যাঁদের জীবন কাটিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। সন্তান পালন, স্বামীর সেবাই ছিল যাঁদের জীবনের আদর্শ। সেই তাঁরাই একদিন ঘোমটা ছেড়ে হাতে তুলে নিয়েছিলেন আগ্নেয়াস্ত্র। তাঁদের অঙ্গুলি হেলনে চলেছে বিরাট অপরাধের সাম্রাজ্য। এক ফোনে মুহূর্তে চলে গিয়েছে কারও প্রাণ।
বিশদ

13th  May, 2018
তারাপীঠ
মহাপীঠের ২০০ বছর 

তারাপীঠের মন্দিরের ইতিহাসকে দুশো বছরের মধ্যে আটকানো যায় না। তার ইতিহাস প্রাচীন, আবছায়া, অস্পষ্ট এক অতীতের মধ্যে মিশে আছে। একদিকে পুরাণ আর একদিকে ইতিহাস। একদিকে লোককথা, অন্যদিকে দলিল। সব মিলেই তারাপীঠের মন্দির এবং তারামায়ের কাহিনী একাকার হয়ে গিয়েছে... 
বিশদ

13th  May, 2018
তারামায়ের ছেলে বামাক্ষ্যাপা 

বহু সিদ্ধ পুরুষের সাধনক্ষেত্র তারাপীঠ। কিন্তু তারাপীঠের কথা উঠলেই যে সাধক পুরুষের নামটি মনে আসে, তিনি হলেন বামাক্ষ্যাপা। তারামায়ের ক্ষ্যাপা ছেলে বামাক্ষ্যাপা। নানা লৌকিক এবং অলৌকিক কাহিনী ছড়িয়ে আছে তাঁকে ঘিরে। তারাপীঠের অদূরে আটলা গ্রামে তাঁর জন্ম।
বিশদ

13th  May, 2018
রহস্যময়ী রিতা কাৎজ 
মৃণালকান্তি দাস

রিতা কাৎজ। বাংলাদেশের দুই বিদেশি নাগরিক খুন হওয়ার পর ৫২ বছরের এই মহিলাই প্রথম ট্যুইটারে দাবি করেছিলেন, এই হত্যাকাণ্ড আইএস (ইসলামিক স্টেট) ঘটিয়েছে। ঢাকার গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালিয়ে ২০ জনকে জবাই করে হত্যা করার পর হামলাকারীদের ছবিও প্রথম প্রকাশ করেছিল রিতা কাৎজের ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ’ ওয়েবসাইট।
বিশদ

06th  May, 2018
জঙ্গিদের থেকেও রাশিয়ার ভয় পঙ্গপালের দলকে 

সন্দীপন বিশ্বাস: ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে যে লোকটা পুলিশের হাড় পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিয়েছিল, সে হল ফরিদ মেলুক। একজন আলজিরিয়ান ইসলামিক জঙ্গি। মেলুককে বলা হতো জঙ্গিদের ঠিকানা। সারা বিশ্বের জঙ্গিদের গতিবিধি, যোগাযোগের তথ্য ছিল তার নখের ডগায়।
বিশদ

29th  April, 2018
জোটের পথে... 

২০১৯-এর আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এর মধ্যে রয়েছে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ও। এই সব রাজ্যের ফল ২০১৯-এর সমীকরণ তৈরিতে অনেকটাই সাহায্যকরবে। কারণ বিধানসভায় বিজেপি ভালো ফল করলে, এখনকার মোদি বিরোধী হাওয়া আবার কমে যাবে। আর যদি বিজেপি হারে, তবে জোট রাজনীতির ঝড় উঠবে। লিখেছেন প্রীতম দাশগুপ্ত।
বিশদ

29th  April, 2018
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের হারে বেতন পাবেন কি না, এই বিতর্ক প্রায় দু’বছর ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। হাইকোর্টে দু’দফায় এবং পরবর্তীকালে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে (স্যাট) এর শুনানি হয়। হাইকোর্টের সর্বশেষ রায় অনুযায়ী, এই বিষয়টির চূড়ান্ত ফয়সালা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝড়ের আভাস দেবে, এমন যন্ত্র বসবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে। যার নাম ‘এসটি রেডার’। তবে এই যন্ত্র বসানো এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ। ...

 মুম্বই, ২৩ জুলাই: জন্মদিনে উপহার ১০১ টাকা। এক গরিব মহিলা শ্রমিকের কাছ থেকে এই উপহার পেয়ে কেঁদে ফেললেন মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ওই মহিলার নাম ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ভারী বর্ষণের কারণে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগরের ম্যাকউইলিয়াম আর আর প্রাইমারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল জলমগ্ন হয়ে আছে। ক্লাস রুমের ভেতরেও হাঁটু ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যার্থীর শুভ ফল লাভ হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম
১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু
১৮৮৪- ‘হিন্দু পেট্রিয়টে’-র সম্পাদক কৃষ্ণদাস পালের মৃত্যু
১৮৯৮- সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৭- অভিনেতা মনোজ কুমারের জন্ম
১৯৪৫- উইপ্রোর কর্ণধার আজিম প্রেমজির জন্ম
১৯৬৯- আমেরিকান অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জেনিফার লোপেজের জন্ম
১৯৮০- মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু
২০০৩- অভিনেতা শমিত ভঞ্জের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.২০ টাকা ৬৯.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৪০ টাকা ৮৭.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৭ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৬১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,১১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ৩২/২৩ অপঃ ৬/৫। রেবতী ২৬/২৪ দিবা ৩/৪২। সূ উ ৫/৮/৯, অ ৬/১৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৩১ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৫ গতে ১০/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৬ গতে ৩/৪৭ মধ্যে।
৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ২২/২১/১৭ দিবা ২/২/৫৯। রেবতীনক্ষত্র ১৯/৪২/৮ দিবা ১২/৫৯/১৯, সূ উ ৫/৬/২৮, অ ৬/২১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৩/৫৩ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৫/১০ গতে ১০/৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৫/১০ গতে ৩/৪৫/৪৯ মধ্যে।
 ২০ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নানুরে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ 
দলীয় সভায় যাওয়ায় বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ...বিশদ

01:41:23 PM

মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ 
এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ...বিশদ

01:35:00 PM

মারিশদায় বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 
এক বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুরের ...বিশদ

01:14:37 PM

নদীয়ার হাঁসখালির ময়ূরহাটে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ৬ 

01:06:06 PM

প্রিন্সেপ স্ট্রিটে ঝাঁঝালো গ্যাসের গন্ধ, আতঙ্ক 
ঝাঁঝালো গ্যাসের গন্ধে আতঙ্ক ধর্মতলার প্রিন্সেপ স্ট্রিট চত্বরে। গতকাল রাতে ...বিশদ

12:36:34 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু১৮৮৪- ...বিশদ

11:31:35 AM