গল্পের পাতা
 

তিথির সঙ্গে কিছুক্ষণ 

আশিস ঘোষ:  ঠিক সন্ধের শুরুতে তিথি এল। কখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি। কত বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি দাঁড়াল। লোকজন ওঠানামা করল। তিথি আর আসে না। ক্লান্ত বিরক্ত হয়ে চলে যাব কিনা ভাবছি, এমন সময় তিথি এল। ঠিক সন্ধের শুরুতে।
—দেখলে তো ঠিক এলাম।
—সে তো দেখতেই পাচ্ছি।
—রাগ করেছ?
উত্তর না দিয়ে চলতে শুরু করলাম। তিথি পাশে পাশেই হাঁটছে। ফুটপাথ ঘেঁষে একটা বাইক শব্দ ছড়িয়ে যেতেই মনে হল, কোথাও একটু বসলে ভালো হত। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পা ভারী। কিন্তু বসব কোথায়? এত বড় শহরে ইচ্ছেমতো বসার জায়গা পাওয়া যায় না। এ সময়ে কোনও ভালো রেস্তরাঁয় একটা চেয়ারও খালি থাকে না। শহরের বেশিরভাগ পার্ক এখন পাতাল রেলের দখলে। তা হলে? —এই, সিনেমায় যাবে? চলতে চলতে তিথি হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে। টিকিট?
পিঠে আলতো একটা খোঁচা দিয়ে তিথি বলল—টিকিট হলে পাওয়া যায়—
—অসম্ভব। ছ’টা প্রায় বাজতে চলল। এখন কোনও হলেই টিকিট পাবে না—
—ঠিক আছে। চেষ্টা করে দেখাই যাক না। তিথি রাস্তা ঘেঁষে দাঁড়ায়।
আমাদের উলটো দিকেই একটা সিনেমা হল। হলের সামনে প্রচুর ভিড়। হাউজের মাথায় সবে মাত্র আলো জ্বলে উঠেছে। ওদিকে চোখ রেখেই তিথি ফুটপাথ ছেড়ে রাস্তায় নামল। ভীষণ জেদি। কিছু একটা ঠিক করলে, যতক্ষণ না তা করতে পারছে, ছটফট করতে থাকবে। পারলে ভালো। না পারলে রাগটা পড়বে আমার ওপর। এগিয়ে ওর একটা হাত ধরলাম। ফিরে তাকাল তিথি। এই, কী হচ্ছে? মানে? মানে তোমার মুণ্ডু। হাত ছাড়িয়ে ও তাড়াতাড়ি ও পাশের ফুটপাথে উঠে গেল।
যা ভেবেছিলাম। হাউজ ফুল। নীল আলোয় লেখা ছোট শব্দ দুটো আমাদের দিকে চেয়ে মিটিমিটি হাসছে। দেখলে তো, বলেছিলাম না?
তিথি উত্তর দিল না। বারকয়েক এদিক-ওদিক চাইল। ওর মুখটা কেমন লাল হয়ে উঠেছে। জানি, এখন রাগটা পড়বে আমার ওপরেই। আজ সন্ধেটাই মাটি। আমাদের ঠিক চার ফুট দূরত্বে হাফ-প্যান্ট পরা একটা লোক দাঁড়িয়ে। চেহারা দেখলেই মনে হয় ব্ল্যাকে টিকিট বিক্রি করে। ওর কাছেই টিকিট চাইব কিনা ভাবছি, তিথি হঠাৎ এগিয়ে গেল। কী সব কথা হল ওদের মধ্যে। কত চাইবে কে জানে। বেশি টাকা দিয়ে এসব সিনেমা দেখার কোনও মানে হয়? বিরক্ত হয়ে তিথিকে ডাকতে যাব ও নিজেই এগিয়ে এল। তিরিশ টাকা বেশি চাইছে—
—খেপেছ? চল অন্য কোথাও যাই—
মাথা নাড়ে তিথি।—তাই চলো। এত বেশি দাম দেওয়ার কোনও মানে হয় না—
আর দাঁড়ালাম না। খানিকটা এগিয়ে ‘মাদ্রাজি কাফে’র সামনে দাঁড়ালাম। ব্যাগ খুলে কী যেন খুঁজছিল তিথি। রুমালে মুখটা মুছে নিল। এই কয়েক মিনিটের উত্তেজনায় কপালে নাকের ডগায় কয়েক ফোঁটা ঘাম জমেছিল। কাফেতেও বসার জায়গা নেই। একগাদা ভিড়। সবাই কথা বলছে। কারুর কথাই বোঝা যাচ্ছে না। সাদা পোশাকের একজন বেয়ারা এসে আমাদের দাঁড়াতে বলল। কাউন্টারের সামনে দাঁড়ালাম। কোনও টেবিল খালি হচ্ছে না। এভাবে আর কতক্ষণ দাঁড়ানো যায়। তিথির দিকে চাইতেই ও কেমন ছটফটিয়ে উঠল। চলো, বেরিয়ে যাই—
—কোথায় যাবে? যেখানে হোক। এখানে তো বসার জায়গা নেই। বলতে বলতে ও দরজার দিকে পা বাড়াল। চারদিকে চোখ বুলিয়ে আর একবার বসার জায়গা খুঁজে, আমাকেও এগুতে হল। বাইরে এসে বললাম, —দূর, আজকের সন্ধেটাই মাটি-যদি অত দেরি না করতে—
কী যেন বলল তিথি। শোনা গেল না। রাস্তার ভিড় আগের চাইতেও বেড়েছে। ফুটপাথেও ঠিকমতো হাঁটার উপায় নেই। এখানে-ওখানে গর্ত। হকারদের দোকান। রাস্তা দিয়েও হাঁটা যায় না। পর পর সব গাড়ি। একটু অসতর্ক হলেই—এত লোক যে কেন রাস্তায় বেরয়। রাস্তায় হাঁটা যায় না। শুধু লোক লোক আর লোক। এই শহর নিয়ে আমরা এত হইচই করি। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয়, এখান থেকে পালাতে পারলে বাঁচা যেত। ওকে নিয়ে হয়েছে বিপদ। একা হলে যেভাবে হোক সময় কাটাতাম। কিন্তু ওকে নিয়ে এখন যাই কোথায়? কী যে করি। এমনিতে আমাদের দেখা সাক্ষাৎ খুব একটা হয় না। ও থাকে উত্তরে। আমি দক্ষিণে। ওর চাকরি মফস্‌স঩লের একটা স্কুলে। আমার ডালহৌসিতে। যে যার মতো থাকি। সপ্তাহ মাস চলে যায়। চিঠিতেই যা যোগাযোগ। মাঝেমধ্যে ও কলকাতায় এলে, এভাবেই আমাদের দেখা হয়।...
হাঁটতে হাঁটতে আমরা কালীঘাটের গঙ্গার কাছে এসে পড়লাম। প্রায় সাতটা বাজে। এ সময়ে এদিকটা বেশ ফাঁকাই থাকে। নীচে গঙ্গার রোগাটে জলধারা। এটাই নাকি আদি গঙ্গা। এখন ভাটার টান। জল প্রায় নেই বললেই হয়। কেমন একটা চাপা দুর্গন্ধ আসছে নীচ থেকে। এ সময়ে এদিকে লোকজন খুব একটা আসে না। সিঁড়ির শুরুতে পান্ডার দোকানে বসে দু’চারজন গুলতানি করছে। আমাদের দেখে ওরা কথা বন্ধ করল। সবক’টা চোখ যেন আমাদের দিকেই। ওদের হাবভাবে মনে হচ্ছে, আমাদের দেখে ওরা বেশ অবাকই হয়েছে। কয়েক ধাপ নেমে আমরা একটা সিঁড়িতে বসতেই, ওরা আবার কথা শুরু করল। মাঝে মাঝে নীচের দিকে চাইছে। ওদের আলোচনার বিষয় বোধহয় আমরাই। যেখানে বসেছি, একটু নেমে বাঁদিকে সিঁড়ির পাশেই একটা বটগাছ। কিছু ডালপালা সমেত ঝুঁকে পড়েছে নীচের তিরতিরে জলে আলো ছায়ার খেলা। —খুব তো জমিয়ে বসলে, বাড়ি ফিরবে না? তিথি উত্তর দেয় না। হাতের ব্যাগটা কোলে রেখে, শাড়ির পাড় টেনে টেনে সমান করতে করতে বলে, —ইস, কতদিন এমন নিরিবিলিতে বসিনি!
বললাম,—আমাদের এই শহরে তো নিরিবিলি জায়গা নেই, তোমাদের ওখানে? থাকলেই বা, গল্প করার লোক কোথায়? দু’একটা ইটের টুকরো জলের দিকে ছুঁড়ে দেয় তিথি, আর কোনও কথা বলে না। কিছুক্ষণ দু’জনেই চুপচাপ বসে থাকি। ও হয়তো চাইছে, আমি কিছু বলি। কিন্তু কীভাবে কী বলব বুঝতে পারছি না। কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে। পকেটে হাত দিয়ে সিগারেট খুঁজি। না, একটাও নেই। অগত্যা, রুমালে মুখটা বার কয়েক মুছে নিলাম। পান্ডাদের দোকান থেকে এখন আর কোনও শব্দ আসছে না। কালীঘাটের মন্দিরে সন্ধ্যা-আরতির শব্দ। এপার-ওপার করার জন্য দু’টো নৌকা বাঁধা। কেউ পারাপার করছে না। ভাটার টানে কীসের যেন একটা কঙ্কাল ভেসে এসেছে। একটা কুকুর পাশ দিয়ে ছুটে নেমে গেল। হাওয়ায় ভ্যাপসা গন্ধ ভেসে আসতেই মনে হল, এবার উঠতে হবে।
কী আর বলি, উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললাম—তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে চল্লিশের কাছে পৌঁছে—তার পরেও তো কয়েক বছর কেটে গেল—উঠে দাঁড়ায় তিথি। সিঁড়ি দিয়ে আমরা ওপরে উঠতে না উঠতেই, এদিকের দোকানের আলো নিভে গেল। আবছা অন্ধকারে কে যেন নিচে নেমে যাচ্ছে। বললাম ওকে, আসলে কী জানো, কেমন যেন ভয় করে। আর পাঁচজনের মতো পেরে উঠব কি না জানি না—
একবার মুখ তুলে আমার দিকে চেয়ে, মাথা নীচু করে হাঁটতে থাকে তিথি। কতদিন আর এভাবে চলবে?
রাস্তার দু’দিকের সব আলো এখন জ্বলছে। সোজা এগিয়ে গেলে কালীঘাটের মন্দির। সন্ধ্যা-আরতি শেষ হওয়ায়, ওদিক থেকে আর কোনও শব্দ আসছে না। বাঁদিকের রাস্তাটা কালীঘাট ব্রিজের দিকে গেছে। আমরা সামনের দিকে এগুতে থাকি। —কী জানো, আমাদের সম্পর্কটা কেমন যেন নিরুত্তাপ হয়ে পড়েছে—
তিথি একবার শুধু চাইল আমার দিকে। খুব আস্তে নিঃশ্বাস ফেলল। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে মনে হল, আমাদের এমন কিছু করা উচিত, যাতে সব কিছু তোলপাড় হয়ে যায়। উলটে-পালটে যায়। হঠাৎ মনে হল কথাটা। আজকাল মাঝে মাঝেই এইরকম মনে হয়। কিছুই করতে পারি না। তিথি আড়চোখে আমাকে দেখে নিয়ে বলল, কী করতে চাও, শুনি? উত্তরে শুধু হাত নাড়লাম। বলার কিছুই নেই। কী যে করতে চাই, তা আমি কী জানি?
তিথি আর কিছুই বলছে না। অন্যমনস্কভাবে হাতের ব্যাগটা ঘোরাচ্ছে। ভেতরে ভেতরে আমি কেমন অস্থির হয়ে পড়ছি। রাস্তায় বেশ ভিড়। দু’পাশের দোকানে আলো ঝলমল করছে। রিকশা-ট্যাক্সি-প্রাইভেট। চারদিকে শব্দ, আলো আর ভিড়ে খুব জোরে একবার চিৎকার করে উঠতে ইচ্ছে হচ্ছে। চলতে চলতেই ওর একটা হাত ধরে বললাম—কিছু বলবে না? —কী বলব! হাত ছাড়িয়ে নেয় তিথি। পর মুহূর্তেই কেমন যেন ক্লান্ত বিষণ্ণ মনে হল।
আমরা বাস রাস্তায় এসে পড়লাম। সামনেই বাস স্টপ। শেডের নীচে কেউ দাঁড়িয়ে নেই। আমরা যেতেই আর একজন এসে দাঁড়াল। এবার চলে যাবে তিথি। আমাকেও তো ফিরতে হবে। কাল থেকে আবার একরকম। বাড়ি, অফিস, আড্ডা। বাস মিনিবাস ভিড়। কারণে-অকারণে রাস্তায় হাঁটা। কীভাবে যে দিনগুলি যায়! মাঝে মাঝে ওর চিঠি এলে, বুকের ভেতরটা কেমন যেন করে ওঠে। ইচ্ছে হয় চিৎকার করে সবাইকে বলি। ছুটে গিয়ে রাস্তার সব গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিই। উঁচু একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে সবাইকে শুনিয়ে ওর চিঠিটা পড়তে থাকি। কিন্তু তা হয় না। হতে পারে না। আজকের এই সময়টুকু যদি—
লাল মিনিবাসটা এসে দাঁড়াতেই, তিথি আমার দিকে চেয়ে হেসে হাত নাড়ল। চলি—
মিনিটা ওকে নিয়ে চলতে শুরু করতেই, একটু এগিয়ে গিয়ে বললাম,—আবার কবে আসবে? হেসে মাথা নাড়ে তিথি। গাড়িটা ওকে নিয়ে সামনের দিকে ছুটে যায়।
অলংকরণ : ইন্দ্রনীল ঘোষ
14th  May, 2017
বুঝিবে ফাজিল অঙ্ক শুভঙ্কর ভনে 

আমরা একটি সিরিজ শুরু করছি— ‘কিংবদন্তির নায়ক-নায়িকা’। আমরা কথা প্রসঙ্গে এমন সব পুরুষ মহিলার নাম কথা প্রসঙ্গে নিয়ে থাকি, যাঁরা খুব যেন পরিচিত, কিন্তু তাঁদের সম্পর্কে এমন কিছুই জানি না। তাঁদের ঘিরে নানান গল্পগুজব গড়ে উঠেছে। বিশদ

28th  May, 2017
বাংলা নাটক 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  কলকাতায় একটা যাত্রাপাড়া আছে, ওখানে বিভিন্ন যাত্রা কোম্পানিগুলির অফিস, ওখান থেকেই বুকিং হয়। রিহার্সাল কোথায় হয় জানি না। রবীন্দ্র সরণির নতুন বাজার থেকে আহেরিটোলার মোড় পর্যন্ত ৩০০-৩৫০ মিটার দূরত্বের মধ্যে এখনও কমপক্ষে ৩০-৩৫টি যাত্রাদলের গদি রয়েছে।
বিশদ

28th  May, 2017
মারুবেহাগ
 

ভাস্কর গুপ্ত:   ১  সাড়ে সাতটা বেজেছে। টিভি’টা বন্ধ করে বারান্দায় এসে দাঁড়ায় সুনীপা। তিনতলার এই দু’কামরার ছোট্ট ফ্ল্যাটের বারান্দাটাও সেই মাপে। তবুও এই বারান্দাটা খুব পছন্দের সুনীপার।
বিশদ

28th  May, 2017
গুরুর নির্দেশে শবসাধনায় বসলেন তারানাথ 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। তারপরই শুরু হবে এক নতুন জীবন। তারাপীঠে আসার পর থেকে তারানাথও খুব প্রয়োজন ছাড়া গুরুর কাছ ছাড়া হচ্ছেন না এবং বামদেবও চাইছেন শিষ্য তাঁর আশেপাশেই থাকুন।
বিশদ

21st  May, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ 
সাতক্ষীরের দীপ্তিময় মল্লিক

 অমর মিত্র: দীপ্তিময়, দীপ্তি মল্লিকের বয়স ৭৫-এর মতো। তিনি পিতৃপুরুষের ভিটে ছাড়েননি। দীপ্তি মল্লিকের সঙ্গে আমার দেখা বাংলাদেশের সাতক্ষীরেয় আমার পিতৃপুরুষের ফেলে আসা ভিটে দেখতে গিয়ে। তিনি শিক্ষক ছিলেন। একটি কন্যা এবং এক পুত্র।
বিশদ

21st  May, 2017
সন্ধ্যাতারা 

পাপিয়া ভট্টাচার্য:  সেন্ট্রালের সামনে ওকে নামিয়ে দিয়ানা বলল, ‘সরি বনি, আমি আর ওয়েট করব না। তুমি ঠিকঠাক চলে যেও। ফোন করব। সরি এগেইন।’
গ্যাসচালিত ধোঁয়াহীন বাইকটা ঝড়ের বেগে বেরিয়ে যাবার পর খেয়াল হল তার, ইস, আবারও সেই একই ভুল।
বিশদ

21st  May, 2017
গানের ভিতর দিয়ে 

স্বপ্নময় চক্রবর্তী:  বাঙালির মনন বাংলা গানকে বলেছে তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে। বাংলা গান এসেছে নবনব রূপে। কিন্তু কানে এসেছে প্রাণে নয়। সেই কবিওয়ালাদের গান থেকে রামপ্রসাদ-নিধুবাবু হয়ে সলিল চৌধুরি হয়ে আজকের ব্যান্ডের গান পর্যন্ত নব নব রূপেই এসেছে।
বিশদ

14th  May, 2017
ইতিহাসের আলোছায়ায় 
টোডার মল

বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়: টোডার মল ছিলেন আকবর বাদশার প্রথম রেভিনিউ মিনিস্টার এবং দক্ষ ভূমি ও ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থার যথার্থ রূপকার। তাঁর জন্ম হয়েছিল লাহোরে। অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম। বাদশার কাজে তিনি যোগ দেন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া। বিশদ

14th  May, 2017
জ্বলন্ত চিতায় তারামাকে দর্শন করলেন তারানাথ  

পর্ব-১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  মাসটা কার্তিক। বেশ ঠাণ্ডাও পড়েছে। প্রায় বাহাত্তর ঘন্টা ট্রেন- সফর করে বীরভূমের মল্লারপুর স্টেশনে এসে নামলেন ব্রহ্মচারী প্রমথেশ। রামপুরহাটের আগের স্টেশনটিই মল্লারপুর। বিশদ

07th  May, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
ভা গ্যা ন্বে ষী মা নু ষ

পর্ব-১৮
অমর মিত্র:  বাংলা সন ১৩৪৮, ইংরিজি ১৯৪১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধের বাজারের মন্দা শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ লাখপতি হচ্ছে, কেউ নিঃস্ব। অনেকগুলি পুত্র কন্যা নিয়ে তিনি গঙ্গার পশ্চিমকুলে হাওড়া জেলার সালকিয়ায় পৈতৃক বাড়িতে মুখ গুঁজে থাকতেন।
বিশদ

07th  May, 2017



একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৯ মে (পিটিআই): সাংবাদিক রাজদেও রঞ্জন হত্যা মামলায় আরজেডি নেতা সাহাবুদ্দিনকে হেপাজতে নিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহাবুদ্দিনকে এজেন্সির ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশের বেশি নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা অন্য বছরগুলির তুলনায় অনেকটাই বেশি বলে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কার্যলয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ...

সিওল, ২৯ মে: তিন সপ্তাহের মধ্যে ফের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া। জাপানের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আছড়ে পড়েছে। স্কাড মিসাইলটি ৪৫০ কিলোমিটার আকাশপথ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাহাড় জয়ের স্বপ্নে এবার হাত মেলাল দুই বাংলা। কলকাতার পর্বতারোহী সত্যরূপ সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহিম একযোগে অভিযান শুরু করলেন ওশিয়ানিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কারস্টেইনৎস পিরামিড ওরফে পুনসাক জয়া-র উদ্দেশ্যে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM

সংসদের ওয়েবসাইটে এবার জেলাওয়াড়ি সেরাদের নাম ও স্কুলের নাম প্রকাশিত হবে 

10:13:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...