গল্পের পাতা
 

তিথির সঙ্গে কিছুক্ষণ 

আশিস ঘোষ:  ঠিক সন্ধের শুরুতে তিথি এল। কখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি। কত বাস, মিনিবাস, ট্যাক্সি দাঁড়াল। লোকজন ওঠানামা করল। তিথি আর আসে না। ক্লান্ত বিরক্ত হয়ে চলে যাব কিনা ভাবছি, এমন সময় তিথি এল। ঠিক সন্ধের শুরুতে।
—দেখলে তো ঠিক এলাম।
—সে তো দেখতেই পাচ্ছি।
—রাগ করেছ?
উত্তর না দিয়ে চলতে শুরু করলাম। তিথি পাশে পাশেই হাঁটছে। ফুটপাথ ঘেঁষে একটা বাইক শব্দ ছড়িয়ে যেতেই মনে হল, কোথাও একটু বসলে ভালো হত। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পা ভারী। কিন্তু বসব কোথায়? এত বড় শহরে ইচ্ছেমতো বসার জায়গা পাওয়া যায় না। এ সময়ে কোনও ভালো রেস্তরাঁয় একটা চেয়ারও খালি থাকে না। শহরের বেশিরভাগ পার্ক এখন পাতাল রেলের দখলে। তা হলে? —এই, সিনেমায় যাবে? চলতে চলতে তিথি হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে। টিকিট?
পিঠে আলতো একটা খোঁচা দিয়ে তিথি বলল—টিকিট হলে পাওয়া যায়—
—অসম্ভব। ছ’টা প্রায় বাজতে চলল। এখন কোনও হলেই টিকিট পাবে না—
—ঠিক আছে। চেষ্টা করে দেখাই যাক না। তিথি রাস্তা ঘেঁষে দাঁড়ায়।
আমাদের উলটো দিকেই একটা সিনেমা হল। হলের সামনে প্রচুর ভিড়। হাউজের মাথায় সবে মাত্র আলো জ্বলে উঠেছে। ওদিকে চোখ রেখেই তিথি ফুটপাথ ছেড়ে রাস্তায় নামল। ভীষণ জেদি। কিছু একটা ঠিক করলে, যতক্ষণ না তা করতে পারছে, ছটফট করতে থাকবে। পারলে ভালো। না পারলে রাগটা পড়বে আমার ওপর। এগিয়ে ওর একটা হাত ধরলাম। ফিরে তাকাল তিথি। এই, কী হচ্ছে? মানে? মানে তোমার মুণ্ডু। হাত ছাড়িয়ে ও তাড়াতাড়ি ও পাশের ফুটপাথে উঠে গেল।
যা ভেবেছিলাম। হাউজ ফুল। নীল আলোয় লেখা ছোট শব্দ দুটো আমাদের দিকে চেয়ে মিটিমিটি হাসছে। দেখলে তো, বলেছিলাম না?
তিথি উত্তর দিল না। বারকয়েক এদিক-ওদিক চাইল। ওর মুখটা কেমন লাল হয়ে উঠেছে। জানি, এখন রাগটা পড়বে আমার ওপরেই। আজ সন্ধেটাই মাটি। আমাদের ঠিক চার ফুট দূরত্বে হাফ-প্যান্ট পরা একটা লোক দাঁড়িয়ে। চেহারা দেখলেই মনে হয় ব্ল্যাকে টিকিট বিক্রি করে। ওর কাছেই টিকিট চাইব কিনা ভাবছি, তিথি হঠাৎ এগিয়ে গেল। কী সব কথা হল ওদের মধ্যে। কত চাইবে কে জানে। বেশি টাকা দিয়ে এসব সিনেমা দেখার কোনও মানে হয়? বিরক্ত হয়ে তিথিকে ডাকতে যাব ও নিজেই এগিয়ে এল। তিরিশ টাকা বেশি চাইছে—
—খেপেছ? চল অন্য কোথাও যাই—
মাথা নাড়ে তিথি।—তাই চলো। এত বেশি দাম দেওয়ার কোনও মানে হয় না—
আর দাঁড়ালাম না। খানিকটা এগিয়ে ‘মাদ্রাজি কাফে’র সামনে দাঁড়ালাম। ব্যাগ খুলে কী যেন খুঁজছিল তিথি। রুমালে মুখটা মুছে নিল। এই কয়েক মিনিটের উত্তেজনায় কপালে নাকের ডগায় কয়েক ফোঁটা ঘাম জমেছিল। কাফেতেও বসার জায়গা নেই। একগাদা ভিড়। সবাই কথা বলছে। কারুর কথাই বোঝা যাচ্ছে না। সাদা পোশাকের একজন বেয়ারা এসে আমাদের দাঁড়াতে বলল। কাউন্টারের সামনে দাঁড়ালাম। কোনও টেবিল খালি হচ্ছে না। এভাবে আর কতক্ষণ দাঁড়ানো যায়। তিথির দিকে চাইতেই ও কেমন ছটফটিয়ে উঠল। চলো, বেরিয়ে যাই—
—কোথায় যাবে? যেখানে হোক। এখানে তো বসার জায়গা নেই। বলতে বলতে ও দরজার দিকে পা বাড়াল। চারদিকে চোখ বুলিয়ে আর একবার বসার জায়গা খুঁজে, আমাকেও এগুতে হল। বাইরে এসে বললাম, —দূর, আজকের সন্ধেটাই মাটি-যদি অত দেরি না করতে—
কী যেন বলল তিথি। শোনা গেল না। রাস্তার ভিড় আগের চাইতেও বেড়েছে। ফুটপাথেও ঠিকমতো হাঁটার উপায় নেই। এখানে-ওখানে গর্ত। হকারদের দোকান। রাস্তা দিয়েও হাঁটা যায় না। পর পর সব গাড়ি। একটু অসতর্ক হলেই—এত লোক যে কেন রাস্তায় বেরয়। রাস্তায় হাঁটা যায় না। শুধু লোক লোক আর লোক। এই শহর নিয়ে আমরা এত হইচই করি। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয়, এখান থেকে পালাতে পারলে বাঁচা যেত। ওকে নিয়ে হয়েছে বিপদ। একা হলে যেভাবে হোক সময় কাটাতাম। কিন্তু ওকে নিয়ে এখন যাই কোথায়? কী যে করি। এমনিতে আমাদের দেখা সাক্ষাৎ খুব একটা হয় না। ও থাকে উত্তরে। আমি দক্ষিণে। ওর চাকরি মফস্‌স঩লের একটা স্কুলে। আমার ডালহৌসিতে। যে যার মতো থাকি। সপ্তাহ মাস চলে যায়। চিঠিতেই যা যোগাযোগ। মাঝেমধ্যে ও কলকাতায় এলে, এভাবেই আমাদের দেখা হয়।...
হাঁটতে হাঁটতে আমরা কালীঘাটের গঙ্গার কাছে এসে পড়লাম। প্রায় সাতটা বাজে। এ সময়ে এদিকটা বেশ ফাঁকাই থাকে। নীচে গঙ্গার রোগাটে জলধারা। এটাই নাকি আদি গঙ্গা। এখন ভাটার টান। জল প্রায় নেই বললেই হয়। কেমন একটা চাপা দুর্গন্ধ আসছে নীচ থেকে। এ সময়ে এদিকে লোকজন খুব একটা আসে না। সিঁড়ির শুরুতে পান্ডার দোকানে বসে দু’চারজন গুলতানি করছে। আমাদের দেখে ওরা কথা বন্ধ করল। সবক’টা চোখ যেন আমাদের দিকেই। ওদের হাবভাবে মনে হচ্ছে, আমাদের দেখে ওরা বেশ অবাকই হয়েছে। কয়েক ধাপ নেমে আমরা একটা সিঁড়িতে বসতেই, ওরা আবার কথা শুরু করল। মাঝে মাঝে নীচের দিকে চাইছে। ওদের আলোচনার বিষয় বোধহয় আমরাই। যেখানে বসেছি, একটু নেমে বাঁদিকে সিঁড়ির পাশেই একটা বটগাছ। কিছু ডালপালা সমেত ঝুঁকে পড়েছে নীচের তিরতিরে জলে আলো ছায়ার খেলা। —খুব তো জমিয়ে বসলে, বাড়ি ফিরবে না? তিথি উত্তর দেয় না। হাতের ব্যাগটা কোলে রেখে, শাড়ির পাড় টেনে টেনে সমান করতে করতে বলে, —ইস, কতদিন এমন নিরিবিলিতে বসিনি!
বললাম,—আমাদের এই শহরে তো নিরিবিলি জায়গা নেই, তোমাদের ওখানে? থাকলেই বা, গল্প করার লোক কোথায়? দু’একটা ইটের টুকরো জলের দিকে ছুঁড়ে দেয় তিথি, আর কোনও কথা বলে না। কিছুক্ষণ দু’জনেই চুপচাপ বসে থাকি। ও হয়তো চাইছে, আমি কিছু বলি। কিন্তু কীভাবে কী বলব বুঝতে পারছি না। কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে। পকেটে হাত দিয়ে সিগারেট খুঁজি। না, একটাও নেই। অগত্যা, রুমালে মুখটা বার কয়েক মুছে নিলাম। পান্ডাদের দোকান থেকে এখন আর কোনও শব্দ আসছে না। কালীঘাটের মন্দিরে সন্ধ্যা-আরতির শব্দ। এপার-ওপার করার জন্য দু’টো নৌকা বাঁধা। কেউ পারাপার করছে না। ভাটার টানে কীসের যেন একটা কঙ্কাল ভেসে এসেছে। একটা কুকুর পাশ দিয়ে ছুটে নেমে গেল। হাওয়ায় ভ্যাপসা গন্ধ ভেসে আসতেই মনে হল, এবার উঠতে হবে।
কী আর বলি, উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললাম—তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছে চল্লিশের কাছে পৌঁছে—তার পরেও তো কয়েক বছর কেটে গেল—উঠে দাঁড়ায় তিথি। সিঁড়ি দিয়ে আমরা ওপরে উঠতে না উঠতেই, এদিকের দোকানের আলো নিভে গেল। আবছা অন্ধকারে কে যেন নিচে নেমে যাচ্ছে। বললাম ওকে, আসলে কী জানো, কেমন যেন ভয় করে। আর পাঁচজনের মতো পেরে উঠব কি না জানি না—
একবার মুখ তুলে আমার দিকে চেয়ে, মাথা নীচু করে হাঁটতে থাকে তিথি। কতদিন আর এভাবে চলবে?
রাস্তার দু’দিকের সব আলো এখন জ্বলছে। সোজা এগিয়ে গেলে কালীঘাটের মন্দির। সন্ধ্যা-আরতি শেষ হওয়ায়, ওদিক থেকে আর কোনও শব্দ আসছে না। বাঁদিকের রাস্তাটা কালীঘাট ব্রিজের দিকে গেছে। আমরা সামনের দিকে এগুতে থাকি। —কী জানো, আমাদের সম্পর্কটা কেমন যেন নিরুত্তাপ হয়ে পড়েছে—
তিথি একবার শুধু চাইল আমার দিকে। খুব আস্তে নিঃশ্বাস ফেলল। পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে মনে হল, আমাদের এমন কিছু করা উচিত, যাতে সব কিছু তোলপাড় হয়ে যায়। উলটে-পালটে যায়। হঠাৎ মনে হল কথাটা। আজকাল মাঝে মাঝেই এইরকম মনে হয়। কিছুই করতে পারি না। তিথি আড়চোখে আমাকে দেখে নিয়ে বলল, কী করতে চাও, শুনি? উত্তরে শুধু হাত নাড়লাম। বলার কিছুই নেই। কী যে করতে চাই, তা আমি কী জানি?
তিথি আর কিছুই বলছে না। অন্যমনস্কভাবে হাতের ব্যাগটা ঘোরাচ্ছে। ভেতরে ভেতরে আমি কেমন অস্থির হয়ে পড়ছি। রাস্তায় বেশ ভিড়। দু’পাশের দোকানে আলো ঝলমল করছে। রিকশা-ট্যাক্সি-প্রাইভেট। চারদিকে শব্দ, আলো আর ভিড়ে খুব জোরে একবার চিৎকার করে উঠতে ইচ্ছে হচ্ছে। চলতে চলতেই ওর একটা হাত ধরে বললাম—কিছু বলবে না? —কী বলব! হাত ছাড়িয়ে নেয় তিথি। পর মুহূর্তেই কেমন যেন ক্লান্ত বিষণ্ণ মনে হল।
আমরা বাস রাস্তায় এসে পড়লাম। সামনেই বাস স্টপ। শেডের নীচে কেউ দাঁড়িয়ে নেই। আমরা যেতেই আর একজন এসে দাঁড়াল। এবার চলে যাবে তিথি। আমাকেও তো ফিরতে হবে। কাল থেকে আবার একরকম। বাড়ি, অফিস, আড্ডা। বাস মিনিবাস ভিড়। কারণে-অকারণে রাস্তায় হাঁটা। কীভাবে যে দিনগুলি যায়! মাঝে মাঝে ওর চিঠি এলে, বুকের ভেতরটা কেমন যেন করে ওঠে। ইচ্ছে হয় চিৎকার করে সবাইকে বলি। ছুটে গিয়ে রাস্তার সব গাড়ি দাঁড় করিয়ে দিই। উঁচু একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে সবাইকে শুনিয়ে ওর চিঠিটা পড়তে থাকি। কিন্তু তা হয় না। হতে পারে না। আজকের এই সময়টুকু যদি—
লাল মিনিবাসটা এসে দাঁড়াতেই, তিথি আমার দিকে চেয়ে হেসে হাত নাড়ল। চলি—
মিনিটা ওকে নিয়ে চলতে শুরু করতেই, একটু এগিয়ে গিয়ে বললাম,—আবার কবে আসবে? হেসে মাথা নাড়ে তিথি। গাড়িটা ওকে নিয়ে সামনের দিকে ছুটে যায়।
অলংকরণ : ইন্দ্রনীল ঘোষ
14th  May, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শহরে তোলাবাজির অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক প্রোমোটার। মহম্মদ ওমর ফারুখ নামে ওই প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। লালবাজার সূত্রে এই ...

ইসলামাবাদ, ২২ জুলাই (পিটিআই): পানামা পেপার ফাঁস কেলেঙ্কারিতে শেষ পর্যন্ত গদি খোয়াতে হতে পারে নওয়াজ শরিফকে। এমন আশঙ্কায় শরিফের উত্তরসূরি হিসাবে বেছে নেওয়া হল তাঁর ভাইকেই। শাহবাজ শরিফ এখন পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং নওয়াজের ছোট ভাই। তবে শাহবাজ শরিফ পাক ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:06:00 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM